সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ تَرَى الطُّهْرَ أَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ قَالَ لَا حَتَّى تَغْتَسِلَ
১১২১. আব্দুল মালিক বর্ণনা করেন, কোনো এক মহিলা পবিত্রাবস্থা দেখতে পেলো। এমতাবস্থায় সে গোসল করার পূর্বে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? আতা রাহি. বললেন: না। যতক্ষণ না সে (স্ত্রী) গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১১১৭, ১১২৩ (অনুবাদে ১১১১, ১১১৭) নং এ গত হয়েছে। এছাড়া মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১২৪৫ নং হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ يَنْقَطِعُ عَنْهَا الدَّمُ قَالَ إِنْ أَدْرَكَهُ الشَّبَقُ غَسَلَتْ فَرْجَهَا ثُمَّ أَتَاهَا
১১২২. লাইছ ইবনু আবী সুলায়ম হতে, তিনি আতা হতে, কোনো মহিলার (হায়িযের) রক্তস্রাব বন্ধ হলো-এ সম্পর্কে তিনি (আতা) বলেন: যদি কামাসক্তি স্বামীকে পেয়ে বসে, তবে সে (স্ত্রী) তার গোপনাঙ্গ ধৌত করবে, তারপর তার স্বামী তার সাথে মিলিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, লাইছ ইবনু আবী সুলায়ম যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯৬।
أَخْبَرَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ قَالَ سَمِعْتُ شَرِيكًا وَسَأَلَهُ رَجُلٌ فَقَالَ الْمَرْأَةُ يَنْقَطِعُ عَنْهَا الدَّمُ أَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ فَقَالَ قَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ أَنَّهُ رَخَّصَ فِي ذَلِكَ لِلشَّبِقِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَخَافُ أَنْ يَكُونَ ذَا خَطَأً أَخَافُ أَنْ يَكُونَ مِنْ حَدِيثِ لَيْثٍ لَا أَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْمَلِكِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الشَّبِقُ الَّذِي يَشْتَهِي
১১২৩. ফুরওয়াহ ইবনু আবীল মাগরা’আ বলেন, আমি শারীক হতে শুনেছি, এক ব্যক্তি তাকে একথা জিজ্ঞেস করলো যে, এক স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় সে গোসল করার পূর্বে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? তিনি বললেন, আব্দুল মালিক আতা রাহি. হতে বর্ণনা করেছেন যে, কামাসক্তি (এর আধিক্য)-এর কারণে তিনি (আতা) এ ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন।[1]
আবু মুহাম্মদ বলেন, আমার আশংকা হয় যে, তিনি ভূল করেছেন। আমার আরও আশংকা হলো, এটি লাইছের হাদীস (যেটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে), আব্দুল মালিকের এ হাদীস আমি জানি না। আবু মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন, الشبق : যে ব্যক্তি (নারীসঙ্গ) কামনা করে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى قَالَ زَعَمَ لَنَا هُشَيْمٌ عَنْ أَبِي حُرَّةَ وَاصِلِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ رَأَيْتُ نِسَاءً مِنْ نِسَاءِ الْمَدِينَةِ يُصَلِّينَ فِي الْخِضَابِ
১১২৪. আবী হুররাহ ওয়াসিল ইবনু আব্দুর রহমান হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, আমি মদীনার নারীদেরকে দেখেছি, তারা খিযাব লাগানো অবস্থায় সালাত আদায় করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। হুশাইম মুদাল্লিস, আর এটি সে ‘আন‘আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া আবু হুররাহ সম্পর্কে বুখারী রা. বলেছেন: ‘হাসান হতে তার বর্ণিত হাদীসের ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে।’ আহমদ রাহি. বলেছেন:.... সে হাসান হতে শোনেননি।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَمَّنْ سَمِعَ عَائِشَةَ سُئِلَتْ عَنْ الْمَرْأَةِ تَمْسَحُ عَلَى الْخِضَابِ فَقَالَتْ لَأَنْ تُقْطَعَ يَدِي بِالسَّكَاكِينِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ ذَلِكَ
১১২৫. আবী নাজিহ কর্তৃক এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত, তিনি শুনেছেন, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা’কে এমন এক মহিলা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো যে খিযাব লাগায়। তখন তিনি বললেন: বরং ছুরি দিয়ে হাত কেটে ফেলাও আমার নিকট এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়।[1]
[1] এর সনদে জাহালত (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) রয়েছে। ((আবী নাজীহ ও আয়িশা রা: এর মাঝে একজন রাবী রয়েছে যার নাম উল্লেখ করা হয়নি।-অনুবাদক))
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২০; বাইহাকী ১/৭৭;
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْ عَائِشَةَ تُصَلِّي الْمَرْأَةُ فِي الْخِضَابِ قَالَتْ اسْلُتِيهِ وَرَغْمًا قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَبُو سَعِيدٍ هُوَ ابْنُ أَبِي الْعَنَبْسِ وَاسْمُ أَبِي الْعَنَبْسِ سَعِيدُ بْنُ كَثِيرِ بْنِ عُبَيْدٍ
১১২৬. আবী সাঈদ হতে বর্ণিত, এক মহিলা আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলেন যে, কোনো এক মহিলা খিযাব লাগিয়ে সালাত আদায় করে। (এর হুকুম কি?) তিনি বললেন: জোর করে হলেও তা ধুয়ে তুলে ফেলো।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন: আবু সাঈদ হলেন ইবনু আবীল আম্বাস। আর আবীল আম্বাসের নাম সাঈদ ইবনু কাছীর ইবনু উবাইদ।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১১৯; বাইহাকী ১/৭৭; দেখুন, আবী উবাইদ, গারীবুল হাদীস ৪/৩২৬ ...।
أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كُنَّ نِسَاؤُنَا يَخْتَضِبْنَ بِاللَّيْلِ فَإِذَا أَصْبَحْنَ فَتَحْنَهُ فَتَوَضَّأْنَ وَصَلَّيْنَ ثُمَّ يَخْتَضِبْنَ بَعْدَ الصَّلَاةِ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الظُّهْرِ فَتَحْنَهُ فَتَوَضَّأْنَ وَصَلَّيْنَ فَأَحْسَنَّ خِضَابَهُ وَلَا يَمْنَعُ مِنْ الصَّلَاةِ
১১২৭. আবী মিজলায হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, আমাদের স্ত্রীগণ রাত্রি বেলায় খিযাব লাগাত, এরপর যখন সকাল হতো, তখন তারা তা তুলে ফেলতো, অতঃপর ওযু করে সালাত আদায় করতো। তারপর সালাতের পরে তারা পূণরায় খিযাব লাগাতো, তারপর যখন যুহরের সময় নিকটবর্তী হতো, তখন তারা তা তুলে ফেলতো, অতঃপর ওযু করে সালাত আদায় করতো। খিযাব (রং) ও হতো সুন্দরতর, আর তা সালাত হতেও বিরত রাখতো না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২০; বাইহাকী ১/৭৭; আব্দুর রাযযাক নং ৭৯৩০; এটি সামনে ১১৩৫ (অনুবাদে ১১২৯) নং এও আসছে।
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ نِسَاءَ ابْنِ عُمَرَ كُنَّ يَخْتَضِبْنَ وَهُنَّ حُيَّضٌ
১১২৮. নাফিঈ’ রাহি. হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার স্ত্রীগণ খিযাব লাগাতেন, অথচ তখন তারা হায়িযগ্রস্ত থাকতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كُنَّ نِسَاؤُنَا إِذَا صَلَّيْنَ الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ اخْتَضَبْنَ فَإِذَا أَصْبَحْنَ أَطْلَقْنَهُ وَتَوَضَّأْنَ وَصَلَّيْنَ وَإِذَا صَلَّيْنَ الظُّهْرَ اخْتَضَبْنَ فَإِذَا أَرَدْنَ أَنْ يُصَلِّينَ الْعَصْرَ أَطْلَقْنَهُ فَأَحْسَنَّ خِضَابَهُ وَلَا يَحْبِسُ عَنْ الصَّلَاةِ
১১২৯. (অপর সনদে) আবী মিজলায হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, আমাদের স্ত্রীগণ যখন সর্বশেষ সালাত ঈশা’ আদায় করতো, তখন তারা খিযাব লাগাত। এরপর যখন সকাল হতো, তখন তারা তা তুলে ফেলতো, অতঃপর ওযু করে সালাত আদায় করতো। তারপর যখন zwj;যুহরের সালাত আদায় করতো, তখন তারা পূণরায় খিযাব লাগাতো, তারপর যখন আসরের সালাত আদায়ের ইচ্ছা করতো, তখন তারা তা তুলে ফেলতো। ফলে খিযাব (রং) ও হতো সুন্দরতর, আর তা সালাত হতেও তাদেরকে বিরত রাখতো না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১১৩৩(অনুবাদে ১১২৭) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ ح وَأَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ فِيمَنْ أَتَى أَهْلَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَا ذَنْبٌ أَتَاهُ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَيَتُوبُ إِلَيْهِ وَلَا يَعُودُ
১১৩০. মুগীরাহ ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণনা করেন, .....[1]
এবং ইসমাঈল ইবনু আবী খালিদ, আমীর রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে বলেন, তা (তার সাথে মিলিত হওয়া) গুনাহের কাজ হয়েছে। সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তাঁর নিকট তাওবা করবে। আর সে এ কাজের পুনরাবৃত্তি করবে না।[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২; আব্দুর রাযযাক নং ১২৬৮ ইবরাহীম বলেন, তার উপর কোনো কিছুই ওয়াজিব নয়। সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করবে।’ এর সনদ সহীহ।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ الْمُثَنَّى عَنْ عَطَاءٍ مِثْلَهُ
১১৩১. মুছান্না হতে বর্ণিত, আতা রাহি. হতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কিন্তু হাদীসটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২।
এর শাহিদ বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১২৬৯ ইবনু জুরাইজ হতে, তিনি মুদাল্লিস এবং এটি আনআন পদ্ধতিতে বর্ণনা করায় এটি যঈফ। এটি সামনে ১১৪০ (অনুবাদে ১১৩৬) নং এ আসছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى وَأَبُو النُّعْمَانِ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ الْقَعْقَاعِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ ذَنْبٌ أَتَاهُ وَلَيْسَ عَلَيْهِ كَفَّارَةٌ
১১৩২. zwj;মুহাম্মদ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, তা (তার সাথে মিলিত হওয়া) গুনাহের কাজ হয়েছে। কিন্তু তার উপর কাফফারা ওয়াজিব নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ্।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَعْتَذِرُ إِلَى اللَّهِ وَيَتُوبُ إِلَى اللَّهِ
১১৩৩. আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম তার পিতা কাসিম রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার স্ত্রীর হায়িযগ্রস্ত অবস্থায় তার সাথে মিলিত হয়। তিনি বলেন: সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং আল্লাহর নিকট তাওবা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ تَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَلَيْسَ عَلَيْكَ شَيْءٌ يَعْنِي إِذَا وَقَعَ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ
১১৩৪. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা রাহি. বলেন, ‘তুমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তোমার উপর আর কোনো কিছু (কাফফারা) ওয়াজিব নয়।’ (রাবী বলেন) এর অর্থ: যখন সে (কোনো ব্যক্তি) তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: এটি ১১৩৭ (অনুবাদে ১১৩১) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ عَنْ مَالِكِ بْنِ الْخَطَّابِ الْعَنْبِرِيِّ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ سُئِلَ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ الرَّجُلِ يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
১১৩৫. মালিক ইবনু খাত্তাব আল আম্বারী হতে বর্ণিত, ইবনু আবী মুলাইকা রাহি. বলেন, আমি শুনলাম, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে তার স্ত্রীর হায়িযগ্রস্ত অবস্থায় তার সাথে মিলিত হয়। তিনি বললেন: সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মালিক ইবনু খাত্তাব সম্পর্কে বুখারী, আল কাবীর ৭/৩০৯ এ উল্লেখ করেছেন এবং তার প্রশংসা বা সমালোচনা কোনোটাই উল্লেখ করেননি। আর আমি তার জীবনী অন্য কোথাও পাইনি। অন্যান্য রাবী গণ নির্ভরযোগ্য। তবে হাদীসটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক))
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ أَنَّ رَجُلًا أَتَى أَبَا بَكْرٍ فَقَالَ رَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ كَأَنِّي أَبُولُ دَمًا قَالَ تَأْتِي امْرَأَتَكَ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ اتَّقِ اللَّهَ وَلَا تَعُدْ
১১৩৬. আবী কিলাবাহ হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বললো: আমি স্বপ্নে দেখছি, আমি যেন রক্ত পেশাব করছি। তুমি কি তোমার স্ত্রীর হায়িযগ্রস্ত অবস্থায় তার সাথে মিলিত হও? তখন সে বললো, হাঁ। তখন তিনি বললেন: আল্লাহকে ভয় কর। পূণরায় একাজ আর করো না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। আবু কিলাবাহ উমার ইবনুল খাত্তাবের সাক্ষাত লাভ করেননি। ((ফলে আবু বকর রা: এর সাক্ষাতের প্রশ্নই উঠে না-অনুবাদক))।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৭০; ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩১।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
১১৩৭. হিশাম হতে বর্ণিত, যে লোক তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, তার সম্পর্কে মুহাম্মদ ইবনু সীরীন রাহি. বলেন, সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৬৮।
أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ فِي الَّذِي يُفْطِرُ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ قَالَ عَلَيْهِ عِتْقُ رَقَبَةٍ أَوْ بَدَنَةٌ أَوْ عِشْرِينَ صَاعًا لِأَرْبَعِينَ مِسْكِينًا وَفِي الَّذِي يَغْشَى امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ مِثْلُ ذَلِكَ
১১৩৮. ইয়াযীদ ইবনু ইবরাহীম বলেন, আমি হাসান রাহি. কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযান মাসে একদিন সিয়াম ভঙ্গ করবে, তার ব্যাপারে তিনি বলেন, (কাফফারা হিসেবে) একটি দাস মুক্ত করা কিংবা একটি হৃষ্টপুষ্ট পশু কুরবাণী করা কিংবা চল্লিশজন মিসকীনকে বিশ সা’আ খাদ্য দান করা তার উপর ওয়াজিব। আবার যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে, তার জন্যও এর অনুরূপ (কাফফারা ওয়াজিব হবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২, দু’টি সনদে হাসান হতে বর্ণনা করেছেন, যার শব্দাবলী হলো: যিহারকারী পুরুষের উপর যা ওয়াজিব তারমতে এ ব্যক্তির উপরও তা ওয়াজিব।’
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ خُصَيْفٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِنِصْفِ دِينَارٍ
১১৩৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে, যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে: “সে অর্ধ দীনার সাদাকা করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ১/২৭২, ৩২৫; আবু দাউদ ২৬৬; তার সূত্রে বাইহাকী ১/৩১৬; তিরমিযী ১৩৬; ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩১; আব্দুর রাযযাক নং ১২৬১, ১২৬৩। পরবর্তী টীকাটি দেখুন।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ نِصْفِ دِينَارٍ شَكَّ الْحَكَمُ
১১৪০. মিকসাম হতে, ‘যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত হয়েছে যে, সে এক দীনার সাদাকা করবে’- কিংবা (বর্ণনাকারী) হাকামের সন্দেহ- ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ১/২৩০, ২৮৬; আবু দাউদ ২৬৪, ২১৬৮; নাসাঈ ১/১৫৩; ইবনু মাজাহ ৬৪০; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১০৮; ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩১; বাইহাকী ১/৩১৪।
হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৭১-১৭২ এ একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। আগের ও পরের হাদীস দেখুন।