হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (661)


وَعَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الضَّبِّيِّ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا أَفْطَرَ أَحَدُكُمْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى تَمْرٍ, فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى مَاءٍ, فَإِنَّهُ طَهُورٌ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ وَابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. وهو مخرج في «الصيام» للفريابي (62)، ولكن صح عن أنس رضي الله عنه، أنه قال: ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم قط يصلي حتى يفطر، ولو على شربة ماء. وهو مخرج في نفس المصدر برقم (67)




৬৬১. সালমান বিন আমির আযযাব্বী (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- যখন কেউ ইফতার করবে তখন সে যেন খেজুর দ্বারা ইফতার করে, যদি সে তা না পায় তাহলে পানি দ্বারা ইফতার করবে। কেননা সেটা পরিবত্রকারী। ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৬৯৫, আবূ দাউদ ২২৫৫, ইবনু মাজাহ ১৬৯৯, আহমাদ ১৫৭৯২, ১৫৭৯৮, ১৭৪১৪, দারেমী। ১৭০১

আলবানী যাঈফুত তিরমিযী (৬৯৫) গ্রন্থে বলেছেন, দুর্বল।

ইবনু বায হাশিয়্যাতু বুলুগুল মারাম লি ইবনিল বায (৪০৬) গ্রন্থে তার সানাদ সুন্দর।

আলবানী যঈফ ইবনি মাজাহ (৩৩৪) যঈফ বলেছেন।

সুয়ূতী আল জামিউস সগীর (৪৬৪) সহীহ বলেছেন।

আলবানী সিলসিলাতুয যইফা (৬৩৮৩) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।

আলবানী যঈফুত তিরমিযী (৬৫৮) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।

মুনযিরী আত তারগীব ওয়াত তারহীব (১/১৫১) গ্রন্থে তার সানাদ সহীহ ও হাসান বলেছেন।

আলবানী সহীহুত তিরমিযী (৬৫৮) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।

ইবনু হাজার মুহাল্লা (৭/৩১) গ্রন্থে বলেছেন, তার দ্বারা দলীল গ্ৰহন করা যাবে। আলবানী যাঈফুত তারগীব (৬৫১) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (662)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنِ الْوِصَالِ, فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ: فَإِنَّكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ تُوَاصِلُ? قَالَ: «وَأَيُّكُمْ مِثْلِي? إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِي». فَلَمَّا أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا عَنِ الْوِصَالِ وَاصَلَ بِهِمْ يَوْمًا, ثُمَّ يَوْمًا, ثُمَّ رَأَوُا الْهِلَالَ, فَقَالَ: «لَوْ تَأَخَّرَ الْهِلَالُ لَزِدْتُكُمْ»، كَالْمُنَكِّلِ لَهُمْ حِينَ أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. روه البخاري (1965)، ومسلم (1103)




৬৬২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ইফতার না করে লাগাতার সওম রেখো না। তখন মুসলিমদের মধ্য হতে জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলো: হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো ইফতার না করে লাগাতার সওম রাখেন। উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মত কে আছ? আমি রাত কাটাই তাতেই আমার রব আমাকে খাওয়ান ও পান করান। কিন্তু তাঁরা লাগাতার সওম রাখা থেকে বিরত হলো না। ফলে তাদের সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও দুদিন অথবা (বর্ণনাকারী বলেছিলেন) দু রাত লাগাতার সওম রাখলেন। এরপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি চাঁদ (আরও কয়েক দিন) দেরী করে উঠত, তাহলে আমিও (লাগাতার সওম রেখে) তোমাদের সওমের সময়কে বাড়িয়ে দিতাম, তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার জন্য। (বিসাল অর্থ পানাহার না করেই বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭০১, মুসলিম ১৬৪২, তিরমিযী ১৫২৭, নাসায়ী ৩৮৫২, ৩৮৫৩, ৩৮৫৪, আবূ দাউদ ২৩০১, আহমাদ ১১৬২৭, ১১৭১৭, ১২৪৭৮









