বুলূগুল মারাম
وَعَنْ الْحَسَنِ, عَنْ سَمُرَةَ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ زَوَّجَهَا وَلِيَّانِ, فَهِيَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (5/ 8 و 11 و 12 و 18)، وأبو داود (2088)، والنسائي (7/ 314)، والترمذي (1110)، من طريق قتادة، عن الحسن، عن سمرة، به .. وتمامه: «وإذا باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما». وقال الترمذي: «حديث حسن». قلت: وعلته عنعنة الحسن، فإنه على جلالته كان مدلسا، فلابد من تصريحه بالتحديث. وقد تلطف الحافظ في «التلخيص» (3 65) فقال: «وصحته متوقفة على ثبوت سماع الحسن من سمرة، فإن رجاله ثقات». وقد اختلف فيه على الحسن أيضا. «تنبيه»: لم يرو ابن ماجه الحديث بتمامه، وإنما رواه بالجملة الخاصة بالبيع دون ما يتعلق بمحل الشاهد المراد، فوجب التنبيه على ذلك
৯৮৯। হাসান হতে বর্ণিত, তিনি সামুরাহ (রাঃ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুজন আলী যে মহিলার বিবাহ দুজনের কাছে দিয়ে দিবে-এরূপ অবস্থায় ঐ মহিলা প্রথম স্বামীর হবে। -তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৮৮, তিরমিযী ১১১০, নাসায়ী ৪৬৮২, ইবনু মাজাহ। ২১৯০, আহমাদ ১৯৫৮১, ১৯৭৯, ১৯৬২৮, দারেমী ২১৯৩। শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী ৪৬৯৬, যঈফ তিরমিযী ১১১০, যঈফ আবূ দাউদ২০৮৮, যঈফ ইবনু মাজাহ ৪২৫ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন, যঈফুল জামে ২২২৪, ইরওয়াউল গালীল ১৮৫৩ গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩০৮৯ গ্রন্থে বলেন, হাসান বাসরী আন আন করে বর্ণনা করেছেন। সে মুদাল্লিস। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৫/২৫৩ গ্রন্থে বলেন, من رواية الحسن عن سمرة وفي سماعه منه خلاف হাসানের সামুরা থেকে বর্ণনা করা ও শ্রবণ করা বিষয়ে মতানৈক্য রয়েছে।
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ أَوْ أَهْلِهِ, فَهُوَ عَاهِرٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ, وَكَذَلِكَ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (3/ 301 و 377)، وأبو داود (2078)، والترمذي (1111 و 1112) من طريق عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر، به. واللفظ لأحمد، وفي لفظ وهو للترمذي: «بغير إذن سيده». ولفظ أبي داود: «بغير إذن مواليه». وقال الترمذي: «هذا حديث حسن صحيح». قلت: بل حسن فقط من أجل ابن عقيل
৯৯০। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে দাস তার মুনিবের বা আপনজনের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করবে। সে ব্যভিচারী বা যিনাকারী বলে গণ্য হবে। mdash;তিরমিযী; তিনি একে সহীহও বলেছেন, ইবনু হিব্বানও তদ্রুপ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১১১, ১১১২, আবূ দাউদ২০৭৮, আহমাদ ১৪৬১৩, ১৪৬৭৩, দারেমী ২৩৩৩।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا, وَلَا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5109)، ومسلم (1408)
৯৯১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজিকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১০৯, ৫১১১, মুসলিম ১৪০৮, তিরমিযী ১১২৬, নাসায়ী ৩২৮৮, ৩২৮৯, আবূ দাউদ২০৬৫, ২০৬৬, ইবনু মাজাহ ১৯২৯, আহমাদ ৭০৯৩, ৭৪১৩, মুওয়াত্তা মালেক ১১২৯, ১২৭৮, দারেমী ২১৭৮।
وَعَنْ عُثْمَانَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: لَا يَنْكِحُ الْمُحْرِمُ, وَلَا يُنْكَحُ - رَوَاهُ مُسْلِمٌ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: وَلَا يَخْطُبُ
وَزَادَ ابْنُ حِبَّانَ: «وَلَا يُخْطَبُ عَلَيْهِ
৯৯২। ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হাজের ইহরাম বেঁধে আছে এমন (মুহরিম) ব্যক্তি নিজে বিবাহ করতে পারবে না এবং অন্যকে বিয়ে দিতেও পারবে না।
মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে- সে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারবে না; ইবনু হিব্বানের অতিরিক্ত বর্ণনায় আছে- তাকেও বিবাহের প্রস্তাব দেয়া চলবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪০৯, তিরমিযী ৮৪০, নাসাঈ ২৮৪২-২৮৪৪, ৩২৭৫, ৩২৭৬, আবূ দাউদ১৮৪১, ইবনু মাজাহ ১৯৬৬, আহমাদ ৪০৩, ৪৬৪, মালিক ৭৮০, দারিমী ১৮২৩, ২১৯৮।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: تَزَوَّجَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1837)، ومسلم (1410) قلت: وهذا الحديث في كونه مع «الصحيحين» إلا أن الناس قد أكثروا فيه الكلام لمخالفة ابن عباس غيره، فقال الحافظ في «الفتح» (965): «قال الأثرم: قلت لأحمد: إن أبا ثور يقول: بأيّ شيء يدفع حديث ابن عباس - أي -: مع صحته - قال: فقال: الله المستعان. ابن المسيب يقول: وَهِمَ ابن عباس، وميمونة تقول: تزوجني وهو حلال». وقال ابن عبد الهادي في «التنقيح» (204) نقلًا عن «الإرواء» (4/ 227 - 228) «وقد عد هذا - أي: حديث ابن عباس - من الغلطات التي وقعت في «الصحيح» وميمونة أخبرت أن هذا ما وقع، والإنسان أعرف بحال نفسه
৯৯৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাইমুনাকে (রাঃ) মুহরিম অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪২৫৯, ৫১.১৪, মুসলিম ১৪১০, তিরমিযী ৮৪২, ৮৪৩, নাসায়ী ২৮৩৭, ২৮৩৮, ২৮৪০, আবূ দাউদ১৮৪৪, ইবনু মাজাহ ১৯৬৫, আহমাদ ১৯২২, দারেমী ১৮২২। হাদীসটি যেহেতু মুত্তাফাকুন আলাইহের হাদীস সুতরাং এর সানাদসূত্র নিয়ে কারো কোন প্রকার সন্দেহ নেই। তবে মুহাদ্দিসগণ এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, ইবনু আব্বাস স্থিত। এটি ভুলবশতঃ বলেছেন। কেননা, যার সঙ্গে বিবাহ হয়েছে, তিনি নিজেই পরবর্তী হাদীসে হালাল অবস্থায় বিবাহের কথা বলছেন।
وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ مَيْمُونَةَ نَفْسِهَا - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - تَزَوَّجَهَا وَهُوَ حَلَالٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1411)
৯৯৪। মাইমুনাহ (রাঃ) থেকে নিজের সম্পর্কে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে হালাল (ইহরামহীন) অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪১১, তিরমিযী ৮৪৫, আবূ দাউদ১৮৪৩ ইবনু মাজাহ ১৯৬৪, আহমাদ ২৬২৮৮, দারেমী ১৮২৪।
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَحَقَّ الشُّرُوطِ أَنْ يُوَفَّى بِهِ, مَا اسْتَحْلَلْتُمْ بِهِ الْفُرُوجَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2271 و5151)، ومسلم (1418)، واللفظ لمسلم
৯৯৫. ‘উকবাহ বিন ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে শর্তের দ্বারা তোমরা মেয়েদের লজ্জাস্থানকে বৈধ করে নিয়েছ ঐ শর্তসমূহ পূরণের সর্বাপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৭২১, ৫১৫১, মুসলিম ১৪১৮, তিরমিযী ১১২৭, নাসাঈ ৩২৮১, ৩২৮২, আবূ দাউদ২১৩৯, ইবনু মাজাহ ২১৫৪, আহমাদ ১৬৫৮১, ১৬৯১১, দারেমী ২২০৩।
وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ - رضي الله عنه - قَالَ: رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَامَ أَوْطَاسٍ فِي الْمُتْعَةِ, ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ, ثُمَّ نَهَى عَنْهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1405) (18) وأوطاس: واد بالطائف، وعام أوطاس هو عام الفتح
৯৯৬. সালামাহ বিন আল-আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আওতাস অভিযানকালে তিন দিনের জন্য ‘মুতআহ বা সাময়িক বিবাহ-এর অনুমতি দিয়েছিলেন, তারপর তিনি তা নিষিদ্ধ করে দেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১১৯, মুসলিম ১৪০৫, আহমাদ ১৬০৬৯, ১৬০৯৯, বুখারী। আওতাস হচ্ছে তায়েফের একটি উপত্যকা। আর عام أوطاس বলা হয় মক্কা বিজয়ের বছরকে।
