হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (841)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَالِمٍ الْأَفْطَسِ قَالَ سُئِلَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ أَتُجَامَعُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ الصَّلَاةُ أَعْظَمُ مِنْ الْجِمَاعِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৪১. সালিম আল আফতাস বলেন: সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি.-কে প্রশ্ন করা হলো, ‘ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার স্বামীর সাথে সহবাস করতে পারবে কি?’ জবাবে তিনি বললেন: ‘সহবাস করা হতে সালাত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ (সুতরাং সালাত আদায় বৈধ হলে সহবাসও করতে পারবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৭ সহীহ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ অপর সহীহ সনদে। পরবর্তী সূত্রটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (842)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُمَيٍّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৪২. সুমাইয়্যি বর্ণনা করেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি. বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সাথে) তার স্বামী সহবাস করতে পারবেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদ পূর্ববর্তী সনদটিই (সহীহ)।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৬ সহীহ সনদে। পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দেখুন, এর আগের হাদীসটিতে।









সুনান আদ-দারিমী (843)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَ يَغْشَاهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৪৩. ইউনুস হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: ‘তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৬ সহীহ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ অপর সহীহ সনদে। পরবর্তী ৮৫০ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৪৬) নং হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (844)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ يَغْشَاهَا زَوْجُهَا وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن مسلم




৮৪৪. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: ‘তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে, যদিও মাদুর (বিছানায়) ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়তে থাকে তবুও।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, আব্দুল্লাহ ইবনু মুসলিম যঈফ।

তাখরীজ: দেখুন, পুর্ববর্তী ৮৪৫, ৮৪৬ (অনুবাদের ক্রম ৮৪১, ৮৪২) নং হাদীস দু’টি।









সুনান আদ-দারিমী (845)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ قِيلَ لِبَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ الْحَجَّاجَ بْنَ يُوسُفَ يَقُولُ إِنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ لَا يَغْشَاهَا زَوْجُهَا قَالَ بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ الصَّلَاةُ أَعْظَمُ حُرْمَةً يَغْشَاهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده منقطع




৮৪৫. হাম্মাদ হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বাকর ইবনু আব্দুল্লাহকে বলা হলো যে, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না। বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ আল মুযানী বলেন: সালাতের মর্যাদা (সহবাসের চেয়ে) অনেক বেশি। সুতরাং (যখন সালাত আদায় করতে পারবে, তখন) তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্ন)। (তথা যঈফ)

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯।









সুনান আদ-দারিমী (846)


حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৮৪৬. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন: তার (‘ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলার) স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পূর্বে ৮৪৭ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৩) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (847)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضِهَا فَإِذَا حَلَّتْ لَهَا الصَّلَاةُ فَلْيَطَأْهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء




৮৪৭. আতা ইবনু সাইব আতা রাহি. হতে বর্ণনা করেন। তিনি ‘ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে। আর সে তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সালাত পরিত্যাগ করবে। পরে যখন (হায়েযের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার ফলে) তার জন্য সালাত আদায় করা বৈধ হবে, তখন তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, খালিদ ইবনু আব্দুল্লাহ আতা’র নিকট কিছু শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯; দেখুন পুর্ববর্তী ৮৪০ (অনুবাদের ক্রম ৮৩৬) নং ও পরবর্তী ৮৫৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৯) নং হাদীস দু’টি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (848)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ زُرْعَةَ الْخَارِفِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف محمد بن سالم هو: الهمداني وهو ضعيف وعمر بن زرعة الخارفي قال البخاري في الكبير 157/ 6: فيه نظر




৮৪৮. শা’বী রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, এতে মুহাম্মদ ইবনু সালিম হামদানী রয়েছে, যিনি যঈফ। আর উমার ইবনু যুর’আহ সম্পর্কেও বুখারী আল কাবীর ৬/১৫৭বলেন: ‘তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে।’।...

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯; কিন্তু এর শাহিদ হলো পূর্বের হাদীসগুলি। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন। )









সুনান আদ-দারিমী (849)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَالْحَسَنِ وَعَطَاءٍ قَالُوا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي وَتَصُومُ رَمَضَانَ وَيَغْشَاهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৮৪৯. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব, হাসান ও আতা রাহি. হতে বর্ণিত, তারা ‘ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে ও রমাযানের সিয়াম পালন করবে। আর তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ যঈফ সনদে; আরও দেখুন ৮৩৯, ৮৪০, ৮৪৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৩৫, ৮৩৬, ৮৩৯) নং হাদীসগুলি।









সুনান আদ-দারিমী (850)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حَفْصٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ كَانَ يَقُولُ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَغْشَاهَا زَوْجُهَا قَالَ أَبُو النُّعْمَانِ قَالَ لِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ لَا أَعْلَمُ أَحَدًا قَالَ هَذَا عَنْ الْحَسَنِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح ولكنه شاذ




৮৫০. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলতেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না।[1] আবু নু’মান বলেন, আমাকে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান বলেন, আমি এমন কাউকে চিনি না, যে হাসান থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি শায’ (তথা সহীহ বর্ণনার বিপরীত)। কেননা, হাসান থেকে এর বিপরীত কথা বর্ণিত হয়েছে। ফলে ইয়াহইয়া এর পরে যা বললেন, তারই অনুসরণ করা হবে। দেখুন ৮৪৭, ৮৫০, ৮৫৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৩, ৮৪৬, ৮৪৯) নং হাদীসগুলি।









