হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (2852)


2852 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: [ص:95] حَدَّثَنِي ثَعْلَبَةُ بْنُ عَبَّادٍ الْعَبْدِيُّ، أَنَّهُ شَهِدَ خِطْبَةَ يَوْمًا لِسَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، فَذَكَرَ فِي خُطْبَتِهِ حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ سَمُرَةُ: بَيْنَا أَنَا يَوْمًا وَغُلَامٌ مِنَ الْأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضًا لَنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ قَدْرَ رُمْحَيْنِ - أَوْ ثَلَاثَةٍ - فِي عَيْنِ النَّاظِرِ مِنَ الْأُفُقِ اسْوَدَّتْ، فَقَالَ أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ: انْطَلَقَ بِنَا إِلَى الْمَسْجِدِ فَوَاللَّهِ لَتُحْدِثَنَّ هَذِهِ الشَّمْسُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِي أُمَّتِهِ، حَدِيثًا قَالَ: فَدَفَعْنَا إِلَى الْمَسْجِدِ، فَوَافَقْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِذَا هُوَ بَارَزٌ حِينَ خَرَجَ إِلَى النَّاسِ قَالَ: «فَتَقَدَّمَ، فَصَلَّى بِنَا كَأَطْوَلِ مَا قَامَ بِنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ لَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ سَجَدَ كَأَطْوَلِ مَا سَجَدْنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ لَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ قَعَدَ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ مِثْلَ ذَلِكَ» قَالَ: فَوَافَقَ تَجَلِّي الشَّمْسُ جُلُوسَهُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ، فَسَلَّمَ «
رقم طبعة با وزير = (2841)




সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় আমি এবং আনসারী কিছু বালক আমরা আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে তীর নিক্ষেপ করছিলাম। দর্শকের চোখে সূর্য যখন পূর্ব দিগন্তে দুই বা তিন বর্শা পরিমাণ উঁচুতে উঠে, তখন তা কালো হয়ে যায়। তখন আমাদের একজন তার সঙ্গীকে বলেন, “চলো, আমরা মাসজিদে যাই। আল্লাহর কসম, অবশ্যই এই সূর্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কোন নতুন হুকম নিয়ে আসবে।” রাবী বলেন, “তারপর আমরা মাসজিদে যাই। আমরা দেখতে পাই যে, তিনি সাহাবীদের কাছে তাশরীফ এনেছেন। অতঃপর তিনি সামনে অগ্রসর হন এবং সবচেয়ে দীর্ঘ সালাত আদায় করেন, আমাদের নিয়ে তিনি এতো দীর্ঘ সালাত আর কখনই আদায় করেননি। আমরা তাঁর আওয়াজ শুনতে পারছিলাম না। তারপর তিনি দীর্ঘ সাজদা করেন, আমাদের নিয়ে তিনি এতো দীর্ঘ সাজদা আর কখনই করেননি। আমরা তাঁর আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম না। তারপর তিনি অনুরুপভাবে দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসেন। অতঃপর দ্বিতীয় রাকআতে তাঁর বসার সময় সূর্য প্রকাশিত হয়। তারপর তিনি সালাম ফেরান।”[1]



[1] হাকিম: ১/৩২৯-৩৩১; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৩৯; নাসাঈ: ৩/১৪০-১৪১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২/৩২৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (মিশকাত: ১৪৯০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (216)، «الإرواء» (662).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2853)


2853 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: خَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالنَّاسُ مَعَهُ، فَقَامَ طَوِيلًا نَحْوًا مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا، ثُمَّ رَفَعَ فَقَامَ طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوْلِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوْلِ، ثُمَّ سَجَدَ، ثُمَّ قَامَ قِيَامًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوْلِ، وَرَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوْلِ، ثُمَّ سَجَدَ، ثُمَّ انْصَرَفَ وَقَدْ تَجَلَّتِ الشَّمْسُ، فَقَالَ: «إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ، لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ» فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ رَأَيْنَاكَ تَنَاوَلْتَ شَيْئًا فِي مَقَامِكَ [ص:97] هَذَا، ثُمَّ رَأَيْنَاكَ تَكَعْكَعْتَ، فَقَالَ: «إِنِّي رَأَيْتَ الْجَنَّةَ - أَوْ أُرِيتُ الْجَنَّةَ -، فَتَنَاوَلْتُ مِنْهَا عُنْقُودًا، وَلَوْ أَخَذْتُهُ لَأَكَلْتُمْ مِنْهُ مَا بَقِيَتِ الدُّنْيَا، وَرَأَيْتُ النَّارَ فَلَمْ أَرَ كَالْيَوْمِ مَنْظَرًا قَطُّ، وَرَأَيْتُ أَكْثَرَ أَهْلِهَا النِّسَاءَ» قَالُوا: بِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «بِكُفْرِهِنَّ» قِيلَ: يَكْفُرْنَ بِاللَّهِ؟ قَالَ: «يَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ، وَيَكْفُرْنَ الْإِحْسَانَ، لَوْ أَحْسَنْتَ إِلَى إِحْدَاهُنَّ الدَّهْرَ، ثُمَّ رَأَتْ مِنْكَ شَيْئًا قَالَتْ: وَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ مِنْكَ خَيْرًا قَطُّ»
رقم طبعة با وزير = (2842)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় সূর্য গ্রহণ লাগে। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি সূরা বাকারার ন্যায় দীর্ঘ কিয়াম করেন। তারপর তিনি দীর্ঘ রুকূ‘ করেন। তারপর তিনি রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করেন। তারপর দীর্ঘ কিয়াম করেন। তবে সেটা প্রথম কিয়াম অপেক্ষা কম। তারপর তিনি দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, তবে সেটা প্রথম রুকূ‘ অপেক্ষা কম। তারপর তিনি সাজদা করেন। তারপর তিনি দীর্ঘ কিয়াম করেন, তবে সেটা প্রথম কিয়াম অপেক্ষা কম। তারপর দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, তবে সেটা প্রথম রুকূ‘ অপেক্ষা কম। তারপর রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করেন। অতঃপর দীর্ঘ কিয়াম করেন, তবে সেটা প্রথম কিয়াম অপেক্ষা কম। তারপর দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, তবে সেটা প্রথম রুকূ‘ অপেক্ষা কম। তারপর সাজদা করেন। তারপর সালাত শেষ করেন এমন অবস্থায় যে সূর্য পরিস্ফুট হয়ে গেছে। তখন তিনি বলেন, নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহ হতে দুটি নিদর্শন, এগুলি কারো জীবিত থাকা বা মৃত্যুবরণ করার কারণে গ্রহণ লাগে না। কাজেই যেখন তোমরা আল্লাহর যিকির করো।” সাহাবীগণ বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমরা আপনাকে দেখেছি যে, আপনি আপনার এই জায়গা থেকে কিছু গ্রহণ করছেন তারপর আমরা দেখি যে, আপনি পিছু সরে আসছেন!” জবাবে তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই আমি জান্নাত দেখেছি। অথবা (রাবীর সন্দেহ তিনি বলেছেন) আমাকে জান্নাত দেখানো হয়েছে- অতঃপর আমি সেখান থেকে একটি থোকা (ফল) নিতে চাই। যদি আমি তা গ্রহণ করতাম, তবে দুনিয়া যতদিন বাকী থাকতো, ততদিন তোমরা তা খেতে পারতে। আর আমি জাহান্নামের আগুন দেখেছি। আমি আজকের মতো দৃশ্য আর কখনই দেখিনি। আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারী!” সাহাবীগণ আরজ করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এর কারণ কী?” তিনি জবাবে বলেন, “তাদের কুফরীর কারণে।” তাঁকে বলা হলো, “তারা কি আল্লাহর সাথে কুফরী করে?” তিনি বলেন, “তারা স্বামীর নাফরমানী করে। তারা অনুগ্রহের অকৃতজ্ঞতা করে। যদি তাদের কারো প্রতি যুগ যুগ ধরে উত্তম আচরণ করো, অতঃপর সে যদি তোমার মাঝে (মন্দ) কিছু দেখতে পায়, তবে বলবে, “আমি তোমার মাঝে কখনোই কোন ভালো কিছু দেখিনি!”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৮৬-১৮৭; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৯৮; সহীহুল বুখারী: ১০৫২; সহীহ মুসলিম: ৯০৭; নাসাঈ: ৩/১৪৬-১৪৮; বাগাবী: ১১৪০; আবূ দাঊদ: ১১৮৯; দারেমী: ১/৩৬০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৭৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (2821). تنبيه!! رقم (2821) = (2832) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2854)


