হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (669)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ نَسِيَ وَهُوَ صَائِمٌ, فَأَكَلَ أَوْ شَرِبَ, فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ, فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1933)، ومسلم (1155)، واللفظ لمسلم




৬৬৯. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সওম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে ফেলে, তাহলে সে যেন তার সওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৩৩, ৬৬৬৯, মুসলিম ১১৫৫, তিরমিযী ৭২১, আবূ দাউদ ২৩৯৮, ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, আহমা ৮৮৮৯, ৯২০৫, দারেমী ১৭২৬, ১৭২৭









বুলূগুল মারাম (670)


وَلِلْحَاكِمِ: «مَنْ أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ نَاسِيًا فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَلَا كَفَّارَةَ». وَهُوَ صَحِيحٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الحاكم (1/ 430) إذ في سنده محمد بن عمرو بن علقمة، وهو حسن الحديث. وقد فات الحافظ أن ينسب الحديث لمن هو أعلى من الحاكم كابن خزيمة مثلا (1990) وغيره




৬৭০. হাকিমে আছে, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে ইফতার করে ফেলল। তার জন্য কোন কাযা বা কাফফারা নেই। হাদীসটি সহীহ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। হাকিম ১/৪৩০, ইবনু খুযাইমাহ ১৯৯০









বুলূগুল মারাম (671)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ ذَرَعَهُ الْقَيْءُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ, وَمَنْ اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ
وَأَعَلَّهُ أَحْمَدُ
وَقَوَّاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2380)، والنسائي في «الكبرى» (2/ 215)، والترمذي (720)، وابن ماجه (1676)، وأحمد (2/ 498)




৬৭১. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার মুখ ভরে বমি হয় তাকে রোযা কাযা করতে হবে না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করে তাকে রোযার কাযা করতে হবে। -আহমাদ একে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন ও দারাকুতনী একে মজবুত সানাদের হাদীস হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৩৮০, তিরমিযী ৭২০, ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, আহমাদ ১০০৮৫, দারেমী ১৭২৯









বুলূগুল মারাম (672)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - خَرَجَ عَامَ الْفَتْحِ إِلَى مَكَّةَ فِي رَمَضَانَ, فَصَامَ حَتَّى بَلَغَ كُرَاعَ الْغَمِيمِ, فَصَامَ النَّاسُ, ثُمَّ دَعَا بِقَدَحٍ مِنْ مَاءٍ فَرَفَعَهُ, حَتَّى نَظَرَ النَّاسُ إِلَيْهِ, ثُمَّ شَرِبَ, فَقِيلَ لَهُ بَعْدَ ذَلِكَ: إِنَّ بَعْضَ النَّاسِ قَدْ صَامَ. قَالَ: أُولَئِكَ الْعُصَاةُ, أُولَئِكَ الْعُصَاةُ
وَفِي لَفْظٍ: فَقِيلَ لَهُ: إِنَّ النَّاسَ قَدْ شَقَّ عَلَيْهِمُ الصِّيَامُ, وَإِنَّمَا يَنْظُرُونَ فِيمَا فَعَلْتَ، فَدَعَا بِقَدَحٍ مِنْ مَاءٍ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَشَرِبَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1114) (90)




৬৭২. জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কা বিজয়কালে রমযান মাসে (মদীনা থেকে মাক্কাভিমুখে) যাত্রা করেন। তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ সওম পালন করছিলেন। যখন তিনি ‘কুরাআল গামীম নাম স্থানে পৌঁছলেন তখন এক পেয়ালা পানি নিয়ে ডাকলেন ও ঐ পানির পেয়ালা এমন উঁচু করে ধরলেন যাতে লোকেরা তা দেখতে পেলো। তারপর তিনি তা পান করলেন। অতঃপর তাঁকে বলা হলো এরপরও কিছু লোক রোযা রেখেছে। তিনি কিছু বললেন, ওরা অবাধ্য, ওরা অবাধ্য!



