হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (549)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَفَّنَ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ فَلْيُحْسِنْ كَفَنَهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (943)، وأوله: أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب يوما. فذكر رجلا من أصحابه قبض فكفن في كفن غير طائل، وقبر ليلا، فزجر النبي صلى الله عليه وسلم أن يقبر الرجل بالليل حتى يصلي عليه. إلا أن يضطر إنسان إلى ذلك، وقال النبي صلى الله عليه وسلم




৫৪৯. জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমাদের কেউ যখন তার ভাইকে কাফন দেবে, তখন যেন তাকে ভাল কাফনই দেয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৪৩, নাসায়ী ১৮৯৫, ২০২৪, আবূ দাউদ ২১৪৮, ইবনু মাজাহ ১৫২১, আহমাদ ১৩৭৩২, ১৪১১৫, ১৪২৫২।









বুলূগুল মারাম (550)


وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَجْمَعُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ مِنْ قَتْلَى أُحَدٍ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ, ثُمَّ يَقُولُ: «أَيُّهُمْ أَكْثَرُ أَخْذًا لِلْقُرْآنِ?»، فَيُقَدِّمُهُ فِي اللَّحْدِ, وَلَمْ يُغَسَّلُوا, وَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهِمْ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1343)




৫৫০. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের শহীদগণের দু দুজনকে একই কাপড়ে (কবরে) একত্র করতেন। অতঃপর জিজ্ঞেস করতেন, তাদের উভয়ের মধ্যে কে কুরআন সম্পর্কে অধিক জানত? দু জনের মধ্যে এক জনের দিকে ইঙ্গিত করা হলে তাঁকে কবরে পূর্বে রাখতেন। তাঁদেরকে গোসল দেয়া হয়নি ও তিনি তাদের জানাযা সালাতও আদায় করেননি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৩৪৩, ১৩৪৫, ১৩৪৬, ১৩৪৭, তিরমিযী ১০২৬, নাসায়ী ১৯৫৫, ২০২১, আবূ দাউদ ৩১২৮, ইবনু মাজাহ ১৫১৪, আহমাদ ১৩৭৭৭।









বুলূগুল মারাম (551)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا تُغَالُوا فِي الْكَفَنِ, فَإِنَّهُ يُسْلَبُ سَرِيعًا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (3154)




৫৫১. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমরা কাফনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি কর না (অধিক মূল্যে ক্রয় করবে না)। কেননা তা সহসাই ছিনিয়ে নেয়া হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩১৫৪।

ইমাম যাহাবী আল মুহাযযাব (৩/১৩৩৬) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইনকিতা’ রয়েছে। ইবনু মুলক্বিন তুহফাতুল মুহতাজ ২/১৮ গ্রন্থে সহীহ অথবা হাসান বলেছেন। (যেমন মুক্বাদ্দামাতে তার উপর শর্ত করেছেন। মুহাম্মাদ জারুল্লাহ আস-সা’দী নাওয়াফিউল উতরহ (৪৫৭) গ্রন্থে হাসান বলেছেন। আলবানী যঈফুল জামে (৬২৪৭) গ্রন্থে যঈফ বলেছেন। আবূ দাউদ সুনানু আবূ দাউদে (৩১৫৪) সাকাতা আনহু বলেছেন। কিন্তু তিনি তার রিসালাতে মাক্কাহ বাসীর ব্যাপারে বলেছেন প্রত্যেক সাকাতা আনহুই স্বালিহ। আলবানী যঈফ আবূ দাউদে (৩১৫৪) একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (552)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهَا: «لَوْ مُتِّ قَبْلِي فَغَسَّلْتُكِ». الْحَدِيثَ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (6/ 228)، وابن ماجه (1465)، وفي «أ»: لغسلتك




৫৫২. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেন, তুমি আমার পূর্বে মারা গেলে আমি তোমাকে গোসল দিব। (এটি দীর্ঘ হাদীসের খণ্ডাংশ)। -ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ : আহমাদ ৬/২২৮; ইবনু মাজাহ ১৪৬৫









বুলূগুল মারাম (553)


وَعَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ أَوْصَتْ أَنْ يُغَسِّلَهَا عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الدارقطني (2/ 79/12)