2854 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كُنَّا نَرَى الْآيَاتِ فِي زَمَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَرَكَاتٍ، وَأَنْتُمْ تَرَوْنَهَا تَخْوِيفًا»
رقم طبعة با وزير = (2843) [ص:98] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «خَبَرُ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، صَلَّى فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ وَأَرْبَعَ سَجَدَاتٍ، لَيْسَ بِصَحِيحٍ لِأَنَّ حَبِيبًا لَمْ يَسْمَعْ مِنْ طَاوُسٍ هَذَا الْخَبَرَ، [ص:99] وَكَذَلِكَ خَبَرُ عَلِيٍّ رِضْوَانُ اللَّهُ عَلَيْهِ، أَنَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، صَلَّى فِي صَلَاةِ الْكُسُوفِ هَذَا النَّحْوَ، لَأَنَا لَا نَحْتَجَّ بِحَنَشٍ وَأَمْثَالِهِ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ، وَكَذَلِكَ أَغْضَيْنَا عَنْ إِمْلَائِهِ»




আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়কালে নিদর্শনগুলোকে বরকত মনে করতাম আর তোমরা সেগুলোকে ভীতিকর মনে করো।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “তাউসের সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাবীব বিন আবূ সাবিতের হাদীস হলো নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য গ্রহণের সালাত আট রুকূ‘ ও চার সাজদা করে সালাত আদায় করেছেন। এটি সহীহ নয়। কেননা হাবীব তাউস রহিমাহুল্লাহ থেকে এই হাদীসটি শ্রবণ করেননি। এরকম সূর্য গ্রহণের সালাতের বিষয়ে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসটিও সঠিক নয়। কেননা আমরা জানাশ এবং তার মতো আহলুল ইলম থেকে যেমন দলীল গ্রহণ করি না, অনুরুপভাবে তার হাদীস আমরা লিপিবদ্ধ করা থেকেও বিরত থাকি।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৯৬; সহীহুল বুখারী: ৩৫৭৯; দারেমী: ১/১৪-১৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৮৪৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ (3579).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2855)


2855 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنِ أَسْمَاءَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «يَأْمُرُ بِالْعَتَاقَةِ فِي صَلَاةِ الْكُسُوفِ»
رقم طبعة با وزير = (2844)




আসমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য গ্রহণের সালাতের সময় দাস ‍মুক্ত করার নির্দেশ দিতেন।”[1]



[1] আবূ দাঊদ: ১১৯২; হাকিম: ১/৩৩১; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৪৫; সহীহুল বুখারী: ২৫১৯; বাগাবী: ১১৪৭; দারেমী: ১/৩৬০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৭৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1078): خ.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2856)


2856 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلْفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، قَالَ: قَامَ يَوْمًا خَطِيبًا فَذَكَرَ فِي خُطْبَتِهِ، حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ سَمُرَةُ: بَيْنَا أَنَا وَغُلَامٌ مِنَ الْأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضًا لَنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى إِذَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَكَانَتْ فِي عَيْنِ النَّاظِرِ قِيدَ رُمْحٍ أَوْ رُمْحَيْنِ اسْوَدَّتْ، فَقَالَ أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ: انْطَلَقَ بِنَا إِلَى مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَاللَّهِ لَتُحْدِثَنَّ هَذِهِ الشَّمْسُ الْيَوْمَ لِرَسُولِ اللَّهِ فِي أُمَّتِهِ حَدِيثًا، قَالَ: فَدَفَعْنَا إِلَى الْمَسْجِدِ، فَوَافَقْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حِينَ خَرَجَ فَاسْتَقَامَ فَصَلَّى فَقَامَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا قَامَ فِي صَلَاةٍ قَطُّ، لَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ قَامَ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ بِالرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ، ثُمَّ جَلَسَ فَوَافَقَ جُلُوسَهُ تَجَلِّي الشَّمْسِ، فَسَلَّمَ وَانْصَرَفَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَشَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّهُ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ، ثُمَّ قَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ رَسُولٌ أُذَكِّرُكُمْ بِاللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ أَنِّي قَصَّرْتُ عَنْ شَيْءٍ بِتَبْلِيغِ رِسَالَاتِ رَبِّي [ص:102] لَمَّا أَخْبَرْتُمُونِي»، فَقَالَ النَّاسُ: نَشْهَدُ أَنَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ رِسَالَاتِ رَبِّكِ، وَنَصَحْتَ لِأُمَّتِكَ، وَقَضَيْتَ الَّذِي عَلَيْكَ، ثُمَّ قَالَ: «أَمَا بَعْدُ فَإِنَّ رِجَالًا يَزْعُمُونَ أَنَّ كُسُوفَ هَذِهِ الشَّمْسِ، وَكُسُوفَ هَذَا الْقَمَرِ، وَزَوَالِ هَذِهِ النُّجُومِ عَنْ مَطَالِعِهَا لِمَوْتِ رِجَالٍ عُظَمَاءَ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ، وَإِنَّهُمْ كَذَبُوا، وَلَكِنَّهَا آيَاتُ اللَّهِ يَعْتَبِرُ بِهَا عِبَادُهُ لَيَنْظُرَ مَنْ يُحَدِّثُ مِنْهُمْ تَوْبَةً، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَقَدْ رَأَيْتُ مَا أَنْتُمْ لَاقُونَ فِي أَمْرِ دُنْيَاكُمْ، وَأَخِرَتِكُمْ مُذْ قُمْتُ أُصَلِّي، وَإِنَّهُ وَاللَّهِ مَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَخْرُجَ ثَلَاثُونَ كَذَّابًا أَحَدُهُمُ الْأَعْوَرُ الدَّجَّالُ مَمْسُوحُ عَيْنِ الْيُسْرَى، كَأَنَّهَا عَيْنُ أَبِي تِحْيَى شَيْخٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، بَيْنَهُ وَبَيْنَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ خَشَبَةٌ، وَإِنَّهُ مَتَى يَخْرُجُ، فَإِنَّهُ سَوْفَ يَزْعُمُ أَنَّهُ اللَّهُ، فَمَنْ آمَنَ بِهِ وَصَدَّقَهُ، وَاتَّبَعَهُ، فَلَيْسَ يَنْفَعُهُ عَمِلٌ صَالِحٌ مِنْ عَمِلٍ سَلَفَ، وَإِنَّهُ سَيَظْهَرُ عَلَى الْأَرْضِ كُلِّهَا غَيْرَ الْحَرَمِ، وَبَيْتِ الْمَقْدِسِ، وَإِنَّهُ يَسُوقُ الْمُسْلِمِينَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ، فَيُحَاصَرُونَ حِصَارًا شَدِيدًا». قَالَ الْأَسْوَدُ: «وَظَنِّي أَنَّهُ قَدْ حَدَّثَنِي، أَنَّ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ يَصِيحُ فِيهِ، [ص:103] فَيَهْزِمُهُ اللَّهُ وَجُنُودَهُ، حَتَّى إِنَّ أَصْلَ الْحَائِطِ، أَوْ جِذْمَ الشَّجَرَةِ لَيُنَادِي: يَا مُؤْمِنُ هَذَا كَافِرٌ، مُسْتَتِرٌ بِي، تَعَالَ فَاقْتُلْهُ، وَلَنْ يَكُونَ ذَلِكَ كَذَلِكَ حَتَّى تَرَوْا أُمُورًا عِظَامًا يَتَفَاقَمُ شَأْنُهَا فِي أَنْفُسِكُمْ، وَتَسَاءَلُونَ بَيْنَكُمْ: هَلْ كَانَ نَبِيِّكُمْ ذِكْرُ لَكُمْ مِنْهَا ذِكْرًا، وَحَتَّى تَزُولَ جِبَالٌ عَنْ مَرَاتِبِهَا، قَالَ: ثُمَّ عَلَى إِثْرِ ذَلِكَ الْقَبْضُ، ثُمَّ قَبَضَ أَطْرَافَ أَصَابِعِهِ، ثُمَّ قَالَ مَرَّةً أُخْرَى: وَقَدْ حَفِظْتُ مَا قَالَ، فَذَكَرَ هَذَا فَمَا قَدَّمَ كَلِمَةً عَنْ مَنْزِلِهَا وَلَا أَخَّرَ أُخْرَى»
رقم طبعة با وزير = (2845)




সামুরাহ বিন জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি একদিন ভাষন দেওয়ার উদ্দেশ্যে দাঁড়ান। অতঃপর তিনি খুতবায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় আমি এবং আনসারী কিছু বালক আমরা আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে তীর নিক্ষেপ করছিলাম। দর্শকের চোখে যখন তা দুই বা তিন বর্শা পরিমাণ উঁচুতে উঠে, তখন তা কালো হয়ে যায়। তখন আমাদের একজন তার সঙ্গীকে বলেন, “চলো, আমরা মাসজিদে যাই। আল্লাহর কসম, অবশ্যই এই সূর্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কোন নতুন হুকম নিয়ে আসবে।” রাবী বলেন, “তারপর আমরা মাসজিদে যাই। আমরা দেখতে পাই যে, তিনি সাহাবীদের কাছে তাশরীফ এনেছেন। অতঃপর তিনি সোজাভাবে দাঁড়ান এবং সালাত আদায় করেন। তিনি আমাদের নিয়ে সবচেয়ে দীর্ঘ সালাত আদায় করেন, আমাদের নিয়ে তিনি এতো দীর্ঘ সালাত আর কখনই আদায় করেননি। আমরা তাঁর আওয়াজ শুনতে পারছিলাম না। তারপর তিনি দাঁড়ান অতঃপর তিনি দ্বিতীয় রাকা‘আতে অনুরুপভাবে সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি বসেন। তাঁর বসার সময় সূর্য প্রকাশিত হয়। তারপর তিনি সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করেন। তারপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা, গুণ-কীর্তন করেন এবং সাক্ষ্য দেন যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই এবং তিনি আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। তারপর তিনি বলেন, “হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আমি একজন মানুষ এবং রাসূল। আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছি, যদি তোমরা জানো যে, আমি আমার প্রভুর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে কোন ত্রুটি করেছি, তবে অবশ্যই তোমরা আমাকে তা জানাবে।” তখন লোকজন বলেন, “আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আপনি আপনার প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, আপনার উম্মতের কল্যাণ কামনা করেছেন এবং আপনার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন।” অতঃপর তিনি বলেন, “আম্মা বা‘দ। নিশ্চয়ই কিছু লোক মনে করে যে, চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ এবং নক্ষত্রসমূহ তাদের উদয়স্থল থেকে অপসারিত হওয়া পৃথিবীর কিছু মহান ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে হয়ে থাকে। নিশ্চয়ই এ লোকগুলো মিথ্যা কথা বলেছে। বস্তুত এসব হলো আল্লাহর নিদর্শনাবলী। আল্লাহর বান্দাগণ এসবের মাধ্যমে উপদেশ গ্রহণ করে। তিনি দেখতে চান যে, তাদের মাঝে কে নতুন করে তাওবা করে। আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই যখন থেকে সালাত আদায় করেছি, তখন থেকে আমি দেখেছি সেসব জিনিস, দুনিয়া ও আখেরাতের যেসব জিনিসের তোমরা মুখোমুখী হবে। আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই ততক্ষন পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না, যতক্ষন না ত্রিশজন চরম মিথ্যুক ব্যক্তির আবির্ভাব হবে। তাদের একজন কানা দাজ্জাল। তার বাম চোখ মুছানো। তার চোখ আনসারী গোত্রের বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি আবূ তিহইয়ার চোখের মতো। তার ও আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হুজরার মাঝে একটি কাঠ রয়েছে। সেই দাজ্জালের যখন আবির্ভাব হবে, সে নিজেকে আল্লাহ মনে করবে। যে ব্যক্তি তাকে বিশ্বাস করবে, তাকে সত্যায়ন করবে, তার অনুসরণ করবে, তার পূর্বের কোন ভাল আমল কোন কাজে আসবে না। সে মক্কার হারাম ও বাইতুল মাকদিস ব্যতীত সারা পৃথিবীতে বিচরণ করবে। সে মুসলিমদেরকে বাইতুল মাকদিসের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। অতঃপর তাদেরকে কঠিন অবরোধ করা হবে।” [1] আসওয়াদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমার ধারণা এটাও হাদীসে রয়েছে যে, ঈসা বিন মারইয়াম আলাইহিস সালামের এই সময়ে আবির্ভাব হবে। অতঃপর মহান আল্লাহ দাজ্জাল ও তার বাহিনীকে পরাস্ত করবেন। এসময় দেয়ালের ভিত্তি এবং গাছের মূল আহবান করবে, “হে মুমিন ব্যক্তি, এখানে কাফের ব্যক্তি আমার কাছে লুকিয়ে আছে। আসো এবং একে হত্যা করো।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এমনটা ততক্ষন পর্যন্ত হবে না, যতক্ষন না তোমরা বড় বড় কিছু না প্রত্যক্ষ করেছো। সেগুলো তোমাদের কাছে খুবই গুরুতর মনে হবে। তোমরা পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে, “তোমাদের নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এব্যাপারে কোন কিছু আলোচনা করেছেন?” এবং এমনটা ততক্ষন পর্যন্ত হবে না, যতক্ষন না পর্বতসমূহ নিজের স্থানচ্যুত হবে।” তিনি বলেন, “তারপর ‍মুমিনদের রূহ কবজ করা হবে।” তারপর বর্ণনাকারী আঙ্গুলের পার্শ্বসমূহ ধারণ করে পুণরায় বলেন, “তিনি যা বলেছেন, তা আমি মুখস্থ করেছি। তারপর তিনি এই হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি এর একটি শব্দও আগ-পিছ করেননি।”



[1] হাকিম: ১/৩২৯-৩৩১; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৩৯; নাসাঈ: ৩/১৪০-১৪১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২/৩২৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (মিশকাত: ১৪৯০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - انظر (2841). تنبيه!! رقم (2841) = (2852) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لجهالة ثعلبة









সহীহ ইবনু হিব্বান (2857)


2857 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلَكَتِ الْمَوَاشِي، وَتَقَطَّعَتِ السُّبُلُ، فَادْعُ اللَّهَ، فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَمُطِرْنَا مِنَ الْجُمُعَةِ إِلَى الْجُمُعَةِ، قَالَ: فَجَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تَهَدَّمَتِ الْبُيُوتُ، وَهَلَكَتِ الْمَوَاشِي، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ عَلَى رُءُوسِ الْجِبَالِ، وَالْآكَامِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ» قَالَ: فَانْجَابَتْ عَنِ الْمَدِينَةِ انْجِيَابَ الثَّوْبِ
رقم طبعة با وزير = (2846)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, গবাদি পশুগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, রাস্তা-ঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, অতএব আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু‘আ করেন। আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর সেই জুমু‘আহ থেকে পরের জুমু‘আহ পর্যন্ত আমাদের বৃষ্টি দেওয়া হয়।” আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাড়ি-ঘর সব ধ্বসে গেলো, গবাদি পশুগুলো ধ্বংস হয়ে গেলো!” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে বলেন, “ “হে আল্লাহ, টিলা, পর্বত, উপত্যকা, বৃক্ষ উৎপাদনের জায়গায় বৃষ্টি বর্ষন করুন।” রাবী বলেন, “অতঃপর মদীনার আকাশ কাপড়ের মতো পরিস্কার হয়ে যায়।”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৯১; সহীহ বুখারী: ১০১৬; সহীহ মুসলিম: ৮৯৭; আবূ দাঊদ: ১১৭৫; নাসাঈ: ৩/১৬১; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩২২; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৫৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১১৬৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৬৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1066)، «الإرواء» (2/ 144 / 416): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2858)


2858 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، وَعُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَامَ إِلَيْهِ النَّاسُ فَصَاحُوا فَقَالُوا: يَا نَبِيَّ اللَّهِ قَحِطَ الْمَطَرُ، وَاحْمَرَّ الشَّجَرُ، وَهَلَكَتِ الْبَهَائِمُ، فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يَسْقِيَنَا، [ص:106] فَقَالَ: «اللَّهُمَّ اسْقِنَا» قَالَ: وَايْمُ اللَّهِ مَا نَرَى فِي السَّمَاءِ قَزَعَةً مِنْ سَحَابٍ، قَالَ: فَنَشَأَتْ سَحَابَةٌ، فَانْتَشَرَتْ، ثُمَّ إِنَّهَا مَطَرَتْ، فَنَزَلَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَلَّى، وَانْصَرَفَ فَلَمْ تَزَلْ تُمْطِرُ إِلَى الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى، فَلَمَّا قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَخْطُبُ، صَاحُوا وَقَالُوا: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، تَهَدَّمَتِ الْبُيُوتُ، وَانْقَطَعَتِ السُّبُلُ، فَادْعُ اللَّهَ يَحْبِسْهَا عَنَّا، قَالَ: فَتَبَسَّمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ: «اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا، وَلَا عَلَيْنَا» قَالَ: فَتَقَشَّعَتْ عَنِ الْمَدِينَةِ فَجَعَلَتْ تُمْطِرُ حَوْلَهَا، وَمَا تَقْطُرُ بِالْمَدِينَةِ قَطْرَةً، قَالَ: فَنَظَرْتُ إِلَى الْمَدِينَةِ، وَإِنَّهَا لَفِي مِثْلِ الْإِكْلِيلِ
رقم طبعة با وزير = (2847)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমু‘আর খুতবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় লোকজন দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলেন, “হে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অনাবৃষ্টি শুরু হয়েছে, গাছ-পালা লাল হয়ে গেছে আর গবাদি পশুগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, অতএব আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাদেরকে পানি দান করেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, اللَّهُمَّ اسْقِنَا (হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে পানি দান করুন।” আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমরা আকাশে এক টুকরো মেঘও দেখছিলাম না। অতঃপর আকাশে মেঘ সৃষ্টি হয়। তারপর তা পানি বর্ষন করে। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বার থেকে অবতরণ করেন এবং সালাত আদায় করেন অতঃপর চলে যান। তারপর সেই জুমু‘আহ থেকে পরের জুমু‘আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে থাকে।” আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরের জুমু‘আর খুতবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় লোকজন দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলেন, “হে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাড়ি-ঘর সব ধ্বসে গেছে, রাস্তা-ঘাটগুলো ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে গেছে! অতএব আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন তিনি এই বৃষ্টি বন্ধ করেন।” আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুঁচকি হাসেন এবং বলেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا (হে আল্লাহ, আমাদের আশে-পাশে বৃষ্টি দিন; আমাদের উপর নয়)।” রাবী বলেন, “অতঃপর মদীনা থেকে বৃষ্টি সরে যায় এবং মদীনার আশ-পাশে বর্ষন হতে থাকে। মদীনায় এক ফোঁটা পানিও আর বর্ষন হয়নি।” রাবী বলেন, “অতঃপর মদীনার দিকে তাকিয়ে দেখেছি সেটা মুকুটের মতো (পরিষ্কার) ছিল।”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৯১; সহীহ বুখারী: ১০১৬; সহীহ মুসলিম: ৮৯৭; আবূ দাঊদ: ১১৭৫; নাসাঈ: ৩/১৬১; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩২২; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৫৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১১৬৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৬৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1065): خ، م مختصراً.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2859)


2859 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْمَقَابِرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَحِطَ الْمَطَرُ عَامًا، فَقَامَ بَعْضُ الْمُسْلِمِينَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ قَحِطَ الْمَطَرُ، وَأَجْدَبَتِ الْأَرْضُ، وَهَلَكَ الْمَالُ، قَالَ: فَرَفَعَ يَدَيْهِ، وَمَا نَرَى فِي السَّمَاءِ سَحَابَةً، فَمَدَّ يَدَيْهِ حَتَّى رَأَيْتُ بَيَاضَ إِبْطَيْهِ، يَسْتَسْقِي اللَّهَ، فَمَا صَلَّيْنَا الْجُمُعَةَ حَتَّى أَهَمَّ الشَّابَّ الْقَرِيبَ الدَّارِ الرُّجُوعُ إِلَى أَهْلِهِ، فَدَامَتْ جُمُعَةً، فَلَمَّا كَانَتِ الْجُمُعَةُ الَّتِي تَلِيهَا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تَهَدَّمَتِ الْبُيُوتُ، وَاحْتَبَسَ الرُّكْبَانُ، قَالَ: فَتَبَسَّمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لِسُرْعَةِ مَلَالَةِ ابْنِ آدَمَ وَقَالَ بِيَدَيْهِ: «اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا، وَلَا عَلَيْنَا» قَالَ: فَتَكَشَّفَتْ عَنِ الْمَدِينَةِ
رقم طبعة با وزير = (2848)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক বছর অনাবৃষ্টি হয়। তখন কিছু লোক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অনাবৃষ্টি শুরু হয়েছে, জমিন অনুর্বর হয়ে গেছে, সহায়-সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে!” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি দুই হাত উঠান। এসময় আমরা আকাশে কোন মেঘ দেখছিলাম না। তিনি তাঁর দুই হাত এমনভাবে প্রসারিত করলেন যে, আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি আল্লাহর কাছে পানি প্রার্থনা করেন। অতঃপর আমরা জুমু‘আর সালাত শেষ করতে না করতেই (বৃষ্টিপাত শুরু হয়) এমনকি ‘বাড়ি নিকটে এমন যুবককে’ বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত করে তোলে! তারপর পুরো এক সপ্তাহ বৃষ্টি হয়। অতঃপর যখন পরের জুমু‘আহ আসে, তখন এক ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাড়ি-ঘরগুলো ধ্বসে গেলো, (ব্যবসায়িক) কাফেলাগুলো স্থবির হয়ে গেছে!” রাবী বলেন, “তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদম সন্তানের এতো তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হওয়া দেখে মুঁচকি হাসেন। তিনি দুই হাত দিয়ে আকাশে ইশারা করে বলেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا (হে আল্লাহ, আমাদের আশে-পাশে বৃষ্টি দিন; আমাদের উপর নয়)।” রাবী বলেন, “অতঃপর মদীনা পরিস্কার হয়ে যায়।”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৯১; সহীহ বুখারী: ১০১৫; সহীহ মুসলিম: ৮৯৭; আবূ দাঊদ: ১১৭৪; নাসাঈ: ৩/১৬৫-১৬৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩২২; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৫৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১১৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ২/১৪৪-১৪৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (2/ 144 - 145)، «التعليق على صحيح ابن خزيمة» (1789).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2860)


2860 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ زُهَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا طَاهِرُ بْنُ خَالِدِ بْنِ نِزَارٍ الْأَيْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَبْرُورٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ الْأَيْلِيِّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: شَكَا النَّاسُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَحْطَ الْمَطَرُ، فَأَمَرَ بِالْمِنْبَرِ، فَوُضِعَ لَهُ فِي الْمُصَلَّى، وَوَعَدَ النَّاسَ يَوْمًا يَخْرُجُونَ فِيهِ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حِينَ بَدَا حَاجِبُ الشَّمْسِ، فَقَعَدَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَيْ عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّكُمْ شَكَوْتُمْ جَدْبَ جِنَانِكُمْ، وَاحْتِبَاسَ الْمَطَرِ عَنْ إِبَّانِ زَمَانِهِ عَنْكُمْ، وَقَدْ أَمَرَكُمُ اللَّهُ أَنْ تَدَعُوهُ، وَوَعَدَكُمْ أَنْ يَسْتَجِيبَ لَكُمْ» ثُمَّ قَالَ: «{الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ}، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، تَفْعَلُ مَا تُرِيدُ، اللَّهُمَّ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، الْغَنِيُّ وَنَحْنُ الْفُقَرَاءُ، أَنْزِلْ عَلَيْنَا الْغَيْثَ، وَاجْعَلْ مَا أَنْزَلْتَ لَنَا قُوَّةً، وَبَلَاغًا إِلَى خَيْرٍ»، ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى رَأَيْنَا بَيَاضَ إِبْطَيْهِ، ثُمَّ حَوَّلَ إِلَى النَّاسِ ظَهْرَهُ، وَقَلَبَ - أَوْ حَوَّلَ رِدَاءَهُ وَهُوَ رَافِعٌ يَدَيْهِ - ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، وَنَزَلَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، فَأَنْشَأَ اللَّهُ سَحَابًا فَرَعَدَتْ، وَأَبْرَقَتْ، وَأَمْطَرَتْ بِإِذْنِ اللَّهِ، فَلَمْ نَلْبَثْ فِي مَسْجِدِهِ حَتَّى سَالَتِ السُّيُولُ، فَلَمَّا رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَثَقَ [ص:110] الثِّيَابِ عَلَى النَّاسِ، ضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ، وَقَالَ: «أَشْهَدُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، وَإِنِّي عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ»
رقم طبعة با وزير = (2849)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “লোকেরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে অনাবৃষ্টির অভিযোগ করলে তিনি ঈদগাহে মিম্বার স্থাপনের নির্দেশ দিলেন, অতঃপর মিম্বার স্থাপন করা হলো। তিনি মানুষদেরকে একদিন বের হওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দিলেন। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হলেন, যখন সূর্য কিনারা প্রকাশ পায়, তারপর তিনি মিম্বারের উপর বসলেন, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন, তারপর তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের বাগানের (জন্য) অনাবৃষ্টি এবং বৃষ্টির সময়ে বৃষ্টি না হওয়ার অভিযোগ করেছো, আর আল্লাহ আদেশ করেছেন তাঁর কাছে দু‘আ করতে এবং তিনি তোমাদের কাছে ওয়াদা করেছেন তোমাদের দু‘আ করার জন্য।” রাবী বলেন, “তারপর তিনি বলেন, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ * الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ * مَالِكِ يَوْمِ الدين (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগৎসমূহের প্রতিপালক। তিনি সর্বদয়ালূ, সবিশেষ করুণাময়। প্রতিফল দিবসের অধিপতি - সূরা ফাতিহা: ২-৪) আপনি ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই, আপনি যা ইচ্ছা করেন, তা সম্পাদন করেন। হে আল্লাহ, আপনি আল্লাহ, আপনি ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই, আপনি ধনী আর আমরা দরিদ্র। আপনি আমাদের উপর বৃষ্টির পানি বর্ষন করুন, আর আপনি যা অবতীর্ণ করবেন, তা আমাদের জন্য শক্তি এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পর্যাপ্ত করে দিন।” তারপর তিনি তাঁর দুই হাত উঠান এমনকি আমরা তাঁর দুই বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তারপর তিনি তাঁর পিঠকে মানুষের দিকে ফেরালেন এবং হাত উঠানো অবস্থাতেই তাঁর চাদর পরিবর্তন বা উল্টিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি মানুষের অভিমুখী হলেন, মিম্বার থেকে নামলেন, অতঃপর দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করলেন। তারপর মহান আল্লাহ মেঘ সৃষ্টি করলেন, মেঘ গর্জন করলো, বিদ্যুৎ চমকালো এবং আল্লাহর অনুমতিতে বৃষ্টিপাত হলো। এমনকি তিনি সালাতের স্থানে অবস্থান করতেই বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়ে গেলো। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন দেখলেন মানুষ নিজেদের উপর কাপড় জড়িয়ে নিচ্ছে, তখন তিনি মৃদু হাসলেন এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ পেয়ে গেলো। তিনি বলেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান, আর আমি আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।”[1]



[1] আবূ দাঊদ: ১১৭৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩২৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৪৯; হাকিম: ১/৩২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১০৬৪।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - وهو مكرر (987). تنبيه!! رقم (987) = (991) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (2861)


2861 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنِ أَنَسٍ، قَالَ: «كَانُوا إِذَا قَحَطُوا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، اسْتَسْقَوْا بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَسْتَسْقِي لَهُمْ فَيُسْقَوْنَ، فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ وَفَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِي إِمَارَةِ عُمَرَ، قَحَطُوا فَخَرَجَ عُمَرُ بِالْعَبَّاسِ يَسْتَسْقِي بِهِ، فَقَالَ: اللَّهُمَّ إِنَّا كُنَّا إِذَا قَحَطْنَا عَلَى عَهْدِ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَاسْتَسْقُينَا [ص:111] بِهِ، فَسَقَيْتَنَا وَأَنَا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ الْيَوْمَ بِعَمِّ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاسْقِنَا قَالَ: فَسُقُوا»
رقم طبعة با وزير = (2850)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কালে অনাবৃষ্টি হলে তারা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে পানি প্রার্থনা করতেন। অতঃপর তাদেরকে তাঁর মাধ্যমে তাদেরকে পানি পান করানো হতো। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাতের পর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে অনাবৃষ্টি হলে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে সাথে নিয়ে ময়দানে বের হয়ে তাঁর মাধ্যমে পানি প্রার্থনা করতেন। তিনি বলতেন, اللَّهُمَّ إِنَّا كُنَّا إِذَا قَحَطْنَا عَلَى عَهْدِ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتَسْقُينَا بِهِ فَسَقَيْتَنَا وَأنَا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ الْيَوْمَ بِعَمِّ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فاسقنا (হে আল্লাহ, যখন আমরা আপনার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কালে অনাবৃষ্টি হতো, তখন আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে পানি প্রার্থনা করতাম। অতঃপর আমি আমাদেরকে পানি দান করেছেন। আর এখন আমরা আপনার নাবীর চাচার মাধ্যমে আপনার কাছে পানি প্রার্থনা করছি। কাজেই আপনি আমাদেরকে পানি দান করুন)।” রাবী বলেন, “অতঃপর তাদেরকে পানি দান করা হয়।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১০১০; বাগাবী: ১১৬৫; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৪২১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৬৭২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (672): خ.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (2862)


2862 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى الْقَطَّانُ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي هِشَامُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كِنَانَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: أَرْسَلَنِي أَمِيرٌ مِنَ الْأُمَرَاءِ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، أَسْأَلُهُ عَنْ صَلَاةِ الِاسْتِسْقَاءِ، فَقَالَ: «خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُتَبَذِّلًا مُتَمَسْكِنًا مُتَضَرِّعًا مُتَوَاضِعًا، وَلَمْ يَخْطُبْ خُطْبَتَكُمْ هَذِهِ، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ كَمَا يُصَلِّي فِي الْعِيدِ»
رقم طبعة با وزير = (2851)




ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন কিনানা রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমাকে একজন শাসক আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ইস্তিসকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠান। তখন তিনি জবাবে বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার ইস্তিসকার সালাত আদায় করার জন্য জীর্ণ-শীর্ণ পোশাক পরিহিত, বিনয়ী, অপারগ ব্যক্তির মতো বের হন। তিনি তোমাদের মতো খুতবা দেননি। অতঃপর তিনি ঈদের সালাতের ন্যায় ‍দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/২৩০; নাসাঈ: ৩/১৬৩; তিরমিযী: ৫৫৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৪০৫; দারাকুতনী: ২/৬৮; ইবনু মাজাহ: ১২৬৬; হাকিম: ১/৩৬-৩২৭; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৪৪; তাবারানী: ১০/১০৮১৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৫৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «صحيح أبي داود» (1058).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (2863)


2863 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ الضَّرِيرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «لَا يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَيْءٍ مِنَ الدُّعَاءِ إِلَّا فِي الِاسْتِسْقَاءِ، فَإِنَّهُ كَانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ إِبْطَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (2852)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইস্তিসকা ব্যতীত কোন দু‘আয় দুই হাত উত্তোলন করতেন না। ইস্তিসকায় তিনি এতো অধিক পরিমাণ হাত উঠাতেন যে, তার দুই বগলের শুভ্রতা প্রকাশ পেতো।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ৩৫৬৫; আবূ দাঊদ: ১১৭০; দারাকুতনী: ২/৬৮-৬৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৮১; নাসাঈ: ৩/১৫৮; সহীহ ‍মুসলিম: ৯৮৫; বাগাবী: ১১৬৩; দারেমী: ১/৩৬১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৪১২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৬১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1061): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2864)


2864 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْخَطَّابِ الْبَلَدِيُّ الزَّاهِدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «اسْتَسْقَى فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَجَهَرَ بِالْقِرَاءَةِ»
رقم طبعة با وزير = (2853)




আব্বাদ বিন তামীম রহিমাহুল্লাহ তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি প্রার্থনা করেছেন। তিনি দুই রাকা‘আত সালাত করেছেন, তাতে তিনি কিরা‘আত জোরে পড়েছেন।”[1]



[1] নাসাঈ: ৩/১৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯; সহীহুল বুখারী: ১০২৪; আবূ দাঊদ: ১১৬২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৮৮৯; তিরমিযী: ৫৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৫৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1053): خ، م دون الجهر.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (2865)


2865 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «خَرَجَ يَسْتَسْقِي، فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ، وَوَلَّى ظَهْرَهُ النَّاسَ، وَقَلَبَ رِدَاءَهُ، وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ جَهَرَ فِيهِمَا بِالْقِرَاءَةِ»
رقم طبعة با وزير = (2854)




আব্বাদ বিন তামীম রহিমাহুল্লাহ তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি প্রার্থনা করার জন্য বের হন। তিনি কিবলামুখী হন, তাঁর পৃষ্ঠদেশকে মুসল্লীদের দিকে করেন, তাঁর চাদর পরিবর্তন করেন এবং দুই রাকা‘আত সালাত করেন, তাতে তিনি কিরা‘আত জোরে পড়েছেন।”[1]



[1] নাসাঈ: ৩/১৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯; সহীহুল বুখারী: ১০২৪; আবূ দাঊদ: ১১৬২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৮৮৯; তিরমিযী: ৫৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৫৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2866)


2866 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ الْمَازِنِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ عَمَّهُ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَوْمًا يَسْتَسْقِي، فَحَوَّلَ إِلَى النَّاسِ ظَهْرَهُ، وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (2855)




আব্বাদ বিন তামীম রহিমাহুল্লাহ তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি প্রার্থনা করার জন্য বের হন। তিনি তাঁর পৃষ্ঠদেশকে মুসল্লীদের দিকে করে কিবলামুখী হন, তাঁর চাদর পরিবর্তন করেন এবং দুই রাকা‘আত সালাত করেন।”[1]



[1] নাসাঈ: ৩/১৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯; সহীহুল বুখারী: ১০২৪; আবূ দাঊদ: ১১৬২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৮৮৯; তিরমিযী: ৫৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৫৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2867)


2867 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ: «اسْتَسْقَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعَلَيْهِ خَمِيصَةٌ سَوْدَاءُ، فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنْ يَأْخُذَ بِأَسْفَلِهَا فَيَجْعَلُهُ أَعْلَاهَا، فَلَمَّا ثَقُلَتْ عَلَيْهِ قَلْبِهَا عَلَى عَاتِقِهِ»
رقم طبعة با وزير = (2856)




আব্বাদ বিন তামীম রহিমাহুল্লাহ তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি প্রার্থনা করেন। এসময় তাঁর পরিধানে কালো চাদর ছিল। অতঃপর তিনি চাদরের নিচে ধরে সেটাকে উপরে আনতে চান, কিন্তু সেটা জটিল হয়ে গেলে, সেটাকে তিনি ‍ উল্টিয়ে কাঁধের উপর রাখেন।”[1]



[1] নাসাঈ: ৩/১৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯; সহীহুল বুখারী: ১০২৪; আবূ দাঊদ: ১১৬২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৮৮৯; তিরমিযী: ৫৫৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৫৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1055).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (2868)


2868 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجُنَيْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «فَرَضَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا الصَّلَاةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا، وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ، وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2857)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ তোমাদের নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জবানীতে মুকীম অবস্থায় চার রাকা‘আত, সফর অবস্থায় দুই রাকা‘আত আর ভীতিকালীন সময়ে এক রাকা‘আত ফরয করেছেন।”[1]



[1] সহীহ ‍মুসলিম: ৬৮৭; নাসাঈ: ৩/১৬৮-১৬৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৩৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৪৬৪; আবূ দাঊদ: ১২৪৭; তাহাবী: ১/৩০৯; সহীহ খুযাইমাহ: ১৩৪৬; তাবারানী: ১১/১১০৪৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১০৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1134): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2869)


2869 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ يَزِيدَ الْفَقِيرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «صَلَّى بِهِمْ صَلَاةَ الْخَوْفِ، فَقَامَ صَفٌّ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَصَفٌّ خَلْفَهُ، فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ، وَجَاءَ أُولَئِكَ حَتَّى قَامُوا، فَقَامَ هَؤُلَاءِ فَصَلَّى بِهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ»، فَكَانَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَكْعَتَانِ وَلَهُمْ رَكْعَةٌ وَاحِدَةٌ
رقم طبعة با وزير = (2858)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের নিয়ে ভীতিকালীন সালাত আদায় করেন। এক কাতার তাঁর সামনে আরেক কাতার তাঁর পিছনে দাঁড়ান। তিনি তাদের নিয়ে এক রুকূ‘ ও দুই সাজদা সম্পন্ন করেন। তারপর ঐ কাতারের লোক আসেন (যারা তাঁর সামনে ছিলেন), তারা এসে (তাঁর পিছনে) দাঁড়ান। তিনি তাদের নিয়ে এক রুকূ‘ ও দুই সাজদা সম্পাদন করেন। ফলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুই রাকা‘আত আর সাহাবীদের এক রাকা‘আত হয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৩৪৭; মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৯৮; নাসাঈ: ৩/১৭৩; আত তায়ালিসী: ১৭৮৯; তাহাবী: ১/৩১০; সুনান বাইহাকী: ৩/২৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১১৩৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1133).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2870)


2870 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ حَسَّانَ، قَالَ: أَتَيْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ صَلَاةِ الْخَوْفِ، فَقَالَ: «صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَفٌّ خَلْفَهُ، وَصَفٌّ بِإِزَاءِ الْعَدُوِّ، فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً، ثُمَّ ذَهَبُوا إِلَى مَصَافِّ إِخْوَانِهِمْ، وَجَاءَ الْآخَرُونَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً، ثُمَّ سَلَّمَ، فَكَانَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَانِ، وَلِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةٌ»
رقم طبعة با وزير = (2859)




কাসিম বিন হাস্সান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি যাইদ বিন সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে ভীতিকালীন সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জবাবে বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (ভীতিকালীন) সালাত আদায় করেছেন। এক কাতার তাঁর সাথে দাঁড়ায় আর এক কাতার শত্রুর মুখোমুখী হয়। রাসূল তাদের নিয়ে এক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তারা তাদের ভাইদের কাতারে যান। অতঃপর ওরা আসেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের নিয়ে এক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি সালাম ফেরান। ফলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুই রাকা‘আত আর সাহাবীদের এক রাকা‘আত হয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৫০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৪৬১; মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৮৩; নাসাঈ: ৩/১৬৮; তাবারানী: ৪৯১৯; তাহাবী: ১/৩১০; সুনান বাইহাকী: ৩/২৬২-২৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১১৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «صحيح أبي داود» (1134).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (2871)


2871 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْجَهْمِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «صَلَّى بِذِي قَرَدٍ، فَصَفَّ النَّاسُ خَلْفَهُ صَفَّيْنِ، صَفٌّ خَلْفَهُ، وَصَفٌّ مُوَازِي الْعَدُوِّ، فَصَلَّى بِالصَّفِّ الَّذِي يَلِيهِ رَكْعَةً، ثُمَّ رَجَعَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ، وَجَاءَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ، فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً، وَلَمْ يَقْضُوا»
رقم طبعة با وزير = (2860)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুকারাদ নামক জায়গায় (ভীতিকালীন) সালাত আদায় করেছেন। লোকজন তাঁর পিছনে দুই কাতার বদ্ধ হন; এক কাতার তাঁর পিছনে আরেক কাতার শত্রুর মুখোমুখি। তিনি তাঁর কাছের কাতারের সাহাবীদের নিয়ে এক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তারা অন্য কাতারের সাহাবীদের কাছে যান, আর তারা প্রথম কাতারের জায়গায় আসেন। অতঃপর তিনি তাদের নিয়ে এক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারা (বাকী এক রাকা‘আত সালাত) কাযা করেননি।”[1]



[1] নাসাঈ: ৩/১৬৯; হাকিম: ১/৩৩৫; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৩২; তাহাবী: ১/৩০৯; সুনান বাইহাকী: ৩/২৬২; তাবারী: ১০৩৩৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১১৩৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1133).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم