সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ
` من مثل بالشعر فليس له عند الله خلاق `.
ضعيف.
أخرجه الطبراني (3 / 105 / 1) حدثنا حجاج بن نصير، أخبرنا محمد بن مسلم، عن إبراهيم بن ميسرة، عن طاووس، عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد ضعيف من أجل حجاج هذا، قال الحافظ في ` التقريب `: ضعيف، كان يقبل التلقين.
والحديث قال في ` المجمع ` (8 / 121) :
رواه الطبراني وفيه حجاج بن نصير، وقد ضعفه الجمهور، ووثقه ابن حبان وقال: يخطيء، وبقية رجاله ثقات.
৪২১। যে ব্যক্তি কবিতা দ্বারা উদাহরণ দিবে, তার জন্য আল্লাহর নিকট কোন অংশই থাকবে না।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি তাবারানী (৩/১০৫/১) হাজ্জাজ ইবনু নুসায়ের হতে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাজ্জাজের কারণে সনদটি দুর্বল। তার সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি দুর্বল। তিনি বিশুদ্ধকরণ ইঙ্গিত গ্রহণ করতেন।
হায়সামী “আল-মাজমা` গ্রন্থে (৮/২১২) বলেনঃ হাদীসটি তাবারানী বর্ণনা করেছেন, যাতে হাজ্জাজ ইবনু নুসায়ের রয়েছেন। তাকে জামহুর দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ তিনি ভুল করতেন। তিনি ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরশীল।
` من عمل بما يعلم، ورثه الله علم ما لم يعلم `.
موضوع.
أخرجه أبو نعيم (10 / 14 - 15) من طريق أحمد بن حنبل عن يزيد بن هارون، عن حميد الطويل، عن أنس مرفوعا، ثم قال: ذكر أحمد بن حنبل هذا الكلام عن بعض التابعين، عن عيسى بن مريم عليه السلام، فوهم بعض الرواة أنه ذكره عن النبي صلى الله عليه وسلم فوضع هذا الإسناد عليه لسهو لته وقربه، وهذا الحديث لا يحتمل بهذا الإسناد عن أحمد بن حنبل.
قلت: وفي الطريق إليه جماعة لم أعرفهم فلا أدري من وضعه منهم.
৪২২। যে ব্যক্তি কিছু জেনে সে মাফিক আমল করল, আল্লাহ তাকে অধিকারী বানাবেন সেই জ্ঞানের যে জ্ঞান সে লাভ করেনি।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু নুয়াইম (১০/১৪-১৫) আহমাদ ইবনু হাম্বাল সূত্রে ইয়াযীদ ইবনু হারূণ হতে, তিনি হুমায়েদ আত-তাবীল হতে ... বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ইবনু হাম্বাল এ কথাটি কোন তাবেঈর সূত্রে ঈসা ইবনু মারইয়াম হতে উল্লেখ করেছেন। কোন এক বর্ণনাকারী সন্দেহ বশত সেটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করে দিয়েছেন, এ সনদটি তার উপর তৈরি করার মাধ্যমে। এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ হতে এ সনদের মাধ্যমে হওয়ার সম্ভবনা নেই।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার নিকট পর্যন্ত পৌঁছতে একদল বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদেরকে আমি চিনি না। জানিনা তাদের মধ্য হতে কে এটি জাল করেছেন।
` من السنة أن لا يصلي الرجل بالتيمم إلا صلاة واحدة، ثم يتيمم للصلاة الأخرى `.
موضوع.
أخرجه الطبراني (3 / 107 / 2) من طريق الحسن بن عمارة، عن الحكم بن عيينة، عن مجاهد، عن ابن عباس قال … فذكره، وكذلك أخرجه الدارقطني (ص 68) ومن طريقه البيهقي (1 / 331 - 332) وقال الدارقطني:
والحسن بن عمارة ضعيف.
قلت: بل هو شر من ذلك، فقد قال فيه شعبة: يكذب، وقال ابن المديني: كان يضع الحديث، وقال أحمد: أحاديثه موضوعة، وقال شعبة أيضا: روى أحاديث عن الحكم، فسألنا الحكم عنها؟ فقال: ما سمعت منها شيئا.
وقول الصحابي: من السنة كذا في حكم المرفوع عند العلماء، ولهذا أوردته، وقد رواه البيهقي (1 / 222) عن الحسن بن عمارة بإسناده السابق عن ابن عباس مرفوعا بلفظ:
` لا يصلى بالتيمم إلا صلاة واحدة ` وقال:
والحسن بن عمارة لا يحتج به. قلت: فلا يصح إذن عن ابن عباس مرفوعا ولا موقوفا، بل قد روى عنه خلافه، كما ذكره ابن حزم في ` المحلى ` (2 / 132) يعني أن المتيمم يصلي بتيممه ما شاء من الصلوات الفروض والنوافل، ما لم ينتقض تيممه بحدث أو بوجود الماء، وهذا هو الحق في هذه المسألة كما قرره ابن حزم، وانظر ` الروضة الندية ` (1 / 59) .
৪২৩। ব্যক্তি কর্তৃক তার তায়াম্মুম দ্বারা শুধুমাত্র এক (ওয়াক্ত) সালাত আদায় করা সুন্নত। অতঃপর দ্বিতীয় (ওয়াক্ত) সালাতের জন্য পুনরায় তায়াম্মুম করবে।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী (৩/১০৭/২) হাসান ইবনু আম্মারা সূত্রে হাকাম ইবনু উতায়বা হতে ... বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে দারাকুতনী (পৃ. ৬৮) এবং বাইহাকী তার সূত্রে (১/৩৩১-৩৩২) বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনী বলেনঃ হাসান ইবনু আম্মারা দুর্বল।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি তার চাইতেও মন্দ। তার সম্পর্কে শুবা বলেনঃ তিনি মিথ্যা বলতেন। ইবনুল মাদীনী বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। আহমাদ বলেনঃ তার হাদীসগুলো বানোয়াট।
শু'বা আরো বলেনঃ তিনি কতিপয় হাদীস হাকাম হতে বর্ণনা করেছেন। আমরা হাকামকে সেই হাদীসগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ আমি এসবের কিছুই শুনিনি।
সাহাবীর পক্ষ হতে যদি বলা হয়ঃ সুন্নাতের মধ্যে এরূপ আছে..., তাহলে তা আলেমদের নিকট মারফুর হুকুমে। এ জন্যই হাদীসটি এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাইহাকী হাদীসটি (১/২২২) হাসান ইবনু আম্মারা সূত্রে ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে এ ভাষায় বর্ণনা করেছেনঃ `কেউ তায়াম্মুম দ্বারা এক সালাতের বেশী আদায় করবে না।`
যেহেতু সনদ একই অতএব ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ এবং মারফু হিসাবে কোনটিই সঠিক নয়। হাদীসটি জাল (বানোয়াট)।
ইবনু হাযম “আল-মুহাল্লা” গ্রন্থে (২/১৩২) ইবনু আব্বাস হতে এর বিপরীত কথা বর্ণনা করেছেন। তায়াম্মুমকারী এক তায়াম্মুম দ্বারা ইচ্ছা মাফিক ফরয-নফল যত ওয়াক্ত পড়া সম্ভব তা পড়তে পারবে। যতক্ষণ পর্যন্ত তার তায়াম্মুম নষ্টকারী বস্তু দ্বারা অথবা পানি পাওয়ার দ্বারা নষ্ট না হবে। এ মাসআলাতে এটিই সঠিক; দেখুন `রাওযাতুন নাদিয়া` (১/১৫৯)।
` لا بأس أن يقلب الرجل الجارية إذا أراد أن يشتريها، وينظر إليها ما خلا عورتها، وعورتها ما بين ركبتيها إلى معقد إزارها `.
موضوع.
أخرجه الطبراني في ` المعجم الكبير ` (ج 3 ق 97 / 2) من طريق حفص بن عمر الكندي، حدثنا صالح بن حسان، عن محمد بن كعب القرظي عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا موضوع حفص بن عمر، هو قاضي حلب، قال ابن حبان: يروي عن الثقات الموضوعات لا يحل الاحتجاج به، وصالح بن حسان، متفق على تضعيفه، بل قال ابن حبان (1 / 367 - 368) : كان صاحب قينات وسماع (!) وكان ممن يروي الموضوعات عن الأثبات وأما قول الهيثمي في ` المجمع ` (2 / 53) :
رواه الطبراني في ` الكبير `، وفيه صالح بن حسان وهو ضعيف، وذكره ابن حبان في الثقات.
قلت: وفيه مؤاخذتان:
الأولى: تعصيب الجناية بصالح هذا وحده مع أن الراوي عنه مثله في الضعف أو أشد ليس من العدل في شيء.
الأخرى: أن صالحا لم يذكره ابن حبان في ` الثقات `، وإنما ذكر فيه (6 / 456) صالح بن أبي حسان، وهما من طبقة واحدة، فاشتبه على الهيثمي أحدهما بالآخر، وقد علمت أن ابن حسان اتهمه ابن حبان نفسه بالوضع.
واعلم أنه لم يثبت في السنة التفريق بين عورة الحرة، وعورة الأمة، وقد ذكرت ذلك مع شيء من التفصيل في كتابي ` حجاب المرأة المسلمة ` فليرجع إليه من شاء وهو الآن تحت الطبع مع زيادات وفوائد جديدة ومقدمة ضافية في الرد على متعصبة المقلدين بإذنه تعالى.
৪২৪। কোন ব্যক্তি দাসীকে ক্রয় করার ইচ্ছায় তার লজ্জাস্থান ব্যতীত উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখলে এবং তার দিকে দৃষ্টি দিলে তাতে কোন অসুবিধা নেই। তার লজ্জাস্থান হচ্ছে দু' হাঁটু ও তার লুঙ্গির বাঁধনের মধ্যবর্তী স্থানটি।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/কাফ ৯৭/২) হাফস ইবনু উমার আল-কিন্দী সূত্রে সালেহ ইবনু হাসসান হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবনী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। হাফস ইবনু উমার হালাবের কাযী। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা হালাল নয়।
আর সালেহ্ ইবনু হাসসান সকলের ঐক্যমতে দুর্বল। বরং তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান (১/৩৬৭-৩৬৮) বলেন তিনি গায়িকা-নর্তকীর মালিক ও গীতিকার ছিলেন। তিনি সেই দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদিস বর্ণনা করেছেন।
হায়সামী `আল-মাজমা` গ্রন্থে (২/৫৩) বলেনঃ হাদীসটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। যাতে সালেহ ইবনু হাসসান রয়েছেন; তিনি দুর্বল। তাকে ইবনু হিব্বান “আস-সিকাত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার একথায় দুটি ধরার বিষয় রয়েছেঃ
১। তিনি শুধুমাত্র সালেহকেই হাদীসটির সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। অথচ এটির সনদে তার থেকে বর্ণনাকারী তার মতই বা তার চেয়েও বেশী দুর্বল।
২। এ সালেহকে ইবনু হিব্বান “আত-সিকাত” গ্রন্থে উল্লেখ করেননি। তিনি সালেহ ইবনু আবী হাসসানকে “আত-সিকাত” গ্রন্থে (৬/৪৫৬) উল্লেখ করেছেন। তারা উভয়েই একই যুগের। হায়সামীর নিকট তা উলট পালট হয়ে গেছে। আর আপনারা অবগত হয়েছেন যে, এ ইবনু হাসসানকে ইবনু হিব্বান নিজেই জাল করার দোষে দোষী করেছেন।
সুন্নাতের মধ্যে দাসী এবং স্বাধীন রমণীদের মাঝে লজ্জাস্থানের দিক দিয়ে কোন পার্থক্য নেই।
` موت الغريب شهادة، إذا احتضر فرمى ببصره عن يمينه وعن يساره فلم ير إلا غريبا، وذكر أهله وولده، وتنفس، فله بكل نفس يتنفسه يمحوالله عنه ألفي ألف سيئة، ويكتب له ألفي ألف حسنة `.
موضوع.
رواه الطبراني (3 / 107 / 1) من طريق عمرو بن الحصين العقيلي، أخبرنا محمد بن عبد الله بن علاثة، عن الحكم بن أبان، عن وهب بن منبه، عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا موضوع عمرو بن الحصين كذاب، وقد تقدم له أحاديث موضوعة كثيرة، وابن علاثة ضعيف واتهمه بعضهم، لكن قيل: إن الآفة من الراوي عنه ابن
الحصين هذا.
والحديث قال الهيثمي (2 / 317) :
رواه الطبراني في ` الكبير ` وفيه عمرو بن الحصين العقيلي وهو متروك `.
قلت: والجملة الأولى منه ذكرها ابن الجوزي في ` الموضوعات ` من طريق أخرى عن ابن عباس وقال: لا يصح.
وتعقبه السيوطي في ` اللآليء ` (2 / 132 - 133) بأن له طرقا أخرى وشواهد،قلت: وكلها معلولة وبعضها أشد ضعفا من بعض، فلا يستفيد الحديث منها إلا الضعف فقط، وأما سائر الحديث، فموضوع لخلوه من شاهد، ومن عجائب السيوطي أنه ذكر هذه الطريق الموضوعة في جملة الطرق والشواهد.
৪২৫। গরীবের বিদেশে অবস্থানকারীর মৃত্যু হচ্ছে শাহাদাত। যখন মৃত্যুকে তার নিকট উপস্থিত করা হবে, তখন সে তার দৃষ্টি ডানে এবং বামে নিক্ষেপ করবে। তাতে সে গরীব বিদেশী ছাড়া অন্য কাউকে দেখবে না। এমতাবস্থায় সে তার পরিবার এবং সন্তানদের স্মরণ করবে এবং নিশ্বাস নিবে। সে যে নিশ্বাস নিবে তার জন্য প্রত্যেক নিশ্বাসের দ্বারা আল্লাহ তার থেকে বিশ লাখ গুনাহ মুছে ফেলবেন এবং বিশ লাখ সৎকর্মের সাওয়াব তার জন্য লিখে দিবেন।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী (৩/১০৭/১) আমর ইবনুল হুসাইন উকায়লী সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে আলাসা হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। আমর ইবনুল হুসাইন মিথ্যুক। তার বহু হাদীস পূর্বে আলোচিত হয়েছে।
ইবনু আলাসা দুর্বল। তাকে কেউ কেউ মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন।
হায়সামী (২/৩১৭) আমর ইবনুল হুসাইনকে মাতরূক বলেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির প্রথমাংশ ইবনুল জওয়ী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (২/২২১) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে অন্য সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ্ নয়।
সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১৩২-১৩৩) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির আরো সূত্র এবং শাহেদ রয়েছে।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সেগুলোর সবগুলোতেই সমস্যা রয়েছে। যার কোন কোনটি অপরটির চেয়ে বেশী দুর্বল। সেগুলো হতে দুর্বলতা ছাড়া আর কোন উপকার পাওয়া যাবে না। কিন্তু পূরো হাদীসটি বানোয়াট। এর কোন শাহেদ নেই।
المصورة) : حدثنا محمد بن عبد العزيز: نا أبي عن بشر بن المفضل عن يونس عن الحسن: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: … فذكره.
قلت: وهذا إسناد ضعيف، رجاله ثقات؛ لكنه من مراسيل الحسن - وهو:
البصري - ، وهي من أوهى المراسيل؛ قال بعض الأئمة: إنها كالريح.
والدينوري المؤلف - واسمه: أحمد بن مروان - : مختلف فيه، فقال الدارقطني:
`هو عندي ممن يضع الحديث `. وقال مسلمة في ` الصلة`:
`كان ثقة كثير الحديث `.
وهذا اختلاف شديد؛ فالله أعلم بحاله، والدارقطني أعلم بالرجال من (مسلمة) - وهو: ابن القاسم القرطبي - ؛ بل إن هذا قد تكلم فيه بعضهم، وقال الذهبي في ` السير` (16/ 110) :
`لم يكن بثقة `.
ومهما يكن من أمر؛ فإن الدينوري لم يتفرد به؛ فقد عزاه السيوطي في ` الزيادة على الجامع الصغير ` لابن أبي الدنيا في ` مكائد الشيطان `، وابن أبي الدنيا من شيوخ الدينوري؛ فالعلة الإرسال. والله أعلم.
৪২৬। রুকুনটি (হাযরে আসওয়াদটি) যদি জাহেলিয়াতের অপবিত্রতা, তার নাপাকী, অত্যাচারী ও গুনাহগার হতে হেফাযতে থাকত, তাহলে অবশ্যই তার দ্বারা প্রত্যেক রোগ হতে আরোগ্য পাওয়া যেত এবং আজকে তাকে পেতাম আল্লাহ তা'আলা যেদিন তাকে সৃষ্টি করেছেন সেই আকৃতিতে। আল্লাহ তা’আলা তাকে কাল রং দ্বারা পরিবর্তন করে দিয়েছেন। যাতে করে দুনিয়াবাসী জান্নাতের অলংকারের দিকে দৃষ্টি না দেয় এবং তার দিকে ধাবিত না হয়। সেটি হচ্ছে জান্নাতের ইয়াকুতের সাদা রঙের ইয়াকূত। আল্লাহ তা'আলা আদম (আঃ)-কে যখন দুনিয়াতে নামিয়ে দেন তখন কাবাকে সৃষ্টির পূর্বে কা'বার স্থলে পাথরটিকে রেখে দেন। তখন যমীন পবিত্র ছিল, তাতে কোন গুনাহ করা হত না। তাতে এমন কোন অধিবাসী ছিল না, যারা তাকে অপবিত্র করবে। তার জন্য এক কাতার (দল) ফেরেশতা হারামের চার পার্শ্বে যমীনের অধিবাসীদের থেকে পাহারা দেয়ার জন্যে রেখে দেয়া হয়েছিল। সে সময় যমীনের অধিবাসী ছিল জিন সম্প্রদায়। তাদের জন্য বৈধ ছিল না যে, তারা তার দিকে দৃষ্টি দিবে। কারণ সেটি ছিল জান্নাতেরই অংশ। যে ব্যক্তি জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে, সেই প্রবেশ করেছে। একারণে যার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে এরূপ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো জন্য তার দিকে দৃষ্টি দেয়া বৈধ ছিল না। ফেরেশতাগণ তার (হাযরে আসওয়াদ) থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতেন এমতাবস্থায় যে, তার হারামের চারি দিকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা তাকে প্রতিটি দিক থেকে পরিবেষ্টিত করে রেখেছে। এ জন্যই হারাম নামকরণ করা হয়েছে। কারণ তারা তাদেরকে তার (হাযরে আসওয়াদ) এবং নিজেদের মাঝে প্রাচীর হিসাবে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।
হাদীসটি মুনকার।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১০৭/১) আউফ ইবনু গায়লান ইবনে মুনাব্বেহ হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান হতে, তিনি ইদরীস ইবনু বিনতে ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বেহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বেহের নিচের বর্ণনাকারীগণ মাজহুল হওয়ার কারণে। তাদেরকে কে উল্লেখ করেছেন আমি পাচ্ছি না। তাছাড়া হাদীসের ভাষায় সুস্পষ্ট মুনকার লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (২/২৬৬) হাদীসটি গাউস ইবনু গায়লান সূত্রে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু সাফওয়ানের জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হিশাম ইবনু ইউসুফ হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি (উকায়লী) বলেনঃ তিনি (আব্দুল্লাহ) দুর্বল ছিলেন, হাদীস হেফয করতেন না। এ থেকে স্পষ্ট হচ্ছে যে, আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনাকারী আউফ নয় বরং গাউস। এটিই সঠিক, যা “মুজামুল কাবীর”-এর ছাপানো গ্রন্থে এসেছে। যদিও হাতের লিখায় আউফ রয়েছে। তাকে ইবনু হিব্বান “আত-সিকাত” গ্রন্থে (৭/৩১৩, ৯/২) উল্লেখ করেছেন। ইবনু মাঈন বলেনঃ তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আর ইদরীসকে ইবনু আদী দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। দারাকুতনী বলেছেনঃ তিনি মাতরূক।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনিই হচ্ছেন এ হাদীসটির সমস্যা।
` من قال: لا إله إلا الله قبل كل شيء، ولا إله إلا الله بعد كل شيء، ولا إله إلا الله يبقي ويفني كل شىء، عوفي من الهم والحزن `.
موضوع.
أخرجه الطبراني في ` المعجم الكبير ` (ج 3 ق 93 و1) عن العباس، يعني ابن بكار الضبي، حدثنا أبوهلال، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد موضوع، العباس هذا، قال الدارقطني: كذاب.
وساق له الذهبي حديثين، قال: إنهما باطلان، وسيأتي أحدهما برقم (2688) واتهمه الحافظ بوضع الحديث الآتى: وفي ` المجمع ` (10 / 137) : رواه الطبراني، وفيه العباس بن بكار وهو ضعيف، وثقه ابن حبان.
قلت: لم يذكر الذهبي في ` الميزان ` ولا الحافظ في ` اللسان ` توثيق ابن حبان له، فالله أعلم.
فإن صح ذلك، فالجرح المفسر مقدم على التعديل كما هو معروف في ` المصطلح `.
وبخاصة إذا كان المعدل معروفا بالتساهل، كابن حبان.
ثم رأيته في ` ثقاته ` (8 / 512) ، وقال:
وكان يغرب، حديثه عن الثقات لا بأس به `.
وبمقابلة كلامه بما زاده في ` اللسان ` على ` الميزان ` تبين لي أن الحافظ قد نقل كلام ابن حبان المذكور في ` اللسان `، لكن وقع فيه خطأ: ` وقال المؤلف.... ` مكان قوله: وقال ابن حبان.
ثم تناقض ابن حبان، فأورد العباس هذا في ` ضعفائه ` أيضا (2 / 190) .
وشيخه أبوهلال اسمه محمد بن سليم الراسبي، فيه لين قال أحمد:
يحتمل حديثه إلا أنه يخالف في قتادة.
৪২৭। যে ব্যক্তি সব কিছুর পূর্বে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে এবং সব কিছুর পরে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইউবকী ওয়া ইউফনী কুল্লা শাইয়ীন বলবে, তাকে চিন্তা-ভাবনা হতে নিরাপদে রাখা হবে।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/কাফ ৯৩/১) আব্বাস ইবনু বাক্কার যব্বী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। অতঃপর যাহাবী তার দুটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীস দুটি বাতিল। দু'টির একটি ২৬৮৮ নাম্বারে আসবে। হাফিয ইবনু হাজার তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। `আল-মাজমা` গ্রন্থে (১০/১৩৭) এসেছে তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাতে আব্বাস ইবনু বাক্কার রয়েছেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে এবং হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে ইবনু হিব্বান কর্তৃক নির্ভরযোগ্য বলা কথাটি উল্লেখ করেননি। যদি তার কথা সঠিকই হয় তাহলে ব্যাখ্যাকৃত দোষারোপ অগ্রাধিকার পাবে নির্দোষের পূর্বে।
ইবনু হিব্বান তাকে “আস-সিকাত” গ্রন্থে (৮/৫১২) উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি গরীব বর্ণনা করেছেন। নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে তার হাদীসে অসুবিধা নেই। ইবনু হিব্বান আব্বাসকে `আয-যুয়াফা` গ্রন্থেও (২/১৯০) উল্লেখ করেছেন! তার শাইখ আবু হিলাল যার নাম মুহাম্মাদ ইবনু সুলাইম রাসেবী, তার মধ্যেও দুর্বলতা রয়েছে।
` ابنتي فاطمة حوراء آدمية لم تحض ولم تطمث، وإنما سماها فاطمة، لأن الله فطمها ومحبيها من النار `.
موضوع.
أخرجه الخطيب (12 / 331) بإسناد له عن ابن عباس ثم قال: في إسناده من المجهولين غير واحد، وليس بثابت، ومن طريقه أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (1 / 421) وأقره السيوطي في ` اللآليء ` (1 / 400) .
وذكر الحافظ في ترجمة العباس ابن بكار المذكور في الحديث المنصرم بسنده عن أم سليم قالت: لم ير لفاطمة دم في حيض ولا نفاس، ثم قال: هذا من وضع العباس.
৪২৮। আমার মেয়ে ফাতেমা মাটির পরী। সে হায়েযাও হয় না এবং নেফাসধারীও হয় না। তার নাম রাখা হয়েছে ফাতেমা, কারণ আল্লাহ তা'আলা তাকে এবং তাকে যে ভালবাসে তাকেও জাহান্নামের আগুন হতে পৃথক করে দিয়েছেন।
হাদীসটি জাল।
এটি আল-খাতীব (১২/৩৩১) তার সনদে ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদে একাধিক মাজহুল বর্ণনাকারী রয়েছেন। হাদীসটি সাব্যস্ত হয়নি। তার সূত্রেই ইবনুল জাওয়ী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (১/৪২১) উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/৪০০) তাকে সমর্থন করেছেন। তার সনদে হাদীসটি উম্মে সুলায়েম হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ لم ير لفاطمة دم في حيض ولا نفاس 'ফাতিমার হয়েয ও নিফাসের মধ্যে রক্ত দেখা যায়নি'। এটি আব্বাস কর্তৃক জালকৃত।
` كان لا يرى بالهميان للمحرم بأسا `.
موضوع.
أخرجه الطبراني في ` الكبير ` (3 / 99 / 1) عن يوسف بن خالد السمتي، حدثنا زياد بن سعد عن صالح مولى التوأمة عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: والسمتي هذا كذا، كما قال ابن معين، وصالح ضعيف. والصواب في الحديث أنه موقوف على ابن عباس، كذلك أخرجه البيهقي في ` سننه ` (5 / 69) من طريق سعيد بن جبير عنه، وفي سنده شريك القاضي، وفيه ضعف.
৪২৯। তিনি চিন্তাশীলদের সাথে মুহরেমের কোন সমস্যা দেখতেন না।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/৯৯/১) ইউসুফ ইবনু খালেদ সামতী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সামতী মিথ্যুক, যেমনভাবে ইবনু মা'ঈন বলেছেন। অপর বর্ণনাকারী সালেহ্ দুর্বল। সঠিক হচ্ছে, হাদীসটি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। অনুরূপভাবে বাইহাকী তার “সুনান” গ্রন্থে (৫/৬৯) সাঈদ ইবনু যুবায়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। যার সনদে শুরায়েক আল কাযী রয়েছেন। তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে।
` شاوروهن - يعنى النساء - وخالفوهن `.
لا أصل له مرفوعا.
كما أفاده السخاوي، ثم المناوي (4 / 263) ، ولعل أصل هذه الجملة ما رواه العسكري في ` الأمثال ` عن عمر قال:
` خالفوا النساء فإن في خلافهن البركة `، وإن كنت لا أعرف صحته، فإن السيوطي لم يسق إسناده في ` اللآليء ` (2 / 174) لننظر فيه:
ثم وقفت على إسناده، رواه علي بن الجعد الجوهري في ` حديثه ` (12 / 177 / 1) من طريق أبي عقيل عن حفص بن عثمان بن عبيد الله عن عبد الله بن عمر قال: قال عمر رحمه الله … فذكره.
قلت: وهذا سند ضعيف، فيه علتان:
الأولى جهالة حفص هذا، فقد أورده ابن أبي حاتم (1 / 2 / 184) برواية أبي عقيل هذا وحده ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا.
وفي ` ثقات ابن حبان ` (6 / 196) :
حفص بن عثمان بن محمد بن عرادة عن عكرمة، وعنه أبو عقيل `
فيحتمل أن يكون هو هذا مع ملاحظة اختلاف اسم الجد، وذلك مما يؤكد جهالته كما يشير إليه أحمد في قوله الآتي.
والعلة الأخرى أبو عقيل واسمه يحيى بن المتوكل العمري صاحب بهية ضعيف كما في ` التقريب `، وقال أحمد: روى عن قوم لا أعرفهم.
ثم إن معنى الحديث ليس صحيحا على إطلاقه، لثبوت عدم مخالفته صلى الله عليه وسلم لزوجته أم سلمة حين أشارت عليه بأن ينحر أمام أصحابه في صلح الحديبية حتى يتابعوه في ذلك، وانظر الحديث الآتى عدد (435) .
৪৩০। তোমরা মহিলদের সাথে পরামর্শ কর এবং তাদের বিরোধিতা কর।
হাদীসটির মারফু হিসাবে কোন ভিত্তি নেই।
যেমনিভাবে সাখাবী ও মানবী (৪/২৬৩) অবহিত করেছেন। সম্ভবত এ বাক্যটির ভিত্তি হচ্ছে আসকারী যা “আল-আমসাল” গ্রন্থে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন সেটি। তিনি বলেন,خالفوا النساء فإن في خلافهن البركة `তোমরা মহিলাদের বিরোধিতা কর, কারণ তাদের বিরোধিতায় বরকত রয়েছে।`
মওকুফ হিসাবে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে যে সনদে বর্ণিত হয়েছে, সেটি আলী ইবনু যায়াদ জাওহারী তার “আল-হাদীস” গ্রন্থে (১২/১৭৭/১) আবু আকীল সূত্রে হাফস ইবনু উসমান ইবনে ওবায়দিল্লাহ হতে ... বর্ণনা করেছেন। এটির সনদটি দু'টি কারণে দুর্বলঃ
১। হাফস মাজহুল। ইবনু আবী হাতিম তাকে (১/২/১৮৪) ইবনু আকীলের একমাত্র বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তার সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই উল্লেখ করেননি।
২। আবু আকীল-এর নাম হচ্ছে ইয়াহইয়া ইবনু মুতাওয়াক্কিল উমারী। “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে তিনি দুর্বল। ইমাম আহমাদ বলেনঃ তিনি এমন এক সম্প্রদায় হতে বর্ণনা করেছেন যাদেরকে চিনি না।
এছাড়া হাদীসটির অর্থও সহীহ নয়। কারণ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়ার সন্ধির দিন তার সাথীদের সম্মুখে উম্মে সালমার পরামর্শে যাবহ করেন। তিনি তার বিরোধিতা করেননি।
` استوصوا بالمعزى خيرا فإنها مال رفيق، وهو فى الجنة، وأحب المال إلى الله الضأن، وعليكم بالبياض، فإن الله خلق الجنة بيضاء، فليلبسه أحياؤكم، وكفنوا فيه موتاكم، وإن دم الشاة البيضاء أعظم عند الله من دم السوداوين `.
موضوع.
أخرجه الطبراني (3 / 113 / 1 ـ 2) وابن عدي (2 / 378) من طريق أبي شهاب عن حمزة النصيبي، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد موضوع، وعلته حمزة النصيبي، قال ابن حبان (1 / 270) :
يضع الحديث.
والحديث قال في ` المجمع ` (4 / 66) :
رواه الطبراني في ` الكبير ` وفيه حمزة النصيبي، وهو متروك.
ومن طريقه أخرج منه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 330) الطرف الأول.
৪৩১। তোমরা উত্তম অসিয়ত গ্রহণ কর ছাগল দ্বারা। কারণ তা হচ্ছে সাথের সম্পদ এবং সেটি জান্নাতে রয়েছে। আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা ভালবাসার সম্পদ হচ্ছে মেষ, তবে তোমরা সাদাটি গ্রহণ করবে। কারণ আল্লাহ জান্নাতকে সাদা করেই সৃষ্টি করেছেন। তোমাদের জীবিতরা যেন তাই পরিধান করে এবং তোমাদের মৃত্যুদের তাতেই কাফন দিবে। কারণ দুটি কাল ছাগলের রক্ত থেকে একটি সাদা ছাগলের রক্ত আল্লাহর নিকট বেশী মর্যাদাপূর্ণ।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী (৩/১১৩/১-২) এবং ইবনু আদী (২/৩৭৮) আবু শিহাব সূত্রে হামযা নাসীবী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। কারণ হামযা নাসীবী সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন বা তার বর্ণনাকৃত অধিকাংশ হাদীস বানোয়াট। ইবনু হিব্বান (১/২৭০) বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। হায়সামী `আল-মাজমা` গ্রন্থে (৪/৬৬) বলেনঃ হামযা নাসীবী মাতরূক।
` نهى عن المواقعة قبل المداعبة `.
موضوع.
رواه الخطيب (13 / 220 - 221) وعنه ابن عساكر (16 / 299 / 2) وأبو عثمان النجيرمي في ` الفوائد المخرجة من أصول مسموعاته ` (24 / 1) من طريق خلف بن محمد الخيام بسنده عن أبي الزبير عن جابر مرفوعا، قال الذهبي في ترجمة الخيام هذا من ` الميزان `.
قال الحاكم: سقط حديثه بروايته حديث: ` نهى عن الوقاع قبل الملاعبة `، وقال الخليلى: خلط، وهو ضعيف جدا، روى فنونا لا تعرف.
قلت: وأبو الزبير مدلس، وقد عنعنه.
والحديث أورده الشيخ أحمد الغماري في ` المغير ` (ص 100) .
৪৩২। তিনি (স্বামী-স্ত্রীকে) আমোদ প্রমোদ করার পূর্বে একে অপরে সরাসরি সঙ্গম করতে নিষেধ করেছেন।
হাদীসটি জাল।
এটি খাতীব বাগদাদী (১৩/২২০-২২১) এবং তার থেকে ইবনু আসাকির (১৬/২৯৯/২) ও আবু উসমান আন-নুজায়রেমী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (১/২৪) খালাফ ইবনু মুহাম্মাদ খিয়াম সূত্রে আবুয যুবায়ের হতে ... বর্ণনা করেছেন।
যাহাবী এ খিয়ামের জীবনীতে “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেন, হাকিম বলেছেনঃ তিনি এ হাদীসটি বর্ণনা করার কারণে তার হাদীস পতিত (অগ্রহণযোগ্য) হয়ে গেছে। খালীলী বলেনঃ তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল, তিনি নিতান্তই দুর্বল। তিনি এমন সব বিষয় বর্ণনা করেছেন যা চেনা যায় না।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আবুয যুবায়ের মুদাল্লিস তিনি আন আন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
` يدعى الناس يوم القيامة بأمهاتهم سترا من الله عز وجل عليهم `.
موضوع.
رواه ابن عدي (17 / 2) عن إسحاق بن إبراهيم الطبري، حدثنا مروان الفزاري، عن حميد الطويل، عن أنس مرفوعا وقال:
هذا منكر المتن بهذا الإسناد، وإسحاق بن إبراهيم منكر الحديث.
وقال ابن حبان:
يروي عن ابن عيينة والفضل بن عياض، منكر الحديث جدا، يأتي عن الثقات بالموضوعات، لا يحل كتب حديثه إلا على جهة التعجب، وقال الحاكم:
روى عن الفضيل وابن عيينة أحاديث موضوعة، وأورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (3 / 248) من طريق ابن عدي وقال: لا يصح، إسحاق منكر الحديث.
وتعقبه السيوطي في ` اللآليء ` (2 / 449) بأن له طريقا أخرى عند الطبراني، يعني الحديث الذي بعده، وهو مع أنه مغاير لهذا في موضع الشاهد منه، فإن هذا نصه ` بأمهاتهم ` وهو نصه ` بأسمائهم ` وشتان بين اللفظين، وقد رده ابن عراق فقال (2 / 381) :
قلت: هو من طريق أبي حذيفة إسحاق بن بشر، فلا يصح شاهدا.
قلت: لأن الشرط في الشاهد أن لا يشتد ضعفه وهذا ليس كذلك، لأن إسحاق بن بشر هذا في عداد من يضع الحديث، كما تقدم في الحديث (223) .
وقد ثبت ما يخالفه، ففي ` سنن أبي داود ` بإسناد جيد كما قاله النووي في ` الأذكار ` من حديث أبي الدرداء مرفوعا: ` إنكم تدعون يوم القيامة بأسمائكم وأسماء آبائكم ` وفي الصحيح من حديث عمر مرفوعا: ` إذا جمع الله الأولين والآخرين يوم القيامة، يرفع لكل غادر لواء، فيقال: هذه غدرة فلان بن فلان، والله أعلم.
قلت: حديث أبي الدرداء ضعيف ليس بجيد، لانقطاعه، وقد أعله بذلك أبو داود نفسه، فقد قال عقبه (رقم 4948) : ابن أبي زكريا لم يدرك أبا الدرداء.
وسوف يأتي تخريجه في هذه ` السلسلة ` (5460) .
قلت: وبذلك أعله جماعة آخرون، كالبيهقى، والمنذري، والعسقلاني.
فلا يغتر بعد هذا بقول النووي ومن تبعه، وانظر ` فيض القدير `.
৪৩৩। কিয়ামতের দিন লোকদেরকে ডাকা হবে তাদের মায়েদের পরিচয়ে, আল্লাহর পক্ষ হতে তাদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য।
হাদীসটি জাল।
এটি ইবনু আদী (২/১৭) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম তাবারী হতে ... বর্ণনা করেছেন, অতঃপর বলেছেনঃ এ সনদে হাদীসটির ভাষা মুনকার। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম মুনকারুল হাদীস। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি ইবনু ওয়াইনা এবং ফুযায়েল ইবনু আইয়াশ হতে নিতান্তই মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস নিয়ে এসেছেন। আশ্চর্য হবার উদ্দেশ্য ছাড়া তার হাদীস লিখাই হালাল নয়। হাকিম বলেনঃ তিনি ফুযায়েল এবং ইবনু ওয়াইনা হতে কতিপয় জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল জাওয়ী হাদীসটি “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (৩/২৪৮) ইবনু আদীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়, ইসহাক মুনকারুল হাদীস। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৪৪৯) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ তাবারানীর নিকট তার অন্য সূত্র আছে। কিন্তু এটির ভাষা হচ্ছে 'بأمهاتهم' আর তার (তাবারানীর) ভাষা হচ্ছে 'بأسمائهم' দুটির মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট। ইবনু আররাক তার প্রতিবাদ করে বলেছেন (২/৩৮১)- এটি আবু হুযাইফা ইসহাক ইবনু বিশর সুত্রে বর্ণিত, শাহেদ হিসাবে সঠিক হবে না।
আমি (আলবানী) বলছিঃ কারণ শাহেদ হওয়ার শর্ত হচ্ছে, দুর্বলতা যেন বেশী শক্তিশালী না হয়। কিন্তু এটি এরূপ নয়। কারণ ইসহাক ইবনু বিশরকে হাদীস জালকারীদের মধ্যে গণ্য করা হয়। যেমনটি ২২৩ নং হাদীসের আলোচনায় গেছে।
` إن الله تعالى يدعوالناس يوم القيامة بأسمائهم سترا منه على عباده، وأما عند الصراط فإن الله عز وجل يعطي كل مؤمن نورا، وكل مؤمنة نورا، وكل منافق نورا، فإذا استووا على الصراط سلب الله نور المنافقين والمنافقات، فقال المنافقون: {انظرونا نقتبس من نوركم} (الحديد: 13) ، وقال المؤمنون: {ربنا أتمم لنا نورنا) (التحريم: 8) فلا يذكر عند ذلك أحد أحدا `.
موضوع.
أخرجه الطبراني (3 / 115 / 1) من طريق إسماعيل بن عيسى العطار، أخبرنا إسحاق بن بشر أبو حذيفة، أخبرنا ابن جريج عن ابن أبي مليكة، عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وإسحاق هذا كذاب، وقد تقدم طرفه الأول آنفا بسند آخر له كما تقدمت له أحاديث، وقال الهيثمي في ` المجمع ` (10 / 359) بعد أن ساق الحديث من رواية الطبراني: وهو متروك.
৪৩৪। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা লোকদেরকে তাদের নাম ধরে ডাকবেন, তার পক্ষ হতে বান্দাদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য। পুলসিরাতের নিকট আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক মুমিন, মুমিনা এবং মুনাফেককে নূর দান করবেন। যখন তারা পুলসিরাতে আরোহন করবেন, তখন আল্লাহ তা'আলা মুনাফেক নারী পুরুষদের নূরকে ছিনিয়ে নিবেন। অতঃপর মুনাফেকরা বলবেঃ (আমাদের দিকে একটু দৃষ্টি দাও তোমাদের আলো হতে কিছু গ্রহন করি) [সূরা হাদীদঃ ১৩] মুমিনরা বলবেঃ (হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের নূরকে পরিপূর্ণ করে দাও) [আত-তাহরীমঃ ৮]। তখন কেউ কাউকেই স্মরণ করবে না।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী (৩/১১৫/১) ইসমাঈল ইবনু ঈসা আত্তার সূত্রে ইসহাক ইবনু বিশর আবু হুযাইফা হতে ... বর্ণনা করেছেন। আমি (আলবানী) বলছিঃ এ ইসহাক মিথ্যুক। হায়সামী `আল-মাজমা` গ্রন্থে (১০/৩৫৯) তাবারানীর বর্ণনা হতে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেনঃ তিনি মাতরূক।
` طاعة المرأة ندامة `.
موضوع.
رواه ابن عدي (ق 308 / 1) عن عثمان بن عبد الرحمن الطرائفي، عن عنبسة بن عبد الرحمن، عن محمد بن زاذان، عن أم سعد بنت زيد بن ثابت عن أبيها مرفوعا.
أورده في ترجمة عنبسة هذا وقال: وله غير ما ذكرت، وهو منكر الحديث.
قلت: وقال أبو حاتم كان يضع الحديث، وأما عثمان بن عبد الرحمن الطرائفي.
فقال ابن عدي (290 / 2) :
لا بأس به، إلا أنه يحدث عن قوم مجهولين بعجائب، وتلك العجائب من جهة المجهولين.
قلت: وعلى هذا جرى من بعده من المحققين، وقد ضعفه بعضهم.
والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (2 / 272) من رواية ابن عدي هذه وقال: لا يصح، عنبسة ليس بشيء، وعثمان لا يحتج به.
وروى الحديث عن عائشة بلفظ: ` طاعة النساء ندامة `.
أخرجه العقيلي (ص 381) وابن عدي (ق 156 / 1) والقضاعي (ق 12 / 2) والباطرقاني في ` حديثه ` (168 / 1) وابن عساكر (15 / 200 / 2) عن محمد ابن سليمان بن أبي كريمة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة مرفوعا، وقال العقيلي:
محمد بن سليمان حدث عن هشام ببواطل لا أصل لها، منها هذا الحديث، وقال ابن عدي: ما حدث بهذا الحديث عن هشام إلا ضعيف، وحدث به عن هشام خالد ابن الوليد المخزومي، وهو أضعف من ابن أبي كريمة.
وقد تعقب السيوطي ابن الجوزي كعادته، فذكر في ` اللآليء ` (2 / 174) أن له طريقين آخرين عن هشام، وشاهدا من حديث أبي بكرة، لكن في أحد الطريقين خلف بن محمد بن إسماعيل، وهو ساقط الحديث، كما تقدم عن الحاكم في الحديث (422) ، وقد أخرجه من هذه الطريق أبو بكر المقري الأصبهاني في ` الفوائد ` (12 / 192 / 2) وأبو أحمد البخاري في جزء من حديثه (2 / 1) .
وفي الطريق الأخرى أبو البختري واسمه وهب بن وهب وضاع مشهور.
وأما الشاهد، فهو مع ضعف سنده مخالف لهذا اللفظ، وهو الآتى بعده.
وفاته شاهد آخر، أخرجه ابن عساكر (5 / 327 / 2) من حديث جابر مرفوعا باللفظ الأول، وفيه جماعة لا يعرفون، وعلي بن أحمد بن زهير التميمي.
قال الذهبي: ليس يوثق به، وأما الشاهد عن أبي بكرة فهو:
৪৩৫। নারীর আনুগত্য করা হচ্ছে লজ্জিত হওয়ার নামান্তর।
হাদীসটি জাল।
এটি ইবনু আদী (কাফ ৩০৮/১) উসমান ইবনু আবদির রহমান তারায়েফী তিনি (ইবনু আদী) আম্বাসার জীবনীতে এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার উল্লেখিত হাদীসটি ছাড়াও আরো হাদীস রয়েছে। তিনি হচ্ছেন মুনকারুল হাদীস।
আমি (আলবানী) বলছি, আবু হাতিম বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। তবে উসমান ইবনু আবদির রহমান সম্পর্কে ইবনু আদী (২/২৯০) বলেনঃ তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু তিনি একদল মাজহুল বর্ণনাকারী হতে আশ্চর্যজনক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার সে সব আশ্চর্যগুলো মাজহুল বর্ণনাকারীদের পক্ষ হতে। এ কারণেই তাকে কোন কোন পণ্ডিত ব্যক্তি দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। ইবনুল জাওয়ী হাদীসটিকে তার “আল-মাওযু'আত” গ্রন্থে (২/২৭২) ইবনু আদীর বর্ণনা হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়। আম্বাসা কিছুই না আর উসমান দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।
আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হাদীসটি বর্ণনা করা হয়েছে এ ভাষায়ঃ طاعة النساء ندامة 'নারীর আনুগত্য করা হচ্ছে লজ্জিত হওয়ার নামান্তর।' এটি উকায়লী (পৃ. ৩৮১), ইবনু আদী (কাফ ১/১৫৬), কাযাঈ (কাফ ১২/২), বাতেরকানী তার “আল-হাদীস” গ্রন্থে (১/৬৮) এবং ইবনু আসাকির (১৫/২০০/২) মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান ইবনে আবী কারমা হতে, তিনি হিশাম ইবনু উরওয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর উকায়লী বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান হিশাম হতে এমন সব বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই। এটি সেগুলোর একটি।
ইবনু আদী বলেনঃ এ হাদীসটি হিশাম হতে দুর্বল ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। এ হাদীসটি হিশাম হতে খালেদ ইবনু ওয়ালীদ মাখযুমী বর্ণনা করেছেন। তিনি ইবনু আবী কারমা হতেও বেশী দুর্বল।
সুয়ূতী অভ্যাসগতভাবে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১৭৪) তার (ইবনুল জাওয়ীর) সমালোচনা করে বলেছেনঃ হিশাম হতে এটির আরো দুটি সূত্র রয়েছে এবং আবু বাকরার হাদীস হতে একটি শাহেদ আছে।
কিন্তু একটি সূত্রে খালাফ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল রয়েছেন। তিনি সাকেতুল হাদীস (তার হাদীস নিক্ষিপ্ত)। যেরূপ হাকিম হতে ৪২২ নং হাদীসে এসেছে। অন্যটিতে আইউব বুখতারী রয়েছেন। তার নাম ওয়াহাব ইবনু ওয়াহাব যিনি প্রসিদ্ধ জালকারী।
আর শাহেদটি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও আলোচ্য হাদীসটির ভাষা বিরোধী। সেটি আগত হাদীসটি। এছাড়া আরো একটি শাহেদ তার নিকট হতে ছুটে গেছে। যেটিকে ইবনু আসাকির (৫/৩২৭/২) জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। তাতে একদল অপরিচিত বর্ণনাকারী রয়েছেন।
مطبوع) فإذا هو من طريق جامع بن سوادة
عن عبد الله بن مسلمة القعنبي عن المبارك به.
قلت: وجامع بن سوادة: ضعيف متهم، كما في `اللسان`.
وأما أبو نعيم فأخرجه في `الحلية` (1/ 25) من طريق إسحاق بن وهب: حدثنا عبد الملك بن يزيد: حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال: … فذكره مرفوعاً إلى قوله: `من حجر إلى حجر`.
وبهذا السند ساق قبله عن ابن مسعود قال:
`إذا أحب الله عبد اً اقتناه لنفسه، ولم يشغله بزوجة ولا ولد`.
هكذا وقع فيه موقوفاً على ابن مسعود، ويبدو أنه سقط من الناسخ أو الطابع رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم؛ فإنه كذلك رواه ابن الجوزي في `الموضوعات` (2/ 278) من طريق أبي نعيم.
وكذلك عزاه إليه الذهبي في ترجمة عبد الملك بن يزيد من `الميزان`، وتبعه العسقلاني في `اللسان`، وأعلاه بعبد الملك بن يزيد هذا؛ فقالا:
`روى عن أبي عوانة بخبر باطل في ترك التزوج، لا يدرى من هو؟ `.
ثم ساقاه من طريق صاحب `الحلية` بإسناده المتقدم مرفوعاً. وفيه: `إسحاق بن وهب العلاف`.
وهو إسحاق بن وهب بن زياد العلاف أبو يعقوب الواسطي. ولقد أخطأ ابن الجوزي خطأ فاحشاً حين أعل الحديث به بقوله:
`هذا حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ قال الدارقطني: إسحاق بن وهب كذاب متروك، حدث بالأباطيل`.
وأقره السيوطي في `اللآلي` (2/ 180) .
وقد التبس عليهما الأمر؛ فإن الذي قال فيه الدارقطني ما نقله عنه إنما هو إسحاق بن وهب الطهرمسي كما تراه في `الميزان` و `اللسان`.
وأما إسحاق بن وهب العلاف فهو ثقة من شيوخ البخاري، ولا علاقة له بهذا الحديث الباطل.
نعم، لقد تعقب السيوطي ابن الجوزي في حديث آخر ساقه من رواية الطبراني بسنده عن أبي عنبة الخولاني مرفوعاً بلفظ:
`إذا أراد الله عز وجل بعبد خيراً ابتلاه، وإذا ابتلاه اقتناه لنفسه. قالوا: يا رسول الله! وما اقتناه؟ لا يترك له مالاً ولا ولداً`.
وفيه اليمان بن عدي نسبه أحمد إلى الوضع.
كذا قال ابن الجوزي، فقال السيوطي:
`ضعفه أحمد والدارقطني، وقال أبو حاتم: صدوق`.
قلت: هذا نقله السيوطي من `ميزان الذهبي`، ولا يكفي في رد قول ابن الجوزي وما نسبه لأحمد، ولم أر أحداً ذكره عنه غيره، والمعروف عنه التضعيف فقط. والله أعلم.
وفي الحديث علة أخرى؛ فقد قال الهيثمي في `المجمع` (2/ 291) :
`رواه الطبراني في `الكبير`، وفيه إبراهيم بن محمد شيخ الطبراني، ضعفه الذهبي، ولم يذكر سبباً، وبقية رجاله موثقون`.
قلت: بلى؛ قد ذكر السبب، وهو أنه قال: حدثنا عبد الوهاب بن نجدة: حدثنا
إسماعيل بن عياش بسنده عن ابن عمر مرفوعاً بحديث ذكره، وقال:
`فالمعروف بهذا الحديث هو عبد الوهاب بن الضحاك، لا ابن نجدة`.
وهذا يعني أنه خطأ في إسناده فذكر ابن نجدة - وهو ثقة - مكان ابن الضحاك - وهو متروك - ، ولذا قال الذهبي فيه:
`غير معتمد`.
قلت: وهذا مما لا ينبغي التوقف فيه؛ لأن الرجل مع هذا الخطأ الفاحش الذي اكتشفه الذهبي قد أورده الطبراني في `المعجم الأوسط` (1/ 167/ 1) ، ولم يسق له سوى حديث واحد، فهو مستور غير معروف. والله أعلم.
৪৩৬। পুরুষরা যখন মহিলাদের অনুসরণ করবে, তখন তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি ইবনু আদী (১/৩৮), আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/৩৪), ইবনু মাসী “যুজউল আনসারী” গ্রন্থের শেষে (১/১১), হাকিম (৪/২৯১) এবং আহমাদ (৫/৪৫) আবু বাকরার সূত্রে বাক্কার ইবনু আবদিল আযীয ইবনে আবী বাকরা তার পিতা হতে, তার পিতা আবু বাকরা হতে বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ। আর যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি যাহাবীর একটি ভুল। তিনি “আল-মীযান” গ্রন্থে এ বাক্কারের জীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি কিছুই না। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি সেই সব দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদীস লিখা যায়। তিনি “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে বলেছেনঃ তিনি দুর্বল। তাকে ইবনু আদী চালিয়ে দিয়েছেন।
এ হাদীসটির একটি আসল আছে, তবে এ ভাষায়ঃ لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة “সেই জাতি পরিত্রাণ পাবে না যারা তাদের নেতৃত্বের আসনে বসিয়েছে নারীকে।” এটি ইমাম বুখারী, হাকিম ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এটিই হচ্ছে আসল হাদীস ।
কিন্তু আলোচ্য হাদীসটি যে ভাষায় এসেছে সেটি দুর্বল। তার বর্ণনাকারী দুর্বল হওয়ার কারণে। তার অর্থও আমভাবে সহীহ নয়। কারণ হিসাবে হুদায়বিয়ার সন্ধির সময়ের ঘটনা দ্রষ্টব্য।
` من ولد له ثلاثة فلم يسم أحدهم محمدا فقد جهل `.
موضوع.
قال الطبراني في ` الكبير ` (108 - 109) : حدثنا أحمد بن النضر العسكري، أخبرنا أبو خيثمة مصعب بن سعيد، أخبرنا موسى بن أيمن، عن ليث، عن مجاهد، عن ابن عباس مرفوعا، ومن طريق مصعب هذا رواه الحارث بن أبي أسامة في ` مسنده ` (199 - 200 من زوائده) وابن عدي (280 / 2) .
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، مصعب هذا قال ابن عدي:
يحدث عن الثقات بالمناكير، ثم ساق له منها ثلاثة، عقب الذهبي عليها بقوله:
ما هذه إلا مناكير وبلايا، ثم قال ابن عدي:
والضعف على رواياته بين، وقال صالح جزرة:
شيخ ضرير لا يدرى ما يقول، وتابعه الوليد بن عبد الملك بن مسرح الحراني، ولكن لم أجد من ترجمه، ثم وجدناه في الجرح (4 / 4 / 10) وثقات ابن حبان (9 / 227) ولكن الراوي عنه أبو بدر أحمد بن خالد بن مسرح الحراني.
قال الدارقطني: ليس بشيء، فلا قيمة لهذه المتابعة، وهي عند الحافظ ابن بكير الصيرفي في فضل من اسمه أحمد ومحمد (58 / 1) .
وليث ابن أبي سليم ضعيف باتفاقهم، وقد روى ابن أبي حاتم (3 / 2 / 178) بإسناد صحيح عن عيسى بن يونس وقد قيل له: لم لم تسمع منه؟ فقال:
قد رأيته، وكان قد اختلط، وكان يصعد المنارة ارتفاع النهار فيؤذن.
وبه أعل ابن الجوزي هذا الحديث في ` الموضوعات ` (1 / 154) وقد أورده من رواية ابن عدي بإسناده عن مصعب به ثم قال:
تفرد به موسى عن ليث، وليث تركه أحمد وغيره، قال ابن حبان: اختلط في آخر عمره، فكان يقلب الأسانيد ويرفع المراسيل.
وتعقبه السيوطي في ` اللآليء ` (1 / 101 - 102) بقوله:
ليث لم يبلغ أمره أن يحكم على حديثه بالوضع، فقد روى له مسلم والأربعة ووثقه ابن معين وغيره.
قلت: إنما قال فيه ابن معين: لا بأس به، كما في ` الميزان ` و` التهذيب ` وهذا في رواية عنه، وإلا فقد روى الثقات عنه تضعيفه، وهذا الذي ينبغي
اعتماده، لأن سبب تضعيفه واضح وهو الاختلاط، ويمكن الجمع بين القولين بأنه أراد بالأول أنه صدوق في نفسه، يعني أنه لا يكذب عمدا، وهذا لا ينافي ضعفه الناتج من شيء لا يملكه، وهو الاختلاط، وهذا ما أشار إليه البخاري حين قال فيه: صدوق، يهم، ومثله قول يعقوب بن شيبة: هو صدوق، ضعيف الحديث ونحوه.
قال عثمان ابن أبي شيبة والساجي: وهؤلاء هم الذين عناهم السيوطي بقوله:
… وغيره، فتبين أن الأئمة مجمعون على تضعيفه، وكونه ثقة في نفسه لا يدفع عنه الضعف الذي وصف به، وهذا بين لا يخفى على من له أدنى إلمام بالجرح والتعديل، فظهر أن ما استروح إليه السيوطي من التوثيق لا فائدة فيه.
نعم قوله: إن ليثا لا يبلغ أمره أن يحكم على حديثه بالوضع، صحيح، ولكن قد يحيط بالحديث الضعيف ما يجعله في حكم الموضوع، مثل أن لا يجرى العمل عليه من السلف الصالح، وهذا الحديث من هذا القبيل، فإننا نعلم كثيرا من الصحابة كان له ثلاثة أولاد وأكثر، ولم يسم أحدا منهم محمدا، مثل عمر بن الخطاب وغيره، وأيضا، فقد ثبت أن أفضل الأسماء عبد الله، وعبد الرحمن، وهكذا عبد الرحيم، وعبد اللطيف، وكل اسم تعبد لله عز وجل، فلو أن مسلما سمى أولاده كلهم عبيدا لله تعالى، ولم يسم أحدهم محمدا، لأصاب، فكيف يقال فيه:
فقد جهل؟ ولا سيما أن في السلف من ذهب إلى كراهة التسمي بأسماء الأنبياء، وإن كنا لا نرضى ذلك لنا مذهبا.
وإن من توفيق الله عز وجل إياي أن ألهمني أن أعبد له أولادي كلهم وهم: عبد الرحمن وعبد اللطيف وعبد الرزاق من زوجتي الأولى - رحمهما الله تعالى -
وعبد المصور وعبد الأعلى من زوجتي الأخرى والاسم الرابع ما أظن أحدا سبقني إليه على كثرة ما وقفت عليه من الأسماء في كتب الرجال والرواة ثم اتبعني على هذه التسمية بعض المحبين ومنهم واحد من فضلاء المشايخ جزاهم الله خيرا أسأل الله تعالى أن يزيدني توفيقا وأن يبارك لي في آلي {ربنا هب لنا من أزواجنا وذرياتنا قرة أعين واجعلنا للمتقين إماما} ثم رزقت سنة 1383 هـ وأنا في المدينة المنورة غلاما فسميته محمدا ذكرى مدينته صلى الله عليه وسلم وعملا بقوله صلى الله عليه وسلم ` تسموا باسمي، ولا تكنوا بكنيتي ` متفق عليه وفي سنة 1386 هـ رزقت بأخ له فسميته عبد المهيمن، والحمد لله على توفيقه.
وجملة القول أنه لا يلزم من كون الحديث ضعيف السند، أن لا يكون في نفسه موضوعا، كما لا يلزم منه أن لا يكون صحيحا، أما الأول، فلما ذكرنا، وأما الآخر، فلاحتمال أن يكون له طرق وشواهد ترقيه إلى درجة الحسن أو الصحيح، وهذا أمر لا يتساهل السيوطي في مراعاته أقل تساهل، كما هو بين في تعقبه على ابن الجوزي في ` اللآليء المصنوعة ` بينما لا نراه يعطى الأمر الأول ما يستحقه من العناية والتقدير، فنجده في كثير من الأحاديث التي حكم ابن الجوزي بوضعها، يحاول تخليصها من الوضع، ناظرا إلى السند فقط، بينما ابن الجوزي نظر إلى المتن أيضا، وهو من دقيق نظره الذي يحمد عليه، ومنها الحديث الذي نحن في صدد الكلام عليه.
ولا يتقوى الحديث بأنه روى من حديث واثلة بن الأسقع، ومن حديث جعفر بن محمد عن أبيه عن جده، ومن حديث عبد الملك بن هارون بن عنترة عن أبيه عن جده، أخرجها ابن بكير في الجزء المذكور ` فضل من اسمه أحمد ومحمد ` لأن طرقها كلها لا تخلومن متهم، كما بينه ابن عراق في ` تنزيه الشريعة ` (82 / 1) .
أما حديث واثلة، ففيه عمر بن موسى الوجيهي، وهو وضاع، وأما حديث جعفر بن محمد عن أبيه عن جده، ففيه عبد الله بن داهر الرازي، اتهمه ابن الجوزي، ثم الذهبي، بالوضع، والحديث الثالث آفته عبد الملك بن هارون، وهو كذاب وضاع.
৪৩৭। যে ব্যক্তির তিনটি সস্তান ভূমিষ্ট হলো অতঃপর সে তাদের একজনেরও মুহাম্মাদ নামে নাম রাখল না, সে মূর্খ হয়ে গেছে (বা অত্যাচার করেছে)।
হাদীসটি জাল।
তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (১০৮-১০৯) বলেনঃ আমাদের নিকট হাদীসটি আহমাদ ইবনু নাযর আসকারী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আবু খায়সামা মুসআব ইবনু সাঈদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। এ মুস'আবের সূত্রে হাদীসটি হারিস ইবনু আবী উসামা তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (১৯৯-২০০) এবং ইবনু আদী (২/২৮০) বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এ মুসআব সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি নির্ভরশীলদের সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (ইবনু আদী) সেগুলো হতে তার তিনটি হাদীস উল্লেখ করেছেন।
যাহাবী সেগুলো সম্পর্কে পরক্ষণেই বলেছেনঃ এগুলো কতিপয় মুনকার এবং বিপদ ।
অতঃপর ইবনু আদী বলেনঃ তার বর্ণনাগুলোতে দুর্বলতা সুস্পষ্ট। সালেহ যাযারা বলেনঃ মুসআব অন্ধ শাইখ, কি বলেন তিনি তা জানেন না। এটির সনদে লায়স ইবনু আবু সুলায়েম রয়েছেন। তিনি সকলের ঐক্যমতে দুর্বল। ইবনু আবী হাতিম (৩/২/১৭৮) বলেনঃ তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল।
হাদীসটি ইবনুল জাওয়ী “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (১/১৫৪) ইবনু আদীর বর্ণনা হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি মূসা লাইস হতে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। লাইসকে আহমাদ ও অন্যরা মাতরূক হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তার শেষ বয়সে মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল। তিনি সনদকে পাল্টিয়ে ফেলতেন এবং মুরসালগুলোকে মারফু করে ফেলতেন। সুয়ূতী লাইস সম্পর্কে `আল-লাআলী` গ্রন্থে (১/১০১-১০২) যা বলেছেন তা সঠিক নয়। কারণ তার দুর্বল হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্ট। সেটি হচ্ছে মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটা।
হাদীসটির মুতাবায়াত ওয়ালীদ ইবনু আবদিল মালেক ইবনে মেসরাহ হাররানী হতে এসেছে। কে তার জীবনী রচনা করেছেন তা পাচ্ছি না । কিন্তু তার থেকে বর্ণনাকারী আবু বাদর আহমাদ ইবনু খালেদ ইবনে মেসরাহ হাররানী সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি কিছুই না। যার কারণে এ মুতাবায়াতের কোনই মূল্য নেই। এছাড়া আরো যে সব সনদে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে সেগুলো মিথ্যার দোষে দোষী বর্ণনাকারী হতে মুক্ত নয়।
` مثل أصحابي مثل النجوم من اقتدى بشيء منها اهتدى `.
موضوع.
رواه القضاعي (109 / 2) عن جعفر بن عبد الواحد قال: قال لنا وهب بن جرير بن حازم عن أبيه عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة مرفوعا.
قلت: وكتب بعض المحدثين على الهامش وأظنه ابن المحب أو الذهبي:
هذا حديث ليس بصحيح.
قلت: يعني أنه موضوع وآفته جعفر هذا، قال الدارقطني:
يضع الحديث، وقال أبو زرعة: روى أحاديث لا أصل لها، وساق الذهبي أحاديث اتهمه بها، منها هذا، وقال:
إنه من بلاياه، وقد تقدم الحديث بنحوه مع الكلام على طرقه وأكثر ألفاظه برقم (58 - 62) فراجعه إن شئت فإن تحته فوائد جمة.
৪৩৮। আমার সাহাবীগণ হচ্ছে নক্ষত্রের ন্যায়। যে ব্যক্তি তাদের থেকে কোন কিছুর অনুসরণ করবে সে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে।
হাদীসটি জাল।
এটি কাযাঈ (২/১০৯) জাফার ইবনু আবদিল ওয়াহেদ সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ কোন মুহাদ্দিস টীকায় লিখেছেন, আমার ধারণা তিনি হচ্ছেন ইবনুল মুহিব অথবা যাহাবী, এ হাদীসটি সহীহ নয়।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এর দ্বারা বুঝিয়েছেন এটি বানোয়াট। তার সমস্যা হচ্ছে এ জাফার। তার সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। আবূ যুর'আহ বলেনঃ তিনি কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেছেন সেগুলোর কোন ভিত্তি নেই। যাহাবী তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করে সেগুলোর দ্বারা তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। এটি সেগুলোর একটি এবং বলেছেন তিনিই হচ্ছেন হাদীসটির সমস্যা।
` يا أهل مكة لا تقصروا الصلاة فى أدنى من أربعة برد من مكة إلى عسفان `.
موضوع.
أخرجه الطبراني في ` المعجم الكبير ` (3 / 112 / 1) والدارقطني في ` سننه ` (ص 148) ومن طريقه البيهقي (3 / 137 ـ 138) من طريق إسماعيل بن عياش عن عبد الوهاب بن مجاهد عن أبيه، وعطاء بن أبي رباح عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا موضوع، سببه عبد الوهاب بن مجاهد، كذبه سفيان الثوري، وقال الحاكم: ` روى أحاديث موضوعة `.
وقال ابن الجوزي: ` أجمعوا على ترك حديثه `.
وإسماعيل بن عياش ضعيف في روايته عن غير الشاميين، وهذه منها، فإن ابن مجاهد حجازي.
وقد قل البيهقي عقب الحديث:
` وهذا حديث ضعيف إسماعيل بن عياش لا يحتج به، وعبد الوهاب بن مجاهد ضعيف بمرة، والصحيح أن ذلك من قول ابن عباس `.
قلت: أخرجه البيهقي من طريق عمرو بن دينار عن عطاء به موقوفا، وسنده
صحيح.
وابن مجاهد، لم يسم في رواية الطبراني، ولذلك لم يعرفه الهيثمي (2 / 157) .
ومما يدل على وضع هذا الحديث، وخطأ نسبته إليه صلى الله عليه وسلم، ما قاله شيخ الإسلام ابن تيمية في رسالته في أحكام السفر (2 / 6 - 7 من مجموعة الرسائل والمسائل) :
هذا الحديث إنما هو من قول ابن عباس، ورواية ابن خزيمة وغيره له مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم باطلة بلا شك عند أئمة الحديث، وكيف يخاطب النبي صلى الله عليه وسلم أهل مكة بالتحديد، وإنما قام بعد الهجرة زمنا يسيرا وهو بالمدينة، لا يحد لأهلها حدا كما حده لأهل مكة، وما بال التحديد يكون لأهل مكة دون غيرهم من المسلمين؟!
وأيضا، فالتحديد بالأميال والفراسخ يحتاج إلى معرفة مقدار مساحة الأرض، وهذا أمر لا يعلمه إلا خاصة الناس، ومن ذكره، فإنما يخبر به عن غيره تقليدا، وليس هو مما يقطع به، والنبي صلى الله عليه وسلم لم يقدر الأرض بمساحة أصلا، فكيف يقدر الشارع لأمته حدا لم يجر به له ذكر في كلامه، وهو مبعوث إلى جميع الناس؟!
فلابد أن يكون مقدار السفر معلوما علما عاما.
ومن ذلك أيضا أنه ثبت بالنقل الصحيح المتفق عليه بين علماء الحديث أن النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع كان يقصر الصلاة بعرفة، ومزدلفة، وفي أيام منى، وكذلك أبو بكر وعمر بعده، وكان يصلي خلفهم أهل مكة، ولم يأمروهم بإتمام الصلاة، فدل هذا على أن ذلك سفر، وبين مكة وعرفة بريد، وهو نصف يوم بسير الإبل والأقدام.
والحق أن السفر ليس له حد في اللغة ولا في الشرع فالمرجع فيه إلى العرف، فما كان سفرا في عرف الناس، فهو السفر الذي علق به الشارع الحكم، وتحقيق هذا البحث الهام تجده في رسالة ابن تيمية المشار إليها آنفا، فراجعها فإن فيها فوائد هامة لا تجدها عند غيره.
৪৩৯। হে মক্কাবাসী! মক্কা হতে উসফান পর্যন্ত চার বুরুদ-এর কম দূরত্বে তোমরা সালাত কসর করো না।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১১২/১), দারাকুতনী তার `সুনান` গ্রন্থে (পৃ. ১৪৮) এবং তার সূত্র হতে বাইহাকী (৩/১৩৭-১৩৮) ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ হতে, তিনি আব্দুল ওয়াহাব ইবনু মুজাহিদ ... হতে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি বানোয়াট। কারণ আব্দুল ওয়াহাব ইবনু মুজাহিদকে সুফিয়ান সাওরী মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। হাকিম বলেছেনঃ তিনি কতিপয় জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল জাওয়ী বলেনঃ সকলেই তার হাদীসকে পরিত্যাগ করতে ঐকমত্য হয়েছেন। শামীদের ছাড়া অন্যদের থেকে ইসমাঈল ইবনু আইয়াশের বর্ণনা দুর্বল। আর এটি সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত। কারণ তিনি হচ্ছেন ইবনু মুজাহিদ হিজাজী।
বাইহাকী বলেনঃ এ হাদীসটি দুর্বল। ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না এবং আব্দুল ওয়াহাব ইবনু মুজাহিদ একেবারে দুর্বল। সঠিক হচ্ছে এটি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কথা। বাইহাকী আমর ইবনু দীনার সূত্রে আতা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসাবে হাদীসটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
ইবনু তাইমিয়া তার “আহকামুস সাফার” গ্রন্থে (২/৬-৭) বলেছেনঃ এটি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বাণী। ইবনু খুযায়মা ও অন্যদের থেকে যে মারফু হিসাবে বর্ণিত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে হাদীস শাস্ত্রের ইমামগণের নিকট বাতিল। কীভাবে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কাবাসীদের সম্বোধন করবেন কসরের সীমা রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে, যেখানে তিনি হিজরতের পরে সামান্য সময় ছিলেন। অথচ মদিনাবাসীদের জন্য কোন সীমা রেখা নির্ধারণ করলেন না যেভাবে মক্কাবাসীদের জন্য নির্ধারণ করলেন। অথচ তিনি সেখানেই বাকী জীবন কাটিয়েছেন। আর কিই বা কারণ আছে যে, অন্যদের বাদ দিয়ে সীমা নির্ধারণ হবে মক্কাবাসীদের জন্য?
সহীহ হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে (যা বুখারী এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন) যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জে আরাফায়, মুযদালফায় এবং মিনার দিনগুলোতে মিনায় সালাত কসর করে আদায় করেছেন। অনুরূপভাবে আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং উমারও (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার পরে সালাত কসর করে আদায় করেছেন এবং তাদের পিছনে মক্কাবাসীরাও সালাত আদায় করেছেন। অথচ তারা তাদেরকে সালাত পূর্ণ করার নির্দেশ দেননি। এটি প্রমাণ করছে যে, সেটি ছিল মক্কাবাসীদের জন্যও সফর। অথচ মক্কা এবং আরাফার মধ্যের দূরত্ব ছিল মাত্র এক বারিদ যা পায়ে হেঁটে এবং উটে চড়ে অর্ধ দিবসের রাস্তা। [(বিঃ দ্রঃ) এক বারিদ হচ্ছে বার (১২) মাইল।] হক হচ্ছে এই যে, সফরের কোন নির্দিষ্ট সীমা শরীয়তে নেই। যেটাকে লোকেরা সাধারণত সফর বুঝে সেটিই সফর।
` حسن الخلق يذيب الخطايا كما تذيب الشمس الجليد، وإن الخلق السوء يفسد العمل كما يفسد الخل العسل `.
ضعيف جدا.
رواه ابن عدي (304 / 2) عن عيسى بن ميمون: سمعت محمد بن كعب، عن ابن عباس مرفوعا به، ساقه في ترجمة عيسى بن ميمون في جملة أحاديث ثم قال:
وعامة ما يرويه لا يتابعه عليه أحد، ثم روى عن ابن معين أنه قال فيه: ليس بشيء، وقال البخاري: صاحب مناكير، والنسائي: متروك الحديث.
قلت: وقال ابن حبان: يروي أحاديث كلها موضوعات، ولهذا لم يحسن السيوطي بإيراده لهذا الحديث في ` الجامع الصغير ` من رواية ابن عدي هذه مقتصرا على الشطر الأول منه! وقد علق عليه المناوي بما لا يتبين منه حال الحديث بدقة فقال: ورواه البيهقي في ` الشعب ` وضعفه، والخرائطى في ` المكارم `، قال العراقي: والسند ضعيف، لكن شاهده خبر الطبراني بسند ضعيف أيضا، ويشير بخبر الطبراني إلى الحديث الآتي، وخفي عليه أنه من هذه الطريق
أيضا! وأما حديث الخرائطي فهو عنده من حديث أنس، وسيأتي بعد حديث.
৪৪০। সচ্চরিত্র গুনাহগুলোকে গলিয়ে ফেলে যেমনভাবে সূর্য বরফকে গলিয়ে ফেলে এবং খারাপ চরিত্র আমলকে নষ্ট করে দেয় যেমনভাবে সেরকা মধুকে নষ্ট করে দেয়।
হাদিসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি ইবনু আদী (২/৩০৪) ঈসা ইবনু মায়মূন হতে ... তার জীবনী সম্পর্কে আলোচনা করার সময় বর্ণনা করে বলেছেনঃ তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন কেউ তার অনুসরণ করেননি। তিনি ইবনু মাঈনের উদ্ধৃতিতে বলেছেনঃ তিনি কিছুই না। বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারের অধিকারী। নাসাঈ বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস।
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ তিনি কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেছেন সেগুলোর সবই বানোয়াট। এ কারণেই সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে ভাল কাজ করেন নি।