৫৫৩. আসমা বিনতু উমাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা (রাঃ) ‘আলী (রাঃ)-কে তার গোসল দেয়ার জন্য ওয়াসিয়াত করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। দারাকুতনী ২/৭৯/১২।









বুলূগুল মারাম (554)


وَعَنْ بُرَيْدَةَ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ الْغَامِدِيَّةِ الَّتِي أَمَرَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِرَجْمِهَا فِي الزِّنَا - قَالَ: ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَصُلِّيَ عَلَيْهَا وَدُفِنَتْ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1695)




৫৫৪. বুরাইদাহ (রাঃ) হতে গামিদিয়াহ (রমণীর) ঘটনায় বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ব্যভিচারের কারণে রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করার নির্দেশ দিলেন। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী তার জানাযার সালাত আদায় করা হয় ও তাকে দাফন করা হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৯৫, আবূ দাউদ ৪৪৩৩, ৪৪৩৪, আহমাদ ২২৪৩৩, ২২৪৪০, দারেমী ২২২৪









বুলূগুল মারাম (555)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أُتِيَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِرَجُلٍ قَتَلَ نَفْسَهُ بِمَشَاقِصَ, فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه مسلم (978) مشاقص: جمع مشقص، وهو نصل عريض




৫৫৫. জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমন একটি মাইয়্যিতের নিকট আনা হল যে লোহার ফলা দ্বারা আত্মহত্যা করেছিল, ফলে তিনি তার উপর সালাত আদায় করেননি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৭৮, তিরমিযী ১০৬৮, নাসায়ী ১৯৬৪, ইবনু মাজাহ ১৫২৬, আহমাদ ২০২৯২, ২০২২৭। مشاقص শব্দটি مشقص এর বহুবচন। এর অর্থঃ বর্শা।









বুলূগুল মারাম (556)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ الْمَرْأَةِ الَّتِي كَانَتْ تَقُمُّ الْمَسْجِدَ - قَالَ: فَسَأَلَ عَنْهَا النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم -[فَقَالُوا: مَاتَتْ, فَقَالَ: «أَفَلَا كُنْتُمْ آذَنْتُمُونِي فَكَأَنَّهُمْ صَغَّرُوا أَمْرَهَا] فَقَالَ: «دُلُّونِي عَلَى قَبْرِهَا»، فَدَلُّوهُ, فَصَلَّى عَلَيْهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَزَادَ مُسْلِمٌ, ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ الْقُبُورَ مَمْلُوءَةٌ ظُلْمَةً عَلَى أَهْلِهَا, وَإِنَّ اللَّهَ يُنَوِّرُهَا لَهُمْ بِصَلَاتِي عَلَيْهِمْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (458)، ومسلم (956)




৫৫৬. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। যে মহিলাটি মাসজিদ ঝাড় দিত তার সম্পর্কে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন সাহাবীগণ বললেন, সে মারা গেছে। তিনি বললেন : তোমরা আমাকে খবর দিলে না কেন? সাহাবীগণ যেন তার ব্যাপারে তেমন কোন গুরুত্ব দেননি। তিনি সুইিমং বললেন, আমাকে তার কবরটা দেখিয়ে দাও। তারা কবরটি দেখিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি তার কবরের নিকট গেলেন। এবং তার জানাযার সালাত আদায় করলেন।



মুসলিম এ কথাগুলো বৃদ্ধি করেছেন : তারপর তিনি বললেন-কবরগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে, আল্লাহ তাআলা আমার সালাতের কারণে তাদের কবরগুলোকে আলোকোজ্জ্বল করে দেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৫৮, ৪৬০, ১২২৭, মুসলিম ৯৫৬, আবূ দাউদ ২২০৩, ইবনু মাজাহ ১৫২৭, আহমাদ ৮৪২০, ৮৮০8, ৯০১৯।









বুলূগুল মারাম (557)


وَعَنْ حُذَيْفَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَنْهَى عَنِ النَّعْيِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (5/ 385 و 406)، والترمذي (986)، وقال الترمذي: «هذا حديث حسن صحيح». وما في هذا الحديث من النهي عن النعي مطلقا مقيد بأحاديث أخر كالحديث التالي مثلا، فليس المراد بالنهي كل نعي




৫৫৭. হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু সংবাদ প্রচারে নিষেধ করতেন। -আহমাদ, তিরমিযী, তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৯৮৬, ইবনু মাজাহ ১৪৭৭. আহমাদ ২২৯৪৫









