হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2983)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ جِئْنَ أَرْبَعُ جَدَّاتٍ يَتَسَاوَقْنَ إِلَى مَسْرُوقٍ فَأَلْقَى أَمَّ أَبِ الْأَبِ وَوَرَّثَ ثَلَاثًا جَدَّتَيْ أَبِيهِ أُمَّ أُمِّهِ وَأُمَّ أَبِيهِ وَجَدَّةَ أُمِّهِ




২৯৮৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, চার জন দাদী/নানী একত্রে মাসরুকের নিকট আসলো। তখন তিনি একজন পিতার পিতার মাতা (পিতার দাদী) কে বাদ দিলেন এবং বাকী তিন জন- তার মাতামহী (নানী), তার পিতামহী (দাদী) ও তার মায়ের মাতামহী (মাতার দাদী/নানী)-কে মীরাছে অংশীদার করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আছ ইবনু সিওয়ার এর দুর্বলতার কারণে।

তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৮১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৬ নং ১১৩৩৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৭।









সুনান আদ-দারিমী (2984)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ فِي ابْنَةٍ وَابْنَةِ ابْنٍ قَالَ النِّصْفُ وَالسُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَرَدٌّ عَلَى الْبِنْتِ




২৯৮৪. ইবরাহীম (রহঃ) এক কন্যা ও পুত্রের কন্যার (মীরাছ) সম্পর্কে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, কন্যার জন্য অর্ধেক আর পৌত্রীর জন্য এক ষষ্ঠাংশ। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা বোনের দিকে ফিরে আসবে (অর্থাৎ বোন পুনরায় পাবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বিচ্ছিন্নতার কারণে সনদ যঈফ। (মারফু’ হিসেবে সহীহ।–তাখরীজ দেখুন।–অনুবাদক)

তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৭ নং ১১২২৪ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৮; বুখারী, ফারাইয ৬৭৪২ মারফু’ হিসেবে।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদূল মাউসিলী নং ৫১০৮, ৫২৩৫, ৫২৯৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2985)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ أُتِيَ فِي إِخْوَةٍ لِأُمٍّ وَأُمٍّ فَأَعْطَى الْإِخْوَةَ مِنْ الْأُمِّ الثُّلُثَ وَالْأُمَّ سَائِرَ الْمَالِ وَقَالَ الْأُمُّ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ




২৯৮৫. আলকামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এক ব্যক্তি বৈপিত্রেয় ভাইগণ ও মাতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলো, তখন তিনি বৈপিত্রেয় ভাইগণকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ এবং মাতাকে দিলেন অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ। আর বললেন, যার আসাবাহ নেই, মা-ই তার আসাবাহ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর থেকে মাওকুফ (তার কথা) হিসেবে বর্ণিত।

তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৪ নং ১১২১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৭।









সুনান আদ-দারিমী (2986)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ عَنْ رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ ابْنَتَهُ لَا يُعْلَمُ لَهُ وَارِثٌ غَيْرُهَا قَالَ لَهَا الْمَالُ كُلُّهُ




২৯৮৬. হাসান তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যে তার এক কন্যা রেখে যান, আর তার এ কন্যা ব্যতীত আর কোনো ওয়ারিস আছে বলে জানা যায়না। তখন তিনি বললেন, তার কন্যা-ই সমুদয় সম্পদ পাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত সহীহ।

তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৬ নং ১১২১৮, ২১৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩০।









সুনান আদ-দারিমী (2987)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ لَا يَرُدُّ عَلَى أَخٍ لِأُمٍّ مَعَ أُمٍّ وَلَا عَلَى جَدَّةٍ إِذَا كَانَ مَعَهَا غَيْرُهَا مَنْ لَهُ فَرِيضَةٌ وَلَا عَلَى ابْنَةِ ابْنٍ مَعَ ابْنَةِ الصُّلْبِ وَلَا عَلَى امْرَأَةٍ وَزَوْجٍ وَكَانَ عَلِيٌّ يَرُدُّ عَلَى كُلِّ ذِي سَهْمٍ إِلَّا الْمَرْأَةَ وَالزَّوْجَ




২৯৮৭. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মায়ের সঙ্গে বৈপিত্রেয় ভাইকে (অবশিষ্ট সম্পদ) ‘রদ’ তথা প্রত্যার্পণ করতেন না; আবার দাদীকেও না, যখন তার সাথে ফারাইযের অধিকারী (যার অংশ কুর্’আন-হাদীসে নির্ধারিত আছে এমন) অন্য কোনো ব্যক্তি থাকতো; আবার আপন মেয়ের সাথে পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) কেও পুন:বার দিতেন না। তবে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু স্ত্রী ও স্বামী ব্যতীত অন্য সকল নির্ধারিত অংশধারীদেরকে পুন:বার দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ বিন সালিমের দুর্বলতার কারণে।

তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১২ (সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ), ১১৫, ১১৬; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৪; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৮; ইবনু আবী শাইবা নং ১১২২০, ১১২২১, ১১২২৪।