ভিন্ন একটি বর্ণনায় এ শব্দ রয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলা হল, লোকেদের উপর (আজ) সওম পালন কঠিন হয়ে পড়েছে। আপনি কি করেন এরই অপেক্ষায় তারা আছে। তারপর ‘আসরের পরে পানির পেয়ালা নিয়ে ডাকলেন ও অতঃপর তিনি পানি পান করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১১৪, তিরমিযী ৭১০, নাসায়ী ২২৬৩









বুলূগুল মারাম (673)


وَعَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَسْلَمِيِّ رِضَى اللَّهُ عَنْهُ; أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَجِدُ بِي قُوَّةً عَلَى الصِّيَامِ فِي السَّفَرِ, فَهَلْ عَلَيَّ جُنَاحٌ? فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «هِيَ رُخْصَةٌ مِنَ اللَّهِ, فَمَنْ أَخَذَ بِهَا فَحَسَنٌ, وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَصُومَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1121) (107)




৬৭৩. হামযাহ বিন ‘আমর আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি সফরের অবস্থায় সওম পালনের মত ক্ষমতা রাখি। রোযা পালন আমার জন্য কি কোন দূষনীয় হবে। তদুত্তরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনmdash;এটা আল্লাহ প্রদত্ত অবকাশ, যে তা গ্রহণ করবে। সে তাতে উত্তম করবে, আর যে সওম পালন পছন্দ করবে তারও কোন ক্ষতি নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৪৭৭, বুখারী ১৪৩, তিরমিযী ২৮২৪, ইবনু মাজাহ ১৬৬, আহমাদ ২২৯৩, ২৪১৮, ২৮৭৪









বুলূগুল মারাম (674)


وَأَصْلُهُ فِي «الْمُتَّفَقِ» مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ: أَنَّ حَمْزَةَ بْنَ عَمْرٍو سَأَلَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4/ 179 / فتح)، ومسلم (2/ 789) وتمامه: رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصيام في السفر، فقال: إن شئت فصم، وإن شئت فافطر




৬৭৪. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে এ হাদীসটির মূল মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিমে) রয়েছে। তাতে আছে: ‘হামযাহ বিন আমার জিজ্ঞেস করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৪২, ১৯৪৩, মুসলিম ১১২১, তিরমিযী ৭১১, নাসায়ী ২৩০৬, আবূ দাউদ ২৪০২, ইবনু মাজাহ ১৬৬২, আহমাদ ২৫০৭৯

পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে, أن حمزة بن عمر سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصيام في السفر، فقال: إن شئت فصم، وإن شئت فافطر হামযা বিন আমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সফরে রোযা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, তদুত্তরে তিনি বললেন, যদি রোযা রাখতে চাও তাহলে রাখ। আর যদি না রাখতে চাও, তাহলে ভেঙ্গে ফেল।









বুলূগুল মারাম (675)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: رُخِّصَ لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ أَنْ يُفْطِرَ, وَيُطْعِمَ عَنْ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا, وَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَالْحَاكِمُ, وَصَحَّحَاهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الدارقطني (2/ 205 / 6)، والحاكم (1/ 440)، وقال الدارقطني: وهذا الإسناد صحيح. وقال الحاكم: حديث صحيح على شرط البخاري




৬৭৫. ইবনু ‘আব্বাস থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, অতি বৃদ্ধের জন্য সওম পালনের ব্যাপারে এই অবকাশ দেয়া হয়েছে যে, সে প্রতি সওমের বদলে একজন মিসকীনকে ইফতার করাবে ও খাওয়াবে। তার উপর কাযাও নেই। দারাকুৎনী ও হাকিম একে সহীহ্ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসটি সহীহ। দারাকুতনী ২/২০৫/৬, হাকিম ১/৪৪০। ইমাম দারাকুতনী বলেনঃ এর ইসনাদ সহীহ। ইমাম হাকিম বলেনঃ হাদীসটি বুখারীর শর্তানুপাতে সহীহ।









