বুলূগুল মারাম
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَرَضَ عَلَى قَوْمٍ الْيَمِينَ, فَأَسْرَعُوا, فَأَمَرَ أَنْ يُسْهَمَ بَيْنَهُمْ فِي الْيَمِينِ, أَيُّهُمْ يَحْلِفُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2674)
১৪০৯। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। একদল লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলফ করতে বললেন। তখন (কে আগে হলফ করবে এ নিয়ে) হুড়াহুড়ি শুরু করে দিল। তখন তিনি কে (আগে), হলফ করবে, তা নির্ধারণের জন্য তাদের নামে লটারী করার নির্দেশ দিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৭৪, আবূ দাউদ ৩৬১৬, ৩৬১৭, ইবনু মাজাহ ২৩২৯, আহমাদ ৯৯৭৪, ১০৪০৮।
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْحَارِثِيُّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ, فَقَدْ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ, وَحَرَّمَ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ». فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: وَإِنْ كَانَ شَيْئًا يَسِيرًا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: «وَإِنْ قَضِيبٌ مِنْ أَرَاكٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (137)، وعنده: وإن قضيبا
১৪১০। আবূ উমামাহ হারিসী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি স্বীয় মিথ্যা ক্বসমের মাধ্যমে মুসলিমের প্রাপ্য অধিকার আত্মসাৎ করবে আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব করে দেবেন। আর তার জন্য জান্নাত নিষিদ্ধ করে দেবেন। কোন এক ব্যক্তি তাঁকে বললো, হে আল্লাহএ রাসূল! যদি (যুলুম করে আত্মসাৎ করার) বস্তুটি তুচ্ছ হয়? উত্তরে তিনি বলেন, যদিও তা বাবলা গাছের একটা শাখা হয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৩৭, নাসায়ী ৫৪১৯, আবূ দাউদ ২৩২৪।
وَعَنِ الْأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ, يَقْتَطِعُ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ, هُوَ فِيهَا فَاجِرٌ, لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5/ 33 / فتح)، ومسلم (138)
১৪১১। আশআস ইবনু ক্বাইস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা কোন মুসলিমের হক আত্মসাৎ করবে। সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩৫৭, ২৫১৬, ২৬৬৭, ২৬৭৭, মুসলিম ১৩৮, তিরমিযী ১২৬৯, ২৯৯৬, আবূ দাউদ ৩২৪৩, ইবনু মাজাহ ২৩২৩, আহমাদ ৩৫৬৬, ৩৫৮৫, ৩৯৩৬।
وَعَنْ أَبَى مُوسَى [الْأَشْعَرِيِّ]- رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي دَابَّةٍ, لَيْسَ لِوَاحِدٍ مِنْهُمَا بَيِّنَةٌ, فَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ وَهَذَا لَفْظُهُ, وَقَالَ: إِسْنَادُهُ جَيِّدٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (4/ 402)، وأبو داود (3613 - 3615)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 487)، وقد بين الحافظ نفسه علله في «التلخيص» (4/ 209 - 210)
১৪১২। আবূ মূসা আশা আরী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। দুব্যক্তি একটি জানোয়ারের দাবী নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মোকদ্দমা দায়ের করলো। এ বিষয়ে তাদের কারো কোন প্রমাণ ছিল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্তুটির মূল্য তাদের মধ্যে অর্ধেক করে ভাগাভাগি করে দিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ২৬৫৬, যঈফ নাসায়ী ৫৪৩৯ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বাইহাকী তাঁর আস সুন্নান আল কুরবা ১০/২৫৮ গ্রন্থে হাদীসটিকে মুত্তাসিল ও গরীব বলেছেন।