বুলূগুল মারাম
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْجُمُعَةِ وَغَيْرِهَا فَلْيُضِفْ إِلَيْهَا أُخْرَى, وَقَدْ تَمَّتْ صَلَاتُهُ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَاللَّفْظُ لَهُ, وَإِسْنَادُهُ صَحِيحٌ, لَكِنْ قَوَّى أَبُو حَاتِمٍ إِرْسَالَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي (1/ 274 - 275)، وابن ماجه (1123)، والدارقطني (2/ 12/12)
৪৪৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআহ বা অন্য সালাতের এক রাকআত জামাআতের সঙ্গে পাবে, সে যেন অন্য এক রাকআত তাঁর সঙ্গে মিলিয়ে নেয়, এতে তার সালাত পূর্ণ হয়ে যাবে। -শব্দ বিন্যাস দারাকুৎনীর। এর সানাদ সহীহ, তবে আবূ হাতিম এ হাদীসের সানাদের মুরসাল হওয়াটাকে শক্তিশালী করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৫৫৭, ইবনু মাজাহ ১১২৩
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَخْطُبُ قَائِمًا, ثُمَّ يَجْلِسُ, ثُمَّ يَقُومُ فَيَخْطُبُ قَائِمًا, فَمَنْ أَنْبَأَكَ أَنَّهُ كَانَ يَخْطُبُ جَالِسًا, فَقَدْ كَذَبَ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (862) (35) وتمامه: فقد والله صليت معه أكثر من ألفي صلاة
৪৫০. জাবির বিন সামূরাহ (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দেয়ার পর (মিম্বারের) উপরেই বসতেন, তারপর পুনঃ দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন। অতএব যে সংবাদ দিবে তিনি বসে খুতবাহ দিতেন সে অবশ্যই মিথ্যা বলল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮৬২, তিরমিযী ৫০৮, নাসায়ী ১৪১৫, ১৪১৭, ১৪১৮, আবূ দাউদ ১০৯৪, ১০০১, ইবনু মাজাহ ১১০৫, ১১০৬. আহমাদ ২০২৮৯, ২০৩০৬, ২০৩২২, দারেমী ১৫৫৭, ১৫৫৯, পূর্ণাঙ্গ হাদীস : আল্লাহর শপথ! আমি তাঁর সাথে দুই হাজারেরও অধিক সালাত পড়েছি।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا خَطَبَ, احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ, وَعَلَا صَوْتُهُ, وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ, حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشٍ يَقُولُ: صَبَّحَكُمْ وَمَسَّاكُمْ, وَيَقُولُ: أَمَّا بَعْدُ, فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ, وَخَيْرَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ, وَشَرَّ الْأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ كَانَتْ خُطْبَةُ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - يَوْمَ الْجُمُعَةِ: يَحْمَدُ اللَّهَ وَيُثْنِي عَلَيْهِ, ثُمَّ يَقُولُ عَلَى إِثْرِ ذَلِكَ, وَقَدْ عَلَا صَوْتُهُ
وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ, وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ
وَلِلنَّسَائِيِّ: وَكُلَّ ضَلَالَةٍ فِي النَّارِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح، والحديث برواياته رواه مسلم (867)
النسائي (3/ 189) بإسناد صحيح
৪৫১. জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ দিতেন তখন তাঁর চোখ দুটি রক্তিম বর্ণ ধারণ করত ও আওয়াজ উঁচু হত, আর তাঁর ক্ৰোধ বেড়ে যেত; এমনকি মনে হত তিনি যে কোন শত্রু সৈন্য সম্বন্ধে আমাদেরকে সতর্ক করছেন। আর বলতেন সকাল-সন্ধ্যায় তোমরা আক্রান্ত হবে। আর বলতেন-আম্মা বাদু, উত্তম হাদীস আল্লাহর কিতাব; উত্তম হিদায়াত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হিদায়াত; নিকৃষ্টতর কাজ হচ্ছে বিদআত, প্রত্যেক বিদআতই হচ্ছে ভ্ৰষ্টতা।
মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআহর দিনে (খুতবায়), আল্লাহর হামদ ও সানা পাঠের পর পরই উচ্চকণ্ঠে বক্তব্য রাখতেন।
মুসলিমের ভিন্ন একটি রিওয়ায়াতে আছেndash; “যাকে আল্লাহ হিদায়াত করেন তাকে গুমরাহ করার কেউ নেই, আর যাকে গুমরাহ করেন তাকে হিদায়াত করার কেউ নেই। আর নাসায়ীতে আছে : প্রত্যেক গুমরাহী হচ্ছে জাহান্নামে যাবার কারণ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৬৭, নাসায়ী ১৫৭৮, আবূ দাউদ ২৯৫৪, ২৯৫৬, ইবনু মাজাহ ৪৫, ২৪১৬ আহমাদ ১৫৭৪৪, ১৩৯২৪, ১৪০২২, দারেমী ২০৬।
وَعَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِنَّ طُولَ صَلَاةِ الرَّجُلِ, وَقِصَرَ خُطْبَتِهِ مَئِنَّةٌ مِنْ فِقْهِهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (869)، وهو بتمامه: قال أبو وائل: خطبنا عمار، فأوجز وأبلغ، فلما نزل قلنا: يا أبا اليقظان! لقد أبلغت وأوجزت. فلو كنت تنفست - أي: أطلت - فقال: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره. وزاد: «فأطيلوا الصلاة، واقصروا الخطبة. وإن من البيان سحرا». «ومئنة»: علامة ودليل، والمعنى: أي: مما يعرف به فقه الخطيب. قلت: وإذ كان الأمر كذلك فانظر إلى حال خطباء زمانك هذا. واسترجع الله
৪৫২. ‘আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ “জুমুআহর সালাত লম্বা করা ও খুতবাহ সংক্ষিপ্ত করা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক”।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৬৯, আহমাদ ১৭৮৫৩, ১৮৪১০, দারেমী ১৫৫৬, مئنة শব্দের অর্থ : আলামত ও দলীল। হাদীসের ভাবার্থ হচ্ছে: একজন বক্তার মেধা বা প্রজ্ঞা জানা যায় তার জুমু’আর নামায লম্বা করা ও খুৎবা সংক্ষেপ করা থেকে।
وَعَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: مَا أَخَذْتُ: «ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ»، إِلَّا عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقْرَؤُهَا كُلَّ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (873) (52) وانظر رقم (469)
৪৫৩. উম্মু হিশাম বিনতু হারিসাহ হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন-আমি সূরা (ক্বাফ) রসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যবান থেকে শিক্ষা করেছি। তিনি সূরাটি প্রতিটি জুমুআহর খুতবায় মিম্বারে উঠে পাঠ করতেন যখন লোকেদের মাঝে তিনি খুতবাহ দিতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭২, ৮৭৩, নাসায়ী ৯৪৯, ১৪১১, আবূ দাউদ ১১০০, ১১০২, আহমাদ ২৬৯০৯, ২৭০৮১।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَكَلَّمَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَهُوَ كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا, وَالَّذِي يَقُولُ لَهُ: أَنْصِتْ, لَيْسَتْ لَهُ جُمُعَةٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, بِإِسْنَادٍ لَا بَأْسَ بِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (1/ 230/ رقم 2033)، وفيه مجالد بن سعيد، وهو ضعيف
৪৫৪. ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-ইমামের খুতবাহ দেয়ার সময় যে মুসল্লী কথা বলবে সে ভারবাহী গাধার মত; আর যে তাকে ‘চুপ থাক বলে তার জুমুআর হক আদায় হল না। - আহমাদ দোষমুক্ত সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৯৭, ১৬০৫, ১৬১০, মুসলিম ১২৭০, ১২৭১, তিরমিযী ৮৬০, নাসায়ী ২৯৩৬, ২৯৩৭, ২৯৩৮, আবূ দাউদ ১৮৭৩, ইবনু মাজাহ ২৯৪৩, আহমাদ ১০০, ১৩২, ১৭৭, ১৫৫, মুওয়াত্তা মালেক ৮২৪, দারেমী ১৮৬৪।
ইমাম হাইসামী তার আল মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৮৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুজালিদ বিন সাঈদ রয়েছেন যাকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল বলেছেন। একটি বর্ণনায় ইমাম নাসায়ী তাকে সিক্বাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইমাম শওকানী তাঁর সাইলুল জাররার (১/৩০১), গ্রন্থে বলেন, উক্ত রাবীর ব্যাপারে হালকা বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু তিনি তার নাইলুল আওত্বার (৩/৩৩৪) গ্রন্থে বলেন, অধিকাংশ মুহাদ্দিস তাকে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী যঈফ তারগীব (৪৪০), তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (১৩৪২) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। তবে আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদের তাহকীকে (৩/৩২৬) এর সানাদকে হাসান বলেছেন।
وَهُوَ يُفَسِّرُ حَدِيثَ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مَرْفُوعًا: إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ: أَنْصِتْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ, فَقَدْ لَغَوْتَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (935)، ومسلم (851) ومعنى: «لغوت»: قال الزين بن المنير: اتفقت أقوال المفسرين على أن اللغو ما لا يحسن من الكلام
৪৫৫. এ হাদীসটি আবূ হুরাইরা কর্তৃক সহীহাইনে বর্ণিত ‘মারফু হাদীসের তাফসীর। হাদীসটি হচ্ছে- জুমুআহর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুতবাহ দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনৰ্থক কথা বললে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১, তিরমিযী ৫১২, নাসায়ী ১৪০১, ১৪০২, আবূ দাউদ ১১১২, ইবনু মাজাহ ১১১০, দারিমী ১৪৪৮, ১৪৪৯, আহমাদ ৭২৮৮, ৭২৯৯, ৭৭০৬, মুওয়াত্তা মালেক ২৩২। لَغَوْتَ শব্দের অর্থঃ যাইন ইবনুল মুনীর বলেন- সকল ব্যাখ্যাকারীগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, لغو হচ্ছে নিরর্থক, বাজে কথা বলা যা শোভনীয় নয়।
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: دَخَلَ رَجُلٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ, وَالنَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَخْطُبُ، فَقَالَ: «صَلَّيْتَ?» قَالَ: لَا. قَالَ: «قُمْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (931)، ومسلم (875) (55)
৪৫৬. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, এক জুমুআহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দেয়ার সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সালাত আদায় করেছ কি? সে বলল, না; তিনি বললেনঃ উঠ, দু রাকআত সালাত আদায় কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩০, ৯৩১, ১১৭০, মুসলিম ৫৬৫, ৮৭৫, তিরমিযী ৫১০, ১৩৯৫, ১৪০০, আবূ দাউদ ১১৬, ১১১৫, ১১১৬, ইবনু মাজাহ ১১১২ , আহমাদ ১৩৭৫৯, ১৩৮৯৭, দারেমী ১৫৬, ১৫১১, ১৫৫১
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ سُورَةَ الْجُمُعَةِ, وَالْمُنَافِقِينَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (879)
৪৫৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআহর সালাতে সূরা আল-জুমুআহ ও সূরা আল মুনাফিকূন পাঠ করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭৯, তিরমিযী ৫২০, নাসায়ী ৯৫৬, ১৪২১, আবূ দাউদ ১০৪৭, ১০৭৪, ইবনু মাজাহ ৮২১, আহমাদ ১৯৯৪, ২৪৫২, ২৭৯৬।
وَلَهُ: عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ: كَانَ يَقْرَأُ فِي الْعِيدَيْنِ وَفِي الْجُمُعَةِ: بِـ «سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى»، وَ هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (878)
৪৫৮. মুসলিমে নুমান বিন বাশীর (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছেmdash;দু ঈদের সালাতে ও জুমুআহর সালাতে ‘সাব্বি হিসমা রাব্বিকাল আলা ও ‘হাল আতাকা হাদিসুল গাশিয়্যাহ সূরা দুটি তিলাওয়াত করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭৮, তিরমিযী ৫৩৩, নাসায়ী ১৪২৩, ১৪২৪, আবূ দাউদ ১১২২, ১১২৩, ইবনু মাজাহ ১১১৯, ইবনু মাজাহ ১৭৯১৪, ১৭৯১৬, ১৭৯৪২, মুওয়াত্তা মালোক ২৪৭, দারেমী ১৫৬৬, ১৫৬৭, ১৫৬৮,
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - الْعِيدَ, ثُمَّ رَخَّصَ فِي الْجُمُعَةِ, فَقَالَ: «مَنْ شَاءَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُصَلِّ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح لغيره. رواه أبو داود (1070)، والنسائي (3/ 194)، وابن ماجه (1310)، وأحمد (4/ 372)، وابن خزيمة (1464)، والحديث صححه علي بن المديني، والحاكم. قلت: وفي سنده إياس بن أبي رملة، وهو مجهول كما قال الحافظ في «التقريب». ولكن الحديث صحيح لغيره بما له من شواهد أخرى. «تنبيه»: قول الحافظ: «وصححه ابن خزيمة» إنما هو وهم منه رحمه الله؛ إذا ابن خزيمة لم يصحح الحديث، وإنما علق صحته بعدالة ابن أبي رملة، فقال: إن صح الخبر فإني لا أعرف إياس بن أبي رملة بعدالة ولا جرح
