সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِذَا تَلَاعَنَا فُرِّقَ بَيْنَهُمَا وَلَمْ يَجْتَمِعَا وَدُعِيَ الْوَلَدُ لِأُمِّهِ يُقَالُ ابْنُ فُلَانَةَ هِيَ عَصَبَتُهُ يَرِثُهَا وَتَرِثُهُ وَمَنْ دَعَاهُ لِزِنْيَةٍ جُلِدَ
৩০০৩. নাফিঈ’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন স্বামী-স্ত্রী উভয়ে লি’আন (পরস্পরকে অভিশাপ দেবে) করবে, তখন তাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়া হবে, আর তারা একত্রিত হতে পারবে না। আর তাদের সন্তান তার মায়ের নামে ডাকা হবে, বলা হবে সে অমুক স্ত্রীলোকের পুত্র। আর তার মাতা তার আসাবাহ হবে, সে তার মাতার ওয়ারিস হবে এবং তার মাতা হবে তার ওয়ারিস। আর যে তাকে ‘যিনাকারীনীর সন্তান’ বলে আহ্বান করবে, তার জন্য রয়েছে বেত্রাঘাত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুসা ইবনু উবাইদাহ’র দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪০ নং ১১৩৭৬ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৪।
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ أَنَّهُ تَرِثُهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ وَهُمْ يَعْقِلُونَ عَنْهُ
৩০০৪. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারী স্বামী-স্ত্রী’র পুত্রের সম্পর্কে তিনি বলেন, তার মাতার আসাবাহ-ই তার ওয়ারিস হবে, আবার তারাই তার পক্ষ হতে (দিয়াত ও অন্যান্য) ক্ষতিপুরণ প্রদান করবে।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শাবী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৬ নং ১১৩৬৭।
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَزْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ هُوَ الَّذِي لَا أَبَ لَهُ تَرِثُهُ أُمُّهُ وَإِخْوَتُهُ مِنْ أُمِّهِ وَعَصَبَةُ أُمِّهِ فَإِنْ قَذَفَهُ قَاذِفٌ جُلِدَ قَاذِفُهُ
৩০০৫. সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র-যার পিতা নাই, তার সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে তার মাতা, মাতার সূত্রে ভাইগণ ও তার মাতার আসাবাহ’ তার মীরাছ পাবে। আর তাকে (‘যিনাকারীনীর সন্তান’ বলে) অপবাদ দানকারীর জন্য রয়েছে বেত্রাঘাত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৬১ নং ৮৫২২; মারফু’ হিসেবে তালীক সূত্রে বাইহাকী, লি’আন ৭/৪০২ যঈফ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ النُّعْمَانِ عَنْ مَكْحُولٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ مِيرَاثِ وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ لِمَنْ هُوَ قَالَ جَعَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُمِّهِ فِي سَبَبِهِ لِمَا لَقِيَتْ مِنْ الْبَلَاءِ وَلِإِخْوَتِهِ مِنْ أُمِّهِ وَقَالَ مَكْحُولٌ فَإِنْ مَاتَتْ الْأُمُّ وَتَرَكَتْ ابْنَهَا ثُمَّ تُوُفِّيَ ابْنُهَا الَّذِي جُعِلَ لَهَا كَانَ مِيرَاثُهُ لِإِخْوَتِهِ مِنْ أُمِّهِ كُلُّهُ لِأَنَّهُ كَانَ لِأُمِّهِمْ وَجَدِّهِمْ وَكَانَ لِأَبِيهَا السُّدُسُ مِنْ ابْنِ ابْنَتِهِ وَلَيْسَ يَرِثُ الْجَدُّ إِلَّا فِي هَذِهِ الْمَنْزِلَةِ لِأَنَّهُ إِنَّمَا هُوَ أَبُ الْأُمِّ وَإِنَّمَا وَرِثَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ أُمَّهُمْ وَوَرِثَ الْجَدُّ ابْنَتَهُ لِأَنَّهُ جُعِلَ لَهَا فَالْمَالُ الَّذِي لِلْوَلَدِ لِوَرَثَةِ الْأُمِّ وَهُوَ يُحْرِزُهُ الْجَدُّ وَحْدَهُ إِذَا لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ
৩০০৬. মাকহূল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের সন্তানের উত্তরাধিকারী কে? তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাতাকে নির্ধারণ করেছেন, কেননা, তার মাতা তার জন্য কষ্ট করেছে; আর তার বৈপিত্রেয় ভাইদেরকেও। মাকহুল আরো বলেন, আর যদি মাতা তার ছেলেকে রেখে মৃত্যুবরণ করে এবং তারপর তার ছেলেও মৃত্যুবরণ করে যার জন্য তাকে (মাতাকে) ওয়ারিস নির্ধারণ করা হয়েছিল, তবে তার বৈপিত্রেয় ভাইগণ সকল সম্পদের মালিক হবে। কারণ, সে ছিল তাদের (বৈপিত্রেয় ভাইদের) এবং নানার (নিকটতর)। আর তার মায়ের পিতা তথা নানা তার মেয়ের ছেলের সম্পদে এক ষষ্ঠাংশ পাবে। নানার জন্য এ স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও ওয়ারিছ হয় না। কেননা, তিনি তো মাতার পিতা (নানা)। আর বৈপিত্রেয় ভাইগণ তো কেবল তাদের মাতার ওয়ারিস হয়। এবং নানা তার মেয়ের ওয়ারিস হয়, কেননা, তাকে (নানাকেও) নির্ধারিত অংশ দেওয়া হয় তার মেয়ের জন্য। ফলে ছেলের সম্পদ যা মায়ের উত্তরাধিকার, নানা ব্যতীত অন্য কোন উত্তরাধিকার না থাকলে তা কেবল নানার অধিকারে থাকবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মাকহুল পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: অতি সংক্ষিপ্ত আকারে ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৫ নং ১১৩৬৪; আবূ দাউদ ২৯০৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৯ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ قَوْمًا اخْتَصَمُوا إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فِي وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ فَجَاءَ عَصَبَةُ أَبِيهِ يَطْلُبُونَ مِيرَاثَهُ فَقَالَ إِنَّ أَبَاهُ كَانَ تَبَرَّأَ مِنْهُ فَلَيْسَ لَكُمْ مِنْ مِيرَاثِهِ شَيْءٌ فَقَضَى بِمِيرَاثِهِ لِأُمِّهِ وَجَعَلَهَا عَصَبَتَهُ
৩০০৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, কিছু লোক লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের সন্তানের উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ করে ফায়সালার জন্য আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট এলো। এমতাবস্থায় তার পিতার আসাবাহ’ (নিকট আত্মীয়গণ) ও এসে তার মীরাছ দাবী করলো। তখন তিনি বললেন: তার পিতা তো তার থেকে দায়মুক্ত। ফলে তার সম্পদে তোমাদের কোনই অংশ নেই। ফলে তিনি ফায়সালা করলেন যে, তার মা-ই তার মীরাছ পাবে, তিনি তার মাকে তার আসাবাহ নির্ধারণ করলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইকরিমাহ হতে সিমাক এর বর্ণনায় ‘ইযতিরাব’ (বিক্ষিপ্ততা) রয়েছে।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى أَنَّهُ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ يُحَدِّثُ عَنْ عَلِيٍّ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ مَا لِلرَّجُلِ وَمَا لِلْمَرْأَةِ مِنْ أَيِّهِمَا يُوَرَّثُ فَقَالَ مِنْ أَيِّهِمَا بَالَ
৩০০৮. মুহাম্মদ ইবনু আলী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এমন এক ব্যক্তির সম্পর্কে প্রশ্ন এলো যার, পুরুষাঙ্গও আছে আবার স্ত্রী অঙ্গও আছে (উভয়লিঙ্গ); সে দু’টি অঙ্গের কোনটি (পুরুষ নাকি মহিলা) হিসেবে মীরাছ পাবে? তিনি বললেন, সে এতদুভয়ের মধ্যে যে অঙ্গটি দিয়ে পেশাব করে, (সে অনুযায়ী সে মীরাছ পাবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন, কেননা, মুহাম্মদ ইবনুল আলী ইবনুল হুসাইনের বর্ণনা তার দাদা আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মুরসাল।
তাখরীজ: এর তাখরীজের জন্য পরের হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ شِبَاكٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ فِي الْخُنْثَى قَالَ يُوَرَّثُ مِنْ قِبَلِ مَبَالِهِ
৩০০৯. শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উভয় লিঙ্গ (হিজড়া) ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে বলেন, সে যে অঙ্গটি দিয়ে পেশাব করে, সে অনুযায়ী সে মীরাছ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. বিচ্ছিন্নতা, শা’বী আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দেখেছেন কিন্তু তার থেকে কিছু শুনেননি। ২. আর হুশাইম এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন আর তিনি মুদাল্লিস।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯২০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৯ নং ১১৪১০।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو هَانِئٍ قَالَ سُئِلَ عَامِرٌ عَنْ مَوْلُودٍ وُلِدَ وَلَيْسَ بِذَكَرٍ وَلَا أُنْثَى لَيْسَ لَهُ مَا لِلذَّكَرِ وَلَيْسَ لَهُ مَا لِلْأُنْثَى يُخْرِجُ مِنْ سُرَّتِهِ كَهَيْئَةِ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ سُئِلَ عَنْ مِيرَاثِهِ فَقَالَ نِصْفُ حَظِّ الذَّكَرِ وَنِصْفُ حَظِّ الْأُنْثَى
৩০১০. আবূ হানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে সন্তান পুরুষও নয়, নারীও নয়, তার পুরুষাঙ্গও নেই, আবার স্ত্রী অঙ্গও নেই-যার মধ্যস্থল (নাভীর স্থান) হতে পেশাব ও পায়খানা বের হয়- এমন একটি শিশু সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে আমির (রহঃ) বলেন, পুরুষাঙ্গের অংশের জন্য অর্ধাংশ এবং স্ত্রী অঙ্গের অংশের জন্য অর্ধেক পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫০ নং ১১৪১৩; দারুকুতনী ৪/৮১।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ سُئِلَ أَبُو بَكْرٍ عَنْ الْكَلَالَةِ فَقَالَ إِنِّي سَأَقُولُ فِيهَا بِرَأْيِي فَإِنْ كَانَ صَوَابًا فَمِنْ اللَّهِ وَإِنْ كَانَ خَطَأً فَمِنِّي وَمِنْ الشَّيْطَانِ أُرَاهُ مَا خَلَا الْوَالِدَ وَالْوَلَدَ فَلَمَّا اسْتُخْلِفَ عُمَرُ قَالَ إِنِّي لَأَسْتَحْيِي اللَّهَ أَنْ أَرُدَّ شَيْئًا قَالَهُ أَبُو بَكْرٍ
৩০১১. শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে ‘কালালাহ’ (পিতৃহীন নি:সন্তান ব্যক্তি)- এর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি তো আমার নিজের মতামত দিয়ে কথা বলব, যদি তা সঠিক হয়, তবে তা আল্লাহর পক্ষ হতে, আর যদি তা ভুল হয়, তবে তা আমার নিজের ও শয়তানের পক্ষ থেকে। সে হলো যার পিতাও নেই, সন্তানও নেই। এরপর যখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খলিফা হলেন, তখন বললেন, আবূ বাকর যা বলেছেন তা প্রত্যাখ্যান করতে আল্লাহর নিকট লজ্জা বোধ করি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৯১; তাবারী ৪/২৮০, ২৮৩, ২৮৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৯১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৫ নং ১১৬৪৬।
বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৪।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ هُوَ ابْنُ أَبِي أَيُّوبَ قَالَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيِّ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ مَا أَعْضَلَ بِأَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْءٌ مَا أَعْضَلَتْ بِهِمْ الْكَلَالَةُ
৩০১২. উকবাহ ইবনু আমির জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ অন্য কোনো বিষয়ে এত কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হননি, যত কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিলেন কালালাহ’র বিষয়ে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬ নং ১১৬৪৮।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ الْكَلَالَةُ مَا خَلَا الْوَالِدَ وَالْوَلَدَ
৩০১৩. হাসান ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কালালাহ হলো যার পিতাও নেই, সন্তানও নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৮৯; তাবারী ৪/ ২৮৪, ২৮৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৮৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬ নং ১১৬৪৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ سَعْدٍ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوْ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ لِأُمٍّ
৩০১৪. কাসিম ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পাঠ করেন: (وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلاَلَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ) অর্থ: “যদি কোনো পিতৃহীন নি:সন্তান পুরুষ অথবা স্ত্রীলোক মারা যায় এবং তার এক ভ্রাতা অথবা এক ভগ্নী থাকে।“ (সূরা নিসাঃ ১২)
এ আয়াত পাঠ করে তিনি বলেন, সে ভাই অথবা বোন হবে বৈপিত্রেয় ভাই অথবা বোন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তাবারী, তাফসীর ৪/ ২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৯২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬-৪১৭ নং ১১৬৫০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩১।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَسْوَدِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ أَنَّ عَاصِمَ بْنَ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ الْتَمَسَ مَنْ يَرِثُ ابْنَ الدَّحْدَاحَةِ فَلَمْ يَجِدْ وَارِثًا فَدَفَعَ مَالَ ابْنِ الدَّحْدَاحَةِ إِلَى أَخْوَالِ ابْنِ الدَّحْدَاحَةِ
৩০১৫. আসিম ইবনু উমার ইবনু কাতাদাহ আল আনসারী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইবনু দাহদাহা’র ওয়ারিসগণকে খুঁজেছিলেন। কিন্তু কোনো (নির্ধারিত) ওয়ারিস না পেয়ে ইবনু দাহদাহা’র মামাদের নিকট তার সম্পদ হস্তান্তর করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন।
তাখরীজ: এ শব্দে এটি আর কোথাও বর্ণিত হয়নি। পরবর্তী ৩০৯৫ নং হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اللَّهُ وَرَسُولُهُ مَوْلَى مَنْ لَا مَوْلَى لَهُ وَالْخَالُ وَارِثُ مَنْ لَا وَارِثَ لَهُ
৩০১৬. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, যার কোনো অভিভাবক নেই, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল-ই তার অভিভাবক; আর যার ওয়ারিস নেই, মামা-ই তার ওয়ারিস।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে ইবনু জুরাইজ এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন আর তিনি মুদাল্লিস। তবে আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ এ এটি ‘হাদ্দাসানা’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমর ইবনু মুসলিমের কারণে এটি হাসান স্তরে উন্নীত হয়।
তাখরীজ: তিরমিযী, ফারাইয ২১০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৭১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৫।
ইমাম তিরমিযী, বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। কেউ কেউ এটি ‘মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তারা সেখানে ‘আয়িশা হতে’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
এটি নিয়ে সাহাবীগণের মাঝে ইখতিলাফ (ভিন্নমত) মত; তাদের কেউ কেউ মামা, খালা, ফুফূ কে মীরাছ দিয়েছেন, যাবিল আরহামের মীরাছের ব্যাপারে এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন অধিকাংশ আহলে ইলমগণ। তবে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের কাউকে মীরাছ দেননি, বরং তার মীরাছ বায়তুল মালে জমা করেছেন।“
বাইহাকী বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর বক্তব্য হিসেবে এটি সংরক্ষিত, মাওকুফ হিসেবে…
আর এটি আবূ আসিম তার থেকে কোনো কোনো বর্ণনায় মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এরপর এতে সন্দেহ করেন, ফলে এটি মারফু’ হিসেবে মাহফুজ (সংরক্ষিত) নয়, আর আল্লাহই ভাল জানেন।“
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে মিকদাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ হিব্বান নং ৬০৩৫, ৬০৩৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৫, ১২২৬।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে মিকদাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ হিব্বান নং ৬০৩৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৭।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ زِيَادٍ قَالَ أُتِيَ عُمَرُ فِي عَمٍّ لِأُمٍّ وَخَالَةٍ فَأَعْطَى الْعَمَّ لِلْأُمِّ الثُّلُثَيْنِ وَأَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ
৩০১৭. যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এক লোক (মৃতের) মাতার চাচা খালা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলো, তখন তিনি মাতার চাচাকে দিলেন দুই তৃতীয়াংশ এবং খালাকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬০ নং ১১১৬১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/৩৯৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৬-২১৭।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ وَالْعَمَّةَ الثُّلُثَيْنِ
৩০১৮. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনু খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মৃতের) মাতার খালাকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ এবং ফুফুকে দিলেন দুই তৃতীয়াংশ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬০, ২৬১ নং ১১১৬২, ১১১৬৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৭ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ غَالِبِ بْنِ عَبَّادٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ حَبْتَرٍ النَّهْشَلِيِّ قَالَ أُتِيَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مَرْوَانَ فِي خَالَةٍ وَعَمَّةٍ فَقَامَ شَيْخٌ فَقَالَ شَهِدْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ وَالْعَمَّةَ الثُّلُثَيْنِ قَالَ فَهَمَّ أَنْ يَكْتُبَ بِهِ ثُمَّ قَالَ أَيْنَ زَيْدٌ عَنْ هَذَا
৩০১৯. কাইস ইবনু হাবতারী আন নাহশালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক মারওয়ান ইবনুল হাকামের নিকট খালা ও ফুফুর মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলেন। তখন এক বয়স্ক ব্যক্তি দাড়িয়ে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খালাকে দিয়েছেন এক তৃতীয়াংশ এবং ফুফুকে দিয়েছেন দুই তৃতীয়াংশ। তিনি বলেন, তিনি ভাবলেন, তিনি এটি লিখে রাখবেন। এরপর তিনি বললেন, যাইদ কোথায়, এটি (লিখে দিক)?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ অত্যন্ত যঈফ। গালিব ইবনু আব্বাদের জীবনী আমি পাইনি। এছাড়া বৃদ্ধ লোকটি অজ্ঞাত পরিচয় (মাজহুল)।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১১২।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ الْخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الْأُمِّ وَالْعَمَّةُ بِمَنْزِلَةِ الْأَبِ وَبِنْتُ الْأَخِ بِمَنْزِلَةِ الْأَخِ وَكُلُّ رَحِمٍ بِمَنْزِلَةِ رَحِمِهِ الَّتِي يُدْلِي بِهَا إِذَا لَمْ يَكُنْ وَارِثٌ ذُو قَرَابَةٍ
৩০২০. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, খালা মায়ের স্থলাভিষিক্ত এবং ফুফু পিতার স্থলাভিষিক্ত আর ভাইয়ের মেয়ে (ভাতিজি) ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত। এবং যখন মীরাছের নির্ধারিত অংশের অধিকারী নিকটতম কোনো আত্মীয় পাওয়া না যায়, তখন (যিল আরহাম) রক্ত সম্পর্কিয় নিকটাত্মীয় তার সেই নিকটাত্মীয়ের স্থলাভিষিক্ত, যার মাধ্যমে সে সম্পর্কযুক্ত হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু সালিমের দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৮১১৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬১ নং ১১১৬৫।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ حَدَّثَنِي الضَّحَّاكُ بْنُ قَيْسٍ أَنَّ عُمَرَ قَضَى فِي أَهْلِ طَاعُونِ عَمَوَاسَ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا كَانُوا مِنْ قِبَلِ الْأَبِ سَوَاءً فَبَنُو الْأُمِّ أَحَقُّ وَإِذَا كَانَ بَعْضُهُمْ أَقْرَبَ مِنْ بَعْضٍ بِأَبٍ فَهُمْ أَحَقُّ بِالْمَالِ
৩০২১. দাহহাক ইবনু কায়িস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, উমার আমাউসের মহামারী (প্লেগ) রোগে মৃতব্যক্তির সম্পর্কে ফায়সালা করেছিলেন যে, তারা পিতাকুলের দিক থেকে সম পর্যায়ের হলে মাতৃকুলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আর যখন তারা পিতার দিক থেকে একে অপরের চেয়ে অধিক নিকটতম ছিল, তখন তারাই সম্পদের অধিক হকদার হয়েছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৩৯, ১৯১৩৬।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَقَ الشَّيْبَانِيُّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ قَالَ أُصِيبَ سَالِمٌ مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ يَوْمَ الْيَمَامَةِ فَبَلَغَ مِيرَاثُهُ مِائَتَيْ دِرْهَمٍ فَقَالَ عُمَرُ احْبِسُوهَا عَلَى أُمِّهِ حَتَّى تَأْتِيَ عَلَى آخِرِهَا
৩০২২. আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ইবনুল হাদী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়ামামা’র যুদ্ধের দিন আবী হুযাইফা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর দাস সালিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নিহত হন। তার মীরাছ দুইশত দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছেছিল। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এটা তার মায়ের জন্য সংরক্ষণ করো, যাতে সে এর শেষ পর্যন্তও (তথা পুরোটা) সে পেতে পারে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৬২৩৭।