Part 1 | Page 136
খন্ডঃ 1 | পৃষ্ঠাঃ 136
এই গ্রন্থ এবং অন্যান্য গ্রন্থে এই প্রকারের সদৃশ উদাহরণ অল্পই রয়েছে। আল্লাহ তাআলা চাহেন তো এর মধ্য থেকে যা সহজসাধ্য তা আপনার সামনে আসবে। আমি এর একটি বড় অংশ সহীহ বুখারীর (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন) ব্যাখ্যার শুরুতে সংকলন করেছি এবং এ বিষয়ে ইতিপূর্বে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এই সনদে (Isnad) আরেকটি সূক্ষ্ম বিষয় (Latifah) রয়েছে; আর তা হলো বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের নিকট থেকে বর্ণনা করা (Riwayat al-Akabir 'an al-Asaghir)। কারণ আবু সালামাহ হলেন জ্যেষ্ঠ তাবেয়ীগণের অন্তর্ভুক্ত, আর উমর ইবনে আব্দুল আজিজ হলেন বয়স ও স্তরের (Tabaqah) দিক থেকে কনিষ্ঠ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত—যদিও জ্ঞান, মর্যাদা, দ্বীনদারি, পরহেযগারিতা ও দুনিয়াবিমুখতার (Zuhd) ক্ষেত্রে তিনি মহান ব্যক্তিত্বদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই আবু সালামাহ-এর নাম হলো আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ; এটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মত। কেউ কেউ বলেছেন তাঁর নাম ইসমাঈল। আমর ইবনে আলী বলেন, তাঁর নাম জানা যায় না। আহমদ ইবনে হাম্বল বলেন, তাঁর উপনামই (Kunyah) তাঁর নাম। হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন) তাঁর সম্পর্কে এই অভিমতগুলো বর্ণনা করেছেন। এই আবু সালামাহ ছিলেন শ্রেষ্ঠ তাবেয়ীগণের একজন এবং তাঁদের মধ্যে অন্যতম ফকিহ (Faqih)। একটি মতানুসারে তিনি মদীনার সপ্ত ফকিহদের (Al-Fuqaha al-Sab'ah) একজন। আর ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর হলেন কনিষ্ঠ তাবেয়ী, তাঁর উপনাম আবু নাসর। তিনি আনাস ইবনে মালিককে দেখেছেন এবং সায়েব ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা শুনেছেন। তিনি সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। আবু কাসীরের নাম সালিহ; মতান্তরে সাইয়ার, নাশীত অথবা দীনার। তাঁর উক্তি (তাঁর কথার প্রাসঙ্গিকতায় দলিল পেশ করা ত্যাগ করা তাঁর জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে), এখানে 'ক্বিয়াদ' শব্দটি ক্বাফ (Qaf) বর্ণের নিচে কাসরা (জের) এবং এরপর দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া (Ya) যোগে গঠিত।