সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: لَا تُمِلُّوا النَّاسَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬১. আবুল আহওয়াস আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লোকদের বিরক্তি (ক্লান্তি) উৎপাদন করো না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ করেছি, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৯৩৪ এ; আরও বর্ণনা করেছেন আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৯৯; খতীব, আল জামি’ নং ১৪২২।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا أَشْعَثُ، عَنْ كُرْدُوسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: إِنَّ لِلْقُلُوبِ لَنَشَاطًا وَإِقْبَالًا، وَإِنَّ لَهَا تَوْلِيَةً وَإِدْبَارًا، فَحَدِّثُوا النَّاسَ مَا أَقْبَلُوا عَلَيْكُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف من أجل أشعث بن سوار
৪৬২. কুরদূস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নিশ্চয় অন্তরের আগ্রহ-উদ্দীপনা ও মনোযোগ (-এর সময়) রয়েছে, অনুরূপ এর বিমুখতা ও পলায়নপরতা (-এরও সময়) রয়েছে। ফলে লোকেরা যখন তোমাদের নিকট আগ্রহী হয়ে আসে তখন তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আস ইবনু সিওয়ার যঈফ হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৭৫০; ইবনু আবী শাইবা ৯/৬৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/১৩৪, ভিন্ন শব্দে নির্ভরযোগ্য রাবীগণ হতে । তবে একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়েছে (মু’দ্বাল)। তবে একটি আরেকটিকে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو هِلَالٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ: كَانَ يُقَالُ: حَدِّثِ الْقَوْمَ مَا أَقْبَلُوا عَلَيْكَ بِوُجُوهِهِمْ، فَإِذَا الْتَفَتُوا، فَاعْلَمْ أَنَّ لَهُمْ حَاجَاتٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده إلى الحسن حسن
৪৬৩. আবু হিলাল বলেন, আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: তাকে বলা হতো: লোকদের নিকট হাদীস বর্ণনা করো, যখন তারা মনোযোগ সহকারে তোমার নিকটে আসে। আর যখন তারা (এদিকে সেদিক) তাকাতে থাকে, তখন zwj;বুঝে নেবে যে, তাদের (অপর) প্রয়োজন রয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত হাসান।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৬৯।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا هَمَّامٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا تَكْتُبُوا عَنِّي شَيْئًا إِلَّا الْقُرْآنَ، فَمَنْ كَتَبَ عَنِّي شَيْئًا غَيْرَ الْقُرْآنِ، فَلْيَمْحُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬৪. আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা আমার থেকে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছুই লিখো না। আর যে আমার থেকে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখেছে, সে যেনো তা মুছে ফেলে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। ( হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন।)
তাখরীজ: মুসলিম ৪/২২৯৮-২২৯৯ নং ৩০০৪; হাকিম, ১/১২৬-১২৭; আহমদ, ৩/১২, ২১, ৩৯, ৫৬; মুসনাদুল মাউসিলী নং ২/৪৬৬ নং ১২৮৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৪; দাইলামী, মুসনাদুল ফেরদাউস ৫/১৮২ নং ৭৫৪৮।
أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ: حَدَّثَنا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ «أَنَّهُمْ اسْتَأْذَنُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَنْ يَكْتُبُوا عنْهُ، فَلَمْ يَأْذَنْ لَهُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬৫. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট তাঁর থেকে (হাদীস) লিখে রাখার জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে এর অনুমতি দেননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তিরমিযী, ২৬৬৭; কাযী আয়ায, আল ইলমা’ পৃ: ১৪৮; কাযী রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬২; খতীব, আলজামি’ নং ৪৬১; তাক্বয়ীদুল ইলম নং পৃ: ৩২, ৩৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৩৫। পূর্বের হাদীসের টীকা দ্র:
أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ " أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: يَا شِبَاكُ، أَرُدُّ عَلَيْكَ، يَعْنِي: الْحَدِيثَ؟ مَا أَرَدْتُ أَنْ يُرَدَّ عَلَيَّ حَدِيثٌ قَطُّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬৬. শুবরুমাহ হতে বর্ণিত, শা’বী বলতেন: হে শিবাক (শা’বীর এক অন্ধ সাথী[1])! তোমাকে, মানে তোমার হাদীসকে ফিরিয়ে দেয়া (প্রত্যাখ্যান করা) হয়েছে কি? আমি কখনো আশা করিনি যে, আমার কোনো হাদীসকে ফিরিয়ে দেয়া হবে (অস্বীকার করার উদ্দেশ্যে পুনরাবৃত্তি করতে বলা হবে[2])।[3]
[1] দেখুন ফাতহুল মান্নান, ৩/২৩২ ৪৬৫ নং হাদীসের টীকা দ্র:
[2] দেখুন ফাতহুল মান্নান, ৩/২৩২ ৪৬৫ নং হাদীসের টীকা দ্র:
[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবী যুর’আহ, তারীখ নং ১৯৮১; খতীব, আলজামি’ নং ৪৬১।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: جَاءَ الزُّهْرِيُّ بِحَدِيثٍ فَلَقِيتُهُ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ، فَأَخَذْتُ بِلِجَامِهِ، فَقُلْتُ: يَا أَبَا بَكْرٍ أَعِدْ عَلَيَّ الْحَدِيثَ الَّذِي حَدَّثْتَنَا بِهِ»، قَالَ: وَتَسْتَعِيدُ الْحَدِيثَ؟ قَالَ: قُلْتُ: «وَمَا كُنْتَ تَسْتَعِيدُ الْحَدِيثَ؟» قَالَ: لَا. قُلْتُ: وَلَا تَكْتُبُ؟ قَالَ: لَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬৭. আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী বলেন, আমি মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি: (একদা) যুহরী একটি হাদীসসহ এলেন। তারপর আমি কোনো এক রাস্তায় তার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তার (বাহনের) লাগাম ধরে বললাম: হে আবু বাকর! আপনি হাদীসটি আমাকে পুনরায় বলুন, যেটি আপনি আমাদেরকে বলেছিলেন। তিনি বললেন: তুমি হাদীসের পুনরাবৃত্তি করতে বলছো? তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি বললাম: আপনি কি হাদীসের পুনরাবৃত্তি করেন না? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: আপনি কি হাদীস লিপিবদ্ধও করেন না? তিনি বললেন: না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম, নং ১৬০।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: كَانَ قَتَادَةُ «يَكْرَهُ الْكِتَابَةَ، فَإِذَا سَمِعَ وَقْعَ الْكِتَابِ، أَنْكَرَهُ وَالْتَمَسَهُ بِيَدِهِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء
৪৬৮. আওযাঈ বলেন: কাতাদাহ (ইলম বা হাদীস) লিখে রাখা অপছন্দ করতেন। কিন্তু যখন তিনি (হাতে লিখিত) কিতাবের মর্যাদার কথা শুনলেন, তিনি তা (পূর্বের মত) থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং তা নিজ হাত দ্বারা লিখতে চাইলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, মুহাম্মদ ইবনু কাছীর আবী আতা যঈফ।
তাখরীজ: এটি এস্থানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে তার থেকে তা জায়েয হওয়া কথা বর্ণিত হয়েছে। দেখুন আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪০।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، قَالَ: كَانَ الْأَوْزَاعِيُّ يَكْرَهُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৬৯. আবুল মুগীরাহ বলেন: আওযাঈ এটি অপছন্দ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি এ স্থানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، أَنَّ إِبْرَاهِيمَ كَانَ يَكْرَهُ الْكِتَابَ - يَعْنِي الْعِلْمَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৭০. মানছুর থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম ইলম লিপিবদ্ধ করাকে অপছন্দ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৬০।
أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، أَنبَأَنَا أَزْهَرُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: «لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا كِتَابًا، لَاتَّخَذْتُ رَسَائِلَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
৪৭১. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, ইবনু সীরীন বলেন: আমি যদি কোন (লিখিত) কিতাব অবলম্বন করতাম, তবে নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালা বা চিঠি-পত্রগুলোকেই অবলম্বন করতাম। (অন্য কিছুকে নয়)“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৪৮; আরো দেখুন, পৃ: ৪৬, ৪৭; এবং মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬৬, ৩৬৮। (এখানে বনী ইসরাইলের পথভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে তিনি কিতাব অবলম্বন করাকে চিহ্নিত করে তাকে অপছন্দ করেছেন। - ফাতহুল মান্নান, হা/৪৮০ এর টীকা দ্র:)
أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: رَأَيْتُ حَمَّادًا يَكْتُبُ عِنْدَ إِبْرَاهِيمَ، فَقَالَ لَهُ إِبْرَاهِيمُ " أَلَمْ أَنْهَكَ؟ قَالَ: إِنَّمَا هِيَ أَطْرَافٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৭২. ইবনু আউন বলেন, আমি হাম্মাদকে ইবরাহীমের নিকট বসে লিখতে দেখলাম। তখন ইবরাহীম তাকে বললেন: আমি কি তোমাকে (এথেকে) নিষেধ করিনি? তিনি বলেন: এ হলো (হাদীসের) পার্শ্বটীকা মাত্র।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৩৫ সহীহ সনদে, ১৩৬, ১৬১; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫০ নং ৬৪৮১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪০০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৫, ইবরাহীম থেকে: কিতাবের ‘আত্বরাফ’ (পার্শ্বটীকা) লিখতে অসুবিধা নেই।“ এর সনদ সহীহ।
أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: قَالَ لِي عَبِيْدَةُ «لَا تُخَلِّدَنَّ بِي كِتَابًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৭৩. ইবরাহীম বলেন, আমাকে উবাইদাহ বলেন: আমার থেকে কোনো লিপিবদ্ধ (হাদীস বা ইলম) তোমার নিকট যেনো স্থায়ীভাবে থেকে না যায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫২ নং ৬৪৯৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬২; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৪৬, ৪৭; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন পরবর্তী ৪৭৭ ও ৪৭৮ নং হাদীসের টীকায়।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ: «مَا كَتَبْتُ عَنْ مُحَمَّدٍ، إِلَّا حَدِيثَ الْأَعْمَاقِ، فَلَمَّا حَفِظْتُهُ، مَحَوْتُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৪৭৪. সাঈদ ইবনু আমেরnbsp; হতে বর্ণিত, হিশাম বলেন: আমি মুহাম্মদ থেকে কোনো হাদীস লিখিনি কেবল ‘আ’মাক’[1] সংক্রান্ত হাদীস ব্যতীত। এরপর যখন আমি সেটি মুখস্ত করে নিলাম তখন লেখাটি মুছে দিলাম।“[2]
[1] সম্ভবত এর দ্বারা এ হাদীসটি প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে যা মুসলিম, কিতাবুল ফিতান নং ২৮৯৭ যেখানে বলা হয়েছে: “কিয়ামত কায়েম হবে না , যতক্ষণ পর্যন্ত রোমানগণ আ’মাক নামক স্থানে অবর্তীর্ণ না হবে...।“
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৭৩।
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، يَقُولُ: مَا كَتَبْتُ حَدِيثًا قَطُّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৪৭৫. মারওয়ান ইবনু মুহাম্মদ বলেন, আমি সাঈদ ইবনু আব্দুল আযীযকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি কখনো একটি হাদীসও লিখি নি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬৭ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: «مَا كَتَبْتُ شَيْئًا قَطُّ
৪৭৬. মুগীরাহ থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: আমি কখনোই কোনো কিছু (হাদীস বা ইলম) লিখে রাখিনি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং৩৬৭; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন হা/৪৭৩ নং এ।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبِيدَةَ قِطْعَةَ جِلْدٍ أَكْتُبُ فِيهِ، فَقَالَ يَا إِبْرَاهِيمُ لَا تُخَلِّدَنَّ عَنِّي كِتَابًا
৪৭৭. ইসামাঈল ইবনু রাজা থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: আমি যার উপর আমি লিখতে পারি, এমন ছাল বা চামড়ার টুকরা সম্পর্কে উবাইদাহকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তথন তিনি বললেন: হে ইবরাহীম! আমার থেকে কোনো লিপিবদ্ধ (হাদীস বা ইলম) তোমার নিকট যেনো চিরস্থায়ীভাবে থেকে না যায়।[1]
[1] তাহক্বক্বি: এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের হাদীস নং ৪৭৩ ও পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبِيدَةَ مِثْلَهُ
৪৭৮. আল হাকাম ইবরাহীম হতে, তিনি উবাইদাহ হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু সা’দ , আত তাবাকাত ৬/৬৩; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন হা/৪৭৩ নং।
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي عَتِيكٍ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ " كَانَ يَكْرَهُ أَنْ يُكْتَبَ الْحَدِيثُ فِي الْكَرَارِيسِ. وَيَقُولُ: يُشَبَّهُ بِالْمَصَاحِفِ
৪৭৯. আবু মা’শার ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি পুস্তিকা বা খাতায় হাদীস লিপিবদ্ধ করাকে অপছন্দ করতেন। তিনি বলতেন: এটি কুরআনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৮ নং ৬৩৬০; ইবনু আব্দুল বার, আলজামি’ নং ৩৬৫; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৪৮। এগুলোতে শেষাংশটুকু নেই।
قَالَ يَحْيَى: وَوَجَدْتُ فِي كِتَابِي عَنْ زِيَادٍ الْكَاتِبِ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ: فَاكْتُبْ كَيْفَ شِئْتَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح وهو وجادة
৪৮০. ইয়াহইয়া বলেন, আর আমি আমার কিতাবে পেয়েছি লেখক যিয়াদ থেকে, তিনি আবু মা’শার হতে: এখন তোমার যেভাবে চাও, লিখো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর এটুকু বাড়তি।
তাখরীজ: এটি আমি অন্য কোথাও পাইনি।