হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1101)


أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ كَانَ لَا يَرَى بَأْسًا أَنْ تُوَضِّئَ الْحَائِضُ الْمَرِيضَ




১১০১. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, হায়িযগ্রস্ত মহিলা কর্তৃক অসুস্থ ব্যক্তিকে ওযু করানোকে ইবরাহীম রাহি. দোষণীয় মনে করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সামনে ১১১০ (অণুবাদে ১১০৪) নং এ আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (1102)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَغْسِلُ رَأْسَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا حَائِضٌ




১১০২. আল-আসওয়াদ হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাথা ধুয়ে দিতাম, অথচ তখন আমি ছিলাম হায়িযগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান জা’ফর ইবনুল হারিস এর কারণে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: বুখারী নং ৩০১; মুসলিম ২৯৭; সহীহ আবী আউয়ানাহ ১/৩১৩ সহীহ সনদে। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৬৭৮, ৩৬৭৯। এবং পরবর্তী হাদীসটি এবং বিগত ১০৯৮, ১০৯৯, ১১০৬ (অনুবাদে ১০৯২, ১০৯৩, ১১০০) নং হাদীসগুলি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1103)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ تَمِيمِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ لَقَدْ كُنْتُ أَغْسِلُ رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا حَائِضٌ وَهُوَ عَاكِفٌ




১১০৩. উরওয়াহ হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাথা ধুয়ে দিয়েছি, অথচ তখন আমি ছিলাম হায়িযগ্রস্ত, আর তিনি ছিলেন ই’তিকাফরত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ১১০৬ (অনুবাদে ১১০০) নং এ। আগের হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1104)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ مُغِيرَةَ قَالَ أَرْسَلَ أَبُو ظَبْيَانَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ يَسْأَلُهُ عَنْ الْحَائِضِ تُوَضِّئُ الْمَرِيضَ قَالَ نَعَمْ وَتُسْنِدُهُ قَالَ لَا فَقُلْتُ لِلْمُغِيرَةِ سَمِعْتَهُ مِنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا قَالَ عَبْد اللَّهِ وَتُسْنِدُهُ يَعْنِي فِي الصَّلَاةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




১১০৪. শু’বাহ বলেন, আমি মুগীরাহকে বলতে শুনেছি, আবী যুবইয়ান এক ব্যক্তিকে ইবরাহীম রাহি. এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন যে, হায়িযগ্রস্ত মহিলা অসুস্থ ব্যক্তিকে ওযু করাতে পারবে কি-না?

তিনি বললেন: হাঁ।’ (তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো,) ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি? তিনি বলেন: না।

তখন আমি (শু’বাহ) মুগীরাহকে বললাম, আপনি কি একথা ইবরাহীমের নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, না।[1]আব্দুল্লাহ বলেন: ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি?’-একথার অর্থ সালাতের মধ্যে (ঠেস দেওয়া সম্পর্কে)।

[1] তাহক্বীক্ব; ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১/২০২। এটি ১১০৭ (অনুবাদে ১১০২) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1105)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سُلَيْمَانُ أَخْبَرَنِي عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهَا نَاوِلِينِي الْخُمْرَةَ قَالَتْ إِنِّي حَائِضٌ قَالَ إِنَّهَا لَيْسَتْ فِي يَدِكِ




১১০৫. কাসিম আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেন, “আমাকে ‘খুমরাহ’ বা জায়নামাযটি এনে দাও।“ তখন তিনি বললেন যে, আমার তো হায়িয হয়েছে। তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “তা (তোমার হায়িয) তো আর তোমার হাতে হয়নি।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু আওয়ানাহ ১/৩১৩; সহীহ মুসলিম ২৯৮; আবু দাউদ ২৬১; নাসাঈ ২৭২, ২৭৩; তিরমিযী ১৩৪; এটি ৭৯৭ ((এটি ভূল, আসলে মুহাক্বিক্বের নুসখায় এটি ৭৯৮ নং এ রয়েছে-অনুবাদক)) ও ১১০৫ (অনুবাদে ৭৯১ ও ১০৯৯) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1106)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ امْرَأَةٍ حَائِضٍ شَرِبَتْ مِنْ مَاءٍ أَيُتَوَضَّأُ بِهِ فَضَحِكَ وَقَالَ نَعَمْ




১১০৬. কাছীর ইবনু শিনযীর হাসান রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, হায়িযগ্রস্ত মহিলা যে পানি থেকে পান করেছে, সেই পানি দ্বারা কি ওযু করা যাবে? তিনি হেঁসে বললেন, হাঁ।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৩৯১ সহীহ সনদে, অপর সনদে ৩৯৩; ইবনু আবী শাইবা ৩৪/১ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (1107)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حَرَامِ بْنِ مُعَاوِيَةَ عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ مُؤَاكَلَةِ الْحَائِضِ قَالَ وَاكِلْهَا




১১০৭. হারাম ইবনু হাকীম তাঁর চাচা আব্দুল্লাহ ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি হায়িযগ্রস্ত মহিলার সাথে আহার করা সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: “আর তুমি তার সাথে আহার করো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/৩৪২ ও ৫/২৯৩; তিরমিযী ১৩৩; ইবনু মাজাহ ৬৫১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৯/৫১; আরও দেখুন, আবু দাউদ ২১২; বাইহাকী ১/৩১২।

তিরমিযী বলেন: ‘এ অনুচ্ছেদে আয়িশা, আনাস রা: .... থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। এটি সকল আহলে ইলমগণের মত। তারা হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীলোকের সাথে খাওয়াকে দোষণীয় মনে করতেন না....।’

আর এ সম্পর্কে দ্বিতীয় হাদীসটি সামনে ১১১৫ (অনুবাদে ১১০৯) এ আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (1108)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ جَارِيَتَهُ أَنْ تُنَاوِلَهُ الْخُمْرَةَ مِنْ الْمَسْجِدِ فَتَقُولُ إِنِّي حَائِضٌ فَيَقُولُ إِنَّ حِيضَتَكِ لَيْسَتْ فِي كَفِّكِ فَتُنَاوِلُهُ




১১০৮. নাফিঈ’ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তার কোনো এক দাসীকে মসজিদ হতে জায়নামায নিয়ে আসার নির্দেশ দিতেন, আর সে দাসী বলতো, আমি তো হায়িযগ্রস্ত। তখন তিনি বলতেন, তোমার হায়িয তো আর তোমার হাতে লেগে নেই। তখন সে ওটা নিয়ে আসতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৬০ সহীহ সনদে। আরও দেখুন, আয়িশার হাদীস যা ১১১১ (১১০৫) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1109)


أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ بْنُ الْحَارِثِ عَنْ حَرَامِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عَمِّهِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ مُؤَاكَلَةِ الْحَائِضِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بَعْضَ أَهْلِي لَحَائِضٌ وَإِنَّا لَمُتَعَشُّونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ جَمِيعًا




১১০৯. হারাম ইবনু হাকীম তাঁর চাচা (আব্দুল্লাহ ইবনু সা’দ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি হায়িযগ্রস্ত মহিলার সাথে আহার করা সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: “আমার পরিবারের মহিলাদের মধ্যেও কারো হায়িয হয়েছে এবং ইনশা আল্লাহ আমরা রাতে একসাথে আহার করবো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ১১১৪ (এটিও ভূল, আসলে মুহাক্কিক্বের নুসখায় এটির ক্রম ১১১৩ অনুবাদে ১১০৭) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1110)


أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ لَا تَرَى بَأْسًا أَنْ تَمَسَّ الْحَائِضُ الْخُمْرَةَ




১১১০. আব্দুর রহমান ইবনু কাসিম তার পিতা কাসিম রাহি. হতে, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি হায়িযগ্রস্ত মহিলা কর্তৃক জায়নামায স্পর্শ করাকে দোষণীয় মনে করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আয়িশা রা: পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। তবে এটি মাওকুফ।

তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (1111)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَيُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ وَعَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ مُحَمَّدٌ وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ مُجَاهِدٍ فِي الْحَائِضِ إِذَا طَهُرَتْ مِنْ الدَّمِ لَا يَقْرَبُهَا زَوْجُهَا حَتَّى تَغْتَسِلَ




১১১১. উছমান ইবনুল আসওয়াদ মুজাহিদ রাহি. হতে বর্ণনা করেন ....[1]

(একই সনদে) ইউনূস হাসান রাহি. হতে ....[2]

(একই সনদে) আব্দুল মালিক, আতা রাহি. হতে .....[3]

মুহাম্মদ বলেন: এবং ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান, উছমান ইবনুল আসওয়াদ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, (তিনি বলেন,) হায়িযগ্রস্ত মহিলা যখন রক্তস্রাব হতে পবিত্র হবে, এরপর সে গোসল না করা পর্যন্ত তার স্বামী তার নিকটবর্তী হবে না।[4]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৩১০; ইবনু আবী শাইবা ১৯৬; তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৮৬।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯৬ হাসান সনদে।

[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯৬; আরও দেখুন, মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক নং ১২৪৫, ১২৭৩।

[4] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯৬ সহীহ সনদে; আগের টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1112)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ مُجَاهِدٍ مِثْلَهُ سَوَاءً




১১১২. উবাইদুল্লাহ ইবনু মূসা, উছমান ইবনুল আসওয়াদ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, এর অনুরূপ অভিন্ন (মত বর্ণনা করেছেন।)[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন। পরবর্তী ১১২২ (অনুবাদে ১১১৬) নং হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1113)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ سُئِلَ سُفْيَانُ أَيُجَامِعُ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِذَا انْقَطَعَ عَنْهَا الدَّمُ قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ فَقَالَ لَا فَقِيلَ أَرَأَيْتَ إِنْ تَرَكَتْ الْغُسْلَ يَوْمَيْنِ أَوْ أَيَّامًا قَالَ تُسْتَتَابُ




১১১৩. মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ বলেন, সুফিয়ান রাহি. কে জিজ্ঞেস করা হলো, যখন কোনো স্ত্রীলোকের (হায়িযের) রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, তখন সে গোসল করার পূর্বেই তার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে কি? তিনি বললেন: না। এরপর তাকে বলা হলো, সেই মহিলা যদি দু’দিন বা তারও অধিক দিন গোসল করা পরিত্যাগ করে, তাহলে এ ব্যাপারে আপনার মত কি? তিনি বললেন: তবে তাকে তাওবা করতে বলতে হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (1114)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ مُجَاهِدٍ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ قَالَ حَتَّى يَنْقَطِعَ الدَّمُ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ قَالَ إِذَا اغْتَسَلْنَ




১১১৪. মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ এক ব্যক্তি হতে, যিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর বাণী: “অতঃপর যতক্ষণ তারা পবিত্রতা লাভ না করবে, ততক্ষণ তাদের নিকটবর্তী হয়োনা।“ (সূরা বাকারাহ: ২২২) (এ আয়াত সম্পর্কে) তিনি (মুজাহিদ) বলেন, যখন রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। (আল্লাহর বাণী:) “অতঃপর যখন তারা পবিত্রতা লাভ করে“ (সুরা বাকারা: ২২২) (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) তিনি বলেন: যখন তারা গোসল করবে।[1]

[1] বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: পরের হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1115)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ حَتَّى يَطْهُرْنَ قَالَ إِذَا انْقَطَعَ الدَّمُ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ قَالَ اغْتَسَلْنَ




১১১৫. ইবনু নাজীহ হতে বর্ণিত, তিনি মুজাহিদ হতে, (“যতক্ষণ তারা পবিত্রতা লাভ না করবে“) (সূরা বাকারাহ: ২২২) তিনি বলেন: (এর অর্থ) যখন রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যাবে। (“অতঃপর যখন তারা পবিত্রতা লাভ করে...।“) (সুরা বাকারা: ২২২) তিনি বলেন: (এর অর্থ) যখন তারা গোসল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৮৫, ৩৮৬; আব্দুর রাযযাক (বিস্তারিতভাবে) নং ১২৭২; সহীহ সনদে। দেখুন, দুররে মানছুর ২/২৬০।









সুনান আদ-দারিমী (1116)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْأَسْوَدِ قَالَ سَأَلْتُ مُجَاهِدًا عَنْ امْرَأَةٍ رَأَتْ الطُّهْرَ أَيَحِلُّ لِزَوْجِهَا أَنْ يَأْتِيَهَا قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ قَالَ لَا حَتَّى تَحِلَّ لَهَا الصَّلَاةُ




১১১৬. উছমান ইবনুল আসওয়াদ বলেন, আমি ইবরাহীম রাহি. কে এমন এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, পবিত্রাবস্থা দেখতে পেলো। এমতাবস্থায় সে গোসল করার পূর্বে তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা হালাল কি? তিনি বললেন: না। যতক্ষণ না তার জন্য সালাত আদায় করা জায়িয হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯৬ সহীহ সনদে। দেখুন এরপূর্বের ১১১৭ (অনুবাদে ১১১১) নং হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1117)


أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ هُوَ ابْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ قَالَ سَأَلْتُ عَطَاءً وَمَيْمُونَ بْنَ مِهْرَانَ وَحَدَّثَنِي حَمَّادٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالُوا لَا يَغْشَاهَا حَتَّى تَغْتَسِلَ




১১১৭. হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ বলেন, আমি আতা ও মায়মুন ইবনু মিহরাণ কে প্রশ্ন করে জেনেছিলাম এবং হাম্মাদ ইবরাহীম রাহি. হতে আমার নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,[1] সে (স্বামী) তার (স্ত্রীর) গোসল না করা পর্যন্ত তার সাথে মিলিত হবে না।[2]



[1] ((এটি মুহাক্বিক্বের পরিবর্তন। মুল নুসখা এবং ফাতহুল মান্নানের বর্ণনামতে এখানে, ‘তিনি বললেন’ এর স্থানে ‘তারা বললেন’ রয়েছে। ফলে ফাতহুল মান্নানে, এটিকে আতা, মাইমুন ইবনু মিহরাণ ও ইবরাহীম- এ তিনজেনের মত আলাদাভাবে তিনটি হাদীস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা মুহাক্বিক্বের বর্ণনা অনুযায়ী, একটি হাদীস হিসেবে এবং আতা, মাইমুন ইবনু মিহরাণ ও হাম্মাদ হতে ইবরাহীম রাহি. এর মত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, আমরা সেভাবেই অনুবাদ করলাম।- অনুবাদক))

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: এটি ১১১৭ (অনুবাদে ১১১১) নং এ গত হয়েছে। পরবর্তী ১১২৭ (১১২১) নং হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1118)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يَطَأُ امْرَأَتَهُ وَقَدْ رَأَتْ الطُّهْرَ قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ قَالَ هِيَ حَائِضٌ مَا لَمْ تَغْتَسِلْ وَعَلَيْهِ الْكَفَّارَةُ وَلَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا مَا لَمْ تَغْتَسِلْ




১১১৮. হিশাম হতে বর্ণিত, এক মহিলা পবিত্রাবস্থা দেখতে পেয়েছে, এমতাবস্থায় সে গোসল করার পূর্বে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করলো। এ সম্পর্কে হাসান রাহি. বলেন, সে তো গোসল করার পূর্ব পর্যন্ত হায়িযগ্রস্ত বলে গণ্য। আর সে লোকটির উপর কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে। আর তার স্ত্রীর গোসল না করা পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর নিকট প্রত্যাগমন করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ১১১৭ (অনুবাদে ১১১১) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1119)


أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا يَغْشَاهَا زَوْجُهَا




১১১৯. ইউনুস থেকে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না (স্ত্রীর গোসল করার পূর্বে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৮৬ এবং এতে অতিরিক্ত রয়েছে যে, ‘যতক্ষণ সে গোসল না করে এবং তার জন্য সালাত আদায় করা হালাল না হয়।’ এর সনদও সহীহ। আরও দেখুন, ১১১৭ (অনুবাদে ১১১১) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1120)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ قَالَ سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ أَبِي حَبِيبٍ يَقُولُ قَالَ أَبُو الْخَيْرِ مَرْثَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيُّ قَالَ سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِيَّ يَقُولُ وَاللَّهِ إِنِّي لَا أُجَامِعُ امْرَأَتِي فِي الْيَوْمِ الَّذِي تَطْهُرُ فِيهِ حَتَّى يَمُرَّ يَوْمٌ




১১২০. আবুল খায়ের মারছাদ ইবনু আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উক্ববাহ ইবনু আমির আল জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর কসম! যেই দিনে আমার স্ত্রী পবিত্রতা লাভ করে, সেই দিনেই আমি আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হই না, যতক্ষণ একদিন গত না হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।