وَعَنْ عَلَيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ الْمُتْعَةِ عَامَ خَيْبَرَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5115)، ومسلم (1407)
৯৯৭. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধাভিযানের সময় ‘মুতআহ (সাময়িক বিবাহ) নিষিদ্ধ করেন।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েদের সাথে মুতআহ বিবাহ করা, গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া, খাইবার যুদ্ধে নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।[1]
[৯৯৮] রবী বিন সাবরাহ (রহঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে মেয়েদের সাথে ‘মুতআ বিবাহ (স্বল্পকালীন বিবাহ) করতে অনুমতি দিয়েছিলাম। অবশ্য আল্লাহ তাআলা এখন কিয়ামত পর্যন্ত তা হারাম করে দিয়েছেন। যদি ঐরূপ কোন মেয়ে কারো নিকটে এখনও থেকে থাকে। তবে তার পথকে উম্মুক্ত করে দিবে অর্থাৎ তাকে বিদায় করে দিবে এবং তাকে তোমাদের দেয়া কিছু ফেরত নেবে না। মুসলিম, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ, আহমাদ ও ইবনু হিব্বান।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪২১৬, ৫১১৫, ৫৫২৩, ৫৯৬১, মুসলিম ১৪০৭, তিরমিযী ১১২১, ১৭৯৪, নাসায়ী ৩৩৬৪, ৩৩৬৫, ৩৩৬৬, ইবনু মাজাহ ১৯৬১, আহমাদ ৫৯৩, ৮১৪, মুওয়াত্তা মালেক ১০৮০, দারেমী ১৯৯০, ২১৯৭।
[2] মুসলিম ১৪০৬, আবূ দাউদ২০৭২, ইবনু মাজাহ ১৯৬২, নাসাঈ ৩৩৬৮, আহমাদ ১৪৯১৩, ১৪৯২১, দারিমী ২১৯৫, ২১৯৬।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الْمُحَلِّلَ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (1/ 448 و 462)، والنسائي (649)، والترمذي (1120) واللفظ للترمذي قال: حديث حسن صحيح
৯৯৮। ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তিন তালাক প্রাপ্ত) হালালাকারী ও যার জন্য হালাল করা হয় উভয়ের উপর লানত করেছেন। mdash;তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৪১৬, তিরমিযী ১১১৯, ১১২০, আবূ দাউদ২০৭৬, ইবনু মাজাহ ১৯৩৫, আহমাদ ৪২৭১, ৪২৯৬, দারেমী ২২৫৮।
হিলা বিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ। তালাকদাতা স্বামীর নিকট পুনরায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য যৌন মিলনের পর তালাক দেয়ার শর্তে কোন ব্যক্তির নিকট সাময়িক বিবাহ দেয়াকে হিলা বিবাহ বলা হয়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিবাহকারী ও প্রদানকারী উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন। অথচ আমাদের দেশের কিছু মৌলবী আল্লাহর রাসূলের এ অভিসম্পতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, ঢালাওভাবে এ অনৈতিক বিবাহের প্রচলন বহাল রেখেছে। আল্লাহর রাসূলের ভাষায় এদেরকে ভাড়াটিয়া পাঠা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মূলতঃ সহীহ হাদীসকে অগ্রাহ্য করে এক তহুরে বা এক বৈঠকে তিন তালাককে এক তালাক গণ্য না করে তিন তালাক ধরে নেয়ার কারণে আমাদের দেশে এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড অধিক পরিমাণে সংঘটিত হয়ে থাকে। হানাফী মাযহাবের আলিমদের হাদীস বিরোধী ফাতোয়াও অনেকটা এর জন্য দায়ী। আল্লাহ আমাদের হাদীস অমান্য করা থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহঃ) বলেছেন- হালালা নামক অভিশপ্ত বিবাহ দ্বারা ঐ স্ত্রী, হালালাকারী ও পূর্বস্বামী কারো জন্য হালাল হবে না। (মিশরীয় টীকা)
وَفِي الْبَابِ: عَنْ عَلِيٍّ أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أبو داود (2076)، والترمذي (1119)، وابن ماجه (1935) وفي سنده الحارث الأعور، وهو ضعيف. لكن يشهد له ما قبله، وأيضا له شواهد أخرى مذكورة بالأصل