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى مِنْبَرِي هَذَا بِيَمِينٍ آثِمَةٍ, تَبَوَّأَ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 344)، وأبو داود (3246)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 491)، وابن حبان (1192) من طريق هاشم بن هاشم، عن عبد الله بن نسطاس، عن جابر، به. واللفظ للنسائي، وابن حبان، وزاد أبو داود: «ولو على سواك أخضر» بعد قوله: «آثمة» وفي آخره على الشك: «أو وجبت له النار». قلت: وهذا إسناد فيه ضعف، فابن نسطاس، وإن وثقه النسائي، فقد قال الذهبي في «الميزان» (2/ 515): «لا يعرف. تفرد عنه هاشم بن هاشم». ولكن للحديث شاهد صحيح عن أبي هريرة
১৪১৩। জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আমার এ মিম্বারের উপরে পাপের (মিথ্যা) ক্বসম করবে সে তার জন্য জাহান্নামে অবস্থান ক্ষেত্র নির্ধারণ করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২৪৬, ইবন মাজাহ ২৩২৫, আহমাদ ১৪২৯৬, ২৪৬০৬, মালেক ১৪৩৪।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمْ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ, وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ, وَلَا يُزَكِّيهِمْ, وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ: رَجُلٌ عَلَى فَضْلِ مَاءٍ بِالْفَلَاةِ, يَمْنَعُهُ مِنِ ابْنِ السَّبِيلِ; وَرَجُلٌ بَايَعَ رَجُلًا بِسِلْعَةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ, فَحَلَفَ لَهُ بِاللَّهِ: لَأَخَذَهَا بِكَذَا وَكَذَا, فَصَدَّقَهُ, وَهُوَ عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ; وَرَجُلٌ بَايَعَ إِمَامًا لَا يُبَايِعُهُ إِلَّا لِلدُّنْيَا, فَإِنْ أَعْطَاهُ مِنْهَا وَفَى, وَإِنْ لَمْ يُعْطِهِ مِنْهَا لَمْ يَفِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7212)، ومسلم (108) والسياق لمسلم
১৪১৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন রকম লোকের সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (এক) ঐ ব্যক্তি, যে জনশূন্য ময়দানে অতিরিক্ত পানির মালিক। কিন্তু মুসাফিরকে তাত্থেকে পান করতে দেয় না। (দুই) সে ব্যক্তি যে ‘আসরের পর অন্য লোকের নিকট দ্রব্য সামগ্ৰী বিক্রয় করতে গিয়ে এমন কসম খায় যে, আল্লাহর শপথ! এটার এত দাম হয়েছে। ক্রেতা সেটাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে সে জিনিস কিনে নেয়। অথচ সে জিনিসের এত দাম হয়নি। (তিন) ঐ ব্যক্তি যে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে ইমামের বায়আত গ্রহণ করে। (বাদশাহ) ঐ লোকের মনের বাসনা পূর্ণ করলে সে তার বায়আত পূর্ণ করে। আর যদি তা না হয়, তাহলে বায়আত ভঙ্গ করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩৫৮, ২৩৬৯, ২৬৭২, ৭৪৪৬, মুসলিম ১০৮, তিরমিযী ১৫৯৫, নাসায়ী ৪৪৬২, ইবনু মাজাহ ২৮৭০, আহমাদ ৭৩৯৩, ৯৮৬৬।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا فِي نَاقَةٍ, فَقَالَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا نُتِجَتْ عِنْدِي, وَأَقَامَا بَيِّنَةً, فَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِمَنْ هِيَ فِي يَدِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (4/ 209) وقال الحافظ في «التلخيص» (4/ 210): إسناده ضعيف
