সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْحَيْضُ إِلَى ثَلَاثَةَ عَشَرَ يَوْمًا فَمَا سِوَى ذَلِكَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৬১. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল তেরো দিন পর্যন্ত। এর চেয়ে অধিক দিন (রক্তস্রাব হতে) থাকলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ৮৬৩ (অনুবাদে ৮৫৯) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ فَإِنَّهَا تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ بَعْدَ أَيَّامِ حَيْضِهَا يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ ثُمَّ هِيَ بَعْدَ ذَلِكَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৬২. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কোন মহিলা রক্তস্রাব দেখে তবে সে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর তার হায়েযের দিনগুলির সাথে (অতিরিক্ত) একদিন বা দু’দিনকে (হায়েযের দিনসমূহের অন্তর্ভুক্ত বলে) গণ্য করবে। এরপর থেকে (রক্তস্রাব থাকলে) সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী :এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: দেখুন ৮৫৯ (অনুবাদে ৮৫৫) নং হাদীসটি।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَنْتَظِرُ ثَلَاثًا أَرْبَعًا خَمْسًا سِتًّا سَبْعًا ثَمَانِيًا تِسْعًا عَشْرًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف جدا
৮৬৩. মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা (হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির পরও রক্ত দেখলে) অপেক্ষা করবে তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ দিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; এটি ৮৬২, ৮৬৪ (অনুবাদে ৮৫৮, ৮৬০) গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ بَلَغَنَا أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَنْتَظِرُ أَعْلَى أَقْرَائِهَا بِيَوْمٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ابن جريج مدلس وقد عنعن
৮৬৪. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত দিনসমূহের পরে একদিন অপেক্ষা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস তিনি এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: দেখুন, আব্দুর রাযযাক নং ১১৫৭।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ صَبِيحٍ عَنْ مَنْ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ مَا زَادَ عَلَى الْعَشْرِ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه
৮৬৫. রবী ইবনু সাবীহ যিনি আনাস ইবনু মালিক থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, তিনি বলেন: দশদিনের পরে যদি অধিক সময় পর্যন্ত (রক্তস্রাব হতে) থাকে, তবে সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ।
তাখরীজ: এটি এ সনদে আমি আর কোথাও পাইনি। দেখুন, দারুকুতনী ১/২০৯; পুর্বের ৮৬২, ৮৬৪ (অনুবাদে ৮৫৮, ৮৬০) নং হাদীস দু’টিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مُفَضَّلِ بْنِ مُهَلْهَلٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ أَقْصَى الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج
৮৬৬. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হায়েযের সর্ব্বোচ্চ মেয়াদ পনেরো দিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। (তবে, হাদীসটি হাসান লিগয়রিহী। দেখুন ৮৫৭ নং হাদীসটি- অনুবাদক।))
তাখরীজ: দারুকুতনী ১/২০৮; বাইহাকী ১/৩২১; আল মা’রিফাহ ২/১৭১ নং ২২৭৪; আরও দেখুন বিগত ৮৬১ (অনুবাদে ৮৫৭) নং হাদীসটি।
বুখারী হায়েয অধ্যায়ে এটি তা’লীক (সনদবিহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন। আর হাফিজ (ইবনু হাজার) ফাতহুল বারী ১/৪২৫ এ বলেন: ‘দারেমী এটি অবিচ্ছিন্নভাবে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ بَلَغَنِي عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ سُئِلَ عَبْدُ اللَّهِ الدَّارِمِيُّ تَأْخُذُ بِهَذَا قَالَ نَعَمْ إِذَا كَانَ عَادَتَهَا وَسَأَلْتُهُ أَيْضًا عَنْ هَذَا قَالَ أَقَلُّ الْحَيْضِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ وَأَكْثَرُهُ خَمْسَ عَشْرَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه
৮৬৭. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা তিনদিন।[1]আব্দুল্লাহ আদ-দারেমীকে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনি কি এ মত গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: হাঁ, যদি সেটি তার রীতি হয়ে থাকে। আমি তাকে এ ব্যাপারে আবারও জিজ্ঞেস করলাম। (এবারে) তিনি বললেন: হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন একরাত আর এর সর্বোচ্চ সীমা পনেরো দিন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও আছে বলে জানতে পারিনি।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَكَرِيَّا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ أَبُو سَعْدٍ الصَّغَّانِيُّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الرَّبِيعِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ ثَلَاثٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف محمد بن أبي زكريا
