হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (1112)


1112 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ: دَخَلْتُ عَلَى مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَذَكَرْنَا مَا يَكُونُ مِنْهُ الْوُضُوءُ، فَقَالَ مَرْوَانُ: أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1109) [ص:397] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: عَائِذٌ بِاللَّهِ أَنْ نَحْتَجَّ بِخَبَرٍ رَوَاهُ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ وَذَوُوهُ فِي شَيْءٍ مِنْ كُتُبِنَا، لَأَنَّا لَا نَسْتَحِلُّ الِاحْتِجَاجَ بِغَيْرِ الصَّحِيحِ مِنْ سَائِرِ الْأَخْبَارِ، وَإِنْ وَافَقَ ذَلِكَ مَذْهَبَنَا، وَلَا نَعْتَمِدُ مِنَ الْمَذَاهِبِ إِلَّا عَلَى الْمُنْتَزَعِ مِنَ الْآثَارِ، وَإِنْ خَالَفَ ذَلِكَ قَوْلَ أَئِمَّتِنَا، وَأَمَّا خَبَرُ بُسْرَةَ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ، فَإِنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ سَمِعَهُ مِنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ بُسْرَةَ، فَلَمْ يُقْنِعْهُ ذَلِكَ حَتَّى بَعَثَ مَرْوَانُ شُرْطِيًّا لَهُ إِلَى بُسْرَةَ فَسَأَلَهَا، ثُمَّ آتَاهُمْ فَأَخْبَرَهُمْ بِمِثْلِ مَا قَالَتْ بُسْرَةُ، فَسَمِعَهُ عُرْوَةُ ثَانِيًا عَنِ الشُّرْطِيِّ، عَنْ بُسْرَةَ، ثُمَّ لَمْ يُقْنِعْهُ ذَلِكَ حَتَّى ذَهَبَ إِلَى بُسْرَةَ فَسَمِعَ مِنْهَا، فَالْخَبَرُ عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ بُسْرَةَ مُتَّصِلٌ لَيْسَ بِمُنْقَطِعٍ، وَصَارَ مَرْوَانُ وَالشُّرْطِيُّ كَأَنَّهُمَا عَارِيَتَانِ يَسْقُطَانِ مِنَ الْإِسْنَادِ.




উরওয়া বিন যুবাইর (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার মারওয়ান বিন হাকাম এর কাছে গেলাম, অতঃপর আমরা আলোচনা করলাম কিসে ওযূ করতে হয়, সেই সম্পর্কে। তখন মারওয়ান আমাকে বলেন, “আমাকে বুসরা বিনতু সাফওয়ান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, তখন সে যেন ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আল্লাহর কাছে পানাহ চাই আমাদের কিতাবে এমন হাদীস দিয়ে দলীল গ্রহণ করা থেকে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন হাকাম ও তার মত লোকজন। কেননা আমরা হাদীসসমূহ থেকে সহীহ হাদীস ছাড়া অন্যান্য হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা বৈধ মনে করিনা, যদিও সেই হাদীস আমাদের মতামতের অনুকূলে যায়। আর বিভিন্ন মতামত থেকে আমরা কেবল হাদীস নিসৃত মতামতের উপরই নির্ভর করি, যদিও তা আমাদের ইমামদের মতামতের বিপরীত হয়। আমরা যে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীস বর্ণনা করলাম, সেই হাদীস উরওয়া বিন যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারওয়ান বিন হাকাম এর মাধ্যমে ‍বুসরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শুনেছেন। কিন্তু তিনি এতে সন্তুষ্ট হননি, এমনকি মারওয়ান বিন হাকাম তার এক পুলিশকে পাঠান বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে, তিনি তাকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন, অতঃপর তিনি ফিরে এসে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা যেভাবে তাকে হাদীস করেন, সেভাবে তাদেরকে হাদীসটি বর্ণনা করেন। কাজেই উরওয়া পুলিশের সূত্রে বুসরার হাদীস দ্বিতীয়বার শ্রবন করেন। কিন্তু এতেও তিনি পরিতৃপ্ত হননি, ফলে তিনি নিজেই বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে যান এবং তাঁর কাছ থেকে সরাসরি হাদীস শ্রবণ করেন। কাজেই বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে উরওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস মুত্তাসিল; মুনকাতি‘ নয়। সুতরাং মারওয়ান ও পুলিশ যেন ‘শুন’ যারা সানাদ থেকে বাদ পড়ে গেছে।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (116)، «صحيح أبي داود» (175).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله رجال الصحيح، وقد صححه غير واحد من الأئمة.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1113)


1113 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُسَرَّحٍ الْحَرَّانِيُّ أَبُو بَدْرٍ بِسَرْغَامَرْطَا مِنْ دِيَارِ مُضَرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:398] شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ حَدَّثَهُ، عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ»، قَالَ: فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عُرْوَةُ فَسَأَلَ بُسْرَةَ فَصَدَّقَتْهُ. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1110)




