مَعَهُ، فَأَقْرَعَ بَيْنَنَا فِي غَزْوَةٍ غَزَاهَا، فَخَرَجَ سَهْمِي، فَخَرَجْتُ مَعَهُ بَعْدَ مَا نَزَلَ الحِجَابُ، وَأَنَا أُحْمَلُ فِي هَوْدَجٍ (1) وَأُنْزَلُ فِيْهِ.
فَسِرْنَا، حَتَّى إِذَا فَرغَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَزْوَتِهِ تِلْكَ، وَقَفَلَ، وَدَنَوْنَا مِنَ المَدِيْنَةِ، آذَنَ لَيْلَةً بِالرَّحِيْلِ، فَقُمْتُ حِيْنَئِذٍ (2) ، فَمَشَيْتُ حَتَّى جَاوَزْتُ الجَيْشَ، فَلَمَّا قَضَيْتُ حَاجَتِي، أَقْبَلْتُ إِلَى رَحْلِي، فَإِذَا عِقْدٌ لِي مِنْ جَزْعِ ظَفَارٍ (3) قَدِ انْقَطَعَ، فَالْتَمَسْتُهُ، وَحَبَسَنِي الْتِمَاسُهُ.
وَأَقْبَلَ الرَّهْطُ الَّذِيْنَ كَانُوا يَرْحَلُوْنَ بِي (4) ، فَاحْتَمَلُوا هَوْدَجِي، فَرَحَلُوْهُ عَلَى بَعِيْرِي، وَهُمْ يَحْسَبُوْنَ أَنِّي فِيْهِ، وَكَانَ النِّسَاءُ إِذْ ذَاكَ خِفَافاً لَمْ يُثْقِلْهُنَّ اللَّحْمُ (5) ، إِنَّمَا يَأْكُلْنَ العُلْقَةَ (6) مِنَ الطَّعَامِ، فَلَمْ يَسْتَنْكِرُوا خِفَّةَ المَحْمِلِ حِيْنَ رَفَعُوْهُ، وَكُنْتُ جَارِيَةً حَدِيْثَةَ السِّنِّ، فَبَعَثُوا الجَمَلَ، وَسَارُوا، فَوَجَدْتُ عِقْدِي بَعْدَ مَا اسْتَمَرَّ الجَيْشُ.
فَجِئْتُ مَنَازِلَهُمْ وَلَيْسَ بِهَا دَاعٍ وَلَا مُجِيْبٌ، فَأَمَّمْتُ (7) مَنْزِلِي الَّذِي كُنْتُ فِيْهِ، وَظَنَنْتُ أَنَّهُمْ سَيَفْقِدُوْنِي، فَيَرْجِعُوْنَ إِلَيَّ.
فَبَيْنَمَا أَنَا جَالِسَةٌ غَلَبَتْنِي عَيْنِي، فَنِمْتُ، وَكَانَ صَفْوَانُ بنُ المُعَطَّلِ السُّلَمِيُّ، ثُمَّ الذَّكْوَانِيُّ مِنْ وَرَاءِ الجَيْشِ، فَأَدْلَجَ، فَأَصْبَحَ عِنْدَ مَنْزِلِي، فَرَأَى سَوَادَ إِنْسَانٍ نَائِمٍ، فَأَتَانِي، فَعَرَفَنِي حِيْنَ
সিয়ারু আলামীন নুবালা
খন্ডঃ 2 | পৃষ্ঠাঃ 154
তাঁর সাথে; তিনি একটি যুদ্ধে গমনের প্রাক্কালে আমাদের (স্ত্রীদের) মধ্যে লটারি দিলেন, তাতে আমার নাম উঠল। ফলে আমি তাঁর সাথে বের হলাম, আর তা ছিল পর্দার বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পরের ঘটনা। আমাকে হাওদার (১) ভেতরে আরোহণ করানো হতো এবং তার ভেতরেই নামানো হতো।
অতঃপর আমরা পথ চললাম। অবশেষে যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সেই যুদ্ধ সমাপ্ত করে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং আমরা মদীনার নিকটবর্তী হলাম, তখন তিনি এক রাতে প্রস্থানের ঘোষণা দিলেন। তখন (২) আমি উঠে দাঁড়ালাম এবং পদব্রজে হেঁটে সেনাদল পার হয়ে গেলাম। আমি আমার হাজত পূর্ণ করে শিবিরের দিকে ফিরে এলাম। হঠাৎ দেখলাম যে, ‘যাফারি’ পুঁতির (৩) তৈরি আমার হারটি ছিঁড়ে পড়ে গিয়েছে। আমি সেটি খুঁজতে লাগলাম এবং হারটি খুঁজতে গিয়ে আমার দেরি হয়ে গেল।
আর সেই দলটি যারা আমার বাহন সাজাত (৪), তারা এসে আমার হাওদাটি তুলে আমার উটের পিঠে বসিয়ে দিল। তারা মনে করেছিল আমি তার ভেতরেই আছি। সে সময় নারীরা ছিল হালকা-পাতলা, মাংসল দেহের আধিক্যের কারণে তারা ভারী ছিল না (৫); তারা যৎসামান্য খাদ্য (৬) গ্রহণ করত। ফলে হাওদাটি তোলার সময় তার হালকা হওয়ার বিষয়টি তারা বুঝতে পারেনি। আমি তখন ছিলাম অল্পবয়সী এক কিশোরী। অতঃপর তারা উট চালিয়ে চলে গেল। সেনাদল চলে যাওয়ার পর আমি আমার হারটি খুঁজে পেলাম।
তারপর আমি তাদের অবস্থানের জায়গায় এলাম, কিন্তু সেখানে কোনো আহ্বানকারী বা উত্তরদাতা ছিল না। তখন আমি আমার সেই অবস্থানের স্থানের (৭) দিকে গেলাম যেখানে আমি ছিলাম এবং ভাবলাম যে, তারা নিশ্চয়ই আমাকে খুঁজে না পেয়ে আমার কাছে ফিরে আসবে।
আমি সেখানে বসে থাকা অবস্থায় তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সাফওয়ান ইবনে মুআত্তাল আস-সুলামি আদ-যাকওয়ানি তখন সেনাদলের পশ্চাৎভাগে ছিলেন। তিনি রাতের শেষভাগে পথ চলে ভোরবেলা আমার অবস্থানের স্থানে এসে পৌঁছালেন এবং একজন ঘুমন্ত মানুষের অবয়ব দেখতে পেলেন। তিনি আমার নিকট আসলেন এবং আমাকে চিনে ফেললেন যখন