বুলূগুল মারাম (663)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ, وَالْجَهْلَ, فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ, وَأَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6057)، وأبو داود (2362)، ووهم الحافظ رحمه الله في نسبة هذا اللفظ لأبي داود دون البخاري؛ إذ هو لفظ البخاري حرفا حرفا سوى أنه قال: «حاجة أن يدع» بدون «في» ولا أثر لذلك. وأما أبو داود فليس عنده: «والجهل» وما أظن الحافظ ذكر أبا داود ولا عزه إليه إلا من أجل هذا اللفظ. والله أعلم




৬৬৩. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক মিথ্যা কথা এবং সে অনুসারে কাজ করা আর মূর্খতা পরিহার করলো না, আল্লাহর নিকট তার পানাহার বর্জনের কোন প্রয়োজন নেই। - শব্দ বিন্যাস আবূ দাউদের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯০৩, ৬০৫৭, তিরমিযী ৭০৭, ২৩৬২, আবূ দাউদ ২৩৬২, ইবনু মাজাহ ১৬৮৯, আহমাদ ৮৫২৯, ১০১৮৪।









বুলূগুল মারাম (664)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ, وَيُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ, وَلَكِنَّهُ أَمْلَكُكُمْ لِإِرْبِهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
وَزَادَ فِي رِوَايَةٍ: فِي رَمَضَانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1927)، ومسلم (1106)، (65)
مسلم (1106) (71)




৬৬৪. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমের অবস্থায় চুমু খেতেন এবং গায়ে গা লাগাতেন। তবে তিনি তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ন্ত্রণে তোমাদের চেয়ে অধিক সক্ষম ছিলেন। -শব্দ মুসলিমের।



মুসলিম ভিন্ন একটি বর্ণনায় “তিনি রামাযানে এরূপ করেছেন” কথাটি বৃদ্ধি করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯২৭, ১৯২৮, মুসলিম ১১০৪, তিরমিযী ৭২৮, ৭২৯, আবূ দাউদ ২৩৮২, ২৩৮৩, ২৩৮৪, ইবনু মাজাহ ১৬৮৩, ১৬৮৭, আহমাদ ২৩৬১০, ২৩৬২৪, মুওয়াত্তা মালেক ৬৪৬, দারেমী ৭২৯, ১৭২২









বুলূগুল মারাম (665)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ, وَاحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1938) وتكلم بعضهم في الحديث، لكن كما قال الحافظ في «الفتح» (4/ 178): «الحديث صحيح لا مرية فيه». وانظر رقم (737)




৬৬৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায়ও শিঙ্গা লাগিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮২৫, ১৯৩৮, ২৯২৯, ২১০৩, মুসলিম ১২০২, তিরমিযী ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, নাসায়ী ২৮৪৫, ২৮৪৬, ২৮৪৭, ১৮২৫, ইবনু মাজাহ। ১৬৮২, ২০৮১, আহমাদ ১৮৫২, ১৯২২, দারেমী ১৮১৯, ১৯২১









বুলূগুল মারাম (666)


وَعَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى عَلَى رَجُلٍ بِالْبَقِيعِ وَهُوَ يَحْتَجِمُ فِي رَمَضَانَ. فَقَالَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ [وَالْمَحْجُومُ]». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ, وَصَحَّحَهُ أَحْمَدُ, وَابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2369)، والنسائي في «الكبرى» (3144)، وابن ماجه (1681)، وأحمد (5/ 283)، وابن حبان (5/ 218 - 219) وما بين الحاصرتين سقط من «أ»، وهذا من سهو الناسخ. والله أعلم. وتصحيح أحمد نقله الحاكم في «المستدرك» (1/ 430) وأما عزوه لابن خزيمة فلا أظنه إلا وهما. والله أعلم. «تنبيه»: قال الذهبي في «التنقيح» (ق / 89 / أ): قوله: بالبقيع. خطأ فاحش، فإن النبي صلى الله عليه وسلم كان يوم التاريخ المذكور في مكة، اللهم إلا أن يريد بالبقيع السوق