উরওয়া (রহ.) বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, তখন সে যেন ওযূ করে।” অতঃপর উরওয়া হাদীসটি অস্বীকার করেন এবং স্বয়ং গিয়ে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি সেটিকে সত্যায়ন করেন।” [1]



[1] দারাকুতনী: ২২৬১; সুনান বাইহাকী: ১/১২৯; হাকিম: ১/১৩৭; নাসাঈ: ১/২১৬; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: أحمد بن خالد أبو بدر، ترجمه الإمام الذهبي في «الميزان»، ونقل عن الدارقطني قوله: ليس بشيء. وأبوه ترجمه المؤلف في «الثقات» 8/ 226، وقال: مستقيم الحديث جداً. وباقي رجاله ثقات.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1114)


1114 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي رَبِيعَةُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَرْوَانَ، عَنْ بُسْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ»،، [ص:399] قَالَ عُرْوَةُ: فَسَأَلْتُ بُسْرَةَ، فَصَدَّقَتْهُ. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1111)




উরওয়া (রহ.) বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন নতুন করে ওযূ করে।” উরওয়া (রহ.) বলেন, “অতঃপর আমি বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি সেটিকে সত্যায়ন করেন।” [1]



[1] ইবনুল জারুদ: ১৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৩; দারাকুতনী: ২২৬১; সুনান বাইহাকী: ১/১২৯; হাকিম: ১/১৩৭; নাসাঈ: ১/২১৬; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي، رجاله رجال الصحيح، ابن أبي فديك: هو محمد بن إسماعيل بن مسلم بن أبي فديك الدِّيلي مولاهم المدني، روى له الجماعة.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1115)


1115 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بُسْرَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ، فَلْيُعِدِ الْوُضُوءَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1112) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: لَوْ كَانَ الْمُرَادُ مِنْهُ غَسْلَ الْيَدَيْنِ كَمَا، قَالَ بَعْضُ النَّاسِ: لَمَّا قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَلْيُعِدِ الْوُضُوءَ»، إِذِ الْإِعَادَةُ لَا تَكُونُ إِلَّا لِلْوُضُوءِ الَّذِي هُوَ لِلصَّلَاةِ




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন পুনরায় ওযূ করে নেয়।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ হাদীসে ওযূ করা দ্বারা যদি দুই হাত ধোয়া উদ্দেশ্য হতো, যেমনটা কিছু লোক মনে করে থাকে, তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই বলতেন না “সে যেন পুনরায় ওযূ করে নেয়” কেননা পুনরায় ওযূ করা কথাটি কেবল সালাতের জন্য যে ওযূ করা হয় সেটাকেই বুঝায়।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০৬; তিরমিযী: ৮২; নাসাঈ: ১/২১৬; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (1116)


1116 - أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ قُرَيْشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْعَدَنِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَرْوَانَ، عَنْ بُسْرَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1113)




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, সে যেন সালাতের ন্যায় ওযূ করে নেয়।”[1]



[1] ইবনু মাজাহ: ৪৭৯; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০৬; তিরমিযী: ৮২; নাসাঈ: ১/২১৬; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1117)


1117 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ ذَكْوَانَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَمِرٍ الْيَحْصَبِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ بُسْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ، وَالْمَرْأَةُ مِثْلُ ذَلِكَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1114)




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন ওযূ করে নেয়। নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ*।”[1]



[1] সুনান বাইহাকী: ১/১৩২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১১; নাসাঈ: ১/২১৬; দারেমী: ১/১৮৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ” অংশটুকু মুদরাজ বাকী অংশ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ” অংশটুকু মুদরাজ বাকী অংশ সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।) * “হাদিসের সনদ বা মতনে বিনা পার্থক্যে রাবির পক্ষ থেকে বৃদ্ধিকে মুদরাজ বলা হয়”।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح إلا قوله: «والمرأة مثل ذلك»؛ فإنها مدرجة - «صحيح أبي داود» -أيضا-.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1118)


1118 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمُعَدَّلُ بِالْفُسْطَاطِ، وَعِمْرَانُ بْنُ فَضَالَةَ الشَّعِيرِيُّ بِالْمَوْصِلِ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَنَافِعِ بْنِ أَبِي نُعَيْمٍ الْقَارِئِ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَفْضَى أَحَدُكُمْ بِيَدِهِ إِلَى فَرْجِهِ، وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا سِتْرٌ وَلَا حِجَابٌ، فَلْيَتَوَضَّأْ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1115) [ص:402] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: احْتِجَاجُنَا فِي هَذَا الْخَبَرِ بِنَافِعِ بْنِ أَبِي نُعَيْمٍ دُونَ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ النَّوْفَلِيِّ لِأَنَّ يَزِيدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ تَبَرَّأْنَا مِنْ عُهْدَتِهِ فِي كِتَابِ الضُّعَفَاءِ.




