বুলূগুল মারাম
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَسَمَّعَ حَدِيثَ قَوْمٍ, وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ, صُبَّ فِي أُذُنَيْهِ الْآنُكُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ - يَعْنِي: الرَّصَاصَ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7042) وأوله: «من تحلم بحلم لم يره كلف أن يعقد بين شعيرتين، ولن يفعل ..... » فذكر الحديث. وزاد: ومن صور صورة، عذب، وكلف أن ينفخ فيها، وليس بنافخ
১৫০৯। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ কোন এক দলের কথার দিকে কান লাগাল- অথচ তারা এটা পছন্দ করে না- ক্বিয়ামাতের দিন তার উভয় কানে সীসা ঢেলে দেয়া হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ২১১০, তিরমিযী ১৭৫১, ২২৮৩, নাসায়ী ৫৩৫৮, ৫৩৫৯, ৬০২৪, ইবনু মাজাহ ৩৯১৬, আহমাদ ১৮৫৯, ২১৬৩। হাদীসের প্রথমাংশ হচ্ছেঃ
من تحلم بحلم لم يره كلف أن يعقد بين شعيرتين، ولن يفعل ..... » فذكر الحديث. وزاد: ومن صور صورة، عذب، وكلف أن ينفخ فيها، وليس بنافخ
যে লোক এমন স্বপ্ন দেখার ভান করল যা সে দেখেনি তাকে দু’টি যবের দানায় গিট দেয়ার জন্য বাধ্য করা হবে। অথচ সে তা কখনও পারবে না। তারপর তিনি উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তিনি এতে আরো বৃদ্ধি করেন, আর যে কেউ প্রাণীর ছবি আঁকে-তাকে শাস্তি-দেয়া হবে এবং তাতে প্ৰাণ ফুঁকে দেয়ার জন্য বাধ্য করা হবে। কিন্তু সে প্ৰাণ ফুঁকতে পারবে না।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «طُوبَى لِمَنْ شَغَلَهُ عَيْبَهُ عَنْ عُيُوبِ النَّاسِ». أَخْرَجَهُ الْبَزَّارُ بِإِسْنَادٍ حَسَنٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا وله شواهد، ولكنها كلها ضعيفة -أيضا- كما قال الحافظ العراقي
১৫১০। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ঐ ব্যক্তির জন্য তুবা নামক বিশেষ জান্নাত বা খুশি যে নিজের ত্রুটি-বিচূতি নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য অন্যের ত্রুটির প্রতি তার কোন ক্ৰক্ষেপ থাকে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আল ইরাকী তাঁর তাখরাজুল এহইয়া ৩/১৮৩ গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর যঈফুল জামে’ ৩৬৪৪ হাদীসটিকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَعَاظَمَ فِي نَفْسِهِ, وَاخْتَالَ فِي مِشْيَتِهِ, لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ». أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الحاكم (1/ 60)، والبخاري في «الأدب المفرد» (549)
১৫১১। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি নিজেরে মনেই নিজেকে বড় বলে জানে, চলার সময় অহংকার করে চলে, সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় থাকবেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৪৯, মুসলিম ৬২৩, নাসায়ী ৫০৯, ৫১০, আবূ দাউদ ৪১৩, আহমাদ ১১৫৮৮, ১২১০০।
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْعَجَلَةُ مِنَ الشَّيْطَانِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَقَالَ: حَسَنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الترمذي (2012) من طريق عبد المهيمن بن عباس بن سهل بن سعد الساعدي، عن أبيه، عن جده، به. وزاد في أوله: «الأناة من الله .... ». وكذا نقل الحافظ هنا التحسين عن الترمذي، ونقل عنه صاحب «التحفة» (4/ 129): «حسن غريب». والذي في المطبوع قوله: هذا حديث غريب، وقد تكلَّم بعض أهل الحديث في عبد المهيمن بن عباس بن سهل، وضعفه من قبل حفظه
