সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَبِي جَعْفَرٍ أَنَّهُ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَحْتَشِي كُرْسُفًا وَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২১. মুহাম্মদ ইবনু আবী জা’ফর হতে বর্ণিত, তিনি ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন যে, সে তার হায়েযের দিনগুলির সমান সংখ্যক দিন সালাত পরিত্যাগ করবে। (তা অতিক্রান্ত হলে) তারপর সে গোসল করবে, (তার গোপনাঙ্গে) তুলা দিয়ে পট্টি বেধে প্রত্যেক (ওয়াক্ত) সালাতের সময় ওযু করে সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ৮১৮ (৮১৪) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ غُسْلًا وَاحِدًا وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২২. মাসরুকের স্ত্রী ক্বমীর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ‘ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত সময়ের দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে। (তা অতিক্রান্ত হলে) তারপর সে একবার মাত্র গোসল করবে, কিন্তু প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৮১৭ (অনুবাদের ক্রম ৮১৩) নং এ।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ اسْتُحِيضَتْ امْرَأَةٌ مِنْ آلِ أَنَسٍ فَأَمَرُونِي فَسَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ أَمَّا مَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ وَلَوْ سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২৩. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাসের পরিবারের এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: এ প্রসঙ্গে কথা হলো যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। তারপর যদি সে দিনের কোনো এক মুহুর্তের জন্যও পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করে, তবে সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/১৬৭; আবু দাউদ ২৮৬ নং হাদীসের পরে (সনদবিহীনভাবে); বাইহাকী সুনান ১/৩৪০, আল মা’রিফাহ ১/১৬৭ নং ২২৪৭।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كَانَتْ أُمُّ وَلَدٍ لِأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرُونِي أَنْ أَسْتَفْتِيَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২৪. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন যে, আমি যেন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা নিকট এ ব্যাপারে ফতোয়া চাই। ফলে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। আর যখন সে পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করবে, তখন সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।।
তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ حَدَّثَنَا قُرَّةُ عَنْ الضَّحَّاكِ أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْهُ فَقَالَتْ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَقَالَ إِذَا رَأَيْتِ دَمًا عَبِيطًا فَأَمْسِكِي أَيَّامَ أَقْرَائِكِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف حجاج بن نصير
৮২৫. দাহহাক রাহি. হতে বর্ণিত, এক মহিলা তাকে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলো। সে বললো, আমি একজন ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা। তখন তিনি বললেন: তুমি যখন তাজা রক্ত দেখতে পাবে, তখন তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, হাজ্জাজ ইবনু নুসাইর যঈফ হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি-অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلظُّهْرِ وَالْعَصْرِ غُسْلًا وَاحِدًا وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَاءَ وَذَلِكَ فِي وَقْتِ الْعِشَاءِ وَلِلْفَجْرِ غُسْلًا وَاحِدًا وَلَا تَصُومُ وَلَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২৬. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযার রোগিণী মহিলা হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে। (যখন হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির সমপরিমাণ সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাবে), তারপর সে zwj;যুহর ও আসর সালাতের জন্য একবার গোসল করবে। আর মাগরিবকে পিছিয়ে দিয়ে (তার শেষ সময়ে) এবং ঈশা’ কে এগিয়ে (তার প্রথম সময়ে) ঈশা’র ওয়াক্তে (এক গোসলে) আদায় করবে। আর ফজরের জন্য একবার গোসল করবে। সে সিয়াম পালন করবে না, আর তার স্বামীও তার নিকট আসতে (তার সাথে সহবাস করতে) পারবে না এবং আর সে (কুরআনের) মুসহাফ স্পর্শ করতে পারবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৭২; ইবনু হাযম আল মুহাল্লা ২/২১৪।
أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ غُسْلًا وَاحِدًا لِلظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَغُسْلًا لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَكَانَ يَقُولُ تُؤَخِّرُ الظُّهْرَ وَتُعَجِّلُ الْعَصْرَ وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَاءَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২৭. আতা রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলতেন: সে zwj;যুহর এবং আসর সালাতের জন্য একবার গোসল করবে; মাগরিব ও ঈশা’র সালাতের জন্যও একবার গোসল করবে। আর তিনি আরও বলতেন: সে zwj;যুহরকে বিলম্বিত করে (তার শেষে সময়ে) ও আসরকে এগিয়ে নিয়ে (তার প্রথম সময়ে) আদায় করবে। আর মাগরিবকে বিলম্বিত করে (তার শেষ সময়ে) এবং ঈশা’কে আগে আগে আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭; দেখুন সুনান আবু দাউদ ১/২০৮ এবং সামনের ৮৩৩, ৯২০, ৯৩৪ (অনুবাদের ক্রম ৮২৯, ৯১৬, ৯৩০) নং হাদীসগুলি।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ مُجَاهِدٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ إِذَا خَلَفَتْ قُرُوءَهَا فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْعَصْرِ تَوَضَّأَتْ وُضُوءًا سَابِغًا ثُمَّ لِتَأْخُذْ ثَوْبًا فَلْتَسْتَثْفِرْ بِهِ ثُمَّ لِتُصَلِّ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ لِتَفْعَلْ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ لِتُصَلِّ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا ثُمَّ لِتَفْعَلْ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ تُصَلِّي الصُّبْحَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى مجاهد