৮৬৮. হাসান রাহি. হলে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা তিনদিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুহাম্মদ ইবনু আবী যাকারিয়ার যঈফ হওয়ার কারণে এর সনদ যঈফ। কিন্তু এর পরবর্তী হাদীস একে শক্তিশালী করে।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ দেননি।–অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ يَوْمٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৬৯. আতা’ রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: দারুকুতনী ১/৮০২; বাইহাকী ১/৩২০, ৭/৪১৯;
এবং বুখারী হায়েয অধ্যায়ে এটি তা’লীক (সনদবিহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন। আর হাফিজ (ইবনু হাজার) ফাতহুল বারী ১/৪২৫ এ বলেন: ‘দারেমী এটি অবিচ্ছিন্নভাবে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
বাইহাকী, আল মা’রিফাহ ২/১৭১ এ ইমাম শাফিঈ’র কথা উদ্ধৃত করেছেন, তিনি বলেছেন: ‘আমাদের নিকট আতা’ হতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলতেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন।’
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ قَبْلَ حَيْضِهَا يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ فَهُوَ مِنْ الْحَيْضِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৭০. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কোন মহিলা তার হায়েয শুরু হওয়ার একদিন বা দু’দিন পূর্বে রক্তস্রাব দেখে তবে তা তার হায়েয বলে গণ্য হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ قَتَادَةَ وَقَيْسِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَطَاءٍ أَنَّهُمَا قَالَا فِي الْبِكْرِ إِذَا نَفِسَتْ فَاسْتُحِيضَتْ قَالَا تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ مِثْلَ مَا تُمْسِكُ الْمَرْأَةُ مِنْ نِسَائِهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :الأثران إسنادهما صحيح
৮৭১. কাতাদা ও কাইস ইবনু সা’দ উভয়ে আতা’ রাহি. হতে কুমারী মেয়ের সম্পর্কে বর্ণনা করেন: যখন তার নিফাস[1] (সন্তান জন্মদানের পরের রক্তস্রাব) শুরু হবে, অতঃপর (নির্ধারিত সময় পরেও) রক্তস্রাব চলতে থাকবে’, তারা বলেন, ‘মেয়েটি সেই কয়দিন সালাত হতে বিরত থাকবে, যে কয়দিন তার পরিবারের অপর কোনো মেয়ে সালাত থেকে বিরত থাকে।[2]
[1] (ফাতহুল মান্নান, শরহে দারেমী-তে একে নারীর প্রথম হায়েয বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু মুহাক্কিক্ব তাখরীজে আব্দুর রাযযাকের আল মুসান্নাফের যে হাদীস নিয়ে এসেছেন, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি নিফাস, যখন সে সন্তান প্রসব করে।’ যদিও দারেমীর বাবের শিরোনাম দেখে ফাতহুল মান্নানের বক্তব্যই সঠিক মনে হয়, তবু আমরা তাখরীজের সূত্র ধরে একে নিফাস’ বলেই অনুবাদ করেছি-অনুবাদক।)
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আছার (হাদীস) দু’টির সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আতার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ যঈফ সনদে।
বাইহাকী ১/৩৪০ এ বলেন: ইমাম শাফিঈ রাহি. আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে ‘কুমারী মেয়ে’ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যার রক্তস্রাব অব্যাহতভাবে চলতে থাকে,’: তার পরিবারের নারীরা যেভাবে (সালাত পরিত্যাগ করে) বসে থাকে, সেও সেভাবে বসে থাকবে।’
আর কাতাদা’র হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ এ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ إِذَا كَانَتْ الْمَرْأَةُ أَوَّلَ مَا تَحِيضُ تَجْلِسُ فِي الْحَيْضِ مِنْ نَحْوِ نِسَائِهَا سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ هَذَا فَقَالَ هُوَ أَشْبَهُ الْأَشْيَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৭২. সুফিয়ান বলেন, যখন নারীর প্রথম হায়েয হবে, তখন সে তার (পরিবারের) অপরাপর নারীদের হায়েযের (নির্ধারিত সময়ের) অনুরূপ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। আব্দুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেটিই সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২০৩ সহীহ সনদে। সেখানে অতিরিক্ত রয়েছে: ‘হায়েযের দিনগুলিতে হলুদ রংয়ের স্রাব ও রক্তস্রাবের হুকুম একই।’
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ قَالَ لَا نَرَاهُ حَيْضًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف وليث هو: ابن أبي سليم وهو ضعيف
৮৭৩. আতা রাহি. হতে ‘বৃদ্ধা মহিলার রক্তস্রাব দেখতে পাওয়া’ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমরা একে হায়েয গণ্য করি না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। লাইছ, ইবনু আবী সালীম যঈফ।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক।)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنِيهِ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَهَا الْحَيْضُ ثَلَاثِينَ سَنَةً ثُمَّ رَأَتْ الدَّمَ فَأَمَرَ فِيهَا بِشَأْنِ الْمُسْتَحَاضَةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج
৮৭৪. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে সেই মহিলা সম্পর্কে বর্ণনা করেন, যে মহিলার তিরিশ বছর যাবত হায়েয বন্ধ হয়ে গিয়েছে, তারপর (আকস্মিকভাবে) রক্তস্রাব দেখতে পেলো। তিনি এমন মহিলার ব্যাপারে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার অবস্থার হুকুম লাগান।[1] (সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার মতো সালাত, সিয়াম চালু রাখবে।)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ থেকে ‘আন‘আন পদ্ধতে এটি বর্ণিত হয়েছে।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮১। পরবর্তী আছারটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ قَالَ هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ تَفْعَلُ كَمَا تَفْعَلُ الْمُسْتَحَاضَةُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف
৮৭৫. ইবনু জুরাইজ রাহি. হতে বর্ণিত, আতা’ রাহি. সেই বৃদ্ধা মহিলা যে (অনেক দিন পূর্বে হায়েয বন্ধ হওয়ার পরে আবার) রক্তস্রাব দেখতে পেলো - তার সম্পর্কে বলেন, সেতো ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্থলাভিষিক্ত। একজন ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা যা যা করে, সেও তা-ই করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আগের হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَالْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ فِي الَّتِي قَعَدَتْ مِنْ الْمَحِيضِ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ وَلَا تَغْتَسِلُ سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ الْكَبِيرَةِ قَالَ تَوَضَّأُ وَتُصَلِّي وَإِذَا طُلِّقَتْ تَعْتَدُّ بِالْأَشْهُرِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه حجاج بن أرطاة وما وقعت عليه بهذا اللفظ
৮৭৬. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত। যে বৃদ্ধা মহিলা হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গেছে, তার সম্পর্কে আতা’ ও হাকাম ইবনু উতাইবাহ বলেন: যদি সে রক্ত দেখে, তবে সে ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে কিন্তু সে গোসল করবে না। আব্দুল্লাহকে বৃদ্ধা মহিলার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে আর যখন তাকে তালাক দেয়া হবে তখন সে নির্দিষ্ট মাসসমূহ ইদ্দাত পালন করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এতে হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ রয়েছে (সে যঈফ)।
তাখরীজ: আমি এটি এ শব্দে আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ الطُّهْرُ خَمْسُ عَشْرَةَ
৮৭৭. সুফিয়ান বলেন, পবিত্রাবস্থা (এর সর্বনিম্ন সীমা) পনেরো দিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি এ শব্দে আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا حَاضَتْ الْمَرْأَةُ فِي شَهْرٍ أَوْ فِي أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ثَلَاثَ حِيَضٍ فَإِذَا شَهِدَ لَهَا الشُّهُودُ الْعُدُولُ مِنْ النِّسَاءِ أَنَّهَا رَأَتْ مَا يُحَرِّمُ عَلَيْهَا الصَّلَاةَ مِنْ طُمُوثِ النِّسَاءِ الَّذِي هُوَ الطَّمْثُ الْمَعْرُوفُ فَقَدْ خَلَا أَجَلُهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد سَمِعْت يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ يَقُولُ أَسْتَحِبُّ الطُّهْرَ خَمْسَ عَشْرَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৭৮. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কোনো মহিলার মাসে কিংবা চল্লিশ দিনে তিনবার হায়েয হয়, আর তিনজন ন্যায়পরায়ণা মহিলা এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় যে, সে তার থেকে এমনকিছু দেখেছে যা তার উপর সালাতকে হারাম করে দেয়, অর্থাৎ, হায়েযের রক্ত যা হায়েয হিসেবে সমধিক পরিচিত, তবে তার হায়েযের নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাবে।[1] (সে পবিত্র হয়ে যাবে)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/২৭২; আল হাফিজ ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ১/৪২৫ তে বলেন: দারেমীও এটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।...
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ جَاءَتْ امْرَأَةٌ إِلَى عَلِيٍّ تُخَاصِمُ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا فَقَالَتْ قَدْ حِضْتُ فِي شَهْرٍ ثَلَاثَ حِيَضٍ فَقَالَ عَلِيٌّ لِشُرَيْحٍ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنْتَ هَا هُنَا قَالَ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنْتَ هَا هُنَا قَالَ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ إِنْ جَاءَتْ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ وَأَمَانَتُهُ تَزْعُمُ أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلَاثَ حِيَضٍ تَطْهُرُ عِنْدَ كُلِّ قُرْءٍ وَتُصَلِّي جَازَ لَهَا وَإِلَّا فَلَا فَقَالَ عَلِيٌّ قَالُونُ وَقَالُونُ بِلِسَانِ الرُّومِ أَحْسَنْتَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮৭৯. আমির রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক মহিলা আলী রা: এর নিকট এলো সে তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করেছে আর তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছে। মহিলাটি বললো, আমার একমাসে তিনবার হায়েয হয়েছে। তখন আলী কাযী শুরাইহকে বললেন: এদের দু’জনের মাঝে ফায়সালা করে দাও। কাজী শুরাইহ বললেন: ইয়া আমীরুল মু’মিনীন! আপনিই তো এখানে রয়েছেন।’ তিনি আবারও বললেন: ‘তুমি তাদের দু’জনের মধ্যে ফায়সালা করে দাও।’ তখন তিনি (শুরাইহ) বললেন, যদি এ মহিলার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কোনো মহিলা যার দীনদারী ও আমানতদারী গ্রহণযোগ্য, সে যদি দাবী করে যে এ মহিলার মাসে তিনবার হায়েয হয়েছে এবং প্রত্যেক হায়েযের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে পবিত্র হয়েছে এবং সালাত আদায় করেছে, তবে তার জন্য এটা (তালাক) বৈধ হয়েছে। তা না হলে (তা বৈধ) নয়। তখন আলী রা: বললেন: ‘ক্বালুন’। আর ‘ক্বালুন’ শব্দটি রোমান ভাষার। যার অর্থ: তুমি সুন্দর (ফায়সালা) করেছো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩০৯, ১৩১০; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩৭২; বাইহাকী ৭/৪১৮-৪১৯।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ قَالَ الْحَيْضُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ أَتَقُولُ بِهَذَا قَالَ لَا سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ حَدِيثِ شُرَيْحٍ تَقُولُ بِهِ قَالَ لَا وَقَالَ ثَلَاثُ حِيَضٍ فِي الشَّهْرِ كَيْفَ يَكُونُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
৮৮০. খালিদ আল হাযযা’ থেকে বর্ণিত, ইকরিমাহ রাহি. (وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ) অর্থ: “তাদের জন্য জায়েয নয় যে, তারা তা গোপন করবে, যা আল্লাহ তাদের গর্ভে সৃষ্টি করেছেন।“ (সূরা বাকারাহ: ২২৮) (এ আয়াত সম্পর্কে) বলেন: (এর অর্থ) হায়েয।
আবু মুহাম্মদ (আব্দুল্লাহ আদ-দারিমী)কে বলা হলো, আপনিও কি তাই বলেন? তিনি বললেন, না। আর আব্দুল্লাহকে শুরাইহ’-এর হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনিও কি অনুরূপ বলেন? তিনি বললেন, না। তিনি বলেন, একমাসে তিন বার হায়েয হওয়া কিভাবে সম্ভব?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৩৪; সাঈদ ইবনু মানসূর ও বাইহাকী এটি বর্ণনা করেছেন বলে সুয়ূতী দূররে মানসূর ১/২৭৬ এ উল্লেখ করেছেন।