বুলূগুল মারাম (558)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - نَعَى النَّجَاشِيَّ فِي الْيَوْمِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ, وَخَرَجَ بِهِمْ مِنَ الْمُصَلَّى، فَصَفَّ بِهِمْ, وَكَبَّرَ عَلَيْهِ أَرْبَعًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1245)، ومسلم (951) (62)




৫৫৮. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নাজাশী যেদিন মারা যান সেদিন-ই আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মৃত্যুর খবর দেন এবং জানাযার স্থানে গিয়ে লোকেদের কাতারবন্দী করে চার তাকবীর আদায় করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২১৮, ১২২৮, ১২২৩, ১২৪৫, মুসলিম ৯৫১, তিরমিযী ১০২২, নাসায়ী ১৮৭৯, ১৯৭২, ১৯৮০, আবূ দাউদ ২২০৪, ইবনু মাজাহ ১৫৩৪, আহমাদ ৭১০৭, ৭২৪১, ৭৭২৮, মুওয়াত্তা মালেক ৫৩০।









বুলূগুল মারাম (559)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: سَمِعْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «مَا مِنْ رَجُلٍ مُسْلِمٍ يَمُوتُ, فَيَقُومُ عَلَى جَنَازَتِهِ أَرْبَعُونَ رَجُلًا, لَا يُشْرِكُونَ بِاللَّهِ شَيْئًا, إِلَّا شَفَّعَهُمْ اللَّهُ فِيهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه مسلم (948)




৫৫৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: যদি কোন মুসলিম মারা যায় আর আল্লাহর সাথে শিরক করেনি এমন চল্লিশ জন মুসলিম যদি তার জানাযায় (সালাতের জন্য) দণ্ডায়মান হয়ে তাঁর জন্য শাফাআত করে তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তা গ্ৰহণ করেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৪৮, আহমাদ ২৫০৫।









বুলূগুল মারাম (560)


وَعَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّيْتُ وَرَاءَ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى امْرَأَةٍ مَاتَتْ فِي نِفَاسِهَا, فَقَامَ وَسْطَهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3/ 201/فتح)، ومسلم (964)




৫৬০. সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পশ্চাতে আমি এমন এক স্ত্রীলোকের জানাযার সালাত আদায় করেছিলাম, যিনি নিফাস অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন। তিনি তার (স্ত্রীলোকটির) মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩২, ১২:৩২, মুসলিম ৯৬৪, তিরমিযী ১০২৫, নাসায়ী ৩৯৩, ১৯৭৯, আবূ দাউদ ৩১৯৫, ইবনু মাজাহ ১৪৯৩, আহমাদ ১৯৬৪৯, ১৯৭০১।









বুলূগুল মারাম (561)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: وَاللَّهِ لَقَدْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى ابْنَيْ بَيْضَاءَ فِي الْمَسْجِدِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (973)




৫৬১ ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়যাআর পুত্রদ্বয়ের (সাহল ও সুহাইল-এর) সালাত মসজিদে আদায় করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৭৩, তিরমিযী ১০২৩, নাসায়ী ১৯৬৭, ১৯৬৮, আবূ দাউদ ৩১৮৯, ৩১৯০, ইবনু মাজাহ ১৫১৮, আহমাদ ২৩৯৭৭, মুওয়াত্তা মালেক ৫২৮









বুলূগুল মারাম (562)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ: كَانَ زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا, وَإِنَّهُ كَبَّرَ عَلَى جَنَازَةٍ خَمْسًا, فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَالْأَرْبَعَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (957)، وأبو داود (3197)، والنسائي (4/ 72)، والترمذي (1023)، وابن ماجه (1505)




৫৬২. ‘আবদুর রহমান বিন আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) আমাদের জানাযার সালাতে চার তাকবীর বলতেন। তিনি এক জানাযার সালাতে পাঁচ তাকবীর বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ তাকবীরও বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৫৭, তিরমিযী ১০২৩, ১৯৮২, নাসায়ী ১৯৮২, আবূ দাউদ ৩১৯৭, ইবনু মাজাহ ১৫০৫, আহমাদ ২৩৯৭৭, মুওয়াত্তা মালেক ৫২৮।









