হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1369)


وَعَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صُنِعَ إِلَيْهِ مَعْرُوفٌ, فَقَالَ لِفَاعِلِهِ: جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا فَقَدْ أَبْلَغَ فِي الثَّنَاءِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (2035)، وابن حبان (3404) وقال الترمذي: هذا حديث حسن جيد غريب




১৩৬৯। উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার প্রতি কোন কল্যাণ করা হবে আর সে তার ঐ কণ্যাণের বিনিময়ে কল্যাণকারীর উদ্দেশে বলবে (দুআ করবে) আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, তবে সে তার চরম গুণ বর্ণনা করলো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ২০৩৫।









বুলূগুল মারাম (1370)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ نَهَى عَنِ النَّذْرِ وَقَالَ: «إِنَّهُ لَا يَأْتِي بِخَيْرٍ وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6608)، ومسلم (1639) واللفظ لمسلم. وفي لفظ لهما: «إنه لا يرد شيئًا» وآخره مثله. إلا أنه وقع عند مسلم في رواية: «وإنما يستخرج به من الشحيح». وفي أخرى لهما أيضًا: «إن النذر لا يقدم شيئًا، ولا يؤخر» والباقي مثله




১৩৭০। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, মানত কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এর দ্বারা শুধু কৃপণের কিছু মাল বের হয়ে যায়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৬৯২, ৬৬৯৩, মুসলিম ১৬৩৯, নাসায়ী ৩৮০১, ৩৮০২, ৩৮০৩, আবূ দাউদ ৩২৮৭, ইবনু মাজাহ ২১২২, আহমাদ ৫২৫৩, ৫৫৬৭, দারেমী ২৩৪০।









বুলূগুল মারাম (1371)


وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَفَّارَةُ النَّذْرِ كَفَّارَةُ يَمِينٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ.

وَزَادَ التِّرْمِذِيُّ فِيهِ: إِذَا لَمْ يُسَمِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1645)

ضعيف. رواه الترمذي (1528) وفيه محمد بن يزيد الفلسطيني وهو «مجهول» وهذا الزيادة أيضًا عند ابن ماجه (2127) بسند ضعيف




১৩৭১। ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানতের (পুরণ না করার) কাফফারা ক্বসম ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৪৫, তিরমিযী ১৫২৮, নাসায়ী ৩৮৩২, আবূ দাউদ ৩৩২৩, আহমাদ ১৬৮৫০, ১৬৮৬৮।









বুলূগুল মারাম (1372)


وَلِأَبِي دَاوُدَ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ مَرْفُوعًا: «مَنْ نَذَرَ نَذْرًا لَمْ يُسَمِّهِ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ, وَمَنْ نَذَرَ نَذْرًا فِي مَعْصِيَةٍ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ, وَمَنْ نَذَرَ نَذْرًا لَا يُطِيقُهُ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ». وَإِسْنَادُهُ صَحِيحٌ; إِلَّا أَنَّ الْحُفَّاظَ رَجَّحُوا وَقْفَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف مرفوعًا. رواه أبو داود (3322) من طريق طلحة بن يحيى الأنصاري عن عبد الله بن سعيد بن أي هند، عن بكير بن عبد الله الأشج، عن كريب، عن ابن عباس مرفوعًا، به. وزاد: «ومن نذر نذرًا أطاقه، فليف به» قلت: هكذا رواه طلحة، وخالفه وكيع، فرواه موقوفًا. رواه عن ابن أبي شيبة (4/ 173) ولا شك أن رواية وكيع هي الصواب خاصة إذا قابلت بين ترجمة الرجلين ولذا قال أبو داود: «روي هذا الحديث وكيع وغيره عن عبد الله بن سعيد أوقفوه علي بن عباس». وكذلك قال أبو زرعة وأبو حاتم (1/ 441 / 1326): الموقوف الصحيح




