সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَ تَدَعُ الصَّلَاةَ فِي قُرُوئِهَا ذَلِكَ يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ ثُمَّ تَغْتَسِلُ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْأُولَى نَظَرَتْ فَإِنْ كَانَتْ تَرِيَّةً تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ وَإِنْ كَانَ دَمًا أَخَّرَتْ الظُّهْرَ وَعَجَّلَتْ الْعَصْرَ ثُمَّ صَلَّتْهُمَا بِغُسْلٍ وَاحِدٍ فَإِذَا غَابَتْ الشَّمْسُ نَظَرَتْ فَإِنْ كَانَتْ تَرِيَّةً تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ وَإِنْ كَانَ دَمًا أَخَّرَتْ الْمَغْرِبَ وَعَجَّلَتْ الْعِشَاءَ ثُمَّ صَلَّتْهُمَا بِغُسْلٍ وَاحِدٍ فَإِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ نَظَرَتْ فَإِنْ كَانَتْ تَرِيَّةً تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ وَإِنْ كَانَ دَمًا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ الْغَدَاةَ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الْأَقْرَاءُ عِنْدِي الْحَيْضُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯০১. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, আতা রাহি. ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: সে তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সালাত পরিত্যাগ করবে; তবে এতে দু’একদিন (কম-বেশি) হতে পারে। তারপর সে গোসল করবে। এটি যদি (হায়েযের) প্রথম দিকে হয়, তবে সে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। যদি সে সামান্য কোনো (হলুদ বা মেটে রং এর) স্রাব দেখতে পায়, তবে ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে। আর যদি সে রক্ত দেখতে পায়, তবে যোহরকে পিছিয়ে এবং আসর সালাতকে (এর প্রথম সময়ে) এগিয়ে নিবে। এরপর এ দু’টি সালাতকে এক গোসলে (একত্রিত করে) আদায় করবে। যদি এরপর রক্ত দেখে, মাগরিবকে পিছিয়ে দেবে এবং ঈশা’র সালাতকে এগিয়ে নিবে তারপর এ দু’টি সালাত এক গোসলে (একত্রিত করে) আদায় করবে। এরপর যদি ফজর উদিত হয়, সে পুনরায় ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, যদি সামান্য স্রাব লক্ষ্য করে তবে ওযু করে সালাত আদায় করবে, আর যদি রক্ত দেখে, তবে গোসল করে ফজরের সালাত আদায় করবে। এভাবে প্রতি দিনে রাতে সে তিনবার (গোসল) করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, নং ১১৬১ হাসান সনদে; নং ১১৭১ এ অপর একটি যঈফ সনদে। আরও দেখুন, বিগত ৮৯৯ (অনুবাদে ৮৯৫) নং ও পরবর্তী ৯০৭ (অনুবাদে ৯০৩) নং হাদীস দু’টি।
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَكَفَ وَاعْتَكَفَ مَعَهُ بَعْضُ نِسَائِهِ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ تَرَى الدَّمَ فَرُبَّمَا وَضَعَتْ الطَّسْتَ تَحْتَهَا مِنْ الدَّمِ وَزَعَمَ أَنَّ عَائِشَةَ رَأَتْ مَاءَ الْعُصْفُرِ فَقَالَتْ كَانَ هَذَا شَيْئًا كَانَتْ فُلَانَةُ تَجِدُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯০২. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রমযান মাসে) ই’তিকাফ করলেন, তার কোনো স্ত্রীও তাঁর সাথে ই’তিকাফ করেছিলেন। আর তিনি ছিলেন ইসতিহাযাগ্রস্ত। ফলে তিনি রক্ত দেখতে পেতেন। তিনি রক্তস্রাবের কারণে প্রায়ই তার নিচে একটি পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং তার (বর্ণনাকারী ইকরিমার) ধারণা, আয়িশা রা: হলুদ রংয়ের পানি দেখে বললেন: এ তো সেই বস্তু যা অমুক (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো স্ত্রী’) দেখতে পেয়েছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৩০৯, ৩১০; আহমাদ ৬/১৩১; আবু দাউদ ২৪৭৬; ইবনু মাজাহ ১৭৮০; বাইহাকী ১/৩২৯।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ عَنْ الْحَجَّاجِ قَالَ سَأَلْتُ عَطَاءً عَنْ الْمَرْأَةِ تَطْهُرُ مِنْ الْمَحِيضِ ثُمَّ تَرَى الصُّفْرَةَ قَالَ تَوَضَّأُ
