হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (729)


وَعَنْ خَلَّادِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَتَانِي جِبْرِيلُ, فَأَمَرَنِي أَنْ آمُرَ أَصْحَابِي أَنْ يَرْفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ بِالْإِهْلَالِ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ، وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (1814)، والنسائي (5/ 162)، والترمذي (829)، وابن ماجه (2922)، وأحمد (4/ 55)، وابن حبان (3791) وقال الترمذي: حسن صحيح




৭২৯। খাল্লাদ ইবনুস সাইব (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমার নিকট জিবরীল (আঃ) এসে আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন আমার সাহাবীগণকে উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠের আদেশ দেই। -তিরমিযী ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারেমী ১৮০৯, তিরমিযী ৮২৯, নাসায়ী ২৭৫৩, আবূ দাউদ ১৮১৪, আহমাদ ১৬১২২, ১৬১৩১, মালিক ৭88, দারিমী ১৮০৯।









বুলূগুল মারাম (730)


وَعَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - تَجَرَّدَ لِإِهْلَالِهِ وَاغْتَسَلَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الترمذي (830)، وقال: حسن غريب. قلت: وله شاهدان عن عائشة، وابن عباس خرجتهما في الأصل




৭৩০। যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরামের কাপড় খুলে গোসল করেছেন। তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৮৩০, দারেমী ১৭৯৪









বুলূগুল মারাম (731)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سُئِلَ: مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ فَقَالَ: «لَا تَلْبَسُوا الْقُمُصَ, وَلَا الْعَمَائِمَ, وَلَا السَّرَاوِيلَاتِ, وَلَا الْبَرَانِسَ, وَلَا الْخِفَافَ, إِلَّا أَحَدٌ لَا يَجِدُ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ الْخُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ, وَلَا تَلْبَسُوا شَيْئًا مِنَ الثِّيَابِ مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ، وَلَا الْوَرْسُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1542)، ومسلم (1177)




৭৩১। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসিত হলেন, মুহরিম ব্যক্তি কী প্রকারের কাপড় পরবে? আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করবে না। তবে কারো জুতা না থাকলে সে টাখনুর নিচ পর্যন্ত মোজা কেটে (জুতার ন্যায়) পরবে। তোমরা জাফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার খুশবু) রঞ্জিত কোন কাপড় পরবে না। mdash;শব্দ মুসলিমের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৩৪, ৩৬৬, ১৫:৪২, ১৮৪২, মুসলিম ১১৫৭, তিরমিযী ৮৩৩, নাসায়ী ২৬৬৬, ২৬৬৭, আবূ দাউদ ১৮২৩, ইবনু মাজাহ ২৯২৯, ২৯৩২, আহমাদ ৪৪৪০, ৪৪৬৮, মুওয়াত্তা ৭১৬, ৭১৭, দারেমী ১৭৯৮।









বুলূগুল মারাম (732)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِإِحْرَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ, وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1539)، ومسلم (1189) (33)




৭৩২। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গায়ে সুগন্ধি মেখে দিতাম এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে ইহরাম খুলে ফেলার সময়ও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৭, ২৭০, ২৭১, ১৫৩৯, মুসলিম ১১৮৯, ১১৯০, ১১৯১, ১৯ তিরমিযী ৯১৭, ৯৬২, নাসায়ী ৪১৭, ৪৩১, ২৬৮৪, আবূ দাউদ ১৭৪৫, ১৭৪৬, ইবনু মাজাহ ২৯২৬, ২৯২৭, আহমাদ ২৩৫৮৫, ২৩৫৯১, মুওয়াত্তা মালেক ৭২৭, দারেমী ১৮০১, ১৮০২









বুলূগুল মারাম (733)


وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَنْكِحُ الْمُحْرِمُ, وَلَا يُنْكِحُ, وَلَا يَخْطُبُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1409)




৭৩৩. উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুহরিম বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে না ও কারো বিবাহ দিবে না এবং বিয়ের প্রস্তাবও দিবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪০৯, তিরমিযী ৮৪০, নাসায়ী ২৮৪২, ২৮৪৪, আবূ দাউদ ১৮৪১, ইবনু মাজাহ ১৯৬৬, আহমাদ ৪০৩, মুওয়াত্তা মালেক ৭৮০, দারেমী ১৮২৩, ৪৬৪









বুলূগুল মারাম (734)


وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ صَيْدِهِ الْحِمَارَ الْوَحْشِيَّ, وَهُوَ غَيْرُ مُحْرِمٍ, قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِأَصْحَابِهِ, وَكَانُوا مُحْرِمِينَ: «هَلْ مِنْكُمْ أَحَدٌ أَمَرَهُ أَوْ أَشَارَ إِلَيْهِ بِشَيْءٍ» قَالُوا: لَا. قَالَ: «فَكُلُوا مَا بَقِيَ مِنْ لَحْمِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1824)، ومسلم (1196)