১৩৭২। আবূ দাউদে ইবন আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক মারফূ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি কোন (বস্তুর) নাম উল্লেখ না করে মানত মানবে তার কাফফারা হবে আল্লাহর নামে ক্বসম করে তা ভেঙ্গে ফেলার কাফফারার অনুরূপ। আর যে পাপ কাজ করার মানত করবে তার কাফফারা হবে। আল্লাহর নামে কসম করে তা ভাঙ্গার অনুরূপ কাফফারা। আর যে এমন বস্তুর মানত করবে যা সাধ্যাতীত তার কাফফারা হবে ক্বসম ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ। এর সানাদ সহীহ কিন্তু হাদীস শাস্ত্রের হাফিযগণ হাদীসটির মাওকুফ হওয়াকে অধিক প্রাধান্য দিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩২২, ইবনু মাজাহ ২১২৮।

শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ ৩৩২২, তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩৩৬৯ গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটিকে মারফূ হিসেবে দুর্বল বলেছেন, আর যঈফুল জামে ৫৮৬২ তে দুর্বল বলেছেন। ইরওয়াউল গালীল ৮/২১০ গ্রন্থে বলেন, সঠিক হচ্ছে সানাদটি পৌছেছে ইবনু আব্বাস পর্যন্ত। যঈফ ইবনু মাজাহ ৪১৫ গ্রন্থে বলেন, অত্যন্ত দুর্বল তবে মাওকুফ হিসেবে সহীহ। আত্তালিকাত আর রাযীয়্যাহ ১২/৩ গ্রন্থে বলেন, এটি মাওকূফের দোষে দুষ্ট।









বুলূগুল মারাম (1373)


وَلِلْبُخَارِيِّ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ: «وَمَنْ نَذَرَ أَنْ يَعْصِيَ اللَّهَ فَلَا يَعْصِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6700) وأوله: من نذر أن يطيع الله، فليطعه




১৩৭৩। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। বুখারীতে আছে, যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করার নযর মানবে সে যেন তাঁর বিরুদ্ধাচরণ না করে। (তথা নযর পূরণ না করে)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] এর প্রথমাংশটুকু হচ্ছে: من نذر أن يطيع الله، فليطعه যে লোক আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে যেন তাঁর আনুগত্য করে। বুখারী ৬৬৯৬, নাসায়ী ৩৮০৬, ৩৮০৭, আবূ দাউদ ৩২৮৯, ইবনু মাজাহ ২১২৬, আহমাদ ২৩৫৫৫, ২৩৬২১, মালেক ১০৩১, দারেমী ২৩৩৮।









বুলূগুল মারাম (1374)


وَلِمُسْلِمٍ: مِنْ حَدِيثِ عِمْرَانَ: «لَا وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6700) وأوله: «من نذر أن يطيع الله، فليطعه

صحيح. رواه مسلم (1641) في حديث طويل، وهو حديث عظيم، فيه أحكام عظيمة، منها جواز سفر المرأة بدون محرم في حالة مخصوصة، كما كنت بينت ذلك في كتابي «أوضح البيان في حكم سفر النسوان




১৩৭৪। মুসলিমে ইমরান (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আছে; পাপ কাজের নযর মানলে তা পূরণ করা যাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম মুসলিম (রহঃ) একটি লম্বা হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আর তা একটি মর্যাদাপূর্ণ হাদীস। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে। তন্মধ্য হতে একটি হলোঃ নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় মহিলার মাহরাম পুরুষ ব্যতিত একাকী সফর করার বৈধতা। মুসলিম ১৬৪১, নাসায়ী ৩৮১২, ৩৮৪৭, আবূ দাউদ ৩৩১৬, আহমাদ ১৯৩৫৫, ১৯৩৬২, দারেমী ২৩৩৭, ২৫০৫।









বুলূগুল মারাম (1375)


وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: نَذَرَتْ أُخْتِي أَنْ تَمْشِيَ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ حَافِيَةً, فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «لِتَمْشِ وَلْتَرْكَبْ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1866)، ومسلم (1644)، وهو نفس لفظ البخاري سوى قوله: «حافية». وعندهما قول عقبة: فأمرتني أن أستفتي لها النبي صلى الله عليه وسلم، فاستفتيته