৬৬৬. শাদ্দাদ বিন আওস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকী নামক স্থানে এক ব্যক্তির নিকট এলেন যে রামাযান মাসে রক্তমোক্ষণ (শিঙ্গা লাগিয়েছিল) করছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: রক্তমোক্ষক ও যার রক্ষমোক্ষণ করা হয়েছে তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে। -আহমাদ, ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৩৬৭, ২৩৬৯, ২৩৭০, ২৩৭১, ইবনু মাজাহ ১৬৮০, ১৬৮১, আহমাদ ১৬৬৬৮, ১৬৬৭৫, দারেমী ১৭৩০।









বুলূগুল মারাম (667)


وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَوَّلُ مَا كُرِهَتِ الْحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ; أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ اِحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ, فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «أَفْطَرَ هَذَانِ» , ثُمَّ رَخَّصَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بَعْدُ فِي الْحِجَامَةِ لِلصَّائِمِ, وَكَانَ أَنَسٌ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَوَّاهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه الدارقطني (2/ 182 / 7) وقال: «كلهم ثقات، ولا أعلم له علة». قلت: وفي الأصل ذكرت جماعة ممن أنكروا الحديث أحدهم الحافظ نفسه




৬৬৭. আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম দিকে সিঙ্গা লাগান মাকরূহ হবার কারণ ছিল, জাফার বিন আবূ তালিব সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন-এরা দুজনেই সওম ভঙ্গ করে ফেলেছে। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সায়িমকে সিঙ্গা লাগানোর ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। ফলে আনাস (রাঃ) সায়িম অবস্থায় সিঙ্গা লাগাতেন।



--দারাকুৎনী একে কাবি (মজবুত) সানাদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম যাহাবী তানকীহুত তাহকীক ১/৩৮২ গ্রন্থে বলেন, খালেদ নামে এতে একজন বৰ্ণনাকারী আছে যাকে ইমাম আহমাদ মুনকার বর্ণনাকারীদের মধ্যে গণ্য করেছেন। আরও রয়েছে আবদুল্লাহ ইবনুল মুসান্না যাকে ইমাম আবূ দাউদ দুর্বল বলেছেন। তথাপিও ইমাম বুখারী এ দুজনের বর্ণিত হাদীসকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আলবানী ইরওয়াউল গলীল (৪/৭২) গ্রন্থে বলেছেন, সে বিশ্বস্ত রাবী।









বুলূগুল মারাম (668)


وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - اكْتَحَلَ فِي رَمَضَانَ, وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ
قَالَ التِّرْمِذِيُّ: لَا يَصِحُّ فِيهِ شَيْءٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن ماجه (1678)




৬৬৮. আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায় চোখে সুরমা লাগিয়েছেন। ইবনু মাজাহ দুর্বল সানাদে। তিরমিযী বলেছেন-এ অধ্যায়ে এ ব্যাপারে কোন সহীহ বৰ্ণনা নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৭২৬। ইবনু হাজার আসকালানী আত-তালখীসুল হাবীর (২/৭৮২) গ্রন্থে সাঈদ ইবনু সাঈদকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু উসাইমিন বুলুগুল মারামের শরাহ (৩/২২২) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (669)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ نَسِيَ وَهُوَ صَائِمٌ, فَأَكَلَ أَوْ شَرِبَ, فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ, فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1933)، ومسلم (1155)، واللفظ لمسلم




৬৬৯. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সওম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে ফেলে, তাহলে সে যেন তার সওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৩৩, ৬৬৬৯, মুসলিম ১১৫৫, তিরমিযী ৭২১, আবূ দাউদ ২৩৯৮, ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, আহমা ৮৮৮৯, ৯২০৫, দারেমী ১৭২৬, ১৭২৭









বুলূগুল মারাম (670)


وَلِلْحَاكِمِ: «مَنْ أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ نَاسِيًا فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَلَا كَفَّارَةَ». وَهُوَ صَحِيحٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الحاكم (1/ 430) إذ في سنده محمد بن عمرو بن علقمة، وهو حسن الحديث. وقد فات الحافظ أن ينسب الحديث لمن هو أعلى من الحاكم كابن خزيمة مثلا (1990) وغيره




৬৭০. হাকিমে আছে, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে ইফতার করে ফেলল। তার জন্য কোন কাযা বা কাফফারা নেই। হাদীসটি সহীহ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। হাকিম ১/৪৩০, ইবনু খুযাইমাহ ১৯৯০









বুলূগুল মারাম (671)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ ذَرَعَهُ الْقَيْءُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ, وَمَنْ اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ
وَأَعَلَّهُ أَحْمَدُ
وَقَوَّاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2380)، والنسائي في «الكبرى» (2/ 215)، والترمذي (720)، وابن ماجه (1676)، وأحمد (2/ 498)




৬৭১. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার মুখ ভরে বমি হয় তাকে রোযা কাযা করতে হবে না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করে তাকে রোযার কাযা করতে হবে। -আহমাদ একে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন ও দারাকুতনী একে মজবুত সানাদের হাদীস হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৩৮০, তিরমিযী ৭২০, ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, আহমাদ ১০০৮৫, দারেমী ১৭২৯









বুলূগুল মারাম (672)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - خَرَجَ عَامَ الْفَتْحِ إِلَى مَكَّةَ فِي رَمَضَانَ, فَصَامَ حَتَّى بَلَغَ كُرَاعَ الْغَمِيمِ, فَصَامَ النَّاسُ, ثُمَّ دَعَا بِقَدَحٍ مِنْ مَاءٍ فَرَفَعَهُ, حَتَّى نَظَرَ النَّاسُ إِلَيْهِ, ثُمَّ شَرِبَ, فَقِيلَ لَهُ بَعْدَ ذَلِكَ: إِنَّ بَعْضَ النَّاسِ قَدْ صَامَ. قَالَ: أُولَئِكَ الْعُصَاةُ, أُولَئِكَ الْعُصَاةُ
وَفِي لَفْظٍ: فَقِيلَ لَهُ: إِنَّ النَّاسَ قَدْ شَقَّ عَلَيْهِمُ الصِّيَامُ, وَإِنَّمَا يَنْظُرُونَ فِيمَا فَعَلْتَ، فَدَعَا بِقَدَحٍ مِنْ مَاءٍ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَشَرِبَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1114) (90)




৬৭২. জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কা বিজয়কালে রমযান মাসে (মদীনা থেকে মাক্কাভিমুখে) যাত্রা করেন। তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ সওম পালন করছিলেন। যখন তিনি ‘কুরাআল গামীম নাম স্থানে পৌঁছলেন তখন এক পেয়ালা পানি নিয়ে ডাকলেন ও ঐ পানির পেয়ালা এমন উঁচু করে ধরলেন যাতে লোকেরা তা দেখতে পেলো। তারপর তিনি তা পান করলেন। অতঃপর তাঁকে বলা হলো এরপরও কিছু লোক রোযা রেখেছে। তিনি কিছু বললেন, ওরা অবাধ্য, ওরা অবাধ্য!



ভিন্ন একটি বর্ণনায় এ শব্দ রয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলা হল, লোকেদের উপর (আজ) সওম পালন কঠিন হয়ে পড়েছে। আপনি কি করেন এরই অপেক্ষায় তারা আছে। তারপর ‘আসরের পরে পানির পেয়ালা নিয়ে ডাকলেন ও অতঃপর তিনি পানি পান করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১১৪, তিরমিযী ৭১০, নাসায়ী ২২৬৩









বুলূগুল মারাম (673)


وَعَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَسْلَمِيِّ رِضَى اللَّهُ عَنْهُ; أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَجِدُ بِي قُوَّةً عَلَى الصِّيَامِ فِي السَّفَرِ, فَهَلْ عَلَيَّ جُنَاحٌ? فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «هِيَ رُخْصَةٌ مِنَ اللَّهِ, فَمَنْ أَخَذَ بِهَا فَحَسَنٌ, وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَصُومَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1121) (107)




৬৭৩. হামযাহ বিন ‘আমর আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি সফরের অবস্থায় সওম পালনের মত ক্ষমতা রাখি। রোযা পালন আমার জন্য কি কোন দূষনীয় হবে। তদুত্তরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনmdash;এটা আল্লাহ প্রদত্ত অবকাশ, যে তা গ্রহণ করবে। সে তাতে উত্তম করবে, আর যে সওম পালন পছন্দ করবে তারও কোন ক্ষতি নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৪৭৭, বুখারী ১৪৩, তিরমিযী ২৮২৪, ইবনু মাজাহ ১৬৬, আহমাদ ২২৯৩, ২৪১৮, ২৮৭৪









বুলূগুল মারাম (674)


وَأَصْلُهُ فِي «الْمُتَّفَقِ» مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ: أَنَّ حَمْزَةَ بْنَ عَمْرٍو سَأَلَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4/ 179 / فتح)، ومسلم (2/ 789) وتمامه: رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصيام في السفر، فقال: إن شئت فصم، وإن شئت فافطر




৬৭৪. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে এ হাদীসটির মূল মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিমে) রয়েছে। তাতে আছে: ‘হামযাহ বিন আমার জিজ্ঞেস করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৪২, ১৯৪৩, মুসলিম ১১২১, তিরমিযী ৭১১, নাসায়ী ২৩০৬, আবূ দাউদ ২৪০২, ইবনু মাজাহ ১৬৬২, আহমাদ ২৫০৭৯

পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে, أن حمزة بن عمر سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصيام في السفر، فقال: إن شئت فصم، وإن شئت فافطر হামযা বিন আমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সফরে রোযা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, তদুত্তরে তিনি বললেন, যদি রোযা রাখতে চাও তাহলে রাখ। আর যদি না রাখতে চাও, তাহলে ভেঙ্গে ফেল।









বুলূগুল মারাম (675)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: رُخِّصَ لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ أَنْ يُفْطِرَ, وَيُطْعِمَ عَنْ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا, وَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَالْحَاكِمُ, وَصَحَّحَاهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الدارقطني (2/ 205 / 6)، والحاكم (1/ 440)، وقال الدارقطني: وهذا الإسناد صحيح. وقال الحاكم: حديث صحيح على شرط البخاري




৬৭৫. ইবনু ‘আব্বাস থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, অতি বৃদ্ধের জন্য সওম পালনের ব্যাপারে এই অবকাশ দেয়া হয়েছে যে, সে প্রতি সওমের বদলে একজন মিসকীনকে ইফতার করাবে ও খাওয়াবে। তার উপর কাযাও নেই। দারাকুৎনী ও হাকিম একে সহীহ্ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসটি সহীহ। দারাকুতনী ২/২০৫/৬, হাকিম ১/৪৪০। ইমাম দারাকুতনী বলেনঃ এর ইসনাদ সহীহ। ইমাম হাকিম বলেনঃ হাদীসটি বুখারীর শর্তানুপাতে সহীহ।









বুলূগুল মারাম (676)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: هَلَكْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ?» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ: «هَلْ تَجِدُ مَا تَعْتِقُ رَقَبَةً?» قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تَصُومَ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ?» قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ تَجِدُ مَا تُطْعِمُ سِتِّينَ مِسْكِينًا» قَالَ: لَا, ثُمَّ جَلَسَ, فَأُتِي النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ. فَقَالَ: «تَصَدَّقْ بِهَذَا» , فَقَالَ: أَعَلَى أَفْقَرَ مِنَّا? فَمَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا أَهْلُ بَيْتٍ أَحْوَجُ إِلَيْهِ مِنَّا, فَضَحِكَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبْ فَأَطْعِمْهُ أَهْلَكَ». رَوَاهُ السَّبْعَةُ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1936)، ومسلم (1111)، وأبو داود (2390)، والنسائي في «الكبرى» (2/ 212 - 213)، والترمذي (724)، وابن ماجه (1671)، وأحمد (2/ 208 و 241 و 281 و 516)




