বুলূগুল মারাম
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلَا يَمْسَحِ الْحَصَى, فَإِنَّ الرَّحْمَةَ تُوَاجِهُهُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ
وَزَادَ أَحْمَدُ: «وَاحِدَةً أَوْ دَعْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (945)، والنسائي (3/ 6)، والترمذي (379)، وابن ماجه (1027)، وأحمد (5/ 150و163و179) من طريق أبي الأحوص، عن أبي ذر. وقال الترمذي: «حديث حسن «. قلت: كلا. فإن أبا الأحوص «لا يعرف له حال «كما قال ابن القطان، والعجب بن الحافظ -رحمه الله- إذ أطلق القول بصحة الإسناد هنا. بينما قال في «التقريب» عن أبي الأحوص: «مقبول» يعني: إذا توبع وإلا فَلَيِّن الحديث. قلت: وفي الحديث علة أخرى، فهو ضعيف على أية حال
صحيح. رواه أحمد (5/ 163) وهو وإن كان في سنده ابن أبي ليلى وهو مُتَكَلَّم فيه من قِبَل حفظه إلا أنه حفظه، ومما يدل على ذلك الحديث التالي
২৪১. আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতে দাঁড়িয়ে কেউ যেন সামনের কঙ্কর অপসারণ না করে। কেননা, সালাত আদায়কারী ব্যক্তির সম্মুখে আল্লাহর রহমত সমাগত হয়। সহীহ সানাদ সহকারে ৫ জনে[1] আহমাদ অতিরিক্ত শব্দ বৃদ্ধি করেছেন: “একবার কর নাহলে বিরত থাকবে”।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আবূ দাউদ (৯৪৫; নাসায়ী ৩/৬; তিরমিযী ৩৭৯; ইবনু মাজাহ ১০৯৭; আহমাদ ৫/১৫০, ১৬৩, ১৭৯ হাদীসটিকে আবিল আহওয়াস সূত্রে আবূ যার্র হতে বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন: কক্ষনো না। কেননা, আবিল আহওয়াসের অবস্থা জানা যায় না। যেমনটি বলেছেন ইবনুল কাত্তান। হাফিয (রহঃ) এর কথা আশ্চর্যজনক। তিনি এখানে সনদ সহীহ হওয়ার দিক থেকে কোন উক্তিকে বিশুদ্ধ বলেছেন। তিনি তাঁর তাকরীবে কখনো আবিল আহওয়াস থেকে বর্ণিত হাদীসকে مقبول গ্রহণযোগ্য বলেছেন। অর্থাৎ যখন তার অনুগামী হাদীস পাওয়া যাবে। নচেৎ তা দুর্বল বলে বিবেচিত হবে। আমি বলি: এ হাদীসের মধ্যে আরেকটি ত্রুটি আছে। সুতরাং হাদীসটি সর্বাবস্থায় দুর্বল।
[2] আহমাদ ৫/১৬৩। হাদীসের মধ্যে ইবনু আবূ লায়লা নামক একজন রাবী আছেন, যিনি স্মরণশক্তির দিক থেকে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে এ হাদীসটি মুখস্ত রেখেছেন। পরবর্তী হাদীস এর প্রমাণ বহন করে।
তুহফাতুল আহওয়াযী (২/১৯৩) গ্রন্থে আব্দুর রহমান মুবারকপুরী বলেন, এই হাদীসের রাবী আবূল আহওয়াস সম্পর্কে মুনযীরী বলেন, এ নামে তিনি কাউকে চেনেন না ইয়াহইয়া বিন মুঈন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। ইবনু হাজার তাকে মাককূল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, সহীহ ইবনু খুযাইমাহ ((৯১৩) গ্রন্থে আবূল আহওয়াসকে আলবানী মাজহুল বলে আখ্যায়িত করেছেন। তামামুল মিন্নাহ (৩১৩) গ্রন্থেও আলবানী অনুরূপ বলেছেন। তবে আত-তামহীদ (২৪/১১৬) গ্রন্থে ইবনু আব্দুল বার হাদীসটিকে মারফূ’ সহীহ মাহফুয হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইমাম সুয়ূতী আল জামিউস সগীর গ্রন্থে ও ইমাম নববী আল খুলাসা (১/৪৮৫) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান বলে উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে বিন বায মাজমুয়া ফাতাওয়া (১১/২৬৫) গ্রন্থে, আহমাদ শাকের শারহু সুনানু তিরমিযী (২/২/১৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
وَفِي «الصَّحِيحِ» عَنْ مُعَيْقِيبٍ نَحْوُهُ بِغَيْرِ تَعْلِيلٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1207)، ومسلم (546) ولفظه: إن كنت فاعلا فواحدة