৭৩৪. আবূ কাতাদাহ আনসারী (রাঃ) তিনি গাইর মুহরিম (ইহরাম বিহীন) অবস্থায় একটি জংলী গাধা শিকারের ঘটনা সম্বন্ধে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইহরামে থাকা সাহাবীদের বললেন, তা করিনি। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে বাকী গোশত তোমরা খেয়ে নাও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮২৪, আবূ দাউদ ৩৭৮৫, ৩৭৮৭, ইবনু মাজাহ ৩১৮৯।









বুলূগুল মারাম (735)


وَعَنْ الصَّعْبِ بْنِ جَثَّامَةَ اللَّيْثِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّهُ أَهْدَى لِرَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - حِمَارًا وَحْشِيًّا, وَهُوَ بِالْأَبْوَاءِ, أَوْ بِوَدَّانَ، فَرَدَّهُ عَلَيْهِ, وَقَالَ: «إِنَّا لَمْ نَرُدَّهُ عَلَيْكَ إِلَّا أَنَّا حُرُمٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1825)، ومسلم (1193) والصعب: بفتح الصاد وسكون العين المهملتين وتحرف في «أ» إلى: «الثعب». وجثامة: بفتح الجيم، وتشديد المثلثة. والأبواء، وبودان هما مكانان بين مكة والمدينة




৭৩৫. সব বিন জাসসামাহ আললায়সী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আল-আবওয়া কিংবা ‘ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থানকালে তিনি একটি জংলী গাধা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য উপঢৌকন দিয়েছিলেন। তাঁর উপঢৌকন এসেছিল। সেটা তিনি গ্ৰহণ না করে বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে এটি ফেরত দিতাম না, কিন্তু আছি বলেই ফেরত দিলাম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবওয়া এবং ওয়াদ্দান – মাক্কাহ এবং মদীনাহর মাঝখানে দু’টি জায়গার নাম। বুখারী ২৫৯৬, মুসলিম ১১৯৩, ১১৯৪, তিরমিযী ৮৪৯, নাসায়ী ২৮১৯, ২৮২০, ২৮২৩, ইবনু মাজাহ ৩০৯০, আহমাদ ১৫৯৮৭, ১৫৯৮৮, ১৬২২৯, মুওয়াত্তা মালেক ৭৭৯৩, দারেমী ১৮৩০, ১৮২৮









বুলূগুল মারাম (736)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ كُلُّهُنَّ فَاسِقٌ, يُقْتَلْنَ فِي [الْحِلِّ وَ] الْحَرَمِ: الْغُرَابُ, وَالْحِدَأَةُ, وَالْعَقْرَبُ, وَالْفَأْرَةُ، وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1829)، ومسلم (1198)، واللفظ للبخاري إلا أنه ليس عنده لفظ الحل




৭৩৬. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পাঁচ প্রকার প্রাণী এত ক্ষতিকর যে, এগুলোকে (হালাল) ও হারামের মধ্যেও হত্যা করা যাবে। (যেমন) কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্ৰ কুকুর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮২৯, ৩৩১৪, মুসলিম ৭২৮, ১১৯৮, তিরমিযী ৮৭৭, নাসায়ী ২৮২৯, ২৮৮১, ২৮৮২, ইবনু মাজাহ ৩০৭, আহমাদ ২৩৫৩২, ২৪০৪৮, দারেমী ১৮১৭









বুলূগুল মারাম (737)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1835)، ومسلم (1202)




৭৩৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮১৬, ১৯৩৮, ১৯৩৯, ২১০৩, মুসলিম ১২০১, ১২০২, তিরমিযী ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, নাসায়ী ২৮৪৫, ২৮৪৬, ২৮৪৭, আবূ দাউদ ১৮৩৫, ১৮৩৬, ২৩৭২, ১৬৮২, ৩০৮১, আহমাদ ১৮৫২, ১৯২২, ১৯৪৪









বুলূগুল মারাম (738)


وَعَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: حُمِلْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَالْقَمْلُ يَتَنَاثَرُ عَلَى وَجْهِي, فَقَالَ: «مَا كُنْتُ أَرَى الْوَجَعَ بَلَغَ بِكَ مَا أَرَى, تَجِدُ شَاةً?» قُلْتُ: لَا. قَالَ: «فَصُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ, أَوْ أَطْعِمْ سِتَّةَ مَسَاكِينَ, لِكُلِّ مِسْكِينٍ نِصْفُ صَاعٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه البخاري (1816)، ومسلم (1201)، من طريق عبد الله بن معقل قال: جلست إلى كعب بن عجرة رضي الله عنه، فسألته عن الفدية، فقال: نزلت في خاصة، وهي لكم عامة… الحديث. قلت: واللفظ للبخاري




