হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (881)


881 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: الْحَكَمُ، أَخْبَرَنِي عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " بَعَثَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَأَمَرَهُ أَنْ يُسَوِّيَ الْقُبُورَ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره ، وهذا إسناد ضعيف ]




৮৮১। হাদীস নং ৬৫৭ দ্রষ্টব্য।



৬৫৭। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (882)


882 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمَنِ قَالَ: فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ تَبْعَثُنِي إِلَى قَوْمٍ أَسَنَّ مِنِّي، وَأَنَا حَدَثٌ لَا أُبْصِرُ الْقَضَاءَ؟ قَالَ: فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى صَدْرِي وَقَالَ: " اللهُمَّ ثَبِّتْ لِسَانَهُ، وَاهْدِ قَلْبَهُ، يَا عَلِيُّ، إِذَا جَلَسَ إِلَيْكَ الْخَصْمَانِ فَلا تَقْضِ بَيْنَهُمَا حَتَّى تَسْمَعَ مِنَ الْآخَرِ كَمَا سَمِعْتَ مِنَ الْأَوَّلِ، فَإِنَّكَ إِذَا فَعَلْتَ ذَلِكَ تَبَيَّنَ لَكَ الْقَضَاءُ " قَالَ: فَمَا اخْتَلَفَ عَلَيَّ قَضَاءٌ بَعْدُ، أَوْ مَا أَشْكَلَ عَلَيَّ قَضَاءٌ بَعْدُ

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৮৮২। হাদীস নং ৬৯০ দ্রষ্টব্য।



৬৯০। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বাদী ও বিবাদী হয়ে আসবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনের বক্তব্য শুনো না। দু’জনেরই বক্তব্য শুনলে বুঝবে কিভাবে বিচার করতে হয়। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ এরপর থেকে আমি বিচারক হিসাবে কাজ করতে লাগলাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (883)


883 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْمِنْهَالِ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْأَسَدِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ:{وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ} [الشعراء: 214] قَالَ: جَمَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ، فَاجْتَمَعَ ثَلاثُونَ، فَأَكَلُوا وَشَرِبُوا، قَالَ: فَقَالَ لَهُمْ: " مَنْ يَضْمَنُ عَنِّي دَيْنِي وَمَوَاعِيدِي، وَيَكُونُ مَعِي فِي الْجَنَّةِ، وَيَكُونُ خَلِيفَتِي فِي أَهْلِي؟ " فَقَالَ: رَجُلٌ - لَمْ يُسَمِّهِ شَرِيكٌ - يَا رَسُولَ اللهِ، أَنْتَ كُنْتَ بَحْرًا، مَنْ يَقُومُ بِهَذَا؟ قَالَ: ثُمَّ قَالَ: لِآَخَرٍ، قَالَ: فَعَرَضَ ذَلِكَ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ، فَقَالَ عَلِيٌّ: أَنَا

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف ]




৮৮৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, যখন “তোমার নিকটতম স্বজনদেরকে সতর্ক কর” এ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের কিছু লোককে একত্রিত করলেন। ৩০ জন সমবেত হলো, তারা পানাহার করলো, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেন, আমার ঋণ ও ওয়াদাগুলোর দায়িত্ব কে নেবে। আমার সাথে জান্নাতে যাবে এবং আমার পরিবারে আমার প্রতিনিধি হবে? এক ব্যক্তি বললো, (রাবী শারীক তার নাম উল্লেখ করেননি) ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি তো (ঋণের) একটা সমুদ্র হয়ে গেছেন। এর দায়িত্ব কে নেবে? অতঃপর অন্য এক ব্যক্তিও অনুরূপ বললো। এরপর তিনি তার পরিবারের ঘনিষ্ঠতম লোকদের কাছে এই প্রশ্ন করলেন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি নেব।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (884)


884 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ: " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ عِنْدَ الْأَذَانِ، وَيُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ عِنْدَ الْإِقَامَةِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৮৮৪। হাদীস নং ৫৬৯ দ্রষ্টব্য।



৫৬৯। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’রাকাআত (সুন্নাত) নামায ইকামাতের সময় (অর্থাৎ পূর্ব মুহুর্তে) পড়তেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (885)


885 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي بِالنَّهَارِ سِتَّ عَشْرَةَ رَكْعَةً "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح ]




৮৮৫। হাদীস নং ৬৫০ দ্রষ্টব্য।



৬৫০। আসিম বিন যামরা বলেন, আমরা আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের বেলায় কেমন নফল ইবাদাত করতেন? আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদেরকে বলুন না, যতদূর পারি অনুকরণ করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ার পর কিছুটা বিরতি দিতেন। তারপর সূর্য যখন পূর্ব প্রান্তে এতটা ওপরে উঠতো, যতটা আছরের সময় পশ্চিম প্রান্তে থাকে, তখন উঠে দু’রাকাআত পড়তেন। তারপর আবার কিছুক্ষণ বিরতি দিতেন। তারপর যোহরের সময় সূর্য পশ্চিম প্রান্তে যতটা ওপরে থাকে, ততটা যখন পূর্ব প্রান্তে থাকতো, তখন উঠে চার রাকাআত পড়তেন। তারপর সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর যোহরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন এবং দুরাকাআত যোহরের পরে পড়তেন। আর আছরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন। এই চার রাকাআতের দুই দুই রাকাআত শেষে আল্লাহর ঘনিষ্ঠতম ফেরেশতাদের ওপর, নবীদের ওপর ও তাদের অনুসারী মুমিন ও মুসলিম নরনারীর ওপর সালাম পাঠাতেন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ এই ষোল রাকাআত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের নফল নামায। তবে এই নামাযগুলো নিয়মিতভাবে খুব কম সংখ্যক লোকই পড়ে থাকে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (886)


886 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْيَزَنِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ زُرَيْرٍ الْغَافِقِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ: " أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَرْكَبُ حِمَارًا اسْمُهُ عُفَيْرٌ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره ، وهذا إسناد ضعيف]




৮৮৬। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উফায়ের’ নামক একটা গাধার ওপর আরোহণ করতেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (887)


887 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ بَحْرٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنِي الْوَضِينُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ مَحْفُوظِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَائِذٍ الْأَزْدِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّ السَّهَ وِكَاءُ الْعَيْنِ، فَمَنْ نَامَ فَلْيَتَوَضَّأْ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৮৮৭। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ চক্ষুদ্বয় হচ্ছে পায়ুপথের ঢাকনা। সুতরাং যে ঘুমাবে, সে যেন ওযূ ওযূ করে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (888)


888 - حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْأَشْقَرُ، حَدَّثَنِي ابْنُ قَابُوسَ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ الْجَنْبِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " لَمَّا قَتَلْتُ مَرْحَبًا جِئْتُ بِرَأْسِهِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف جدا مسلسل بالضعفاء]




৮৮৮। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি যখন মারহাবকে হত্যা করেছিলাম, তখন তার মাথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিয়ে এসেছিলাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (889)


889 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ أَبُو مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ خَبَّابٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَلِيًّا قَالَ لِأَبِيهِ: لابْعَثَنَّكَ فِيمَا بَعَثَنِي فِيهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَنْ أُسَوِّيَ كُلَّ قَبْرٍ، وَأَنْ أَطْمِسَ كُلَّ صَنَمٍ " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৮৮৯। ৬৮৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৬৮৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জাবিরের পিতা হাইয়ানকে বললেন, যে কাজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছিলেন, তোমাকে আমি সেই কাজে পাঠাবো। তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছিলেন প্রতিটি কবরকে সমান করে দিতে এবং প্রতিটি মূর্তির চেহারা বিকৃত করতে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (890)


890 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: " فِيهِ الْوُضُوءُ " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حديث صحيح ، وهذا إسناد ضعيف]




৮৯০। ৬৬২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৬৬২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার ঘন ঘন মযি বের হতো। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (মিকদাদের মাধ্যমে) এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, মনি (বীর্য) বের হলে গোসল করতে হয়। আর মযি বের হলে ওযূ করতে হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (891)


891 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ الْوَاسِطِيُّ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: " فِيهِ الْوُضُوءُ، وَفِي الْمَنِيِّ الْغُسْلُ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح ]




৮৯১। ৬৬২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৬৬২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার ঘন ঘন মযি বের হতো। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (মিকদাদের মাধ্যমে) এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, মনি (বীর্য) বের হলে গোসল করতে হয়। আর মযি বের হলে ওযূ করতে হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (892)


892 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنْ ابْنِ الْأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ جَدَّةٍ، لَهُ وَكَانَتْ سُرِّيَّةً لِعَلِيٍّ، قَالَتْ: قَالَ عَلِيٌّ: كُنْتُ رَجُلًا نَئُومًا، وَكُنْتُ إِذَا صَلَّيْتُ الْمَغْرِبَ وَعَلَيَّ ثِيَابِي نِمْتُ ثُمَّ - قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ فَأَنَامُ قَبْلَ الْعِشَاءِ - " فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَرَخَّصَ لِي " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৮৯২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি ঘুম কাতুরে ছিলাম। মাগরিবের নামায পড়ার পরই আমি আমার পরিধানের পোশাক নিয়েই ঘুমিয়ে পড়তাম। (অন্য বর্ণনায়, আমি ইশার আগেই ঘুমিয়ে পড়তাম।) এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (893)


893 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي شَيْبَانُ أَبُو مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ يَعْنِي أَبَا زَيْدٍ الْقَسْمَلِيَّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: " فِي الْمَذْيِ الْوُضُوءُ، وَفِي الْمَنِيِّ الْغُسْلُ " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح ]




৮৯৩। ৬৬২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৬৬২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার ঘন ঘন মযি বের হতো। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (মিকদাদের মাধ্যমে) এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, মনি (বীর্য) বের হলে গোসল করতে হয়। আর মযি বের হলে ওযূ করতে হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (894)


894 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ الْبَاهِلِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَبَّاسِ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ يَعْنِي الثَّقَفِيَّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، وَابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ: " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ مَعَهُ بِهَدْيِهِ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَتَصَدَّقَ بِلُحُومِهَا وَجُلُودِهَا وَأَجِلَّتِهَا "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح ، وهذا إسناد حسن]




৮৯৪। ৫৯৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৫৯৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেছেন যেন, যে উটনী আমি কুরবানী দেব, তা যেন আমিই বণ্টন করি, তার চামড়া ও গায়ের চটও যেন বণ্টন করি এবং যাবাইকারীকে যেন তা থেকে (পারিশ্রমিক হিসাবে) কিছু না দিই। তিনি বলেছেনঃ তাকে আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে দিয়ে থাকি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (895)


895 - حَدَّثَنَا شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ: ذَكَرَ خَلَفُ بْنُ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " سَبَقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَصَلَّى أَبُو بَكْرٍ، وَثَلَّثَ عُمَرُ، ثُمَّ خَبَطَتْنَا - أَوْ أَصَابَتْنَا - فِتْنَةٌ، يَعْفُو اللهُ عَمَّنْ يَشَاءُ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح لغيره]




৮৯৫। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জানাযার নামায পড়লেন এবং উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তিনবার নামায পড়লেন। তারপর আমাদের ওপর এমন ফিতনা এসে পড়লো, যা থেকে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন, তাকেই রক্ষা করেন। (আবু বাকরের খিলাফাতের শুরুতে ইসলাম ত্যাগ করার যে হিড়িক পড়েছিল, ‘ফিতনা’ শব্দটি দ্বারা সম্ভবতঃ সেদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (896)


896 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ، حَدَّثَنِي شُرَيْحٌ يَعْنِي ابْنَ عُبَيْدٍ، قَالَ: ذُكِرَ أَهْلُ الشَّامِ عِنْدَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، وَهُوَ بِالْعِرَاقِ، فَقَالُوا: الْعَنْهُمْ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ. قَالَ: لَا، إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " الْأَبْدَالُ يَكُونُونَ بِالشَّامِ، وَهُمْ أَرْبَعُونَ رَجُلًا، كُلَّمَا مَاتَ رَجُلٌ أَبْدَلَ اللهُ مَكَانَهُ رَجُلًا، يُسْقَى بِهِمُ الْغَيْثُ، وَيُنْتَصَرُ بِهِمْ عَلَى الْأَعْدَاءِ، وَيُصْرَفُ عَنْ أَهْلِ الشَّامِ بِهِمِ الْعَذَابُ " •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف لانقطاعه]




৮৯৬। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সামনে সিরিয়াবাসীর প্রসঙ্গ আলোচিত হলো, (যেখানে মুয়াবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নেতৃত্বে বিদ্রোহীদের ঘাঁটি ছিল। যারা আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর খিলাফাত মানতো না) উপস্থিত লোকেরা বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, তাদের ওপর অভিশাপ দিন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, সিরিয়ায় আবদাল থাকে। তারা চল্লিশ জন। তাদের কেউ যখনই মারা যায় আমনি আল্লাহ তার পরিবর্তে আরেকজনকে পাঠান। তাদের উসিলায় বৃষ্টি বর্ষিত হয়, শক্ররা পরাভূত হয় এবং সিরিয়াবাসীর ওপর থেকে আযাব হটানো হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (897)


897 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْبُدْنِ، قَالَ: " لَا تُعْطِ الْجَازِرَ مِنْهَا شَيْئًا "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حديث صحيح]




৮৯৭। ৫৯৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৫৯৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেছেন যেন, যে উটনী আমি কুরবানী দেব, তা যেন আমিই বণ্টন করি, তার চামড়া ও গায়ের চটও যেন বণ্টন করি এবং যাবাইকারীকে যেন তা থেকে (পারিশ্রমিক হিসাবে) কিছু না দিই। তিনি বলেছেনঃ তাকে আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে দিয়ে থাকি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (898)