১৪১৫। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত দুজন লোক একটা উটনী নিয়ে বিবাদ করে তারা প্রত্যেকেই বলে: ‘এটা আমার উটনী, আমার অধীনেই বাচ্চা প্রসব করেছে- তাদের দাবীর উপরে প্রত্যেকেই সাক্ষ্য প্রদান করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ উটনীটা উপস্থিত সময়ে যার অধিকারে ছিল তার অনুকূলে ফায়সালা দয়েছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনুল মুলকিন তাঁর আল বদরুল মুনীর ৯/৬৯৫ গ্রন্থে বলেন, এতে যায়েদ বিন নুআইম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাকে এই হাদীস ছাড়া তার অন্য কোন সহীহ হাদীস জানা যায় না। ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম ২/৫৫০ গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে যায়েদ বিন নুআইম নামক রাবী সম্পর্কে কিছু জানা যায় না, এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ও আবূ হানীফা। ইমাম যাহাবী মীযানুল ই’তিদাল ২/১০৬ গ্রন্থে হাদীসটিকে গরীব বলেছেন।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - رَدَّ الْيَمِينَ عَلَى طَالِبِ الْحَقِّ. رَوَاهُمَا الدَّارَقُطْنِيُّ, وَفِي إِسْنَادِهِمَا ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (4/ 213) وقال الذهبي في «التلخيص» متعقبا الحاكم (4/ 100): أخشى أن يكون الحديث باطلا
১৪১৬। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বিবাদী ক্বসম প্রত্যাখ্যান করার ফলে) দাবীদার (বাদী) কে ক্বসম করিয়েছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ৪র্থ খণ্ড। ২১৩ পৃষ্ঠা। হাদীসটি দুর্বল। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (২৬৪২) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর তানকীহুত তাহকীক (২/৩২৬) গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন। ইবনুল কাইয়্যিম তাঁর আত তুরুক আল হুকমিয়্যাহ (১০৪) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুহাম্মাদ বিন মাসরূক রয়েছে। দেখা দরকার যে সে ব্যক্তিটি কে? ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত তালখীসুল হাবীর (৪/১৫৯৪) গ্রন্থে বলেন, এর বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন মাসরূকের পরিচয় জানা যায়নি। আর ইসহাক ইবনুল ফুরাতের ব্যাপারে বিতর্ক রয়েছে। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (৪/২১০) গ্রন্থেও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - ذَاتَ يَوْمٍ مَسْرُورًا, تَبْرُقُ أَسَارِيرُ وَجْهِهِ. فَقَالَ: «أَلَمْ تَرَيْ إِلَى مُجَزِّزٍ الْمُدْلِجِيِّ? نَظَرَ آنِفًا إِلَى زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ, وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ»، فَقَالَ: «هَذِهِ أَقْدَامٌ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6770)، ومسلم (1459)
১৪১৭। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এমন হাসিখুশি অবস্থায় আসলেন যে, তার চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেন: তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয আল-মুদলিযী (চিহ্ন দেখি বংশ নির্ধারণকারী) যায়দ ইবনু হারিসাহ এবং উসামাহ ইবনু যায়দ-এর দিকে অনসন্ধানের দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছে। এরপর সে বলেছে, তাদের দুজনের পাগুলো পরস্পর থেকে (এসেছে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৫৫, ৩৭৩১, ৬৭৭১, মুসলিম ১৪৫৯, তিরমিযী ২১২৯, নাসায়ী ৩৪৯৩, ৩৪৯৪, আবূ দাউদ ২২৬৭, ইবনু মাজাহ ২৩৪৯, আহমাদ ২৩৫৭৯।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرِئٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ امْرَأً مُسْلِمًا, اسْتَنْقَذَ اللَّهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2517)، ومسلم (1509) (24) وفيه قصة
