সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ أَوْ الْمُؤْمِنُ فَغَسَلَ وَجْهَهُ خَرَجَتْ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنِهِ مَعَ الْمَاءِ أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَتْ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ الْمَاءِ أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنْ الذُّنُوبِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৪১. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন মুসলিম বা মু’মিন বান্দা ওযু করে, আর সে মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন সে তার চোখের নজরের মাধ্যমে যে সকল গুনাহ করেছিল, সেই সমস্ত গুনাহ তার মুখমণ্ডল হতে পানির সাথে কিংবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। আবার যখন সে তার হাতদু’টি ধৌত করে, তখন হাত দিয়ে ধরার মাধ্যমে যে গুনাহ সে করেছিল, সেই সমস্ত গুনাহ পানির সাথে কিংবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। এমনকি এভাবে সে সমস্ত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যায়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৪০ এ। ( আহমাদ ২/৩০৩ নং ৮০০৭; সহীহ মুসলিম ২৪৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ নং ৪; তিরমিযী ২, তিরমিযী বলেন: এ হাদীসটি হাসান সহীহ; আব্দুর রাযযাক নং ১৫৫; মালিক, মুয়াত্বা- ফাতহুল মান্নান, হা/৭৬৩ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।)
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ قَالَ كُنْتُ مَعَ سَلْمَانَ تَحْتَ شَجَرَةٍ فَأَخَذَ مِنْهَا غُصْنًا يَابِسًا فَهَزَّهُ حَتَّى تَحَاتَّ وَرَقُهُ قَالَ أَمَا تَسْأَلُنِي لِمَ أَفْعَلُ هَذَا قُلْتُ لَهُ لِمَ فَعَلْتَهُ قَالَ هَكَذَا فَعَلَ بِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ إِنَّ الْمُسْلِمَ إِذَا تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ وَصَلَّى الْخَمْسَ تَحَاتَّتْ ذُنُوبُهُ كَمَا تَحَاتَّ هَذَا الْوَرَقُ ثُمَّ قَالَ وَأَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِلَى قَوْلِهِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ولكن يتقوى بشواهده
৭৪২. আবু উছমান বলেন, আমি সালমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে একটি গাছের নিচে ছিলাম। তখন তিনি গাছের একটি শুকনো ডাল নিলেন এবং সেটি ঝাঁকাতে লাগলেন। এমনকি এর পাতাসমূহ ঝরে পড়লো। তিনি বললেন: তুমি কি আমাকে জিজ্ঞেস করবে না, আমি এটি কেন করলাম? আমি তাকে বললাম: আপনি তা কেন করলেন? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও আমার সামনে এরূপ করেছিলেন। তারপর বলেছিলেন: “মুসলিম যখন সুন্দর করে ওযু করে এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, তখন তার গুনাহসমূহ এভাবে ঝরে যায়, যেভাবে এ পাতা ঝরে গেলো। তারপর তিনি পাঠ করলেন: “এবং সালাত কায়েম কর দিবসের দু’প্রান্তে এবং রাত্রির কিছু অংশে; নিঃসন্দেহে নেককাজ সমূহ মুছে ফেলে মন্দ কাজসমূহকে; এটিই হচ্ছে একটি (ব্যাপক) নাসীহাত, নাসীহাত মান্যকারীদের জন্য।“[1] (সূরা হুদ: ১১৪)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কিন্তু এর শাহিদ হাদীসসমূহ একে শক্তিশালী করে। আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬৭৪, ১৬৯১ এ। আরও দেখুন, তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৩৬, ২৩৭।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَكَانَ أَحَدُنَا يَكْفِيهِ الْوُضُوءُ مَا لَمْ يُحْدِثْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৪৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতেন, আর আমাদের কারো ‘হাদাস’ (ওযু ভঙ্গের কারণ) না ঘটা পর্যন্ত আমাদের পূর্বের ওযুই যথেষ্ট হতো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২১৪; তারীখুল কাবীর ৬/৩৬৫; বাইহাকী ১/১৬২; বাগবী, শারহুস সুন্নাহ ১/৪৪৭ নং ২৩০; তিরমিযী ৬০; আহমাদ ৩/১৫৪; দেখুন নাইলুল আওতার ১/২৬৪।
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ حَرَكَةً فِي دُبُرِهِ فَأَشْكَلَ عَلَيْهِ أَحْدَثَ أَوْ لَمْ يُحْدِثْ فَلَا يَنْصَرِفَنَّ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا أَوْ يَجِدَ رِيحًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৪৪. আবু হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ সালাতে থাকাকালীন যদি তার পশ্চাদ্দেশে কম্পন অনুভব করে, ফলে তার মনে সন্দেহের উদ্রেক হয় যে, তার ‘হাদাস’ (তথা বায়ু নির্গমনের মাধ্যমে ওযু নষ্ট) হয়েছে, নাকি হয়নি, তবে সে যেন অবশ্যই তার সালাত ত্যাগ না করে, যতক্ষণ না সে (বায়ু নির্গমনের) শব্দ শোনে অথবা, দুর্গন্ধ পায়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ২/৪১৪; আবু দাউদ ১৭৭; সহীহ মুসলিম ৩৬২; বাইহাকী ১/১১৭; তিরমিযী ৭৪; দেখুন তালখীসুল হাবীর ১/১২৭।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ حَدَّثَنِي عَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ الْكَلَاعِيُّ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّمَا الْعَيْنَانِ وِكَاءُ السَّهِ فَإِذَا نَامَتْ الْعَيْنُ اسْتَطْلَقَ الْوِكَاءُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ تَقُولُ بِهِ قَالَ لَا إِذَا نَامَ قَائِمًا لَيْسَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف
৭৪৫. মুয়াবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “চক্ষুদ্বয় হলো পশ্চাদ্দ্বারের বাঁধন। অতএব, চক্ষু যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন তার বাঁধনও ঢিলে হয়ে যায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৭২ এ। (বাইহাকী ১/১৮৪; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যিয়াদাহ ৪/৯৭; দারুকুতনী ১/১৬০- মুসনাদুল মাউসিলী ৭৩৭২ এর টীকা।- অনুবাদক)।
এটি আরো বর্ণিত হয়েছে, তাবারানী, আল কাবীর ১৯/৩৭২ নং ৮৭৫; মুসনাদুশ শামিয়্যিন নং ১৪৯৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৯/৩০৫; তাহাবী, মুশকিলুল আসার ৪/৩৫৫; বাইহাকী, আল মা’রেফাহ নং ৯৩১। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২৪১-২৪২; আল মুহাল্লা ১২৩১; কাশফুল খফা’ নং ১৭৯৮; তালখীসুল হাবীর ১/১১৮।
(আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যা বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ২০৩; ইবনু মাজাহ ৪৭৭; বাইহাকী ১/১১৮ সকলেই য়য়ীফ সনদে।- মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৭২ এ টীকা দ্র:। -অনুবাদক)
আমাদের এ হাদীসটির শাহিদ আলী রা: এর হাদীসটি যেটিকে ‘হাসান’ বলেছেন: মুনযিরী, নববী ও ইবনু সালাহ । (এবং আলবানী ও, তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আবু দাউদ, ২০২- zwj;অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ قَالَ كُنْتُ أَلْقَى مِنْ الْمَذْيِ شِدَّةً فَكُنْتُ أُكْثِرُ الْغُسْلَ مِنْهُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَأَلْتُهُ عَنْهُ فَقَالَ إِنَّمَا يُجْزِئُكَ مِنْ ذَلِكَ الْوُضُوءُ قَالَ قُلْتُ فَكَيْفَ بِمَا يُصِيبُ ثَوْبِي مِنْهُ قَالَ خُذْ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَانْضَحْهُ حَيْثُ تَرَى أَنَّهُ أَصَابَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৪৬. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার প্রচুর পরিমাণে ‘মযী’ বের হতো। ফলে এর জন্য আমাকে অনেক বার গোসল করতে হতো। ফলে আমি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বর্ণনা করলাম এবং এ ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: “এর ফলে তোমার জন্য ওযু করাই যথেষ্ট।“ তিনি বলেন, আমি বললাম, আর আমার কাপড়ে এ থেকে যা লেগে যায়, সেই ব্যাপারে কী করবো? তিনি বললেন: “এক কোষ পানি নাও, আর তুমি কাপড়ের যেখানে তা লেগে থাকতে দেখো, সেখানে ছিটিয়ে দাও।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯১ নং ২৯১; আবু দাউদ ২১০; তিরমিযী ১১৫; ইবনু মাজাহ ৫০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমা ২৯১; আমরা এর তাহক্বীক্ব ও এর উপর টীকা দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৪০; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১০৪।
আলী রা: হতে বর্ণিত সহীহ হাদীস এর শাহিদ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, যার পূর্ণ তাখরীজ আমরা সহীহ ইবনু হিব্বান ১১০২, ১১০৪; এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৪১, ২৪২,২৪৩ এ দিয়েছি।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي ابْنُ حَزْمٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَتَوَضَّأُ الرَّجُلُ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৪৭. বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওযু করতে হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৭২; আর এ বুসরাহ বিনতে সাফওয়ানের হাদীসটি আমরা পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১১২-১১১৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২১১-২১৪ এ টীকাসহ। (নাসাঈ ১৬৪, ৪৪৫, ৪৪৬; ইবনু মাজাহ ৪৭৯; তিরমিযী বাইহাকী আল কুবরা ১/১২৯, ১৩২ নং ৫০৫; আল খিলাফিয়্যাত ২/২২৯; তাবারানী, আল কাবীর ২৪/১৯৪ নং ৪৮৮। এছাড়া এর মুতাবিয়াত বর্ণনা রয়েছে অনেক। দেখুন, ফাতহুল মান্নান হা/৭৬৯ এর টীকা।- অনুবাদক)।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْوَهْبِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا أَوْثَقُ فِي مَسِّ الْفَرْجِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح
৭৪৮. বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যে ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলো সে যেনো ওযু করে“। আবু মুহাম্মাদ বলেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করা সম্পর্কিত হাদীসগুলোর মধ্যে এই বর্ণনাটি বেশি শক্তিশালী।[1]
[1] তাহক্বীক: সনদ যঈফ কিন্তু হাদিসটি সহীহ।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَنَّ خَارِجَةَ بْنَ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْوُضُوءُ مِمَّا مَسَّتْ النَّارُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَأْخُذُ بِهِ قَالَ لَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث
৭৪৯. যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “আগুনে জ্বাল দেয়া বস্তু আহার করলে ওযু করবে।“[1] আবু মুহাম্মদকে বলা হলো: আপনি কি এমত গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: না।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। (কিন্তু এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন সহীহ মুসলিম, তাবারানী, খতীব। তাখরীজে দেখুন।–অনুবাদক)।
তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৫/১২৮ নং ৪৮৩৬, ৪৮৩৩, ৪৮৩৪ সহীহ সনদে; (অপর সনদে) সহীহ মুসলিম ৩৪১; তাবারানীর সনদে খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ ১/১২৭-১২৮ নং৪৮৩৫-৪৮৪০ সনদ সহীহ; দেখুন, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১২৪-১১৬০; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৩১৫-১৩৩২ এ দুটি আমাদের তাহক্বীক্বকৃত।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أُمَيَّةَ أَنَّ أَبَاهُ عَمْرَو بْنَ أُمَيَّةَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَزُّ مِنْ كَتِفِ شَاةٍ فِي يَدِهِ ثُمَّ دُعِيَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَلْقَى السِّكِّينَ الَّتِي كَانَ يَحْتَزُّ بِهَا ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف كسابقه ولكن الحديث صحيح
৭৫০. আমর ইবনু উমাইয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখলাম, তিনি নিজে হাতে একটি বকরীর কাঁধের মাংশ কাটছেন। (তারপর তিনি তা থেকে খেলেন[1]) এরপর সালাতের জন্য ডাকা হলে তিনি যে ছুরি দিয়ে মাংস কাটছিলেন, তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং দাঁড়িয়ে গেলেন। এরপর সালাত আদায় করলেন কিন্তু তিনি ওযু করেননি।“[2]
[1] (এটি রয়েছে সহীহ মুসলিমে-অনুবাদক)।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আগেরটির মতই যঈফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৫৫; আমরা পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৪১; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৩৩৪-১৩৬৭ এ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২৫২, ২৫৫, ২৬২-২৬৪।
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ الْجُلَاحِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَخْزُومِيِّ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَتَى رِجَالٌ مِنْ بَنِي مُدْلِجٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا أَصْحَابُ هَذَا الْبَحْرِ نُعَالِجُ الصَّيْدَ عَلَى رَمَثٍ فَنَعْزُبُ فِيهِ اللَّيْلَةَ وَاللَّيْلَتَيْنِ وَالثَّلَاثَ وَالْأَرْبَعَ وَنَحْمِلُ مَعَنَا مِنْ الْعَذْبِ لِشِفَاهِنَا فَإِنْ نَحْنُ تَوَضَّأْنَا بِهِ خَشِينَا عَلَى أَنْفُسِنَا وَإِنْ نَحْنُ آثَرْنَا بِأَنْفُسِنَا وَتَوَضَّأْنَا مِنْ الْبَحْرِ وَجَدْنَا فِي أَنْفُسِنَا مِنْ ذَلِكَ فَخَشِينَا أَنْ لَا يَكُونَ طَهُورًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّئُوا مِنْهُ فَإِنَّهُ الطَّاهِرُ مَاؤُهُ الْحَلَالُ مَيْتَتُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات لكن محمد بن إسحاق قد عنعن وهو مدلس
৭৫১. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুদলিজ গোত্রের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এই সাগর পাড়ের অধিবাসী। আমরা ছোট নৌকার মাধ্যমে শিকার করার চেষ্টা করি। ফলে (কখনো কখনো) একরাত, দু’রাত, তিনরাত ও চাররাত পর্যন্ত (উপকূল ছেড়ে) আমাদের সাগরের বুকে অনেক দূরে যেতে হয়। তাই আমরা খাওয়ার জন্য মিষ্টি পানি সাথে নিয়ে যাই। সুতরাং যদি আমরা এ পানি দিয়ে ওযু করি, তবে আমাদের জীবন নাশের আশংকা করি, আর যদি (এ পানির ব্যাপারে) আমাদের জীবনকে অগ্রাধিকার দিই এবং সাগরের পানি দিয়ে ওযু করি, তবে এ (ওযুর) ব্যাপারে আমাদের মনে খটকা অনুভব করি; ফলে আমাদের মনে আশংকা জাগে যে, হয়তোবা (এ পানি দ্বারা ওযু করার মাধ্যমে) আমাদের পবিত্রতা অর্জন হয় না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমরা তা (সাগরের পানি) দ্বারা ওযু করতে থাকো। কেননা, সাগরের পানি পবিত্র এবং এর মৃত জন্তু হালাল।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস আর তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধিতিতে বর্ণনা করেছেন ...।
তাখরীজ: হাকিম ১/১৪১; ((তিরমিযী ৬৯; ইবনু মাজাহ ৩৮৬; বুখারী, তারীখ ৩/৪৭৮ তরজমাহ নং ১৫৯৯; বুখারী সূত্রে বাইহাকী, মা’রেফাহ ১/২২৭; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১০/২০৭ নং ৪০৩৬; আরও দেখুন, বাইহাকী, সুনানুল কুবরা ১/৩; মা’রিফাহ ১/২২৬ নং ৪৭৫; আহমাদ আল মুসনাদ ২/৩৭৮ নং ৮৮৯৯। এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির রা: হতে আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/৩৭৩ নং ১৫০৫৪; ইবনু মাজাহ ৩৮৮; ইবনু হিব্বান নং ১২৪৪; ইবনু খুযাইমা নং ১১২; হাকিম ১/১৪৩; দারুকুতনী ১/৩৪। আনাস ইবনু মালিক হতে আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১/৯৪ নং ৩২০; দারুকুতনী ১/৩৫। আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু আব্বাস, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে বর্ণনা করেছেন, হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৪২-১৪৩; দারুকুতনী ১/৩৫। আবু বাকর সিদ্দীক রা: এর বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত হয়েছে আবু উবাইদ আল কাসিম, আত তহুর ১৮৩ নং ২২৬; ইবনুল মুনজির, আল আওসাত ১/২৪৮ আছার নং ১৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১/১৩০।-ফাতহুল মান্নান হা/৭৭৩ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।))
আর হাফিজ ইবনু হাজার তাহযীব ১০/২৫৭ এ বলেন: ‘আবী হুরাইরা হতে তার (মাখযুমী’র) সমুদ্র সম্পর্কিত হাদীসকে সহীহ বলেছেন: ইবনু খুযাইমা, ইবনু হিব্বান, ইবনুল মুনযির, আল খাত্তাবী, তাহাবী, ইবনু মানদাহ, হাকিম, ইবনু হাযম, বাইহাকী, আব্দুল হাক্ব এবং অন্যরা’।’ আরও দেখুন পরবর্তী হাদীসটি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَالِكٍ قِرَاءَةً عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ مِنْ آلِ الْأَزْرَقِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ أَبِي بُرْدَةَ وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّا نَرْكَبُ الْبَحْرَ وَمَعَنَا الْقَلِيلُ مِنْ الْمَاءِ فَإِنْ تَوَضَّأْنَا بِهِ عَطِشْنَا أَفَنَتَوَضَّأُ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ الْحِلُّ مَيْتَتُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৫২. আবু হুরাইরা বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে প্রশ্ন করলো। বললো: আমরা সমূদ্রে যাতায়াত করি, আমাদের সাথে সামান্য পরিমাণে (খাওয়ার) পানি থাকে। ফলে আমরা যদি তা দিয়ে ওযু করি, তবে পিপাসায় কাতর হয়ে যাবো। এমতাবস্থায় আমরা কি সমুদ্রের পানি দ্বারা ওযু করতে পারবো? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তার পানি তো পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণীও হালাল।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু দাউদ ৮৩; হাকিম ১/১৪০; ইবনু মাজাহ ৩৮৬; তিরমিযী ৬৯; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নরং ১২৪৩; মাওয়ারিদুয যামআন নং ১১৯ এ।
এছাড়া এটি বর্ণিত হয়েছে: বাইহাকী, আল মা’রেফাহ নং ৪৭৩; দারুকুতনী ১/৩৬ নং ১৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ২৮১; খতীব, তারীখে বাগদাদ ৭/১৩৯; হাকিম ১/১৪০-১৪২; যা সামনে ২০৫৪ (২০৫৮) নং আসছে।
আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/৯-১২; নাইলুল আওতার ১/১৭-২১; দিরায়াহ ১/৫৩-৫৪ এবং পূর্বের টীকাটি।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَبُولُ أَحَدُكُمْ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ ثُمَّ يَغْتَسِلُ مِنْهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৫৩. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেনো বদ্ধ বা স্থির পানিতে পেশাব না করে। (হয়তো) পরে সেই পানিতেই সে আবার গোসল করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৩৯; সহীহ মুসলিম ২৮২;
আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৫১, ১২৫৪, ১২৫৬; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৭৬; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৯, ১০০০ এ। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/১০৫-১০৬; নাইলুল আওতার ১/৩৯-৪১; দিরায়াহ ১/৫৬; নাসবুর রায়াহ ১/১০১।
তাঁর কথা: “পেশাব না করে“ নিষেধ অর্থে এসেছে, এর জোরদার প্রমাণ।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُسْأَلُ عَنْ الْمَاءِ يَكُونُ بِالْفَلَاةِ مِنْ الْأَرْضِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنْ الدَّوَابِّ وَالسِّبَاعِ فَقَالَ إِذَا بَلَغَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن إسحاق ولكن الحديث صحيح
৭৫৪. উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তার পিতা (ইবনু উমার) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি, (যখন) তাঁকে জঙ্গলের কুয়ার পানি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো, যাতে গৃহপালিত পশু ও হিংস্র প্রাণী পানি পান করার জন্য এসে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানি দুই কুল্লাহ পরিমাণ হলে কোনো কিছুই একে অপবিত্র করতে পারে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কারণ, ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস, আর তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং৫৫৯০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৪৯; মাউয়ারিদুয যাম’আন নং ১১৭ এ। (আহমাদ ২/১২, ২৩; তিরমিযী ৬৭; দারুকুতনী ১/১৯ নং ১৪; আবু দাউদ ৬৩, ৬৪, ৬৫; ইবনু মাজাহ ৫১৭, ৫১৮; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৫, ১৬; বাইহাকী, ১/২৬২; হাকিম ১/১৩৩। (অপর সনদে) নাসাঈ ১/৪৬, ১৭৫; ইবনু হিব্বান ১২৩৭; হাকিম ১/১৩২; ইবনু খুযাইমা ৯২।- মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৫৯০ এর টীকা হতে।- অনুবাদক)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ الْمَاءِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنْ الدَّوَابِّ وَالسِّبَاعِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ الْخَبَثَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৫৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (যখন) পানি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো, যাতে গৃহপালিত পশু ও হিংস্র প্রাণী পানি পান করার জন্য এসে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানি দুই কুল্লাহ পরিমাণ হলে তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না (অপবিত্র হয় না)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন। এটি পূর্বের হাদীসের পূনরোক্তি।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَأَبُو زَيْدٍ سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ جَاءَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُنِي وَأَنَا مَرِيضٌ لَا أَعْقِلُ فَتَوَضَّأَ وَصَبَّ مِنْ وَضُوئِهِ عَلَيَّ فَعَقَلْتُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৫৬. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি অসুস্থ ছিলাম, আমার কোনো জ্ঞান ছিল না, (এমতাবস্থায়) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং ওযুর (অবশিষ্ট) পানি আমার উপর ছিটিয়ে দিলেন। ফলে আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ১৯৪; সহীহ মুসলিম ১৬১৬; আর আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০১৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান ১২৬৬; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৬৪ তে।
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَامَتْ امْرَأَةٌ مِنْ نِسَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاغْتَسَلَتْ فِي جَفْنَةٍ مِنْ جَنَابَةٍ فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى فَضْلِهَا يَسْتَحِمُّ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ اغْتَسَلْتُ فِيهِ قَبْلَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَى الْمَاءِ جَنَابَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :الحديث صحيح بشواهده
৭৫৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো একজন স্ত্রী দাঁড়িয়ে পাত্রের পানি দিয়ে জানাবাতের গোসল করলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে এর উদ্বৃত্ত পানি দিয়ে গোসল করলেন। তখন সে বললো: আমি তো আপনার পূর্বে এ পানিতে গোসল করেছি?’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানির কোনো অপবিত্রতা নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইকরিমা হতে সামাকের বর্ণনায় ‘ইযতিরাব’ বা বিক্ষিপ্ততা রয়েছে। তবে কয়েকটি শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৪১, ১২৪২, ১২৬৯ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১১৬, ২২৬ এ। ((আবু দাউদ ৬৮; তিরমিযী ৬৫; ইবনু মাজাহ ৩৭০; বাইহাকী ১/১৮৯; তাবারী, তাহযীবুল আছার ২/৬৯২ নং ২৯-৩০; আহমাদ ১/২৩৫; নাসাঈ ১/১৭৩; দারুকুতনী ১/৫১ নং ৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/২৭ নং ২৫৯; ইবনু খুযাইমা নং ৯১; হাকিম ১/১৫৯; বাযযার নং ২৫০।- মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১১ নং এর টীকা থেকে।- অনুবাদক ))
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف
৭৫৮. (অপর সনদে) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক্ব : আগের হাদীসটির এর সনদও যঈফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।
এছাড়া ইবনু আব্বাস মায়মুনাহ হতেও এটি বর্ণনা করেছেন, যা আমরা মুসনাদুল মাওসিলী নং ৭০৯৮ তে পূর্ণ তাখরীজ করেছি।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ حُمَيْدَةَ بِنْتِ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ عَنْ كَبْشَةَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ وَكَانَتْ تَحْتَ ابْنِ أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ دَخَلَ عَلَيْهَا فَسَكَبَتْ لَهُ وَضُوءًا فَجَاءَتْ هِرَّةٌ تَشْرَبُ مِنْهُ فَأَصْغَى لَهَا أَبُو قَتَادَةَ الْإِنَاءَ حَتَّى شَرِبَتْ قَالَتْ كَبْشَةُ فَرَآنِي أَنْظُرُ فَقَالَ أَتَعْجَبِينَ يَا بِنْتَ أَخِي قُلْتُ نَعَمْ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهَا لَيْسَتْ بِنَجَسٍ إِنَّمَا هِيَ مِنْ الطَّوَّافِينَ عَلَيْكُمْ وَالطَّوَّافَاتِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৭৫৯. কাবশা বিনতে কা’ব ইবনু মালিক হতে বর্ণিত। আর তিনি ছিলেন আবু কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র পুত্রবধূ। একদা আবু কাতাদা (গৃহে) আগমণ করলে তিনি তাঁকে ওযুর পানি দিলেন। তারপর একটি বিড়াল এসে তা থেকে পানি পান করতে লাগলো। তখন (বিড়ালের পান করার সুবিধার্থে) তিনি (আবু কাতাদা) পাত্রটিকে কাত করে ধরলেন। এমনকি বিড়ালটি তৃপ্তি সহকারে পান করলো। কাবশাহ বলেন, তিনি আমাকে এর প্রতি তাকিয়ে থাকতে দেখে বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্রী! তুমি কি আশ্চর্যবোধ করছো? জবাবে আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই এরা (বিড়াল) অপবিত্র (প্রাণী) নয়। নিশ্চয়ই এরা তোমাদের আশেপাশে ঘোরাফেরাকারী ও অধিক বিচরণকারী প্রাণী।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৯ এ। (মালিক ১৩; শাফিঈ, আল উম্মু ১/৮; আব্দুর রাযযাক ১/১০১ নং ৩৫৩; ইবনু আবী শাইবা ১/৩১; আহমদ ৫/৩০৩, ৩০৯; আবু দাউদ ৭৫; তিরমিযী ৯২; নাসাঈ ১/৫৫, ১৭৮; ইবনু মাজাহ ৩৬৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৮; বাইহাকী ১/২৪৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/৬৯ নং ২৮৬; আর একে সহীহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইবনু খুযাইমা ১০৪; হাকিম ১/৬০, আর যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।
হাফিজ তার তালখীসুল হাবীর ১/১৪১ এ বলেন: একে সহীহ বলেছৈন বুখারী, তিরমিযী, উকাইলী, দারুকুতনী...।“
আর এর শাহিদ হাদীস বর্ণনা করেছেন আয়েশা রা: হতে আমাদের তাহক্বীক্বকৃত আবু ইয়ালা নং ৪৯৫১।- মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২১ এর টীকা হতে।- অনুবাদক))
আরো বর্ণিত হয়েছে: বাইহাকী, মা’রেফাতুস সুনান ২/৬৭ নং ১৭৭০; আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৩৪
أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي الْإِنَاءِ فَاغْسِلُوهُ سَبْعَ مِرَارٍ وَالثَّامِنَةَ عَفِّرُوهُ فِي التُّرَابِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৭৬০. আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কুকুর যখন কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তখন তোমরা তা সাতবার ধুবে এবং অষ্টমবারে মাটিতে ঘষে নেবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৮০; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৮ এ।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে যা সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত। এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি আমি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৬৭৮, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৪-১২৯৭ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৭ এ।