সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ عَنْ كَعْبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْرَءُوا سُورَةَ هُودٍ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
৩৪৪৩. কা’ব হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা জুমু’আর দিনে সুরাহ হুদ পাঠ কর।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ মুরসাল হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: আবূ দাউদ, মারাসীল নং ৫৯; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৩৮। আরও দেখুন, দুররে মানছুর ১/৩১৯।
حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَتْنَا عَبْدَةُ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ قَالَ مَنْ قَرَأَ عَشْرَ آيَاتٍ مِنْ الْكَهْفِ لَمْ يَخَفْ الدَّجَّالَ
৩৪৪৪. খালিদ ইবনু মা’দান বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহফের দশ আয়াত পাঠ করবে, তার দাজ্জালের ভয় থাকবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আবদাহ বিনতে খালিদ ইবনু মা’দানের জীবনী আমি পাইনি। আর এটি খালিদের উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে সহীহ মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৮০৯ তে।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৮৫-৭৮৬ তে।
সংযোজনী: এছাড়াও, আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ: নং ২৪৫; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৪৩; ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ১৮২; সাখাবী, জামালুল কুররা ১/১২৮-১২৯; ইবনুস সুন্নী, আমলুল ইয়াম ওয়াল লাইলাহ নং ৬৭৬।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ عَبْدَةَ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ مَنْ قَرَأَ آخِرَ سُورَةِ الْكَهْفِ لِسَاعَةٍ يُرِيدُ يَقُومُ مِنْ اللَّيْلِ قَامَهَا قَالَ عَبْدَةُ فَجَرَّبْنَاهُ فَوَجَدْنَاهُ كَذَلِكَ
৩৪৪৫. যিরর ইবনু হুবাইশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতে যেকোন সময় উঠার জন্য সূরাহ কাহফের শেষাংশ পাঠ করবে, সে সে সময়ই উঠতে পারবে।বর্ণনাকারী আব্দাহ বলেন, আমরা এটি পরীক্ষা করে দেখেছি এবং অনুরূপ ফলই পেয়েছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ মুহাম্মদ ইবনু কাছির এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ: নং ২৪৬; আরও দেখুন, সাখাবী, জামালুল কুররা ১/১৩০।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا أَبُو هَاشِمٍ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ مَنْ قَرَأَ سُورَةَ الْكَهْفِ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ أَضَاءَ لَهُ مِنْ النُّورِ فِيمَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْبَيْتِ الْعَتِيقِ
৩৪৪৬. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য তার ও বাইতুল আতিক্ব (কা’বা)-এর মধ্যবর্তী জায়গা নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবূ সাঈদ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ: নং ২৪৪; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৪৪; নাসাঈ, আমলুল ইয়াম ওয়াল লাইলাহ নং ৯৫৩ মাওকুফ হিসেবে। তবে নাসাঈ, আমলুল ইয়াম ওয়াল লাইলাহ নং ৯৫২; তাবারাণী, আওসাত নং ১৪৭৮; হাকিম নং ২০৭২; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৪৬ মারফু’ হিসেবে।
তবে নাসাঈ বলেছেন এটি মাওকুফ হিসেবেই সঠিক।
তাবারাণী বলেছেন, ইয়াহইয়া ইবনু কাছীর ব্যতীত আর কেউ এটি মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেনি। বাইহাকী বলেন, এটি মাওকুফ হিসেবেই মাহফুজ (সংরক্ষিত)।
আমাদের বক্তব্য: মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করাটা হলো যিয়াদাহ (অতিরিক্ত); আর বিশ্বস্ত রাবীর ‘যিয়াদাহ’ (অতিরিক্ত বর্ণনা) গ্রহণযোগ্য। আল্লাহই ভাল জানেন।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَتْنَا عَبْدَةُ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ قَالَ اقْرَءُوا الْمُنَجِّيَةَ وَهِيَ الم تَنْزِيلُ فَإِنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّ رَجُلًا كَانَ يَقْرَؤُهَا مَا يَقْرَأُ شَيْئًا غَيْرَهَا وَكَانَ كَثِيرَ الْخَطَايَا فَنَشَرَتْ جَنَاحَهَا عَلَيْهِ وَقَالَتْ رَبِّ اغْفِرْ لَهُ فَإِنَّهُ كَانَ يُكْثِرُ قِرَاءَتِي فَشَفَّعَهَا الرَّبُّ فِيهِ وَقَالَ اكْتُبُوا لَهُ بِكُلِّ خَطِيئَةٍ حَسَنَةً وَارْفَعُوا لَهُ دَرَجَةً
৩৪৪৭. খালিদ ইবনু মা’দান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা ‘মুনজিয়্যাহ’ (‘নাজাত দানকারী’) পাঠ কর আর তা হলো: “আলিফ লাম মীম (১) তানযীল।“ [সুরা আস সিজদা: ১-২] কেননা, আমার নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, কোন এক লোক কেবল এ সুরাটিই পাঠ করতো, এ ব্যতীত আর কোনো কিছুই পাঠ করতো না। আর সে ছিল অনেক পাপী। (মৃত্যুর পরে) এ ব্যক্তির উপর এ সুরা তার ডানা বিছিয়ে দিয়েছিল, এবং (তার জন্য আল্লাহর নিকট শাফা’আত করে) বলেছিল: হে রব্ব, তাকে ক্ষমা করে দিন। কেননা, সে আমাকে প্রচুর পরিমাণে পাঠ করেছে। ফলে রব তার ব্যাপারে তার শাফা’আত কবুল করবেন। তিনি বলবেন, তার সকল পাপ পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দাও এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দাও।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আবদাহ বিনতে খালিদ ইবনু মা’দানের জীবনী আমি পাইনি। আর এটি খালিদের উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৭৬ তে তিবরিযী দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্থিত করেছেন।
দেখুন, দুররে মানসুর ৫/১৭০-১৭১। এটি সামনেও আসছে।
حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ كَعْبٍ قَالَ مَنْ قَرَأَ تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ كُتِبَ لَهُ سَبْعُونَ حَسَنَةً وَحُطَّ عَنْهُ بِهَا سَبْعُونَ سَيِّئَةً وَرُفِعَ لَهُ بِهَا سَبْعُونَ دَرَجَةً
৩৪৪৮. কা’ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি (“আলিফ লা-ম, মী-ম (১) তানযীল“) [সুরাহ আস সাজদা: ১-২] ও “তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক“ (সুরাহ মুলক:১) পাঠ করবে, তার জন্য ৭০ টি সাওয়াব লেখা হবে, এর জন্য ৭০ টি পাপ মোচন করা হবে এবং এর জন্য ৭০ টি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে।[1]
[1] তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ২১৩; দেখুন, দুররে মানসুর ৫/১৭০
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا خَالِدٍ عَامِرَ بْنَ جَشِيبٍ وَبَحِيرَ بْنَ سَعْدٍ يُحَدِّثَانِ أَنَّ خَالِدَ بْنَ مَعْدَانَ قَالَ إِنَّ الم تَنْزِيلُ تُجَادِلُ عَنْ صَاحِبِهَا فِي الْقَبْرِ تَقُولُ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتُ مِنْ كِتَابِكَ فَشَفِّعْنِي فِيهِ وَإِنْ لَمْ أَكُنْ مِنْ كِتَابِكَ فَامْحُنِي عَنْهُ وَإِنَّهَا تَكُونُ كَالطَّيْرِ تَجْعَلُ جَنَاحَهَا عَلَيْهِ فَيُشْفَعُ لَهُ فَتَمْنَعُهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَفِي تَبَارَكَ مِثْلَهُ فَكَانَ خَالِدٌ لَا يَبِيتُ حَتَّى يَقْرَأَ بِهِمَا
৩৪৪৯. খালিদ ইবনু মা’দান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (“আলিফ লা-ম, মী-ম (১) তানযীল“) [সুরাহ আস সাজদা: ১-২] তার পাঠকের জন্য কবরে বিতর্ক করবে। সে বলবে: হে আল্লাহ, আমি যদি আপনার কিতাবের অংশ হয়ে থাকি, তবে আপনি তার ব্যাপারে আমার শাফা’আত কবুল করুন। আর আমি যদি আপনার কিতাবের অংশ না হয়ে থাকি, তবে আপনি আপনার কিতাব থেকে আমাকে zwj;মুছে দিন। আর এটি তার উপর ডানাবিস্তারকারী পাখির মতো হবে। এরপর সে তার জন্য আল্লাহর নিকট শাফা’আত করবে। এভাবে সে তাকে কবরের আযাব থেকে বাঁচিয়ে দেবে। আর “তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক“ (সুরাহ মুলক: ১) এর সম্পর্কে অনুরূপ (বর্ণনা করেছেন)। আর খালিদ ইবনু মা’দান এ দু’টি পাঠ না করে রাত্রি যাপন করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ এর দুর্বলতার কারণে। আর এটি খালিদের উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৭৬ তে তিবরিযী দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্থিত করেছেন।
দেখুন, দুররে মানসুর ৫/১৭১।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَتَبَارَكَ
৩৪৫০. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’টি সূরাহ পাঠ না করে ঘুমাতেন করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৪২৪ নং ৯৮৬৫; আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/৩৪০; তিরমিযী, ছাওয়াবুল কুরআন ২৮৯৪; নাসাঈ, কুবরা নং ১০৫৪৩;
ইবনু সুন্নী, আমলুল ইয়াম ওয়াল লাইলাহ নং ৬৭৫; হাকিম নং ৩৫৪৫ সেখানে জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে…। তিনি বলেন, আসলে জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেননি, তাকে এ বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান কিংবা ইবনু সাফওয়ান। আর যদি এ সাফওয়ান সাফওয়ান ইবনু সালমি হয়ে তবে হাদীসটি সহীহ। আর যদি আবী সাফওয়ান ইবনু মাসউদ সূত্রে যা বর্ণনা করেছেন তা মুরসাল আর তিনি মাজহুল রাবী।
বুখারী, আদাবুল মুফরাদ নং ১২০৭; নাসাঈ, কুবরা নং ১০৫৪২ জাবির হতে সহীহ সনদে। আরও দেখুন, এ হাদীসের উপর তিরমিযীর টিকা ও মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৫৫ এবং দুররে মানসুর ৫/১৭০।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ فُضِّلَتَا عَلَى كُلِّ سُورَةٍ فِي الْقُرْآنِ بِسِتِّينَ حَسَنَةً
৩৪৫১. তাউস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এ দু’টি সুরাহ কে কুরআনের অন্য যে কোন সূরার চেয়ে অতিরিক্ত ৬০টি সাওয়াব প্রদানের মাধ্যমে মর্যাদাবান করা হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ তাউস পর্যন্ত যঈফ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৪২৪ নং ৯৮৬৬; ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ২৩৩, ২৩৭; আব্দুর রাযযাক নং ৬০৩৫ ইবনু আবী কাছীর সূত্রে তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে সূরাহ সাজদা ও সুরাহ মুলক পাঠ করার নির্দেশ দিতেন। কারণ এ দু’টি সুরার প্রত্যেক আয়াত অন্য সুরার ৭০ আয়াতের সমান। আর যে ব্যক্তি এ দু’টি সুরাহ ইশার শেষে পাঠ করবে, সে যেন তার লাইলাতুল ক্বদরে পাঠ করলো।’ আমার বক্তব্য হলো, এ সনদ মু’দ্বাল। আল্লাহই ভাল জানেন।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ قَالَ سَمِعْتُ مُرَّةَ يَقُولُ أُتِيَ رَجُلٌ فِي قَبْرِهِ فَأُتِيَ جَانِبُ قَبْرِهِ فَجَعَلَتْ سُورَةٌ مِنْ الْقُرْآنِ ثَلَاثُونَ آيَةً تُجَادِلُ عَنْهُ حَتَّى قَالَ فَنَظَرْنَا أَنَا وَمَسْرُوقٌ فَلَمْ نَجِدْ فِي الْقُرْآنِ سُورَةً ثَلَاثِينَ آيَةً إِلَّا تَبَارَكَ
৩৪৫২. মুররাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কোন লোককে কবরে রাখা হবে, তখন তার নিকট কবরের পার্শ্বদেশ থেকে এক (ফেরেশতা) আগমণ করে। এরপর কুরআনের তিরিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরাহ তার পক্ষ হতে বিতর্ক করতে আরম্ভ করে।’ তিনি (বর্ণনাকারী মুররাহ) বলেন, এরপর আমি ও মাসরুক্ব লক্ষ্য করে দেখলাম, কুরআনের ‘তাবারাকা’ (সুরাহ মুলক) ব্যতীত আর কোনো সুরাহ-ই তিরিশ আয়াত বিশিষ্ট নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুররাহ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ২৩৪;
ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন নং ২৬০ মাওকুফ হিসেবে সহীহ সনদে; ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ২৩২; আব্দুর রাযযাক নং ৬০২৫; তাবারাণী, কাবীর ৯/১৪০ নং ৮৬৫১ সনদ হাসান।
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُهَاجِرِ بْنِ الْمِسْمَارِ عَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ ذَكْوَانَ عَنْ مَوْلَى الْحُرَقَةِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَرَأَ طه وْ يس قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ بِأَلْفِ عَامٍ فَلَمَّا سَمِعَتْ الْمَلَائِكَةُ الْقُرْآنَ قَالَتْ طُوبَى لِأُمَّةٍ يَنْزِلُ هَذَا عَلَيْهَا وَطُوبَى لِأَجْوَافٍ تَحْمِلُ هَذَا وَطُوبَى لِأَلْسِنَةٍ تَتَكَلَّمُ بِهَذَا
৩৪৫৩. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তা’আলা আসমানসমুহ ও পৃথিবী সৃষ্টির এক হাজার বছর পূর্বে সুরাহ ত্ব-হা ও ইয়াসীন পাঠ করলেন। যখন ফেরেশতাগণ শুনলেন, তা শুনলেন, তখন বললেন, সুসংবাদ সেই সকল লোকদের জন্য, যাদের উপর এটি নাযিল হবে। আর সুসংবাদ সেই বক্ষের জন্যও, যে এটাকে বহন (ধারণ) করবে। আর সুসংবাদ সেই মুখের জন্যও যে একে পাঠ করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ অত্যন্ত যঈফ।
তাখরীজ: তাবারাণী, আওসাত ৪৩৭৩; ইবনু আবী আসিম, আস সুন্নাহ নং ৬০৭; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ নং ২৩৬; ইবনু হিব্বান, মাজরুহীন ১/১০৮; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৫০; আসমা ওয়াস সিফাত পৃ: ২৩২; ইবনু জাওযী, আল মাওযু’আত ১/১১০; ইবনু আদী, আল কামিল ১/২১৮; উকাইলী, আয যু’আফা ১৬৬; ইবনু হিব্বান ও ইবনুল জাওযী বলেন, এ মতন (বক্তব্য) মাওযু’ বা জাল। আরও দেখুন, আল লা’আলী আল মাসনু’আ ১/১০; মীযানুল ই’তিদাল ১/৬৭; মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৪৮।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ بَلَغَنِي عَنْ الْحَسَنِ قَالَ مَنْ قَرَأَ يس فِي لَيْلَةٍ ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ أَوْ مَرْضَاةِ اللَّهِ غُفِرَ لَهُ وَقَالَ بَلَغَنِي أَنَّهَا تَعْدِلُ الْقُرْآنَ كُلَّهُ
৩৪৫৪. হাসান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোনো রাতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে বা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করা হবে।[1] বর্ণনাকারী বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, এটি পুরো কুরআনের সমান মর্যাদা রাখে।[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ তাউস পর্যন্ত যঈফ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি। তবে দেখুন, দুররে মানসুর ৫/২৫৬। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আগের সনদই।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি। তবে পূর্বের হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ عَنْ هَارُونَ أَبِي مُحَمَّدٍ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ قَلْبًا وَإِنَّ قَلْبَ الْقُرْآنِ يس مَنْ قَرَأَهَا فَكَأَنَّمَا قَرَأَ الْقُرْآنَ عَشْرَ مَرَّاتٍ
৩৪৫৫. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “প্রতিটি বস্তুরই অন্তর আছে। কুরআনের অন্তর হল সূরা ইয়াসীন। যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন পাঠ করলো, সে যেন দশ বার (পূর্ণ) কুরআন পাঠ করলো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : রাবী হারুণ আবূ মুহাম্মদ মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়)। (ফলে সনদটি দুর্বল)
তাখরীজ: তিরমিযী, ছাওবুল কুরআন নং ২৮৮৯; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪৬০, ২০৬১; ইবনু কাছীর, তাফসীর ৬/৫৪৭; সাখাবী, জামালুল কুর্রা’ ১/২৩৪; কুযাঈ, মুসনাদুশ শিহাব নং ১০৩৫; সুয়ূতী, দুররে মানছুর ৫/২৫৬; তারগীব ২/৩৭৭; কাশফুল খফা’ নং ৭০৯; মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৪৭।
حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَرَأَ يس فِي لَيْلَةٍ ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ غُفِرَ لَهُ فِي تِلْكَ اللَّيْلَةِ
৩৪৫৬. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো রাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, সেই রাতে তাকে ক্ষমা করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ বিচ্ছিন্নতা’র (ইনকিতা) কারণে ।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মুাউসিলী নং ৬২২৪; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৬৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৭৪ তে।
বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২৪৬৩, ২৪৬৪ বিচ্ছিন্ন সনদে।
জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ইবনু হিব্বান নং ২৫৭৪ একই ভাবে বিচ্ছিন্ন সনদে, আমরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৬৫ তে।
আরও দেখুন, সুয়ূতী, দুররে মানছুর ৫/২৫৭; তিবরিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৭৭ মুরসাল হিসেবে।
حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ يس فِي صَدْرِ النَّهَارِ قُضِيَتْ حَوَائِجُهُ
৩৪৫৭. আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো দিনের প্রারম্ভে (সকালে) সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, তার সকল প্রয়োজন পুর্ণ করা হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুরসাল।
তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২৪৬৩, ২৪৬৪ আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বিচ্ছিন্ন সনদে, আমরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২২৪ তে।
জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ইবনু হিব্বান নং ২৫৭৪ একই ভাবে বিচ্ছিন্ন সনদে, আমরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৬৫ তে।
আরও দেখুন, সুয়ূতী, দুররে মানছুর ৫/২৫৭; তিবরিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৭৭ মুরসাল হিসেবে।
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ حَدَّثَنَا رَاشِدٌ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحِمَّانِيُّ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَنْ قَرَأَ يس حِينَ يُصْبِحُ أُعْطِيَ يُسْرَ يَوْمِهِ حَتَّى يُمْسِيَ وَمَنْ قَرَأَهَا فِي صَدْرِ لَيْلِهِ أُعْطِيَ يُسْرَ لَيْلَتِهِ حَتَّى يُصْبِحَ
৩৪৫৮. শাহর ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: “যে ব্যক্তি সকালে সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত তার দিনটি সহজ-সাবলীল করা হবে এবং যে ব্যক্তি রাতের প্রারম্ভে (সন্ধ্যায়) সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, সকাল পর্যন্ত তার রাতটি সহজ-সাবলীল করা হবে ।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান । এটি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৫/২৫৭ তে দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى قَالَ أُخْبِرْتُ أَنَّهُ مَنْ قَرَأَ حم الدُّخَانَ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ إِيمَانًا وَتَصْدِيقًا بِهَا أَصْبَحَ مَغْفُورًا لَهُ
৩৪৫৯. আব্দুল্লাহ ইবনু ঈসা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ঈমানও নিষ্ঠার সাথে জুমু’আর রাতে সূরা হা-মীম আদ দুখান পাঠ করবে, সে ক্ষমাপ্রাপ্ত অবস্থায় সকালে উঠবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আব্দুল্লাহ ইবনু ঈসা পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৬/২৪-২৫ তে দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরাহ হতে তিরমিযী, ছাওবুল কুরআন ২৮৯১; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২৪৭৬ বিচ্ছিন্নতাসহ ও মাতরুক রাবীসহ।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ أَبِي رَافِعٍ قَالَ مَنْ قَرَأَ الدُّخَانَ فِي لَيْلَةِ الْجُمُعَةِ أَصْبَحَ مَغْفُورًا لَهُ وَزُوِّجَ مِنْ الْحُورِ الْعِينِ
৩৪৬০. আবী রাফী’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জুমু’আর রাতে সূরা আদ দুখান পাঠ করবে, সে ক্ষমাপ্রাপ্ত অবস্থায় সকালে উঠবে এবং তাকে আয়তলোচনা হুরের সাথে বিবাহ দেওয়া হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী রাফি’ নাফি’ ইবনু রাফি’ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৬/২৪ তে দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ مِسْعَرٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كُنَّ الْحَوَامِيمُ يُسَمَّيْنَ الْعَرَائِسَ
৩৪৬১. সা’দ ইবনু ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হা-মীম যুক্ত সুরাসমূহকে ‘নববধূ’ নামকরণ করা হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী রাফি’ নাফি’ ইবনু রাফি’ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১০/৫৫৮ নং ১০৩৩৩; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২৪৮২।
সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৫/৩৪৪ তে দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ مَنْ قَرَأَ ثَلَاثَ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْحَشْرِ إِذَا أَصْبَحَ فَمَاتَ مِنْ يَوْمِهِ ذَلِكَ طُبِعَ بِطَابَعِ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ قَرَأَ إِذَا أَمْسَى فَمَاتَ مِنْ لَيْلَتِهِ طُبِعَ بِطَابَعِ الشُّهَدَاءِ
৩৪৬২. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সকালে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করে, সে যদি সেই দিন মৃত্যুবরণ করে, তবে তাকে শাহাদাতের সীল (টিকিট) প্রদান করা হবে এবং সন্ধ্যায় তা পাঠ করলে সে যদি সেই রাতে মৃত্যুবরণ করে, তবে তাকে শাহাদাতের সীল লাভ প্রদান করা হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ। এটি তার এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ২২৭।
সুয়ূতী, দুররে মানসুর ১/২০২ তে দারেমী’র প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।