বুলূগুল মারাম (676)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: هَلَكْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ?» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ: «هَلْ تَجِدُ مَا تَعْتِقُ رَقَبَةً?» قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تَصُومَ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ?» قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ تَجِدُ مَا تُطْعِمُ سِتِّينَ مِسْكِينًا» قَالَ: لَا, ثُمَّ جَلَسَ, فَأُتِي النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ. فَقَالَ: «تَصَدَّقْ بِهَذَا» , فَقَالَ: أَعَلَى أَفْقَرَ مِنَّا? فَمَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا أَهْلُ بَيْتٍ أَحْوَجُ إِلَيْهِ مِنَّا, فَضَحِكَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبْ فَأَطْعِمْهُ أَهْلَكَ». رَوَاهُ السَّبْعَةُ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1936)، ومسلم (1111)، وأبو داود (2390)، والنسائي في «الكبرى» (2/ 212 - 213)، والترمذي (724)، وابن ماجه (1671)، وأحمد (2/ 208 و 241 و 281 و 516)




৬৭৬. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কি বিষয় তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছি। আল্লাহর রসূল (রঃ) বললেন, আযাদ করার মত কোন ক্রীতদাস তুমি পাবে কি? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি একাধারে দুমাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। এরপর তিনি বললেন, : ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে রইল। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এক ‘আরাক পেশ করা হল যাতে খেজুর ছিল। ‘আরাক হল ঝুড়ি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এগুলো নিয়ে সদাকাহ করে দাও। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার চাইতেও বেশি অভাবগ্রস্তকে সদাকাহ করব? আল্লাহর শপথ, মাদীনার উভয় লাবা অর্থাৎ উভয় প্রান্তের মধ্যে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবগ্ৰস্ত কেউ নেই। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে উঠলেন এবং তাঁর দাঁত (আনইয়াব) দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন : এগুলো তোমার পরিবারকে খাওয়াও।[1] শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৩৬, মুসলিম ১১১১, তিরমিযী ৭২৪, আবূ দাউদ ২৩৯০, ২৩৯২, ইবনু মাজাহ ১৬৭১, আহমাদ ৬৯০৫, ৭২৪৮, মালিক ৬৬০, দারিামী ১৭১৬।









বুলূগুল মারাম (677)


وَعَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ, ثُمَّ يَغْتَسِلُ وَيَصُومُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
زَادَ مُسْلِمٌ فِي حَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ: [وَ] لَا يَقْضِي

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4/ 143 / فتح)، ومسلم (1109)، ولقد ساق الحافظ الحديث بالمعنى، وإلا: فلفظ البخاري؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدركه الفجر وهو جنب من أهله، ثم يغتسل ويصوم. وأما لفظ مسلم: كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم، ثم يصوم




৬৭৭. আয়িশা ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যৌন অপবিত্রতা বা জুনুবী অবস্থায় সকাল (সুবহে সাদিক) করতেন, তারপর (ফজরের সালাতের পূর্বে) গোসল করতেন ও সওম পালন করতেন। মুসলিমে উম্মু সালামাহর হাদীসে অতিরিক্ত আছে, “তিনি ঐরুপ সওমের কাযা আদায় করতেন না”।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯২৬, ১৯৩০, ১৯৩২, মুসলিম ১১০৯ তিরমিযী ৭৭৯, আবূ দাউদ ১৯৮৪, ১৯৮৫, ২৩৮৮. আহমাদ ২৩৫৪২, মুওয়াত্তা মালেক ৬৪১, ৬৪২, দারেমী ১৭২৫









বুলূগুল মারাম (678)


-




৬৭৮. দেখুন পূর্বের হাদিস।












বুলূগুল মারাম (679)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صِيَامٌ صَامَ عَنْهُ وَلِيُّهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1952) ومسلم (1147) «تنبيه»: الصوم الذي في هذا الحديث هو صوم النذر فقط، كما كنت بينت ذلك في كتابي «الإلمام بآداب وأحكام الصيام» الطبعة الأولى ص (65 - 66)