৯০৩. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আতা’ রাহি. কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যে হায়েয থেকে পবিত্র হয়, অতঃপর হলুদ রং (এর স্রাব) দেখতে পায়। তিনি বলেন, সে ওযু করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কারণ হাজ্জ্বাজ ইবনু আরতাহ যঈফ।
তাখরীজ: দেখুন, বিগত ৮৯৯, ৯০৫ (অনুবাদে ৮৯৬, ৯০১) হাদীস দু’টি।
আবু দাউদ বলেন: ‘এটি বর্ণিত হয়েছে সাঈদ ইবনু জুবাইর, আলী, ইবনু আব্বাস... ও আয়িশা রা: থেকে যে, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সালাত পরিত্যাগ করবে।
এটি হাসান, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব, আতা, মাকহুল, ইবরাহীম, সালিম ও কাসিম রাহি. এরও মত।’
قَالَ أَبُو مُحَمَّد قَرَأْتُ عَلَى زَيْدِ بْنِ يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ هُوَ ابْنُ أَنَسٍ قَالَ سَأَلْتُهُ عَنْ الْمَرْأَةِ كَانَ حَيْضُهَا سَبْعَةَ أَيَّامٍ فَزَادَتْ حَيْضَتُهَا قَالَ تَسْتَظْهِرُ بِثَلَاثَةِ أَيَّامٍ
৯০৪. আবু মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন: আমি যাইদ ইবনু ইয়াহইয়ার নিকট মালিক ইবনু আনাস থেকে (এ হাদীসটি) পাঠ করলাম যে, তিনি বলেছেন: আমি এমন মহিলা সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম যার সাত দিন যাবত হায়েয হলো, এরপর তা আরো বৃদ্ধি পেলো। তিনি বলেন: সে তিনদিনেই পবিত্র হয়ে যাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি।-অনুবাদক) দেখুন, আত তামহীদ ১৬/৭৬।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا طَهُرَتْ الْمَرْأَةُ فِي وَقْتِ صَلَاةٍ فَلَمْ تَغْتَسِلْ وَهِيَ قَادِرَةٌ عَلَى أَنْ تَغْتَسِلَ قَضَتْ تِلْكَ الصَّلَاةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى الحسن
৯০৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, কোনো মহিলা সালাতের ওয়াক্তে হায়েয হতে পবিত্র হলো, আর সে তখনও গোসল করেনি, যদিও সে গোসল করতে সক্ষম ছিল, সে এ সালাতের কাযা’ আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৩৭ যঈফ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا صَلَّتْ الْمَرْأَةُ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ حَاضَتْ فَلَا تَقْضِي إِذَا طَهُرَتْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯০৬. আমর হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, যদি কোনো মহিলা zwj;দু’রাকাত সালাত আদায় করার পর তার হায়েয শুরু হয়ে যায়, তবে পবিত্র হয়ে সে সেই সালাতের কাযা আদায় করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আমর ইবনু উবাইদ মু’তাযিলীকে অনেকেই যঈফ বলেছেন। কেউ কেউ হাসান হতে তার বর্ণনাকে ‘মিথ্যা হাদীস’ আখ্যা দিয়েছেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৩৯ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا الْمَعْمَرِيُّ أَبُو سُفْيَانَ مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯০৭. মা’মার থেকে বর্ণিত। তিনি কাতাদা থেকে....[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : কাতাদার হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১২৮৮; এটি সুফিয়ান সাওরীরও মত। দেখুন, ৯১৭ (অনুবাদে ৯১৩) নং হাদীসটি দেখুন।
قَالَ ح وَحَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ تَطْهُرُ عِنْدَ الظُّهْرِ فَتُؤَخِّرُ غُسْلَهَا حَتَّى يَدْخُلَ وَقْتُ الْعَصْرِ قَالَا تَقْضِي الظُّهْرَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
৯০৮. (তার দারিমীর উস্তাদ মুহাম্মদ ইবনু ঈসার সূত্রে) হাজ্জাজ থেকে বর্ণিত, যে মহিলা যুহর সালাতের সময় (হায়েয হতে) পবিত্র হয়, কিন্তু সে গোসলকে পিছিয়ে দেয়, এমনকি আসরের ওয়াক্ত চলে আসে- এমন মহিলা সম্পর্কে আতা (ও কাতাদা) উভয়ে বলেন: তাকে যুহর সালাতের কাযা আদায় করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আতার হাদীসের এ সনদে হাজ্জাজ বিন আরতাহ রয়েছে, তিনি যঈফ। কিন্তু আছার (হাদীস)টি সহীহ, পূর্বের হাদীস দ্বারা।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।- অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ
৯০৯. ইউনুস বর্ণনা করেন, তিনি হাসান থেকে....[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৩৭; আব্দুর রাযযাক নং ১২৮৬ সহীহ সনদে। ৯১৬ (অনুবাদে ৯১২) নং হাদীসটিও দেখুন।
وَمُغِيرَةُ عَنْ عَامِرٍ
৯১০. এবং মুগীরাহ বর্ণনা করেন, তিনি আমির হতে ......[1]
وَعُبَيْدَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الْمَرْأَةِ تُفَرِّطُ فِي الصَّلَاةِ حَتَّى يُدْرِكَهَا الْحَيْضُ قَالُوا تُعِيدُ تِلْكَ الصَّلَاةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯১১. উবাইদাহ ইবরাহীম হতে বর্ণিত, যে মহিলা সালাত আদায়ের ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শন করে, এমনকি তার হায়েয শুরু হয়ে যায়, তার সম্পর্কে ইবরাহীম বলেন: (হায়েযমুক্ত হওয়ার পর) সে (কাযা হিসেবে) এ সালাত পুনরায় আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদটিও আগের সনদগুলোর সাথে ধারাবাহিক সূত্রে বর্ণিত (অর্থ: উপরের তিনটি হাদীসেরই শেষের দিকের রাবী একই-অনুবাদক)। আর আগেরগুলির মতোই এটির সনদও সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৩৯ যঈফ সনদে; আগের টীকাটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ وَيُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي امْرَأَةٍ حَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَفَرَّطَتْ حَتَّى حَاضَتْ قَالَا تَقْضِي تِلْكَ الصَّلَاةَ إِذَا اغْتَسَلَتْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
৯১২. হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান ও ইউনুস থেকে বর্ণিত, সালাতের সময় হওয়ার পর যে মহিলা তা আদায়ে শৈথিল্য করতে থাকে, এমনকি তার হায়েয এসে যায়-এমন মহিলা সম্পর্কে হাসান রাহি. হতে তারা উভয়ে বর্ণনা করেন: যখন সে পবিত্রতার গোসল করবে, তখন সে এ সালাতের কাযা আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ৯১৩ (অনুবাদে ৯০৯) নং এ গত হয়েছে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الزَّهْرَانِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ وَقَتَادَةَ قَالَا إِذَا ضَيَّعَتْ الْمَرْأَةُ الصَّلَاةَ حَتَّى تَحِيضَ فَعَلَيْهَا الْقَضَاءُ إِذَا طَهُرَتْ
৯১৩. হিশাম থেকে বর্ণিত, হাসান ও কাতাদা উভয়ে বলেন: যখন কোনো মহিলা সালাতকে নষ্ট করে (অলসতা করে সালাতের ওয়াক্তে তা আদায় না করে), এমনকি তার হায়েয এসে যায়, তবে পবিত্র হওয়ার পর তার উপর এ সালাতের কাযা আদায় করা জরুরী।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: হাসানের হাদীসটি গত হয়েছে ৯১৩, ৯১৬ (অনুবাদে ৯০৯, ৯১২) নং এ। আর কাতাদার হাদীসটিও গত হয়েছে ৯১১ (অনুবাদে ৯০৭) নং এ।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ إِذَا فَرَّطَتْ ثُمَّ حَاضَتْ قَضَتْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯১৪. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, শা’বী বলেন: যখন কোনো মহিলা (সালাতের ওয়াক্ত হওয়ার পর সালাত আদায়ে) শৈথিল্য প্রদর্শন করতে থাকে, এরপর তার হায়েয এসে যায়, তবে (পবিত্র হওয়ার পর) তাকে তা কাযা আদায় করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৯১৪ (অনুবাদে ৯১০) নং এ।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَنْ يَعْقُوبَ عَنْ أَبِي يُوسُفَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ إِذَا حَاضَتْ الْمَرْأَةُ فِي وَقْتِ الصَّلَاةِ فَلَيْسَ عَلَيْهَا الْقَضَاءُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْقُوبُ هُوَ ابْنُ الْقَعْقَاعِ قَاضِي مَرْوٍ وَأَبُو يُوسُفَ شَيْخٌ مَكِّيٌّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৯১৪. আবী ইউসুফ হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. বলেন, সালাতের ওয়াক্তের মধ্যে যদি কোনো মহিলার হায়েযে এসে যায়, তবে তার উপর সেই সালাতের কাযা আদায় করা ওয়াযিব নয়।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: ইয়া’কুব হলেন কা’কা’র ছেলে কাযী হাদীস বর্ণনাকারী। আর আবু ইউসুফ হচ্ছেন মক্কার শাইখ।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: এটি আমি অন্য কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ وَقَيْسٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ إِذَا طَهُرَتْ قَبْلَ الْمَغْرِبِ صَلَّتْ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَإِذَا طَهُرَتْ قَبْلَ الْفَجْرِ صَلَّتْ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯১৬. হাজ্জাজ ও কায়িস হতে বর্ণিত, আতা রাহি. বলেন, যদি কোন মহিলা মাগরিবের পূর্বে (হায়েয হতে) পবিত্রতা লাভ করে, তবে সে যুহর ও আসরের সালাত আদায় করবে। আর যদি ফজরের সালাতের পূর্বে পবিত্র হয়, তবে সে মাগরিব ও ঈশার সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। যদিও হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ যঈফ, কিন্তু তার অনুসরণে কায়িস বর্ণনা করেছেন, যিনি নির্ভরযোগ্য।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ২/৩৩৬, ৩৩৭; সামনের ৯২৪ (অনুবাদে ৯২০) নং হাদীসটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ مِثْلَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف علي بن زيد
৯১৭. আলী ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব থেকেও অনুরূপ (বর্ণিত আছে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আলী ইবনু যাইদ যঈফ হওয়ার কারণে। তবে এর পূর্বে যা বর্ণিত হয়েছে, তা একে শক্তিশালী করে।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও এ সনদে পাইনি।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف
৯১৮. মুক্বসিম হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতেও অনুরূপ (বর্ণিত আছে)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ২/৩৩৭ যঈফ সনদে; তবে এটি সহীহ সনদে ৮৩১ (অনুবাদে ৮২৭) নং এ গত হয়েছে। দেখুন, সামনে ৯৪০ (অনুবাদে ৯৩৬) নং ।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْحَائِضِ تُصَلِّي الصَّلَاةَ الَّتِي طَهُرَتْ فِي وَقْتِهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯১৯. ইউনুস থেকে বর্ণিত, হাসান রহি. বলেন, হায়েযগ্রস্ত মহিলা যে ওয়াক্তে (হায়েয হতে) পবিত্রতা লাভ করবে, সেই ওয়াক্তের সালাত সে আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৮৬ সহীহ সনদে, যে, যদি আসরের ওয়াক্তে পবিত্র হয়, তবে সে আসরের সালাত আদায় করবে, যুহর আদায় করবে না।“
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ عَطَاءٍ وَطَاوُسٍ وَمُجَاهِدٍ قَالُوا إِذَا طَهُرَتْ الْحَائِضُ قَبْلَ الْفَجْرِ صَلَّتْ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ وَإِذَا طَهُرَتْ قَبْلَ غُرُوبِ الشَّمْسِ صَلَّتْ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৯২০. আবু নাজিহ হতে বর্ণিত, আতা’, তাউস ও মুজাহিদ বলেন, যখন হায়েযগ্রস্ত মহিলা ফজরের পূর্বে পবিত্রতা লাভ করবে, সে মাগরিব ও ঈশা’র সালাত আদায় করবে। আর যদি সূর্য ডোবার পূর্বে পবিত্র হয়, তবে যুহর ও আসরের সালাত আদায় করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৩৭ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক নং ১২৮১, আতা ও মা’মার ইবনু তাউস হতে, তিনি তার পিতা তাউস হতে; আতার হাদীসটির সনদ যঈফ, কিন্তু তাউসের হাদীসটির সনদ সহীহ। ইবনু আবী শাইবাতে বিভিন্ন সনদে এটি বর্ণিত। আবার আতার হাদীসটি ৯২০ (অনুবাদে ৯১৬) নং এ গত হয়েছে।