৭৩৮. কাব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হল তখন আমার চেহারায় উকুন বেয়ে পড়ছে। তিনি (তা দেখে) বললেন, তোমার কষ্ট কোন পর্যায়ে পৌছেছে তা আমি দেখিনি! আর তিনি বললেনmdash;তুমি কি একটি ছাগল পাবে? আমি বললাম-না, তিনি বললেন, তবে তুমি তিন দিন সওম পালন করবে বা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে অর্ধ সা (প্রায় ১২৫০ গ্রাম) পরিমাণ খাদ্য খাওয়াৰে (উকুনের উপদ্রবে চুল কর্তনের জন্য)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮১৪, ১৮১৫, ১৮১৮, মুসলিম ১২০১, তিরমিযী ৯৫৩, ২৯৭৪, নাসায়ী ১৮৫১, ২৮৫২, আবূ দাউদ ১৮৫৭, আহমাদ ১৭৪৬৩, ১৭৪৬৪, ১৭৬৬৫, মুওয়াত্তা মালেক ৯৫৫, ৯৫৬।









বুলূগুল মারাম (739)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: لَمَّا فَتَحَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ - صلى الله عليه وسلم - مَكَّةَ, قَامَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي النَّاسِ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ, ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ حَبَسَ عَنْ مَكَّةَ الْفِيلَ, وَسَلَّطَ عَلَيْهَا رَسُولَهُ وَالْمُؤْمِنِينَ, وَإِنَّهَا لَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ كَانَ قَبْلِي, وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةٌ مِنْ نَهَارٍ, وَإِنَّهَا لَنْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ بَعْدِي, فَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا, وَلَا يُخْتَلَى شَوْكُهَا, وَلَا تَحِلُّ سَاقِطَتُهَا إِلَّا لِمُنْشِدٍ, وَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ فَهُوَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ». فَقَالَ الْعَبَّاسُ: إِلَّا الْإِذْخِرَ, يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَإِنَّا نَجْعَلُهُ فِي قُبُورِنَا وَبُيُوتِنَا, فَقَالَ: «إِلَّا الْإِذْخِرَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3433)، ومسلم (1355)، وزادا: «فقام أبو شاة -رجل من أهل اليمن- فقال: اكتبوا لي يا رسول الله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اكتبوا لأبي شاة» قال الوليد بن مسلم: فقلت للأوزاعي: ما قوله: اكتبوا لي يا رسول الله؟ قال: هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم




৭৩৯. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা যখন তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকেদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর হামদ ও সানা (প্ৰশংসা) বর্ণনা করলেন। এরপর বললেন, আল্লাহ তাআলা মক্কায় (আবরাহার) হস্তি বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেননি এবং তিনি তাঁর রসূল ও মুমিন বান্দাদেরকে মাক্কার উপর আধিপত্য দান করেছেন। আমার আগে অন্য কারোর জন্য মাক্কায় যুদ্ধ করা বৈধ ছিল না, তবে আমার পক্ষে দিনের সামান্য সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছিল, আর তা আমার পরেও কারোর জন্য বৈধ হবে না। কাজেই এখানকার শিকার তাড়ানো যাবে না, এখানকার গাছ কাটা ও উপড়ানো যাবে না, ঘোষণার নিয়ককারী ব্যক্তি ব্যতীত এখানকার পড়ে থাকা জিনিস তুলে নিতে পারবে না। যার কোন লোক এখানে নিহত হয় সে দুটির মধ্যে তার কাছে যা ভাল বলে বিবেচিত হবে, তা গ্ৰহণ করবে (খুনীর মৃত্যুদণ্ডের জন্য বিচারপ্রার্থী হবে কিংবা এর বদলে অর্থ গ্রহণ করবে)। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তবে ইযখিরের অনুমতি দিন। কেননা, আমরা এগুলো আমাদের কবরের উপর এবং ঘরের কাছে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ তা কাটা ও ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হল)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১২, ২৪৩৪, ৬৮৮০, মুসলিম ১৩৫৫, আবূ দাউদ ২০১৭, আহমাদ ৭২০১, দারেমী ২৬০০, ইবনু মাজাহ ২৬২৪









বুলূগুল মারাম (740)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِنَّ إِبْرَاهِيمَ حَرَّمَ مَكَّةَ وَدَعَا لِأَهْلِهَا, وَإِنِّي حَرَّمْتُ الْمَدِينَةَ كَمَا حَرَّمَ إِبْرَاهِيمُ مَكَّةَ، وَإِنِّي دَعَوْتُ فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا بِمِثْلَيْ مَا دَعَا إِبْرَاهِيمُ لِأَهْلِ مَكَّةَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2129)، ومسلم (1360) واللفظ لمسلم