১৩৭৫। ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন খালি পায়ে হেঁটে বায়তুল্লাহ হাজ্জ করার মানত করেছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ারও হোক।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে রয়েছে, ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রা)- বলেন, আমাকে আমার বোন এ বিষয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ফাতাওয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। বুখারী ১৮৬৬, মুসলিম ১৬৪৪, তিরমিযী ১৫৪৪, নাসায়ী ৩৮১৪, ৩৮১৫, আহমাদ ১৬৮৪০, দারেমী ২৩৩৪।









বুলূগুল মারাম (1376)


وَلِلْخَمْسَةِ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ لَا يَصْنَعُ بِشَقَاءِ أُخْتِكَ شَيْئًا, مُرْهَا: [فَلْتَخْتَمِرْ] , وَلْتَرْكَبْ, وَلْتَصُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه أحمد (4/ 143 و 145 و 149) وأبو داود (3293)، والنسائي (7/ 20)، والترمذي (1544)، وابن ماجه (2134) قال الترمذي: «هذا حديث حسن». قلت: بل ضعيف؛ فإن في سنده عبيد الله بن زحر، وهو «ضعيف. منكر الحديث»، وذكر الذهبي في «الميزان» هذا الحديث من منكراته




১৩৭৬। আহমদ, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ-এর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অবশ্যই তোমার বোনের কোন কষ্ট দ্বারা আল্লাহ কিছু করবেন না। তোমার বোনকে বল সে ওড়না (চাদর) পরে নেয়। সাওয়ার হোক আর তিন দিন রোযা রাখুক।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮৬৬, মুসলিম ১৬৪৪, তিরমিযী ১৫৪৪, নাসায়ী ৩৮১৪, ৩৮১৫, আবূ দাউদ ৩২৯৯, ৩৩০৪, ইবনু মাজাহ ২১৩৪, আহমাদ ১৬৮৪০, ১৬৮৫৫, দারেমী ২৩৩৪। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীলে ২৫৯২ একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা নাযারিয়াতুল আকদ ৪০ গ্রন্থে বলেন, এই সানাদের কোন দোষ জানায় যায় না।

ইমাম শাওকানী নাইলুল আওতার ৯/১৪৫ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আবদুল্লাহ বিন যুহর সম্পর্কে একদল ইমাম সমালোচনা করেছেন। ইমাম বাইহাকী আস সুনান আল কুবরা ১০/৮০ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের ব্যাপারে মতানৈক্য রয়েছে। আলবানী যঈফ নাসায়ী ৩৮২৪ এ একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1377)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: اسْتَفْتَى سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ - رضي الله عنه - رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي نَذْرٍ كَانَ عَلَى أُمِّهِ, تُوُفِّيَتْ قَبْلِ أَنْ تَقْضِيَهُ? فَقَالَ: «اقْضِهِ عَنْهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2761)، ومسلم (1638)




১৩৭৭। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, সাদ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানতে চাইলেন যে, আমার মা মারা গেছেন এবং তার উপর মানৎ ছিল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৭৫৬, ২৭৬২, ২৭৭০, মুসলিম ১৬৩৮, তিরমিযী ৬৬৯, ১৫৪৬, নাসায়ী ৩৮১৭, ৩৮১৮, ৩৮১৯, আবূ দাউদ ২৮৮২, ৩৩০৭, ইবনু মাজাহ ২১৩২, আহমাদ ৩০৭০, ৩৪৯৪, মালেক ১০২৫।









বুলূগুল মারাম (1378)


وَعَنْ ثَابِتِ بْنِ الضَّحَّاكِ - رضي الله عنه - قَالَ: نَذَرَ رَجُلٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَنْحَرَ إِبِلًا بِبُوَانَةَ, فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَسَأَلَهُ: فَقَالَ: «هَلْ كَانَ فِيهَا وَثَنٌ يُعْبَدُ». قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ كَانَ فِيهَا عِيدٌ مِنْ أَعْيَادِهِمْ» فَقَالَ: لَا. فَقَالَ: «أَوْفِ بِنَذْرِكَ; فَإِنَّهُ لَا وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ, وَلَا فِي قَطِيعَةِ رَحِمٍ, وَلَا فِيمَا لَا يَمْلِكُ ابْنُ آدَمَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالطَّبَرَانِيُّ وَاللَّفْظُ لَهُ, وَهُوَ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3313)، والطبراني في «الكبير» (2/ 57 - 76/ 1341)




