সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ يَتَوَارَثُونَ دُونَ بَنِي الْعَلَّاتِ يَرِثُ الرَّجُلُ أَخَاهُ لِأَبِيهِ وَأُمِّهِ دُونَ أَخِيهِ لِأَبِيهِ
৩০২৩. আলী ইবনে আবূ তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “একই মায়ের সন্তানরা পরস্পরের ওয়ারিস হবে, বৈমাত্রেয় ভাইগণ নয়। মানুষ তার সহোদর ভাই-বোনের ওয়ারিস হবে, বৈমাত্রেয় ভাই-বোনের নয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩০০, ৩৬১, ৬২৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫। এছাড়াও, ইবনু মাজাহ, ফারাইয নং ২৭৩৯ তে।
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَرَأَيْتَ رَجُلًا تَرَكَ ابْنَ ابْنَتِهِ أَيَرِثُهُ قَالَ لَا
৩০২৪. নু’মান ইবনু সালিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম, কোনো লোক তার মেয়ের ছেলেকে রেখে মৃত্যুবরণ করলো, আপনি কি মনে করেন যে, সে তার ওয়ারিস হবে? তিনি বললেন, না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত সহীহ। আর এটি তার থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৬ নং ১১২৪৫;
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْأُمُّ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ وَالْأُخْتُ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ
৩০২৫. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যার আসাবাহ নেই, মা-ই তার আসাবাহ বলে গণ্য এবং যার আসাবাহ নেই, বোন তার আসাবাহ হিসেবে গণ্য।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। ইবরাহীম আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৬৬।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلْحِقُوا الْفَرَائِضَ بِأَهْلِهَا فَمَا بَقِيَ فَهُوَ لِأَوْلَى رَجُلٍ ذَكَرٍ
৩০২৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে, তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয, ৬৭৩২; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৫;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০২৮, ৬০২৯, ৬০৩০ তে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْأَشْعَثِ أَنَّ عَمَّةً لَهُ تُوُفِّيَتْ يَهُودِيَّةً بِالْيَمَنِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ يَرِثُهَا أَقْرَبُ النَّاسِ إِلَيْهَا مِنْ أَهْلِ دِينِهَا
৩০২৭. মুহাম্মদ ইবনু আশ’আস (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার এক ফুফু ইয়ামানে ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এরপর এ ঘটনা উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: তার ধর্মের অনুসারী তার সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয় তার মীরাছ পাবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: মালিক, ফারাইয ১২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৮; আব্দুর রাযযাক ৯৮৫৯, ১৯৩০৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭২ নং ১১৪৯০। এটি সামনেও আসছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ قَالَ مَاتَتْ عَمَّةُ الْأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ وَهِيَ يَهُودِيَّةٌ فَأَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ أَهْلُ دِينِهَا يَرِثُونَهَا
৩০২৮. ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আশ’আস ইবনু কাইসের এক ফূফু ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এরপর এ ঘটনা উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন: তার ধর্মের অনুসারীরাই তার মীরাছ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৯; আব্দুর রাযযাক ৯৮৬০; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭০ নং ১১৪৮৪।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَهْلُ الشِّرْكِ لَا نَرِثُهُمْ وَلَا يَرِثُونَا
৩০২৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনু খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা মুশরিকদের মীরাছ পাই না, তারাও আমাদের মীরাছ পাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। ইবরাহীম উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৫৬, ১৯২৯৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪১।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ عِيسَى الْحَنَّاطِ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالُوا لَا يَتَوَارَثُ أَهْلُ دِينَيْنِ
৩০৩০. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকলেই বলেছেন: “দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ কখনো একে অপরের ওয়ারিস হবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ঈসা ইবনু আবী ঈসা মাতরুকুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত)।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৭১ মারফু’ হিসেবে ভিন্ন শব্দে।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عُمَرَ قَالَ لَا يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ
৩০৩১. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: “দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। আমির শা’বী উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৬৪ যঈফ সনদে।
তবে এর শাহিদ রয়েছে উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বুখারী, ফরাইয ৬৭৬৪; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৪। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭৫৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫১।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَا نَرِثُ أَهْلَ الْكِتَابِ وَلَا يَرِثُونَا إِلَّا أَنْ يَمُوتَ لِلرَّجُلِ عَبْدُهُ أَوْ أَمَتُهُ
৩০৩২. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমরা আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান) দেরকে ওয়ারিস বানাই না, আবার তারাও আমাদেরকে ওয়ারিস বানায় না; তবে কোনো লোকের দাস বা দাসী মারা গেলে (সে তার ওয়ারিস হবে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকুফ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৪৫ তে। সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭৩ নং ১১৪৯৫ মারফু’ হিসেবে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا نَرِثُ أَهْلَ الْكِتَابِ وَلَا يَرِثُونَا إِلَّا الرَّجُلُ يَرِثُ عَبْدَهُ أَوْ أَمَتَهُ
৩০৩৩. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আমরা আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান) দেরকে ওয়ারিস বানাই না, আবার তারাও আমাদেরকে ওয়ারিস বানায় না; তবে কোনো লোকের দাস বা দাসী মারা গেলে (সে তার ওয়ারিস হবে)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৪৫ তে।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ كَانَ مُعَاوِيَةُ يُوَرِّثُ الْمُسْلِمَ مِنْ الْكَافِرِ وَلَا يُوَرِّثُ الْكَافِرَ مِنْ الْمُسْلِمِ قَالَ قَالَ مَسْرُوقٌ وَمَا حَدَثَ فِي الْإِسْلَامِ قَضَاءٌ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَقُولُ بِهَذَا قَالَ لَا
৩০৩৪. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুসলিমকে কাফিরের ওয়ারিস বানাতেন, তবে কোনো কাফিরকে মুসলিমের ওয়ারিস বানাতেন না। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, মাসরুক (রহঃ) বলেন, এর চেয়ে ইসলামের মধ্যে আর কোনো নতুন ফায়সালা বা রায় আমার নিকট এত প্রিয় নেই।[1]
আবূ মুহাম্মদ (দারিমী) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনার মতও কি তাই? তিনি বলেন, না।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাসরুকের বর্ণনা আমরা জানতে পারিনি। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭৪ নং ১১৪৯৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪৫, ১৪৭ (অপর সহীহ সনদে)।
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَامِرٍ أَنَّ الْمُعْزِلَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ تُوُفِّيَتْ بِالْيَمَنِ وَهِيَ يَهُودِيَّةٌ فَرَكِبَ الْأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ وَكَانَتْ عَمَّتَهُ إِلَى عُمَرَ فِي مِيرَاثِهَا فَقَالَ عُمَرُ لَيْسَ ذَاكَ لَكَ يَرِثُهَا أَقْرَبُ النَّاسِ مِنْهَا مِنْ أَهْلِ دِينِهَا لَا يَتَوَارَثُ مِلَّتَانِ
৩০৩৫. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, মু’যিলাহ বিনতুল হারিস ইয়ামানে ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। তিনি আশ’আস ইবনু কাইসের ফুফু ছিল। ফলে তিনি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট গিয়ে তার মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: এতে তোমার জন্য কোনো অংশ নেই। তার ধর্মের অনুসারী তার সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয় তার মীরাছ পাবে। দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪৪। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্ববর্তী ৩০২৫ নং হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَا يَتَوَارَثُ مِلَّتَانِ شَتَّى وَلَا يَحْجُبُ مَنْ لَا يَرِثُ
৩০৩৬. আনাস ইবনু সিরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না এবং যে ওয়ারিস হয় না, সে অন্যকে (মীরাস থেকে) বঞ্চিত করতে পারে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। আনাস ইবনু সীরীন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩৮।
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
৩০৩৭. উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ফরাইয ৬৭৬৪; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭৫৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫১। এটি সামনে ৩০৩৬ ও ৩০৩৭ নং এও আসছে।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الْمَيِّتُ وَجَبَتْ الْحُقُوقُ لِأَهْلِهَا وَلَمْ يَجْعَلْ لِمَنْ أَسْلَمَ أَوْ أُعْتِقَ قَبْلَ أَنْ يُقْسَمَ الْمِيرَاثُ شَيْئًا
৩০৩৮. আবী মা’শার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তখন এর হকদারকে তার হকসমূহ প্রদান করা ওয়াজিব হয়। তবে সেই ব্যক্তিকে কিছুই দেওয়া হবে না যে মীরাছ বন্টনের পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করবে, অথবা যে দাসকে মুক্তি দান করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। জা’ফর ইবনু আওনকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি যারা সাঈদ ইবনু আবী আরুবাহ’র স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার পূর্বে তার থেকে শ্রবণ করেছেন। তবে এর মুতাবি’আত রয়েছে আলী ইবনু মাসহার হতে, আর তিনি সাঈদ হতে স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার পূর্বে তার থেকে শ্রবণ করেছেন। ফলে এর সনদটিকে ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ তে রূপান্তরিত করে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪২৪ নং ১১৬৭৫ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ৯৮৮৯।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
৩০৩৯. (অপর সনদে) উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। এটি গত হয়েছে ৩০৩৪ নং এ।
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
৩০৪০. (অপর সনদে) উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি। আরও দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৪ ও শাওকানী, নাইলুল আওতার ৬/১৯২-১৯৪।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَيْسَ لِلْمُكَاتَبِ مِيرَاثٌ مَا بَقِيَ عَلَيْهِ شَيْءٌ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ
৩০৪১. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যতক্ষণ কোন মুকাতিব (চুক্তিকৃত) দাসের চুক্তিকৃত অর্থ পরিশোধে কোনো কিছু বাকী থাকে, এমতাবস্থায় সে দাস মীরাছের কোনোকিছুই পাবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي رَجُلٍ لَهُ بَنُونَ قَدْ أَعْتَقَ مِنْ بَعْضِهِمْ النِّصْفَ وَمِنْ بَعْضِهِمْ الثُّلُثَ وَمِنْ بَعْضٍ الرُّبُعَ قَالَ لَا يَرِثُونَ حَتَّى يُعْتَقُوا
৩০৪২. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, কোনো লোকের কিছু পুত্র ছিল, যাদের কেউ (তার এক দাসকে) মুক্ত করেছিল অর্ধাংশ, কেউ এক তৃতীয়াংশ এবং কেউ এক চতুর্থাংশ। আতা রাহি তার সম্পর্কে বলেন, যতক্ষণ না তারা (তাকে পুরোপুরি) মুক্ত করছে ততক্ষণ তাদেরকে (এর) ওয়ারিস বানানো হবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদটি আতা পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/১৩৯ নং ৬১৪; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৫৭২২; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/১১১; বাইহাকী, ফারাইয ১০/৩৪২।