৭৪০. ‘আবদুল্লাহ বিন যায়দ বিন আসিম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন ও তার জন্য দুআ করেছেন। আমি মাদীনাহকে হারাম ঘোষণা করেছি, যেমন ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন এবং আমি মাদীনাহর মুদ ও সা এর জন্য (বরকতের) দুআ করেছি। যেমন ইবরাহীম (আঃ) মক্কার জন্য দুআ করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৩৬০, আহমাদ ১৬০১১।









বুলূগুল মারাম (741)


وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْمَدِينَةُ حَرَمٌ مَا بَيْنَ عَيْرٍ إِلَى ثَوْرٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6755)، ومسلم (1370)، ولا أدري سبب اقتصار الحافظ في عزوه للحديث على صحيح مسلم إلا أن يكون من باب السهو. وقد أثير حول هذا الحديث بعض الإشكالات، فأحسن الحافظ -رحمه الله- في الجواب عنها، انظر «الفتح» (4/ 82 - 83)




৭৪১. ‘আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-মদীনাহর হারাম ‘আইর ও সাওর স্থানদ্বয়ের মধ্যবর্তী এলাকা জুড়ে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১১, ১৪৭০, ৩০৪৭, ৬৭৫৫, মুসলিম ১৩৭০, তিরমিযী ১৪১২, ২১২৭, নাসায়ী ৪৭৩৪, ৪৭৩৫, ৪৭৪৪, ২০৩৪, ৪৫৩৪, ২৬৫৮, আহমাদ ৬১৬, ৬০০, ৭৮৪, দারেমী ২৩৫৬।