৯৯৯। ‘আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে অনুরূপ হাদীসই বর্ণিত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৪১৬।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلَّا مِثْلَهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (2/ 324)، وأبو داود (2052)
১০০০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দোররা লাগান (যিনার দায়ে শাস্তি প্রাপ্ত) মেয়েকে তার মত (দুশ্চরিত্র) পুরুষ ব্যতীত বিবাহ করবে না। -এর সকল রাবী নির্ভরযোগ্য।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৫২, আহমাদ ৮১০১।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, قَالَتْ: طَلَّقَ رَجُلٌ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا, فَتَزَوَّجَهَا رَجُلٌ, ثُمَّ طَلَّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا, فَأَرَادَ زَوْجُهَا أَنْ يَتَزَوَّجَهَا, فَسُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ ذَلِكَ, فَقَالَ: «لَا. حَتَّى يَذُوقَ الْآخَرُ مِنْ عُسَيْلَتِهَا مَا ذَاقَ الْأَوَّلُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5261)، ومسلم (1433) (115)
১০০১। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছিল; ঐ স্ত্রীলোকটিকে কোন ব্যক্তি বিবাহ করে, তারপর তাকে সহবাসের পূর্বেই তালাক দিয়ে দেয়। তারপর তার প্রথম স্বামী তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করে। এ সম্বন্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসিত হয়ে বলেনঃ না, যতক্ষণ না পরবর্তী স্বামী তার স্বাদ গ্রহণ (সঙ্গম) করবে। যেমন তার পূর্বস্বামী গ্ৰহণ করেছে। -শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৩৯, ৫২৬০, ৫২৬১, ৫২৬৫, মুসলিম ১৪৩৩, তিরমিযী ১১১৮, নাসায়ী ৩২৮৩, ৩৪০৯, ইবনু মাজাহ ১৯৩২, আহমাদ ২৩৫৩৮, ২৩৫৭৮, দারিমী ২২৬৭, ২২৬৮।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْعَرَبُ بَعْضُهُمْ أَكْفَاءُ بَعْضٍ, وَالْمَوَالِي بَعْضُهُمْ أَكْفَاءُ بَعْضٍ, إِلَّا حَائِكٌ أَوْ حَجَّامٌ». رَوَاهُ الْحَاكِمُ, وَفِي إِسْنَادِهِ رَاوٍ لَمْ يُسَمَّ, وَاسْتَنْكَرَهُ أَبُو حَاتِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. وقد سأل ابن أبي حاتم أباه عنه فقال (1/ 412/ 1236): «هذا كذب. لا أصل له». وقال في موضع آخر (1/ 423 - 424/ 1275): «هذا حديث منكر». وأيضا قال بوضعه ابن حبان في «المجروحين» (2/ 124)، وابن عبد البر في «التمهيد» إذ قال: حديث منكر موضوع
১০০২। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আরবগণ একে অপরের সমপর্যায়ের, মুক্ত কৃতদাস মুক্ত কৃতদাসের সমতুল্য, তবে জেলা বা তাঁতী ও হাজ্জাম ব্যতীত। - এর সানাদে একজন রাবীর নাম অজ্ঞাত। আবূ হাতিম একে মুনকার বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম বাইহাকী তাঁর সুনানুল কুবরা ৭/১৩৪ গ্রন্থে একে মুনকাতি বলেছেন। ইমাম যাহাবী তানকীহুত তাহকীক ২/১৮১ গ্রন্থে বলেন, এর একজন বর্ণনাকারী আলী সে মাতরুক অনুরূপ উসমানও। ইবনু উসাইমীন তাঁর বুলুগুল মারামের শরাহ ৪/৫১৬ গ্রন্থেও একে মুনকার বলেছেন। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৬/২৬৩ গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৬/২৬৮ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি, মুনকাতি, তথাপিও ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস, সে আন আন করে বর্ণনা করেছে। আর তিনি যঈফুল জামে ৩৮৫৭ ও ইরওয়াউল গালীল ১৮৬৯ গ্রন্থে এ মর্মে আবদুল্লাহ ইবনু উমার, আয়িশা ও মু'আয বিন জাবাল সূত্রে বর্ণিত হাদীসগুলোকে জাল বলে অভিহিত করেছেন।
وَلَهُ شَاهِدٌ عِنْدَ الْبَزَّارِ: عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ بِسَنَدٍ مُنْقَطِعٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع كسابقه
১০০৩। ঐ হাদীসের একটি শাহিদ বাযযারে মুআয বিন জাবাল থেকে মুনকাতে (বিচ্ছিন্ন) সানাদে রয়েছে।
وَعَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهَا: «انْكِحِي أُسَامَةَ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1480)
১০০৪। ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, উসামাহ বিন যায়দকে বিবাহ কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৮০, তিরমিযী ১১৩৫, ১১৮০, নাসায়ী ৩২২২, ৩২৩৭, ৩২৪৪, আর দাউদ ২২৮৪, ২২৮৮, ২২৮৯, ইবনু মাজাহ ১৮৬৯, ২০২৪, ২০৩৫, আহমাদ ২৬৫৬০, ২৬৭৭৫, মালেক ১২৩৪, দারেমী ২১৭৭, ২২৭৪।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «يَا بَنِي بَيَاضَةَ, أَنْكِحُوا أَبَا هِنْدٍ, وَانْكِحُوا إِلَيْهِ». وَكَانَ حَجَّامًا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالْحَاكِمُ بِسَنَدٍ جَيِّدٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2102)، والحاكم (2/ 164) من طريق محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، به. وقال الحافظ في «التلخيص» (364): إسناده حسن
১০০৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে বনি বায়াযাহ, তোমরা আবূ হিন্দের বিবাহ দিয়ে দাও আর তার সঙ্গে বিবাহের সম্পর্ক কায়িম কর। আবূ হিন্দ পেশায় হাজ্জাম ছিলেন- আবূ দাউদও হাকিম হাসান সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২১০২, ৩৮৫৭, ইবনু মাজাহ ৩৪৭৬, আহমাদ ৮৩০৮।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: خُيِّرَتْ بَرِيرَةُ عَلَى زَوْجِهَا حِينَ عَتَقَتْ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ فِي حَدِيثٍ طَوِيلٍ
وَلِمُسْلِمٍ عَنْهَا: أَنَّ زَوْجَهَا كَانَ عَبْدًا
وَفِي رِوَايَةٍ عَنْهَا: كَانَ حُرًّا -. وَالْأَوَّلُ أَثْبَتُ
وَصَحَّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عِنْدَ الْبُخَارِيِّ; أَنَّهُ كَانَ عَبْدًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5097)، ومسلم (1504) (14) واللفظ لمسلم
رواه مسلم (1504) (11) و (13) وفي أخرى (9): ولو كان حرا لم يخيرها
১০০৬। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরাকে তার দাসত্ব মোচনের পর তার (দাস) স্বামীর সাথে বিবাহ সম্পর্ক বহাল রাখা না রাখার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল। (এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ)।
মুসলিমে ‘আয়িশা বর্ণিত আছে যে, তাঁর স্বামী দাস ছিলেন[1] এবং অন্য বর্ণনায় আছে তার স্বামী স্বাধীন ছিলেন। তবে (অর্থাৎ দাস ছিলেন) প্রথম এ বর্ণনাটি সর্বাপেক্ষা ঠিক।
বুখারীতে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আছে, তিনি দাস ছিলেন।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিমের এক বর্ণনায় রয়েছে, আর যদি সে স্বাধীন থাকতো তাহলে তিনি তাকে ইখতিয়ার দিতেন না।
[2] বুখারী ৪৫৬, ১৪৯৩, ২১৫৫, ৫০৯৭, মুসলিম ১৫০৪, তিরমিযী ১২৫৬, আর দাউদ ৩৯২৯, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৫, মালেক ১৫১৯।
وَعَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ فَيْرُوزَ الدَّيْلَمِيِّ, عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي أَسْلَمْتُ وَتَحْتِي أُخْتَانِ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «طَلِّقْ أَيَّتَهُمَا شِئْتَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَالْبَيْهَقِيُّ, وَأَعَلَّهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (4/ 232)، وأبو داود (2243)، والترمذي (1129 و 1130)، وابن ماجه (1951)، وابن حبان (1376)، والدارقطني (3/ 273)، والبيهقي (7/ 184)، من طريق أبي وهب الجيشاني، عن الضحاك بن فيروز، به. وقال الترمذي: «هذا حديث حسن». قلت: أبو وهب الجيشاني، والضحاك بن فيروز ترجمهما الحافظ في «التقريب» بقوله: «مقبول» فهذه علة، ولذلك فقول الترمذي: «حسن» فيه تساهل. وعلة أخرى قالها البخاري في «التاريخ الكبير» (2/ 2 / 333): «الضحاك بن فيروز الديلمي، عن أبيه، روى عنه أبو وهب الجيشاني، لا يعرف سماع بعضهم من بعض
