বুলূগুল মারাম
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ; عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِوٍ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ وَلِيَ يَتِيمًا لَهُ مَالٌ, فَلْيَتَّجِرْ لَهُ, وَلَا يَتْرُكْهُ حَتَّى تَأْكُلَهُ الصَّدَقَةُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَإِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (641)، وضعفه، والدارقطني (2/ 109 - 110)
৬০৯. ‘আমর বিন শুআইব তার পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা আবদুল্লাহ বিন ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেউ সম্পদশালী ইয়াতীমের তত্ত্বাবধায়ক হয় তবে সে যেন তা ব্যবসায় খাটায়। উক্ত সম্পদকে এমনি ফেলে রাখবে না যাতে সদাকাহ (যাকাত) উক্ত মালকে খেয়ে (নিঃশেষ করে দেয়) ফেলে। তিরমিযী ও দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৬৪১, দারাকুতনী ২/১০৯-১১০
ইবনু কাসীর ইরশাদুল ফাকীহ (১/২৪৩), ইবনু হাজার আসকালানী দিরায়্যাহ (১/২৪৯) গ্রন্থে বলেন, তাতে দুর্বলতা রয়েছে।
রুবায়ী ফাতহুল গাফফার (২/৮১৭) গ্রন্থে বলেছেন, তার সানাদ দুর্বল। আলবানী যঈফুত তিরমিযী (৬৪১) গ্রন্থে বলেন, দুর্বল।
ইমাম তিরমিযী সুনানুত তিরমিযী (৬৪১) গ্রন্থে তার সানাদে সমালোচনা রয়েছে।
ইবনু হাজার আসকালানী বুলুগুল মারাম (১৭১) গ্রন্থে বলেন, তার সানাদ দুর্বল।
আল আইনী উমদাতুল কারী (৮/৩৪১) গ্রন্থে বলেন, দুর্বল। আলবানী যঈফুল জামি’ (২১৭৯) গ্রন্থে বলেন, যঈফ।
وَلَهُ شَاهِدٌ مُرْسَلٌ عِنْدَ الشَّافِعِيِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الشافعي في «المسند» (1/ 224 / 614) من طريق ابن جريج -وهو مدلس- عن يوسف بن ماهك؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «ابتغوا في مال اليتيم، أو في مال اليتامى، لا تذهبها ولا تستأصلها الزكاة». أقول: وللحديث شاهد آخر، لكن في سنده كذاب، فيبقى الحديث على الضعف
৬১০. এর সমার্থক একটি হাদীস শাফি#39;ঈ মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম শাফিঈ এটি ইবনু জুরাইজ সূত্রে ইউসুফ বিন মাহিক থেকে বর্ণনা করেছেন। এখানে ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী বলেন, এর অন্য শাহেদ রয়েছে। আর সেখানেও দুর্বল রাবী থাকায় হাদীসটির হুকুম দুর্বল হিসেবেই বহাল থাকল।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا أَتَاهُ قَوْمٌ بِصَدَقَتِهِمْ قَالَ: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَيْهِمْ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1497)، ومسلم (1078)، عن ابن أبي أوفى، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه قوم بصدقتهم قال: «اللهم صل على آل فلان» فأتاه أبي بصدقته، فقال: «اللهم صلى على آل أبي أوفى». والمراد بقوله: «اللهم صل على آل أبي أوفى». هو: اللهم صل على أبي أوفى نفسه؛ لأن الأمر كما قال الطحاوي في «المشكل»: «العرب تجعل آل الرجل نفسه» ثم احتج بهذا الحديث
৬১১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিজেদের সদাকাহ নিয়ে উপস্থিত হতো তখন তিনি বলতেন: হে আল্লাহ! তুমি তাদের উপর রহমত বর্ষণ কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৪৯৭, ৪১৬৬, ৬৩৫৯, মুসলিম ১০৭৮, মুসলিম নাসায়ী ২৪৫৯, মুসলিম আবূ দাউদ ১৫৯০, ইবনু মাজাহ ১৭৯৬, মুসলিম আহমাদ ১৮৬৩২
বুখারী এবং মুসলিমে রয়েছে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন যখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিজেদের সদাকাহ নিয়ে উপস্থিত হতো তখন তিনি বললেন, : আল্লাহ! অমুকের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। একদা আমার পিতা সদাকাহ নিয়ে হাযির হলে তিনি বললেন, : হে আল্লাহ! আবূ আওফা’র বংশধরের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন।
وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه: أَنَّ الْعَبَّاسَ - رضي الله عنه - سَأَلَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فِي تَعْجِيلِ صَدَقَتِهِ قَبْلَ أَنْ تَحِلَّ, فَرَخَّصَ لَهُ فِي ذَلِكَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الترمذي (678)، والحاكم (3/ 332)، والحديث وإن كان اختلف في سنده إلا أن له شواهد تقويه، وتفصيل ذلك بالأصل. «تنبيه»: الحديث رواه أيضا أبو داود (1624)، وابن ماجه (1795)، وأحمد (1/ 104)، ولا أدري لماذا اقتصر الحافظ في عزوه على الترمذي
৬১২. ‘আলী (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। ‘আব্বাস (রাঃ) তার মালের বর্ষপূর্তির পূর্বে যাকাত প্রদানের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাকে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৬৭৮, মুসলিম ৬৭৯. আবূ দাউদ ১৬২৪, ইবনু মাজাহ ১৭৯৫, আহমাদ ৮২৪, দারেমী ১৬২৬
وَعَنْ جَابِرِ [بْنِ عَبْدِ اللَّهِ]- رضي الله عنه - عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ مِنَ الْوَرِقِ صَدَقَةٌ, وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسٍ ذَوْدٍ مِنَ الْإِبِلِ صَدَقَةٌ, وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ مِنَ التَّمْرِ صَدَقَةٌ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (980)
৬১৩. জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- চাঁদিতে ৫ উকিয়ার কমে সদাকাহ (যাকাত) ওয়াজিব নয়। এবং উটে পাঁচ যাওদের কমে যাকাত নেই। এবং খেজুরে ৫ অসাকের কমে যাকাত নেই।[1]
(৫ উকিয়া ৭৩৫ গ্রাম, ৫ যাওদ = ৩ থেকে ১০টি উটের একটি পাল, ৫ ওয়াসাক = সাড়ে ১২ কেজি)
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৮০, ইবনু মাজাহ ১৭৯৪, আহমাদ
وَلَهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسَاقٍ مِنْ تَمْرٍ وَلَا حَبٍّ صَدَقَةٌ
وَأَصْلُ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (979) (4) وفي لفظ له: ليس في حب ولا تمر صدقة، حتى يبلغ خمسة أوسق
البخاري (1447)، ومسلم (979) بلفظ: ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة، ولا فيما دون خمسة ذود صدقة، ولا فيما دون خمس أواقي صدقة
৬১৪. মুসলিমে আবূ সাঈদের রিওয়ায়াতকৃত হাদীসে রয়েছে : খেজুর ও শস্যে ৫ অসাকের কমে যাকাত (ফরয) নেই।[1] আবূ সাঈদের মূল হাদীসটি বুখারী, মুসলিমে রয়েছে।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে, পাঁচ ওয়াসাক না হওয়া পর্যন্ত শস্যদানা এবং খেজুরে সদাকাহ নেই।
[2] মুসলিম ৯৭৯, বুখারী ১৪০৫, ১৪৪৭, ১৪৫৯, তিরমিযী ৬২৬, নাসায়ী ২৪৪৮, ২৪৪৬, , আবূ দাউদ ১৫৫৮, ১৫৫৯, ইবনু মাজাহ ১৭৯৯, ১৭৯৩, আহমাদ ১১০১২, ১১১৭০, ১১৫২০, মুওয়াত্তা মালেক ৫৭৫, ৫৭৬, দারেমী ১৬২৩, ১৬২৪
বুখারীতে রয়েছে, ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة، ولا فيما دون خمسة ذود صدقة، ولا فيما دون خمس أواقي صدقة পাঁচের কম সংখ্যক উটের উপর যাকাত নেই, পাচ উকিয়া-এর কম পরিমাণ রূপার উপর যাকাত নেই এবং পাঁচ ওয়াসক এর কম পরিমাণ উৎপন্ন দ্রব্যের উপর সদাকাহ (উশর) নেই।
وَعَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ, عَنْ أَبِيهِ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْعُيُونُ, أَوْ كَانَ عَثَرِيًّا: الْعُشْرُ, وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ: نِصْفُ الْعُشْرِ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَلِأَبِي دَاوُدَ: أَوْ كَانَ بَعْلًا: الْعُشْرُ, وَفِيمَا سُقِيَ بِالسَّوَانِي أَوِ النَّضْحِ: نِصْفُ الْعُشْرِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1483) والعثري: هو الذي يشرب بعروقه من غير سقي
أبو داود (1596)
৬১৫. সালিম বিন আবদুল্লাহ্ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- বৃষ্টি ও প্রবাহিত পানি দ্বারা সিক্ত ভূমিতে উৎপাদিত ফসল বা সেচ ব্যতীত উর্বরতার ফলে উৎপন্ন ফসলের উপর (দশমাংশ) ‘উশর ওয়াজিব হয়। আর সেচ দ্বারা উৎপাদিত ফসলের উপর অর্ধ (বিশ ভাগের এক ভাগ) ‘উশর। বুখারী; আর আবূ দাউদে আছে, যদি মাটি সিক্ত হয় তাহলে দশমাংশ ‘উশর। আর পশু বা সেচযন্ত্রের সাহায্যে সেচকৃত উৎপাদিত ফসলে বিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত দিতে হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৪৮৩, তিরমিযী ৬৪০, নাসায়ী ২৪৮৮, আবূ দাউদ ১৫৮৬, ইবনু মাজাহ ১৮১৭
وَعَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ; وَمُعَاذٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُمَا: «لَا تَأْخُذَا فِي الصَّدَقَةِ إِلَّا مِنْ هَذِهِ الْأَصْنَافِ الْأَرْبَعَةِ: الشَّعِيرِ, وَالْحِنْطَةِ, وَالزَّبِيبِ, وَالتَّمْرِ». رَوَاهُ الطَّبَرَانِيُّ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الدارقطني (2/ 98 / 15)، والحاكم في «المستدرك» (4/ 401) وقال الحاكم: «إسناده صحيح» ووافقه الذهبي، وهو كما قالا. وقد أعله ابن دقيق العيد بما لا يقدح، وقد أجبت عليه في الأصل
৬১৬. আবূ মূসা আল আশআরী ও মুআয (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলেছিলেন, শুধুমাত্র চার প্রকার জিনিস হতে সদাকাহ গ্ৰহণ করবে: বার্লি, গম, কিশমিশ ও খেজুর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৪৮৩, আবূ দাউদ ১৫৯৬, তিরমিযী ৬৫০, নাসায়ী ২৪৮৮, ইবনু মাজাহ ১৮১৭
وَلِلدَّارَقُطْنِيِّ, عَنْ مُعَاذٍ: فَأَمَّا الْقِثَّاءُ, وَالْبِطِّيخُ, وَالرُّمَّانُ, وَالْقَصَبُ, فَقَدْ عَفَا عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. وَإِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. رواه الدارقطني (2/ 97 / 9) في سنده انقطاع وأحد المتروكين. وضعفه الحافظ في «التلخيص» (2/ 165)
৬১৭. দারাকুৎনীতে মুআয থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শশা-খিরা, তরমুজ, আনার ও আখ জাতীয় জিনিসের যাকাত (‘উশর) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাফ করে দিয়েছেন। এর সানাদটি দুর্বল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুহাম্মাদ বিন আবদুল হাদী আল মুহাররার (২১৫) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইসহাক বিন ইয়াহইয়া আছে তাকে আহমাদ নাসায়ী ও অন্যরা পরিত্যাগ করেছেন। আর সে হচ্ছে মুরসাল। যাহাবী তানকীহিত তাহকীক (১/৩৩৭) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। যাহাবী মুহাযযাব ৩/১৪৮৫) গ্রন্থে বলেন তাতে সমালোচনা রয়েছে। শাওকানী আল ফাতহুর রব্বানী (৭/৩২৯৫) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুরসাল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনুল কাইয়িম আল মানারুল মুনীফ (৯৯) গ্রন্থে হাদীসটি বাতিল বলে উল্লেখ করেছেন।
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا خَرَصْتُمْ, فَخُذُوا, وَدَعُوا الثُّلُثَ, فَإِنْ لَمْ تَدَعُوا الثُّلُثَ, فَدَعُوا الرُّبُعَ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا اِبْنَ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (1605)، والنسائي (5/ 42)، والترمذي (643)، وأحمد (3/ 448 و 4/ 2 - 3 و 3)، وابن حبان (798 موارد)، والحاكم (1/ 402) من طريق عبد الرحمن بن نيار، عن سهل به. قلت: وابن نيار «لا يعرف» كما قال ابن القطان، والذهبي
৬১৮. সাহল বিন আবূ হাসমা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ করেছেন, যখন তোমরা হিসাব করবে (খেজুর জাতীয় ফলের যাকাত) তখন তা হতে এক তৃতীয়াংশ বাদ দিয়ে হিসেব করবে; যদি এক তৃতীয়াংশ ছাড়তে না পার তাহলে এক চতুর্থাংশ ছাড়বে। -ইবনু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৬০৫, তিরমিযী ৬৪৩, নাসায়ী ২৪৯১. আবূ দাউদ ১৫২৮৬, ১৫৬৬২
বিন বায বুলুগুল মারামের শারাহ (৩৮১) গ্রন্থে এর সানাদকে হাসান বলেছেন। শাইখ আলবানী সিলসিলা যঈফা (২৫৫৬), যঈফুল জামে (৪৭৬), আবূ দাউদ (১৬০৫), তিরমিযী (৬৪৩) গ্রন্থসমূহে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বাযযার আল বাহরুয যিখার (৬/২৭৯) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের রাবী আবদুর রহমান বিন নাইয়্যার পরিচিত। ইবনুল কাইয়্যিম আলামুল মুআক্কিয়ীন (২/২৬৬) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইবনু হাজার আত্-তালখীসুল হাবীর (২/৭৫৫) গ্রন্থে বলেন, যদিও এর সানাদে আবদুর রহমান বিন মাস’উদ রয়েছে তার পরও এর শাহেদ হাদীস রয়েছে। সানআনী সুবুলুস সালাম (২/২২১) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ হচ্ছে মাজহুল হাল। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার (৪/২০৫) গ্রন্থে বলেন, আব্দুর রহমান বিন মাস’উদ বিন নাইয়্যার সম্পর্কে ইবনুল কাত্তান বলেন, তার অবস্থা জানা যায় না। এর শাহেদ রয়েছে আর তাতে রয়েছে ইবনু লাহীআহ।
وَعَنْ عَتَّابِ بنِ أُسَيْدٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُخْرَصَ الْعِنَبُ كَمَا يُخْرَصُ النَّخْلُ, وَتُؤْخَذَ زَكَاتُهُ زَبِيبًا. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَفِيهِ انْقِطَاعٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (1603)، (1604)، والنسائي (5/ 109)، والترمذي (644)، وابن ماجه (1819) وعلته الانقطاع كما أشار إلى ذلك الحافظ. «تنبيه»: وهم الحافظ -رحمه الله- في عزو الحديث للخمسة -وهم أصحاب السنن وأحمد- إذ الحديث ليس في «المسند»، فضلا عن عدم وجود مسند لعتاب ضمن مسند الإمام أحمد المطبوع، بل لم يذكره ابن عساكر في كتابه: «أسماء الصحابة الذين أخرج حديثهم أحمد بن حنبل في المسند». وأيضا الحافظ نفسه لم يذكره في «أطراف المسند»، فقد راجعت المخطوط فلم أجده فيه
৬১৯. ‘আত্তাব বিন আসীদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেভাবে খেজুরের হিসাব করা হয় সেভাবেই আঙ্গুরেরও হিসাব করতে হবে। আঙ্গুরের যাকাতে কিশমিশ নিতে হবে। -এর সানাদে রাবীদের মধ্যে যোগসূত্রে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৬০৩, তিরমিযী ৬৪৪, নাসায়ী ২৩১৮, ইবনু মাজাহ ১৮১৯।
ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর (২/৭৫৩) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটির উৎস হচ্ছে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব আত্তাব থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইমাম আবূ দাউদ বলেন, ইবনুল মুসাইয়্যিব তার (আত্তাব) থেকে শুনেন নি। ইবনু কানে বলেন, তিনি তার যুগ পাননি। আলবানী আবূ দাউদ (১৬০৩) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম সানআনী সুবুলুস সালাম (২/২১) গ্রন্থে ও ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার (৪/২০৫) গ্রন্থে ইবনু হাজারের অনুরূপ উদ্ধৃতিই পেশ করেছেন।
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ; أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَمَعَهَا ابْنَةٌ لَهَا, وَفِي يَدِ ابْنَتِهَا مِسْكَتَانِ مِنْ ذَهَبٍ, فَقَالَ لَهَا: «أَتُعْطِينَ زَكَاةَ هَذَا?» قَالَتْ: لَا. قَالَ: «أَيَسُرُّكِ أَنْ يُسَوِّرَكِ اللَّهُ بِهِمَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ سِوَارَيْنِ مِنْ نَارٍ?» فَأَلْقَتْهُمَا. رَوَاهُ الثَّلَاثَةُ, وَإِسْنَادُهُ قَوِيٌّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (1563)، والنسائي (5/ 38)، والترمذي (637)، وقد اختلف في هذا الحديث، والحق أنه من ضعفه لا حجة له في ذلك، فمثلا ضعفه الترمذي براويين من رواته ولكن لم يتفردا بذلك، وأعله بعضهم بالإرسال، ولكنها علة غير قادحة كما قال الحافظ في «الدراية»، وفي «الأصل» زيادة تفصيل
৬২০. আমার বিন শুআইব তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, জনৈকা নারী তার মেয়েকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন। তার কন্যার হাতে দুখানা সোনার বালা ছিল। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি এগুলোর যাকাত আদায় করা? সে বলল, না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ ঐগুলো দিয়ে আগুনের বালা বানিয়ে তোমাকে পরতে দিলে তুমি কি খুশী হবে? (এটা শুনে) সে দুটোকে ছুঁড়ে ফেলে দিল।[1] -এর সানাদ শক্তিশালী।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৫৬৩, তিরমিযী ৬৩৭, নাসায়ী ২৪৭৯, আহমাদ ৬৬২৯, ৬৮৬২, ৬৯০০
وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الحاكم (1/ 389 - 390) من طريق عبد الله بن شداد بن الهاد قال: دخلنا على عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأى في سخابا من ورق، فقال: «ما هذا يا عائشة؟» فقلت: صنعتهن أتزين لك فيهن يا رسول الله. فقال: «أتؤدين زكاتهن؟» فقلت: لا. أو ما شاء الله من ذلك. قال: «هي حسبك من النار». وقال الحاكم: صحيح على شرط الشيخين. قلت: والحديث أيضا رواه أبو داود (1565) فكان عزوه لأبي داود أولى من عزوه للحاكم
৬২১. এবং ‘আয়িশা কর্তৃক বর্ণিত (অনুরূপ) হাদীসটিকে হাকিম সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৫৬৫, হাকিম ১/৩৮৯-৩৯০
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّهَا كَانَتْ تَلْبَسُ أَوْضَاحًا مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَكَنْزٌ هُوَ? فَقَالَ: «إِذَا أَدَّيْتِ زَكَاتَهُ, فَلَيْسَ بِكَنْزٍ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حديث صحيح، وإسناده ضعيف. رواه أبو داود (1564)، والدارقطني (2/ 105 / 1)، والحاكم (1/ 390)، وقد أعل هذا الحديث ابن الجوزي في «التحقيق»، والبيهقي في «الكبرى» كل واحد منهما بعلة ليست هي العلة الأصلية في الحديث، وإنما علته الانقطاع، إلا أنه صحيح بما له من شواهد، وتفصيل كل ذلك بالأصل. «تنبيه»: اللفظ الذي ساقه الحافظ هنا هو للدارقطني، والحاكم، وأما لفظ أبي داود، فهو: «ما بلغ أن تؤدي زكاته، فزكي، فليس بكنز