বুলূগুল মারাম (742)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - حَجَّ, فَخَرَجْنَا مَعَهُ, حَتَّى أَتَيْنَا ذَا الْحُلَيْفَةِ, فَوَلَدَتْ أَسْمَاءُ بِنْتُ عُمَيْسٍ, فَقَالَ: «اغْتَسِلِي وَاسْتَثْفِرِي بِثَوْبٍ, وَأَحْرِمِي
وَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْمَسْجِدِ, ثُمَّ رَكِبَ الْقَصْوَاءَ حَتَّى إِذَا اسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالتَّوْحِيدِ: «لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ, لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ, إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ, لَا شَرِيكَ لَكَ
حَتَّى إِذَا أَتَيْنَا الْبَيْتَ اسْتَلَمَ الرُّكْنَ, فَرَمَلَ ثَلَاثًا وَمَشَى أَرْبَعًا, ثُمَّ أَتَى مَقَامَ إِبْرَاهِيمَ فَصَلَّى, ثُمَّ رَجَعَ إِلَى الرُّكْنِ فَاسْتَلَمَهُ
ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ إِلَى الصَّفَا, فَلَمَّا دَنَا مِنَ الصَّفَا قَرَأَ: (إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) [البقرة: 158] «أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ» فَرَقِيَ الصَّفَا, حَتَّى رَأَى الْبَيْتَ, فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَوَحَّدَ اللَّهَ وَكَبَّرَهُ وَقَالَ: «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ, لَهُ الْمُلْكُ, وَلَهُ الْحَمْدُ, وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ, لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ [وَحْدَهُ] أَنْجَزَ وَعْدَهُ, وَنَصَرَ عَبْدَهُ, وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ». ثُمَّ دَعَا بَيْنَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ, ثُمَّ نَزَلَ إِلَى الْمَرْوَةِ, حَتَّى انْصَبَّتْ قَدَمَاهُ فِي بَطْنِ الْوَادِي [سَعَى] حَتَّى إِذَا صَعَدَتَا مَشَى إِلَى الْمَرْوَةِ فَفَعَلَ عَلَى الْمَرْوَةِ, كَمَا فَعَلَ عَلَى الصَّفَا … فَذَكَرَ الْحَدِيثَ. وَفِيهِ:
فَلَمَّا كَانَ يَوْمَ التَّرْوِيَةِ تَوَجَّهُوا إِلَى مِنَى, وَرَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَصَلَّى بِهَا الظُّهْرَ, وَالْعَصْرَ, وَالْمَغْرِبَ, وَالْعِشَاءَ, وَالْفَجْرَ, ثُمَّ مَكَثَ قَلِيلًا حَتَّى طَلَعَتْ الشَّمْسُ، فَأَجَازَ حَتَّى أَتَى عَرَفَةَ, فَوَجَدَ الْقُبَّةَ قَدْ ضُرِبَتْ لَهُ بِنَمِرَةَ فَنَزَلَ بِهَا
حَتَّى إِذَا زَاغَتْ الشَّمْسُ أَمَرَ بِالْقَصْوَاءِ, فَرُحِلَتْ لَهُ, فَأَتَى بَطْنَ الْوَادِي, فَخَطَبَ النَّاسَ
ثُمَّ أَذَّنَ ثُمَّ أَقَامَ, فَصَلَّى الظُّهْرَ, ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعَصْرَ, وَلَمْ يُصَلِّ بَيْنَهُمَا شَيْئًا
ثُمَّ رَكِبَ حَتَّى أَتَى الْمَوْقِفَ فَجَعَلَ بَطْنَ نَاقَتِهِ الْقَصْوَاءِ إِلَى الصَّخَرَاتِ, وَجَعَلَ حَبْلَ الْمُشَاةِ بَيْنَ يَدَيْهِ وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ, فَلَمْ يَزَلْ وَاقِفًا حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ, وَذَهَبَتْ الصُّفْرَةُ قَلِيلًا, حَتَّى غَابَ الْقُرْصُ, وَدَفَعَ, وَقَدْ شَنَقَ لِلْقَصْوَاءِ الزِّمَامَ حَتَّى إِنَّ رَأْسَهَا لَيُصِيبُ مَوْرِكَ رَحْلِهِ, وَيَقُولُ بِيَدِهِ الْيُمْنَى: «أَيُّهَا النَّاسُ, السَّكِينَةَ, السَّكِينَةَ» , كُلَّمَا أَتَى حَبْلًا أَرْخَى لَهَا قَلِيلًا حَتَّى تَصْعَدَ
حَتَّى أَتَى الْمُزْدَلِفَةَ, فَصَلَّى بِهَا الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ, بِأَذَانٍ وَاحِدٍ وَإِقَامَتَيْنِ, وَلَمْ يُسَبِّحْ بَيْنَهُمَا شَيْئًا, ثُمَّ اضْطَجَعَ حَتَّى طَلَعَ الْفَجْرُ, فَصَلَّى الْفَجْرَ, حِينَ تَبَيَّنَ لَهُ الصُّبْحُ بِأَذَانٍ وَإِقَامَةٍ
ثُمَّ رَكِبَ حَتَّى أَتَى الْمَشْعَرَ الْحَرَامَ, فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ, فَدَعَاهُ, وَكَبَّرَهُ, وَهَلَّلَهُ فَلَمْ يَزَلْ وَاقِفًا حَتَّى أَسْفَرَ جِدًّا
فَدَفَعَ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ, حَتَّى أَتَى بَطْنَ مُحَسِّرَ فَحَرَّكَ قَلِيلًا، ثُمَّ سَلَكَ الطَّرِيقَ الْوُسْطَى الَّتِي تَخْرُجُ عَلَى الْجَمْرَةِ الْكُبْرَى, حَتَّى أَتَى الْجَمْرَةَ الَّتِي عِنْدَ الشَّجَرَةِ, فَرَمَاهَا بِسَبْعِ حَصَيَاتٍ, يُكَبِّرُ مَعَ كُلِّ حَصَاةٍ مِنْهَا, مِثْلَ حَصَى الْخَذْفِ, رَمَى مِنْ بَطْنِ الْوَادِي، ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى الْمَنْحَرِ, فَنَحَرَ، ثُمَّ رَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَأَفَاضَ إِلَى الْبَيْتِ, فَصَلَّى بِمَكَّةَ الظُّهْرَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ مُطَوَّلًا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1218) ولشيخنا العلامة محمد ناصر الدين الألباني -حفظه الله- كتاب: «حجة النبي صلى الله عليه وسلم» ساق فيها حديث جابر هذا وزياداته من كتب السنة ونسقها أحسن تنسيق، والكتاب مطبوع عدة طبعات




৭৪২. জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (যাত্রা) করেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে হাজ্জ ব্ৰত পালনে বের হই। তারপর আমরা ‘যুলহুলাইফাহ নামক স্থানে এলাম। এখানে আসার পর আসমা বিনতু উমাইস (আবূ বাকর (রাঃ)-এর স্ত্রী) সন্তান প্রসব করলেন। ফলে নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন-গোসল কর, কাপড়কে লেঙ্গুটার মত পরিধান কর আর হাজের ইহরাম বাঁধো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে সালাত সমাধান করে তাঁর কাসওয়া নাম্নী উটনীতে আরোহণ করলেন। উটটি যখন তাঁকে নিয়ে ‘বাইদাহ বরাবর পৌঁছল তখন তিনি তাওহীদ বাণী ঘোষণা (তালবিয়াহ পাঠ) করতে লাগলেনঃ উচ্চারণ: লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়ান নিমাতা, লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাকা। অর্থ: আমি তোমার খেদমতে হাজির হয়েছি, ইয়া আল্লাহ, আমি তোমার খেদমতে হাযির হয়েছি। আমি তোমার খিদমাতে হাযির হয়েছি, তোমার কোন শরীক নেই। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, নেয়ামত ও রাজত্ব তোমারই। তোমার কোন শরীক নেই।



এভাবেই আমরা চলতে চলতে বায়তুল্লায় পৌছে গেলাম, তিনি হাজারে আসওয়াদে চুম্বন দিলেন, তারপর তিনবার রামল করলেন এবং চার বার সাধারণ গতিতে চললেন। তারপর মাকামে ইবরাহীমের নিকট এসে সালাত আদায় করলেন। পুনরায় রুকনে (হাজারে আসওয়াদে) ফিরে গিয়ে তাতে চুম্বন করলেন। তারপর দরজা দিয়ে বের হয়ে ‘সাফা পাহাড়ের দিকে বের হলেন। তারপর সাফার কাছাকাছি পৌছে পাঠ করলেন: ‘নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অন্যতম। তারপর বললেন- আল্লাহ যেখান থেকে প্রথমে শুরু করেছেন। আমিও সেখান থেকেই শুরু করছি। এ বলে তিনি সাফা পাহাড়ে উঠলেন যেখান থেকে তিনি বায়তুল্লাহ দেখতে পেলেন- কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর তাওহীদের ঘোষণা দিলেন ও তাকবীর পাঠ করলেন অতঃপর বললেনঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু। লাহুল মুলুকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনযাযা ওয়াদাহূ, ওয়া নাসারা ‘আবদাহূ, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।



অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁর এবং প্রশংসা তার, তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই, তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেন। তিনি একাই ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজিত করেন। অতঃপর তিনি তার মধ্যে প্রার্থনা বা দুআ করলেন তিনবার। তারপর তিনি সাফা পাহাড় থেকে ‘মারওয়া পাহাড়ের উদ্দেশ্যে নামলেন এবং যখন বাতনে ওয়াদিতে (দুই সবুজ বাতির মধ্যবর্তী স্থান) গিয়ে পা দুটি রাখলেন তখন তিনি মুদৃ দৌড়ালেন। উপরে উঠে যাওয়ার পর মারওয়া পর্যন্ত সাধারণভাবে চললেন। এবং সাফার ন্যায়ই সবকিছু ‘মারওয়াতেও করলেন।



এখানে জাবির (রাঃ) পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাতে এরূপও আছে, যখন তারবিয়া দিবস (৮ই যিলহিজ্জা) আসলো, তিনি সওয়ারীতে চড়ে ‘মিনা অভিমুখী হলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে যুহর, ‘আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজরের সালাত আদায় করলেন। তারপর অল্প কিছুকাল অবস্থান করলেন যতক্ষণে সূর্যোদয় হল। তারপর (মুযদালিফাহ) অতিক্রম করে আরাফাহ পর্যন্ত আসলেন। দেখলেন তাঁর জন্য পূর্ব থেকেই নামিরাহ[1] (বর্তমান মসজিদে নামিরাহ) নামক স্থানে একটি তাঁবু পেলেন। তিনি তাতে স্থান নিলেন। তারপর যখন সূর্য ঢলে পড়ল, তার কাসওয়া নাম্নী উটনীকে তৈরি করার আদেশ করলেন, তার উপর পালান বসান হল তারপর তিনি বাতুনে ওয়াদী-তে পৌছে গেলেন। এখানে জনগণের উদ্দেশ্যে খুতবাহ প্ৰদান করলেন। তারপর আযান ও ইকামাত দেয়ালেন ও যুহরের সালাত আদায় করলেন। তারপর সেখানেই আসরের সময় হলে আসরের আযান, ইকামাত দেয়ালেন ও আসরের সালাত আদায় করলেন। এ দুই সালাতের মধ্যে আর কোন সালাত আদায় করেননি, তারপর সওয়ার হয়ে মাওকেফে (অবস্থানক্ষেত্রে) এলেন তাঁর উটনী কাসওয়ার পেট সাখরাতের দিকে এবং পথিকের চলার পথকে তাঁর সম্মুখে রেখে কিবলামুখী হয়ে সূর্যস্ত পর্যন্ত অবস্থান করলেন। হলুদ রং কিছু কেটে গেল, সূর্যের গোলাই ভালভাবে ডুবে গেল, (তখন) তিনি এমন অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করলেন যে, কাসওয়ার লাগাম এমনভাবে টেনে ধরা হয়েছিল যে, তার মাথা নবীর পালানের ‘মাওরিকে এসে ঠেকে যাচ্ছিল। এবং তিনি ডান হাতে ইশারা করে ঘোষণা করছিলেন-হে জনগণ! ধীর ও শান্ত থাকুন। যখনই কোন পাহাড়ের কাছাকাছি এসে যাচ্ছিলেন



কাসওয়ার লাগাম কিছুটা ঢিল দিচ্ছিলেন, যেন সে উপরে উঠতে পারে। অবশেষে মুযদালিফাহ এসে পৌছলেন এবং সেখানে একটি আযান ও দুটি ইকামাতে মাগরিব ও ইশা উভয় সালাত সম্পদান করলেন। এ দুই সালাতের মধ্যবতী সময়ে অন্য কোন নফল সালাত আদায় করেননি। তারপর ফাজার উদিত হওয়া পর্যন্ত শুয়ে থাকলেন। তারপর ফাজর সুস্পষ্ট (সুবহি সাদিক) হয়ে গেলে আযান ও ইকামাত দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তার পর সওয়ার হয়ে মাশআরুল হারাম পর্যন্ত এলেন। তারপর কিবলামুখী হয়ে দুআ করলেন, তাকবীর ও তাহলীল ঘোষণাসহ-আকাশ বেশ ফর্সা হওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলেন। তারপর সূর্যোদয়ের পূর্বেই বাতুনে মুহাসসিরে আসলেন। এখানে সওয়ারীকে একটু জোরে চালালেন। তারপর মাঝামাঝি পথটি ধরে চললেন যেটি জামরাতুল কুবরা বরাবর বেরিয়ে গেছে। তারপর এসে পৌছলেন গাছের নিকটস্থ জামরার নিকট এবং বাতনে ওয়াদী হতে সাতবার কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন এবং প্রত্যেক বার নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার ধ্বনি করলেন। তারপর কুরবানীর মাঠে এসে কুরবানী করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহ পৌছলেন (তাওয়াফে ইফাযাহ সম্পন্ন করার জন্য) ও মক্কায় যুহরের সালাত আদায় করলেন। মুসলিম সুদীর্ঘভাবে।[2]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আরাফার পার্শ্ববতীর্ণ একটি স্থান। আরাফার কোন স্থান নয়।

[2] মুসলিম ১২১৬, ১২১৮, বুখারী ১৫:১৬, ১৫৬৮, ১৬৫১, ১৭৮৫, তিরমিযী ৮৫৬, ৮৫৭, ৮৬২, ৮৬৯, নাসায়ী ২৯১, ৪২৯, ৬০৪, আবূ দাউদ ১৭৮৭, ১৭৮৮, ১৭৮৯, ইবনু মাজাহ ২৯১৩, ২৯১৯, ২৯৫১, আহমাদ ১৩৮০৬, ১৩৮২৬, ১৩৮৬৭, মালিক ৮১৬, ৮৩৫, ৮৩৬, দারেমী ১৮৫০, ১৮৯৯।









বুলূগুল মারাম (743)


وَعَنْ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ إِذَا فَرَغَ مِنْ تَلْبِيَتِهِ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ سَأَلَ اللَّهَ رِضْوَانَهُ وَالْجَنَّةَ، وَاسْتَعَاذَ بِرَحْمَتِهِ مِنَ النَّارِ. رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الشافعي في «المسند» (1/ 307 / 797) في سنده صالح بن محمد بن أبي زائدة وهو ضعيف، وأما شيخ الشافعي إبراهيم بن محمد فهو وإن كان كذابا، إلا أنه توبع عليه، فبقيت علة الحديث في صالح




৭৪৩। খুযাইমাহ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাজ্জ বা উমরাহর তালবিয়া (লাব্বাইকা ঘোষণা) পাঠ করতেন তখন আল্লাহ তাআলার কাছে তিনি তাঁর সন্তুষ্টি ও জান্নাত কামনা করতেন এবং আল্লাহ তাআলার দয়ার ওয়াসীলাহতে জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাইতেন। শাফিঈ দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর ৩/৮৬২ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে সালিহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবূ যায়েদাহ আবূ ওয়াকেদ আল লাইসী মাদানী দুর্বল বর্ণনাকারী। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ২/৩২৪ গ্রন্থে উক্ত রাবীকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৫/৫৪ গ্রন্থে একই কথা বলেছেন। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ২৪৮৩ গ্রন্থে তাকে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (744)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «نَحَرْتُ هَاهُنَا, وَمِنًى كُلُّهَا مَنْحَرٌ, فَانْحَرُوا فِي رِحَالِكُمْ, وَوَقَفْتُ هَاهُنَا، وَعَرَفَةُ كُلُّهَا مَوْقِفٌ, وَوَقَفْتُ هَاهُنَا وَجَمْعٌ كُلُّهَا مَوْقِفٌ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2/ 893 / 145)




