হাদীস বিএন

الثقات لابن حبان

Part 2 | Page 85

تُرَاجِعَنِي فَقَالَتْ مَا تُنْكِرُ أَنْ أُرَاجِعَكَ فَوَاللَّهِ إِنَّ أَزْوَاجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيُرَاجِعْنَهُ وَتَهْجُرُهُ إِحْدَاهُنَّ الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ فَانْطَلَقْتُ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ فَقُلْتُ أُتَرَاجِعِينَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ نَعَمْ وَتَهْجُرُهُ إِحْدَانَا الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ قَالَ قُلْتُ قَدْ خَابَ مَنْ فَعَلَ ذَلِكَ مِنْكُنَّ وَخَسِرَ أَفَتَأْمَنُ إحداكن أَن يغْضب الله عيها لِغَضَبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذا هى هلكتفلا تُرَاجِعِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلا تَسْأَلِيهِ شَيْئًا وسلينى مَا بدا ذَلِك وَلا يَغُرَّنَّكِ إِنْ كَانَتْ جَارَتُكِ أَوْسَمَ وَأَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْكِ يُرِيدُ عَائِشَةَ قَالَ وَكَانَ لِي جَارٌ مِنَ الأَنْصَارِ وَكُنَّا نَتَنَاوَبُ النُّزُولَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَنْزِلُ يَوْمًا وَأَنْزِلُ يَوْمًا فَيَأْتِينِي بِخَبَرِ الْوَحْيِ وَغَيْرِهِ وَآتِيهِ بِمِثْلِ ذَلِكَ وَكُنَّا نَتَحَدَّثُ أَنَّ غَسَّانَ تَنْعَلُ الْخَيْلَ لِتَغْزُوَنَا قَالَ فَنَزَلَ صَاحِبِي يَوْمًا أَتَانِي عَشَاءً فَضَرَبَ عَلَى بَابِي ثُمَّ نَادَانِي فَخَرَجْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ حَدَثَ أَمْرٌ عَظِيمٌ فَقُلْتُ وَمَاذَا أَجَاءَتْ غَسَّانُ قَالَ لَا بَلْ أَعْظَمُ مِنْ ذَلِكَ وَأَطْوَلُ طَلَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نِسَاءَهُ فَقُلْتُ خَابَتْ حَفْصَةُ وَخَسِرَتْ قَدْ كُنْتُ أَظُنُّ هَذَا كائبا فَلَمَّا صلبت الصُّبْحَ شَدَدْتُ عَلَى ثِيَابِي ثُمَّ نَزَلْتُ فَدَخَلْتُ عَلَى حَفْصَةَ فَإِذَا هى تبْكي

আস সিক্বাত লি-ইবনু হিব্বান

খন্ডঃ 2 | পৃষ্ঠাঃ 85



(উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,) সে আমার কথার প্রতিবাদ করছিল। সে বলল, 'আমি আপনার কথার প্রতিবাদ করছি দেখে আপনি এতো অবাক হচ্ছেন কেন? আল্লাহর কসম! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনীগণও তাঁর সঙ্গে তর্কের উত্তর দিয়ে থাকেন এবং তাঁদের কেউ কেউ তো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বন্ধ রাখেন।' তখন আমি সেখান থেকে প্রস্থান করলাম এবং হাফসার নিকট গিয়ে বললাম, 'তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার পাল্টা জবাব দাও?' সে বলল, 'হ্যাঁ, আমাদের কেউ কেউ তো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বন্ধ রাখে।' তিনি (উমর) বলেন, আমি বললাম, 'তোমাদের মধ্যে যে এমন করবে সে বিফল ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তোমাদের কেউ কি এ বিষয়ে শঙ্কামুক্ত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অসন্তুষ্টির কারণে আল্লাহ তাআলা তার ওপর রাগান্বিত হবেন? ফলে সে ধ্বংস হয়ে যাবে? সুতরাং তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তর্কের উত্তর দিও না এবং তাঁর কাছে কিছু প্রার্থনা করো না। তোমার যা প্রয়োজন তা আমার কাছেই চেয়ে নিও। আর তোমার প্রতিবেশিনী (সতীন) তোমার চেয়ে অধিক রূপবতী এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অধিক প্রিয় হওয়া যেন তোমাকে বিভ্রান্ত না করে।' এখানে তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, আনসারদের মধ্যে আমার এক প্রতিবেশী ছিল। আমরা পালাক্রমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হতাম। সে একদিন যেত আর আমি একদিন যেতাম। সে যেদিন যেত, সেদিনকার ওহী ও অন্যান্য সংবাদ নিয়ে আসত, আর আমি যেদিন যেতাম আমিও অনুরূপ করতাম। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতাম যে, গাসসান গোত্র আমাদের ওপর আক্রমণ করার জন্য ঘোড়ার খুরে নাল লাগাচ্ছে। তিনি বলেন, একদিন আমার সেই সঙ্গী (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে) ফিরে এলেন। এশার সময় তিনি আমার দরজায় করাঘাত করলেন এবং আমাকে ডাকলেন। আমি বের হয়ে তাঁর কাছে এলে তিনি বললেন, 'এক মহাবিপদ ঘটে গেছে!' আমি বললাম, 'কী ব্যাপার? গাসসান কি আক্রমণ করে দিয়েছে?' তিনি বললেন, 'না, বরং তার চেয়েও বড় এবং গুরুতর বিষয়; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন।' আমি বললাম, 'হাফসা তো বিফল ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো! আমার আগে থেকেই ধারণা ছিল যে এমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে।' অতঃপর যখন আমি ফজরের সালাত আদায় করলাম, নিজের পরিধেয় বস্ত্র মজবুত করে বাঁধলাম এবং নিচে নেমে আসলাম। এরপর আমি হাফসার নিকট প্রবেশ করলাম এবং দেখলাম সে কাঁদছে।