৮২৮. মুজাহিদ রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি তার (হায়েযের) নির্ধারিত দিনসমূহ (কুরু’) পরিবর্তন হয়ে যায়, আর তা যদি আসর সালাতের কাছাকাছি সময়ে হয়, তবে সে পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে, অতঃপর কাপড় নিয়ে তা দ্বারা (তার গোপনাঙ্গে) পট্টি বাধবে। তারপর সে যুহর ও আসর সালাত একত্রে আদায় করবে। এরপর সে অনুরূপ কাজগুলো করবে, তারপর মাগরিব ও ঈশা’র সালাত একত্রে আদায় করবে। এরপর সে পুনরায় অনুরূপ কাজগুলো করে ফজরের সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুজাহিদ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: এ স্থান ব্যতীত এটি আমি আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عَطَاءٍ وَسَعِيدٍ وَعِكْرِمَةَ قَالُوا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ لِصَلَاةِ الْأُولَى وَالْعَصْرِ فَتُصَلِّيهِمَا وَتَغْتَسِلُ لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فَتُصَلِّيهِمَا وَتَغْتَسِلُ لِصَلَاةِ الْغَدَاةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮২৯. আতা’, সাঈদ ও ইকরিমাহ রাহিমাহুমুল্লাহ ‘ইসিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: সে প্রতিদিন প্রথম সালাত (তথা যুহর) ও আসরের সালাতের জন্য একবার গোসল করবে এবং এ দু’টি সালাত (একত্রে) আদায় করবে। আবার মাগরিব ও ঈশা’র সালাতের জন্য পুনরায় গোসল করবে এবং এ দু’টি সালাত আদায় করবে। অনুরূপভাবে সে ফজরের সালাতের জন্যও পুনরায় গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আতা’র হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১১৭১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪। সাঈদের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪; আর ইবনু হাযম সনদবিহীনভাবে ইকরিমার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। দেখুন, হাদীস নং ৮৩১, ৯২০, ৯৩৪ (অনুবাদের ক্রম ৮২৭, ৯১৬, ৯৩০)।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَغْتَسِلُ ثُمَّ تَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فَإِنْ رَأَتْ شَيْئًا اغْتَسَلَتْ وَجَمَعَتْ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩০. আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা গোসল করবে, তারপর যুহর এবং আসর সালাত একত্রে আদায় করবে। অতঃপর সে যদি কিছু (রক্ত) দেখতে পায়, তবে গোসল করবে এবং মাগরিব ও ঈশা’র সালাত একত্রে আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু দাউদ ২৯৬ নং হাদীসের পরে এটি সনদবিহীনভাবে উল্লেখ করেছেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُمَيٍّ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ فَقَالَ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا وَتَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ وَتَسْتَذْفِرُ بِثَوْبٍ وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَتَصُومُ فَقُلْتُ عَمَّنْ هَذَا فَأَخَذَ الْحَصَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩১. সুমাইয়্যি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি.-কে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তখন তিনি বললেন: তার হায়েযের নির্ধারিত (কুরু’র) দিনগুলি পরিমাণ সময় সে বসে (সালাত হতে বিরত) থাকবে। আর সে দৈনিক এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। সে কাপড় দ্বারা মজবুতভাবে (স্ত্রীঅংগে) পট্টি বেঁধে নেবে। তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে এবং সে সিয়াম পালনও করতে পারবে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এটি কার থেকে বর্ণনা করছেন? তখন তিনি (ছুঁড়ে মারার জন্য) নুড়িপাথর হাতে তুললেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৯; আবু দাউদ ১/১৯৮; এটি সামনে ৮৩৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩৩) নং এ আসছে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ وَكَانَ الْحَسَنُ يَقُولُ ذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩২. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সে (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে এবং প্রত্যেক সালাতের জন্য (নুতনভাবে) ওযু করবে। ইসতিহাযার সময় অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হলে কাপড় দ্বারা (স্ত্রীঅংগে) মজবুতভাবে পট্টি বেঁধে নেবে।’[1] আর হাসানও একথা বলতেন।[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭ যঈফ সনদে।
[2] হাসানের হাদীসটিও ইবনু আবী শাইবা ১/১২৯ তে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى أَنَّ سُمَيًّا مَوْلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْقَعْقَاعَ بْنَ حَكِيمٍ وَزَيْدَ بْنَ أَسْلَمَ أَرْسَلَاهُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ يَسْأَلُهُ كَيْفَ تَغْتَسِلُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ سَعِيدٌ تَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى مِثْلِهَا مِنْ الْغَدِ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ وَتَوَضَّأَتْ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَصَلَّتْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩৩. ইয়াহইয়া বর্ণনা করেন: আবু বকর ইবনু আব্দুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম এর দাস সুমাইয়্যি তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, কা’কা’আ ইবনু হাকীম ও যাইদ ইবনু আসলাম তাকে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি.-এর নিকট ‘ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা কিভাবে গোসল করবে’- সেই সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন। তখন সাঈদ বললেন: সে আজকের যুহর হতে আগামীকাল যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। ইসতিহাযার সময় অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হলে কাপড় দ্বারা (স্ত্রীঅংগে) মজবুতভাবে পট্টি বেঁধে নেবে। আর প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু দাউদ ৩০১ সহীহ সনদে; মালিক ১০৯; ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭; আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৯; এটি ৮৩৫ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩১) নং এ গত হয়েছে।
আবু দাউদ বলেন: এটি ইবনু উমার, আনাস ইবনু মালিক ... ও আয়িশা রা; হতে বর্ণিত হয়েছে।... আর এটি সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ, হাসান ও আতা’র মত।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ عَنْ مُعْتَمِرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ إِلَى صَلَاةِ الظُّهْرِ مِنْ الْغَدِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد إلى الحسن
৮৩৪. হাসান রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, সে যুহর সালাত হতে পরের দিন যুহর সালাত পর্যন্ত একবার গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাসান পর্যন্ত এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক নং ১২১০; এবং আগের টীকাটি দেখুন।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضِهَا مِنْ الشَّهْرِ ثُمَّ تَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ وَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَتَصُومُ وَتُصَلِّي وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩৫. (অপর সনদে) হাসান রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, মাসে তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সে সালাত পরিত্যাগ করবে। তারপর সে এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। এরপর প্রত্যেক সালাতের সময় (নতুন) ওযু করবে। আর সে সিয়াম পালন করবে, সালাত আদায় করবে এবং তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পুর্বের টীকাটি দেখুন।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ عَنْ الْحَسَنِ وَعَطَاءٍ مِثْلَ ذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده ضعيف لضعف عباد بن منصور
৮৩৬. হাসান ও আতা’ রাহি. হতে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, আব্বাস ইবনু মানসুর যঈফ।
তাখরীজ: আবু দাউদ তার সুনানের ১/২১২ তে বলেন: এটি সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ, হাসান ও আতা’র বক্তব্য।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ مَرَّةً
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৮৩৭. মাসরুকের স্ত্রী ক্বমীর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহা হতে ‘ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, সে দৈনিক একবার মাত্র গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর এটি আয়িশা রা: এর বক্তব্য (মাওকুফ)।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪ আয়িশা রা: হতে।
দেখুন, পূর্বের ৮১৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮১৩) নং হাদীসটি এবং ৮৩৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩৩) নং হাদীসের টীকায় আমরা উল্লেখ করেছি যে, আবু দাউদ ৩০০ তে মারফু’ হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) এটি বর্ণনা করেছেন। তবে এর সনদকে তিনি যঈফ বলে উল্লেখ করেছেন।...
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ مَعْرُوفٍ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ قَالَ مَرْوَانُ وَهُوَ قَوْلُ الْأَوْزَاعِيِّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن
৮৩৮. নাফি’ (আব্দুল্লাহ) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা এক যুহর সালাত হতে অপর যুহর সালাত পর্যন্ত একবার গোসল করবে।[1]
মারওয়ান বলেন: এটি আওযাঈ’রও মত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুকাইর ইবনু মা’রুফ এর কারণে হাসান।
তাখরীজ: আবু দাউদ তার সুনান ১/২১১ তে বলেন: এটি ইবনু উমার, আনাস ইবনু মালিকের বক্তব্য যে, “সে এক যুহর হতে অপর যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করবে।“ আরও দেখুন, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৭।
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ عِنْدَ صَلَاةِ الْأُولَى
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৩৯. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা প্রতিদিন প্রথম (যুহর) সালাতের সময় গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২১০।
উল্লেখ্য যে, মুদ্রিত সংস্করণে অতিরিক্ত রয়েছে, ‘এর উপর আমল নেই।’
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَتَّابٌ هُوَ ابْنُ بَشِيرٍ الْجَزَرِيُّ عَنْ خُصَيْفٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ لَمْ يَرَ بَأْسًا أَنْ يَأْتِيَهَا زَوْجُهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৮৪০. ইকরিমা সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তার স্বামী তার সাথে সহবাস করবে- তিনি এতে কোনো অপরাধ আছে বলে মনে করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদ সহীহ।