১৪১৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন মুসলিম কোন মুসলিমকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দান করবে ঐ দাসের প্রতিটি অঙ্গের মুক্তির বিনিময়ে মুক্তিদাতার প্রত্যেক অঙ্গকে আল্লাহ জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করবেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭১৫, মুসলিম ১৫০৯, তিরমিযী ১৫৪১, আহমাদ ৫১৫৪, ৯২৫৭, ৯২৭৮।
وَلِلتِّرْمِذِيِّ وَصَحَّحَهُ; عَنْ أَبِي أُمَامَةَ: «وَأَيُّمَا امْرِئٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ امْرَأَتَيْنِ مُسْلِمَتَيْنِ, كَانَتَا فِكَاكَهُ مِنَ النَّارِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (1547) وفيه: «وأيما امرأة مسلمة أعتقت امرأة مسلمة، كانت فكاكها من النار. يجزيء كل عضو منها عضوا منها» وقال: «حسن صحيح». ثم قال: «وفي الحديث ما يدل على أن عتق الذكور للرجال أفضل من عتق الإناث» وانظر ما بعده
১৪১৯। তিরমিযীতে আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আছে- যে মুসলিম দুজন মুসলিম মহিলাকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দান করবে। ঐ দুজন মহিলার মুক্তির বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন হতে তার মুক্তি লাভ হবে। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৫৪৭।
وَلِأَبِي دَاوُدَ: مِنْ حَدِيثِ كَعْبِ بْنِ مُرَّةَ: «وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ أَعْتَقَتْ امْرَأَةً مُسْلِمَةً, كَانَتْ فِكَاكَهَا مِنَ النَّارِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3967)، وله شواهد، أحدها الحديث السابق
১৪২০। আবূ দাউদে কাব ইবনু মুররা কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, কোন মুসলিম নারী যদি কোন মুসলিম নারীকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে তবে এটা তার জাহান্নাম হতে মুক্তিলাভের কারণ হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৯৬৭, নাসায়ী। ৩১৪২, ৩১৪৫, ইবনু মাজাহ ২৫২২, আহমাদ ১৬৫৭২, ১৭৫৯৯।
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ قَالَ: «إِيمَانٌ بِاللَّهِ, وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِهِ». قُلْتُ: فَأَيُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ قَالَ: «أَعْلَاهَا ثَمَنًا, وَأَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2518)، ومسلم (84) واللفظ للبخاري، وزادا، والسياق للبخاري أيضا: قلت: فإن لم أفعل؟ قال: تعين ضائعا، أو تصنع لأخرق. قال: فإن لم أفعل؟ قال: تدع الناس من الشر؛ فإنها صدقة تصدق بها على نفسك
১৪২১। আবূ যার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন ‘আমল উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর পথে জিহাদ করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন ধরনের ক্রীতদাস মুক্ত করা উত্তম? তিনি বললেন, যে ক্রীতদাসের মূল্য অধিক এবং যে ক্রীতদাস তার মনিবের কাছে অধিক আকর্ষণীয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীতে আরো রয়েছে, قلت: فإن لم أفعل؟ قال: تعين ضائعا، أو تصنع لأخرق. قال: فإن لم أفعل؟ قال: تدع الناس من الشر؛ فإنها صدقة تصدق بها على نفسك আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ যদি আমি করতে না পারি? তিনি বললেন, তাহলে কাজের লোককে (তার কাজে) সাহায্য করবে কিংবা বেকারকে কাজ দিবে। আমি (আবারও) বললাম, এও যদি না পারি? তিনি বললেন, মানুষকে তোমার অনিষ্টতা হতে মুক্ত রাখবে। বস্তুতঃ এটা তোমার নিজের জন্য তোমার পক্ষ হতে সাদাকাহ। বুখারী ২৫১৮, মুসলিম ৮৪, নাসায়ী ৩১২৯, ইবনু মাজাহ ২৫২৩, আহমাদ ২০৮২৪, দারেমী ২৭৩৮।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ, فَكَانَ لَهُ مَالٌ يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ, قُوِّمَ قِيمَةَ عَدْلٍ, فَأَعْطَى شُرَكَاءَهُ حِصَصَهُمْ, وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدُ, وَإِلَّا فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2522)، ومسلم (1501) و «شركا»: نصيبا
১৪২২। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু (সে পরিমাণ অর্থ) না থাকলে তার পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে যতটুকু সে মুক্ত করেছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] شركا শব্দের অর্থ نصيبا অর্থাৎ অংশ, ভাগ। বুখারী ২৪৯১, ২৪০৩, ২৫২১, ২৫২৫, ২৫২৪, মুসলিম ১৫০১, তিরমিযী ১৩৪৬, নাসায়ী ৪৬৯৯, আবূ দাউদ ৩৯৪০, ৩৯৪৩।
وَلَهُمَا: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: «وَإِلَّا قُوِّمَ عَلَيْهِ, وَاسْتُسْعِيَ غَيْرَ مَشْقُوقٍ عَلَيْهِ». وَقِيلَ: إِنَّ السِّعَايَةَ مُدْرَجَةٌ فِي الْخَبَرِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2527)، ومسلم (1503) وأوله: «من أعتق نصيبا - أو شقيصا - في مملوك، فخلاصه عليه في ماله إن كان له مال، وإلا
১৪২৩। বুখারী ও মুসলিমে আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত অন্য একটি রেওয়ায়েতে আছে, একাকী পূর্ণ আযাদ করতে সক্ষম না হলে মূল্য ধার্য করা হবে। আর ‘মূল্য সংগ্রহের জন্য দাসের পক্ষ থেকে চেষ্টা চলবো। এতে তার উপরে কোন কঠোরতা আরোপ করা হবে না।[1]
বলা হয়ে থাকে যে, চেষ্টা করার জন্য যে বাক্যটি বর্ণিত হয়েছে তা ‘মুদরাজ বা কোন রাবীর নিজস্ব বক্তব্য- হাদীসের অংশ নয়। প্রকৃত পক্ষে এটিও হাদীসেরই অংশ।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে এর প্রথমাংশটুকু হলো কেউ শরীকী ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ (রাবীর দ্বিধা) মুক্ত করে দিলে অর্থ ব্যয়ে সেই ক্রীতদাসকে নিস্কৃতি দেয়া তার উপর কর্তব্য, যদি তার কাছে প্রয়াজনীয় অর্থ থাকে। তার পরের অংশটুকু উপরে বর্ণিত।
[2] বুখারী ২৪৯২, ২৫০৪, মুসলিম ১৫০৩, তিরমিযী ১৩৪৩, আবূ দাউদ ৩৯৩৭, ৩৯৩৮, ইবনু মাজাহ ২৫২৭, আহমাদ ৭৪১৯, ৮৩৬০, ১০৪৯১।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ, إِلَّا أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيُعْتِقَهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1510) وزاد: «فيشتريه» بعد قوله: مملوكا
১৪২৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কোন পুত্র তার পিতার হাক্ব আদায় করতে সক্ষম হবে না, কিন্তু যদি পিতাকে গোলাম অবস্থায় পায় আর তাকে ক্রয় করে আযাদ করে (তবে তার পিতার হাক্ব পরিশোধ হতে পারে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ীর বর্ণনায় আরো রয়েছে, তুমি তোমার পরিবারের পিছনে ব্যয় করবে। মুসলিম ১৫১০, তিরমিযী ১৯০৬, আবূ দাউদ ৫১৩৭, ইবনু মাজাহ ৩৬৫৯, আহমাদ ৭৫১৬, ৮৬৭৬।
وَعَنْ سَمُرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ, فَهُوَ حُرٌّ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ وَرَجَّحَ جَمْعٌ مِنَ الْحُفَّاظِ أَنَّهُ مَوْقُوفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (5/ 15 و 20)، وأبو داود (3949)، والترمذي (1365)، والنسائي في «الكبرى» كما في «التحفة»، وابن ماجه (2524) من طريق الحسن، عن سمرة. وله شاهد من حديث ابن عمر بإسناد صحيح. رواه ابن ماجه (2525)، وابن الجارود (972)