১৩৭৮। সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, কোন এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে বুওয়ানা নামক স্থানে একটা উট যাবাহ করার জন্য নযর মেনেছিল। সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে এসে তাকে জিজ্ঞেস করায় তিনি তাকে বললেন, ঐ স্থানে কি কোন ঠাকুরের মূর্তি ছিল যার পূজা করা হতো? সে বললো, না। তিনি বললেন, সেখানে কি মুশরিকদের কোন ঈদের মেলা হত? সে বললো, না; তা হত না। এবারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার নযর পূরণ কর, কেননা কোন পাপ কাজের নযর, আত্নীয়তা ছিন্ন করার নযার, মানুষ যার অধিকারী নয় এমন বস্তুর নযর পূরণ করার বিধান নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩১৩।









বুলূগুল মারাম (1379)


وَلَهُ شَاهِدٌ: مِنْ حَدِيثِ كَرْدَمٍ. عِنْدَ أَحْمَدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
وهو صحيح أيضًا. مسند أحمد (3/ 419)




১৩৭৯। আহমদে কারদাম হতে বর্ণিত এর একটি শাহিদ (সমাৰ্থবোধক হাদীস আছে)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৫০৩০।









বুলূগুল মারাম (1380)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَوْمَ الْفَتْحِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي نَذَرْتُ إِنْ فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْكَ مَكَّةَ أَنْ أُصَلِّيَ فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ, فَقَالَ: «صَلِّ هَا هُنَا». فَسَأَلَهُ, فَقَالَ: «صَلِّ هَا هُنَا». فَسَأَلَهُ, فَقَالَ: «شَأْنُكَ إِذًا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 363)، وأبو داود (3305)، والحاكم (4/ 304 - 305) بسند على شرط مسلم كما قال الحاكم




১৩৮০। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক ব্যক্তি মাক্কা বিজয়ের দিন বললোঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি এরূপ মানত মেনেছি যে, যদি মাক্কা আপনার হাতে বিজিত হয় তবে আমি বাইতুল মাক্বদিসের মসজিদে নামায পড়র। তিনি বললেনঃ তুমি এখানে (মাক্কায়) নামায পড়; তারপর জিজ্ঞাসা করায় বলেঃ এখানে নামায পড়, তারপর তৃতীয় বার জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেনঃ তবে তোমার যা ইচ্ছা (হয় কর)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩০৫, আহমাদ ১৪৫০২, ২২৬৫৮, দারেমী ২৩৩৯, হাকিম ৪র্থ খণ্ড ৩০৪ ও ৩০৫ পৃষ্ঠা।









বুলূগুল মারাম (1381)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ: مَسْجِد الْحَرَامِ, وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى, وَمَسْجِدِي». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ




১৩৮১। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিনটি মাসজিদ ব্যতীত কোন স্থানের যিয়ারাতের জন্য সফরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে না। এগুলো হচ্ছে, মাসজিদুল হারাম (কাবা শরীফ) বাইতুল মাক্বদিস ও আমার এ মাসজিদ (এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট নিয়্যাতে যাত্রা করা যায়)। উল্লেখিত শব্দ বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৮৬, ১১৮৯, ১৮৬৪, মুসলিম ৮২৭, নাসায়ী ৫৬৬, ৫৬৭, ইবনু মাজাহ ১২৪৯, ১৪১০, আহমাদ ১০৬৩৯, ২৭৯৪৮, দারেমী ১৭৫৩।









বুলূগুল মারাম (1382)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي نَذَرْتُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ; أَنْ أَعْتَكِفَ لَيْلَةً فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. قَالَ: «فَأَوْفِ بِنَذْرِكَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ (1) وَزَادَ الْبُخَارِيُّ فِي رِوَايَةٍ (2) فَاعْتَكَفَ لَيْلَةً

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2032)، ومسلم (1656)