৬২২. উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি স্বর্ণের বালা পরতেন। তারপর তিনি বললেন, mdash;হে আল্লাহর রসূল! এগুলো কি (কুরআনে উল্লেখিত) গচ্ছিত সম্পদ (কানয) ? নবী ( বললেন, ‘যদি এর যাকাত আদায় কর তবে তা কানয হবে না। -হাকিম একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৫৬৪, দারাকুতনী ২/১০৫/১, হাকিম ১/৩৯০
وَعَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَأْمُرُنَا; أَنْ نُخْرِجَ الصَّدَقَةَ مِنَ الَّذِي نَعُدُّهُ لِلْبَيْعِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَإِسْنَادُهُ لَيِّنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (1562) بسند فيه ثلاثة مجاهيل، ولذلك كان قول الحافظ في «التلخيص» (2/ 179): «في إسناده جهالة» أدق من قوله هنا. وقال الذهبي: هذا إسناد مظلم لا ينهض بحكم
৬২৩. সামুরাহ বিন জুনদূব (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিতেন ঐসকল সম্পদ হতে সদাকাহ বের করতে যেগুলো আমরা বিক্রয়ের জন্য প্ৰস্তুত করতাম। -এর সানাদে সামান্য দুর্বলতা রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ হাঃ ১৫৬২। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম (২/২/১৪) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে সুলায়মান বিন সামরাহ নামক মাজহুল রাবী রয়েছে। ইমাম শাওকানী আস-সাইলুল জাররার (২/২৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে একাধিক মাজহুল রাবী রয়েছে। ইবনুল কাত্তান আল ওয়াহম ওয়াল ইহাম (৫/১৩৯) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের রাবী খুবাইব বিন সুলাইমান বিন সামরাহ ও তার পিতাকে তার সমসাময়িক কেউ চিনতেন না। ইমাম যাহাবী মিযানুল ইতিদাল (১/৪০৭) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি অস্পষ্ট। ইমাম যাহাবী তানকীহুত তাহকীক (১/৩৪৬) গ্রন্থে এর সানাদকে লীন উল্লেখ করেছেন।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «وَفِي الرِّكَازِ: الْخُمُسُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1499)، ومسلم (1710)، وهو بتمامه: «العجماء جرحها جبار، والبئر جبار، والمعدن جبار، وفي الركاز الخمس». قال ابن الأثير في «النهاية» (2/ 258): «الركاز؛ عند أهل الحجاز: كنوز الجاهلية المدفونة في الأرض. وعند أهل العراق: المعادن، والقولان تحتملهما اللغة؛ لأن كلا منهما مركوز في الأرض. أي: ثابت. يقال: ركزه يركزه ركزا إذا دفنه، وأركز الرجل إذا وجد الركاز. والحديث إنما جاء في التفسير الأول، وهو الكنز الجاهلي، وإنما كان فيه الخمس لكثرة نفعه وسهولة أخذه. وقد جاء في «مسند أحمد» في بعض طرق هذا الحديث: «وفي الركائز الخمس» كأنها جمع ركيزة أو ركازة، والركيزة والركوزة: القطعة من جواهر الأرض المركوزة فيها. وجمع الركزة ركاز
৬২৪. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-রিকাযের (ভূগর্ভস্থ পুঁতে রাখা সম্পদের) জন্য পাঁচ ভাগের এক ভাগ যাকাত দিতে হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩৫৬, ৬৯১২, ৬৯১৩, মুসলিম ১৭১০, তিরমিযী ৬৪২, ১৩৭৭, নাসায়ী ২৪৯৫, আবূ দাউদ ২০৮৫, ৪৫৯৩, ইবনু মাজাহ ২৬৭৩, ইবনু মাজাহ ২০৮০, ৭২১৩