১৫১২। সাহল ইবনু সাদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তাড়াহুড়া অর্থাৎ চিন্তাভাবনা না করেই কথা বলা বা কাজ করা শাইতানের প্রভাব থেকে হয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হিলইয়াতুল আওলিয়া ৮/৭৮; শুআবূল ঈমান ৪/৮৯; মুসনাদ আবী ইয়া’লা ৭/২৪৭, হুসাইন সালিম আসাদ এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম তিরমিযী (২০১২) আবদুল মুহাইমিন বিন আব্বাস বিন সাহল বিন সা’দ আস সাঈদী এর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে। এর পূর্বে অতিরিক্ত রয়েছে الأناة من الله (ধীরস্থিরতা আল্লাহর পক্ষ থেকে)। অনুরূপভাবে ইবনু হাজার ইমাম তিরমিযী কর্তৃক হাদীসটিকে হাসান বলার কথা বলেছেন। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তার তুহফাতুল আহওয়াযী (৪/১২৯) গ্রন্থে বলেন, ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান গরীব বলেছেন। কোন কোন মুদ্রণে “এ হাদীসটি গরীব” কথাটির উল্লেখ রয়েছে। কতিপয় মুহাদ্দিস আবদুল মুহাইমীন বিন আব্বাস বিন সাহল-এর সমালোচনা করেছেন। স্মৃতিশক্তির দিক থেকে তাকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম সুয়ূত্বী তাঁর আল জামেউস সগীর (৩০৮৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। তবে আনাস বিন মালিক সূত্রে বর্ণিত একই হাদীস আল জামেউস সগীর (৩৩৯০) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী আবার উক্ত আনাস বিন মালিকের হাদীসকে সহীহুল জামে (৩০১১) গ্রন্থে হাসান বলেছেন। তিনি সিলসিলা সহীহাহ (১৭৯৫) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ হাসান এবং প্রত্যেক বৰ্ণনাকারীই বিশ্বস্ত। ইবনুল কীসরানী তাঁর দাখীরাতুল হুফফায (৩/১৬০৬) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইবনু লাহিয়া নামক দুর্বল বর্ণনাকারী রয়েছে।
وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الشُّؤْمُ: سُوءُ الْخُلُقِ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (6/ 85) وسنده ضعيف، وقد روي الحديث من طرق أخرى لكنها ضعيفة كلها؛ ولهذا قال العراقي: حديث لا يصح
১৫১৩। ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুলক্ষণই মন্দ চরিত্র।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৯৩৪, আবূ দাউদ ৪৮৭৪, আহমাদ ৭১০৬, ৮৭৫৯, দারেমী ২৭১৪। ইবনু আদী তাঁর আল কামিল ফি যুআফা গ্রন্থে ২/২১১ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে আবূ বকর বিন আবূ মারইয়াম রয়েছে তার অধিকাংশ হাদীস গরীব, তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। আবূ নুআইম তাঁর হিলয়াতুল আউলিয়া ৬/১১০ গ্রন্থে বলেন, আবূ বকর বিন আবূ মারইয়াম এ হাদীসটি এককভাবে উল্লেখ করেছেন। ইমাম বাইহাকী শুআবূল ঈমান ৬/২৭৩১ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে আবূ বকর আবদুল্লাহ আল গাসানী রয়েছে, সে দুর্বল। শাইখ আলবানী সিলসিলা যঈফায় ৭৯৩, যাঈফুত তারগীব ১৬১০, যঈফুল জামে ৩৪২৬ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। অনুরূপ জাবের বিন অবদুল্লাহ সূত্রে বর্ণিত একটি হাদীসের সানাদকে ইমাম বাইহাকী শুআবূল ঈমানে ৬/২৭৩১ দুর্বল বলেছেন। আর আলবানী যঈফ তারগীব ১৪৭১ গ্রন্থে হাদীসটিকে সরাসরি জাল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّعَّانِينَ لَا يَكُونُونَ شُفَعَاءَ, وَلَا شُهَدَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2589) (86)
১৫১৪। আবূ দারদা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: অধিক লানাতকারীগণ (তিরস্কার ও অভিসম্পাতকারী) পরকালে সুপারিশকারী ও সাক্ষ্য প্রদানকারী হতে পারবে না। (এরূপ দুটো বিশেষ মর্যাদা লাভ হতে এরা বঞ্চিত হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৫৯৮, আবূ দাউদ ৪৯০৭, আহমাদ ২৬৯৮১।
وَعَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ عَيَّرَ أَخَاهُ بِذَنْبٍ, لَمْ يَمُتْ حَتَّى يَعْمَلَهُ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ, وَسَنَدُهُ مُنْقَطِعٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه الترمذي (2505) من طريق خال بن معدان عن معاذ. وقال: «حديث حسن غريب، وليس إسناده بمتصل، وخالد بن معدان لم يدرك معاذ بن جبل». قلت: وفي سند محمد بن الحسن الهمداني وهو «كذاب
১৫১৫। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইকে কোন পাপের কথা বলে লজ্জা দেয়, সে ঐ পাপ কাজ না করে মরবে না। (অর্থাৎ তাকে ঐ কাজে লিপ্ত হয়ে লোকচক্ষে হেয় হতে হয়।)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ২৫০৫। শাইখ আলবানী তাঁর যঈফ তারগীব ১৪৭১ এ হাদীসটিকে বানোয়াট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আসসীগানীও অনুরূপ বলেছেন। ইবনু হিব্বান তাঁর আল মাজরুহীন গ্রন্থে ২/২৮৮ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান মুনকারুল হাদীস। ইবনুল কীসরানী তাঁর তাযকিরাতুল হুফফায গ্রন্থেও একই কথা বলেছেন। আল মুনযিরী তাঁর তারগীব ওয়াত তারহীব গ্রন্থে ২/২৮৭ গ্রন্থে ইমাম তিরমিযীর একটি কওল উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, খালেদ বিন মাদান মুআযের যুগ পাননি। ইমাম যাহাবী মিযানুল ইতিদাল ৩/৫১৫ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের সানাদের একজন রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান বিন আবূ ইয়াযীদের দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।
وَعَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ, فَيَكْذِبُ; لِيَضْحَكَ بِهِ الْقَوْمُ, وَيْلٌ لَهُ, ثُمَّ وَيْلٌ لَهُ». أَخْرَجَهُ الثَّلَاثَةُ, وَإِسْنَادُهُ قَوِيٌّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (4990) والنسائي في» التفسير» (146 و 675) والترمذي (2315)، وقال الترمذي: هذا حديث حسن
১৫১৬। বাহয ইবনু হাকিম (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি তাঁর পিতা, তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, চরম সর্বনাশ ঐ ব্যক্তির জন্য যে মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলে থাকে, তার জন্য সর্বনাশ, তার জন্য সর্বনাশ। সানাদটি শক্তিশালী।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ২৩১৫, আবূ দাউদ ৪৯৯০, আহমাদ ১৯৫১৯, ১৯৫৪২, দারেমী ২৭০২। হাদীসটিকে আলবানী, বিন বায, ইবনুল মুলকিন, আল মুনযির হাসান বলেছেন। ইমাম সুয়ূত্বী আল জামেউস সগীর (৯৬৪৮) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «كَفَّارَةٌ مَنْ اغْتَبْتَهُ أَنْ تَسْتَغْفِرَ لَهُ». رَوَاهُ الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع ففي سند عنبسة بن عبد الرحمن القرشي، وكان يضع الحديث
১৫১৭। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: গীবাতের (পরনিন্দার) কাফফারা (গুনাহ্ মাফের উপায়) হচ্ছে যার গীবাত করেছ, তার পাপের ক্ষমার জন্য আল্লাহর দরবারে দুআ করতে থাকা। (হারেস বিন উসামা দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনে উসাইমীন বুলুগুল মারামের শরাহ ৬/৪১৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ দুর্বল তবে এর অর্থে লক্ষ্য করে আমল করা যেতে পারে। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৪৮০৩ গ্রন্থে বলেন, এর তিনটি সানাদ রয়েছে, যার প্রতিটিই দুর্বল। ইমাম বাইহাকী তাঁর আদ দাওয়াতুল কাবীর (২/২১৩) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে দুর্বলতা রয়েছে। আল বুসাইরী তার ইতিহাফুল খিয়ারাতুল মুহাররাহ গ্রন্থে ৭/৪২৫ বলেন, এ হাদীসের সানাদে আনবাসা বিন আবদুর রহমান রয়েছেন। যিনি দুর্বল। ইমাম বাইহাকী শুআবূল ঈমান ৫/২৩১০ গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী হাদীসটিকে মাউযূ বলেছেন। তিনি বলেন, আনবাসা বিন আবদুর রহমান হাদীস রচনা করত।
وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَبْغَضُ الرِّجَالِ إِلَى اللَّهِ الْأَلَدُّ الْخَصِمُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (2668)، وزاد في أوله «إن». والحديث رواه البخاري (7188) فكان الأولى بالحافظ رحمه الله أن يقول: متفق عليه
১৫১৮। ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য ব্যক্তি হচ্ছে অতি ঝগড়াটে লোক।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৫৭, ৭১৮৮, মুসলিম ২৬৬৮, তিরমিযী ২৯৭৬, নাসায়ী ৫৪২৩, আহমাদ ২৩৭৫৬, ২৩৮২২।
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ, فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ, وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ, وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ, وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ, حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ صِدِّيقًا, وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ, فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ, وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ, وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ, وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ, حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2668)، وزاد في أوله: «إن» والحديث رواه البخاري (7188) فكان الأولى بالحافظ -رحمه الله- أن يقول: متفق عليه
১৫১৯। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সত্যবাদিতাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে থাকবে। কেননা, সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতে পৌছায়। আর মানুষ সত্যের উপর কায়িম থেকে সত্য কথা বলার চর্চা চালাতে থাকলে অবশেষে আল্লাহর দরবারে সিদ্দীক-এর দরজা লাভ করে। তোমরা মিথ্যা কথা বলা হতে দূরে থাক। কেননা, মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মহামিথ্যাচারী প্রতিপন্ন হয়ে যায়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬০৯৪, মুসলিম ২৬০৬, ২৬০৭, তিরমিযী ১৯৭১, আবূ দাউদ ৪৯৮৯, ইবনু মাজাহ ৪৬, আহমাদ ৩৬৩১, ৩৭১৯, ৩৮৩৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ, فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6094)، ومسلم (2607) (105) والسياق لمسلم
১৫২০। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা কারো প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করা থেকে সাবধান থেকে। কেননা, খারাপ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১৪৩, ৬০৬৪, ৬০৬৬, ৬৭২৪, মুসলিম ১৪১৩, ২৫৬৩, তিরমিযী ১৯৮৮, নাসায়ী ৩২৩৯-৩২৪২, আবূ দাউদ ১৮৬৭, ইবনু মাজাহ ২১৭৪, আহমাদ ৭২৯২, ৭৬৪৩, ৭৬৭০, মালিক ১১১১, ১৬৮৪, দারেমী ২১৭৫।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: إِيَّاكُمْ وَالْجُلُوسَ بِالطُّرُقَاتِ
قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا لَنَا بُدٌّ مِنْ مَجَالِسِنَا; نَتَحَدَّثُ فِيهَا.
قَالَ: «فَأَمَّا إِذَا أَبَيْتُمْ, فَأَعْطُوا الطَّرِيقَ حَقَّهُ».
قَالُوا: وَمَا حَقُّهُ?
قَالَ: «غَضُّ الْبَصَرِ, وَكَفُّ الْأَذَى, وَرَدُّ السَّلَامِ, وَالْأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ, وَالنَّهْيُ عَنْ الْمُنْكَرِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6229)، ومسلم (2121)
১৫২১। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বিরত থাকো। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের রাস্তায় বসা ব্যতীত গত্যন্তর নেই, আমরা সেখানে কথাবার্তা বলি। তখন তিনি বললেন, যদি তোমাদের রাস্তায় মজলিস করা ব্যতীত উপায় না থাকে, তবে তোমরা রাস্তার হক আদায় করবে। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! রাস্তার হক কী? তিনি বললেন, তা হলো চক্ষু অবনত রাখা, কাউকে কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকা, সালামের জবাব দেয়া এবং সৎকাজের নির্দেশ দেয়া আর অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৬৫, ৬২২৯, মুসলিম ১২১১, ২১২১, ২১৬১, আবূ দাউদ ৪৮১৫, আহমাদ ১০৯১৬, ১১০৪৪, ১১১৯২।
وَعَنْ مُعَاوِيَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا, يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (71)، ومسلم (1037)
১৫২২। মুআবিয়াহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে দীনের ইলম দান করেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭১, ৩১১৬, ৩৬৪১, ৭৩১২, ৭৪৬০, মুসলিম ১০৩৭, ইবনু মাজাহ ২০২১, আহমাদ ১৬৩৯২, ১৬৪০৭, মালেক ১৬৬৭, দারেমী ২২৪, ২২৬।
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ شَيْءٍ فِي الْمِيزَانِ أَثْقَلُ مِنْ حُسْنِ الْخُلُقِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (4799)، وهو طرف من الحديث السابق (1502)
১৫২৩। আবূ দারদা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেকী-বদী ওজনের সময় উত্তম চরিত্রের থেকে আর কোন বস্তু বেশি ভারী হবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৭৯৯, তিরমিযী ২০০২, ২০০৩, আহমাদ ২৬৯৭১।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْحَيَاءُ مِنَ الْإِيمَانِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (24)، ومسلم (36)
১৫২৪। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: লজ্জা-শরম ঈমানের অংশ বিশেষ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪, ৬১১৮, মুসলিম ৩৬, তিরমিযী ২৬১৫, নাসায়ী ৫০৩৩, আবূ দাউদ ৪৭৯৫, আহমাদ ৪৫৪০, ৫১৬১, মালেক ১৬৭৯।
وَعَنْ أَبِي مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى: إِذَا لَمْ تَسْتَحِ, فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6120) وأما قول صاحب «السبل» بأن لفظ «الأولى» ليس في البخاري، فهو من أوهامه
১৫২৫। আবূ মাসউদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ববর্তী নবীদের নাসীহাত থেকে মানুষ যা লাভ করেছে তার একটা হলো, যদি তুমি লজ্জাই না কর, তবে যা ইচ্ছে তাই কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬১২০, ৩৪৮৩, ৩৪৮৪, আবূ দাউদ ৪৭৯৭, ইবনু মাজাহ ৪১৮৩, আহমাদ ১৬৬৪১, ১৬৬৫১, মালেক ৩৬৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «المُؤْمِنُ الْقَوِيُّ خَيْرٌ وَأَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنَ الْمُؤْمِنِ الضَّعِيفِ, وَفِي كُلٍّ خَيْرٌ, احْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ, وَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ, وَلَا تَعْجَزْ, وَإِنْ أَصَابَكَ شَيْءٌ فَلَا تَقُلْ: لَوْ أَنِّي فَعَلْتُ كَانَ كَذَا وَكَذَا, وَلَكِنْ قُلْ: قَدَّرَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ فَعَلَ; فَإِنَّ لَوْ تَفْتَحُ عَمَلَ الشَّيْطَانِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2664)
১৫২৬। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দুর্বল দেহ, দুর্বল চিত্ত মুমিন অপেক্ষা শক্তিশালী দৃঢ়চিত্ত মুমিন শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে অধিকতর প্রিয়। তবে প্রত্যেকের মধ্যেই (ঈমানগত) কল্যাণ রয়েছে। যা তোমার পক্ষে উপকারী তা অর্জনে আগ্রহী হও এবং আল্লাহর নিকটে সাহায্য প্রার্থনা কর, দুর্বলতা অনুভব করো না। আর যদি তোমার উপর কোন মুসীবত এসে যায় তবে তুমি এরূপ কথা বলবে না যে, ‘আমি এরূপ করলে আমার এরূপ হতো বরং তুমি বলবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এটাই নির্ধারণ করা ছিল, আল্লাহ্ যা চেয়েছেন তা করেছেন। কেননা, ‘যদি শব্দ শাইত্বানের কাজের পথ খুলে দেয়। (অর্থাৎ আল্লাহর ফায়সালাকে সর্বান্তঃকরণে মেনে নিতে না পারলে ঈমানগত যে দুর্বলতা আসে তার সুযোগ নিয়ে শাইত্বান তার প্রভাবকে কার্যকরী করতে সক্ষম হয়।)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৬৬৪, ইবনু মাজাহ ৭৯, ৪১৬৮, ৮৫৭৩, আহমাদ ৮৬১১।
وَعَنْ عِيَاضِ بْنِ حِمَارٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ أَوْحَى إِلَيَّ أَنْ تَوَاضَعُوا, حَتَّى لَا يَبْغِيَ أَحَدٌ عَلَى أَحَدٍ, وَلَا يَفْخَرَ أَحَدٌ عَلَى أَحَدٍ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2865) (64)
১৫২৭। ‘ইয়ায, ইবনু হিমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ আমার প্রতি ওয়াহী (প্রত্যাদেশ) পাঠিয়েছেন যে, তোমরা আপোষে বিনয়-নম্রতার সাথে চলো। যাতে তোমাদের কেউ কারো উপর অত্যাচার-অনাচার করতে না পারে এবং তোমাদের একজন অপরের উপর ফখর (গর্ব) না করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৮৬৫, আবূ দাউদ ৪৮৯৫, ইবনু মাজাহ ৪১৭৯, আহমাদ ১৭০৩০, ১৭৮৭৪।
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ رَدَّ عَنْ عِرْضِ أَخِيهِ بِالْغَيْبِ, رَدَّ اللَّهُ عَنْ وَجْهِهِ النَّارَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَحَسَّنَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الترمذي (1931)، وقال: «هذا حديث حسن». قلت: ويشهد له ما بعده
১৫২৮। আবূ দারদা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি তার কোন মুসলিম ভাই-এর অসাক্ষাতে তার সম্মানহানিকর বস্তুকে প্রতিহত করবে, আল্লাহ তার মুখমণ্ডল হতে ক্বিয়ামাতের দিন জাহান্নামের আগুনকে দূর করে দেবেন।