১৩৮২। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেন যে, আমি জাহিলিয়্যা যুগে মাসজিদুল হারামে এক রাত ইতিকাফ করার মানত করেছিলাম। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ তোমার মানত পুরা কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৪২, ২০৪৩, ৩১৪৪, ৪৩২০, মুসলিম ১৬৫৬, তিরমিযী ১৫৩৯, নাসায়ী ৩৮২০, ৩৮২১, আবূ দাউদ ৩৩২৫, ইবনু মাজাহ ১৭৭২. আহমাদ ২৫৭, ৪৫৬৩, দারেমী ২৩৩৩।









বুলূগুল মারাম (1383)


عَنْ بُرَيْدَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ: اثْنَانِ فِي النَّارِ, وَوَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ. رَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ, فَقَضَى بِهِ, فَهُوَ فِي الْجَنَّةِ. وَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ, فَلَمْ يَقْضِ بِهِ, وَجَارَ فِي الْحُكْمِ, فَهُوَ فِي النَّارِ. وَرَجُلٌ لَمْ يَعْرِفِ الْحَقَّ, فَقَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ, فَهُوَ فِي النَّارِ». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3573)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 461 - 462)، والترمذي (1322)، والحاكم (4/ 90) من طريق عبد الله بن بريدة، عن أبيه، به




১৩৮৩। বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্বাযী (বিচারক) তিন প্রকারের, তার মধ্যে দু প্রকার ক্বাযী জাহান্নামী আর এক প্রকার জান্নাতী। যে ক্বাযী সত্য উপলব্ধি করবে এবং তদনুযায়ী ফায়সালাহ করবে সে জান্নাতবাসী হবে, আর এক ক্বাযী সে সত্য উপলব্ধি করবে; কিন্তু তদনুযায়ী ফয়সালাহ করবে না, অন্যায়ের ভিত্তিতে ফায়সালাহ করবে সে জাহান্নামী হবে। আর এক ক্বাযী সত্য উপলব্ধি করতে পারবে না, অথচ অজ্ঞতার ভিত্তিতে লোকের জন্য ফায়সালাহ প্ৰদান করবে সে জাহান্নামী হবে। (তার নীতিভ্ৰষ্টতা তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৫৭৩, তিরমিযী ১৩২২, ইবনু মাজাহ ২৩১৫।









বুলূগুল মারাম (1384)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ وَلِيَ الْقَضَاءَ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ (1) وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3571)، (3572)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 462)، والترمذي (1325)، وابن ماجه (2308)، وأحمد (2/ 230 و 365)، وانظر «أخلاق العلماء» للآجري، فقد فصلت فيه القول هناك




১৩৮৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাকে ক্বাযীর পদ দেয়া হলো তাকে যেন বিনা ছুরিতেই যবাহ করা হলো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৩২৫, আবূ দাউদ ৩৫৭১, ৩৫৭২, ইবনু মাজাহ ২৩০৮, আহমাদ ৭১০৫, ৮৫৫৯।









বুলূগুল মারাম (1385)


وَعَنْهُ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّكُمْ سَتَحْرِصُونَ عَلَى الْإِمَارَةِ, وَسَتَكُونُ نَدَامَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ, فَنِعْمَ الْمُرْضِعَةُ, وَبِئْسَتِ الْفَاطِمَةُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7148)




১৩৮৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা নিশ্চয়ই নেতৃত্বের লোভ কর, অথচ ক্বিয়ামাতের দিন তা লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কত উত্তম দুগ্ধদায়িনী এবং কত মন্দ দুগ্ধ পানে বাধা দানকারিণী (এটা) (অর্থাৎ এর প্রথম দিক দুগ্ধদানের মত তৃপ্তিকর, আর পরিণাম দুধ ছাড়ানোর মত যন্ত্রণাদায়ক)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭১৪৮, নাসায়ী। ৪২১১, ৫৩৮৫, আহমাদ ৯৪৯৯, ৯৮০৬।









বুলূগুল মারাম (1386)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ, فَاجْتَهَدَ, ثُمَّ أَصَابَ, فَلَهُ أَجْرَانِ. وَإِذَا حَكَمَ, فَاجْتَهَدَ, ثُمَّ أَخْطَأَ, فَلَهُ أَجْرٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7352)، ومسلم (1716)