৬৭৬. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কি বিষয় তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছি। আল্লাহর রসূল (রঃ) বললেন, আযাদ করার মত কোন ক্রীতদাস তুমি পাবে কি? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি একাধারে দুমাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। এরপর তিনি বললেন, : ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে রইল। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এক ‘আরাক পেশ করা হল যাতে খেজুর ছিল। ‘আরাক হল ঝুড়ি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এগুলো নিয়ে সদাকাহ করে দাও। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার চাইতেও বেশি অভাবগ্রস্তকে সদাকাহ করব? আল্লাহর শপথ, মাদীনার উভয় লাবা অর্থাৎ উভয় প্রান্তের মধ্যে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবগ্ৰস্ত কেউ নেই। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে উঠলেন এবং তাঁর দাঁত (আনইয়াব) দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন : এগুলো তোমার পরিবারকে খাওয়াও।[1] শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৩৬, মুসলিম ১১১১, তিরমিযী ৭২৪, আবূ দাউদ ২৩৯০, ২৩৯২, ইবনু মাজাহ ১৬৭১, আহমাদ ৬৯০৫, ৭২৪৮, মালিক ৬৬০, দারিামী ১৭১৬।









বুলূগুল মারাম (677)


وَعَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ, ثُمَّ يَغْتَسِلُ وَيَصُومُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
زَادَ مُسْلِمٌ فِي حَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ: [وَ] لَا يَقْضِي

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4/ 143 / فتح)، ومسلم (1109)، ولقد ساق الحافظ الحديث بالمعنى، وإلا: فلفظ البخاري؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدركه الفجر وهو جنب من أهله، ثم يغتسل ويصوم. وأما لفظ مسلم: كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم، ثم يصوم




৬৭৭. আয়িশা ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যৌন অপবিত্রতা বা জুনুবী অবস্থায় সকাল (সুবহে সাদিক) করতেন, তারপর (ফজরের সালাতের পূর্বে) গোসল করতেন ও সওম পালন করতেন। মুসলিমে উম্মু সালামাহর হাদীসে অতিরিক্ত আছে, “তিনি ঐরুপ সওমের কাযা আদায় করতেন না”।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯২৬, ১৯৩০, ১৯৩২, মুসলিম ১১০৯ তিরমিযী ৭৭৯, আবূ দাউদ ১৯৮৪, ১৯৮৫, ২৩৮৮. আহমাদ ২৩৫৪২, মুওয়াত্তা মালেক ৬৪১, ৬৪২, দারেমী ১৭২৫









বুলূগুল মারাম (678)


-




৬৭৮. দেখুন পূর্বের হাদিস।












বুলূগুল মারাম (679)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صِيَامٌ صَامَ عَنْهُ وَلِيُّهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1952) ومسلم (1147) «تنبيه»: الصوم الذي في هذا الحديث هو صوم النذر فقط، كما كنت بينت ذلك في كتابي «الإلمام بآداب وأحكام الصيام» الطبعة الأولى ص (65 - 66)




৬৭৯. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সওমের কায যিম্মায় রেখে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার অভিভাবক তার পক্ষ হতে সওম আদায় করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ১১৪৭, আবূ দাউদ ২৪০০, ২৩১১, আহমাদ ২৩৮৮০।

সতর্কবানী: উক্ত হাদীসে যে রোযা রাখার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে তা শুধুমাত্র মানতের রোযা।









বুলূগুল মারাম (680)


عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سُئِلَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَرَفَةَ. قَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ الْمَاضِيَةَ وَالْبَاقِيَةَ»، وَسُئِلَ عَنْ صِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ. قَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ الْمَاضِيَةَ» وَسُئِلَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الِاثْنَيْنِ, قَالَ: «ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ, وَبُعِثْتُ فِيهِ, أَوْ أُنْزِلَ عَلَيَّ فِيهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1162) (197)، وساقه الحافظ بتقديم وتأخير




৬৮০. আবূ কাতাদাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আরাফাহর দিনে সওম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-এর দ্বারা বিগত ও আগত এক বছরের গোনাহ (পাপ) মোচন হয়। ‘আশুরাহর দিনের সওম পালন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-বিগত এক বছরের পাপ মোচন হয়। সোমবারের দিনে সওম পালন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন, এটা সেদিন যেদিন আমি জন্মেছি এবং নুবুওয়াত লাভ করেছি। আর আমার উপর (কুরআন) অবতীর্ণ হয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১৬২, তিরমিযী ৬৭৬, নাসায়ী ২৩৮২, আবূ দাউদ ২৪২৫, ইবনু মাজাহ ১৭১৩, আহমাদ ২২০২৪