১৪২৫। সামুরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি এমন কোন আত্মীয়ের (রক্ত সম্পর্কযুক্ত লোকের) মনিব হয় যাদের মধ্যে বিয়ে হারাম তবে সে (উক্ত গোলাম) আযাদ হয়ে যায়।
একদল হাদীস বিশেষজ্ঞ এটিকে মাওকূফ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদের বর্ণনায় রয়েছে, أيما عبد كاتب على مائة أوقية فأداها إلا عشرة أواق فهو عبد وأيما عبد كاتب على مائة دينار فأداها إلا عشرة دنانير فهو عبد
যে কোন দাস নিজের মুক্তির জন্য একশত উকিয়া ধাৰ্য করে, অতঃপর দশ উকিয়া ব্যতিত সম্পূর্ণই পরিশোধ করে তাহলে সেই দাস (বলে গণ্য হবে)। আর যে কোন দাস একশত দিনারের বিনিময়ে নিজের মুক্তি চায়। অতঃপর দশ দিনার ব্যতিত আর সবটুকুই পরিশোধ করে তাহলেও সে দাস বলে গণ্য হবে। আবূ দাউদ ৩৯৪৯, তিরমিযী ১৩৬৫, ইবনু মাজাহ ২৫২৪, আহমাদ ১৯৬৫৪, ১৯৬৯২, ১৯৭১৫।
وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَجُلًا أَعْتَقَ سِتَّةً مَمْلُوكِينَ لَهُ, عِنْدَ مَوْتِهِ, لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ غَيْرَهُمْ, فَدَعَا بِهِمْ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَجَزَّأَهُمْ أَثْلَاثًا, ثُمَّ أَقْرَعَ بَيْنَهُمْ, فَأَعْتَقَ اثْنَيْنِ, وَأَرَقَّ أَرْبَعَةً, وَقَالَ لَهُ قَوْلًا شَدِيدًا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1668)
১৪২৬। ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত কোন এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তার ছয়টি দাস মুক্ত করে দেন, ঐ দাসগুলো ছাড়া তার আর কোন সম্পদ ছিল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডেকে পাঠালেন ও তিন ভাগে বিভক্ত করে দিলেন। তার পর প্রত্যেক ভাগের উপর লটারী দিয়ে এর ভিত্তিতে দুটো দাসকে মুক্ত করে দিলেন ও চারজনকে দাস করে রাখলেন এবং তাকে (এদের মনিবকে) কঠোর কথা বললেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৬৮, তিরমিযী ১৩৬৪, নাসায়ী ১৯৫৮, আবূ দাউদ ৩৯৬১, ইবনু মাজাহ ২৩৪৫, আহমাদ ১৯৩২৫, ১৯৫০৭, দারেমী ১৫০৬।
وَعَنْ سَفِينَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كُنْتُ مَمْلُوكًا لِأُمِّ سَلَمَةَ فَقَالَتْ: أُعْتِقُكَ, وَأَشْتَرِطُ عَلَيْكَ أَنْ تَخْدِمَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مَا عِشْتَ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (5/ 221)، وأبو داود (3932)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 190 - 191)، والحاكم (2/ 213 - 214) من طريق سعيد بن جمهان - وهو حسن الحديث - عن سفينة، به. وزادوا إلا أحمد: «قال: قلت: لو أنك لم تشترطي علي ما فارقت رسول الله صلى الله عليه وسلم ما عشت. قال: فأعتقتني، واشترطت علي أن أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما عشت
১৪২৭। সাফীনাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি (নবীর সহধর্মিণী) উম্মু সালামাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাস ছিলাম। তিনি আমাকে বলেন, আমি তোমাকে এই শর্তে আযাদ করে দিচ্ছি যে, তুমি তোমার জীবন কাল পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমত করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৯৩২, ইবনু মাজাহ ২৫২৬।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ فِي حَدِيثٍ
১৪২৮। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ওয়ালা (দাসত্ব মুক্তিসূত্রে উত্তরাধিকার) ঐ ব্যক্তির জন্য সাব্যস্ত হবে যে দাসকে আযাদ করে দেয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৫৫, ২১৫৫, ২১৬৮, মুসলিম ১৫০৪, তিরমিযী ১২৫৬, আবূ দাউদ ৩৯২৯, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৪, মালেক ১৫১৯।