১৩৮৬। ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছেন, কোন বিচারক ইজতিহাদে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছলে তার জন্য আছে দুটি পুরস্কার। আর বিচারক ইজতিহাদে ভুল করলে তার জন্যও রয়েছে একটি পুরস্কার।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭৩৫২, মুসলিম ১৭১৬, আবূ দাউদ ৩৫৭৪, ইবনু মাজাহ ২৩১৪, আহমাদ ৬৭১৬, ১৭৩২০।









বুলূগুল মারাম (1387)


وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا يَحْكُمُ أَحَدٌ بَيْنَ اثْنَيْنِ, وَهُوَ غَضْبَانُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7158)، ومسلم (1717) عن عبد الرحمن بن أبي بكرة قال: كتب أبي - وكتبت له - إلى عبيد الله بن أبي بكرة، وهو قاض بسجستان: أن لا تحكم (بخاري: لا تقضي) بين اثنين وأنت غضبان، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره. والسياق لمسلم، وللبخاري: «لا يقضين حكم» والباقي مثله سواء




১৩৮৭। আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক রাগের অবস্থাতে দুজনের মধ্যে বিচার করবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ‘আবদুর রাহমান ইবনু আবু বাকরহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে,

كتب أبي - وكتبت له - إلى عبيد الله بن أبي بكرة، وهو قاض بسجستان: أن لا تحكم (بخاري: لا تقضي) بين اثنين وأنت غضبان، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره

আবূ বাকরাহ (রাঃ) তাঁর ছেলেকে লিখে পাঠালেন- যে তুমি রাগের অবস্থায় বিবাদমান দু’ লোকের মাঝে ফায়সালা করো না; সে সময় তিনি সিজিস্তানের বিচারক ছিলেন। কেননা, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে- এ বলে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। বুখারী ৭১৫৮, মুসলিম ১৭:১৭, তিরমিযী ১৩৩৪, নাসায়ী ৫৪০৬, আবূ দাউদ ৩৫৮৯, ইবনু মাজাহ ২৩১৬, আহমাদ ১৯৮৬৬, ১৯৯৫৪।









বুলূগুল মারাম (1388)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا تَقَاضَى إِلَيْكَ رَجُلَانِ, فَلَا تَقْضِ لِلْأَوَّلِ, حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ, فَسَوْفَ تَدْرِي كَيْفَ تَقْضِي». قَالَ عَلِيٌّ: فَمَا زِلْتُ قَاضِيًا بَعْدُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ, وَقَوَّاهُ ابْنُ الْمَدِينِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (1/ 90)، وأبو داود (3582)، والترمذي (1331) من طريق سماك بن حرب، عن حنش، عن علي، به. واللفظ للترمذي، وقال: «حديث حسن». وعند أحمد: «ترى» مكان «تدري». ولأبي داود: «فإنه أحرى أن يتبين لك القضاء» وزاد في أوله: «إن الله سيهدي قلبك، ويثبت لسانك». قلت: وللحديث طرق كثيرة، وهي مفصلة بالأصل




১৩৮৮। ‘আলী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন দুজন লোক (দুটো পক্ষ) কোন মোকদ্দমা তোমার কাছে আনবে তখন দ্বিতীয় ব্যক্তির (অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য) না শোনা পর্যন্ত প্রথম ব্যক্তির (অভিযোগকারীর) অনুকূলে কোন ফায়সালাহ দেবে না। এ নীতি ধরে ফায়সালাহ করলে তুমি ফায়সালা কিভাবে করতে হয় তার সঠিক ধারা জানতে পারবে।



‘আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপদেশ দানের পর হতে আমি বরাবর ক্বাযীর দায়িত্ব সম্পাদন করেছি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৫৮২, তিরমিযী ১৩৩১, আহমাদ ৬৬৮, ১১৫৯, ১৩৪৪। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৮/২২৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ দুর্বল আবার সহীহ তিরমিযীতে ১৩৩১ হাসান বলেছেন। আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ ২/২৮৯ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন, ইবনু উসাইমীন তাঁর শারহুল মুমতি ১৫/৩৫৩ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীস সম্পর্কে কিছু মন্তব্য রয়েছে কেউ কেউ একে হাসান বলেছেন।