সহীহ ইবনু হিব্বান
3121 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: سَمِعْتُ دَرَّاجًا أَبَا السَّمْحِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْهَيْثَمِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُسَلَّطُ عَلَى الْكَافِرِ فِي قَبْرِهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ تِنِّينًا تَنْهَشُهُ وَتَلْدَغُهُ، [ص:392] حَتَّى تَقُومَ السَّاعَةُ، فَلَوْ أَنَّ تِنِّينًا مِنْهَا نَفَخَتْ فِي الْأَرْضِ مَا أَنْبَتَتْ خَضِرًا»
رقم طبعة با وزير = (3111)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কাফির ব্যক্তির কবরে ৯৯ টি মহাকায় সাপ চাপিয়ে দেওয়া হবে, যেগুলি তাকে কিয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত দংশন করতে থাকবে। যদি সেগুলোর মধ্যে একটি অজগর সাপও পৃথিবীতে ফুঁ দিতো, তবে এই জমিন সবুজ কোন কিছু উৎপন্ন করতো না।” [1]
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ১৩২৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৮; দারেমী: ২/৩৩১; আল আজুর্রী, আশ শারী‘আহ: ৩৫৯; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৩/৫৫; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৬১; জামিউল বায়ান: ১৬/২২৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৪/১৮২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «التعليق الرغيب» (4/ 182).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
3122 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ أَبَا السَّمْحِ، حَدَّثَهُ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ فِي قَبْرِهِ لَفِي رَوْضَةٍ خَضْرَاءَ، وَيُرْحَبُ لَهُ قَبْرُهُ سَبْعُونَ ذِرَاعًا، وَيُنَوَّرُ لَهُ كَالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ أَتَدْرُونَ فِيمَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى} [طه: 124] أَتَدْرُونَ مَا الْمَعِيشَةُ الضَّنْكَةُ؟ » [ص:393] قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ: «عَذَابُ الْكَافِرِ فِي قَبْرِهِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّهُ يُسَلَّطَ عَلَيْهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ تِنِّينًا، أَتَدْرُونَ مَا التِّنِّينُ؟ سَبْعُونَ حَيَّةً، لِكُلِّ حَيَّةٍ سَبْعُ رُءُوسٍ يِلْسَعُونَهُ، وَيَخْدِشُونَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3112)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তি কবরে সবুজ বাগানে থাকবে। তার কবরকে ৭০ গজ প্রশস্ত করা হবে এবং সেটাকে পুর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় আলোকিত করা হবে। তোমরা কি জানো আল্লাহর বাণী, “তবে নিশ্চয়ই তার জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন এবং আমরা তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ করে উঠাবো।”–সূরা ত্বহা: ১২৪। কোন বিষয়ে এটি অবতীর্ণ হয়েছে?” তোমরা কি জানো ‘সংকীর্ণ জীবন’ কী?” সাহাবীগণ জবাব দিলেন, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই ভালো জানেন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এটা হলো কবরে কাফির ব্যক্তির কবরের আযাব। ঐ সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই তার উপর ৯৯ টি বিশালাকার সাপ চাপিয়ে দেওয়া হবে? তোমরা কি জানো বিশালাকার সাপ কি? এটা হলো ৭০ টি সাপ। প্রত্যেকটি সাপের সাতটি করে মাথা রয়েছে, যা তাকে কিয়ামত পর্যন্ত দংশন করবে এবং তাকে আঁচড় মারবে।”[1]
[1] তাফসীরে তাবারী: ১৬/২২৮; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৬৮; বাযযার: ২২৩৩; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৭/৬৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৪/১৮৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «التعليق الرغيب» (4/ 182).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
3123 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، [ص:394] أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ، وَذُكِرَ لَهَا أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ، يَقُولُ: إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَيِّ، قَالَتْ عَائِشَةُ: يَغْفِرُ اللَّهُ لِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَمَا إِنَّهُ لَمْ يَكْذِبْ وَلَكِنَّهُ نَسِيَ أَوْ أَخْطَأَ، إِنَّمَا مَرَّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى يَهُودِيَّةٍ يُبْكَى عَلَيْهَا، فَقَالَ: «» إِنَّهُمْ يَبْكُونَ عَلَيْهَا وَإِنَّهَا لَتُعَذَّبُ فِي قَبْرِهَا «»
رقم طبعة با وزير = (3113)