৭৪৪. জাবির (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি এখানে কুরবানী করলাম। মিনার সমস্ত স্থানই কুরবানী করার স্থান। অতএব, তোমরা তোমাদের অবস্থানক্ষেত্রে কুরবানী কর, আর আমি এখানে দাঁড়িয়েছি- ‘আরাফাহর সমস্ত অংশ জুড়েই অবস্থান ক্ষেত্র। আর আমি এখানে অবস্থান করেছি, আর ‘জামউন বা মুযদালিফার সমস্ত এলাকাই অবস্থান ক্ষেত্ৰ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১২১৬, ১২১৮, ১২৬৩, ১২৯৯









বুলূগুল মারাম (745)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - لَمَّا جَاءَ إِلَى مَكَّةَ دَخَلَهَا مِنْ أَعْلَاهَا, وَخَرَجَ مِنْ أَسْفَلِهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1577)، ومسلم (1258) وأعلاها: طريق الحجون، وأسفلها: طريق باب الشبيكة مرورا بجرول




৭৪৫. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় আসেন তখন এর উচ্চ স্থান দিয়ে প্রবেশ করেন এবং নীচু স্থান দিয়ে ফিরার পথে বের হন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৭৭, ১৪০, মুসলিম ১২৫৮, তিরমিযী ৮৫৩, আবূ দাউদ ১৮৬৯, আহমাদ ২৩৬০১









বুলূগুল মারাম (746)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّهُ كَانَ لَا يَقْدُمُ مَكَّةَ إِلَّا بَاتَ بِذِي طُوَى حَتَّى يُصْبِحَ وَيَغْتَسِلَ, وَيَذْكُرُ ذَلِكَ عِنْدَ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه البخاري (1553)، ومسلم (1259)، واللفظ لمسلم. و «ذو طوى»: موضع معروف بقرب مكة، وهو المعروف بآبار الزاهر




৭৪৬। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি (ইবনু ‘উমার) মক্কায় প্রবেশ করার পূর্বে যূ-তুওয়া নামক স্থানে পৌঁছে ভোর পর্যন্ত রাত যাপন করতেন এবং অতঃপর ফজরের সালাত আদায় করে গোসল করতেন এবং বলতেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৬৬, ৪৮৩, ৪৯২, ১৫৩৩, মুসলিম ১১৮৭, ১২৯৭, ১২৫৯, নাসায়ী ১১৭, ২৬৬০, ২৬৬১, আবূ দাউদ ১৭৭২, ৪০৬৪, আহমাদ ৪৪৪৮, ৪৬০৪, ৪৮৭২, মুওয়াত্তা মালেক ৭৪২, ৯০২৩, দারেমী ১৮৩৮, ১৯২৭।









বুলূগুল মারাম (747)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّهُ كَانَ يُقَبِّلُ الْحَجَرَ الْأَسْوَدَ وَيَسْجُدُ عَلَيْهِ. رَوَاهُ الْحَاكِمُ مَرْفُوعًا, وَالْبَيْهَقِيُّ مَوْقُوفًا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح مرفوعا وموقوفا




৭৪৭। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি ‘হাজ্জরে আসওয়াদকে চুম্বন করতেন এবং তার উপর মাথা রাখতেন। হাকিম মারফূরূপে এবং বায়হাক্বী মাওকুফরূপে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মারফু-মাওকুফ উভয় বর্ণনায় সহীহ









বুলূগুল মারাম (748)


وَعَنْهُ قَالَ: أَمَرَهُمْ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَرْمُلُوا ثَلَاثَةَ أَشْوَاطٍ، وَيَمْشُوا أَرْبَعًا, مَا بَيْنَ الرُّكْنَيْنِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1602)، ومسلم (1264) ضمن حديث ولفظ البخاري: أمرهم أن يرملوا الأشواط الثلاثة، وأن يمشوا بين الركنين. ولفظ مسلم: أمرهم أن يرملوا ثلاثا، ويمشوا أربعا




৭৪৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দুটি রুকনের (ইয়ামানী ও হাজারে আসওয়াদ) মধ্যবর্তী স্থানে (তওয়াফ কালে) প্রথম তিন চক্রে রামল করতে ও পরের চারবার স্বাভাবিক চলতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৬০২, ১৬৪৯, ৪২৫৬, ৪২৫৭, মুসলিম ২১৬৬, নাসায়ী ২৯৪৫, ২৯৭৯, আবূ দাউদ ১৮৮৬, আহমাদ ১৯২৪, ২০৩০, ২০৭৮।

বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করতে (উভয় কাঁধ হেলে দুলে জোর কদমে চলতে) এবং উভয় রুকনের মধ্যবতী স্থানটুকু স্বাভাবিক গতিতে চলতে নির্দেশ দিলেন। মুসলিমের বর্ণনায় হয়েছে, তিনি তাদেরকে তিনবার রামল করতে এবং চারবার স্বাভাবিক গতিতে হাঁটার নির্দেশ দিলেন।