২৪২. বুখারীর মধ্যে মুআইকিব (রাঃ) থেকে এর কারণ দর্শান ব্যতীত পূর্বানুরূপ আরো একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২০৭, মুসলিম ৫৪৬, তিরমিযী ৩৮০, নাসায়ী ১২৯২, আবূ দাউদ ৯৪৬, মুওয়াত্তা মালেক ১০২৬, আহমাদ ১৫০৮৩, ২৩০৯৮, দারেমী ১৩৮৭ সহীহ। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে: “إن كنت فاعلا فواحدة“ যদি তুমি তা করতেই চাও তাহলে একবার করতে পারে।
عَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ الِالْتِفَاتِ فِي الصَّلَاةِ? فَقَالَ: «هُوَ اخْتِلَاسٌ يَخْتَلِسُهُ الشَّيْطَانُ مِنْ صَلَاةِ الْعَبْدِ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (751)
২৪৩. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতে এদিক ওদিক তাকানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: এটা এক ধরনের ছিনতাই, যার মাধ্যমে শয়তান বান্দার সালাত হতে অংশ বিশেষ ছিনিয়ে নেয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭৫১, ৩২,৯১, তিরমিযী ৫৯০, নাসায়ী ১১৯৬, ১১৯৯, আবূ দাউদ ৯১০, আহমাদ ২৩৮৯১, ২৪২২৫
وَلِلتِّرْمِذِيِّ: عَنْ أَنَسٍ - وَصَحَّحَهُ: «إِيَّاكَ وَالِالْتِفَاتَ فِي الصَّلَاةِ, فَإِنَّهُ هَلَكَةٌ, فَإِنْ كَانَ فَلَا بُدَّ فَفِي التَّطَوُّعِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (589)، وللحديث تتمة طويلة، ولئن نقل الحافظ هنا عن الترمذي تصحيحه، فإن النقل عن الترمذي في ذلك مختلف باعتراف الحافظ نفسه، وبيان ذلك «بالأصل
২৪৪. তিরমিযীতে আনাস (রাঃ) হতে এ হাদীস রয়েছে এবং তিনি একে সহীহও বলেছেন। তাতে আছে- ‘সালাতে এদিক ওদিক দৃষ্টি দেয়া হতে অবশ্য বিরত থাকবে; কেননা এটা একটা সর্বনাশকর কর্ম। তবে আবশ্যক হলে তা নফল সালাতে (বৈধ)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। তিরমিযী ৫৮৯।
ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে সুনানুত তিরমিযী (৫৮৯) গ্রন্থে হাসান গরীব হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ইমাম ইবনুল কাইয়ূম যাদুল মায়াদ (১/২৪১) গ্রন্থে হাদীসটির দু’টি দোষের কথা উল্লেখ করেছেন। ইবনু রজব ফাতহুল বারী (৪/৪০৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ সহীহ নয়। দারাকুতনীও অনুরূপ বলেছেন। এর সনদে ইযতিরাব সংঘঠিত হয়েছে। নাসিরুদ্দীন আলবানী মিশকাতুল মাসাবীহ (হাঃ ৯৬৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ দুর্বল ও মুনকাতে। তিরমিযী (হাঃ ৫৮৯) তারগীব ওয়াত তারহীব ২৯, তামামুল মিন্নাহ গ্ৰন্থত্ৰয়েও হাদীসটিকে দুর্বল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিন বায তার হাশিয়া বুলুগুল মারাম (১৯০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আলী বিন জাদয়ান সে হাদীস বিষয়ে দুর্বল। আবার এর সনদে আরেক জন রাবী আব্দুল্লাহ বিন মুসান্না আল আনসারী। তিনি অধিক ভুল বর্ণনাকারী হিসেবে চিহ্নিত।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ, فَلَا يَبْزُقَنَّ بَيْنَ يَدَيْهِ وَلَا عَنْ يَمِينِهِ, وَلَكِنْ عَنْ شِمَالِهِ تَحْتَ قَدَمِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ: أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1214)، ومسلم (551)
২৪৫. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাকে, তখন তো সে তার রবের সাথে নিবিড় আলাপে মশগুল থাকে। কাজেই সে যেন তার সামনে বা ভানে থুথু না ফেলে; তবে (প্রয়োজনে) বাঁ দিকে বা পায়ের নীচে ফেলবে।[1] ভিন্ন এক বর্ণনায় রয়েছে অথবা তার পায়ের নিচে।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২১৪; মুসলিম ৫৫১
[2] বুখারী ২৪১, ৪০৫, ৪১২, ৪১৩, ৪১৭, ৫৩১, ৫৩২, ৪২২, ১২:১৪, মুসলিম ৪৯৩ নাসায়ী ৩০৮, ৭২৮, আবূ দাউদ ৪৬০, ইবনু মাজাহ ৭৬২, ৭৬২, ১০:২৪, আহমাদ ১১৬৫১, ১২৩৯৮, ১২৫৪৭, দারেমী ১৩৯৬।
وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ قِرَامٌ لِعَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - سَتَرَتْ بِهِ جَانِبَ بَيْتِهَا فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «أَمِيطِي عَنَّا قِرَامَكِ هَذَا, فَإِنَّهُ لَا تَزَالُ تَصَاوِيرُهُ تَعْرِضُ لِي فِي صَلَاتِي». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (374) و «القرام» بكسر القاف وتخفيف الراء: ستر رقيق من صوف ذو ألوان و «أميطي»: أزيلي وزْنًا ومعنى
২৪৬. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট একটা বিচিত্র রঙের পাতলা পর্দার কাপড় ছিল। তিনি তা ঘরের এক দিকে পর্দা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার সামনে থেকে তোমার এই পর্দা সরিয়ে নাও। কারণ সালাত আদায়ের সময় এর ছবিগুলো আমার সামনে ভেসে ওঠে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৭৪; হাদীসে لقرام অর্থ পশমের তৈরি পাতলা রঙিন কাপড়।
وَاتَّفَقَا عَلَى حَدِيثِهَا فِي قِصَّةِ أَنْبِجَانِيَّةِ أَبِي جَهْمٍ, وَفِيهِ: فَإِنَّهَا أَلْهَتْنِي عَنْ صَلَاتِي
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (373)، ومسلم (556) ولفظه: عن عائشة -رضي الله عنها- قالت: صلى النبي -صلى الله عليه وسلم- في خميصة ذات أعلام، فنظر إلى أعلامها نظرة، فلما انصرف قال: «اذهبوا بخميصتي هذه إلى أبي جهم، وائتوني بأنبجانية أبي جهم، فإنها ألهتني عن صلاتي» و «الخميصة»: كساء مربع من صوف. و «الأنبجانية»: كساء يتخذ من صوف، وله خمل، ولا علم له
২৪৭. বুখারী, মুসলিম ঐকমত্যভাবে আবূ জাহামের আম্বেজানিয়া চাদরের ঘটনায় আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আছেmdash; ‘পর্দাখানির চিত্র (ছবি)-গুলো আমাকে সালাত হতে অমনযোগী বা উদাসীন করে দিচ্ছিল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৭৩, ৭৫২, ৫৮১৭; মুসলিম ৫৫৬। নাসায়ী ৭৭১, আবূ দাউদ ৯১৪, ৪০৫২, মুসলিম ৩৫৫০, আহমাদ ২৩৫৬৭, ২৩৬৭০, ২৪৯১৭, মুওয়াত্তা মালেক ২২০, ২২১। মুসলিমের শব্দসমুহ হচ্ছে: عن عائشة -رضي الله عنها- قالت: صلى النبي -صلى الله عليه وسلم- في خميصة ذات أعلام، فنظر إلى أعلامها نظرة، فلما انصرف قال: اذهبوا بخميصتي هذه إلى أبي جهم، وائتوني بأنبجانية أبي جهم، فإنها ألهتني عن صلاتي আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা নকশাবিশিষ্ট কাপড়ে সালাত আদায় করলেন। সালাতের মধ্যে তার দৃষ্টি সেই নকশার উপর পড়ল। সালাত শেষে তিনি বললেন, তুমি আমার এ কাপড় আবূ জাহমের নিকট নিয়ে যাও এবং তার থেকে আম্বেজানিয়া কাপড় নিয়ে আসো। কেননা এ নকশাদার কাপড় আমার মনোযোগ নষ্ট করে দিচ্ছিল।
الخميصة হচ্ছে একপ্রকার চতুষ্কোণবিশিষ্ট পরিধেয় বস্ত্ৰ। আর الأنبجانية হচ্ছে: পশম থেকে তৈরি এক প্রকার কাপড়। এ কাপড়ের ঝালর রয়েছে; তবে কোন নকশা নেই।
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَيَنْتَهِيَنَّ قَوْمٌ يَرْفَعُونَ أَبْصَارَهُمْ إِلَى السَّمَاءِ فِي الصَّلَاةِ أَوْ لَا تَرْجِعَ إِلَيْهِمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (428) وفي «أ»: «أقوام» وهو الموافق لما في الصحيح
২৪৮. জাবির বিন সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের অবস্থায় লোকেরা যেন তাদের দৃষ্টিকে আকাশের দিকে দেয়া থেকে বিরত থাকে নতুবা তাদের চক্ষু (দৃষ্টিশক্তি) তাদের পানে ফিরে না আসতেও পারে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৪২৮, আবূ দাউদ ৯১২, ইবনু মাজাহ ১০৪৫, আহমাদ ২০৩:২৬, ২০৩৬২, ২০৪৫৭, দারেমী। ১৩০১, ১৩০৬।
وَلَهُ: عَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: لَا صَلَاةَ بِحَضْرَةِ طَعَامٍ, وَلَا هُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (560) وفي الحديث قصة لا بأس من ذكرها. قال ابن أبي عتيق: تحدثت أنا والقاسم عند عائشة -رضي الله عنها- حديثا. وكان القاسم رجلا لحانة. وكان لأم ولد فقالت له عائشة: ما لك لا تحدَّث كما يتحدث ابن أخي هذا؟ أما إني قد علمت من أين أوتيت. هذا أدَّبَتْه أمه وأنت أدبتك أمك. قال: فغضب القاسم وأضَبَّ عليها. فلما رأى مائدة عائشة قد أتي بها قام. قالت: أين؟ قال: أصلي. قالت: اجلس. قال: إني أصلي. قالت: اجلس غُدَر! إني سمعت رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: الحديث. و «الأخبثان» هما: البول والغائط
২৪৯. আয়িশা (রাঃ) থেকে মুসলিমে আর এক হাদীসে আছেmdash;তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, খাবার উপস্থিত রেখে সালাত আদায় করা যায় না আর প্রসাব পায়খানার বেগ চেপে রেখেও সালাত আদায় করা যায় না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৫৬০ আবূ দাউদ ৮৯, আহমাদ ২৩৬৪৬, ২৩৭৪৯, ২৩৯২৮, এ হাদীস সম্পর্কে একটি ঘটনা আছে। তা হচ্ছে: ইবনু আবূ আতীক বলেন: আমি এবং কাসিম আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট কথাবার্তা বলছিলাম। কাশিম কিছুটা অস্পষ্টভাষী ছিলেন এবং উম্মে ওলাদ। তাকে আয়িশাহ (রাঃ) বললো, তোমার কী হয়েছে যে, তোমার আমার ভাতিজা যেভাবে কথাবার্তা বলছে তুমি সেভাবে কথা বলছে না? হ্যাঁ আমি জানি তুমি কেমন লোক? এ উম্মে ওলাদকে তার মাতা আদব শিক্ষা দিয়েছে। আর তুমি তোমার মাকে আদব শিখাচ্ছ। ইবনু আবূ আতীক বলেন, এ কথায় কাসিম রাগাম্বিত হলো এবং কড়া কথা শুনালেন। যখন আয়িশাহ (রাঃ) কে খাবার পাত্ৰ আনতে দেখলেন, সে দাঁড়িয়ে গেল। আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, কোথায় যাচ্ছ? তিনি বললেন, আমি সালাত আদায় করবো। আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, বস। সে আবারও বললো আমি সালাত আদায় করবো। আয়িশাহ (রাঃ)। এবার বললেন, বস হে প্ৰতারক। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি......।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «التَّثَاؤُبُ مِنْ الشَّيْطَانِ، فَإِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَكْظِمْ مَا اسْتَطَاعَ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
وَالتِّرْمِذِيُّ, وَزَادَ: «فِي الصَّلَاةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2994)
صحيح. رواه الترمذي (370) وهو من نفس طريق مسلم، وهذه الزيادة موضعها بعد قوله: «التثاؤب». وقال الترمذي: حديث حسن صحيح
২৫০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হাইতোলা শয়তানের পক্ষ থেকে, তাই যদি কারো তা আসে। তবে সে যেন সাধ্যানুসারে তা প্রতিহত করে।[1] আর তিরমিযী ‘সালাতের মধ্যে কথাটি বৃদ্ধি করে বর্ণনা করেছেন।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩২৮৯, সহীহ মুসলিম ২৯৯৪, আবূ দাউদ ৫০২৮, আহমাদ ৭৫৪৫, ২৭৫০৪, ৯২৪৬, ১০৩১৭, ১০৩২৯।
[2] সহীহ তিরমিযী ৩৭০
عَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِبِنَاءِ الْمَسَاجِدِ فِي الدُّورِ, وَأَنْ تُنَظَّفَ, وَتُطَيَّبَ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَ إِرْسَالَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (6/ 279)، وأبو داود (455)، والترمذي (594)، وتعليل الترمذي إياه بالإرسال ليس بشيء. «فائدة»: قوله: «ببناء المساجد في الدور «قال سفيان بن عيينة: يعني: في القبائل
২৫১. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকালয়ে (পাড়া মহল্লায়) মাসজিদ তৈরি করতে এবং তা পরিষ্কার ও সুবাসিত করে রাখতে আদেশ করেছেন। তিরমিযী এটির মুরসাল হওয়াকে সঠিক বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৫, তিরমিযী ৫৯৪।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «قَاتَلَ اللَّهُ الْيَهُودَ: اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَزَادَ مُسْلِمُ: وَالنَّصَارَى
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (437)، ومسلم (530)
২৫২. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : আল্লাহ তাআলা ইয়াহুদীদের ধ্বংস করুন। কেননা তারা তাদের নবীদের কবরকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। মুসলিম ‘খ্রিস্টান শব্দটি বর্ধিত করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩৭, মুসলিম ৫৩০, নাসায়ী ২০৪৭, আহমাদ ৯৫৪০
وَلَهُمَا: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: «كَانُوا إِذَا مَاتَ فِيهِمْ الرَّجُلُ الصَّالِحُ بَنَوْا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا». وَفِيهِ: «أُولَئِكَ شِرَارُ الْخَلْقِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (427)، ومسلم (528)
২৫৩. বুখারী ও মুসলিমে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রয়েছে- ‘তাদের মধ্যে কোন সৎ লোক মারা গেলে তারা তার কবরের উপর মাসজিদ বানাতো। এতে আরো আছেmdash;“এরা সৃষ্টির মধ্যে নিকৃষ্টতম”।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪২৭, মুসলিম ৫২৮, নাসায়ী ৭০৪, আহমাদ ২৩৭৩১
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: بَعَثَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - خَيْلًا, فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ, فَرَبَطُوهُ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ. الْحَدِيثَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح
২৫৪. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সৈন্য (নজদে) পাঠিয়েছিলেনmdash;তারা একজনকে ধরে নিয়ে এসে মসজিদের কোন একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৬৯, মুসলিম ১৭৬৪, আবূ দাউদ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৫২৩
وَعَنْهُ - رضي الله عنه: أَنَّ عُمَرَ - رضي الله عنه - مُرَّ بِحَسَّانَ يَنْشُدُ فِي الْمَسْجِدِ, فَلَحَظَ إِلَيْهِ, فَقَالَ: قَدْ كُنْتُ أَنْشُدُ, وَفِيهِ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْكَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3212)، ومسلم (2485)
২৫৫. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘উমার (রাঃ) হাসসান (রাঃ)-কে মসজিদে কবিতা পাঠরত অবস্থায় পেয়ে তার দিকে অসন্তুষ্টির ভাব নিয়ে দৃষ্টি করলেন। ফলে হাসসান (রাঃ) তাকে বললেনঃ এখানে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির উপস্থিতিতেও আমি কবিতা আবূত্তি করতাম। (অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপস্থিতিতে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩২১২, ৬১৫২, মুসলিম ২৪৮৫, নাসায়ী ৭১৬, আহমাদ ২১৪২৯
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَمِعَ رَجُلًا يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي الْمَسْجِدِ فَلْيَقُلْ: لَا رَدَّهَا اللَّهُ عَلَيْكَ, فَإِنَّ الْمَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (568)
২৫৬. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যে শুনতে পাবে কেউ মসজিদে মসজিদে হারানো বস্তুর ঘোষণা করছে শ্রবণকারী যেন বলে- “আল্লাহ যেন তোমাকে তা আর ফিরিয়ে না দেন। কেননা মাসজিদ এরূপ (ঘোষণার) কাজের জন্য তৈরী করা হয়নি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৫৬৮, তিরমিযী ১৩১২, আবূ দাউদ ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৬৭ আহমাদ ৮৩৮২, ৯১৬১, দারেমী ১৪০১
وَعَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا رَأَيْتُمْ مَنْ يَبِيعُ, أَوْ يَبْتَاعُ فِي الْمَسْجِدِ, فَقُولُوا: لَا أَرْبَحَ اللَّهُ تِجَارَتَكَ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (1321) والنسائي في «عمل اليوم والليلة» (176) وزادا: «وإذا رأيتم من ينشد ضالة في المسجد، فقولوا: لا رد الله عليك». وقال الترمذي: حسن غريب