আবূ হুরাইরা হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার লজ্জাস্থান তার হাত দিয়ে স্পর্শ করে, এবং হাত ও লজ্জাস্থানের মাঝে কোন অন্তরাল বা পর্দা না থাকে, তবে সে যেন ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে আমরা নাফি বিন আবূ নু‘আইম এর মাধ্যমে দলীল গ্রহণ করেছি কিন্তু ইয়াযিদ বিন আব্দুল মালিক আন নাওফালীর মাধ্যমে দলীল গ্রহণ করিনি, কেননা আমরা ইয়াযিদ বিন আব্দুল মালিক থেকে দায়মুক্তি ঘোষনা করেছি, যেমনটা কিতাবুয যু‘আফাহ কিতাবে উল্লেখ আছে।”



[1] ইমাম শাফেঈ, আল উম্ম: ১/১৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৩৩; দারাকুতনী: ৭/১৪১; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭৪; সুনান বাইহাকী: ২/১৩১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৬; তাবারানী আস সাগীর: ১/৪২; হাকিম: ১/১৩৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ১২৩৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الموارد» (210)، «الصحيحة» (1235).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: سنده حسن، يزيد بن عبد الملك النوفلي، ضعيف، لم يحتج به المؤلف، وذكره في كتابه «الضعفاء»، كما قال هنا، وذكره ابن عدي في «الكامل في الضعفاء» 7/ 2715، وساق له هذا الحديث، لكن أخرج المؤلف حديثه لأنه تابعه عليه نافع بن أبي نعيم القارئ، وهو صدوق، وبه احتج المؤلف كما قال.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1119)


1119 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: خَرَجْنَا وَفْدًا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَاءَ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، مَا تَقُولُ فِي مَسِّ الرَّجُلِ ذَكَرَهُ بَعْدَمَا يَتَوَضَّأُ؟، فَقَالَ: «هَلْ هُوَ إِلَّا مُضْغَةٌ أَوْ بَضْعَةٌ مِنْهُ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1116)




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা প্রতিনিধি দল হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে যাওয়ার জন্য বের হলাম, এসময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল কোন ব্যক্তির ওযূ করার পর তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার ব্যাপারে আপনার কী বলবেন?” জবাবে তিনি বলেন, “সেটা একটি অঙ্গ অথবা (রাবীর সন্দেহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) এটা তার একটি অঙ্গ ব্যতীত অন্য কিছু কী?”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (176).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1120)


1120 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ بِعَسْقَلَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ طَلْقٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَتَاهُ أَعْرَابِيٌّ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَحَدَنَا يَكُونُ فِي الصَّلَاةِ فَيَحْتَكُّ فَتُصِيبُ يَدُهُ ذَكَرَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَهَلْ هُوَ إِلَّا بَضْعَةٌ مِنْكَ أَوْ مُضْغَةٌ مِنْكَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1117)




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে ছিলাম, এমন সময় এক বেদুঈন ব্যক্তি এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমাদের কোন ব্যক্তি সালাতে থাকে, অতঃপর তার শরীর চুলকায়, ফলে তার হাত পুরুষাঙ্গে লেগে যায়?” জবাবে তিনি বলেন, “সেটা তোমার একটি অঙ্গ অথবা (রাবীর সন্দেহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) এটা তোমার এক টুকরো মাংস ব্যতীত অন্য কিছু কী?”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (177).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: ابن أبي السري هو: محمد بن المتوكل بن عبد الرحمن الهاشمي، قال الحافظ في «التقريب»: صدوق عارف، له أوهام كثيرة، إلا أنه لم ينفرد به، فقد تابعه عليه غير واحد، كما مر في تخريج الحديث الذي قبله، وباقي رجاله ثقات.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1121)


1121 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُنْذِرِ النَّيْسَابُورِيُّ بِمَكَّةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْفَرَّاءُ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الرَّجُلِ يَمَسُّ ذَكَرَهُ وَهُوَ فِي الصَّلَاةِ، قَالَ: «لَا بَأْسَ بِهِ، إِنَّهُ لَبَعْضُ جَسَدِكَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1118)




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “এতে কোন দোষ নেই। এটা তোমার শরীরের একটি অঙ্গ বিশেষ।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» - أيضا -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي. وانظر (1119).