আমরাহ বিনতু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে আলোচনা হলো যে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, “নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তিকে জীবিত ব্যক্তিদের (উচ্চ আওয়াজে) কান্নার কারণে শাস্তি দেওয়া হয়।” তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আবূ আব্দুর রহমানকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। জেনে রাখুন, নিশ্চয়ই তিনি মিথ্যা বলেননি, তবে তিনি ভুলে গেছেন অথবা ভুল করেন। বস্তুত একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মৃত ইয়াহুদী নারীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন, যার মৃত্যুতে কান্না করা হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, “তোমরা কান্না করছো, নিশ্চয়ই তাকে কবরে এজন্য শাস্তি দেওয়া হবে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১০৭; সহীহুল বুখারী: ১২৮৯; সহীহ মুসলিম: ৯৩২; তিরমিযী: ১০০৬; নাসাঈ: ৪/১৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৭২; ইবনু মাজাহ: ১৫৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১১৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3124 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، [ص:395] عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعَ صَوْتًا حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ، فَقَالَ: «هَذِهِ أَصْوَاتُ الْيَهُودِ تُعَذَّبُ فِي قُبُورِهَا»
رقم طبعة با وزير = (3114)
আবূ আইয়ূব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার পর একটি আওয়াজ শুনতে পান। তখন তিনি বলেন, “এটা ইয়াহুদিদের আওয়াজ, তাদেরকে কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১০৭; সহীহুল বুখারী: ১২৮৯; সহীহ মুসলিম: ৯৩২; তিরমিযী: ১০০৬; নাসাঈ: ৪/১৭-১৮; সুনান বাইহাকী: ৪/৭২; ইবনু মাজাহ: ১৫৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১১৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ (1375)، م (8/ 161).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3125 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أُمِّ مُبَشِّرٍ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَا فِي حَائِطٍ مِنْ حَوَائِطِ بَنِي النَّجَّارِ، فِيهِ قُبُورٌ مِنْهُمْ، وَهُوَ يَقُولُ: «اسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ» فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلِلْقَبْرِ [ص:396] عَذَابٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ، وَإِنَّهُمْ لَيُعَذَّبُونَ فِي قُبُورِهِمْ تَسْمَعُهُ الْبَهَائِمُ»
رقم طبعة با وزير = (3115)
উম্মু মুবাশ্শির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসেন, এমন অবস্থায় যে, আমি বানী নাজ্জার গোত্রের এক বাগানে ছিলাম। সেখানে তাদের অনেক কবর ছিলো। এসময় তিনি বলেন, “তোমরা আল্লাহর কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা কর।” তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কবরের আযাবও রয়েছে?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ। নিশ্চয়ই তাদেরকে কবরে আযাব দেওয়া হয়, যা প্রাণীকুল শুনতে পায়।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৭৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৬২; তাবারানী: ২৫/২৬৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৭৪২; ইমাম আহমাদ, আস সুন্নাহ: ১৩৬০; বাগাবী: ১৫২৬; নাসাঈ: ৪/১০২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১৪৪৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1445).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3126 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْمَقَابِرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ دَخَلَ حَائِطًا مِنْ حَوَائِطِ بَنِي النَّجَّارِ، فَسَمِعَ صَوْتًا مِنْ قَبْرٍ، قَالَ: «مَتَى دُفِنَ صَاحِبُ هَذَا الْقَبْرِ؟ » فَقَالُوا: فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَسُرَّ بِذَلِكَ، وَقَالَ: «[ص:397] لَوْلَا أَنْ لَا تَدَافَنُوا، لَدَعَوْتُ اللَّهَ أَنْ يُسْمِعَكُمْ عَذَابَ الْقَبْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3116)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বানূ নাজ্জার গোত্রের এক বাগানে প্রবেশ করেন, অতঃপর তিনি সেখানে কবর থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পান। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করেন, “এই কবরবাসীকে কখন দাফন করা হয়েছে?” সাহাবীগণ উত্তর দিলেন, “জাহেলী যুগে।” তখন তিনি খুশি হয়ে গেলেন এবং তিনি বলেন, “যদি এই আশংকা না থাকতো যে, তোমরা পরস্পরকে দাফন করা ছেড়ে দিবে, তবে আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের আযাব শুনান।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ২৮৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৭৬; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৯২; আল আজুর্রী, আশ শারী‘আহ: ৩৬৩-৩৬৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ১৫৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (158).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3127 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَنَةَ، قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَفِي يَدِهِ كَهَيْئَةِ الدَّرَقَةِ، فَوَضَعَهَا، ثُمَّ بَالَ إِلَيْهَا فَقَالَ بَعْضُ [ص:398] الْقَوْمِ: انْظُرُوا إِلَيْهِ يَبُولُ كَمَا تَبُولُ الْمَرْأَةُ، قَالَ: فَسَمِعَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «وَيْحَكَ مَا عَلِمْتَ مَا أَصَابَ صَاحِبَ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا أَصَابَهُمْ شَيْءٌ مِنَ الْبَوْلِ، قَرَضُوا بِالْمَقَارِيضِ فَنَهَاهُمْ، فَعُذِّبَ فِي قَبْرِهِ»
رقم طبعة با وزير = (3117)
আব্দুর রহমান বিন হাসানাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার আমাদের কাছে আসেন, আর এসময় তাঁর হাতে ছিল চামড়ার বর্ম জাতীয় কোন কিছু। অতঃপর তিনি সেটা স্থাপন করলেন তারপর তিনি সেটাকে সামনে রেখে পেশাব করেন। তখন কওমের এক ব্যক্তি বলেন, “তোমরা তাঁর দিকে দেখো, তিনি মেয়েদের ন্যায় পেশাব করছেন!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটা শ্রবণ করে বলেন, “দুর্ভোগ তোমার জন্য! তুমি কি জানো না বানী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির কী ঘটেছিল? তাদের কারো গায়ে যদি প্রস্রাবের কিছু অংশ লাগত, তখন তারা সেটা কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলতো। অতঃপর সেই ব্যক্তি তাদেরকে এমন করতে নিষেধ করে ফলে (মান্য না করায়) তাকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়।”[1]
[1] মুসনাদু আবী ইয়ালা: ৯৩২; নাসাঈ: ১/২৬-২৮; ইবনু মাজাহ: ৩৪৬; মুসনাদ আহমাদ: ৪/১৯৬; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১২২; আবূ দাঊদ: ২২; হুমাইদী: ৮৮২; হাকিম: ১/১৮৪; সুনান বাইহাকী: ১/১০৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (16).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3128 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى قَبْرَيْنِ، فَقَالَ: «إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ، وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبِيرٍ»، ثُمَّ قَالَ: «بَلَى، أَمَا أَحَدُهُمَا، فَكَانَ يَسْعَى بِالنَّمِيمَةِ، وَأَمَّا الْآخَرُ، فَكَانَ لَا يَسْتَنْزِهُ مِنْ بَوْلِهِ» ثُمَّ أَخَذَ عُودًا، فَكَسَرَهُ بِاثْنَيْنِ، ثُمَّ غَرَزَ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى قَبْرٍ، ثُمَّ [ص:399] قَالَ: «لَعَلَّهُ يُخَفِّفُ عَنْهُمَا الْعَذَابَ مَا لَمْ يَيْبَسَا»
رقم طبعة با وزير = (3118)
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার দুটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন। তখন তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই এদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদেরকে বড় (বেঁচে থাকা কঠিন) কোন বিষয়ে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বলেন, “হ্যাঁ। তাদের একজন চোগলখুরি করতো আর অপরজন পেশাবের ছিটা থেকে বেঁচে থাকতো না।” তারপর তিনি একটি ডাল নেন অতঃপর সেটাকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন। তারপর দুই কবরে তা গেড়ে দেন। অতঃপর বলেন, “হয়তো আল্লাহ এগুলো না শুকানো পর্যন্ত তাদের শাস্তি লাঘব করে দিবেন।” [1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১৩৭৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৭৫; মুসনাদ আহমাদ: ১/২২৫; সহীহ মুসলিম: ২৯২; নাসাঈ: ১/২৮-৩০; আবূ দাঊদ: ২০; ইবনু মাজাহ: ৩৪৭; সুনান বাইহাকী: ২/৪১২; বাগাবী: ১৮৩; দারেমী: ১/১৮৮-১৮৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (178 و 283)، «صحيح أبي داود» (15): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3129 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَعْشَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، [ص:400] عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِقَبْرَيْنِ، فَقَالَ: «إِنَّ هَذَيْنِ يُعَذَّبَانِ فِي غَيْرِ كَبِيرٍ: فِي النَّمِيمَةِ وَالْبَوْلِ»، ثُمَّ دَعَا بِجَرِيدَةٍ فَكَسَرَهَا، فَوَصَلَهَا عَلَيْهِمَا، وَقَالَ: «عَسَى أَنْ يُخَفَّفَ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا».
رقم طبعة با وزير = (3119) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: سَمِعَ هَذَا الْخَبَرَ مُجَاهِدٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَسَمِعَهُ عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فَالطَّرِيقَانِ جَمِيعًا مَحْفُوظَانِ
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার দুটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন। তখন তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই এদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদেরকে বড় (বেঁচে থাকা কঠিন) কোন বিষয়ে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বলেন, “হ্যাঁ। তাদের একজন চোগলখুরি করতো আর অপরজন পেশাবের ছিটা থেকে বেঁচে থাকতো না।” তারপর তিনি একটি ডাল নেন অতঃপর সেটাকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন। তারপর দুই কবরে তা গেড়ে দেন। অতঃপর বলেন, “হয়তো আল্লাহ এগুলো না শুকানো পর্যন্ত তাদের শাস্তি লাঘব করে দিবেন।” [1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ সরাসরি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে শ্রবণ করেছেন আবার তাওস রহিমাহুল্লাহর সূত্রে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে শ্রবণ করেছেন। কাজেই হাদীসটির দুটো সানাদই মাহফূয বা সহীহ।”
[1] সহীহুল বুখারী: ১৩৭৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৭৫; মুসনাদ আহমাদ: ১/২২৫; সহীহ মুসলিম: ২৯২; নাসাঈ: ১/২৮-৩০; আবূ দাঊদ: ২০; ইবনু মাজাহ: ৩৪৭; সুনান বাইহাকী: ২/৪১২; বাগাবী: ১৮৩; দারেমী: ১/১৮৮-১৮৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3130 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، [ص:401] عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا مَاتَ عُرِضَ عَلَيْهِ مَقْعَدُهُ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ، إِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، فَمَنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، وَإِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ، فَمَنْ أَهْلِ النَّارِ، يُقَالُ: هَذَا مَقْعَدُكَ حَتَّى يَبْعَثَكَ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3120)
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই যখন তোমাদের কেউ মারা যায়, তখন সকাল-বিকাল তার সামনে তার বাসস্থান পেশ করা হয়। যদি সে ব্যক্তি জান্নাতী হয়ে থাকে, তবে তাকে জান্নাতে তার ঠিকানা দেখানো হয় আর যদি সে জাহান্নামী হয়ে থাকে, তবে তাকে জাহান্নামে তার ঠিকানা দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, “কিয়ামতের দিন আল্লাহু তোমাকে পুনরুত্থিত না করা পর্যন্ত এটাই তোমার বাসস্থান ।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/১১৩; সহীহুল বুখারী: ১৩৭৯; সহীহ মুসলিম: ২৮৬৬; নাসাঈ: ৪/১০৭-১০৮; বাগাবী: ১৫২৪; তিরমিযী: ১০৭২; ইবনু মাজাহ: ৪২৭০; আত তায়ালিসী: ১৮৩২; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৪৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আর রওয: ৪৯৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الروض» (495): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3131 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، [ص:402] عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْلَا أَنْ لَا تَدَافَنُوا لَدَعَوْتُ اللَّهَ أَنْ يُسْمِعَكُمْ عَذَابَ الْقَبْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3121)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যদি এই আশংকা না থাকতো যে, তোমরা পরস্পরকে দাফন করা ছেড়ে দিবে, তবে আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের আযাব শুনান।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ২৮৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৭৬; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৯২; আল আজুর্রী, আশ শারী‘আহ: ৩৬৩-৩৬৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ১৫৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (3116). تنبيه!! رقم (3116) = (3126) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3132 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ عُمَرَ لَمَّا طُعِنَ عَوَّلَتْ عَلَيْهِ حَفْصَةُ، فَقَالَ لَهَا عُمَرُ: يَا حَفْصَةُ أَمَا سَمِعْتِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ الْمُعَوَّلَ عَلَيْهِ يُعَذَّبُ» فَقَالَتْ: بَلَى
رقم طبعة با وزير = (3122)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আঘাত করা হয়, তখন হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ‘হায় দুর্ভোগ’ বলেন। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনোনি, তিনি বলেছেন, “যার জন্য ‘হায় দুর্ভোগ’ বলা হয়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়?” তখন তিনি জবাবে বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।”[1]
[1] আত তায়ালিসী: ১০; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩৯; সহীহ মুসলিম: ৯২৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৭২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৮৯; সহীহুল বুখারী: ১২৯২; নাসাঈ: ৪/১৬-১৭; ইবনু মাজাহ: ১৫৯৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - «أحكام الجنائز» (40).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3133 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْكَافِرَ لِيَزْدَادَ عَذَابًا بِبَعْضِ بُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (3123)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই কাফির ব্যক্তির পরিবারের লোকদের কান্নার কারণে তার আযাব বৃদ্ধি পায়।”[1]
[1] নাসাঈ: ৪/১৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১২৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (3126). تنبيه!! رقم (3126) = (3136) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3134 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ بِخَبَرٍ غَرِيبٍ بِحَرَّانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صُبَيْحٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَيِّ». فَقُلْتُ لِمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ مَنْ قَالَهُ؟: قَالَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3124)
মুহাম্মাদ বিন সিরীন রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জীবিতদের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়।” অধঃস্তন রাবী জিজ্ঞেস করেন, “আমি মুহাম্মাদ বিন সিরীন রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই হাদীস আপনাকে কে বর্ণনা করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।”[1]
[1] আত তায়ালিসী: ৮৫৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯১; মুসনাদ আহমাদ: ২/১৩৪; সহীহ মুসলিম: ৯৩০; তাবারানী: ১২/১৩১২৬২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - «أحكام الجنائز» (40).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الصحيح غير عبد الله بن صبيح فقد روى له النسائي وهو صدوق
3135 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (3125)
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পরিবারের লোকদের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯১; তাবারানী: ১২/১৩২২৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» -أيضا-: ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3136 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: حَضَرْتُ جَنَازَةَ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ فَجَاءَ ابْنُ عُمَرَ، فَجَلَسَ، [ص:406] وَجَاءَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَجَلَسَ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: أَلَا تَنْهَى هَؤُلَاءِ عَنِ الْبُكَاءِ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ الْمَيِّتَ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ». فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مُجِيبًا لَهُ: قَدْ كَانَ عُمَرُ يَقُولُ بَعْضَ ذَلِكَ
رقم طبعة با وزير = (3126)
3136 - خَرَجْنَا مَعَ عُمَرَ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ، إِذَا رَاكِبٌ فِي ظِلِّ شَجَرَةٍ، فَقَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ انْظُرْ مَنِ الرَّاكِبُ، فَجِئْتُ فَإِذَا صُهَيْبٌ مَعَهُ أَهْلُهُ، فَقَالَ لِيَ: ادْعُ لِي صُهَيْبًا، فَصَحِبَهُ حَتَّى دَخَلَ الْمَدِينَةَ، فَأُصِيبَ عُمَرُ، فَقَالَ: وَاأَخَاهُ، وَاصَاحِبَاهُ، فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: يَا صُهَيْبُ، لَا تَبْكِي، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «يُعَذَّبُ الْمَيِّتِ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (3126)
3136 - فَذَكَرَ ذَلِكَ لِعَائِشَةَ، فَقَالَتْ: وَاللَّهِ مَا تَحَدِّثُونَ عَنْ كَذَّابِينَ وَلَا مُكَذَّبَيْنِ، وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْقُرْآنِ مَا يَكْفِيَكُمْ عَنْ ذَلِكَ {وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى} [الأنعام: 164] وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ يَزِيدُ الْكَافِرَ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»
رقم طبعة با وزير = (3126)
ইবনু আবী মুলাইকাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আবান বিন উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জানাযায় উপস্থিত হই। অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এসে বসেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এসে বসেন। এসময় আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “আপনি কি এদেরকে কান্না করতে নিষেধ করবেন না? নিশ্চয়ই আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকদের কান্নার কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।” তখন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা জবাবে বলেন, “উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও এরকম কিছু বলতেন। আমরা একবার উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে বের হই। অতঃপর যখন আমরা বাইদাহ নামক জায়গায় আসি, সেসময় গাছের ছায়ায় এক আরোহী ব্যক্তিকে দেখা যায়। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেন, “হে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস, দেখ তো, আরোহী ব্যক্তিটি কে?” তারপর আমি এসে দেখি তিনি সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এবং তাঁর সাথে তাঁর পরিবার। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেন, “সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আমার কাছে নিয়ে আসো।” অতঃপর তিনি তাকে সাথে নেন অতঃপর মাদীনায় প্রবেশ করেন। অতঃপর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আক্রান্ত হন, তখন সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “হায়! আমার ভাই! হায়! আমার সঙ্গী!” তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “হে সুহাইব, কান্না করো না। কেননা নিশ্চয়ই আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “পরিবারের লোকদের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়।” তারপর সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাদীসটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে বর্ণনা করলে, তিনি বলেন, “আল্লাহর কসম, নিশ্চয়িই তোমরা মিথ্যুক ব্যক্তিদের থেকে হাদীস বর্ণনা করছো না। আর এই ব্যাপারে কুরআনে যা এসেছে, সেটাই যথেষ্ট। মহান আল্লাহ বলেছেন, وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى (আর কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না। -সুরা আনআম: ১৬৪)। বস্তুত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পরিবারের লোকদের কারণে কাফির ব্যক্তির আযাব বৃ্দ্ধি করা হয়।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৬৭৫; মুসনাদ ইমাম শাফেঈ: ১/৫৫৮; সহীহুল বুখারী: ১২৮৬; নাসাঈ: ৪/১৮-১৯; সুনান বাইহাকী: ৪/৭৩; বাগাবী: ১৫৩৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ সুনান আন নাসাঈ: ১৭৫৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح سنن النسائي» (1753): خ (1286 - 1288)، م (3/ 43 - 44).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3137 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ لَمَّا مَاتَ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ قَالَ لَهُمْ: لَا تَبْكُوا، فَإِنَّ بُكَاءَ الْحَيِّ عَذَابٌ لِلْمَيِّتِ، قَالَتْ عَمْرَةُ: فَسَأَلْتُ عَائِشَةَ، فَقَالَتْ: يَرْحَمُهُ اللَّهُ، إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِيَهُودِيَّةٍ وَأَهْلُهَا يَبْكُونَ عَلَيْهَا: «» إِنَّهُمْ لَيَبْكُونَ، وَإِنَّهَا لَتُعَذَّبُ فِي قَبْرِهَا «»
رقم طبعة با وزير = (3127)
আমরাহ বিনতু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন রাফে‘ বিন খাদীজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারা যান, তখন আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা তাদেরকে বলেন, “তোমরা কান্না করো না। কেননা জীবিতদের কান্না মৃতদের জন্য শাস্তির কারণ হয়।” আমরাহ বিনতু আব্দুর রহমান বলেন, “তারপর আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, “আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। বস্তুত রাসূল এটা এক (মৃত) ইয়াহুদী নারীর ব্যাপারে বলেছিলেন, যার পরিবারের লোকজন কান্না করছিলো। তখন তিনি বলেছিলেন, “নিশ্চয়ই ওরা কান্না করছে, নিশ্চয়ই তাকে কবরে এজন্য শাস্তি দেওয়া হবে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১০৭; সহীহুল বুখারী: ১২৮৯; সহীহ মুসলিম: ৯৩২; তিরমিযী: ১০০৬; নাসাঈ: ৪/১৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৭২; ইবনু মাজাহ: ১৫৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১১৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح ابن ماجه» (1595) - مضى (3117). تنبيه!! رقم (3117) = (3127) من «طبعة المؤسسة». لكن الحديث ليس موجود بالرقو المشار إليه، وإنما موجود برقم (3113) الموافق لـ (3123) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3138 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، [ص:408] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «كُلُّ ابْنِ آدَمَ يَأْكُلُهُ التُّرَابُ إِلَّا عَجْبَ الذَّنَبِ، مِنْهُ خُلِقَ، وَفِيهِ يُرَكَّبُ»
رقم طبعة با وزير = (3128)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আদম সন্তানের পুরো শরীর সত্তা মাটি খেয়ে ফেলবে মেরুদন্ডের নিম্নাংশের টেলবোন ব্যতিত। এখান থেকেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এখান থেকেই তাকে (পুনরায়) বিন্যস্ত করা হবে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৯; নাসাঈ: ৪/১১১-১১২; আবূ দাঊদ: ৪৭৪৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩২২; সহীহ মুসলিম: ২৯৫৫; সহীহুল বুখারী: ৪৮১৪; ইবনু মাজাহ: ৪২৬৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ ইবনু মাজাহ: ৪২৬৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح ابن ماجه» (4266): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3139 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فِي الْإِنْسَانِ عَظْمٌ لَا تَأْكُلُهُ الْأَرْضُ أَبَدًا، مِنْهُ يُرَكَّبُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» قَالُوا: وَأَيُّ [ص:409] عَظْمٍ هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «عَجْبُ الذَّنَبِ»
رقم طبعة با وزير = (3129)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আদম সন্তানের পুরো শরীর সত্তা মাটি খেয়ে ফেলবে মেরুদন্ডের নিম্নাংশের টেলবোন ব্যতিত। এখান থেকেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এখান থেকেই তাকে (পুনরায়) বিন্যস্ত করা হবে।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৩৯; নাসাঈ: ৪/১১১-১১২; আবূ দাঊদ: ৪৭৪৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩২২; সহীহ মুসলিম: ২৯৫৫; সহীহুল বুখারী: ৪৮১৪; ইবনু মাজাহ: ৪২৬৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ ইবনু মাজাহ: ৪২৬৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق؛ إلا قوله «أبداً» - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح
3140 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ دَرَّاجًا أَبَا السَّمْحِ، حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَأْكُلُ التُّرَابُ كُلَّ شَيْءٍ مِنَ الْإِنْسَانِ إِلَّا عَجْبَ ذَنْبِهِ» قِيلَ: وَمَا هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «مِثْلُ حَبَّةِ خَرْدَلٍ، مِنْهُ يَنْشَأُ»
رقم طبعة با وزير = (3130)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আদম সন্তানের মেরুদন্ডের নিম্নাংশের টেলবোন ব্যতিত পুরো শরীর সত্তা মাটি খেয়ে ফেলবে।” তাঁকে বলা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটা কী?” জবাবে তিনি বলেন, “সরিষার দানা বরাবর। এখান থেকেই নতুনভাবে সৃষ্টি করবেন।”[1]
[1] হাকিম: ৪/৬০৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৮; আবূ ইয়ালা: ১৩৮২; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ১০/৩৩২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৪/১৯২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «التعليق الرغيب» (4/ 192)، وصح دون قوله: «مِثْلُ حَبَّةِ خَرْدَلٍ» انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: دراج أبو السمح ضعيف وباقي رجاله ثقات ويشهد له ما قبله