সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الَّذِي يَغْشَى امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ نِصْفِ دِينَارٍ قَالَ شُعْبَةُ أَمَّا حِفْظِي فَهُوَ مَرْفُوعٌ وَأَمَّا فُلَانٌ وَفُلَانٌ فَقَالَا غَيْرُ مَرْفُوعٍ فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ حَدِّثْنَا بِحِفْظِكَ وَدَعْ مَا قَالَ فُلَانٌ وَفُلَانٌ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا أُحِبُّ أَنِّي عُمِّرْتُ فِي الدُّنْيَا عُمُرَ نُوحٍ وَأَنِّي حَدَّثْتُ بِهَذَا أَوْ سَكَتُّ عَنْ هَذَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد عَبْدُ الحَمِيدِ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحمَنِ بْنِ زَيدِ بْنِ الخَطَّابِ وَكَانَ وَالِيَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَلَى الْكُوفَةِ
১১৪১. (অপর সনদে) মিকসাম হতে, ‘যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত হয়েছে যে, সে এক দীনার কিংবা ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করবে।’[1]
শু’বাহ বলেন, আমার যতটা স্মরণ আছে, এটি মারফু’ হিসেবেই বর্ণিত। কিন্তু, অমুক ও অমুক ব্যক্তিদ্বয় একে ‘গয়রে মারফু’ বলেছেন।
লোকদের কেউ বললো, অমুক অমুকের কথা বাদ দিন, আপনি আপনার স্মৃতি (বা মুখস্ত) থেকেই আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করুন।
তখন তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! আমার নিকট এটি পছন্দনীয় নয় যে, আমি নূহ আলাইহিস সালামের মত দীর্ঘজীবন লাভ করি এবং (আজীবন) এ হাদীস আমি বর্ণনা করে যাই। নতুবা (আমার নিকট পছন্দনীয় হলো) এ ব্যাপারে আমি চুপ করে থাকি।আবু মুহাম্মদ বলেন: আব্দুল হামীদ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু যাইদ ইবনু খাত্তাব, তিনি উমার ইবনু আব্দুল আযীয কর্তৃক নিযুক্ত কুফার গভর্ণর ছিলেন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১০৯; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের হাদীসটি দেখুন। এছাড়া দেখুন মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৩২।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ رَجُلٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا أَتَاهَا فِي دَمٍ فَدِينَارٌ وَإِذَا أَتَاهَا وَقَدْ انْقَطَعَ الدَّمُ فَنِصْفُ دِينَارٍ
১১৪২. এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, ‘সে ব্যক্তি যদি তার (হায়িযগ্রস্ত) স্ত্রীর সাথে রক্ত নির্গত হওয়া অবস্থায় মিলিত হয়, তবে সে এক দীনার সাদাকা করবে। আর যদি তার স্ত্রীর রক্ত বন্ধ হয়ে যায়, এমতাবস্থায় (পবিত্রতা অর্জনের পূর্বে) সে তার সাথে মিলিত হলে ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক্ব : এর সনদে জাহালত (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) রয়েছে। (ফলে এর সনদ যঈফ)। এছাড়া এটি ইবনু আব্বাস পর্যন্ত মাওকুফ।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ خُصَيْفٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِنِصْفِ دِينَارٍ
১১৪৩. ইবনু আব্বাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সে অর্ধ দীনার সাদাকা করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১১৪৫ (অনুবাদে ১১৩৯) নং এ। আগের টীকাগুলিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ كَانَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ امْرَأَةٌ تَكْرَهُ الْجِمَاعَ فَكَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَهَا اعْتَلَّتْ عَلَيْهِ بِالْحَيْضِ فَوَقَعَ عَلَيْهَا فَإِذَا هِيَ صَادِقَةٌ فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَتَصَدَّقَ بِخُمُسَيْ دِينَارٍ
১১৪৪. আব্দুল হামীদ ইবনু যাইদ ইবনু খাত্তাব বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাবের একজন স্ত্রী ছিলো যে সহবাস করতে অপছন্দ করতো। ফলে তিনি যেদিনই তার সাথে মিলিত হতে চাইতেন, সেদিনই সে তার নিকট হায়িযগ্রস্ত হওয়ার অজুহাত দিতেন। তারপর তিনি একদিন তার সাথে মিলিত হলেন, যেদিন সে সত্যই (হায়িযগ্রস্ত) ছিলো। তারপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন (এবং বিষয়টি তাঁকে জানালেন।) তখন তিনি তাকে এক দীনারের দুই-পঞ্চমাংশ দান করতে আদেশ দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মু’দ্বাল (মাঝে একাধিক রাবী বাদ পড়েছে)।
তাখরীজ: আবু দাউদ ২৬৬। এ হাদীস বর্ণনার পর আবু দাউদ বলেছেন: ‘এটি zwj;মু’দ্বাল’। সুনানে বাইহাকী ১/৩১৬।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَتَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَإِنْ كَانَ الدَّمُ عَبِيطًا فَلْيَتَصَدَّقْ بِدِينَارٍ وَإِنْ كَانَتْ صُفْرَةً فَلْيَتَصَدَّقْ بِنِصْفِ دِينَارٍ
১১৪৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি কোনো ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় আর তার রক্তস্রাব যদি তাজা (টকটকে লাল) হয়ে থাকে, তবে সে যেনো এক দীনার সাদাকা করে। আর যদি হলুদ বর্ণের স্রাব হতে থাকে, এমতাবস্থায় (মিলিত হলে) সে যেনো ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আব্দুল কারীমের বংশ সম্পর্কে বিভিন্ন রকম বক্তব্য রয়েছে। কেউ কেউ বলেন: তিনি আব্দুল কারীম আবী উমাইয়া, আর তিনি যঈফ। আর কেউ বলেন: তিনি আব্দুল কারীম ইবনু মালিক আল জাজারী, আর তিনি নির্ভরযোগ্য রাবী। আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৩২ নং হাদীসের তাখরীজে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি আলোচনা করেছি।
তাখরীজ: দেখুন, তাবারাণী, মু’জামুল কাবীর নং ১২১৩৫।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا حَفْصٌ هُوَ ابْنُ غِيَاثٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
১১৪৬. (অপর সনদে) মিকসাম হতে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে এক দীনার কিংবা ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করবে।’[1]এবং ইবরাহীম রাহি. বলেন, সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।’[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি ইবনু আব্বাসের উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি। তবে এর তাখরীজের জন্য ১১৩৯-১১৪৩ ও ১১৪৫ নং হাদীসের তাখরীজ দেখা যেতে পারে। -অনুবাদক))
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ হাদীসটির সনদ আগের হাদীসের সনদের সাথে সংশ্লিষ্ট । আব্দুর রাযযাক নং ১২৬৮ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا وَقَعَ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ فَعَلَيْهِ أَنْ يَتَصَدَّقَ بِدِينَارٍ
১১৪৭. আতা রাহি. হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, তখন তার উপর এক দীনার সাদাকা করা ওয়াজিব।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, মুহাম্মদ ইবনু আবী লাইলা যঈফ।
তাখরীজ: পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন বিগত ১১৫১ (অণুবাদে ১১৪৫) বরং ইবনু আব্বাস হতে বর্ণিত সকল হাদীসমূহ দেখুন।
أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي رَجُلٍ جَامَعَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ
১১৪৮. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আতা রাহি. বলেন, সে এক দীনার সাদাকা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৩২।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ نِصْفِ دِينَارٍ
১১৪৯. (অপর সনদে) মিকসাম হতে, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, সে এক দীনার কিংবা ‘অর্ধ দীনার’ সাদাকা করবে।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এটি ইবনু আব্বাস হতে মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত।
তাখরীজ: এটি ১১৫৩ (অনুবাদে ১১৪৬-৪৭) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ فِي رَجُلٍ يَغْشَى امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ أَوْ رَأَتْ الطُّهْرَ وَلَمْ تَغْتَسِلْ قَالَ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَيَتَصَدَّقُ بِخُمُسَيْ دِينَارٍ
১১৫০. শুয়াইব ইবনু ইসহাক হতে বর্ণিত, ‘কোনো লোক তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় অথচ তার স্ত্রী তখন হায়িযগ্রস্ত, কিংবা সে (হায়িয হতে) পবিত্রতাবস্থা দেখতে পেয়েছে, কিন্তু তখনও সে গোসল করেনি, -এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আওযাঈ রাহি. বলেন, সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং পাঁচ দীনার সাদাকা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এটার কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ إِذَا وَقَعَ الرَّجُلُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِنِصْفِ دِينَارٍ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ فَإِنَّ الْحَسَنَ يَقُولُ يُعْتِقُ رَقَبَةً فَقَالَ مَا أَنْهَاكُمْ أَنْ تَقَرَّبُوا إِلَى اللَّهِ مَا اسْتَطَعْتُمْ
১১৫১. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, আতা রাহি. বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, তখন সে এক দীনার সাদাকা করবে।
তখন লোকদের মধ্যে থেকে একজন বলে উঠলো, হাসান বলে থাকেন, সে একটি দাস মুক্ত করবে। তিনি বললেন, তোমাদের সাধ্যমত আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে আমি তোমাদেরকে বাধা দিবো না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: ((এর কোনো তাখরীজ দেননি; সম্ভবত: বিগত ১১৪৮ নং এ এর তাখরীজ গত হয়েছে।- অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ
১১৫২. আতা রাহি. হতে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, সে এক দীনার সাদাকা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এটি মাওকুফ। এবং এটি ১১৫৫ (অনূবাদে ১১৪৯) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ ابْنِ سَابِطٍ قَالَ سَأَلْتُ حَفْصَةَ بِنْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ ابْنُ أَبِي بَكْرٍ قُلْتُ لَهَا إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَسْأَلَكِ عَنْ شَيْءٍ وَأَنَا أَسْتَحْيِي أَنْ أَسْأَلَكِ عَنْهُ قَالَتْ سَلْ يَا ابْنَ أَخِي عَمَّا بَدَا لَكَ قَالَ أَسْأَلُكِ عَنْ إِتْيَانِ النِّسَاءِ فِي أَدْبَارِهِنَّ فَقَالَتْ حَدَّثَتْنِي أُمُّ سَلَمَةَ قَالَتْ كَانَتْ الْأَنْصَارُ لَا تُجَبِّي وَكَانَتْ الْمُهَاجِرُونَ تُجَبِّي فَتَزَوَّجَ رَجُلٌ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ امْرَأَةً مِنْ الْأَنْصَارِ فَجَبَّاهَا فَأَبَتْ الْأَنْصَارِيَّةُ فَأَتَتْ أُمَّ سَلَمَةَ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهَا فَلَمَّا أَنْ جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَحْيَتْ الْأَنْصَارِيَّةُ وَخَرَجَتْ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ أُمُّ سَلَمَةَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ ادْعُوهَا لِي فَدُعِيَتْ لَهُ فَقَالَ لَهَا نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكَمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ سِمَامًا وَاحِدًا وَالسِّمَامُ السَّبِيلُ الْوَاحِدُ
১১৫৩. ইবনু সাবিত হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হাফসাহ বিনতে আব্দুর রহমান ইবনু আবী বাকরকে প্রশ্ন করলাম। তাকে বললাম, আমি আপনাকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি। কিন্তু জিজ্ঞেস করতে লজ্জা পাচ্ছি।
তিনি বললেন: হে ভাতিজা! তোমার যা মনে চায় জিজ্ঞেস করতে পারো।
তিনি (ইবনু সাবিত) বলেন, আমি আপনাকে পশ্চাদ্দার দিয়ে মহিলাদের নিকট গমণ করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি?
তখন তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আনসারগণ (তাদের স্ত্রীদের নিকট গমণ করার সময় তাদেরকে) উপুড় করতেন না। কিন্তু মুহাজিরগণ উপুড় (করে গমণ) করতেন। একজন মুহাজির এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করলেন। তখন তিনি (তার স্ত্রীকে) উপুড় করতে চাইলেন, কিন্তু তার স্ত্রী তা অস্বীকার করলো এবং সে বের হয়ে গেলো। তখন উম্মু সালামাহ এঘটনাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: “মহিলাকে আমার নিকট ডেকে নিয়ে এসো।“ তাকে ডেকে আনা হলে তিনি তাকে বললেন: “তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য ক্ষেতস্বরূপ; অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা গমণ কর।“ (সুরা বাকারা: ২২৩) (তবে গমণের জন্য) পথ একটিই।“ আর ‘الصمام ‘হলো একটিই পথ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৬/৩০৫, ৩১০, ৩১৮-৩১৯; তাবারী, আত তাফসীর ২/৯২, ৩৯৬; তিরমিযী ২৯৮৩, তিনি বলেন: হাদীসটি হাসান সহীহ; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৩০-২৩১; বাইহাকী ৭/১৯৫; আব্দুর রাযযাক নং ২০৯৫৯।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ أَبَانَ بْنِ صَالِحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ لَقَدْ عَرَضْتُ الْقُرْآنَ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ ثَلَاثَ عَرَضَاتٍ أَقِفُ عِنْدَ كُلِّ آيَةٍ أَسْأَلُهُ فِيمَ أُنْزِلَتْ وَفِيمَ كَانَتْ فَقُلْتُ يَا ابْنَ عَبَّاسٍ أَرَأَيْتَ قَوْلَ اللَّهِ تَعَالَى فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ اللَّهُ قَالَ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ أَنْ تَعْتَزِلُوهُنَّ
১১৫৪. মুজাহিদ রাহি. বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহুমা’র নিকট তিনবার কুরআন শুনিয়েছি, প্রত্যেক আয়াতে থেমে থেমে আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছি, তা কোন্ বিষয়ে এবং কোথায় নাযিল হয়েছে। আমি তাঁকে বললাম, হে ইবনু আব্বাস! আপনি কি আল্লাহর তাআলার এ বাণী লক্ষ্য করেছেন? [“যখন তারা পবিত্র হবে, তখন তাদের নিকট গমণ করো, যেখান দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করেছেন।“ সুরা বাকারা: ২২২] তিনি বললেন, (এ আয়াতাংশে সেখান দিয়ে গমণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন) যেখান থেকে আল্লাহ তোমাদেরকে বিরত থাকার আদেশ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। মুসতাদরাক হাকিমে ইবনু ইসহাক ‘হাদ্দাসানা’ বলে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: আবু দাউদ ২১৬৪; তাবারাণী, আল কাবীর নং ১১০৯৭; হাকিম ২/১৫৯, ১৭৯; তাবারী, আত তাফসীর ৩৯৫-৩৯৬; ওয়াহিদী, আসবাবুন নুযুল পৃ: ৫২; হাকিম ও যাহাবী একে মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। ...ইবনু কাছীর তার তাফসীর ১/৩৮২ এ বলেছেন: ‘আবু দাউদ এক্ষেত্রে একাকী হয়ে গেছেন। তবে এর সহীহ হওয়ার সাক্ষ্য দেয় পূর্বে বর্ণিত হাদীসসমূহ...’।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ مُجَاهِدٍ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ اللَّهُ قَالَ أُمِرُوا أَنْ يَأْتُوا مِنْ حَيْثُ نُهُوا
১১৫৫. উছমান ইবনুল আসওয়াদ হতে বর্ণিত, [“তখন তাদের নিকট গমণ করো, যেখান দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করেছেন।“ সুরা বাকারা: ২২২] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) মুজাহিদ রাহি. বলেন, তোমাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা সেই স্থান দিয়ে গমণ করবে, (হায়িযের সময়) যে স্থান থেকে তাদেরকে বিরত থাকার আদেশ করা হয়েছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৩২-২৩৩ সহীহ সনদে; তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৮৮, ১৯/১০৫; আরও দেখুন সামনে ১১৬৩ (অনূবাদে ১১৫৭) নং হাদীসটি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي رَزِينٍ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ اللَّهُ قَالَ مِنْ قِبَلِ الطُّهْرِ
১১৫৬. আ’মাশ হতে বর্ণিত, [“তখন তাদের নিকট গমণ করো, যেখান দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করেছেন।“ সুরা বাকারা: ২২২] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) আবী রযীন বলেন, যখন তারা পবিত্রতার সময় (তাদের নিকট গমণ করবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আবী রযীন হলেন: মাসউদ ইবনু মালিক।
তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৮৮-৩৮৯ সহীহ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৩৩ সহীহ সনদে; এবং ৪/২৩০;
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْبَزَّازُ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ مُجَاهِدٍ وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ قَالَ هُوَ وَاللَّهِ الْقُبُلُ
১১৫৭. ইবরাহীম ইবনু মুহাজির থেকে বর্ণিত, (আল্লাহর বাণী:) [“তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যে স্ত্রীলোক সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে তোমরা বর্জন করছো?“ সুরা শু’আরা: ১৬৬] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) মুজাহিদ রাহি. বলেন: আল্লাহর কসম, সেটি (স্ত্রীলোকের) সম্মুখ রাস্তা (তথা যৌনাঙ্গ)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৩২; এটি ১১৬১ (অনূবাদে ১১৫৫) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ رَبَاحٍ عَنْ عِكْرِمَةَ نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ قَالَ إِنَّمَا هُوَ الْفَرْجُ
১১৫৮. খালিদ ইবনু রাবাহ থেকে বর্ণিত, (আল্লাহর বাণী:) [“তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য ক্ষেতস্বরূপ; অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা গমণ কর।“ (সুরা বাকারা: ২২৩)] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) ইকরিমাহ রাহি. বলেন, নিশ্চয়ই সে স্থানটি হলো যৌনাঙ্গ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২২৯, ২৩২।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَلِيٍّ الرِّفَاعِيُّ قَالَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ كَانَتْ الْيَهُودُ لَا تَأْلُو مَا شَدَّدَتْ عَلَى الْمُسْلِمِينَ كَانُوا يَقُولُونَ يَا أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ إِنَّهُ وَاللَّهِ مَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَأْتُوا نِسَاءَكُمْ إِلَّا مِنْ وَجْهٍ وَاحِدٍ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ فَخَلَّى اللَّهُ بَيْنَ الْمُؤْمِنِينَ وَبَيْنَ حَاجَتِهِمْ
১১৫৯. আলী ইবনু আলী আর রিফাঈ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি হাসান রাহি. কে বলতে শুনেছি, ইয়াহুদীরা (মুসলিমদের বিভিন্নভাবে স্ত্রী-গমণের বিষয়টিকে বিদ্রূপ করতে) কোনো রকম কসূর করতো না, যা মুসলিমদের উপর খুব কঠিন মনে হলো। তারা (ইয়াহুদীরা) বলতো, হে মুহাম্মদের সাথীগণ! আল্লাহর কসম! একটি মাত্র দিক (সামনের থেকে) ব্যতীত আর কোনো দিক থেকেই তোমাদের স্ত্রীগণের নিকট গমণ করা তোমাদের জন্য হালাল নয়।তিনি বলেন, তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন: [“তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য ক্ষেতস্বরূপ; অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা গমণ কর।“ (সুরা বাকারা: ২২৩)] ফলে আল্লাহ (এভাবে) মু’মিনদের প্রয়োজনকে অবমুক্ত করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৩২।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ قَالَ ائْتِهَا مِنْ بَيْنِ يَدَيْهَا وَمِنْ خَلْفِهَا بَعْدَ أَنْ يَكُونَ فِي الْمَأْتَى
১১৬০. সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে বর্ণিত, [“অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা গমণ কর।“ (সুরা বাকারা: ২২৩)] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, তোমরা স্ত্রীদের নিকট সামনের থেকে ও পেছনের দিক থেকে গমণ কর, তবে তা যেন গমণস্থলে (যৌনাঙ্গে) হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। খালিদ ইবনু আব্দুল্লাহ আতা হতে শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে।
তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ২/৩৯২ যঈফ সনদে; দেখুন বাইহাকী, সুনান ৭/১৯৬।