সুনান আদ-দারিমী (2988)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَالِمٍ عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ أُتِيَ فِي ابْنَةٍ أَوْ أُخْتٍ فَأَعْطَاهَا النِّصْفَ وَجَعَلَ مَا بَقِيَ فِي بَيْتِ الْمَالِ وَقَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ خَارِجَةَ




২৯৮৮. খারিজাহ বিনতে যাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট কন্যা অথবা বোন সম্পর্কে প্রশ্ন এলে তিনি তাকে (বোন বা কন্যাকে) অর্ধেক দিলেন এবং অবশিষ্ট সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা করলেন।[1] [অপর সুত্রে খারিজা হতে এটি বর্ণিত[2]]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ বিন সালিমের দুর্বলতার কারণে।

তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৪। অপর সহীহ সনদে সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩১।

[2] সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৪; আগের টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (2989)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ قَالَ مِيرَاثُهُ لِأُمِّهِ




২৯৮৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার মীরাছ পাবে তার মাতা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এর সনদ বিচ্ছিন্ন (এ কারণে যঈফ)।

তাথরীজ: হাকিম, ৪/৩৪১; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৯ মুনকাতি সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৭ নং ১১৩৬৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮।









সুনান আদ-দারিমী (2990)


أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا سَأَلَ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ لِمَنْ مِيرَاثُهُ قَالَ لِأُمِّهِ وَأَهْلِهَا




২৯৯০. ইবরাহীম ইবনু তাহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে এক ব্যক্তি কর্তৃক আতাকে জিজ্ঞাসা করতে শুনলাম যে, তার মীরাছ কে পাবে? তিনি বললেন, তার মাতা ও মাতার পরিবার।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৩ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2991)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ أَخَاهُ لِأُمِّهِ وَأُمَّهُ لِأَخِيهِ السُّدُسُ وَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ ثُمَّ يُرَدُّ عَلَيْهِمْ فَيَصِيرُ لِلْأَخِ الثُّلُثُ وَلِلْأُمِّ الثُّلُثَانِ وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لِأَخِيهِ السُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُمِّ




২৯৯১. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ যে বৈপিত্রেয় ভাই ও তার মাকে রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার ভাই পাবে এক ষষ্ঠাংশ, মা পাবে এক তৃতীয়াংশ; অত:পর তাদের উভয়কে (‘রদ’ তথা) পুনরায় দেওয়া হবে। তখন তার ভাইয়ের অংশ হয়ে যাবে এক তৃতীয়াংশ, আর মাতার হয়ে যাবে দুই তৃতীয়াংশ। আর ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার ভাই পাবে এক ষষ্ঠাংশ, মা পাবে অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আবী সাহল মুহাম্মদ বিন সালিমের দুর্বলতার কারণে।

তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১৩৮৩ অজ্ঞাত সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2992)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ ابْنَ أَخٍ وَجَدًّا قَالَ الْمَالُ لِابْنِ الْأَخِ




২৯৯২. আবী সাহল হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে ভ্রাতুষ্পুত্র ও দাদা রেখে মৃত্যুবরণ করেছে, তা মীরাছ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, তার সমুদয় সম্পদ পাবে তার ভ্রাতুষ্পুত্র।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আবী সাহল মুহাম্মদ বিন সালিমের দুর্বলতার কারণে।

তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১৩৮২ অজ্ঞাত সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2993)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ الثُّلُثُ وَالثُّلُثَانِ لِبَيْتِ الْمَالِ




২৯৯৩. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং দু’ই তৃতীয়াংশ সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮-২৫৯।









সুনান আদ-দারিমী (2994)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مِيرَاثُهُ لِأُمِّهِ تَعْقِلُ عَنْهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ وَقَالَ قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ لِأُمِّهِ الثُّلُثُ وَبَقِيَّةُ الْمَالِ لِعَصَبَةِ أُمِّهِ




২৯৯৪. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার (লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের) মীরাছ তার মাতা পাবে, আর তার মায়ের আসাবা বঞ্চিত হবে।[1]

আর কাতাদা (রহঃ) হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ তার মায়ের আসাবা পাবে।[2]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বিচ্ছিন্ন। ইবরাহীম ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শ্রবণ করেননি।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৬, ৩৩৭ নং ১১৩৬৫, ১১৩৬৯; হাকিম, ৪/৩৪১ (হাকিম বলেন: এর সকল রাবী বিশ্বস্ত, তবে এটি মুরসাল, এর শাহিদ রয়েছে। যাহাবী তার সাথে সহমত পোষণ করেছেন; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮ যঈফ সনদে।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি সামনে ২৯৯৬ তে আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (2995)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ أَنَّ عَلِيًّا وَابْنَ مَسْعُودٍ قَالَا فِي وَلَدِ مُلَاعَنَةٍ تَرَكَ جَدَّتَهُ وَإِخْوَتَهُ لِأُمِّهِ قَالَ لِلْجَدَّةِ الثُّلُثُ وَلِلْإِخْوَةِ الثُّلُثَانِ وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ لِلْجَدَّةِ السُّدُسُ وَلِلْإِخْوَةِ لِلْأُمِّ الثُّلُثُ وَمَا بَقِيَ فَلِبَيْتِ الْمَالِ




২৯৯৫. কাতাদাহ বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে, যে দাদী ও তার বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার দাদী পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং ভাইগণ পাবে দু’ই তৃতীয়াংশ সম্পদ। যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার দাদী পাবে এক ষষ্ঠাংশ এবং ভাইগণ পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং বাকী সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সকল রাবী বিশ্বস্ত, তবে এর সনদ বিচ্ছিন্ন। কাতাদাহ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শ্রবণ করেননি।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮-২৫৯ যঈফ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2996)


حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ وَحُمَيدٌ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ تَرِثُهُ أُمُّهُ يَعْنِي ابْنَ الْمُلَاعَنَةِ




২৯৯৬. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার অর্থাৎ লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ তার মাতা পাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: এটি সামনে ২৯৯৮ তে আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (2997)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَنَّ النَّخَعِيَّ وَالشَّعْبِيَّ قَالَا تَرِثُهُ أُمُّهُ




২৯৯৭. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত, নাখঈ ও শা’বী উভয়ে বলেন, তার মীরাছ তার মাতা পাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, হাজ্জাজ বিন আরতাহ এর দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৮ নং ১১৪০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৬ বিচ্ছিন্ন সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2998)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ قَالَ كَتَبْتُ إِلَى أَخٍ لِي مِنْ بَنِي زُرَيْقٍ أَسْأَلُهُ لِمَنْ قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ فَكَتَبَ إِلَيَّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِهِ لِأُمِّهِ هِيَ بِمَنْزِلَةِ أُمِّهِ وَأَبِيهِ وَقَالَ سُفْيَانُ الْمَالُ كُلُّهُ لِلْأُمِّ هِيَ بِمَنْزِلَةِ أَبِيهِ وَأُمِّهِ




২৯৯৮. আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বনী যুরাইকের এক ভাইকে একথা জানতে চেয়ে লিখে পাঠালাম যে, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কার জন্য নির্ধারণ করেছেন? তখন তিনি আমাকে লিখে পাঠালেন যে, এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাতাকে তার মাতা ও পিতা উভয়ের স্থলাভিষিক্ত করে তার মায়ের জন্য মীরাছ (এর পূর্ণ অংশ) নির্ধারণ করেছেন।সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, তার পূর্ণ সম্পদ তার মাতা পাবে। তার মাতাই তার মাতা ও পিতা উভয়ের স্থলাভিষিক্ত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৬ (সহীহ সনদে), ১২৪৭৭ ; ইবনু আবী শাইবা ১০/১৭০ নং ৯১৩২, ১১/৩৩৯ নং ১১৩৭৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৯; হাকিম, ৪/৩৪১।









সুনান আদ-দারিমী (2999)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ أُمَّهُ وَعَصَبَةَ أُمِّهِ قَالَ الثُّلُثُ لِأُمِّهِ وَمَا بَقِيَ فَلِعَصَبَةِ أُمِّهِ




২৯৯৯. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে তার মাতা ও মাতার আসাবাহ রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার মীরাছ সম্পর্কে তিনি বলেন, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং তার মাতার আসাবাহ পাবে অবশিষ্ট সম্পদ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮; ইবনু আবী শাইবা নং ১১৩৮৩।









সুনান আদ-দারিমী (3000)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ قَالَا عَصَبَتُهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ




৩০০০. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উভয়ে লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের সম্পর্কে বলেন, তার মাতার আসাবাহ-ই হবে তার আসাবাহ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু আবী লাইলাহর ‘স্মৃতিশক্তির অতি দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮২; তাবারাণী, কাবীর ৯/৩৯০ নং ৯৬৬৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৯ নং ১১৩৭৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১২০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮ যঈফ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3001)


حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الْحَلَبِيُّ مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مِيرَاثُ وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ قُلْتُ فَإِنْ كَانَ لَهُ أَخٌ مِنْ أُمِّهِ قَالَ لَهُ السُّدُسُ




৩০০১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলতেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ তার মাতা পাবে। আমি বললাম, যদি তার বৈপিত্রেয় এক ভাই থাকে? তিনি বললেন: সে পাবে এক ষষ্ঠাংশ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে ২৯৯৩ নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (3002)


حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ قَالَ وَلَدُ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ تَرِثُ فَرِيضَتَهَا مِنْهُ وَسَائِرُ ذَلِكَ فِي بَيْتِ الْمَالِ




৩০০২. আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, সম্পর্কে যুহরী (রহঃ) বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র তার মায়ের কাছে থাকবে, এবং তার সম্পদ থেকে তার (মাতার) নির্ধারিত অংশ তার মাতা পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহরী পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৭ নং ১১৩৭০ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৪; কানযুল উম্মাহ ৪০৬০৮।