২৫৭.-আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কোন ব্যক্তিকে মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখলে তাকে বলবে, আল্লাহ তোমার ব্যবসাকে যেন লাভজনক না করেন। তিরমিযী হাদীসটিকে ‘হাসান বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৫৬৮, তিরমিযী ১৩১২, আবূ দাউদ ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৬৭ আহমাদ ৮৩৮২, ৯১৬১, দারেমী ১৪০১
وَعَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ, وَلَا يُسْتَقَادُ فِيهَا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (3/ 434)، وأبو داود (4490)، وإذا كان الحافظ ضعَّفه هنا، فقد قال في «التلخيص» (4/ 78): لا بأس بإسناده
২৫৮. হাকিম বিন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে ‘হাদ্দ কার্যকর করা ও ‘কিসাস (হত্যার বদলে হত্যা) নেয়া যায় না। -আহমাদ ও আবূ দাউদ, দুর্বল সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৪৯০, আহমাদ ১৫১৫১
নাসীরুদ্দীন আলবানী সহীহুল জামে (৭৩৮১) গ্রন্থে হাসান ও ইমাম সুয়ূতী জামে ছগীর (৯৮৩৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলে উল্লেখ করলেও এই হাদীসের এক জন বর্ননাকারী ইসমাঈল বিন মুসলিম আল মাক্কী রয়েছেন। তার সম্পর্কে তিরমিযী (১৪০১) বাযযার তার আল বাহরুয যিখার (১১/১১৪) গ্রন্থদ্বয়ে বলেছেন তার সম্পর্কে আহলুল ইলমগণ সমালোচনা করেছেন। ইবনু হাজার তার আল মাহাল্লী (১১/১২৩) গ্রন্থে বলেন, এই হাদীসের দুই জন রাবী ইসমাঈল বিন মুসলিম ও সাঈদ বিন বাসীর দুর্বল। ইমাম বায়হাক্বী সুনানুল কুবরা (৪/৩৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে মাওসুল এবং ইবনু কাত্তান আল ওয়াহাম ওয়াল ইহাম (৫/৪৯৬) গ্রন্থেও অনুরুপ বলেছেন। ইমাম হায়সামী মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/২৮) গ্রন্থে যুবায়ির বিন মুত্বয়ীম বর্ণিত হাদীসের রাবী আল ওয়াকেদীকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী মিযানুল ইতিদাল (১/২৪৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুনকার বলেছেন।
وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: أُصِيبَ سَعْدٌ يَوْمَ الْخَنْدَقِ, فَضَرَبَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - خَيْمَةً فِي الْمَسْجِدِ, لِيَعُودَهُ مِنْ قَرِيبٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (463)، ومسلم (1769)
২৫৯. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতmdash; তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে সাদ (রাঃ)-এর (হাতের শিরা) যখম হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে (তাঁর জন্য) একটা তাঁবু স্থাপন করলেন, যাতে নিকট হতে তাঁর দেখাশুনা করতে পারেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৬৩, ২৮১৩, ৩৯০১, ৪১১৭, ৪১২২, মুসলিম ১৭৬৯, নাসায়ী ৭১০, আবূ দাউদ ৩১০১, আহমাদ ১৩৭৭৩, ২৪৫৭৩
وَعَنْهَا قَالَتْ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَسْتُرُنِي, وَأَنَا أَنْظُرُ إِلَى الْحَبَشَةِ يَلْعَبُونَ فِي الْمَسْجِدِ ... الْحَدِيثَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (454)، ومسلم (892)
২৬০. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি তিনি আমাকে আড়াল করে রাখছিলেন, আর আমি (তাঁর পিছন থেকে) মসজিদে হাবশার লোকেদের খেলা অবলোকন করছিলাম। (দীর্ঘ হাদীস)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৫৪, ৪৫৫, ৯৫০, নাসায়ী ১৫৯৩, ১৫৯৪, ১৫৯৫, ইবনু মাজাহ ১৮৯৮, আহমাদ ২৩৭৭৫, ২৪০১২, ২৫৫৭০, মুসলিম ৮৯২