বুলূগুল মারাম (563)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه: أَنَّهُ كَبَّرَ عَلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ سِتًّا, وَقَالَ: إِنَّهُ بَدْرِيٌّ. رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ
وَأَصْلُهُ فِي الْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه غير سعيد بن منصور جماعة، وصححه ابن حزم في «المحلى» (5/ 126)
رواه البخاري (4004) بلفظ: أن عليا رضي الله عنه كبر على سهل بن حنيف، فقال: إنه شهد بدرا




৫৬৩. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সালাতে) ছয় তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইবনু হুনায়ফ) ছিলেন একজন বাদরী সাহাবী। সাঈদ বিন মানসুর এটি বর্ণনা করেছেন আর এর মূল বক্তব্য বুখারীতে রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪০০৪। বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, ইবনু মা’কিল (রাঃ) হতে বর্ণিত যে (তিনি বলেছেন), ‘আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সালাতে) তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইবনু হুনায়ফ) বাদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন।









বুলূগুল মারাম (564)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا وَيَقْرَأُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي التَّكْبِيرَةِ الْأُولَى. رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الشافعي في «المسند» (1/ 209/578) وسنده ضعيف جدا من أجل شيخ الشافعي ابن أبي يحيى فهو «متروك» وأعله الصنعاني في «السبل» بعلة ليست بعلة




৫৬৪. জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানাযায় চার তাকবীর বলতেন এবং প্রথম তাকবীরের (পর) ফাতিহাতিল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করতেন। শাফিঈ, দুর্বল সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার আসক্বালানী বুলুগুল মারামে (১৫৭) এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। বিন বায বুলুগুল মারামের হাশিয়ায় (৩৫৫) বলেন, এর সানাদে রয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উকাইল যিনি দুর্বল। আর তদপেক্ষাও দুর্বল রাবী হচ্ছেন ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ যিনি ইমাম শাফেয়ীর উসতাদ। আর তিনি অধিকাংশের নিকট তিনি দুর্বল। ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শারাহ (২/৫৬৪) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে কিয়াস ও অর্থ একে শক্তিশালী করে। আলবানী ইরওয়াউল গালীলা (৭৩৪) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম (২/১৬৫) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে এর শাহেদ হাদীস রয়েছে।

শাওকানী তুহফাতুয যাকিরীন (৩৭১) গ্রন্থে মুতাররফ রয়েছে তিনি যায়ীফ। কিন্তু বাইহাকী শক্তিশালী বলেছেন। রুবায়ী ফাতহুল গাফফার (৭৩২/২) গ্রন্থে বলেন তার সানাদ দুর্বল। আলবানী আহকামুল জানায়িয (১৫৫) গন্থে বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ। বাইহাকী সুনানুল কুবরা (৪/৩৯) গ্রন্থে বলেন, এ বর্ণনাটি শক্তিশালী। মুসলিম সহীহ মুসলিম (৪৫১) গ্রন্থে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (565)


وَعَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ قَالَ: صَلَّيْتُ خَلَفَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَلَى جَنَازَةٍ, فَقَرَأَ فَاتِحَةَ الكِتَابِ فَقَالَ: «لِتَعْلَمُوا أَنَّهَا سُنَّةٌ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1335)




৫৬৫. ত্বালহাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আওফ (আঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর পিছনে জানাযার সালাত আদায় করলাম। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং (সালাত শেষে) বললেন, (আমি সূরা ফাতিহা পাঠ করলাম) যাতে লোকেরা জানতে পারে যে, এটা সুন্নাত।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৩৩৫, তিরমিযী ১০২৪, ১০২৬, ১০২৭, নাসায়ী ১৯৮৭, আবূ দাউদ ২১৯৮।









বুলূগুল মারাম (566)


وَعَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى جَنَازَةٍ، فَحَفِظْتُ مِنْ دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ, وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ, وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ, وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ, وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ, وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ, وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ, وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ, وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ, وَقِهِ فِتْنَةَ الْقَبْرِ وَعَذَابَ النَّارِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (963)، وزاد: قال عوف: فتمنيت أن لو كنت أنا الميت؛ لدعاء رسول الله -صلى الله عليه وسلم -على ذلك الميت




৫৬৬. ‘আউফ বিন মালিক (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন; আমি তাঁর এ দুআটি মুখস্থ করে নিলাম।



উচ্চারণ: আল্লাহুম-মাগাফির লাহু ওয়ারহামহু, ওয়া আফিহি, ওয়াফু আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহূ, ওয়া ওয়াসসি মাদ-খালাহূ, ওয়াগসিলহু বিলমাই ওয়াস সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়া নাক্কিহী মিনাল খাতাইয়া কামা নাক্কায়তাস সাউবাল আবাইয়াযা মিনাদ দানাসি, ওয়া আবদিলহু দারান খায়রান মিন দারিহি, ওয়া আহলান খায়রান মিন আহলিহী, ওয়া যাওজান খায়রান মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়াকিহী ফিতনাতাল কাবরি ওয়া ‘আযাবান নার।



অর্থ: ইয়া আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর করুণা কর, তাকে শক্তি দাও এবং তাকে রেহাই দাও। তার উপর সহৃদয় হও এবং তার প্রবেশদ্বার প্রশস্ত করে দাও এবং তাকে পানি, বরফ ও তুষার দ্বারা ধৌত করে দাও। তার গুনাহসমূহ পরিস্কার করে দাও, সাদা কাপড় যে ভাবে দাগমুক্ত করে ধৌত করা হয়। সে যে ধরণের আবাসের সঙ্গে পরিচিত তার থেকে তাকে উত্তম আবাস দাও এবং যে ধরনের পরিবারের সঙ্গে পরিচিত তার থেকে উত্তম পরিবার দাও এবং তার স্ত্রী হতে উত্তম স্ত্রী দাও। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং কবরের ফিতনা হতে আর জাহান্নামের আগুন হতে তাকে রক্ষা কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৬৩, তিরমিযী ১০২৫, নাসায়ী ১৯৮৩, ১৯৮৪, মুসলিমের বর্ণনায় আরো রয়েছে, আওফ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ فتمنيت أن لو كنت أنا الميت؛ لدعاء رسول الله -صلى الله عليه وسلم -على ذلك الميت মৃত ব্যক্তির উপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্ত দু’আর কারণে আমি কামনা করেছিলাম যদি আমি সেই মৃত ব্যক্তিটি হতাম।









বুলূগুল মারাম (567)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا صَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا, وَمَيِّتِنَا, وَشَاهِدِنَا, وَغَائِبِنَا, وَصَغِيرِنَا, وَكَبِيرِنَا, وَذَكَرِنَا, وَأُنْثَانَا, اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ, وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ, اللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ, وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ, وَالْأَرْبَعَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3201)، والترمذي (1024)، وابن ماجه (1498)، وقد أعل هذا الحديث بما لا يقدح، وبيان ذلك في «الأصل». «تنبيه»: وهو الحافظ في عزوه الحديث لمسلم




৫৬৭. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সালাতে বলতেনঃ



উচ্চারণ: আল্লাহুম-মাগাফির লিহাইয়্যিনা, ওয়া মাইয়্যিতিনা, ওয়া শাহিদিনা, ওয়া গায়িবিনা, ওয়া সাগীরিনা ওয়া কাবী-রিনা, ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা। আল্লাহুম্মা মান আহইয়ায়তাহু মিন্না ফা আহইহী ‘আলাল ইসলামি ওয়া মান তাওয়াফফায়তাহ মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমানি, আল্লাহুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তুযিল্লানা বা#39;দাহু।



অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত, অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখো তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো এবং আমাদের মধ্যে যাকে মৃত্যু দান করো, তাকে ঈমানের সাথে মৃত্যুদান করো। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে এর প্রতিদান থেকে বঞ্চিত করো না এবং এর পরে আমাদের পথভ্ৰষ্ট করো না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২০১, ৩২০০, তিরমিযী ১০২৪, ইবনু মাজাহ ১৪৯৮, নাসায়ী ১৯৮৬। হাদীসটি মূলতঃ মুসলিমে নেই।









বুলূগুল মারাম (568)


وَعَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَخْلِصُوا لَهُ الدُّعَاءَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (3199)، وابن حبان (3076)




৫৬৮. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন তোমরা কোন মৃতের জন্য সালাত আদায় করবে-তখন তার জন্য আন্তরিকভাবে দুআ কর। আবূ দাউদ। ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩১৯৯, ইবনু মাজাহ ১৪৯৭