সুনান আদ-দারিমী (851)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ خَالِدٍ قَالَ كَانَ مُحَمَّدٌ يَكْرَهُ أَنْ يَغْشَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৫১. খালিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) রাহি. ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সাথে তার স্বামীর সহবাস করাকে অপছন্দ (মাকরূহ মনে) করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৮ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (852)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَلَا تَصُومُ وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৫২. ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না। আর সে সিয়াম পালন করবে না এবং মুসহাফ (কুরআন) স্পর্শ করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৯২, ১১৯৩ সহীহ সনদে; দেখুন আত তামহীদ ১৬/৬৮।









সুনান আদ-দারিমী (853)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ الْأَعْوَرُ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৫৩. কুমাইর হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৮ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (854)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ يُقَالُ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا تُجَامَعُ وَلَا تَصُومُ وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ إِنَّمَا رُخِّصَ لَهَا فِي الصَّلَاةِ قَالَ يَزِيدُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا وَيَحِلُّ لَهَا مَا يَحِلُّ لِلطَّاهِرِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن




৮৫৪. ইবরাহীম রাহি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (লোকদের মাঝে) বলা হতো যে, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার (স্বামীর সাথে) সহবাস করতে পারবে না। আর সে সিয়াম পালন করবে না এবং মুসহাফ (কুরআন) স্পর্শ করবে না। আর সালাতের ব্যাপারে তার সাথে নমনীয় (আচরণ) করা হয়েছে।[1]

ইয়াযীদ বলেন, তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে। আর (অন্যান্য) পবিত্র মহিলার জন্য যা হালাল, তার জন্যও তা হালাল হবে।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: দেখুন পূর্বের ৮৫৬ (অনুবাদের ক্রম ৮৫২) নং হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (855)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ تُمْسِكُ الْمَرْأَةُ عَنْ الصَّلَاةِ فِي حَيْضِهَا سَبْعًا فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا أَمْسَكَتْ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْعَشْرِ فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৫৫. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহিলা হায়েযের নির্ধারিত সাতদিন সালাত হতে বিরত থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সে পবিত্র হয়ে গেলে সেটিই (তার পবিত্রতার সময় বলে গণ্য হবে)। আর তা না হলে সে তখন থেকে (সর্বোচ্চ) দশদিন পর্যন্ত সালাত হতে বিরত থাকবে। এর মধ্যে সে পবিত্র হয়ে গেলে সেটিই (তার পবিত্রতার সময় গণ্য হবে)। আর (এর মধ্যে সে পবিত্র) না হলে সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে। আর সে আসলে ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। তবে এর রাবী হাশীম ‘হাদীস বানোয়াটকারী’ হিসেবে সমালোচিত।

তাখরীজ: আমি এটি (এ সনদে) আর কোথাও পাইনি।

আবু দাউদ ১/১৯৮ ২৮৬ নং হাদীসের পরে উল্লেখ করেছেন: ইউনুস হাসান হতে বর্ণনা করেন, যখন হায়েযগ্রস্ত মহিলার অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হবে, তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির পরে সে একদিন কিংবা দু’দিন বিরত থাকবে; তখন সে আসলে ইসতিহাযাগ্রস্ত।’ আর সম্মুখে ৯৮৯ (অনুবাদের ক্রমিক ৯৮৫) নং এ অনুরূপ সনদে আসছে। তাই পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন। আরেও দেখুন পরবর্তী হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (856)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الرَّبِيعِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرٌ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن




৮৫৬. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: হায়েযের মেয়াদ দশদিন। এরচেয়ে বেশি দিন যাবত রক্তস্রাব হলে সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৫১ হাসান সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (857)


وَقَالَ عَطَاءٌ الْحَيْضُ خَمْسَ عَشْرَةَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن




৮৫৭. আতা বলেন: হায়েযের মেয়াদ পনেরো দিন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আগের হাদীসটির সনদ একই।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৩২১ হাসান সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৫/২; অপর সনদে বাইহাকী ৭/৪১৯; সামনের ৮৭০ (অনুবাদের ক্রম ৮৬৬) নং হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (858)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي إِيَاسٍ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرَةٌ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف جدا قال سفيان بن عيينة: حديث الجلد بن أيوب في الحيض حديث محدث لا أصل له




৮৫৮. মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল দশ দিন। এর চেয়ে বেশি দিন (রক্তস্রাব) হলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)। সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ বলেন: হায়েয সংক্রান্ত আলজাল্দ ইবনু আইয়ুবের হাদীসটি বানোয়াট, এর কোনো ভিত্তি নেই।’

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; আব্দুর রাযযাক নং ১১৫০; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ৩/৪৭; তার সূত্রে বাইহাকী ১/৩২২; ইবনু আদী, আল কামিল ২/৫৯৮; উকাইলী, আদ দু’আফা’ ১/২০৫; আমরা এটি তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪১৫০ এ। আরও দেখুন, পরবর্তী ৮৬৪, ৮৬৮ (অনুবাদের ক্রম ৮৬০, ৮৬৪) নং হাদীস।









সুনান আদ-দারিমী (859)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْحَيْضُ إِلَى ثَلَاثَ عَشْرَةَ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৮৫৯. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল তেরো দিন পর্যন্ত। এরপর আরো বেশিদিন (রক্তস্রাব হতে) থাকলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; এটি পরবর্তীতে ৮৬৫ (অনুবাদে ৮৬১) নং এ আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (860)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرَةُ أَيَّامٍ ثُمَّ هِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف جدا




৮৬০. (অপর সনদে) মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হায়েযের মেয়াদ দশদিন। এরপর (আরো বেশিদিন রক্তস্রাব হতে থাকলে) সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)। যা ৮৬২ (অনুবাদে ৮৫৮) নং এ গত হয়েছে।