898 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: وُضِعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ عَلَى سَرِيرِهِ، فَتَكَنَّفَهُ النَّاسُ يَدْعُونَ وَيُصَلُّونَ قَبْلَ أَنْ يُرْفَعَ، وَأَنَا فِيهِمْ، فَلَمْ يَرُعْنِي إِلا رَجُلٌ قَدْ أَخَذَ بِمَنْكِبِي مِنْ وَرَائِي، فَالْتَفَتُّ فَإِذَا هُوَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، فَتَرَحَّمَ عَلَى عُمَرَ، فَقَالَ: مَا خَلَّفْتَ أَحَدًا أَحَبَّ إِلَيَّ أَنْ أَلْقَى اللهَ تَعَالَى بِمِثْلِ عَمَلِهِ مِنْكَ، وَايْمُ اللهِ إِنْ كُنْتُ لاظُنُّ لَيَجْعَلَنَّكَ اللهُ مَعَ صَاحِبَيْكَ، وَذَلِكَ أَنِّي كُنْتُ أُكْثِرُ أَنْ أَسْمَعَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " فَذَهَبْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، وَدَخَلْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، وَخَرَجْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ " وَإِنْ كُنْتُ لاظُنُّ لَيَجْعَلَنَّكَ اللهُ مَعَهُمَا

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح ]




৮৯৮। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে (লাশকে) তাঁর খাটিয়ার ওপর রাখা হলো। লাশ তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে লোকেরা তাকে ঘিরে দু’আ করতে লাগলো। তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। সহসা এক ব্যক্তি পেছন থেকে আমার ঘাড়ে হাত রাখলে আমি হতচকিত হলাম। তাকিয়ে দেখি, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তিনি উমারের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা করলেন। তারপর বললেন, আপনার পরে এমন আর কেউ বেঁচে নেই যে, আমার কাছে আপনার চেয়ে প্রিয় এবং যার কৃত নেক আমলের সমমানের আমল নিয়ে আমি আল্লাহর কাছে যেতে চাই। আল্লাহর কসম, আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ আপনার দুই সাথীর সঙ্গেই আপনাকে রাখবেন। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রায়ই বলতে শুনতাম, “আমি, আবু বাকর ও উমার গেলাম।” “আমি, আবু বাকর ও উমার প্রবেশ করলাম”, “আমি, আবু বাকর ও উমার বের হলাম” ইত্যাদি। আমার বিশ্বাস, আল্লাহ। আপনাকে ঐ দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বাকর-এর সাথেই রাখবেন।

[বুখারী-৩৬৮৫, মুসলিম-২৩৮৯]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (899)


899 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ زَحْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ: كَانَ يَأْتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " فَكُنْتُ إِذَا وَجَدْتُهُ يُصَلِّي سَبَّحَ فَدَخَلْتُ، وَإِذَا لَمْ يَكُنْ يُصَلِّي أَذِنَ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৮৯৯। ৫৯৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৫৯৮। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসতাম এবং অনুমতি চাইতাম। তিনি নামাযে থাকলে বলতেন সুবহানাল্লাহ। আর নামাযে না থাকলে অনুমতি দিতেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (900)


900 - حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ، أَنَّ حُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ أَخْبَرَهُ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَرَقَهُ وَفَاطِمَةَ ابْنَةَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةً، فَقَالَ: أَلا تُصَلِّيَانِ؟ " فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّمَا أَنْفُسُنَا بِيَدِ اللهِ، فَإِذَا شَاءَ أَنْ يَبْعَثَنَا بَعَثَنَا، فَانْصَرَفَ حِينَ قُلْتُ ذَلِكَ، وَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيَّ شَيْئًا، ثُمَّ سَمِعْتُهُ وَهُوَ مُوَلٍّ يَضْرِبُ فَخِذَهُ يَقُولُ:{وَكَانَ الْإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا}

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৯০০। ৫৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।



৫৭১। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ রাতে আমার কাছে এলেন। তখন আমি ও ফাতিমা ঘুমিয়ে ছিলাম। তিনি দরজায় দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমরা নামায পড়না? (অর্থাৎ তাহাজ্জুদ)। আমি তাঁর জবাবে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মন তো আল্লাহর হাতে। তিনি চাইলে আমাদেরকে জাগিয়ে দেবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৎক্ষণাত ফিরে গেলেন এবং আমার কথার কোন জবাব দিলেন না। আমি শুনতে পেলাম, তিনি ফিরে যাওয়ার সময় নিজের উরুতে হাত চাপড়ে বলছেনঃ وَكَانَ الْإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا “মানুষ সবার চেয়ে বেশি তার্কিক”। [সূরা আল কাহফঃ ৫৪)