৬৭৯. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সওমের কায যিম্মায় রেখে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার অভিভাবক তার পক্ষ হতে সওম আদায় করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ১১৪৭, আবূ দাউদ ২৪০০, ২৩১১, আহমাদ ২৩৮৮০।

সতর্কবানী: উক্ত হাদীসে যে রোযা রাখার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে তা শুধুমাত্র মানতের রোযা।









বুলূগুল মারাম (680)


عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سُئِلَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَرَفَةَ. قَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ الْمَاضِيَةَ وَالْبَاقِيَةَ»، وَسُئِلَ عَنْ صِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ. قَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ الْمَاضِيَةَ» وَسُئِلَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الِاثْنَيْنِ, قَالَ: «ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ, وَبُعِثْتُ فِيهِ, أَوْ أُنْزِلَ عَلَيَّ فِيهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1162) (197)، وساقه الحافظ بتقديم وتأخير




৬৮০. আবূ কাতাদাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আরাফাহর দিনে সওম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-এর দ্বারা বিগত ও আগত এক বছরের গোনাহ (পাপ) মোচন হয়। ‘আশুরাহর দিনের সওম পালন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-বিগত এক বছরের পাপ মোচন হয়। সোমবারের দিনে সওম পালন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন, এটা সেদিন যেদিন আমি জন্মেছি এবং নুবুওয়াত লাভ করেছি। আর আমার উপর (কুরআন) অবতীর্ণ হয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১৬২, তিরমিযী ৬৭৬, নাসায়ী ২৩৮২, আবূ দাউদ ২৪২৫, ইবনু মাজাহ ১৭১৩, আহমাদ ২২০২৪









বুলূগুল মারাম (681)


وَعَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ, ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1164)




৬৮১. আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যে ব্যক্তি রমযানের সওমব্ৰত পালনের পর শাওয়ালেরও ৬টি সওম পালন করল, (পুণ্যের দিক দিয়ে) পূর্ণ একটি বছর সওম পালন করল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১৬৪, তিরমিযী ৭৫৯, আবূ দাউদ ২৪৩৩, ইবনু মাজাহ ১৭১৬, আহমাদ ২৩০২২









বুলূগুল মারাম (682)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ عَبْدٍ يَصُومُ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا بَاعَدَ اللَّهُ بِذَلِكَ الْيَوْمِ عَنْ وَجْهِهِ النَّارَ سَبْعِينَ خَرِيفًا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2840)، ومسلم (1153)




৬৮২. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যে বান্দা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধরত অবস্থায় একটি দিন সওম পালন করবে। আল্লাহ তার (বিনিময়ে) তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছরের দূরত্বে রাখবেন। শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৮৪০, মুসলিম ১১৫৩, তিরমিযী ১৬২৩, নাসায়ী ২২৫১, ২২৫৩, ২২৫২, ইবনু মাজাহ ১৭১৭, আহমাদ ১০৮২৬, দারেমী ২৩৯৯









বুলূগুল মারাম (683)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ لَا يُفْطِرُ, وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ لَا يَصُومُ, وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ قَطُّ إِلَّا رَمَضَانَ, وَمَا رَأَيْتُهُ فِي شَهْرٍ أَكْثَرَ مِنْهُ صِيَامًا فِي شَعْبَانَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1969)، ومسلم (1156) (175)




৬৮৩. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে (এত অধিক) সওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সওম পালন করবেন না। আমি আল্লাহর রসূল (রাঃ)-কে রমযান ব্যতীত কোন পুরা মাসের সওম পালন করতে দেখিনি এবং শাবান মাসের চেয়ে কোন মাসে অধিক (নফল) সওম পালন করতে দেখিনি। শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩, ১১৩২, ১১৫১, ১৯৬৯, মুসলিম ৭৪১, ৭৮২, ৭৮৩, ৭৮৫, নাসায়ী ৭৬২, ১৬১৬, ১৬৪২, আবূ দাউদ ১২১৭, ১২৬৮, ১২৭০, ইবনু মাজাহ ১৭১০, ৪২২৮, আহমাদ ২৩৫২৩, মুওয়াত্তা মালেক ৪২২, ৬৮৮।









বুলূগুল মারাম (684)


وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ نَصُومَ مِنَ الشَّهْرِ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ: ثَلَاثَ عَشْرَةَ, وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ. رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه النسائي (4/ 222)، والترمذي (761)، وابن حبان (3647 و 3648)، وقال الترمذي: هذا حديث حسن




৬৮৪. আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রতি মাসে তিনটি (নফল) সওম পালনের (ঐচ্ছিক) নির্দেশ দিলেন, (চন্দ্র মাসের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। -ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৭৬১, নাসায়ী ২৪২৪।









বুলূগুল মারাম (685)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُومَ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
وَزَادَ أَبُو دَاوُدَ: غَيْرَ رَمَضَانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5195)، ومسلم (1026)، وزاد البخاري: «ولا تأذن في بيته إلا بإذنه، وما أنفقت من نفقة عن غير أمره، فإنه يؤدى إليه شطره». ومثله لمسلم إلا أنه قال: من كسبه من غير أمره فإن نصف أجره له




৬৮৫. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন স্বামী উপস্থিত থাকবে, তখন স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলার জন্য সওম পালন বৈধ নয়। -শব্দ বিন্যাস বুখারী। আবূ দাউদে একথাও আছে, “রামাযানের সওম ব্যতীত”।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৬৬, ৫১৯২, ৫১৯৫, ৫২৬০, মুসলিম ১০২৬, আবূ দাউদ ১৬৮৭, আহমাদ ২৭৪০৫।









বুলূগুল মারাম (686)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ: يَوْمِ الْفِطْرِ، وَيَوْمِ النَّحْرِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1991)، ومسلم (2/ 800 / 141) واللفظ لمسلم




৬৮৬. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। অবশ্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটো দিন সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। -ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার (কুরবানীর) দিন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৬৭, ১৯৯১, ২১৪৪, ২১৪৭, ৫৮,২০, ৫৮২২, মুসলিম ৮২৭, নাসায়ী ৫৬৬, ৫৬৭, আবূ দাউদ ২৪১৭, ইবনু মাজাহ ২১৭০, ২৫৫৯, আহমাদ ১০৬২৯, ১০৭১০।









বুলূগুল মারাম (687)


وَعَنْ نُبَيْشَةَ الْهُذَلِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ, وَذِكْرٍ لِلَّهِ - عز وجل». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1141)، وليس فيه لفظ: عز وجل




৬৮৭. নুবায়শাতুল হুযালী থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তাশরীকের দিনগুলো হচ্ছে (যিলহাজ্জের ১১ হতে ১৩ তারিখ) খাওয়া, পানাহার ও আল্লাহ্ তাআলার যিকর আযকারের দিন। অর্থাৎ কুরবানীর দিনসহ তার পরে আরো তিনদিন মতান্তরে দু-দিন সওম পালন নিষিদ্ধ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১১৪১, আহমাদ ২০১৯৮, ২০২০২।









বুলূগুল মারাম (688)


وَعَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ قَالَا: لَمْ يُرَخَّصْ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ أَنْ يُصَمْنَ إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ الْهَدْيَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4/ 242 / فتح)




৬৮৮. ‘আয়িশা (রাঃ) ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেন, যাঁর নিকট কুরবানীর পশু নেই তিনি ব্যতীত অন্য কারও জন্য আইয়্যামে তাশরীকে সওম পালন করার অনুমতি দেয়া হয়নি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৯৯৭, ১৯৯৯, মুওয়াত্তা মালেক ৯৭২