৪৫৯. যায়দ বিন আরকাম (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের সালাত আদায় করে (ঐ দিনের) জুমআহর সালাতের ছাড় দিয়ে বললেন, যার ইচ্ছা হয় সে জুমুআহ আদায় করবে। -ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১০৭০, নাসায়ী ১৫৯১, ইবনু মাজাহ ১৩৭০, আহমাদ ১৮৩১০, দারিমী ১৬১২।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيُصَلِّ بَعْدَهَا أَرْبَعًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (881)
৪৬০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যখন তোমাদের কেউ জুমুআহর সালাত আদায় করবে সে যেন জুমুআহর সালাত আদায়ের পর চার রাকআত সুন্নাত সালাত আদায় করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৮১, তিরমিযী ৫২৩, ৫২৪, নাসায়ী ১৪২৬, ১১৩১, ইবনু মাজাহ ১১৩২, আহমাদ ৯৪০৬, ১০১০৮, দারেমী ১৫৭৫
وَعَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ, أَنَّ مُعَاوِيَةَ قَالَ لَهُ: إِذَا صَلَّيْتَ الْجُمُعَةَ فَلَا تَصِلْهَا بِصَلَاةٍ, حَتَّى تَكَلَّمَ أَوْ تَخْرُجَ, فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَمَرَنَا بِذَلِكَ: أَنْ لَا نُوصِلَ صَلَاةً بِصَلَاةٍ حَتَّى نَتَكَلَّمَ أَوْ نَخْرُجَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (883) وعنده: توصل
৪৬১. সায়িব বিন ইয়াযিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মুআবিয়াহ (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যখন তুমি জুমুআহর সালাত আদায় করবে তখন অন্য কোন (নফল) সালাতকে তার সঙ্গে মিলাবে না; যতক্ষণ না কথা বল বা বের হও। একথা নিশ্চিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এক সালাতকে অন্য সালাতের সঙ্গে সংযোগ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যতক্ষণ না আমরা কথা বলি বা (সালাতের) স্থান ত্যাগ করি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৮০, আবূ দাউদ ১১২৯, আহমাদ ১৬৪২৪, ১৬৪৬৮
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنِ اغْتَسَلَ, ثُمَّ أَتَى الْجُمُعَةَ, فَصَلَّى مَا قُدِّرَ لَهُ, ثُمَّ أَنْصَتَ, حَتَّى يَفْرُغَ الْإِمَامُ مِنْ خُطْبَتِهِ, ثُمَّ يُصَلِّي مَعَهُ: غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى, وَفَضْلُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (857) (27)
৪৬২. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ‘যে ব্যক্তি গোসল করে, অতঃপর জুমুআহর সালাতে হাজির হয় আর তার জন্য যতটা নির্দিষ্ট (বিধিবদ্ধ) থাকে ততটা সুন্নাত সালাত আদায় করে। তারপর খুতবাহ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নীরব থাকে। তারপর ইমাম সাহেবের সঙ্গে সালাত আদায় করে, তাকে এক জুমুআহ হতে অন্য জুমুআহ পর্যন্ত কৃত গুনাহগুলো ক্ষমা দেয়া হয়-এর অতিরিক্ত আরো তিন দিনে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৫৭, তিরমিযী ৪৯৮, আবূ দাউদ ১০৫০, ইবনু মাজাহ ১০৯০ আহমাদ ৯২০০
وَعَنْهُ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - ذَكَرَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ: «فِيهِ سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي, يَسْأَلُ اللَّهَ - عز وجل - شَيْئًا إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»، وَأَشَارَ بِيَدِهِ يُقَلِّلُهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: «وَهِيَ سَاعَةٌ خَفِيفَةٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (935)، ومسلم (852)
مسلم (852) (15)
৪৬৩. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআহর দিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহুর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহুর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত। মুসলিমের অন্য রিওয়ায়াতে রয়েছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা অতি স্বল্প সময় মাত্র।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩৫, ৫২৯৫, ৬8০০, মুসলিম ৮৪২, তিরমিযী ৪৯১, নাসায়ী ১৪৩০, ১৪৩১, ১৪৩২, আবূ দাউদ ১০৪৬, ইবনু মাজাহ ১১৩৭, আহমাদ ৭১১১, ৭৪২৩, ২৭৫৬৮, মুওয়াত্তা মালেক ২২২, ২৪২, দারেমী ১৫৬৯।
وَعَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «هِيَ مَا بَيْنَ أَنْ يَجْلِسَ الْإِمَامُ إِلَى أَنْ تُقْضَى الصَّلَاةُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ, وَرَجَّحَ الدَّارَقُطْنِيُّ أَنَّهُ مِنْ قَوْلِ أَبِي بُرْدَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف مرفوعا. والصحيح أنه موقوف. رواه مسلم (853)
৪৬৪. আবূ বুরদাহ তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ দুআ কবুল হবার উক্ত সময়টি হচ্ছে খুতবাহর জন্য ইমামের মিম্বারে বসার সময় হতে সালাত সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত। দারাকুৎনী এটাকে আবূ বুরদাহর নিজস্ব কথা বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৫৩, আবূ দাউদ ১০৪৯
সুবুলুস সালাম (২/৮৭) ইমাম সনয়ানী বলেন, হাদীসটি ইযতিরাব ও ইনকিতার দোষে দুষ্ট। যয়ীফুল জামে (৬১৩) যয়ীফ আত-তারগীব (৪২৮) আবূ দাউদ ১০৪৯ গ্রন্থদ্বয়ে আলবানী হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। হাশীয়া বুলুগুল মারাম (৩০৮) গ্রন্থে বিন বায বলেন, অধিকাংশ রাবীগণ আবূ বুরদা থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মারফু হিসেবে শুধু মাখরামা বিন বুকাইর তার পিতা থেকে বর্ননা করেছে।
[হাদিসটি মারফূ' সুত্রে দুর্বল কিন্তু মাওকূফ সুত্রে সহীহ]
وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ عِنْدَ ابْنِ مَاجَهْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حديث عبد الله بن سلام. رواه ابن ماجه (1139) عنه قال: قلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس. إنا لنجد في كتاب الله: في يوم الجمعة ساعة لا يوافقها عبد مؤمن يصلي يسأل الله فيها شيئا إلا قضى الله حاجته. قال عبد الله: فأشار إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم: أو بعض ساعة. فقلت: صدقت. أو بعض ساعة. قلت: أي ساعة هي؟ قال: «هي آخر ساعات النهار» قلت: إنها ليست ساعة صلاة؟ قال: بلى. إن العبد المؤمن إذا صلى ثم جلس، لا يحبسه إلا الصلاة، فهو في الصلاة». قلت: وهو حديث صحيح
৪৬৫. ‘আবদুল্লাহ বিন সালাম কর্তৃক ইবনু মাজাহতে বর্ণিত হয়েছে।
وَجَابِرِ عِنْدَ أَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ: أَنَّهَا مَا بَيْنَ صَلَاةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ
وَقَدِ اخْتُلَفَ فِيهَا عَلَى أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ قَوْلًا, أَمْلَيْتُهَا فِي شَرْحِ الْبُخَارِيِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حديث جابر. رواه أبو داود (1048)، والنسائي (3/ 99 - 100) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: يوم الجمعة اثنتا عشرة ساعة، لا يوجد فيها عبد مسلم يسأل الله شيئا إلا آتاه إياه، فالتمسوها آخر ساعة بعد العصر». وهو حديث صحيح، واللفظ للنسائي. «تنبيه»: قول الحافظ: أنها ما بين صلاة العصر وغروب الشمس. هو تعبير منه بالمعنى، وإلا فليس هذا اللفظ في شيء من روايات الحديث
৪৬৬. ও জাবির (রাঃ) কর্তৃক আবূ দাউদ ও নাসায়ীতে[1] বর্ণিত হয়েছে: ‘উক্ত সময়টি হচ্ছে ‘আসরের সময় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
এ সময়ের ব্যাপারে চল্লিশটিরও অধিক কওল (অভিমত) ব্যক্ত করা হয়েছে। বুখারীর টীকায় আমি এগুলো লিপিবদ্ধ করেছি।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] জাবির (রাঃ) এর হাদীস- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমু’আর দিন বার ঘন্টা। এর মধ্যে কোন মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কোন কিছু চায়। তবে তিনি নিজেই তা দেন। তাই তোমরা আসরের পর তা অন্বেষণ করা।
[2] নাসায়ী ১৩৮৯, আবূ দাউদ ১০৪৮, ইবনু মাজাহ ১১৩৯
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: مَضَتِ السُّنَّةُ أَنَّ فِي كُلِّ أَرْبَعِينَ فَصَاعِدًا جُمُعَةً. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه الدارقطني (2/ 3 - 4/ 1) وفي سنده عبد العزيز بن عبد الرحمن القرشي، قال عنه ابن حبان في «المجروحين» (2/ 138): «يأتي بالمقلوبات عن الثقات فيكثر، والملزقات بالأثبات فيفحش، لا يحل الاحتجاج به بحال». كما أنه أورد له هذا الحديث أيضا في ترجمته. وبذلك تعرف أن قول الحافظ: بإسناد ضعيف فيه تسامح
৪৬৭। জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, চল্লিশ বা ততোধিক মুসল্লির জন্য জুমুআহর সালাত (জামাআতে) পড়া সিদ্ধ। mdash;দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সনয়ানী তাঁর সুবুলুস সালাম ২/৮৯ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের সানাদে আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান রয়েছে। ইমাম আহমাদ তাঁর সম্পর্কে বলেন, সে হাদীস বর্ণনা করতে উল্টা-পাল্টা করত সেই হাদীসগুলো হয় মিথ্যা না হয় বানোয়াট। দারাকুতনী বলেন, সে মুনকারুল হাদীস। ইমাম যাহাবী তানকীহুত তাহকীক (১/২৭৭) গ্রন্থে উক্ত রাবী সম্পর্কে বলেন, মুহাদ্দিসগণ তাকে পরিত্যাগ করেছেন। ইমাদুদ্দীন ইবনু কাসির তাঁর ইরশাদুল ফকীহ ইলা মারিফতি আদিল্লাতিত তানাবীহ (১/১৯৪) গ্রন্থেও উক্ত রাবীকে মাতরূক বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর আশ-শারহুল মুমতে’ (৫/৩৮ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়।
وَعَنْ سَمُرَةَ بنِ جُنْدُبٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَسْتَغْفِرُ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ كُلَّ جُمُعَةٍ. رَوَاهُ الْبَزَّارُ بِإِسْنَادٍ لَيِّنٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه البزار (1/ 307 - 308) حدثنا خالد بن يوسف، حدثني أبي؛ يوسف بن خالد، حدثنا جعفر بن سعد بن سمرة، حدثنا خبيب بن سليمان، عن أبيه سليمان بن سمرة، عن سمرة بن جندب به، وعنده زيادة: والمسلمين والمسلمات وقال: «لا نعلمه عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا بهذا الإسناد». قلت: وهذا إسناد هالك، فخالد بن يوسف ضعيف كما في «الميزان»، وأبوه يوسف بن خالد السمتي تركوه وكذبه ابن معين كما في «التقريب». وجعفر بن سعد ليس بالقوي كما في «التقريب»، وخبيب بن سليمان مجهول كما في «التقريب»، وسليمان بن سمرة مقبول كما في «التقريب»!! وبعد ذلك لم يبق إلا أن نقول أن قول الحافظ: «بإسناد لين» هو قول لين
৪৬৮. সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিন ও মুমিনাহ সকলের জন্য প্রতি জুমুআহতে ক্ষমা চাইতেন-বাযযার দুর্বল সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম হায়সামী তাঁর মাজমুয়াতুয যাওয়ায়েদ (২/১৯৩) গ্রন্থে বলেন, বাযযারের সানাদে ইউসুফ বিন খালেদ আস সামতী নামক বর্ননাকারী রয়েছে সে দুর্বল। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (২/৯০) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইউসুফ বিন খালিদ আল বাসতী রয়েছেন, তিনি দুর্বল। ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৯৩) গ্রন্থেও অনুরূপ বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (২/৩৬৫) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী উক্ত হাদীসের সনদ উল্লেখ করেছেন এভাবে: حدثنا خالد بن يوسف، حدثني أبي؛ يوسف بن خالد، حدثنا جعفر بن سعد بن سمرة، حدثنا خبيب بن سليمان، عن أبيه سليمان بن سمرة، عن سمرة بن جندب به، وعنده زيادة মীযানুল ই’তিদাল গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, খালিদ বিন ইউসুফ দুর্বল, আর তার পিতা ইউসুফ বিন খালিদ আস সামতীকেও মুহাদ্দিসগণ বর্জন করেছেন। আর ইবনু মুঈন তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। এর সানাদের অপর বর্ণনাকারী জা’ফর বিন সাদ বিন সামুরাহ শক্তিশালী বৰ্ণনাকারী নন। খুবাইব বিন সুলাইমান হচ্ছেন মাজহুল বর্ণনাকারী। সানাদের প্রতিটি বর্ণনাকারীর অবস্থা দেখে এ কথা বলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই যে, ইবনু হাজার যে হাদীসটিকে ‘লীন’ বলেছেন, সে কথাটিও লীন।