১০০৭। যাহহাক বিন ফাইরূয দায়লামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি ইসলাম গ্ৰহণ করেছি এবং আমার বিবাহে দু (সহোদর) বোন রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেন: তোমার ইচ্ছামত এদের মধ্যে একজনকে তালাক দিয়ে পৃথক করে দাও। -ইবনু হিববান, দারাকুতনী ও বাইহাকী একে সহীহ বলেছেন; আর বুখারী সানাদের ত্রুটি বর্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১২০, নাসায়ী ৩৪১৬, আহমাদ ৪২৭১, ৪২৯৬, মালেক ২২৫৮। মুহাম্মাদ বিন আবদুল হাদী তাঁর তানকীহ তাহকীক আত তালীক ৩/১৮৩ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: ইমাম বুখারী বলেন, الضحاك بن فيروز الديلمي، عن أبيه، روى عنه أبو وهب الجيشاني، لا يعرف سماع بعضهم من بعض যাহহাক বিন ফাইরুয তাঁর পিতা থেকে, তাঁর পিতা ওয়াহ জাইশানী থেকে শুনেছেন, এ বিষয়ে আমরা জানি না। আলবানী সহীহ আবূ দাউদ ২২৪৩, সহীহ ইবনু মাজাহ ১৬০০ গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন, তাখরীজ মিশকাত ৩১১৩ গ্রন্থে এর সানাদকে মাওকুফ ও অত্যন্ত দুর্বল বলা হয়েছে। ইমাম বুখারী আত তারীখুল কাবীর ৩/২৪৮ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদটি বিতর্কিত। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তুহফাতুল আহওয়াযী ৩/৫৯৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইবনু লাহিআহ রয়েছে।
وَعَنْ سَالِمٍ, عَنْ أَبِيهِ, أَنَّ غَيْلَانَ بْنَ سَلَمَةَ أَسْلَمَ وَلَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ, فَأَسْلَمْنَ مَعَهُ, فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَتَخَيَّرَ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ، وَأَعَلَّهُ الْبُخَارِيُّ, وَأَبُو زُرْعَةَ, وَأَبُو حَاتِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه أحمد (23 و 14)، والترمذي (1128)، وابن حبان (1377)، والحاكم (292) وهو معلول وقد أبان الحافظ في «التلخيص» (3/ 168 - 169) عن علله
১০০৮। সালিম হতে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, গাইলান বিন সালামাহ (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেন, সে সময় তাঁর দশটি স্ত্রী ছিলmdash;তারা সকলেই তাঁর সাথে ইসলাম গ্ৰহণ করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে চারজনকে পছন্দ করে রাখতে হুকুম দিলেন। mdash;ইবনু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন আর বুখারী, আবূ যুরআহ ও আবূ হাতিম-এর ইল্লত বৰ্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজাহ ১৯৫৩, আহমাদ ৪৫৯৫, ৪৬১৭, মালেক ১২৪৩। ইমাম বুখারী আল মুহারার ৩৫৭ গ্রন্থে হাদীসটিকে অরক্ষিত বলেছেন। এ হাদীসের সানাদে আবূ যারআ ও আবূ হাতি ও অন্যান্য বর্ণনাকারী রয়েছে যারা বিতর্কিত। আলবানী সহীহ তিরমিযী ১১২৮, তাখরীজ মিশকাত ৩১১১ গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। ইমাম শাওকানী আদি দিরারী আল মাযিয়্যাহ ২১৩ গ্রন্থে বলেনঃ এ হাদীসটি ত্রুটিযুক্ত, কেননা প্রমাণিত হয়েছে যে, এটি উমার (রাঃ)-এর (নিজস্ব) কথা। ইমাম শাওকানী অবশ্য তাঁর ফাতহুল কাদীর ১/৬৩২ গ্রন্থে বলেন, : এটি অনেক সানাদে বর্ণিত হয়েছে, আর এর শাহেদ রয়েছে। আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ ৭/২৬৬ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন।