হাদীস বিএন


সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ





সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1421)


` من أخذ على القرآن أجرا، فذاك حظه من القرآن `.
موضوع

أخرجه أبو نعيم في ` الحلية ` (7/142) من طريق إسحاق بن العنبري: حدثنا
عبد الوهاب الثقفي: حدثنا سفيان عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة قال: قال
رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال:
` غريب من حديث الثوري، تفرد به إسحاق `.
قلت: قال الذهبي في ` الضعفاء والمتروكين `:
` كذاب `.
ولذلك قال المناوي عقبه:
` فكان ينبغي للمصنف حذفه من الكتاب `.
يعني ` الجامع الصغير ` للسيوطي.
وبهذا الكذاب أعله في ` التيسير `.
‌‌




১৪২১। যে ব্যক্তি কুরআনের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করবে, কুরআন থেকে তাই তার প্রাপ্য।





হাদীসটি বানোয়াট।





হাদীসটি আবু নুয়াইম `আলহিলইয়াহ` গ্রন্থে (৭/১৪২) ইসহাক ইবনুল আম্বারী হতে, তিনি আব্দুল ওয়াহাব সাকাফী হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি সুহায়েল হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





আবু নুয়াইম বলেনঃ সাওরীর হাদীস হতে এটি গারীব। এটিকে ইসহাক এককভাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ হাফিয যাহাবী `আযযুয়াফা অলমাতরূকীন` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি (ইসহাক) মিথ্যুক।





এ কারণেই মানবী হাদীসটির পরে বলেছেনঃ লেখকের উচিত ছিল হাদীসটিকে কিতাব থেকে বের করে দেয়া। অর্থাৎ `জামেউস সাগীর` গ্রন্থ থেকে । তিনি `আততায়সীর` গ্রন্থে এ মিথ্যুকের দ্বারাই হাদীসটির সমস্যা বর্ণনা করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1422)


` من أخذ على القرآن أجرا، فقد تعجل حسناته في الدنيا، والقرآن يخاصمه يوم
القيامة `.
منكر

أخرجه أبو نعيم في ` الحلية ` (4/20) عن الحسن بن علي بن الوليد: حدثنا
عبد الرحمن بن نافع - درخت - حدثنا موسى بن رشيد عن أبي عبيد الشامي عن طاووس
عن ابن عباس رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره
وقال:
` غريب من حديث طاووس، لم يروه عنه إلا أبو عبد الله الشامي وهو مجهول وفي
حديثه نكارة `.
قلت: وهذا إسناد مظلم، من دون طاووس لم أعرف أحدا منهم! وقوله في السند:
` أبي عبيد الشامي ` كذلك وقع في الأصل، ووقع في تعقيب أبي نعيم عليه: ` أبو
عبد الله الشامي `. وكتب الطابع على الهامش:
` كذا سماه هنا في الأصول الثلاثة `.
فالله أعلم بالصواب.
‌‌




১৪২২। যে ব্যক্তি কুরআনের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করবে সে দুনিয়াতেই তার সাওয়াব লাভের ব্যাপারে তাড়াহুড়া করল। এমতাবস্থায় কিয়ামতের দিন কুরআন তার সাথে ঝগড়া করবে।





হাদীসটি মুনকার।





হাদীসটি আবু নুয়াইম `আলহিলইয়াহ` গ্রন্থে (৪/২০) হাসান ইবনু আলী ইবনিল ওয়ালীদ হতে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনু নাফে'-দারাখত- হতে, তিনি মূসা ইবনু শীদ হতে, তিনি আবু ওবায়েদ শামী হতে, তিনি তাউস হতে, তিনি আব্দুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





আবু নুয়াইম বলেনঃ তাউসের হাদীস হতে এটি গারীব। তার থেকে একমাত্র আবু আদিল্লাহ শামী বর্ণনা করেছেন আর তিনি হচ্ছেন মাজহুল (অপরিচিত) আর তার হাদীস মুনকার।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। তাউসের নিচের কোন বর্ণনাকারীকে চিনি না। তিনি যে সনদের মধ্যে বলেছেনঃ আবু ওবায়েদ শামী, মূল গ্রন্থে এরূপই বর্ণিত হয়েছে। এর পরেই আবু নুয়াইম বলেছেনঃ আবু আদিল্লাহ শামী। আল্লাহই জানেন কোনটি সঠিক।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1423)


` كره السؤال في الطريق `.
ضعيف جدا

أخرجه البخاري في ` التاريخ الكبير ` (3/1/178/561) : قال ابن حميد: حدثنا
يحيى بن واضح عن أبي مجاهد، سمعت عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما:
فذكره.
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، آفته ابن حميد، وهو محمد الرازي قال الذهبي في
` الكاشف `:
` وثقه جماعة، والأولى تركه، قال يعقوب بن شيبة:
` كثير المناكير `. وقال البخاري:
` فيه نظر `. وقال النسائي:
` ليس بثقة `.
مات سنة 248.
وأبو مجاهد اسمه عبد الله بن كيسان المروزي، قال الذهبي:
` ضعفه أبو حاتم `.
وفي ترجمته أورد الحديث البخاري، ولعله أشار بذلك إلى أنه حديث منكر، وقال
فيه:
` وله ابن، نسبهما إسحاق، منكر ليس من أهل الحديث `.
كذا وقع فيه، وفي نقل الحافظ المزي في ` التهذيب `:
` له ابن يسمى إسحاق، منكر الحديث `.
ولعل هذا هو الصواب.
‌‌




১৪২৩। তিনি রাস্তাতে প্রশ্ন করাকে অপছন্দ করতেন।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





হাদীসটিকে ইমাম বুখারী `আততারীখুল কাবীর` গ্রন্থে (৩/১/১৭৮/৫৬১) ইবনু হুমায়েদ হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু ওয়াযিহ হতে, তিনি আবু মুজাহিদ হতে, তিনি ইকরিমাহ হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ খুবই দুর্বল। এর সমস্যা হচ্ছে ইবনু হামীদ, তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদ রাযী। হাফিয যাহাবী `আলকাশেফ` গ্রন্থে বলেনঃ তাকে একদল নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন। উত্তম হচ্ছে তাকে ত্যাগ করা। ইয়াকুব ইবনু শাইবাহ বলেনঃ তিনি বহু মুনকারের অধিকারী।





ইমাম বুখারী বলেনঃ তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। তিনি ২৪৮ হিজরীতে মারা গেছেন।





আর আবু মুজাহিদের নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ ইবনু কায়সান মারওয়াযী। হাফিয যাহাবী বলেনঃ তাকে আবু হাতিম দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।





তার জীবনীতে ইমাম বুখারী হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। সম্ভবত তিনি এর দ্বারা ইঙ্গিত করেছেন যে, হাদীসটি মুনকার। কারণ তিনি তার সম্পর্কে বলেছেনঃ তার এক ছেলে রয়েছে, তাদের দু'জনের পরিচয় হচ্ছে ইসহাক। তিনি মুনকার আহলেহাদীসদের অন্তর্ভুক্ত নন। এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে। হাফিয মিৰ্যয়ী “আত-তাহযীব” গ্রন্থে বলেনঃ ইসহাক নামে তার এক ছেলে রয়েছে। তিনি মুনকারুল হাদীস। সম্ভবত এটিই সঠিক।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1424)


` إذا دخل الرجل على أخيه فهو أمير عليه حتى يخرج من عنده `.
موضوع
رواه ابن عدي (53/2) عن عثمان بن عبد الرحمن عن عنبسة عن جعفر بن الزبير عن
القاسم عن أبي أمامة مرفوعا.
أورده في ترجمة جعفر هذا في جملة من أحاديث له، وقال في آخرها:
` وله أحاديث غير ما ذكرت عن القاسم، وعامتها مما لا يتابع عليه، والضعف
على حديثه بين `.
قلت: كذبه شعبة. وقال البخاري:
` تركوه `.
لكن من دونه شر منه، فإن كلا من عنبسة وهو ابن عبد الرحمن بن عنبسة بن سعيد
القرشي وعثمان بن عبد الرحمن وهو القرشي الوقاصي وضاع. وكأن المناوي لم يقف
على هذا الإسناد التالف فاقتصر على قوله فيه:
` ضعيف `!
ولم يكتف بهذا بل أتبعه بقوله:
` لكن يقويه ما رواه الديلمي عن أبي هريرة مرفوعا:
` إذا دخل قوم منزل رجل، كان رب المنزل أميرهم، حتى يخرجوا من منزله،
وطاعته عليهم واجبة ` انتهى. أي: متأكدة بحيث تقرب من الوجوب `.
قلت: وهذا أعجب ما رأيت للمناوي، فإن حديث أبي هريرة هذا موضوع أيضا، وما
جاءه هذا الخبط والخلط؛ إلا من قلة التحقيق، وعدم مراجعة الأسانيد، وإلا
لم يخف ذلك على مثله إن شاء الله تعالى.
وقد بينت وضع حديث أبي أمامة، فلنبين وضع حديث أبي هريرة هذا، فأقول:
` إذا دخل قوم منزل رجل كان رب المنزل أمير القوم حتى يخرجوا من منزله طاعته
عليهم واجبة `.
‌‌




১৪২৪। যখন কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের নিকট প্রবেশ করবে (যাবে) তখন তার নিকট থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত সে (তার ভাই) হবে তার নেতা।





হাদীসটি বানোয়াট।





হাদীসটিকে ইবনু আদী (২/৫৩) উসমান ইবনু আবদির রহমান হতে, তিনি আম্বাসা হতে, তিনি জাফর ইবনুয যুবায়ের হতে, তিনি কাসেম হতে, তিনি আবু উমামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





তিনি জা'ফারের জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে তার আরো কতিপয় হাদীসের মধ্যে এ হাদীসটিকেও উল্লেখ করেছেন। তিনি সেগুলোর শেষে বলেনঃ কাসেম হতে তার যেসব হাদীস উল্লেখ করেছি এগুলো ছাড়াও তার কতিপয় হাদীস রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশের মুতাবা'য়াত করা হয়নি। তার হাদীসের মধ্যে দুর্বলতা সুস্পষ্ট।





আমি (আলবানী) বলছিঃ শু'বা তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর ইমাম বুখারী বলেছেনঃ তারা (মুহাদ্দিসগণ) তাকে ত্যাগ করেছেন।





কিন্তু তার নিচের বর্ণনাকারী তার চেয়েও নিকৃষ্ট। কারণ বর্ণনাকারী আম্বাসা ইবনু আবদির রহমান ইবনে আম্বাসা ইবনে সাঈদ কুরাশী এবং উসমান ইবনু আদির রহমান কুরাশী ওকাসী তারা দু’জনই জালকারী। সম্ভবত মানবী এ ধ্বংসাত্মক সনদটির সমস্যা সম্পর্কে অবগত হননি, এ কারণে শুধুমাত্র বলেছেনঃ দুর্বল।





তিনি শুধুমাত্র এ কথা বলেই ক্ষান্ত হননি বরং পরক্ষণেই বলেছেনঃ তবে হাদীসটিকে শক্তি যোগায় দায়লামী কর্তৃক আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত হাদীসঃ





“যখন কোন সম্প্রদায় কোন ব্যক্তির গৃহে প্রবেশ করে তখন বাড়ির মালিক তাদের নেতা হয়ে যায় যে পর্যন্ত তারা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে না যায় এবং তাদের উপর তার আনুগত্য করা ওয়াজিব হয়ে যায়।”





আমি (আলবানী) বলছিঃ মানবীর নিকট যা দেখেছি এটি সেগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা আজব ধরনের। কারণ আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর এ হাদীসটিও বানোয়াট। তার থেকে এ ঘটনা ঘটেছে সনদগুলো যাচাই বাছাই না করার কারণে। অন্যথায় তার মত ব্যক্তির নিকট এরূপ সমস্যা গোপন থাকার কথা নয় ইনশা আল্লাহ। আবু উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি বানোয়াট হওয়ার ব্যাখ্যা প্রদান করেছি, এখন আবু রাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর উদ্ধৃতিতে বর্ণিত হাদীসটির বানোয়াট হওয়ার ব্যাখ্যা প্রদান করছিঃ (দেখুন পরেরটি)











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1425)


` إذا دخل قوم منزل رجل كان رب المنزل أمير القوم حتى يخرجوا من منزله طاعته
عليهم واجبة `.
موضوع
رواه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (1/245) والديلمي (1/1/114) عن سهل بن
عثمان: حدثنا المعلى: حدثنا ليث عن مجاهد عن أبي هريرة مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد موضوع، آفته المعلى وهو ابن هلال الطحان الكوفي، وهو
كذاب وضاع، اتفق النقاد على ذلك كما سبق ذكره عند الحديث (341) .
وليث هو ابن أبي سليم، وهو ضعيف. وقد ساق الذهبي في ترجمة الأول عن هذا
حديثا آخر عن ابن عباس قال:
` التوكؤ على العصا من أخلاق الأنبياء، وكان لرسول الله صلى الله عليه وسلم
عصا يتوكأ عليها ويأمر بالتوكؤ عليها `.
وقد مضى برقم (916) .
‌‌




১৪২৫। যখন কেন সম্প্রদায় কোন ব্যক্তির গৃহে প্রবেশ করে তখন বাড়ির মালিক তাদের নেতা হয়ে যায় যে পর্যন্ত তারা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে না যায় এবং তাদের উপর তার আনুগত্য করা ওয়াজিব হয়ে যায়।





হাদীসটি বানােয়াট।





হাদীসটিকে আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (১/২৪৫) ও দায়লামী (১/১/১১৪) সাহল ইবনু উসমান হতে, তিনি আলমুয়াল্লা হতে, তিনি লাইস হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে আলমুয়াল্লা তিনি হচ্ছেন ইবনু হিলাল ত্বহহান আলকুফী। তিনি মিথ্যুক, জালকারী। বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে সমালোচকগণ তার এ অবস্থার ব্যাপারে একমত যেমনটি তার সম্পর্কে (৩৪১) নম্বর হাদীসের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।





আর লাইস হচ্ছেন ইবনু আবী সুলাইম, তিনি দুর্বল। হাফিয যাহাবী প্রথমজনের জীবনীতে এ দ্বিতীয়জন হতে অন্য একটি হাদীস আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর উদ্ধৃতিতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ “লাঠির উপর ঠেস লাগানো নবীগণের আখলাকের অন্তর্ভুক্ত। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি লাঠি ছিল তিনি সে লাঠির উপর ঠেস লাগাতেন এবং তার উপরে ঠেস লাগাতে নির্দেশ দিতেন। [এ হাদীসটি ৯১৬ নম্বরে আলোচিত হয়েছে]।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1426)


` أيما امرأة ماتت وزوجها عنها راض دخلت الجنة `.
منكر

أخرجه ابن أبي شيبة في ` المصنف ` (7/47/1) : حدثنا ابن فضيل عن أبي نصر
عبد الله بن عبد الرحمن عن مساور الحميري عن أمه قالت: سمعت أم سلمة
تقول
: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره.
ومن هذا الوجه أخرجه الترمذي (1/217) وابن ماجه (1854) والثقفي في `
الثقفيات ` (ج9 رقم 30) والحاكم (4/173) وقال:
` صحيح الإسناد `! ووافقه الذهبي! وقال الترمذي:
` حديث حسن غريب `.
قلت: وكل ذلك بعد عن التحقيق، فإن مساورا هذا وأمه مجهولان كما قال ابن
الجوزي في ` الواهيات ` (2/141) ، وقد صرح بذلك الحافظ ابن حجر في الأول
منهما، وسبقه إليه الذهبي فقال في ترجمته من ` الميزان `:
` فيه جهالة، والخبر منكر `. يعني هذا.
وقال في ترجمة والدة مساور:
` تفرد عنها ابنها `.
يعني أنها مجهولة.
قلت: فتأمل الفرق بين كلاميه في الكتابين، والحق، أن كتابه ` التلخيص ` فيه
أوهام كثيرة، ليت أن بعض أهل الحديث - على عزتهم في هذا العصر - يتتبعها، إذن
لاستفاد الناس فوائد عظيمة، وعرفوا ضعف أحاديث كثيرة صححت خطأ.
وبالجملة فالحديث منكر لا يصح لجهالة الأم والولد.
‌‌




১৪২৬। যে নারী এমতাবস্থায় মারা যাবে যে, তার স্বামী তার প্রতি সম্ভষ্ট সে (নারী) জান্নাতে প্রবেশ করবে।





হাদীসটি মুনকার।





হাদীসটিকে ইবনু আবী শাইবাহ “আলমুসান্নাফ” গ্রন্থে (৭/৪৭/১) ইবনু ফুযায়েল হতে, তিনি আবু নাসর আব্দুল্লাহ ইবনু আবদির রহমান হতে, তিনি মুসাবির হুমায়রী হতে, তিনি তার মাতা হতে তিনি বলেনঃ আমি উম্মু সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ ...।





এ সূত্রেই হাদীসটিকে তিরমিযী (১/২১৭), ইবনু মাজাহ (১৮৫৪), সাকাফী “আততাসকীফাত” গ্রন্থে (খণ্ড ৯ নং ৩০) ও হাকিম (৪/১৭৩) বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ! হাফিয যাহাবীও তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সব কথাই বাস্তবতা থেকে দূরে। কারণ বর্ণনাকারী মুসাবির ইবনু হুমায়রী ও তার মা মাজহুলা (অপরিচিত) যেমনটি ইবনুল জাওযী তার “আলওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (২/১৪১) বলেছেন। হাফিয ইবনু হাজার প্রথমজন সম্পর্কে (মাজহুল হওয়ার ব্যাপারে) স্পষ্টভাবেই বলেছেন। আর তার পূর্বে হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার জীবনীতে বলেছেনঃ তার ব্যাপারে অজ্ঞতা রয়েছে আর এ হাদীসটি মুনকার। তিনি মুসাবিরের মাতার জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেনঃ তার থেকে তার ছেলে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ বর্ণনাকারী মা মাজহুলাহ (অপরিচিত)।





আমি (আলবানী) বলছিঃ চিন্তা করে দেখুন তার (যাহাবীর) দুগ্রন্থের দু'ধরনের কথার মাঝে পার্থক্য কতটুকু। সঠিক হচ্ছে এই যে, তার কিতাব “আততালখীস” এর মধ্যে সন্দেহমূলক বহু কিছু রয়েছে। যদি কোন কোন আহলেহাদীস তার সে সন্দেহগুলোর অনুসরণ না করতেন তাহলে লোকেরা বড়ই উপকৃত হতেন এবং বহু দুর্বল হাদীস সম্পর্কে অবগত হতেন যেগুলোকে ভুলক্রমে সহীহ আখ্যা দেয়া হয়েছে।





মোটকথা আলোচ্য হাদীসটি মুনকার, সহীহ নয়। মা এবং ছেলে উভয়েই অপরিচিত হওয়ার কারণে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1427)


` أيما امرأة أدخلت على قوم من ليس منهم، فليست من الله في شيء، ولن يدخلها
الله جنته، وأيما رجل جحد ولده وهو ينظر إليه احتجب الله منه، وفضحه على
رؤوس الأولين والآخرين `.
ضعيف

أخرجه أبو داود (2263) والنسائي (2/107) والدارمي (2/153) وابن حبان (
1335) والحاكم (2/202 - 203) والبيهقي (7/403) من طريق يزيد بن الهاد عن
عبد الله بن يونس عن سعيد المقبري عن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله
عليه وسلم يقول حين نزلت آية المتلاعنين: فذكره. وقال الحاكم:
` صحيح على شرط مسلم `! ووافقه الذهبي! وذلك من أوهامهما، فإن عبد الله بن
يونس هذا، لم يخرج له مسلم أصلا، ثم هو لا يعرف، كما أشار إلى ذلك الذهبي
نفسه بقوله في ` الميزان `:
` ما حدث عنه سوى يزيد بن الهاد `.
ونحوه في ` الكاشف `. وصرح بذلك في ` الضعفاء ` فقال:
` تابعي مجهول `.
وقول الحافظ في ` التقريب `: ` مجهول الحال `. ينافي ما تقرر في ` المصطلح `
أن من لا يعرف إلا برواية واحد فهو مجهول العين.
وقد قال في ` الفتح ` بعدما عزاه لأبي داود والنسائي وابن حبان والحاكم عن
عبد الله بن يونس:
` ما روى عنه سوى يزيد بن الهاد ` (1) .
نعم تابعه يحيى بن حرب عن سعيد بن أبي سعيد المقبري به نحوه.

أخرجه ابن ماجه (2743) من طريق موسى بن عبيدة عنه.
لكن يحيى هذا حاله كحال متبوعه عبد الله بن يونس.
قال الذهبي:
` فيه جهالة، ما حدث عنه سوى موسى بن عبيدة `.
وقال الحافظ في ` التقريب `:
` مجهول `.
قلت: وموسى بن عبيدة ضعيف، وفي ` الضعفاء والمتروكين ` للذهبي:
` ضعفوه، وقال أحمد: لا تحل الرواية عنه `.
قلت: فهذه المتابعة واهية، لا تعطي الحديث قوة، فيظل على ضعفه، ومن
الغرائب أن الدارقطني صححه في ` العلل ` مع اعترافه بتفرد عبد الله بن يونس عن
سعيد المقبري، وأنه لا يعرف إلا به!
(1) نقله عنه المناوي في ` الفيض `. اهـ.
‌‌




১৪২৭। যে নারীই কাউকে কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করে দিবে যে তাদের অন্তর্ভুক্ত নয় সে আল্লাহ্‌র নিকট হতে কোন কিছুই পাবে না এবং আল্লাহ্‌ তা'আলা তাকে তার জান্নাত দিবেন না। আর যে ব্যক্তি তার সন্তানকে অস্বীকার করবে এমতাবস্থায় যে, সে তার দিকে তাকাচ্ছে, আল্লাহ্ তা'আলা নিজেকে তার থেকে পর্দা করে ফেলবেন এবং তাকে পৃথিবীর প্রথম থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সকলের সম্মুখে অপদস্থ করবেন।





হাদীসটি দুর্বল।





হাদীসটিকে আবু দাউদ (২২৬৩), নাসাঈ (২/১০৭), দারেমী (২/১৫৩), ইবনু হিব্বান (১৩৩৫), হাকিম (২/২০২-২০৩) ও বাইহাকী (৭/৪০৩) ইয়াযীদ ইবনুল হাদ সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু ইউনুস হতে, তিনি সাঈদ মাকবুরী হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ ...।





হাকিম বলেনঃ হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। হাফিয যাহাবীও তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। এ সিদ্ধান্ত তাদের দু'জন থেকে সন্দেহবশতই ঘটেছে কারণ বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনু ইউনুসের কোন হাদীস ইমাম মুসলিম বর্ণন করেননি। এছাড়া তাকে চেনা যায় না। যেমনটি হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে নিজেই সেদিকে ইঙ্গিত দিয়েছেনঃ তার থেকে ইয়াযীদ ইবনুল হাদ ছাড়া অন্য কেউ হাদীস বর্ণনা করেননি। অনুরূপ কথা তিনি `আলকাশেফ` গ্রন্থেও বলেছেন। আর `আযযুয়াফা` গ্রন্থে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেনঃ তিনি মাজহুল তাবেঈ।





হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাজহুলুল হাল। তার এ কথা হাদীস শাস্ত্রের থিওরী বিরোধী। কারণ যাকে মাত্র একটি বর্ণনার দ্বারা চেনা যায় তিনি হচ্ছেন মাজহুলুল হাল। হাফিয ইবনু হাজার `ফাতহুল বারী` গ্রন্থে আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনু হিব্বান ও হাকিমের বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবনু ইউনুস হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ তার থেকে ইয়াযীদ ইবনুল হাদ ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।





হ্যাঁ, ইয়াহইয়া ইবনু হারব তার মুতাবা'য়াত করেছেন সাঈদ ইবনু আবী সাঈদ মাকবুরী হতে তার মত করে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে।





এটিকে ইবনু মাজাহ (২৭৪৩) মূসা ইবনু ওবায়দাহ সূত্রে তার থেকে বর্ণনা করেছেন।





কিন্তু এ বর্ণনাকারী ইয়াহইয়ার অবস্থা অনুসৃত আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুসের অবস্থার মতই।





হাফিয যাহাবী বলেনঃ তার ব্যাপারে অজ্ঞতা রয়েছে। তার থেকে মূসা ইবনু ওবায়দাহ ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাজহুল।





আমি (আলবানী) বলছিঃ মূসা ইবনু ওবায়দাহ দুর্বল। হাফিয যাহাবী `আযযুয়াফা অলমাতরূকীন` গ্রন্থে বলেনঃ তাকে তারা (মুহাদ্দিসগণ) দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। আর ইমাম আহমাদ বলেছেনঃ তার থেকে বর্ণনা করাই বৈধ নয়।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ মুতাবা'য়াত খুবই দুর্বল, তা হাদীসটির কোন শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে না। অতএব হাদীসটি দুর্বলই রয়ে যাচ্ছে। আশ্চর্যজনক ব্যাপার এই যে, দারাকুতনী `আলইলাল` গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ আখ্যা দিয়েছেন। অথচ তিনি স্বীকার করেছেন যে, সাঈদ মাকবুরী হতে আব্দুল্লাহ ইবনু ইউনুস এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং হাদীসটিকে একমাত্র তার মাধ্যমেই চেনা যায়।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1428)


` إذا شرب أحدكم فليمصه مصا، فإنه أهنأ وأمرأ وأبرأ `.
ضعيف

أخرجه ابن شاذان الأزجي في ` الفوائد المنتقاة ` (2/126/1) من طريق
عبد الواحد السوري قال: حدثنا أبو عصام عن أنس مرفوعا به.
قلت: وهذا إسناد ضعيف، عبد الواحد السوري لم أعرفه، و (السوري) نسبة إلى
(سورية) وهي نسبة غريبة لم يذكروها في ` الأنساب `، على شهرتها اليوم،
وقد ذكرها ياقوت في ` معجم البلدان ` فقال:
` سورية: موضع بالشام بين خناصرة وسلمية `.
قلت: فإذا ثبت أن عبد الواحد هذا نسب إلى (سورية) فمن المحتمل حينئذ أنه
الذي في ` الجرح والتعديل ` (3/1/23) :
` عبد الواحد بن قيس، والد عمر بن عبد الواحد الشامي صاحب الأوزاعي، روى عن
أبي هريرة، مرسل، وعن عروة بن الزبير وقد أدركه. روى عنه الأوزاعي وثور
ابن يزيد … `.
وهو مختلف فيه، كما تراه مبسوطا في ` تهذيب التهذيب `، وقد لخص ذلك الحافظ
في ` التقريب ` بقوله:
` صدوق، له أوهام ومراسيل `.
وأما الذهبي فقال في ` الكاشف `:
` منكر الحديث `.
لكنه قد توبع بلفظ:
` مصوا الماء مصا، ولا تعبوه عبا `.

أخرجه ابن عدي في ` الكامل ` (116/2) والبيهقي في ` الشعب ` (2/206/1) من
طريق عبد الوارث عن أبي عصام عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: فذكره.
أورده في ترجمة أبي عصام هذا، وسماه خالد بن عبيد، وقال عن البخاري:
` في حديثه نظر `.
وساق له أحاديث منها هذا، ومنها حديثه عن أنس أيضا قال:
` كان النبي صلى الله عليه وسلم يتنفس في الإناء ثلاثا ويقول: هو أهنأ وأمرأ
وأبرأ ` (1) وختمها بقوله:
` وليس في حديثه حديث منكر جدا `.
لكن في الرواة اثنان، كل منهما يعرف بأبي عصام، ومن طبقة واحدة، أحدهما ثقة
، والآخر ضعيف، وابن عدي جرى على عدم التفريق بينهما، خلافا لابن حبان
وأبي أحمد الحاكم، والصواب أنهما اثنان كما قال الحافظ في ` التهذيب `،
وعليه جرى الذهبي في ` الميزان `، فقال في ` الأسماء ` منه (1/634) :
` وقد وهم ابن عدي، فتوهم أن هذا هو أبو عصام ذاك الثقة الذي حدث عنه شعبة
وعبد الوارث، فساق في الترجمة حديث ` النفس ثلاثا ` الذي أخرجه مسلم، وحديث
` مصوه مصا `، وهو خبر محفوظ `.
كذا وقع فيه ` خبر محفوظ `، وهذا مما لا يلتقي مع ما ادعاه من التوهيم، فلعل
الطابع وهم، والصواب: ` غير محفوظ `، لأن هذا هو المناسب مع الدعوى، وهو
كالدليل عليه. والله أعلم.
وعلى التفريق المذكور جرى أيضا في كتابه ` الضعفاء `، وفي ` الكاشف ` أيضا،
ولكنه قال في كنى ` الميزان `:
` والفرق بينهما يعسر `.
وعليه جرى الحافظ في ` التقريب ` أيضا، فقال:
` خالد بن عبيد العتكي أبو عصام البصري، نزيل مرو، متروك الحديث مع جلالته `.
وقال في ` كنى التقريب `:
` أبو عصام، هو خالد بن عبيد، تقدم، وقيل: هو الذي قبله `. يعني ` أبو
عصام البصري، قيل: اسمه ثمامة، مقبول. من الخامسة `.
وهذا التردد والاختلاف إن دل على شيء، فإنما يدل على أن الموضوع غامض
(1) أخرجه مسلم (6/111) من الطريق المذكورة لحديث ابن عدي! وهو مخرج في ` الصحيحة ` (378) . اهـ
غير واضح عند الحافظ وغيره، وهو حري بذلك، فليس هناك ما يحمل على القطع بشيء من
ذلك، ولورواية ضعيفة. وكأنه لذلك اقتصر المناوي على قوله في ` الفيض `:
` رواه البيهقي في ` الشعب ` عن أنس: وفي سنده لين `.
فلم يعرج على بيان السبب خلافا لعادته. والله أعلم.
فإن قيل: فإذا كان المناوي لم يبين علته لأنه لم يتبين له من أبو عصام هذا؟
فلماذا ضعف إسناده؟
فأقول - والله أعلم - : لأنه إذا لم يتبين له أنه أبو عصام الثقة، فالإسناد من
الوجهة العملية، مجهول الصحة؛ والحالة هذه. وما كان كذلك من الأسانيد،
فهو في حكم الضعيف، ومن أجل ذلك أوردته أنا في ` السلسلة `، فإن ظهر لنا شيء
يقتضي صحته نقلناه إلى ` السلسلة ` الأخرى. والله أعلم.
ثم روى البيهقي من طريق ابن وهب: أخبرني ابن لهيعة والليث بن سعد عن عقيل عن
ابن شهاب:
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا شرب تنفس ثلاثة أنفاس، ونهى عن العب
نفسا واحدا، ويقول: ذلك شرب الشيطان. وقال:
` هذا مرسل، وروينا عن معمر عن ابن أبي حسين أن النبي صلى الله عليه وسلم قال
:
إذا شرب أحدكم فليمص مصا ولا يعب عبا، فإن الكباد من العب `.
ثم رواه من طريق أحمد بن منصور: حدثنا عبد الرزاق: أنا معمر فذكره. وهو في
` مصنف عبد الرزاق ` (10/428) بهذا الإسناد. وابن أبي حسين هو عبد الله بن
عبد الرحمن المكي، وهو تابعي ثقة، فهو مرسل صحيح، كالذي قبله. فلعل الحديث
يقوى بهما، والله سبحانه وتعالى أعلم.
وتقدم حديثان آخران في المص، أحدهما قولي، والآخر فعلي، فراجعهما إن شئت (940، 941) .
‌‌




১৪২৮। তোমাদের কেউ যখন পান করবে তখন সে যেন চুমুক দিয়ে পান করে কারণ তা বেশী শান্তি দায়ক, বেশী তৃপ্তি দায়ক ও বেশী নিরাপদ।





হাদীসটি দুর্বল।





হাদীসটিকে ইবনু শায়ান আযজী `আলফাওয়াইদুল মুনতাকাত` গ্রন্থে (২/১২৬/১) আব্দুল ওয়াহেদ সূরী সূত্রে আবু ইসাম হতে, তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। আব্দুল ওয়াহেদ সূরীকে আমি চিনি না। সূরী শব্দটি সূরিয়্যাহ (সিরিয়া) দেশের সাথে সম্পৃক্ত করে বলা হয়েছে। এরূপ সম্পৃক্তকরণ অদ্ভুত ধরনের। কারণ “আলআনসাব” এর মধ্যে এরূপ উল্লেখ করা হয় না।





ইয়াকূত “মুজামুল বুলদান” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, সূরিয়্যাহ খানাসিরাহ এবং সুলামিয়্যাহ নামক স্থানের মাঝে শামের একটি স্থানের নাম।





আমি (আলবানী) বলছিঃ যদি সাব্যস্ত হয় যে, তাকে সূরিয়্যাহ দেশের সাথে সম্পৃক্ত করে সূরী বলা হয়েছে তাহলে তিনিই সম্ভবত সেই ব্যক্তি যাকে `আলজারহু অততা'দীল` গ্রন্থে (৩/১/২৩) উল্লেখ করা হয়েছেঃ আব্দুল ওয়াহেদ ইবনু কায়েস, উমার ইবনু আব্দিল ওয়াহেদ শামীর পিতা, আওযাঈর সাথী। তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মুরসাল বর্ণনা করেছেন আর উরওয়া ইবনুয যুবায়ের হতে বর্ণনা করেছেন তিনি তাকে পেয়েছিলেন। তার থেকে আওযাঈ এবং সাওর ইবনু ইয়াযীদ বর্ণনা করেছেন ...।





তার ব্যাপারে মতভেদ করা হয়েছে যেমনটি বিস্তারিতভাবে `তাহযীবুত তাহযীব` গ্রন্থে আপনি দেখছেন। হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেনঃ তিনি সত্যবাদী তবে তার সন্দেহমূলক এবং মুরসাল বর্ণনা রয়েছে। হাফিয যাহাবী `আলকাশেফ` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। তবে নিম্নেবর্ণিত ভাষায় তার মুতাবায়াত করা হয়েছেঃ





“তোমরা পানিকে চুসে পান করো, তোমরা নিঃশ্বাস না নিয়ে পানি পান করো না।”





এ হাদীসটিকে ইবনু আদী “আলকামেল” গ্রন্থে (২/১১৬) ও বাইহাকী `আশশুয়াব` গ্রন্থে (২/২০৬/১) আব্দুল ওয়ারেস সূত্রে আবু ইসাম হতে, তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ ...।





তিনি এ আবু ইসামের জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। আর তার নাম খালেদ ইবনু ওবায়েদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইমাম বুখারী হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ তার হাদীসের মধ্যে বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। তিনি তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন এটি সেগুলোর একটি। সেগুলোর মধ্যে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত নিম্নোক্ত এ হাদীসটিও রয়েছে। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্র হতে পানি পান করার সময় তিন নিঃশ্বাস গ্রহণ করতেন এবং বলতেন তা বেশী শান্তি দায়ক, বেশী তৃপ্তি দায়ক ও বেশী নিরাপদ।





তিনি এ কথা বলে শেষ করেছেন যে, তার হাদীসের মধ্যে বেশী মুনকার হাদীস নেই।





কিন্তু বর্ণনাকারী দু’জনই আবু ইসাম নামে পরিচিত এবং তারা একই সময়ের। দু'জনের একজন নির্ভরযোগ্য, অন্যজন দুর্বল। ইবনু আদী দু'জনের মাঝে পার্থক্য না করে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইবনু হিব্বান এবং আবু আহমাদ হাকিম তার বিপরীত করেছেন। সঠিক হচ্ছে যে, তারা একজন নন বরং তারা হচ্ছেন দু'জন যেমনটি হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেন। যাহাবীও “আল-মীযান” গ্রন্থে তাই করেছেন। তিনি “আলআসমা” গ্রন্থে (১/৬৩৪) বলেনঃ ইবনু আদী সন্দেহ করেছেন। তিনি মনে করেছেন যে, এ আবু ইসাম হচ্ছেন নির্ভরযোগ্য আবু ইসাম যার থেকে শুবা ও আব্দুল ওয়ারেস বর্ণনা করেছেন। এ কারণে তিনি নিঃশ্বাস গ্রহণ করার হাদীসটি তার জীবনীতেই উল্লেখ করেছেন যেটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন। তিনি `আয-যুয়াফা` ও `আলকাশেফ` গ্রন্থেও দু’জনকে পৃথক পৃথক দেখিয়ে উল্লেখ করেছেন।





[আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন মূল গ্রন্থ।]











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1429)


` بر الوالدين يزيد في العمر، والكذب ينقص من الرزق، والدعاء يرد البلاء،
ولله في خلقه قضاآن، فقضاء نافذ، وقضاء ينتظر،
وللأنبياء على العلماء فضل درجتين، وللعلماء على الشهداء فضل درجة `.
موضوع. رواه أبو الشيخ في ` التاريخ ` (ص 323) عن السري بن مسكين عن الوقاصي عن أبي
سهيل بن مالك عن أبي صالح عن أبي هريرة مرفوعا.
وبهذا الإسناد أخرجه في ` الفوائد ` أيضا (81/2) دون قوله: ` وفي خلقه `.
قلت: وهذا إسناد موضوع؛ الوقاصي هذا بفتح الواووتشديد القاف هو عثمان بن
عبد الرحمن أبو عمرو كان ممن يروي عن الثقات الأشياء الموضوعات لا يجوز
الاحتجاج به. كذا في ` الأنساب ` للسمعاني وهذا التجريح هو نص ابن حبان في `
الضعفاء ` (2/98) .
وروى ابن عساكر في ` تاريخ دمشق ` (12/239/1) عن صالح بن محمد الحافظ أنه
قال فيه:
` كان يضع الحديث، وعلي بن عروة أكذب منه `.
قلت: والسري بن مسكين، قال الحافظ:
` مقبول `. يعني عند المتابعة كما هو اصطلاحه في المقدمة، وقد تابعه خالد بن
إسماعيل المخزومي عن عثمان بن عبد الرحمن لكنه قال: عن أبي سهيل وهو نافع بن
مالك عن أبيه عن أبي هريرة به.

أخرجه ابن عدي (120/1) في ترجمة المخزومي في جملة أحاديث له وقال:
` وعامة حديثه موضوعات `.
قلت: لكن متابعة السري له، تبرئ عهدة المخزومي من الحديث، وتعصب الجناية
في شيخه الوقاصي.
ويبدو لي أن المناوي لم يقف على علته، فإنه قال تعليقا على قول السيوطي في `
الجامع `: ` رواه أبو الشيخ في ` التوبيخ ` وابن عدي عن أبي هريرة `:
` ضعفه المنذري `!
ولم يزد على هذا! والمنذري ذكره في ` الترغيب ` (4/29) من رواية الأصبهاني
إلى قوله: ` يرد القضاء ` دون ما بعده، وأشار لضعفه. ومما حققناه يتبين لك
أنه موضوع،
فكان على المنذري أن يبينه، وعلى السيوطي أن يحذفه من كتابه،
وفاء منه بوعده!
وتابعه أيضا يحيى بن المغيرة عن أبي عن عثمان بن عبد الرحمن عن سهيل عن أبيه
عن أبي هريرة به.

أخرجه الأصبهاني في ` ترغيبه ` (ق 47/1) والديلمي في ` مسنده ` (2/1/4) .
ويحيى هذا صدوق، لكن أبو هـ وهو المغيرة بن إسماعيل بن أيوب المخزومي مجهول
كما قال الذهبي.
وبالجملة فمدار هذه الروايات كلها على عثمان بن عبد الرحمن الوقاصي وهو وضاع
كما عرفت، وقد تقدمت له أحاديث عديدة تدل على حاله، أقربها الحديث (877) .
‌‌




১৪২৯। পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ বয়স বৃদ্ধি করে। মিথ্যা কথা রিযক কমিয়ে দেয়। দুআ বিপদ প্রতিহত করে। আল্লাহ তা'আলা তার সৃষ্টির ব্যাপারে দু'টি ফয়সালা রয়েছেঃ অবধারিত ফয়সালা আর অপেক্ষমান ফয়সালা। নবীগণের আলেমগণের উপরে দু'স্তর বেশী ফাযীলাত রয়েছে। আর আলেমগণের শহীদগণের উপরে এক স্তর বেশী ফযীলত রয়েছে।





হাদীসটি বানোয়াট।





হাদীসটি আবুশ শাইখ “আততারীখ” গ্রন্থে (৩২৩) আসসারিউ ইবনু মিসকীন হতে, তিনি অক্কাসী হতে, তিনি আবূ সুহায়েল ইবনু মালেক হতে, তিনি আবু সালেহ হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





এ সনদেই তিনি হাদীসটিকে `আলফাওয়াইদ` গ্রন্থে (২/৮১) উল্লেখ করেছেন তবে (وفى خلقه) শব্দটি ছাড়া।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। অক্কাসী হচ্ছেন উসমান ইবনু আব্দির রহমান আবূ আমর। তিনি সেই দলের অন্তর্ভুক্ত যারা নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট কিছু বর্ণনা করতেন। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা না-জায়েয। আসসামা'য়ানীর `আলআনসাব` গ্রন্থে এরূপই এসেছে। এ ভাষায় বর্ণনাকৃত দোষ ইবনু হিব্বানের `আযযুয়াফা` গ্রন্থে (২/৯৮) বর্ণিত ভাষা।





ইবনু আসাকির `তারীখু দেমাস্ক` এর মধ্যে (১২/২৩৯/১) সালেহ ইবনু মুহাম্মাদ আলহাফিয হতে বর্ণনা করেছেন তিনি তার (অক্কাসী) সম্পর্কে বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। আর আলী ইবনু উরওয়া তার চেয়ে বেশী বড় মিথ্যুক।





আমি (আলবানী) বলছিঃ আসসারিউ ইবনু মিসকীন সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি মাকবূল। অর্থাৎ মুতাবায়াত পাওয়া গেলে। খালেদ ইবনু ইসমাঈল মাখযূমী উসমান ইবনু আবদির রহমান হতে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তার মুতাবায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেনঃ আবূ সুহায়েল হতে ইনি হচ্ছেন নাফে ইবনু মালেক, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আবু হুরাইরাহু (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।





ইবনু আদী (১/১২০) মাখযুমীর জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে তার কতিপয় হাদীসের মধ্যে এটিকেও উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার অধিকাংশ হাদীস বানোয়াট।





আমি (আলবানী) বলছিঃ আসসারিউ কর্তৃক তার মুতাবায়াতের কারণে হাদীসের সমস্যাটি মাখযুমী হতে মুক্ত থাকছে। সমস্যা হচ্ছে অক্কাসী।





আরেকটি সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। যেটিকে আসবাহানী তার `তারগীব` গ্রন্থে (কাফ ১/৪৭) আর দায়লামী তার `মুসনাদ` গ্রন্থে (২/১/৪) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সেটিতেও অক্কাসী রয়েছেন। অতএব সব সূত্রগুলোর সমস্যাই হচ্ছে জালকারী অক্কাসী। এ কারণেই সুয়ুতী কর্তৃক `আলজামেউস সাগীর` গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ না করে বের করে দেয়া উচিত ছিল।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1430)


` ليس للنساء سلام ولا عليهن سلام `.
منكر

أخرجه أبو نعيم في ` الحلية ` (8/58) : حدثت عن أبي طالب: حدثنا علي بن
عثمان النفيلي: حدثنا هشام بن إسماعيل العطار: حدثنا سهل بن هشام عن إبراهيم
ابن أدهم عن الزبيدي عن عطاء الخراساني يرفع الحديث قال: فذكره. قال
الزبيدي: أخذ على النساء ما أخذ على الحيات: أن ينحجرن في بيوتهن!
قلت: وهذا إسناد ضعيف، لانقطاعه في أعلاه، وفي أدناه على جهالة فيه وضعف.
أما الأول: فلأن عطاء الخراساني، قال الحافظ في ` التقريب `:
` صدوق، يهم كثيرا، ويرسل ويدلس، من الخامسة، مات سنة خمس وثلاثين `.
يعني ومائة، فهو تابعي صغير.
وأما الآخر، فظاهر من قول أبي نعيم: ` حدثت عن أبي طالب ` فلم يذكر الذي
حدثه، وأبو طالب هذا هو ابن سوادة كما في إسناد آخر قبل هذا، ولم أعرفه.
وبقية الرجال ثقات غير سهل بن هشام، فلم أعرفه أيضا. لكن الظاهر أن فيه خطأ
مطبعيا، والصواب سهل بن هاشم وهو الواسطي البيروتي، فقد ذكروا في ترجمته
أنه روى عن إبراهيم بن أدهم، وهو ثقة. والله أعلم.
‌‌




১৪৩০। মহিলাদের পক্ষ থেকে সালাম নেই এবং তাদেরকেও সালাম দেয়ার বিধান নেই।





হাদীসটি মুনকার।





হাদীসটিকে আবু নুয়াইম “আলহিলইয়্যাহ” গ্রন্থে (৮/৫৮) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমাকে হাদীসটি আবু তালেব হতে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি আলী ইবনু উসমান নুফায়লী হতে, তিনি হিশাম ইবনু ইসমাইল আত্মার হতে, তিনি সাহল ইবনু হিশাম হতে, তিনি ইবরাহীম ইবনু আদহাম হতে, তিনি যুবায়দী হতে, তিনি আতা খুরাসানী হতে, তিনি হাদীসটিকে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। সনদের উপরভাগে বিচ্ছিন্নতার কারণে আর সনদের নিম্নভাগে অজ্ঞতা এবং দুর্বলতা থাকার কারণে।





১। আতা খোরাসানী সম্পর্কে হাফিয ইরনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেন তিনি সত্যবাদী বহু সন্দেহকারী। মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করতেন এবং তাদলীস করতেন। তিনি একশত পয়ত্রিশ হিজরীতে মারা যান। তিনি ছোট তাবেঈ ছিলেন।





২। আবূ নুয়াইমের বাহ্যিক কথা থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, কে তাকে বর্ণনা করে শুনিয়েছেন তিনি তাকে উল্লেখ করেননি। আর এ আবু তালেব হচ্ছেন ইবনু সাওয়াদাহ্ যেমনটি অন্য সনদের মধ্যে এসেছে। আমি তাকে চিনি না।





এছাড়া সাহল ইবনু হিশাম ছাড়া অন্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। কারণ সাহলকেও আমি চিনি না। তবে বাহ্যিকভাবে যা বুঝা যাচ্ছে তাতে মুদ্রণগত ভুল সংঘটিত হয়েছে। সঠিক হচ্ছে সাহল ইবনু হাশেম, তিনি হচ্ছেন ওয়াসেতী বায়রূতী। তার জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ইবরাহীম ইবনু আদহাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য। আল্লাহই বেশী জানেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1431)


` لذكر الله بالغداة والعشي، خير من حطم السيوف في سبيل الله `.
موضوع

أخرجه ابن عدي في ` الكامل ` (ق 124/2) والديلمي في ` مسند الفردوس ` من
طريق الحسن بن علي العدوي: حدثنا خراش: حدثنا مولاي أنس بن مالك قال:
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره. وقال ابن عدي:
` وخراش هذا مجهول، ليس بمعروف، وما أعلم حدث عنه ثقة أوصدوق، والعدوي
كنا نتهمه بوضع الحديث، وهو ظاهر الأمر في الكذب `.
وأورده السيوطي في ` زوائد الجامع الصغير ` و` الجامع الكبير ` من رواية
الديلمي، وكذلك أورده في ` ذيل الأحاديث الموضوعة ` (ص 49) ! ! وعزاه في `
الكبير ` لابن شاهين في ` الترغيب في الذكر ` عن ابن عمرو، وابن أبي شيبة عنه
موقوفا بزيادة ` ومن إعطاء المال سحا `.
‌‌




১৪৩১। সকাল এবং সন্ধ্যায় যিকর করা আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে) তরবারী ভাঙ্গার চেয়েও বেশী উত্তম।





হাদীসটি বানোয়াট।





হাদীসটিকে ইবনু আদী `আলকামেল` গ্রন্থে (কাফ ১/১২৪) ও দায়লামী `মুসনাদুল ফিরদাউস` গ্রন্থে হাসান ইবনু আলী আদাবী সূত্রে খাররাশ হতে, তিনি আনাস ইবনু মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





ইবনু আদী বলেনঃ এ খাররাশ মাজহুল, পরিচিত নন। তার থেকে নির্ভরযোগ্য অথবা সত্যবাদী কোন বর্ণনাকারী হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানি না। আর আদাবীকে আমরা হাদীস জাল করার দোষে দোষী করতাম। মিথ্যা বর্ণনা করার ব্যাপারে তার বিষয়টি স্পষ্ট ।





হাদিসটিকে সুয়ূতী `যাওয়াইলুল জামে'ইস সাগীর` গ্রন্থে এবং `জামেউল - কাবীর` গ্রন্থে দায়লামীর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে তিনি `যায়লু আহাদীসিল মাজমূয়াহ` গ্রন্থেও (পৃঃ ৪৯) উল্লেখ করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1432)


` ما احتلم نبي قط، إنما الاحتلام من الشيطان `.
باطل

أخرجه ابن عدي في ` الكامل ` (ق 127/2) من طريق سليمان بن عبد العزيز الزهري
: حدثني أبي عن إبراهيم بن أبي حبيبة عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم.
أورده في ترجمة داود هذا وقال:
` وهذا الحديث ليس البلاء [فيه] من داود، فإن داود صالح الحديث، إذا روى
عنه ثقة، والراوي عنه ابن أبي حبيبة قد مر ذكره في هذا الكتاب في ضعفاء
الرجال، فالبلاء منه `.
قلت: وسليمان بن عبد العزيز هذا لم أعرفه، ويحتمل أنه الذي في ` اللسان `:
` سليمان بن عبد العزيز، عن الحسن بن عمارة، وعنه عبد الله بن سويد أبو
الخصيب، جهله ابن القطان `.
قلت: وقد خالفه الثقة إبراهيم بن المنذر الحزامي فقال: حدثنا عبد العزيز بن أبي
ثابت عنه عن ابن عباس قال: فذكره موقوفا عليه.

أخرجه الطبراني في ` المعجم الكبير ` (3/126 - 127) و` الأوسط ` (ق 9/2 -
مجمع البحرين) وابن المظفر في ` الفوائد ` (ق 99/2) وقال الطبراني:
` لم يروه عن داود إلا ابن أبي حبيبة، ولا عنه إلا عبد العزيز `.
قلت: وهو شديد الضعف كما يشهد بذلك أقوال الحفاظ؛ المتقدمين منهم
والمتأخرين، فقال البخاري وأبو حاتم:
` منكر الحديث `. زاد الثاني: ` جدا `.
وقال الذهبي في ` الكاشف ` و` الضعفاء `:
` تركوه `.
وقال الحافظ:
` متروك `.
قلت: فهو آفة هذا الحديث سواء كان حدث به موقوفا كما في رواية الحزامي عنه،
أومرفوعا كما في رواية ابنه سليمان عنه، وليست الآقة من ابن أبي حبيبة كما
تقدم عن ابن عدي، لأن هذا أحسن حالا من عبد العزيز.
فالحديث ضعيف جدا موقوفا، وباطل مرفوعا، لتفرد سليمان المجهول برفعه
ومخالفته للحزامي الثقة في وقفه.
‌‌




১৪৩২। কোন নবীর কখনও স্বপ্নদোষ হয়নি। স্বপ্লদোষ শয়তানের পক্ষ থেকে ঘটে থাকে।





হাদীসটি বাতিল।





হাদীসটি ইবনু আদী `আলকামেল` গ্রন্থে (কাফ ২/১২৭) সুলায়মান ইবনু আব্দিল আযীয যুহরী সূত্রে তার পিতা হতে, তিনি ইবরাহীম ইবনু আবী হাবীবাহ হতে, তিনি দাউদ ইবনুল হুসায়ন হতে, তিনি ইকরিমাহ হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





তিনি হাদিসটিকে দাউদের জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এ হাদীসটির বিপদ দাউদ হতে ঘটেনি। কারণ দাউদ হাদীসের ক্ষেত্রে ভালো যদি তার থেকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করে তাহলে। এখানে তার থেকে বর্ণনাকারী হচ্ছেন ইবনু আবী হাবীবাহ। তাকে এ কিতাবে দুর্বল বর্ণনাকারী হিসেবে পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। অতএব সমস্যা তার থেকেই।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সুলায়মান ইবনু আব্দিল আযীযকে আমি চিনি না। সম্ভবত তিনি সেই যার কথা `অলিলিসান` গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছেঃ সুলায়মান ইবনু আব্দিল আযীয বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনু উমারাহ হতে আর তার থেকে আব্দুল্লাহ ইবনু সুওয়ায়েদ আবুল খুসায়েব হতে বর্ণনা করেছেন। তাকে (সুলায়মানকে) ইবনুল কাত্তান মাজহুল আখ্যা দিয়েছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ নির্ভরযোগ্য ইবরাহীম ইবনুল মুনযির হিযামী তার বিরোধিতা করে আব্দুল আযীয ইবনে আবী সাবেত হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ ...।





এ মওকুফটিকে ত্ববারানী `আলমুজামুল কাবীর` গ্রন্থে (৩/১২৬-১২৭) ও “আলআওসাত” গ্রন্থে (কাফ ৯/২-মাজমাউল বাহরাইন) ও ইবনুল মুযাফফার `আলফাওয়েদ` গ্রন্থে (কাফ ২/৯৯) বর্ণনা করেছেন। ত্ববারানী বলেনঃ হাদীসটিকে দাউদ হতে ইবনু আবী হাবীবাহ ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। আর তার থেকে আব্দুল আযীয ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি (আযীয) খুবই দুর্বল। যেমনটি পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী হাফিযগণের মন্তব্যগুলো এর সত্যতার সাক্ষ্য দিচ্ছে।





ইমাম বুখারী ও আবু হাতিম বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। তবে আবু হাতিম একটু বেশী বলেছেনঃ তিনি খুবই মুনকারুল হাদীস।





হাফিয যাহাবী `আলকাশেফ` এবং `আয-যুয়াফা` গ্রন্থে বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ তাকে ত্যাগ করেছেন।





হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি মাতরূক।





আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি মওকুফ হিসেবে বর্ণনা করা হোক যেমনটি হেযামী তার থেকে বর্ণনা করেছেন কিংবা মারফু হিসেবে বর্ণনা করা হোক যেমনটি তার ছেলে সুলায়মান তার থেকে বর্ণনা করেছেন, সর্বাবস্থায় তিনিই হাদীসটির সমস্যা। সমস্যা ইবনু আবী হাবীবাহ হতে নয় যেমনটি ইবনু আদী হতে বর্ণিত হয়েছে। কারণ ইবনু আবী হাবীবার অবস্থা আব্দুল আযীয হতে বেশী ভালো।





হাদীসটি মওকুফ হিসেবে খুবই দুর্বল। আর মারফূ’ হিসেবে বাতিল। অপরিচিত সুলায়মান মারফু' হিসেবে এককভাবে বর্ণনা করার কারণে আর নির্ভরযোগ্য হিযামী তার বিরোধিতা করে মওকুফ হিসেবে বর্ণনা করার কারণে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1433)


` إذا حج رجل بمال من غير حله فقال: لبيك اللهم لبيك، قال الله: لا لبيك
ولا سعديك، هذا مردود عليك `.
ضعيف
رواه ابن دوست في ` الفوائد العوالي ` (1/14/1) وابن عدي (130/1)
والديلمي في ` مسنده ` (1/1/161) وابن الجوزي في ` الواهية ` (2/75)
وكذا الأصبهاني في ` الترغيب ` (ق 107/1) عن أبي الغصت الدجين بن ثابت - من
بني يربوع - عن أسلم مولى عمر بن الخطاب مرفوعا.
قلت: وهذا سند ضعيف أبو الغصن هذا قال ابن عدي:
` مقدار ما يرويه ليس بمحفوظ `.
ثم روى عن عبد الرحمن بن مهدي أنه سئل عن دجين بن ثابت، قال يحيى: ليس بشيء،
والنسائي: غير ثقة `.
قلت: ونقل هذا المناوي في ` الفيض ` وأقره، وأما في ` التيسير ` فقد أفسده
بقوله:
` وإسناده ضعيف، لكن له شواهد `!
ولا أعلم له من الشواهد إلا حديث أبي هريرة مرفوعا بمعناه أتم منه. ولا يصلح
شاهدا لشدة ضعفه، فإن فيه سليمان بن داود اليمامي قال فيه البخاري:
` منكر الحديث `.
وقد تقدم من هذه الطريق برقم (1092) و (1091) من الطريق التي قبل هذه.
(تنبيه) : هذا الحديث في المصادر التي خرجته منها هو من مسند عمر، وكذلك هو
في ` الجامع الكبير ` للسيوطي، وكذا في بعض نسخ ` الجامع الصغير `. ووقع في
النسخة التي تحتها ` شرح المناوي ` (ابن عمر) وكذلك وقع في ` الفتح الكبير `
للنبهاني، ثم في ` ضعيف الجامع الصغير ` رقم (559) ، فليصححه من كان عنده
نسخة منه.
‌‌




১৪৩৩। যদি কোন ব্যক্তি তার অবৈধ সম্পদ দিয়ে হাজ্জ্ব করতে গিয়ে বলে: ‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা (আমি তোমার দরবারে উপস্থিত হে আল্লাহ আমি উপস্থিত) তাহলে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ লা লাব্বাইকা অলা সাদায়কা [(তুমি) উপস্থিত নও এবং তুমি সৌভাগ্যবান (সাহায্যপ্রাপ্তও) নও)]। এটি তোমার উপর প্রত্যাখ্যাত।





হাদীসটি দুর্বল।





হাদীসটিকে ইবনু দোস্ত `আলফাওয়েদুল আওয়ালী` গ্রন্থে (১/১৪/১), ইবনু আদী (১/১৩০), দায়লামী তার “মুসনাদ’ গ্রন্থে (১/১/১৬১), ইবনুল জাওযী `আলওয়াহিয়াহ` গ্রন্থে (২/৭৫) অনুরূপভাবে আসবাহানী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (কাফ ১/১০৭) বানু ইয়ারবু' এর আবুল গুসন দাজীন ইবনে সাবেত হতে, তিনি উমার এর দাস আসলাম হতে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। এ আবুল গুসন সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি যা বর্ণনা করেছেন তা নিরাপদ নয়।





ইবনুল জাওযী বলেনঃ এ হাদীসটি সহীহ নয়। এর সনদে দাজীন ইবনু সাবেত রয়েছেন তার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বলেনঃ তিনি কিছুই না। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ মানবী এটাকে `আলফায়েয` গ্রন্থে উল্লেখ করে সমর্থন করেছেন। কিন্তু তিনি `আততায়সীর` গ্রন্থে নিম্নোক্ত মন্তব্যের দ্বারা পূর্বোক্ত সমর্থনকে নষ্ট করে ফেলেছেনঃ





এর সনদটি দুর্বল কিন্তু শাহেদ রয়েছে।





অথচ আমি তার কোন শাহেদ সম্পর্কে অবগত নই একমাত্র আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণিত অনুরূপ ভাবার্থের হাদীস ছাড়া। যেটি বেশী দুর্বল হওয়ার কারণে শাহেদ হওয়ার যোগ্য নয়। কারণ তার সনদের মধ্যে সুলায়মান ইবনু দাউদ ইয়ামানী রয়েছেন যার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1434)


` إذا حج الرجل عن والديه تقبل منه ومنهما، واستبشرت أرواحهما في السماء،
وكتب عنه الله برا `.
ضعيف

أخرجه الدارقطني في ` السنن ` (272) وابن شاهين في ` الترغيب ` (299/1)
وأبو بكر الأزدي الموصلي في ` حديثه ` (1 - 2) عن أبي أمية الطرسوسي: حدثنا
أبو خالد الأموي: نا أبو سعد البقال عن عطاء بن أبي رباح عن زيد بن أرقم
قال: قال
رسول الله صلى الله عليه وسلم.
قلت: وهذا سند ضعيف: أبو سعد البقال - هو سعيد بن مرزبان - ضعيف مدلس كما في
` التقريب `.
وأبو خالد الأموي لم أعرفه. وذكر المناوي أنه أبو خالد الأحمر. وفيه بعد
وأبو أمية الطرسوسي، واسمه محمد بن إبراهيم بن مسلم. قال الحافظ:
` صدوق صاحب حديث يهم `.
وقد توبع أبو سعد البقال من قبل عيسى بن عمر: حدثنا عطاء بن أبي رباح به
ولفظه:
` من حج عن أبو يه، ولم يحجا، أجزأ عنهما وعنه، وبشرت أرواحهما في السماء
… `.

أخرجه الثقفي في ` الثقفيات ` (ج4 رقم الحديث 34 - نسختي) : حدثنا أبو الفرج
عثمان بن أحمد بن إسحاق: نا محمد بن عمر بن حفص: حدثنا إسحاق بن إبراهيم -
شاذان - حدثنا سعد بن الصلت: حدثنا عيسى بن عمر به.
قلت: وهذه متابعة قوية، فإن عيسى هذا - وهو الأسدي الهمداني - ثقة، كما في
` التقريب `، لكن الطريق إليه مظلم، فإن أبا الفرج هذا وشيخه محمد بن عمر بن
حفص لم أجد من ترجمهما.
وسعد بن الصلت ترجمه ابن أبي حاتم (2/1/86) برواية ثلاثة عنه، أحدهم شاذان
هذا، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا.
قلت: وهو على شرط ابن حبان فلعله ذكره في ` الثقات `.
وأما شاذان، فترجمه ابن أبي حاتم (1/1/211) ، وذكر أنه ابن ابنة شيخه سعيد
ابن الصلت وقال:
` كتب إلى أبي، وإلي، وهو صدوق `.
وبالجملة، فالحديث ضعيف من الطريقين، وقوله في الآخر منهما: ` ولم يحجا `
. منكر، لأن ظاهره أنه يسقط الحج عنهما بحج ولدهما، ولوكانا قادرين عليه،
وأما إن كان المقصود به إذا كانا غير قادرين فلا نكارة فيه، لحديث الخثعمية
المعروف
في ` الصحيحين ` وغيرهما `. والله أعلم.
هذا ما كنت كتبته منذ نحوعشر سنين أوأكثر، وقبل طبع كتاب ` الثقات ` لابن
حبان رحمه الله، فلما مرت تجربة هذا الحديث تحت يد الأخ علي الحلبي لتصحيح
أخطائها المطبعية كتب بجانبه مذكرا - جزاه الله خيرا - ما خلاصته:
1 - أن سعد بن الصلت ذكره ابن حبان في ` الثقات ` (6/378) ، فصدق بذلك ما كنت
ظننته.
2 - أن أبا الفرج عثمان بن أحمد وشيخه محمد بن عمر قد وثقهما السمعاني في `
الأنساب `، ذكر الأول منهما في مادة (البرجي) ، والآخر في مادة (الجرجيري
) ، وأن الذهبي ذكرهما عرضا في ` تذكرة الحفاظ ` واصفا لكل منهما بأنه ` مسند
أصبهان `.
قلت: فعلى هذا فالطريق إلى عيسى بن عمر نظيف، إن سلم من سعد بن الصلت، فإن
فيه جهالة كما يشعر به صنيع ابن أبي حاتم المتقدم، وبخاصة أن ابن حبان قد قال
فيه: ` ربما أغرب `. والله أعلم.
وقد روي الحديث عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا نحوه، ولا يصح أيضا، وهو:
‌‌




১৪৩৪। যখন কোন ব্যক্তি তার পিতা-মাতার পক্ষ থেকে হাজ করে তখন তার এবং তার পিতা-মাতার পক্ষ থেকেও কবুল করা হয়, তাদের দু'জনের আত্মা আসমানে সুসংবাদ গ্রহণ করে এবং তাকে আল্লাহর নিকট সৎ (সন্তান) হিসেবে লিখা হয়।





হাদীসটি দুর্বল।





হাদীসটি দুর্বল। হাদীসটিকে দারাকুতনী “আসসুনান” গ্রন্থে (২৭২), ইবনু শাহীন “আত-তারগীব” গ্রন্থে (১/২৯৯) ও আবু বাকর আযদী মূসেলী তার “হাদীস” গ্রন্থে (১-২) আবু উমাইয়্যাহ্ তুরসূসী হতে, তিনি আবু খালেদ উমাবী হতে, তিনি আবু সা'দ বাক্কাল হতে, তিনি আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে, তিনি যায়েদ ইবনু আরকাম সূত্র হতে তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। আবু সা'দ বাক্কাল হচ্ছেন সাঈদ ইবনু মিরযাবান, তিনি দুর্বল মুদাল্লিস যেমনটি “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে। আর আবু খালেদ উমাবীকে আমি চিনি না। মানবী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হচ্ছেন আবু খালেদ আলআহমার। এটি দূরবর্তী কথা। আর আবু উমাইয়্যাহ ত্বরসূরীর নাম হচ্ছে মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনে মুসলিম। হাফিয ইবনু হাজার তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, হাদীসের অধিকারী, সন্দেহকারী।





আবু সা’দ আলবাক্কালের মুতাবা'য়াত করা হয়েছে ঈসা ইবনু উমারের পক্ষ থেকে, তিনি আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে বর্ণনা করেছেন ... তার ভাষাটি নিম্নরূপঃ





`যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতার পক্ষ থেকে হাজ্জ করবে এমতাবস্থায় যে, তারা দু'জন হাজ্জ করেনি, এ হাজ্জ তাদের দু'জনের পক্ষ থেকে এবং তার (হাজ্জকারীর) পক্ষ থেকে যথেষ্ট হয়ে যাবে এবং তাদের দু'জনের আত্মাকে আসমানে সুসংবাদ দেয়া হবে ...।`





এ হাদীসটিকে সাকাফী “আততাসকীফাত” গ্রন্থে (খণ্ড ৪ নং ৩৪) আবুল ফারাজ উসমান ইবনু আহমাদ ইবনে ইসহাক হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু উমার ইবনে হাফস হতে, তিনি ইসহাক ইবনু ইবরাহীম শাযান হতে, তিনি সা'দ ইবনুস সলত হতে, তিনি ঈসা ইবনু উমার হতে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ মুতাবা'য়াতটি শক্তিশালী নয়। কারণ ঈসা হচ্ছেন আসাদী হামদানী, তিনি নির্ভরযোগ্য যেমনটি “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে। কিন্তু তার নিকট পর্যন্ত সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। কারণ এ আবুল ফারাজ ও তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু উমার ইবনে হাফস এর জীবনী কে আলোচনা করেছেন পাচ্ছি না।





উভয় সূত্রে হাদীসটি দুর্বল। দ্বিতীয় সূত্রের মধ্যে যে বলা হয়েছে 'এমতাবস্থায় যে, তারা দু'জন হাজ্জ করেননি' এটা মুনকার। কারণ এ থেকে বুঝা যায় যে, তাদের দু'জন থেকে হাজ্জ রহিত হয়ে যাবে ছেলে কর্তৃক হাজ্জ করার কারণে যদিও তারা দু'জন হাজ্জ করতে সমর্থবান হয়। তবে যদি তারা হাজ্জ করতে সমর্থবান না হয় এরূপ বুঝানো হয় তাহলে মুনকার নয়। বুখারী ও মুসলিমসহ অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে খস'য়ামিয়াহ কর্তৃক বর্ণিত প্রসিদ্ধ হাদীসের কারণে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1435)


` من حج عن والديه، أوقضى عنهما مغرما بعثه الله يوم القيامة مع الأبرار `.
ضعيف جدا

أخرجه ابن شاهين في ` الترغيب ` (99/2) والطبراني في ` الأوسط ` (رقم - 7964) والدارقطني (272) وابن عدي في ` الكامل ` (202/2) وأبو بكر
الأزدي في ` حديثه ` (3/2) والأصبهاني في ` الترغيب ` (ق 58/2 و285/2) عن
صلة بن سليمان عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس قال: قال رسول الله
صلى الله عليه وسلم.
وهذا إسناد ضعيف جدا، صلة بن سليمان هذا قال الذهبي في ` الضعفاء والمتروكين `:
` تركوه `.
وذكر له في ` الميزان ` من مناكيره حديثين، هذا أحدهما. وأقره الحافظ في
` اللسان ` ونقل عن ابن معين وأبي داود أنهما قالا فيه: ` كذاب ` وقد ذكر
الطبراني أنه:
` لم يروه عن ابن جريج إلا صلة ` هذا.
وفي ترجمته أورده ابن حبان في ` الضعفاء ` (1/376) وقال فيه:
` يروي عن الثقات المقلوبات، وعن الأثبات ما لا يشبه حديث الثقات `.
‌‌




১৪৩৫। যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতার পক্ষ থেকে হাজ্জ করবে অথবা - তাদের দু'জনের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করবে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে কিয়ামতের দিন নেককারদের সাথে উঠবেন।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





হাদীসটিকে ইবনু শাহীন “আত-তারগীব” গ্রন্থে (২/৯৯), ত্ববারানী “আলআওসাত” গ্রন্থে (নং ৭৯৬৪), দারাকুতনী (২৭২), ইবনু আদী `আলকামেল` গ্রন্থে (২/২০২), আবু বাকর আযদী তার “হাদীস” গ্রন্থে (২/৩) ও আসবাহানী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (কাফ ২/৫৮, ২/২৮৫) সিলাতু ইবনু সুলায়মান হতে, তিনি ইবনু জুরায়েজ হতে, তিনি আতা হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





এ সনদটি খুবই দুর্বল। এ সিলাতু ইবনু সুলায়মান সম্পর্কে হাফিয যাহাবী “আয-যুয়াফা অলমাতরূকীন` গ্রন্থে বলেনঃ তাকে মুহাদ্দিসগণ ত্যাগ করেছেন।





আর তিনি তার “আল-মীযান” গ্রন্থে তার দুটি মুনকার হাদীস উল্লেখ করেছেন। এটি সে দুটির একটি। হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে তার বক্তব্যকে সমর্থন করে ইবনু মাঈন এবং আবু দাউদ হতে বর্ণনা করেছেন যে, তারা দু’জন তার সম্পর্কে বলেছেনঃ তিনি মিথ্যুক। ত্ববারানী উল্লেখ করেছেন যে, ইবনু জুরায়েজ হতে সিলাতু ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।





তার জীবনীতেই ইবনু হিব্বান হাদীসটিকে “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (১/৩৭৬) উল্লেখ করে তার সম্পর্কে বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে উল্টাপাল্টাকৃত হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যেগুলো তাদের হাদীসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1436)


` إذا قدم أحدكم من سفر فليهد إلى أهله، وليطرفهم ولوكانت حجارة `.
ضعيف جدا

أخرجه الدارقطني في ` السنن ` (289) وعنه ابن الجوزي في ` الواهيات ` (2/97
) من طريق محمد بن المنذر بن عبيد الله بن المنذر بن الزبير عن هشام بن عروة عن
أبيه عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فذكره. وقال ابن
الجوزي:
` لا يصح `.
قلت: وهذا إسناد هالك، رجاله ثقات غير ابن المنذر هذا قال ابن حبان:
` لا يحل كتب حديثه إلا على سبيل الاعتبار `.
وقال الحاكم:
` يروي عن هشام أحاديث موضوعة `.
وقال أبو نعيم:
` يروي عن هشام أحاديث منكرة `.
وله شاهد من حديث وحشي بن حرب بن وحشي عن أبيه عن جده مرفوعا بلفظ:
` … فليطرف أهله، ولم أن يلقي حجرا في مخلاته `.

أخرجه أبو القاسم بن أبي العقب في ` حديث القاسم بن الأشيب ` (ق 7/1) : حدثنا
إبراهيم بن أحمد اليماني قال: حدثني محمد بن زياد عن يحيى بن بسطام الأصفر:
حدثنا سعيد بن عبد الجبار الزبيدي: حدثني وحشي بن حرب …
قلت: وهذا إسناد مظلم هالك، ليس فيهم موثق من معتبر، حرب بن وحشي، مستور.
وابنه وحشي بن حرب مجهول.
وسعيد بن عبد الجبار ضعيف.
ويحيى بن بسطام مختلف فيه، قال أبو حاتم ` صدوق `، وقال ابن حبان: ` لا
تحل الرواية عنه `. ولذلك أورده الذهبي في ` الضعفاء والمتروكين `.
ومحمد بن زياد لم أعرفه، ويحتمل أن يكون زياد تحرف في الأصل أوفي نقلي عنه
- عن ` زكريا `، وهو محمد بن زكريا الغلابي، فقد ذكر العقيلي في ` الضعفاء `
(459) أنه روى عن يحيى هذا، فإن يكن هو فهو وضاع.
وإبراهيم بن أحمد اليماني، لم أعرفه أيضا.
وله شاهد آخر من حديث ابن عمر، ولكن في إسناده كذاب أيضا، وهو:
` إذا قدم أحدكم من سفر فلا يدخل ليلا، وليضع في خرجه ولوحجرا `.
‌‌




১৪৩৬। তোমাদের কেউ যখন সফর হতে ফিরে আসবে তখন সে যেন তার পরিবারের নিকট হাদিয়্যাহ্ প্রদান করে এবং তাদের উপটৌকন হিসেবে নতুন কিছু প্ৰদান করে যদিও সেটা পাথর হয়।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





হাদীসটি দারাকুতনী `আসসুনান` গ্রন্থে (২৮৯) এবং তার উদ্ধৃতিতে ইবনুল জাওযী “আলওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (২/৯৭) মুহাম্মাদ ইবনুল মুনযির ইবনে ওবায়দিল্লাহ ইবনিল মুনযির ইবনিয যুবায়ের সূত্রে হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ইবনুল মুনযির ব্যতীত সনদটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ইবনু হিব্বান তার সম্পর্কে বলেনঃ শিক্ষা গ্রহণ করার উদ্দেশ্য ছাড়া তার হাদীস লিখা বৈধ নয়।





হাকিম বলেনঃ তিনি হিশাম হতে বানোয়াট হাদীস বর্ণনাকারী।





আবু নুয়াইম বলেনঃ তিনি হিশাম হতে কতিপয় মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।





ওয়াহশী ইবনু হারব ইবনে ওয়াহশীর হাদীস হতে তার একটি শাহেদ রয়েছে, তিনি তার পিতা হতে তিনি তার দাদা হতে মারফু হিসেবে নিম্নের বাক্যে বর্ণনা করেছেনঃ





`... সে যেন তার পরিবারকে উপঢৌকন হিসেবে নতুন কিছু প্রদান করে, যদিও তার থলিতে একটি পাথর রেখে দেয়ার দ্বারা হয়।`





এটিকে আবুল কাসেম ইবনু আবিল আকাব “হাদীসুল কাসেম ইবনুল আশইয়াব” গ্রন্থে (কাফ ১/৭) ইবরাহীম ইবনু আহমাদ ইয়ামনী হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ হতে, তিনি ইয়াহইয়া বুসতাম আসফার হতে, তিনি সাঈদ ইবনু আব্দিল জাব্বার যুবায়দী হতে, তিনি ওয়াহশী ইবনু হারব হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন ধ্বংসপ্রাপ্ত। বর্ণনাকারীদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য কেউ নেই। হারব ইবনু ওয়াহশীর অবস্থা অস্পষ্ট।





তার ছেলে ওয়াহশী ইবনু হারব মাজহুল (অপরিচিত)। আর সাঈদ ইবনু আব্দিল জাব্বার দুর্বল।





ইয়াহইয়া ইবনু বুসতাম বিতর্কিত। আবু হাতিম বলেনঃ তিনি সত্যবাদী। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তার থেকে বর্ণনা করাই বৈধ নয়। এ কারণে হাফিয যাহাবী তাকে `আযযুয়াফা অলমাতরূকীন` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।





মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদকে আমি চিনি না। হতে পারে তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদ ইবনু যাকারিয়া গালাবী। যিয়াদ ভুলবশত লিখা হয়েছে। ওকায়লী `আযযুয়াফা` গ্রন্থে (৪৫৯) উল্লেখ করেছেন যে, তিনি উক্ত ইয়াহইয়া হতে বর্ণনা করেছেন। যদি ইনিই হন তাহলে তিনি জালকারী।





আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস হতে তার একটি শাহেদ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু সেটির সনদেও মিথ্যুক বর্ণনাকারী রয়েছে। সেটি হচ্ছেঃ (দেখুন পরেরটি)











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1437)


` إذا قدم أحدكم من سفر فلا يدخل ليلا، وليضع في خرجه ولوحجرا `.
موضوع
رواه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (1/120 و2/338) ومن طريقه الديلمي في `
مسند الفردوس ` (1/1/74) عن أبي الحسن أحمد بن إسحاق المديني: حدثنا الهيثم
ابن بشر بن حماد: حدثنا أبو صالح إسحاق بن نجيح عن الوضين بن عطاء عن مكحول عن
ابن عمر مرفوعا.
قلت: وهذا موضوع، آفته إسحاق هذا وهو الملطي كذاب وضاع.
وقد تابعه غياث بن إبراهيم التميمي، لكنه قال:
` عن الوضين عن محفوظ بن علقمة عن أبي الدرداء رفعه بلفظ:
(.. فليقدم معه بهدية، ولويلقي في مخلاته حجرا) `.

أخرجه ابن عساكر في ` تاريخ دمشق ` 0 15/94/2) .
وغياث وضاع أيضا.
ومن دون إسحاق ترجمهما أبو نعيم، ولم يذكر فيهما توثيقا.
قلت: لكن الشطر الأول منه ثبت في الصحيحين من حديث جابر نحوه.
‌‌




১৪৩৭। যখন তোমাদের কেউ সফর হতে ফিরে আসবে তখন সে, রাতে (গৃহে) প্রবেশ করবে না আর সে যেন তার থলিতে কিছু রেখে দেয় যদিও তা পাথর হয়।





হাদীসটি বানোয়াট।





হাদীসটি আবু নুয়াইম `আখবারু আসবাহান` গ্রন্থে (১/১২০, ২/৩৩৮) এবং দায়লামী তার সূত্রে “মুসনাদুল ফিরদাউস” গ্রন্থে (১/১/৭৪) আবুল হাসান আহমাদ ইবনু ইসহাক মাদিনী হতে, তিনি হায়সাম ইবনু বিশর ইবনে হাম্মাদ হতে, তিনি আবূ সালেহ ইসহাক ইবনে নাজীহ হতে, তিনি অযীন ইবনু আতা হতে, তিনি মাককূল হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে ইসহাক। তিনি হচ্ছেন মালাতী মিথ্যুক এবং জালকারী।





গিয়াস ইবনু ইবরাহীম তামীমী তার মুতাবায়াত করেছেন। এ মুতাবা'য়াতটিকে ইবনু আসাকির “তারীখু দামেস্ক” গ্রন্থে (১৫/৯৪/২) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ গিয়াসও জালকারী।





আর ইসহাকের নিম্নের দু’জন বর্ণনাকারীর জীবনী আবু নুয়াইম উল্লেখ করলেও তিনি তাদেরকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেননি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ কিন্তু হাদীসটির প্রথম বাক্যের ভাবার্থের ন্যায় হাদীস বুখারী এবং মুসলিমের মধ্যে জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে সাব্যস্ত হয়েছে। অর্থাৎ রাতের বেলা সফর হতে ফিরে আসলে পরিবারের নিকট যাতে প্রবেশ না করে যে পর্যন্ত সে নিজেকে প্রস্তুত না করে তুলবে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1438)


` ما من يوم إلا ينزل مثاقيل من بركات الجنة في الفرات `.
ضعيف جدا

أخرجه ابن عدي في ` الكامل ` (132/2) عن الربيع بن بدر عن الأعمش عن أبي وائل
عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم، وقال:
` لا أعرفه إلا من حديث الربيع بن بدر `.
قلت: وهو ضعيف جدا، قال ابن عدي في آخر ترجمته:
` وعامة حديثه مما لا يتابعه أحد عليه `.
وقال الذهبي في ` الضعفاء والمتروكين `:
` تركه الدارقطني وغيره `.
وقال الحافظ في ` التقريب `:
` متروك `.
وبه أعله في ` الفيض ` وزاد:
` قال ابن الجوزي: حديث لا يصح، فيه الربيع، يروي عن الثقات المقلوبات،
وعن الضعفاء الموضوعات `.
والحديث عزاه السيوطي في ` الجامع ` لابن مردويه عن ابن مسعود، ففاته هذا
المصدر العالي!
ومن أحاديث هذا الهالك:
‌‌




১৪৩৮। এমন কোন দিন নেই যে দিনে ফুরাত নদীতে বহু পরিমাণে জান্নাতের বরকত অবতরণ না করে।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





এটিকে ইবনু আদী `আলকামেল` গ্রন্থে (২/১৩২) রাবী' ইবনু বাদর হতে, তিনি আ’মাশ হতে, তিনি আবূ ওয়েল হতে, তিনি আব্দুল্লাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন ...।





ইবনু আদী বলেনঃ হাদীসটিকে একমাত্র রাবী' ইবনু বাদর এর হাদীস হতে চিনি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি খুবই দুর্বল। ইবনু আদী তার জীবনীর শেষে বলেনঃ তার অধিকাংশ হাদীসের কেউ মুতাবা'য়াত করেনি। হাফিয যাহাবী `আযযুয়াফা অল মাতরূকীন` গ্রন্থে বলেনঃ তাকে দারাকুতনী প্রমুখ ত্যাগ করেছেন।





হাফিয ইবনু হাজার “আততাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাতরূক।





ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়। এর মধ্যে বর্ণনাকারী রাবী' রয়েছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতিতে উলটপাললটকৃত হাদিস আর দুর্বলদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট হাদীস বর্ণনাকারী।





হাদিসটিকে সুয়ূতী `আলজামে` গ্রন্থে ইবনু মারদীবিয়ার উদ্ধৃতিতে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার নিকট থেকে উপরের উদ্ধৃতি ছুটে গেছে। এ ধ্বংসাত্মক বর্ণনাকারীর আরেকটি হাদীসঃ (দেখুন পরেরটি)











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1439)


` إن الله لا يهتك ستر عبد فيه مثقال ذرة من خير `.
ضعيف جدا

أخرجه ابن عدي (132/2) عن الربيع بن بدر: حدثنا أيوب عن أبي قلابة عن أنس
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره.
وهذا إسناد ضعيف جدا، آفته الربيع هذا، وقد عرفت حاله آنفا.
ومنها:
` الصيام جنة ما لم يخرقها بكذب أوغيبة `.
‌‌




১৪৩৯। আল্লাহ্ তা'আলা সেই বান্দার গোপনীয়তাকে প্রকাশ করে বেইজ্জতী করবেন না যার মধ্যে সামান্যতম কল্যাণ রয়েছে।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





হাদীসটিকে ইবনু আদী (২/১২৩) রাবী' ইবনু বাদর হতে, তিনি আইউব হতে, তিনি আবূ কিলাবাহ হতে, তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।





এ সনদটি খুবই দুর্বল। এর সমস্যা হচ্ছে এ রাবী' আর তার অবস্থা সম্পর্কে একটু পূর্বে অবগত হয়েছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (1440)


` الصيام جنة ما لم يخرقها بكذب أوغيبة `.
ضعيف جدا

أخرجه ابن عدي والطبراني في ` الأوسط ` (رقم 4673) من طريق الربيع بن بدر عن
يونس بن عبيد عن الحسن عن أبي هريرة مرفوعا. وقالا:
` لم يروه عن يونس إلا الربيع `.
قلت: وهو ضعيف جدا، كما بينته آنفا.
‌‌




১৪৪০। সওম হচ্ছে ঢাল স্বরূপ যে পর্যন্ত তাকে মিথ্যা এবং গীবাতের দ্বারা ছিন্ন করা না হবে।





হাদীসটি খুবই দুর্বল।





হাদীসটিকে ইবনু আদী ও ত্ববারানী “আলআওসাত” গ্রন্থে (৪৬৭৩) রাবী' ইবনু বাদর সূত্রে ইউনুস ইবনু ওবায়েদ হতে, তিনি হাসান হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





তারা দু’জন বলেছেনঃ ইউনুস হতে রাবী ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি খুবই দুর্বল যেমনটি একটু পূর্বে বর্ণনা করেছি।