সহীহ ইবনু হিব্বান (1122)


1122 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا جَدِّي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: بَنَيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَسْجِدَ الْمَدِينَةِ فَكَانَ يَقُولُ: «قَدِّمُوا الْيَمَامِي مِنَ الطِّينِ، فَإِنَّهُ مِنْ أَحْسَنِكُمْ* لَهُ مَسًّا» * [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1119) [ص:405] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: خَبَرُ طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ خَبَرٌ مَنْسُوخٌ، لِأَنَّ طَلْقَ بْنَ عَلِيٍّ كَانَ قُدُومُهُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوَّلَ سَنَةٍ مِنْ سِنِيِّ الْهِجْرَةِ، حَيْثُ كَانَ الْمُسْلِمُونَ يَبْنُونَ مَسْجِدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ، وَقَدْ رَوَى أَبُو هُرَيْرَةَ إِيجَابَ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ، عَلَى حَسَبِ مَا ذَكَرْنَاهُ قَبْلُ وَأَبُو هُرَيْرَةَ أَسْلَمَ سَنَةَ سَبْعٍ مِنَ الْهِجْرَةِ، فَدَلَّ ذَلِكَ عَلَى أَنَّ خَبَرَ أَبِي هُرَيْرَةَ كَانَ بَعْدَ خَبَرِ طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ بِسَبْعِ سِنِينَ.




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে মদীনার মসজিদে নববীর নির্মাণ কাজ করেছি। তিনি বলেন, “তোমরা ইয়ামামার এই ব্যক্তিকে মাটির কাছে যেতে দাও, কেননা সে তোমাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি সুন্দরভাবে মাটি মিশ্রিত করতে পারে।”[1] আবু হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমাদের উল্লেখিত তলক বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসটি মানসুখ। কেননা তলক বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর মদীনায় আগমন হয়েছিল হিজরী প্রথম বছরে, যখন মুসলিমরা মদীনায় মসজিদে নববী নির্মাণ করছিলেন। অপরদিকে আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা আবশ্যক মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছেন, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সপ্তম হিজরীতে ইসলাম গ্রহণ করেন। কাজেই এটা প্রমাণ করে যে, আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসটি তালক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের অন্তত সাত বছর পরের।”



[1] তাবারানী কাবীর: ৮২৪২; দারাকুতনী: ১/১৪৮; বাইহাকী: ১/১৩৫; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ২/৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১১১৯।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر التعليق. * [أَحْسَنِكُمْ] قال الشيخ: في الأصل: (أحكم) والتصحيح من «الموارد» (303). * قال الشيخ: إسناده صحيح، وهو إسناد حديث البضعة الذي قبله، والحديث الَّذي بعده. وأخرجه البيهقي (1/ 135)، والطبراني في «المعجم الكبير» (8/ 399 / 8242) - من طريق ملازم ... به -، والدارقطني (1/ 148 - 149) - من طريق محمد بن جابر -، عن قيس بن طلق ... به نحوه. وعزاه الحافظ للمؤلف بلفظ الدارقطني! فَوَهِمَ.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (1123)


1123 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: خَرَجْنَا سِتَّةً وَفْدًا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، خَمْسَةٌ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ وَرَجُلٌ مِنْ بَنِي ضُبَيْعَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، حَتَّى قَدِمْنَا عَلَى نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَبَايَعْنَاهُ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ، وَأَخْبَرْنَاهُ أَنَّ بِأَرْضِنَا بَيْعَةً لَنَا، وَاسْتَوْهَبْنَاهُ مِنْ فَضْلِ طُهُورِهِ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ مِنْهُ [ص:406] وَتَمَضْمَضَ، وَصَبَّ لَنَا فِي إِدَاوَةٍ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبُوا بِهَذَا الْمَاءِ، فَإِذَا قَدِمْتُمْ بَلَدَكُمْ، فَاكْسِرُوا بِيعَتَكُمْ، ثُمَّ انْضَحُوا مَكَانَهَا مِنْ هَذَا الْمَاءِ، وَاتَّخِذُوا مَكَانَهَا مَسْجِدًا»، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، الْبَلَدُ بَعِيدٌ، وَالْمَاءُ يَنْشَفُ، قَالَ: «فَأَمِدُّوهُ مِنَ الْمَاءِ، فَإِنَّهُ لَا يَزِيدُهُ إِلَّا طِيبًا». فَخَرَجْنَا فَتَشَاحَحْنَا عَلَى حَمْلِ الْإِدَاوَةِ، أَيُّنَا يَحْمِلُهَا، فَجَعَلَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَوْبًا لِكُلِّ رَجُلٍ مِنَّا يَوْمًا وَلَيْلَةً، فَخَرَجْنَا بِهَا حَتَّى قَدِمْنَا بَلَدَنَا فَعَمِلْنَا الَّذِي أَمَرَنَا، وَرَاهِبُ ذَلِكَ الْقَوْمِ رَجُلٌ مِنْ طَيِّئٍ، فَنَادَيْنَا بِالصَّلَاةِ، فَقَالَ الرَّاهِبُ: دَعْوَةُ حَقٍّ، ثُمَّ هَرَبَ فَلَمْ يُرَ بَعْد. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1120) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي هَذَا الْخَبَرِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ طَلْقَ بْنَ عَلِيٍّ رَجَعَ إِلَى بَلَدِهِ بَعْدَ الْقِدْمَةِ الَّتِي ذَكَرْنَا وَقْتَهَا، ثُمَّ لَا يُعْلَمُ لَهُ رُجُوعٌ إِلَى الْمَدِينَةِ بَعْدَ ذَلِكَ. فَمَنِ ادَّعَى رُجُوعَهُ بَعْدَ ذَلِكَ، فَعَلَيْهِ أَنْ يَأْتِيَ بِسُنَّةٍ مُصَرِّحَةٍ، وَلَا سَبِيلَ لَهُ إِلَى ذَلِكَ




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা বানু হানীফ গোত্রের পাঁচজন এবং এবং বানু যুবাইআহ বিন রাবী‘আহ গোত্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাছে যাওয়ার জন্য বের হই, আমরা আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাছে পৌঁছে তাঁর হাতে বাই‘আত গ্রহণ করি এবং সালাত আদায় করি। আমরা তাঁকে জানাই যে, আমাদের এলাকায় আমাদের একটি গীর্জা রয়েছে। আমরা তাঁর কাছে তাঁর পবিত্রতা অর্জনের পর অবশিষ্ট পানি হাদিয়া চাইলে তিনি পানি আনতে বলেন, অতঃপর তা দিয়ে তিনি ওযূ করেন, কুলি করেন এবং অবশিষ্ট পানি আমাদের জন্য একটি পাত্রে ঢেলে দেন। তারপর তিনি বলেন, “তোমরা এই পানি নিয়ে যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে যাবে, তখন তোমরা তোমদের গীর্জা ভেঙ্গে ফেলবে, তারপর তোমরা সেই জায়গায় এই পানি ছিটিয়ে দিবে এবং সেখানে একটি মাসজিদ তৈরি করবে।” আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, “আমাদের দেশ তো অনেক দূরে, এই পানি তো শুকিয়ে যাবে।” জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা এই পানির সাথে অন্য পানির সহযোগিতা নিবে। কেননা এতে এই পানির পবিত্রতা বরং আরো বৃদ্ধিই পাবে।” অতঃপর আমরা বের হলাম এবং আমাদের মাঝে কে এই পানির পাত্র বহন করবে তা নিয়ে আমরা নিজেরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সবাইকে এক দিন এক রাত সময়ব্যাপী তা বহন করার জন্য পালা বন্টন করে দিলেন। এভাবে আমরা বের হলাম এমনকি আমরা আমাদের দেশে পৌঁছলাম এবং তিনি আমাদের যে আদেশ করেছিলেন, তা প্রতিপালন করলাম। আমাদের এই সম্প্রদায়ের জন্য তই গোত্রের একজন পাদ্রী ছিল। আমরা সালাতের আযান দিলাম, তখন পাদ্রী বললো, “এটি হক আহবান”, তারপর সে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাকে আর দেখা য়ায়নি ।“[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, তলক বিন আলী এই আগমনের পর, যেই আগমনের সময় আমরা উল্লেখ করলাম, তিনি তাঁর দেশে ফিরে যান, তারপর তিনি আবার মদীনায় এসেছেন, এটা জানা যায় না। কাজেই যে ব্যক্তি দাবী করবে যে, তিনি এরপর আবার মদীনায় এসেছিলেন, তবে তার জন্য আবশ্যক হলো এই মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস নিয়ে আসা। আর এমন হাদীস নিয়ে আসার কোন উপায় নেই।”



[1] আত তাবারানী: ৮২৪১; নাসাঈ: ২/৩৮-৩৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ২৫৮২।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2582)، وانظر التعليق المتقدم.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وتقدم مختصراً برقم (1119).









সহীহ ইবনু হিব্বান (1124)


1124 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، [ص:407] عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ؟، قَالَ: «إِنْ شِئْتَ فَتَوَضَّأْ، وَإِنْ شِئْتَ فَلَا تَتَوَضَّأْ»، قَالَ: أَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ؟، قَالَ «نَعَمْ»، قَالَ: أُصَلِّي فِي مَبَارِكِ الْإِبِلِ؟، قَالَ: «لَا». [3: 65]
رقم طبعة با وزير = (1121)




জাবির বিন সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা কি মেষের গোশত খেয়ে ওযূ করবো?” তিনি জবাবে বলেন, “তুমি চাইলে ওযূ করো, আর চাইলে ওযূ করবে না।” সে আবারো প্রশ্ন করলো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা কি উটের গোশত খেয়ে ওযূ করবো?” তিনি জবাবে বলেন, “হ্যাঁ।” সে বললো, “আমি কি উট বসার জায়গায় সালাত আদায় করতে পারবো?” জবাবে তিনি বলেন, “না।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩১; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৯৮; সহীহ মুসলিম: ৩৬০; সুনান বাইহাকী: ১/১৫৮; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭০; তাবারানী: ১৮৬৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১১৮।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (118): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله رجال الصحيح خلا بشر بن معاذ العقدي وهو صدوق، أبو عوانة: هو الوضاح بن عبد الله اليشكري، وهو في صحيح ابن خزيمة برقم (31).









সহীহ ইবনু হিব্বান (1125)


1125 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: «أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَتَوَضَّأَ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ، وَلَا نَتَوَضَّأَ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ». [1: 100]
رقم طبعة با وزير = (1122)




জাবির বিন সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে উটের গোশত খেলে ওযূ করার নির্দেশ দিয়েছেন আর মেষের গোশত খেয়ে ওযূ না করার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৬-৪৭; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১০২; আত তাবারানী: ১৮৬৫; সহীহ মুসলিম: ৩৬০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১১৮।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح كسابقه.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1126)


1126 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا ثَوْرِ بْنَ عِكْرِمَةَ بْنِ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ الصَّلَاةِ فِي مَبَاتِ الْغَنَمِ، فَرَخَّصَ فِيهَا، وَسُئِلَ عَنِ الصَّلَاةِ فِي مَبَاتِ الْإِبِلِ فَنَهَى عَنْهَا، وَسُئِلَ عَنِ الْوُضُوءِ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ، فَقَالَ: «إِنْ شِئْتَ فَتَوَضَّأْ، وَإِنْ شِئْتَ فَلَا تَتَوَضَّأْ». [1: 100]
رقم طبعة با وزير = (1123) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَبُو ثَوْرِ بْنُ عِكْرِمَةَ بْنِ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ اسْمُهُ: جَعْفَرٌ، وَكُنْيَةُ أَبِيهِ: أَبُو ثَوْرٍ، فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي ثَوْرٍ هُوَ: أَبُو ثَوْرِ بْنُ عِكْرِمَةَ بْنِ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَوَى عَنْهُ عُثْمَانُ بْنُ [ص:409] عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، وَأَشْعَثُ بْنُ أَبِي الشَّعْثَاءِ، وَسِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، فَمَنْ لَمْ يُحْكِمْ صِنَاعَةَ الْحَدِيثِ تَوَهَّمَ أَنَّهُمَا رَجُلَانِ مَجْهُولَانِ، فَتَفَهَّمُوا رَحِمَكُمُ اللَّهُ كَيْلَا تُغَالِطُوا فِيهِ.




জাবির বিন সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়, মেষ রাত্রি যাপন করার জায়গায় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে, অতঃপর তিনি তাতে অনুমতি দেন। অতঃপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, উট রাত্রি যাপন করার জায়গায় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে, অতঃপর তিনি তা নিষেধ করেন। তারপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, মেষের গোশত খেয়ে ওযূ করা প্রসঙ্গে, জবাবে তিনি বলেন, “তুমি যদি চাও, তবে ওযূ করো, আর যদি তুমি চাও, তাহলে ওযূ করবে না।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ সাওর বিন ইকরামা বিন জাবির বিন সামুরাহর নাম জা‘ফার, তার বাবার উপনাম আবূ সাওর। সুতরাং জা‘ফার বিন আবূ সাওর হলেন আবূ সাওর বিন ইকরামা বিন জাবির বিন সামুরাহ, তার কাছ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাওহাব, আশ‘আশ বিন আবূ শা‘সা‘ এবং সিমাক বিন হারব। যে ব্যক্তি হাদীস বিষয়ে মজবুত ইলম অর্জন করেননি, তিনি কোন কোন সময়ে এই বিষয়ে সংশয়ে পড়ে যান যে, হয়তো তারা দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। কাজেই তোমরা এটা ভালভাবে বুঝে নাও। আল্লাহ তোমাদের প্রতি রহম করুন। যাতে তোমরা ভ্রান্তিতে নিপতিত না হও।”



[1] যাওয়ায়েদে মুসনাদ আহমাদ: ৫/১০০; তায়ালিসী: ১/৫৭; তাবারানী: ১৮৬৩; ইবনুল জারুদ: ২৫; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭০; সহীহ মুসলিম: ৩৬০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১১৮।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (1127)


1127 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: «أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَتَوَضَّأَ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ، وَلَا نَتَوَضَّأَ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ، وَأَنْ نُصَلِّيَ فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ، وَلَا نُصَلِّيَ فِي أَعْطَانِ الْإِبِلِ. [4: 1]
رقم طبعة با وزير = (1124)




জাবির বিন সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে উটের গোশত খেলে ওযূ করার নির্দেশ দিয়েছেন আর মেষের গোশত খেয়ে ওযূ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আমাদেরকে মেষ থাকার জায়গায় সালাত আদায় করতে অনুমতি দিয়েছেন আর উট থাকার জায়গায় সালাত না আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৬-৪৭; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১০২; আত তাবারানী: ১৮৬৫; সহীহ মুসলিম: ৩৬০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১১৮।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1128)


1128 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الثَّوْرِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّازِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ: أَنُصَلِّي فِي أَعْطَانِ الْإِبِلِ؟، قَالَ: «لَا»، قِيلَ: أَنُصَلِّي فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ؟، قَالَ: «نَعَمْ»، قِيلَ: أَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ؟، قَالَ: «نَعَمْ»، قِيلَ: أَنَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ؟، قَالَ: «لَا». [1: 110]
رقم طبعة با وزير = (1125) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي سُؤَالِ السَّائِلِ عَنِ الْوُضُوءِ [ص:411] مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ، وَعَنِ الصَّلَاةِ فِي أَعْطَانِهَا، وَتَفْرِيقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ الْجَوَابَيْنِ: أَرَى الْبَيَانَ أَنَّهُ أَرَادَ الْوُضُوءَ الْمَفْرُوضَ لِلصَّلَاةِ، دُونَ غَسْلِ الْيَدَيْنِ، وَلَوْ كَانَ ذَلِكَ غَسْلَ الْيَدَيْنِ مِنَ الْغَمْرِ لَاسْتَوَى فِيهِ لُحُومُ الْإِبِلِ وَالْغَنَمِ جَمِيعًا، وَقَدْ كَانَ تَرْكُ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ، وَبَقِيَ الْمُسْلِمُونَ عَلَيْهِ مُدَّةً، ثُمَّ نُسِخَ ذَلِكَ، وَبَقِيَ لُحُومُ الْإِبِلِ مُسْتَثْنًى مِنْ جُمْلَةِ مَا أُبِيحَ بَعْدَ الْحَظْرِ الَّذِي تَقَدَّمَ ذِكْرُنَا لَهُ.




বারা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, “আমরা কি উট থাকার জায়গায় সালাত আদায় করতে পারবো?” জবাবে তিনি বলেন, “না।” তাঁকে বলা হলো, “আমরা কি মেষ থাকার জায়গায় সালাত আদায় করতে পারবো?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” তাঁকে বলা হলো, “আমরা কি উটের গোশত খেয়ে ওযূ করবো?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” তাঁকে আবার বলা হলো, “আমরা কি মেষের গোশত খেয়ে ওযূ করবো?” জবাবে তিনি বলেন, “না।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “উটের গোশত খেয়ে ওযূ এবং উট থাকার জায়গায় সালাত আদায় করার ব্যাপারে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন করা এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উক্ত প্রশ্নের আলাদা আলাদা জবাব দানের মাঝে আমি মনে করি স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, তিনি এর দ্বারা সালাতের ন্যায় ওযূ করা বুঝিয়েছেন; শুধু দুই হাত ধোয়া বুঝাননি, যদি ওযূ করা দ্বারা শুধু দুই হাত ধোয়া উদ্দেশ্য হতো, তবে এক্ষেত্রে মেষ ও উটের গোশত খাওয়া সমান হয়ে যেতো। আগুনে পাকানো জিনিস খেলে ওযূ না করার বিধানের উপর মুসলিমগণ দীর্ঘ দিন ছিলেন তারপর সে বিধান রহিত করা হয়, উল্লেখিত নিষেধের পর যে ওযূ না করার বৈধতা দেওয়া হয়, সেই সামগ্রীক বৈধতার বিধান থেকে উটের গোশত খাওয়ার বিধানটি পৃথক করা হয়।”



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৫৯৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩০৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৬; ইবনু মাজাহ: ৪৯৪; আবূ দাঊদ: ১৮৪; তিরমিযী: ৮১; ইবনু জারুদ, আল মুনতাকা: ২৬; সহীহ ইবনু খুযামাহ: ৩২; আত তায়ালিসী: ৭৩৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৫৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৮।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (138)، «الإرواء» (118).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، عبد الله بن عبد الله الرازي: وثقه غير واحد من الأئمة، وقال النسائي: لا بأس به، روى له أصحاب السنن. وباقي رجال الإسناد على شرطهما.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1129)


1129 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَضَرٍ الْخَلْقَانِيُّ بِمَرْوَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى قِدْرٍ، فَانْتَشَلَ مِنْهَا عَظْمًا فَأَكَلَهُ، ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ». [4: 1]
رقم طبعة با وزير = (1126) [ص:413] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ: فَأَكَلَهُ، أَرَادَ بِهِ: اللَّحْمَ الَّذِي عَلَى الْعَظْمِ لَا الْعَظْمَ نَفْسَهُ




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার এক হাড়ির পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন অতঃপর তিনি সেখান থেকে একটি হাড্ডি উঠিয়ে নেন অতঃপর তিনি তা খান, তারপর তিনি সালাত আদায় করেন কিন্তু তিনি ওযূ করেননি।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য “অতঃপর তিনি তা খান” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো হাড়ের উপর যে মাংস আছে, তা খান; খোদ হাড্ডি খাননি।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/২৫৪; সহীহ বুখারী: ৫৪০৫; তাবারানী: ১১৫০৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৭; ইবনু জারুদ: ২২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৯; তাহাবী: ১/৬৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৩৭; আবূ দাউদ: ১৯০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৮৪।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (184): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله رجال الشيخين غير داود بن أبي هند، فمن رجال مسلم، وعكرمة من رجال البخاري.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1130)


1130 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: قُرِّبَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خُبْزٌ وَلَحْمٌ، فَأَكَلَهُ وَدَعَا بِوَضُوءٍ، ثُمَّ صَلَّى الظُّهْرَ، ثُمَّ دَعَا بِفَضْلِ طَعَامِهِ فَأَكَلَ، ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ وَلَمْ يَتَوَضَّأْ
رقم طبعة با وزير = (1127)

1130 - ثُمَّ دَخَلْتُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ، فَقَالَ: «هَلْ مِنْ شَيْءٍ؟ » فَلَمْ يَجِدُوا، فَقَالَ: «أَيْنَ شَاتُكُمُ الْوَالِدُ؟ » فَأَمَرَنِي بِهَا، فَاعْتَقَلْتُهَا فَحَلَبْتُ لَهُ، ثُمَّ صَنَعَ لَنَا طَعَامًا فَأَكَلْنَا، ثُمَّ صَلَّى قَبْلَ أَنْ يَتَوَضَّأَ
رقم طبعة با وزير = (1127)

1130 - ثُمَّ دَخَلْتُ مَعَ عُمَرَ، فَوَضَعْتُ جَفْنَةً فِيهَا خُبْزٌ وَلَحْمٌ، فَأَكَلْنَا، ثُمَّ صَلَّيْنَا قَبْلَ أَنْ نَتَوَضَّأَ. [4: 1] [ص:414] قَالَ: وَحَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ ... مِثْلَهُ.
رقم طبعة با وزير = (1127)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে রুটি ও গোশত পেশ করা হলো, অতঃপর তিনি খেলেন এবং ওযূর পানি আনতে বললেন তারপর তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন তারপর তিনি অবশিষ্ট খাবার আনতে বললেন অতঃপর তা খেলেন তারপর আসরের সালাত আদায় করলেন কিন্তু ওযূ করলেন না। তারপর আমি আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সেখানে গমন করলে, তিনি বলেন, “কোন খাবার আছে কি?” অতঃপর তারা কোন খাবার পেলেন না। তখন তিনি বললেন, “তোমাদের বাচ্চাপ্রসবকারী মেষটি কোথায়?” তিনি আমাকে সেটা নিয়ে আসতে বললেন। ফলে আমি মেষটি ধরি অতঃপর তার দুধ দোহন করি। তারপর তিনি আমাদের জন্য খাবার প্রস্তুত করেন অতঃপর খাওয়া দাওয়া করি। তারপর তিনি (নতুন) ওযূ করার আগেই সালাত আদায় করেন। তারপর আমি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সেখানে গমন করি এবং আমি তাঁর জন্য রুটি ও গোশত সহ একটি গামলা নিয়ে আসি। অতঃপর আমরা তা খাই তারপর আমরা ওযূ করার করার আগেই সালাত আদায় করি।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ইবনুল মুনকাদিরের সূত্রে জাবির থেকে আমাদেরকে মা‘মারও অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩২২; আবূ দাঊদ: ১৯১; সুনান বাইহাকী: ১/১৫৬; তিরমিযী: ৮০; ইবনু মাজাহ: ৪৯০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৭; আবূ দাঊদ আত তায়ালিসী: ১৬৭; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৬৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৪৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৮৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (186).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1131)


1131 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكَلَ مِنْ كَتِفٍ أَوْ قَالَ: «تَعَرَّقَ مِنْ ضِلَعٍ» ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ. [5: 20]
رقم طبعة با وزير = (1128)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার কাঁধের গোশত –অথবা পাজরের হাড়ের গোশত- খান, তারপর তিনি সালাত আদায় করেন কিন্তু তিনি ওযূ করেননি।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৭; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৭২; সহীহ মুসলিম: ৩৫৯; তাহাবী: ১/৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৫৪; সহীহ বুখারী: ৫৪০৫; তাবারানী: ১১৫০৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৪৭; ইবনু জারুদ: ২২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৯; তাহাবী: ১/৬৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৩৭; আবূ দাউদ: ১৯০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৮৪।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (1126). تنبيه!! رقم (1126) = (1129) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، على شرطهما، أبو خيثمة: هو زهير بن حرب، وأيوب: هو ابن أبي تميمة السختياني.