বুখারী এবং মুসলিমের পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে, “العجماء جرحها جبار، والبئر جبار، والمعدن جبار، وفي الركاز الخمس” চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত দায়মুক্ত, কৃপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, খণি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত। রিকাযে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فِي كَنْزٍ وَجَدَهُ رَجُلٌ فِي خَرِبَةٍ: «إِنْ وَجَدْتَهُ فِي قَرْيَةٍ مَسْكُونَةٍ, فَعَرِّفْهُ, وَإِنْ وَجَدْتَهُ فِي قَرْيَةٍ غَيْرِ مَسْكُونَةٍ, فَفِيهِ وَفِي الرِّكَازِ: الْخُمُسُ». أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ بِإِسْنَادٍ حَسَنٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الشافعي (1/ 248 - 249/ 673)، ووهم الحافظ -رحمه الله- في عزوه الحديث لابن ماجه، وقلده غير واحد منهم صاحب «توضيح الأحكام» فقال: أخرجه ابن ماجه بإسناد حسن ولا أدري أين رآه في ابن ماجه! ولقد وجدت وهما آخر للحافظ في نفس الحديث في «التلخيص» وبيان ذلك بالأصل
৬২৫. ‘আমর বিন শুআইব তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ কোন লোক কোন বিরান জায়গায় কোন সম্পদ পেলে সে সম্বন্ধে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি তা কোন লোক-বসতিস্থানে পাও তবে তা প্রচার করে লোকেদের জানিয়ে দাও আর যদি কোন বিরান জায়গায় পাও তবে তাতে ও রিকাযে পাঁচ ভাগের এক ভাগ যাকাত দিবে। ইবনু মাজাহ হাসান সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। শাফিয়ী ১/২৪৮/৬৭৩, ইবনু হাজার হাদীসটিকে ইবনু মাজাহর সাথে সম্পৃক্ত করে ভুল করেছেন। বরং এ হাদীসটিকে হাফেজ ইবনু হাজার আসকালানীর আত-তালখীসুল হাবীর নামক গ্রন্থে পাওয়া যায়।
وَعَنْ بِلَالِ بْنِ الْحَارِثِ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَخَذَ مِنَ الْمَعَادِنِ الْقَبَلِيَّةِ الصَّدَقَةَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (3061) مرسلا وبلفظ: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني. معادن القبلية، وهي من ناحية الفرع، فتلك المعادن لا يؤخذ منها إلا الزكاة إلى اليوم
৬২৬. বিলাল বিন হারিস থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবালিয়াহ অঞ্চলের খনিজ সম্পদের সদাকাহ গ্ৰহণ করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩০৬১, মুওয়াত্তা মালেক ৫৮২
আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৮৩০) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। তিনি উক্ত গ্রন্থে (৩/৩১) বলেন। এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছার দিক থেকে সঠিক নয়। আলবানী সহীহ ইবনু খুযাইমাহ (২৩২৩) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন।
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - زَكَاةَ الْفِطْرِ, صَاعًا مِنْ تَمْرٍ, أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ: عَلَى الْعَبْدِ وَالْحُرِّ, وَالذَّكَرِ, وَالْأُنْثَى, وَالصَّغِيرِ, وَالْكَبِيرِ, مِنَ الْمُسْلِمِينَ, وَأَمَرَ بِهَا أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الصَّلَاةِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1503)، ومسلم (984) «تنبيه»: اللفظ المذكور إنما هو للبخاري، وأما مسلم فقد رواه إلى قوله: «من المسلمين» مع اختلاف يسير، وأما قوله: «وأمر بها أن تؤدى ..... » فقد رواها برقم (986) وأيضا فصلها البخاري في بعض المواطن من صحيحه
৬২৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, প্রত্যেক গোলাম, আযাদ, পুরুষ, নারী, প্রাপ্ত বয়স্ক, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের উপর আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকাতুল ফিতর হিসেবে খেজুর হোক অথবা যব হোক এক সা পরিমাণ আদায় করা ফরয করেছেন এবং লোকজনের ঈদের সালাতের বের হবার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫০৩, ১৫০৪, ১৫০৭, ১৫০৯, মুসলিম ৯৮৪, তিরমিযী ৬৭৫, ৬৭৬, নাসায়ী ২৫০২, ২৫০৩, আবূ দাউদ ১৬১১, ১৬১৩, ১৬১৪, ইবনু মাজাহ ১৮২৬, আহমাদ ৪৪৭২, ৫১৫২, মুওয়াত্তা মালেক ৬২৭, দারিামী ১৬৬১, ২৫২০
وَلِابْنِ عَدِيٍّ [مِنْ وَجْهٍ آخَرَ] , وَالدَّارَقُطْنِيِّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ: «اغْنُوهُمْ عَنِ الطَّوَافِ فِي هَذَا الْيَوْمِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني في «السنن» (2/ 152 - 153/ 67)، والبيهقي (4/ 175)، والحاكم في «معرفة علوم الحديث» ص (131)، وابن عدي في «الكامل» (7/ 2519)، وحميد بن زنجويه في «الأموال» (2397)، وابن حزم في «المحلى» (6/ 121) -ضمن أخبار فاسدة لا تصح- كلهم من طريق أبي معشر، عن نافع، عن ابن عمر قال: أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نخرج صدقة الفطر عن كل صغير وكبير، حر أو عبد صاعا من تمر، أو صاعا من زبيب، أو صاعا من شعير، أو صاعا من قمح، وكان يأمرنا أن نخرجها قبل الصلاة، وكان رسول صلى الله عليه وسلم يقسمها قبل أن ينصرف من المصلى، ويقول: فذكره. والسياق للحاكم
قلت: وهذا سند ضعيف، أبو معشر هو: نجيح السندي المدني ضعفه غير واحد، وأما ابن حزم فقد بالغ؛ إذ قال: «أبو معشر هذا نجيح مطرح يحدث بالموضوعات، عن نافع وغيره»
وله شاهد وطريق آخر. رواه ابن سعد في «الطبقات» قال: أخبرنا محمد بن عمر الواقدي، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الجمحي، عن الزهيري، عن عروة، عن عائشة، رضي الله عنها، قال: وأخبرنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال: وأخبرنا عبد العزيز بن محمد، عن ربيح بن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري، عن أبيه، عن جده، قالوا: فرض صوم رمضان بعدما حولت القبلة إلى الكعبة بشهر في شعبان على رأس ثمانية عشر شهرا من مهاجر رسول صلى الله عليه وسلم، وأمر في هذه السنة بزكاة الفطر، وذلك قبل أن يفرض الزكاة في الأموال، وأن تخرج عن الصغير والكبير، والذكر والأنثى، والحر والعبد: صاعا من تمر، أو صاعا من شعير، أو صاعا من زبيب، أو مدين من بر، وأمر بإخروجها قبل الغدو إلى الصلاة، وقال: «اغنوهم -يعني المساكين- عن طواف هذا اليوم»
قلت: والواقدي كذاب متهم، فلا يفرح بما أتى به، ويبقى الحديث على ما هو عليه من الضعف
«تنبيه»: قال المعلق على «البلوغ» ص (132)، معللا تضعيف الحافظ بقوله: «لأنه من رواية محمد بن عمر الواقدي» ولم يتنبه إلى أن الواقدي لا يوجد في رواية ابن عدي والدارقطني، وعزو الحافظ لهما، وإنما هو في رواية ابن سعد في «الطبقات» فقط، ولكنها آفة التقليد إذ هو مسبوق بهذا التعليل من الصنعاني في «السبل» (2/ 279)
৬২৮. ইবনু ‘আদী ও দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন: তাদের নিকট সদাকাতুল ফিতর পৌছে দিয়ে তাদের এ দিনে রুযীর খোজে বের হওয়ার প্রয়োজন মিটিয়ে দাও।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সানআনী সুবুলুস সালাম (২/২১৮) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুহাম্মাদ বিন উমার আল ওয়াকিদী রয়েছে। সে দুর্বল। ইমাম নববী আল মাজমু (৬/১২৬) গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন, আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৮৪৪) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন, উসাইমীন শারহুল মুমতে (৬/১৭১) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন।