হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (3141)


3141 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا رِبْعِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «ثَلَاثٌ مِنْ عَمَلِ الْجَاهِلِيَّةِ لَا يَتْرُكُهُنَّ أَهْلُ الْإِسْلَامِ: النِّيَاحَةُ، وَالِاسْتِسْقَاءُ بِالْأَنْوَاءِ، وَالتَّعَايُرُ». «[ص:411] رِبْعِيٌّ هُوَ أَخُو إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُلَيَّةَ»
رقم طبعة با وزير = (3131)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জাহেলী যুগের তিনটি কাজ যা ইসলামপন্থীরা পরিত্যাগ করবে না। সেগুলো হলো বিলাপ-আহাজারী করা, নক্ষত্রের মাধ্যমে পানি প্রার্থনা করা এবং বংশ তুলে গালি দেওয়া।”[1] হাদীসের রাবী রিবঈ হলেন ইসমাঈল বিন উলিয়্যাহর ভাই।



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২৬২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩৯০; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৩৯৫; সহীহ মুসলিম: ৬৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৩; বাযযার: ৭৯৭; তাবারানী: ২১৭৮; সহীহুল বুখারী: ৩৮৫০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৮০১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1801).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3142)


3142 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ *، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ *، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ ذَكْوَانَ، [ص:412] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَرْبَعٌ مِنَ الْجَاهِلِيَّةِ لَنْ يَدَعَهَا النَّاسُ: النِّيَاحَةُ، وَالتَّعَايُرُ، أَوِ التَّعَايُرُ فِي الْأَنْسَابِ، وَمُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا، وَالْعَدْوَى: جَرِبَ بَعِيرٌ فِي مِئَةِ بَعِيرٍ، فَمَنْ أَعْدَى الْأَوْلَ؟ »
رقم طبعة با وزير = (3132)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জাহেলী যুগের চারটি কাজ, যা লোকজন কখনই পরিত্যাগ করবে না। সেগুলো হলো বিলাপ-আহাজারী করা, বংশ তুলে গালি দেওয়া, এরকম বলা “ওমুক ওমুক নক্ষত্রের কারণে আমাদের বৃষ্টি দেওয়া হয়েছে” এবং সংক্রমনে বিশ্বাস করা; একশ উটের মাঝে একটি উট পাঁচড়াযুক্ত হলে বলা হয়, এ রোগ অন্য উটকে সংক্রমিত করেছে, (নবী ﷺ বললেন) তাহলে প্রথম উটকে কে সংক্রমিত করলো?”[1]



[1] আত তায়ালিসী: ২৩৯৫; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৫৫; তিরমিযী: ১০০১; বাযযার: ৮০০; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/১৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৮৩৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (735). * [عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ] قال الشيخ: هو ابن بُحير الحافظ الثبت، أكثرَ المُصَنِّفُ عنه، وله تَرجَمةٌ في «سير الذهبي» (14/ 405). ومن فوقه ثقاتٌ رجال الشيخين، وهو إسنادٌ عَزِيز، غير إسناد الترمذي المُخَرَّج في «الصحيحة». * [أَبُو عَامِرٍ] قال الشيخ: وهو عبد الملك بن عمرو القَيْسيّ العقدي.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3143)


3143 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ سَلَّامٍ، عَنْ أَبِي سَلَّامٍ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَرْبَعٌ فِي أُمَّتِي مِنْ أَهْوَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ لَا يَتْرُكُونَهُنَّ: الْفَخْرُ فِي [ص:413] الْأَحْسَابِ، وَالطَّعْنُ فِي الْأَنْسَابِ، وَالِاسْتِسْقَاءُ بِالنُّجُومِ، وَالنِّيَاحَةُ، وَالنَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبْلَ مَوْتِهَا يُقَامُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَيْهَا سِرْبَالٌ مِنْ قَطِرَانٍ وَدِرْعٌ مِنْ جَرَبٍ»
رقم طبعة با وزير = (3133)




আবূ মালিক আল আশ‘আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমার উম্মতের মাঝে জাহেলী যুগের প্রবৃত্তির চাহিদামূলক চারটি কাজ থাকবে; তারা এগুলো পরিত্যাগ করবে না। সেগুলো হলো বংশীয় অহমিকা, বংশ তুলে গালি দেওয়া, নক্ষত্ররাজির মাধ্যমে বৃষ্টি প্রার্থনা করা এবং বিলাপ করা। বিলাপকারিনী নারী, যদি মৃত্যুর আগে তাওবা করে মারা না যায়, তবে কিয়ামতের দিন তাকে দাঁড় করানো হবে এমন অবস্থায় যে, তার পরিধানে থাকবে আল কাতরার পাজামা ও পাঁচড়াযুক্ত ওড়না!”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪২; সহীহ মুসলিম: ৯৩৪; তাবারানী: ৩/৩৪২৬; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৩; বাগাবী: ১৫৩৩; হাকিম: ১/৩৮৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৬৮৬; ইবনু মাজাহ: ১৫৮১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৭৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (734)، «الأحكام» (39).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3144)


3144 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: [ص:414] قَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ: لَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ: غَرِيبٌ فِي أَرْضِ غُرْبَةٍ، لَأَبْكِيَنَّ بُكَاءً يُتَحَدَّثُ عَنْهُ، وَكُنْتُ قَدْ هَيَّأْتُ الْبُكَاءُ عَلَيْهِ، إِذْ أَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الْمُسْعِدَاتِ تُرِيدُ أَنْ تُسْعِدَنِي، فَاسْتَقْبَلَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: «تُرِيدِينَ أَنْ تُدْخِلِي الشَّيْطَانَ بَيْتًا أَخْرَجَهُ اللَّهُ مِنْهُ» قَالَتْ: فَكَفَفْتُ عَنِ الْبُكَاءِ، وَلَمْ أَبْكِ
رقم طبعة با وزير = (3134)




উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন আবূ সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারা যান, তখন আমি বললা, “এক প্রবাসী প্রবাসে মারা গেলো। আমি এমন কাঁদা কাঁদবো যে, তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর তার জন্য কান্নার প্রস্তুতিও গ্রহণ করি। এমন সময় এক মহিলা কান্নায় সহযোগিতা করতে আসে। তখন তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখা হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তুমি এমন ঘরে শয়তানকে প্রবেশ করাতে চাচ্ছো, যে ঘর থেকে আল্লাহ শয়তানকে বের করে দিয়েছেন।” উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর আমি কান্না করা থেকে বিরত থাকি। আমি আর মোটেও কান্না করিনি।”[1]



[1] তাবারানী: ২৩/৬০১; ‍মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯১; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৮৯; হুমাইদী: ২৯১; সহীহ মুসলিম: ৯২২; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3145)


3145 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ: لَمَّا نَزَلَتْ {إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ} [الممتحنة: 12] إِلَى قَوْلِهِ: {وَلَا يَعْصِينَكَ فِي مَعْرُوفٍ} [الممتحنة: 12] قَالَتْ: كَانَ مِنْهُ النِّيَاحَةُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا آلَ فُلَانٍ، فَإِنَّهُمْ قَدْ كَانُوا أَسْعَدُونِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَلَابُدَّ لِي [ص:415] مِنْ أَنْ أُسْعِدَهُمْ، فَقَالَ: «إِلَّا آلَ فُلَانٍ»
رقم طبعة با وزير = (3135)




উম্মু আতিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয়, إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ (যখন মুমিনা নারীগণ বাইয়াত করার জন্য আপনার কাছে আসে ...। -সূরা মুমতাহিনাহ: ১২) এই পর্যন্ত وَلَا يَعْصِينَكَ فِي مَعْرُوفٍ (আর তারা সৎ কাজে আপনার অবাধ্য হবে না। -সূরা মুমতাহিনাহ: ১২), উম্মু আতিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “বিলাপ করার বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ওমুক পরিবার ব্যতীত। কেননা তারা জাহেলী যুগে আমার কাঁদার কাজে সহযোগিতা করেছিল। কাজেই আমাকে অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করতে হবে।” তখন তিনি বলেন, “ঠিক আছে, ঐ পরিবার বাদে।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৮৯; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০৭; সহীহ মুসলিম: ৯৩৬; তাবারানী: ২৫/১৩৬; হাকিম: ১/৩৮৩; সহীহুল বুখারী: ৪৮৯২; সুনান বাইহাকী: ৪/৬২; নাসাঈ: ৭/১৪৮-১৪৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আন নাসাঈ: ৩৮৯৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح النسائي» (3895).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3146)


3146 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: أَخَذَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَلَى النِّسَاءِ حَيْثُ بَايَعَهُنَّ أَنْ لَا يَنُحْنَ، فَقُلْنَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ نِسَاءً أَسْعَدْنَنَا فِي [ص:416] الْجَاهِلِيَّةِ، فَنُسْعِدُهُنَّ فِي الْإِسْلَامِ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا إِسْعَادَ فِي الْإِسْلَامِ، وَلَا شِغَارَ فِي الْإِسْلَامِ، وَلَا عَقْرَ فِي الْإِسْلَامِ، وَلَا جَلَبَ، وَلَا جَنَبَ وَمَنِ انْتَهَبَ فَلَيْسَ مِنَّا»
رقم طبعة با وزير = (3136)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “মেয়েরা যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বাইয়াত গ্রহণ করে, তখন তিনি তাদের কাছে এই অঙ্গিকার গ্রহণ করেন যে, তারা কারো মৃত্যুতে বিলাপ-আহাজারী করবে না। তখন নারীরা বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কিছু নারী আমাদেরকে জাহেলী যুগে সহযোগিতা করেছে, আমরা কি তাদেরকে ইসলামে আসার পর সহযোগিতা করবো?” জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইসলামে কান্নার কাজে কোন সহযোগিতা নেই, ইসলামে শিগার (এক পক্ষের কোন নারীকে বিবাহ দিয়ে মোহর হিসেবে অন্য পক্ষের কোন মেয়েকে প্রথম পক্ষের কারো সাথে বিবাহ দেওয়া। ঊভয় বিবাহেই কোন মোহর থাকে না) নেই, ইসলামে কোন আকার (কোন দানশীল ব্যক্তির কবরে পশু জবাই করে রেখে দেয়, যাতে সেগুলো পশু-পাখি খেতে পারে, সে যে বেঁচে থাকতে মানুষকে খাওয়াতো, সেটা যেন মরণের পরেও অব্যাহত থাকে), কোন জালাব (যাকাতযোগ্য পশুর যাকার দেওয়ার জন্য পশুকে যাকাত উসূলকারীর কাছে আনা যাবে না) নেই, নেই কোন জানাব (উটের মালিককে দূরে নিয়ে যাওয়া যাবে না। বরং পশুর যাকাত পশু অবস্থানের জায়গায় গ্রহণ করতে হবে)। আর যে ব্যক্তি লুন্ঠন করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৬৯০; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৯৭; নাসাঈ: ৪/১৬; সুনান বাইহাকী: ৪/৬২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মিশকাত: ২৯৪৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «المشكاة» (2947).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (3147)


3147 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، بِحَرَّانَ قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا جَاءَ نَعْيُ زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ، وَجَعْفَرٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَوَاحَةَ جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يُعْرَفُ فِي وَجْهِهِ الْحُزْنُ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ: هَذِهِ نِسَاءُ جَعْفَرٍ يَنُحْنَ عَلَيْهِ، وَقَدْ أَكْثَرْنَ بُكَاءَهُنَّ، قَالَ: فَأَمَرَهُ أَنْ يَنْهَاهُنَّ، فَمَكَثَ شَيْئًا ثُمَّ رَجَعَ، فَذَكَرَ أَنَّهُ نَهَاهُنَّ، فَأَبَيْنَ أَنْ يُطِعْنَهُ، فَأَمَرَهُ الثَّانِيَةَ أَنْ يَنْهَاهُنَّ، قَالَ: فَذَكَرَ أَنَّهُ قَدْ غَلَبْنَهُ قَالَ: «فَاحْثُ فِي وُجُوهِهِنَّ التُّرَابَ». قَالَتْ عَمْرَةُ: فَقَالَتْ عَائِشَةُ عِنْدَ ذَلِكَ: «أَرْغَمَ اللَّهُ بِآنَافِهِنَّ، وَاللَّهِ مَا تَرَكْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَا أَنْتَ بِفَاعِلٍ»
رقم طبعة با وزير = (3137)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন যাইদ বিন হারিসা, জা‘ফর বিন আবী তালিব ও আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমদের মৃত্যু সংবাদ আসলো, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসেন, এমন অবস্থায় তাঁর চেহারায় দুঃখিত হওয়ার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছিল। এসময় এক ব্যক্তি এসে বলেন, “জা‘ফর বিন আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর পরিবারের নারীরা বিলাপ করছে এবং অত্যধিক কান্না করছে।” রাবী বলেন, “তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে (কান্না-বিলাপ করতে) বারণ করার জন্য তাকে আদেশ করেন। তারপর সেই ব্যক্তি কিছুক্ষন পর ফিরে এসে বলেন যে, তিনি তাদেরকে নিষেধ করেছেন কিন্তু তারা তার কথা মানেননি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দ্বিতীয়বার তাদেরকে নিষেধ করার আদেশ দেন। রাবী বলেন, “সেই ব্যক্তি আবারো এসে বলেন যে, তারা তাকে পরাভূত করেছে। তখন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তবে তাদের মুখে তুমি মাটি নিক্ষেপ করো!” আমরাহ বলেন, “তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আল্লাহ তাদের নাকগুলোকে ধুলোমলিন করুন। আল্লাহর কসম, তুমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ছাড়ছো না আবার নিজেও কিছু করতে পারছো না!” [1]



[1] সহীহুল ‍বুখারী: ১২৯৯; সহীহ মুসলিম: ৯৩৫; সুনান বাইহাকী: ৪/৫৯; নাসাঈ: ৪/১৪-১৫; আবূ দাঊদ: ৩১২২; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৭৬-২৭৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২৭৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2734): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (3148)


3148 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الرَّيَّانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةِ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ، عَنِ أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ، أَنَّهَا قَالَتْ: لَمَّا أُصِيبَ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «تَسَلَّمِي ثَلَاثًا، ثُمَّ [ص:419] اصْنَعِي بَعْدُ مَا شِئْتِ»
رقم طبعة با وزير = (3138) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «تَسَلَّمِي ثَلَاثًا» لَفْظَةُ أَمْرٍ قُرِنَتْ بِعَدَدٍ مَوْصُوفٍ قُصِدَ بِهِ الْحَسْمُ عَمَّا لَا يَحِلُّ اسْتِعْمَالٌ فِي ذَلِكَ الْعَدَدِ، قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اصْنَعِي بَعْدُ مَا شِئْتِ» لَفْظَةُ أَمْرٍ قُصِدَ بِهِ الِإبَاحَةُ فِي ظَاهِرِ الْخَطَّابِ، مُرَادُهَا الزَّجْرُ عَنِ اسْتِعْمَالِ مَا أَمَرَ بِهِ، يُرِيدُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَوْلِهِ مَا وَصَفْتُ التَّسْلِيمَ لِأَمْرِ اللَّهِ جَلَّ وَعَلَا فِي الْأَيَّامِ الثَّلَاثِ وَقَبْلَهَا وَبَعْدَهَا




আসমা বিনতু উমাইস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন জা‘ফর বিন আবী তালিব শাহাদাত বরণ করেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করে বলেন, “তুমি তিনদিন শোকের পোশাক পরবে। তারপর এরপর যা ইচ্ছা করো ”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “তুমি তিনদিন শোকের পোশাক পরবে” এটি একটি নির্দেশসূচক শব্দ, যার সাথে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা যুক্ত হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যক দিনগুলোতে যা করা বৈধ নয়, তা বাদ দেওয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “ তারপর এরপর যা ইচ্ছা করো” এই বক্তব দ্বারা বাহ্যিকভাবে বৈধতা বুঝা যায়। কিন্তু এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যা তিনি আদেশ করেছেন, তা প্রতিপালন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা। সুতরাং বর্ণিত বাক্য দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উদ্দেশ্য হলো ঐ তিন দিন, তার আগে ও পরে আল্লাহর নির্দেশের কাছে আত্নসমর্পন করা।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৬৯; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ৩/৭৫; তাবারানী: ২৪/৩৬৯; সুনান বাইহাকী: ৭/৪৩৮; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/১৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৩২২৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (3226).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (3149)


3149 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ مِنَّا مَنْ [ص:421] ضَرَبَ الْخُدُودَ، وَشَقَّ الْجُيُوبَ، وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ»
رقم طبعة با وزير = (3139)




আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ঐ ব্যক্তি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে গালে আঘাত করে, জামার পকেট ছিঁড়ে ফেলে এবং জাহেলী যুগের লোকদের ন্যায় চিৎকার করে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৪৩২; সহীহুল বুখারী: ২১৯৭; সহীহ মুসলিম: ১০৩; ইবনু মাজাহ: ১৫৮৪; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৩; বাগাবী: ১৫৩৩; তিরমিযী: ৯৯৯; নাসাঈ: ৪/২০; ইবনুল জারূদ: ৫১৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» (42): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (3150)


3150 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الْفُضَيْلِ، عَنْ أَبِي حَرِيزٍ، أَنَّ أَبَا بُرْدَةَ، حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا مُوسَى حِينَ حَضَرَهُ الْمَوْتُ قَالَ: «إِذَا انْطَلَقْتُمْ [ص:422] بِجِنَازَتِي، فَأَسْرِعُوا الْمَشْيَ وَلَا تُتْبِعُونِي بِجَمْرٍ، وَلَا تَجْعَلُوا عَلَى لَحْدِي شَيْئًا يَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ التُّرَابِ، وَلَا تَجْعَلُوا عَلَى قَبْرِي بِنَاءً، وَأُشْهِدُكُمْ أَنِّي بَرِيءٌ مِنْ كُلِّ حَالِقَةٍ أَوْ سَالِقَةٍ أَوْ خَارِقَةٍ»، قَالُوا: سَمِعْتَ فِيهِ شَيْئًا؟ قَالَ: نَعَمْ، مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3140)




আবূ বুরদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আবূ মুসা আশ‘আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, “যখন তোমরা আমার জানাযা নিয়ে যাবে, তখন তোমরা দ্রুত গতিতে হেঁটে যাবে, আমার সাথে কোন আগুনের অঙ্গার সাথে নিবে না, আমার বগলি কবরে আমার মাঝে ও মাটির মাঝে কোন কিছু রাখবে না এবং আমার কবরের উপর কোন স্থাপনা নির্মাণ করবে না। আমি তোমাদেরকে সাক্ষ্যি রেখে বলছি, “নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক মাথা মুন্ডনকারিনী, উচ্চ আওয়াজে বিলাপকারিনী ও কাপড় বিদীর্ণকারিনী থেকে মুক্ত।” লোকজন বললো, “আপনি কি এই ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোন কিছু শ্রবণ করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯৭; ইবনু মাজাহ: ১৪৮৭; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২২৬; আবূ দাঊদ: ৩১৭১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» (43): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن









সহীহ ইবনু হিব্বান (3151)


3151 - أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ مُسْلِمٍ بِفَرْهَاذْجِرْدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجُعْفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خَالِدٍ الْأَحْدَبِ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ، قَالَ: لَمَّا حَضَرَ أَبُو مُوسَى، صَاحُوا عَلَيْهِ فَقَالَ: قَالَ [ص:423] النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ مِنَّا مَنْ سَلَقَ، وَلَا خَرَقَ وَلَا حَلَقَ»
رقم طبعة با وزير = (3141)




সাফওয়ান বিন মুহরিয থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন আবূ মুসা আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুমূর্ষু অবস্থায় পৌঁছেন, তখন লোকজন চিৎকার করেন। সেসময় আবূ মুসা আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি উচ্চ আওয়াজে বিলাপ করে, কাপড় ছিঁড়ে ফেলে ও মাথার চুল মুন্ডন করে।”[1]



[1] নাসাঈ: ৪/২০; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে উত্তম বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» -أيضا-: ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده جيد









সহীহ ইবনু হিব্বান (3152)


3152 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُخَيْمِرَةَ، حَدَّثَهُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ بْنُ أَبِي مُوسَى، قَالَ: وَجِعَ أَبُو مُوسَى، وَجَعَلَ يُغْمَى عَلَيْهِ، وَرَأْسُهُ فِي حِجْرِ امْرَأَةٍ مِنْ أَهْلِهِ، فَصَاحَتِ امْرَأَةٌ، فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَرُدَّ عَلَيْهَا شَيْئًا، فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ: أَنَا بَرِيءٌ مِمَّنْ بَرِئَ مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «بَرِئَ مِنَ الْحَالِقَةِ، وَالسَّالِقَةِ، وَالشَّاقَّةِ»
رقم طبعة با وزير = (3142)




আবূ বুরদাহ বিন আবূ মুসা আশআরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন আবূ মুসা আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পীড়িত হন এবং বারবার জ্ঞান হারাতে থাকেন, সেসময় তার মাথা তার পরিবারের এক নারীর কোলে ছিল, তখন এক নারী চিৎকার করেন। কিন্তু আবূ মুসা আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার কোন প্রতিবাদ করতে পারলেন না। অতঃপর যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পান, তখন বলেন, “আমি ঐ ব্যক্তি থেকে মুক্ত, যার থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুক্ত। নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মুন্ডনকারিনী, উচ্চ আওয়াজে বিলাপকারিনী ও কাপড়-চোপড় বিদীর্ণকারিনী থেকে মু্ক্ত ছিলেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১২৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪; আবূ আওয়ানা: ১/৫৬-৫৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৪; নাসাঈ: ৪/২০; ইবনু মাজাহ: ১৫৮৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» -أيضا-: ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3153)


3153 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَوْفٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُتَيٍّ، قَالَ: رَأَيْتُ أُبَيًّا رَأَى رَجُلًا تَعَزَّى بِعَزَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ، فَأَعَضَّهُ [ص:425] وَلَمْ يَكُنْ، ثُمَّ قَالَ: قَدْ أَرَى فِي أَنْفُسِكُمْ - أَوْ فِي نَفْسِكَ - إِنِّي لَمْ أَسْتَطِعْ إِذَا سَمِعْتُهَا أَنْ لَا أَقُولَهَا، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ تَعَزَّى بِعَزَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ فَأَعِضُّوهُ وَلَا تَكْنُوا»
رقم طبعة با وزير = (3143)




উতাই রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি উবাই রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি, তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সেই ব্যক্তি জাহেলী যুগের লোকদের ন্যায় সান্ত্বনা দিচ্ছে, তখন তিনি তাকে (তার বাবার লজ্জাস্থান) কামড়াতে বলেন; এই কথা তিনি সরাসরি বলেন, আকার-ইঙ্গিতে বলেননি। তারপর তিনি বলেন, “আমি দেখছি তুমি অথবা তোমরা মনে কষ্ট পেয়েছো। আমি তোমাদের থেকে যখন এরকম কথা শুনেছি, তখন আমি এরকম না বলে পারি নাই। আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা কাউকে জাহেলী যুগের লোকদের ন্যায় কাউকে সান্ত্বনা দিতে দেখবে, তখন তোমরা তাকে (তার বাবার লজ্জাস্থান) কামড়াতে বলবে। এরকম কথা (তোমরা স্পষ্টভাবে বলবে) আকার-ইঙ্গিতে বলবে না।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৯৬; নাসাঈ: ৪/২১; আত তায়ালিসী: ৫০৭; আবূ দাঊদ: ৩১৩০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২৮৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৬৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (269).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3154)


3154 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِي حَرْبِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى النَّخَعِيِّ، أَنَّ أَبَا مُوسَى الْأَشْعَرِيَّ، قَالَ: يَا أُمَّ عَبْدِ اللَّهِ أَلَا أُخْبِرُكِ [ص:426] بِمَا لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ: بَلَى، قَالَ: «لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ حَلَقَ، أَوْ خَرَقَ، أَوْ سَلَقَ»
رقم طبعة با وزير = (3144)




আব্দুল আ‘লা আন নাখঈ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আবূ মুসা আল আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “হে উম্মু আব্দুল্লাহ, আমি কি তোমাকে বলবো না যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি অভিসম্পাত করেছেন?” জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ। অবশ্যই।” আবূ মুসা আল আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন ঐ ব্যক্তির উপর, যে মাথা মুন্ডন করে অথবা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে অথবা উচ্চ আওয়াজে বিলাপ করে।”[1]



[1] শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আন নাসাঈ: ১৭৬১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح سنن النسائي» (1761).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات غير عبد الأعلى النخعي فإنه لم يوثقه غير المؤلف









সহীহ ইবনু হিব্বান (3155)


3155 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:427] عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ، تَقُولُ: «لَمَّا جَاءَ نَعْيُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، وَزَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَوَاحَةَ، جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يُعْرَفُ فِي وَجْهِهِ الْحُزْنُ، قَالَتْ عَائِشَةُ: وَأَنَا أَطَّلِعُ مِنْ شَقِّ الْبَابِ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ نِسَاءَ جَعْفَرٍ قَدْ كَثُرَ بُكَاؤُهُنَّ، فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَنْهَاهُنَّ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَذَهَبَ الرَّجُلُ، ثُمَّ جَاءَ، فَقَالَ: قَدْ نَهَيْتُهُنَّ وَإِنَّهُنَّ لَمْ يَطِعْنَنِي، حَتَّى كَانَ فِي الثَّالِثَةِ، فَزَعَمَتْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: » احْثُ فِي أَفْوَاهِهِنَّ التُّرَابَ «، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ: أَرْغَمَ اللَّهُ بِأَنْفِكَ، مَا أَنْتَ بِفَاعِلٍ مَا يَذْكُرُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3145)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন যাইদ বিন হারিসা, জা‘ফর বিন আবী তালিব ও আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমদের মৃত্যু সংবাদ আসলো, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসেন, এমন অবস্থায় তাঁর চেহারায় দুঃখিত হওয়ার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছিল। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তিনি বলেন, “আমি দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছিলাম। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে বলেন, “জা‘ফর বিন আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রীরা প্রচুর কান্না করছে।” রাবী বলেন, “তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে (কান্না-বিলাপ করতে) বারণ করার জন্য তাকে আদেশ করেন। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তিনি বলেন, “তারপর সেই ব্যক্তি চলে যায়, অতঃপর কিছুক্ষন পর ফিরে এসে বলেন, “আমি তাদেরকে নিষেধ করেছি কিন্তু তারা আমার কথা মানেননি। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বলেন, “এভাবে তৃতীয়বারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, “তবে তাদের মুখে তুমি মাটি নিক্ষেপ করো!” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তিনি বলেন, “আল্লাহ তোমার নাককে ধুলোমলিন করুন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলছেন, তা তুমি পালন করতে পারছো না!” [1]



[1] সহীহুল ‍বুখারী: ১২৯৯; সহীহ মুসলিম: ৯৩৫; সুনান বাইহাকী: ৪/৫৯; নাসাঈ: ৪/১৪-১৫; আবূ দাঊদ: ৩১২২; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৭৬-২৭৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২৭৩৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (3137). تنبيه!! رقم (3137) = (3147) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3156)


3156 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْهُذَلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جَابِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، وَغَيْرُهُ، [ص:428] عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَعَنَ الْخَامِشَةَ وَجْهَهَا، وَالشَّاقَّةَ جَيْبَهَا، وَالدَّاعِيَةَ بِالْوَيْلِ «
رقم طبعة با وزير = (3146)




আবূ উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন ঐ নারীর উপর, যে তার চেহারাতে আঘাত করে, কাপড়ের ছিঁড়ে ফেলে এবং ধ্বংসের দু‘আ করে।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২৯০; ইবনু মাজাহ: ১৫৮৫; তাবারানী আল কাবীর: ৮/৭৫৯১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২১৪৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2147).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3157)


3157 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي وَهْبُ بْنُ كَيْسَانَ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَمْرٍو، أَخْبَرَهُ، أَنَّ سَلَمَةَ بْنَ الْأَزْرَقِ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ ابْنِ عُمَرَ، فَأُتِيَ بِجِنَازَةٍ يُبْكَى عَلَيْهَا، فَعَابَ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ، وَانْتَهَرَهُنَّ، فَقَالَ سَلَمَةُ بْنُ الْأَزْرَقِ: أَشْهَدُ عَلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ: مُرَّ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِجِنَازَةٍ، وَأَنَا [ص:429] مَعَهُ، وَمَعَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، وَنِسَاءٌ يَبْكِينَ عَلَيْهَا، فَزَجَرَهُنَّ، وَانْتَهَرَهُنَّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «دَعْهُنَّ يَا عُمَرُ، فَإِنَّ الْعَيْنَ دَامِعَةٌ، وَالنَّفْسَ مُصَابَةٌ، وَالْعَهْدَ قَرِيبٌ».
رقم طبعة با وزير = (3147) قَالَ ابْنُ عُمَرَ: «فَاللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ»




সালামাহ বিন আযরাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার সাথে বসে ছিলাম। অতঃপর একটা জানাযা আনা হলো, যার জন্য কাঁদা হচ্ছিল। তখন আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এর নিন্দা করেন এবং তাদেরকে ধমক দেন। তখন সালামাহ বিন আযরাক বলেন, আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি যে, আমি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশ দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হয়, এসময় আমি ও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সাথে ছিলাম। নারীরা মৃত ব্যক্তির জন্য কান্না করছিলেন। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে ধমক দেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “উমার, ওদেরকে ছাড়ুন। কেননা নিশ্চয়ই চক্ষু অশ্রু বিসর্জন দেয়, মন ব্যথাতুর আর প্রিয়জন হারানোর সময়টিও অতিসম্প্রতি।” জবাবে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই ভালো জানেন।”[1]



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৬৭৪; সুনান বাইহাকী: ৪/৭০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯৫; ইবনু মাজাহ: ১৫৮৭; মুসনাদ আহমাদ: ২/১১০; নাসাঈ: ৪/১৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফা: ৩৬০৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «المشكاة» (1747)، «الضعيفة» (3603).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (3158)


3158 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَتَيْتُهُ بِابْنَةِ [ص:430] زَيْنَبَ وَنَفْسُهَا تَقَعْقَعُ كَأَنَّهَا فِي شَنٍّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لِلَّهِ مَا أَخَذَ، وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلٌّ إِلَى أَجَلٍ» قَالَ: فَدَمَعَتْ عَيْنَاهُ، فَقَالَ لَهُ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَرِقُّ، أَوْلَمْ تَنْهَ عَنِ الْبُكَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا هِيَ رَحْمَةٌ جَعَلَهَا اللَّهُ فِي قُلُوبِ عِبَادِهِ، وَإِنَّمَا يَرْحَمُ اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الرُّحَمَاءَ»
رقم طبعة با وزير = (3148)




উসামাহ বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেন, ফলে আমি তাঁর কাছে যায়নাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার মেয়েকে নিয়ে আসি, এসময় তার প্রাণ পুরাতন মশকে (পানি ঢালার) ন্যায় আওয়াজ করছিল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যা তিনি গ্রহণ করেন, সেটা তাঁরই জন্য এবং তিনি যা প্রদান করেন, সেটাও কেবল তাঁরই জন্য। আর প্রত্যেকের জন্য একটি নির্ধারিত সময় রয়েছে। অতঃপর তাঁর চোখ অশ্রুসজল হয়ে যায়। তখন সা‘দ বিন উবাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আপনিও কান্না করছেন, আপনি কি কান্না করতে নিষেধ করেননি?” জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “নিশ্চয়ই এটা দয়ার বহিঃপ্রকাশ, আল্লাহ এটি তাঁর বান্দাদের অন্তরে রেখে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাঝে দয়াশীলদের প্রতিই দয়া করেন।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/২০৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৩৯২-৩৯৩; সহীহ মুসলিম: ৯২৩; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৮; আত তায়ালিসী: ৬৩৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৬৭০; সহীহুল ‍বুখারী: ১২৮৪; নাসাঈ: ৪/২১-২২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩১৪৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3159)


3159 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ: اشْتَكَى سَعْدٌ شَكْوَى، فَأَتَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُهُ مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَسَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، فَلَمَّا دَخَلَ وَجَدَهُ فِي غَشْيَتِهِ، فَقَالَ: قَدْ قَضَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَبَكَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا بَكَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بَكَوْا، فَقَالَ: «أَلَا تَسْمَعُونَ إِنَّ اللَّهَ جَلَّ وَعَلَا لَا يُعَذِّبِ بِدَمْعِ الْعَيْنِ، وَلَا بِحُزْنِ الْقَلْبِ، وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا أَوْ يَرْحَمُ» - وَأَشَارَ إِلَى لِسَانِهِ -
رقم طبعة با وزير = (3149)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “সা‘দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন পীড়িত হন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুর রহমান বিন আওফ, সা‘দ বিন আবী ওয়াক্কাস ও আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমকে সাথে নিয়ে তাকে দেখতে যান। যখন তিনি সেখানে প্রবেশ করেন, তাকে তিনি মুর্ছা অবস্থায় দেখতে পান। তিনি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আয়ূ শেষ হয়ে গেছে!” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদে ফেলেন। যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁদেন, তখন সাহাবীগণও কাঁদেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা কি শুনছো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ চোখের অশ্রু বিসর্জন ও অন্তরের দুঃখিত হওয়ার কারণে শাস্তি প্রদান করেন না। বরং এর কারণে তিনি শাস্তি দেন অথবা দয়া করেন।” এই বলে তিনি তাঁর জিহবার দিকে ইশারা করেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৩০৪; সহীহ মুসলিম: ৯২৪; সুনান বাইহাকী: ৪/৬৯; বাগাবী: ১৫২৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৭৬৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (767).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3160)


3160 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، [ص:432] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ ابْنُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، صَاحَ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ هَذَا مِنَّا، لَيْسَ لِصَارِخٍ حَظٌّ، الْقَلْبُ يَحْزَنُ، وَالْعَيْنُ تَدْمَعُ، وَلَا نَقُولُ مَا يُغْضِبُ الرَّبَّ»
رقم طبعة با وزير = (3150)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছেলে যখন মারা যায়, তখন উসামাহ বিন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু চিৎকার করে ওঠেন। এটা দেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এ আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। চিৎকারকারীর জন্য সাওয়াবের কোন অংশ নেই। অন্তর ব্যথাতুর হয়, চক্ষু অশ্রু বিসর্জন দেয় তবে আমরা এমন কিছু বলি না, যা আমাদের প্রভুকে অসন্তুষ্ট করে।”[1]



[1] হাকিম: ১/৩৮২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৩৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «الأحكام» (ص 39).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن