সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ
بتحقيقي) :
` وهو أولى من المرفوع `.
وقد روي الحديث من حديث عبادة بن الصامت مختصرا، وقد مضى برقم (940) .
৪৬১। নারীরা হচ্ছে খেলনার পাত্র, অতএব তোমরা তাদের বাছাই করে নাও।
হাদীসটি মুনকার।
এটি হাকিম তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে এবং তার থেকে দাইলামী মুয়াল্লাক হিসাবে (৩/১১০) ইবনু লাহীয়ার সূত্রে আহওয়াস ইবনু হাকীম হতে ... মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। সুয়ূতী `আল-লাআলী` গ্রন্থে (২/১৮৯) হাদীসটি অনুরূপ অর্থে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর হাদীসের শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
ইবনুল জাওষী বলেনঃ এটি সহীহ নয়।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সুয়ূতী অভ্যাসগতভাবে এ শাহেদটির ব্যাপারে চুপ থেকেছেন, অথচ সেটি নিতান্তই দুর্বল। তাতে তিনটি সমস্যা রয়েছেঃ ইবনু লাহীয়াহ দুর্বলতায় প্রসিদ্ধ। আহওয়াস; তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন এবং ইবনুল মাদীনী বলেনঃ তিনি কিছুই না। তার পরেও এটি হচ্ছে মুনকাতি। আহওয়াস এবং আমরের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। এ জন্যে ইবনু আররাক (২/২২৬) বলেনঃ হাদীসটির সনদ দুর্বল। হাদীসটি দুর্বল ও মুনকার হওয়ার প্রমাণ বহন করছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সাব্যস্ত এ হাদীসটি “إنما النساء شقائق الرجال” নারীরা হচ্ছে পুরুষদের সহোদর। সহীহ্ আবৃ দাউদঃ (২৩৪)।
` إنما النساء لعب فمن اتخذ لعبة فليحسنها أو فليستحسنها `.
ضعيف.
رواه الحارث بن أبي أسامة في ` مسنده ` (ص 116 - زوائده) : حدثنا أحمد بن يزيد حدثنا عيسى بن يوسف عن زهير بن محمد عن أبي بكر بن حزم مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد ضعيف، وفيه ثلاث علل:
الإرسال، فإن أبا بكر وهو ابن محمد بن عمرو بن حزم الأنصاري تابعي مات سنة (120) .
وضعف زهير بن محمد الخراساني الشامي.
وأحمد بن يزيد لم أعرفه ويحتمل أنه ابن الورتنيس المصري، فقد ذكر له رواية عن عيسى بن يونس في ` تهذيب الكمال `، فإن كان هو ففيه ضعف، والله أعلم.
وهذا الحديث مما فات السيوطي فلم يورده في ` الجامع الكبير ` ولا في ` اللآليء ` وكذلك فات ابن عراق فلم يورده في ` تنزيه الشريعة ` والمناوي في ` الجامع الأزهر `.
৪৬২। মেয়েরা হচ্ছে খেলনার পাত্র। অতএব যে ব্যক্তি খেলনা গ্রহণ করবে, সে তার সাথে উত্তম আচরণ করবে অথবা তাকে ভালভাবে গ্রহণ করবে।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি হারিস ইবনু আবু উসামা তার `মুসনাদ` গ্রন্থে (পৃ. ১১৬) বর্ণনা করেছেন। যার সনদে আহমাদ ইবনু ইয়াযীদ এবং যুহায়ের ইবনু মুহাম্মাদ রয়েছেন...৷
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদটি তিনটি কারণে দুর্বলঃ এটি মুরসাল; কারণ আবু বাকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হাযম আনসারী একজন তাবেঈ। তিনি ১২০ সালে মারা যান। যুহায়ের ইবনু মুহাম্মাদ খুরাসানী শামী; তিনি দুর্বল। এছাড়া বর্ণনাকারী আহমাদ ইবনু ইয়াযীদকে চিনি না। তিনি যদি ইবনু ওয়ারতানীস মিসরী হন, তাহলে তিনি দুর্বল।
` فيما سقت السماء العشر، وفيما سقي بنضح أو غرب نصف العشر في قليله وكثيره `.
موضوع بهذه الزيادة: ` في قليله وكثيره `.
رواه أبو مطيع البلخي عن أبي حنيفة عن أبان بن أبي عياش عن رجل عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.
قلت: وهذا موضوع، أبو مطيع البلخي واسمه الحكم بن عبد الله صاحب أبي حنيفة قال أبو حاتم: كان كذابا، وقال الجوزجاني: كان من رؤساء المرجئة ممن يضع الحديث، وضعفه سائر الأئمة، وقد اتهمه الذهبي بوضع حديث يأتي عقب هذا، وأبان بن أبي عياش متهم أيضا وقد مضى له أحاديث.
والحديث أورده الزيلعي في ` نصب الراية ` (2 / 385) وقال: قال ابن الجوزي في ` التحقيق `: واحتجت الحنفية بما روى أبو مطيع البلخي عن أبي حنيفة … قال: وهذا الإسناد لا يساوي شيئا، أما أبو مطيع فقال ابن
معين: ليس بشيء، وقال أحمد لا ينبغي أن يروى عنه، وقال أبو داود: تركوا حديثه، وأما أبان فضعيف جدا، ضعفه شعبة.
قلت: بل كذبه شعبة كما في الميزان وقد تقدم.
ومما يدل على كذب هذا الحديث أن البخاري أخرجه في ` صحيحه ` من حديث ابن عمر دون قوله: ` في قليله وكثيره ` وكذلك رواه مسلم من حديث جابر والترمذي من حديث أبي هريرة وهو مخرج في ` الإرواء ` (799) فهذه الزيادة باطلة ويزيدها بطلانا ما في ` الصحيحين ` وغيرهما عنه صلى الله عليه وسلم ` ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة ` وهو مخرج في ` الإرواء ` أيضا (800) وبهذا الحديث الصحيح أخذ الإمام محمد خلافا لشيخه أبي حنيفة كما صرح به في ` كتاب الآثار ` (ص 52) .
فهذا أيضا من آثار الأحاديث الضعيفة إيجاب ما لم يوجبه الله على عباده وعلى الرغم من هذا فإننا لا نزال نسمع بعضهم يجهر بمثل هذا الإيجاب أخذا بما تقتضيه المصلحة كما زعموا.
৪৬৩। আসমান যে যমীনে পানি (বৃষ্টি) দিবে তাতে উৎপন্ন শষ্যে দশমাংশ, আর যে যমীনে সেচের মাধ্যমে (উট ব্যবহারের দ্বারা) বা বালতি দিয়ে পানি দেয়া হয়েছে তাতে উৎপন্ন শষ্যে বিশমাংশ যাকাত দিতে হবে। উৎপন্ন শষ্য কম হোক আর বেশী হোক কোন পার্থক্য নেই।
হাদীসটি এ বর্ধিত অংশের কারণে في قليله وكثيره জাল।
এটি আবু মুতী আল-বালখী আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে, তিনি আবান হতে, তিনি আবু আইয়াশ হতে, তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এক ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি বানোয়াট। আবু মতী' বালখীর নাম হাকাম ইবনু আবদিল্লাহ, তিনি আবু হানীফার (রাহিমাহুল্লাহ) সাথী। তার সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি ছিলেন মিথ্যুক। জুযজানী বলেনঃ তিনি ছিলেন মুরজিয়া সম্প্রদায়ের হাদীস জলিকারী নেতাদের একজন। তাকে ইমামগণ দুর্বল বলেছেন। যাহাবী তাকে হাদীস জাল করার দোষে দোষী করেছেন। আবান ইবনু আবী আইয়াশও মিথ্যার দোষে দোষী।
যায়লাঈ হাদীসটি “নাসবুর রায়া” গ্রন্থের মধ্যে (২/৩৮৫) উল্লেখ করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ ইবনুল জাওয়ী “আত-তাহকীক” গ্রন্থে বলেনঃ হানাফীরা আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে যে সব হাদীস আবু মুতী বালখী বর্ণনা করেছেন তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এ সনদটি কোন বস্তুরই সমতুল্য নয়। আবু মুতী সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি কিছুই না। আহমাদ বলেনঃ তার থেকে বর্ণনা করা উচিত নয়। আবু দাউদ বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ তার হাদীসকে পরিত্যাগ করেছেন। আবানও নিতান্তই দুর্বল। তাকে শু’বা দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে শু’বা তাকে মিথ্যুক বলেছেন। ইমাম বুখারী যে হাদীসটি তার সহীহার মধ্যে ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস হতে উৎপন্ন শষ্য কম হোক আর বেশী হোক কোন পার্থক্য নেই এ অংশটুকু বাদ দিয়ে বর্ণনা করেছেন, সেটি আলোচ্য হাদীসটি মিথ্যা হওয়ার প্রমাণ বহন করছে। অনুরূপভাবে মুসলিম জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এবং তিরমিযী আবু হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। “ইরওয়াউল গালীল” গ্রন্থে (৭৯৯) আমি এটির তাখরীজ করেছি।
এ বর্ধিত অংশটুকু যে বাতিল তাতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। এ বাতিল হওয়াকে আরো শক্তিশালী করছে বুখারী এবং মুসলিমে বর্ণিত রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ বাণীঃليس فيما دون خمسة أوسق صدقة `পাঁচ আসাকের নিচে কোন সাদাকা (যাকাত) নেই।` এটিরও `ইরওয়াউল গালীল` গ্রন্থে (৮০০) তাখরীজ করেছি। ইমাম মুহাম্মাদ এ সহীহ হাদীস গ্রহণ করে তার শাইখ আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) এর বিরোধিতা করেছেন। যেমনটি তিনি “কিতাবুল আসার” গ্রন্থে (পৃ. ৫২) এবং `মুওয়াত্তার” মধ্যে (পৃ. ১৬৯) স্পষ্টভাবে বলেছেন।
যা বান্দাদের উপর ওয়াজিব নয় তা ওয়াজিব করে দেয়া হচ্ছে দুর্বল হাদীসের একটি মন্দ দিক। এ হাদীসটি তারও প্রমাণ বহন করছে।
` الإيمان مثبت في القلب كالجبال الرواسي، وزيادته ونقصه كفر `.
موضوع.
أخرجه ابن حبان في ` الضعفاء ` (2 / 103) في ترجمة عثمان بن عبد الله بن عمرو الأموي من روايته عن حماد بن سلمة عن أبي المهزم عن أبي هريرة
قال:
لما قدم وفد ثقيف على رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: جئناك نسألك عن الإيمان أيزيد أو ينقص؟ قال … فذكره.
قال ابن حبان وتبعه الذهبي: فهذا وضعه أبو مطيع على حماد، فسرقه هذا الشيخ منه، وكان قدم خراسان فحدثهم عن الليث ومالك، وكان يضع عليهم الحديث لا يحل كتب حديثه إلا على سبيل الاعتبار، وأقره الحافظ في ` اللسان `.
وأبو مطيع هذا هو البلخي صاحب أبي حنيفة سبق ذكره في الحديث الذي قبل هذا.
والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` من رواية الحاكم من طريق أبي مطيع حدثنا حماد بن سلمة به، وقال ابن الجوزي: موضوع أبو مطيع الحكم بن عبد الله كذاب، وكذا أبو مهزم، وسرقه منه عثمان بن عبد الله بن عمرو بن عثمان بن عفان وهو أيضا كذاب وضاع، قال الحاكم: إسناده فيه ظلمات، والحديث باطل، والذي تولى كبره أبو مطيع وسرقه منه عثمان فرواه عن حماد.
ووافقه السيوطي في ` اللآليء ` (1 / 38) .
قلت: وهذا الحديث مخالف للآيات الكثيرة المصرحة بزيادة الإيمان كقوله تعالى:
{ … ليزداد الذين آمنوا إيمانا … } (الفتح: 4) فكفى بهذا دليلا على بطلان مثل هذا الحديث وإن قال بمعناه جماعة.
৪৬৪। ঈমান অন্তরে স্থায়ী পর্বতমালার ন্যায় প্রতিষ্ঠিত। তার বৃদ্ধি হওয়া ও কমে যাওয়া কুফরী।
হাদীসটি জাল।
এটি ইবনু হিব্বান “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (২/১০৩) উসমান ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে আমর উমুবীর জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান এবং (তার অনুসরণ করে) যাহাবী বলেনঃ এ হাদীসটি আবু মুতী হাম্মাদের উপর জাল করেছেন এবং তার থেকে চুরি করেছেন এ শাইখ (উসমান ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে আমর ইবনে উসমান)। তিনি খুরাসানে এসেছিলেন, অতঃপর তাদের নিকট লায়স এবং মালেক হতে হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি তাদের উপর হাদীস জাল করতেন। সাবধানতা অবলম্বনের উদ্দেশ্য ছাড়া তার হাদীস লিখাই হালাল নয়। হাফিয ইবনু হাজার তার এ বক্তব্যকে `আল-লিসান` গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।
এ আবু মুতী হচ্ছেন সেই বালখী যিনি আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সাথী। পূর্বের হাদীসে তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (১/১৩১) হাকিমের বর্ণনায় আবু মুতীর সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। আবু মুতী হচ্ছেন হাকাম ইবনু আবদিল্লাহ, তিনি মিথ্যুক। আবূ মুহাযেমও একই রকম। তার থেকে চুরি করেছেন উসমান ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে আমর ইবনে উসমান ইবনে আফফান, তিনিও জালকারী মিথ্যুক। হাকিম বলেনঃ সনদটিতে বহু অন্ধকার রয়েছে এবং হাদীসটি বাতিল। এর জন্য দায়ী আবু মুতী। তার থেকে চুরি করেছেন উসমান, অতঃপর হাম্মাদ হতে বর্ণনা করেছেন।
সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/৩৮) তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি ঈমান বাড়ার বিষয়ে বহু সুস্পষ্ট আয়াত বিরোধী । যেমন সূরা ফাতাহের ৪ নং আয়াত এবং সূরা আনফালের ২ নং আয়াত।
` إن لغة إسماعيل كانت قد درست فأتاني بها جبريل فحفظتها `.
ضعيف.
أخرجه الحاكم في ` معرفة علوم الحديث ` (ص 116) من طريق علي بن خشرم قال:
حدثنا علي بن الحسين بن واقد قال: بلغني أن عمر بن الخطاب قال:
يا رسول الله إنك أفصحنا ولم تخرج من بين أظهرنا؟ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم … فذكره.
قلت: وعلته الانقطاع بين علي بن الحسين وعمر، وقد وصله الحاكم وكذا الغطريف في جزء له (ورقة 4 وجه 2 من مجموع 54 في ظاهرية دمشق) من طريق حامد (وفي جزء الغطريف: حماد) بن أبي حمزة السكري قال حدثنا علي بن الحسين بن واقد قال حدثنا أبي عن عبد الله بن بريدة عن أبيه عن عمر بن الخطاب به.
قلت: وحامد هذا أو حماد لم أجد له ترجمة، ووالده أبو حمزة السكري مشهور ثقة واسمه محمد بن ميمون ولم يذكروا في الرواة عنه ابنه هذا فالله أعلم.
وقد أعله الحاكم بالرواية الأولى وهي أصح لأن علي بن خشرم ثقة معروف احتج به مسلم.
والحديث عزاه السيوطي في ` الجامع الصغير ` للغطريف وابن عساكر، ولم يتكلم عليه الشارح المناوي بشيء وكأنه لم يقف على إسناده.
ثم رأيته قال في شرحه الآخر ` التيسير ` قال ابن عساكر: غريب معلول.
৪৬৫। ইসমাঈলের ভাষা শিক্ষা গ্রহণ করেছিল। আমার নিকট জিবরীল তা নিয়ে আসেন, অতঃপর আমি তা হেফয করি।
হাদিসটি দুর্বল।
এটি হাকিম “মারিফাতু উলুমিল হাদীস” গ্রন্থে (পৃ. ১১৬) আলী ইবনু খাসরাম সূত্রে ‘আলী ইবনু হুসাইন হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সমস্যা হচ্ছে সনদে বিচ্ছিন্নতা আলী ইবনু হুসাইন এবং উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মধ্যে।
হাদীসটিকে হাকিম এবং অনুরূপভাবে গাতরীফ মওসূল হিসাবে তার “জুযউ” গ্রন্থে (পৃঃ ৪/২) হামেদ (এর স্থলে জুযউ গাতরীফ গ্রন্থেঃ হাম্মাদ এসেছে) ইবনু আবী হামযা সাকারীর সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হামেদ অথবা হাম্মাদের জীবনী পাচ্ছি না। তার পিতা আবু হামযা প্রসিদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য। তার নাম মুহাম্মাদ ইবনু মায়মূন। তার জীবনী রচয়িতাগণ তার থেকে বর্ণনাকারী হিসাবে তার ছেলের নাম উল্লেখ করেননি।
ইবনু আসাকির বলেনঃ হাদীসটি গারীব রোগাক্রান্ত।
` علماء أمتي كأنبياء بني إسرائيل `.
لا أصل له.
باتفاق العلماء، وهو مما يستدل به القاديانية الضالة على بقاء النبوة بعده صلى الله عليه وسلم، ولوصح لكان
حجة عليهم كما يظهر بقليل من التأمل.
৪৬৬। আমার উম্মাতের আলেমগণ বানি ইসরাইলের নবীগণের ন্যায়।
সকল আলেমের ঐক্যমতে এটির কোন ভিত্তি নেই।
পথভ্রষ্ট কাদিয়ানী সম্প্রদায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে নবুয়াত অবশিষ্ট থাকার প্রমাণ হিসাবে এটির দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছে। যদি সহীহ্ হত তাহলে তাদের বিপক্ষে এটি দলীল হত। যেমনটি একটু চিন্তা করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।
` من صلى بين المغرب والعشاء عشرين ركعة بنى الله له بيتا في الجنة `.
موضوع.
أخرجه ابن ماجه (1 / 414) وابن شاهين في ` الترغيب والترهيب ` (ق 172 / 1 و277 - 278) من طريق يعقوب بن الوليد المديني عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا.
قال البوصيري: في ` الزوائد ` (ق 85 / 1) : في إسناده يعقوب بن الوليد اتفقوا على ضعفه، وقال فيه الإمام أحمد: من الكذابين الكبار، وكان يضع الحديث.
قلت: وقد كذبه أيضا ابن معين وأبو حاتم، ومع هذا فقد أورد حديثه هذا السيوطي في ` الجامع الصغير `.
واعلم أن كل ما جاء من الأحاديث في الحض على ركعات معينة بين المغرب والعشاء لا يصح وبعضه أشد ضعفا من بعض، وإنما صحت الصلاة في هذا الوقت من فعله صلى الله عليه وسلم دون تعيين عدد، وأما من قوله صلى الله عليه وسلم فكل ما روي عنه واه لا يجوز العمل به، ومن هذا القبيل:
৪৬৭। যে ব্যক্তি মাগরীব এবং এশার মধ্যে বিশ রাকায়াত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন।
হাদীসটি জাল।
এটি ইবনু মাজাহ (১/৪১৪) এবং ইবনু শাহীন “আত-তারগীব ওয়াত তারহীব” গ্রন্থে (কাফ ১৭২/১, ২৭৭-২৭৮) ইয়াকুব ইবনু ওয়ালীদ মাদীনীর সূত্রে হিশাম ইবনু উরওয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।
বুসয়র “আয-যাওয়াইদ” গ্রন্থে (কাফ ৮৫/১) বলেনঃ এটির সনদে ইয়াকুব ইবনুল ওয়ালীদ রয়েছেন। তিনি দুর্বল এ ব্যাপারে সকলেই একমত। তার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেনঃ তিনি বড় বড় মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি হাদীস জাল করতেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু মাঈন এবং আবু হাতিমও তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও সুয়ূতী তার এ হাদীসটিকে `জামেউস সাগীর` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। জেনে রাখুনঃ মাগরীব এবং এশার মধ্যে রাকা'য়াতের সংখ্যা উল্লেখ করে সালাত আদায়ে উৎসাহিত করে যে সব হাদীস এসেছে সেগুলোর কোনটিই সহীহ নয়। বরং একটি অন্যটির চেয়ে বেশী দুর্বল। এ সময়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাকায়াতের সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে সালাত আদায় করেছেন তা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। তবে
তার বাণী হিসাবে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে তা নিতান্তই দুর্বল। তার উপর আমল করা জায়েয হবে না।
` من صلى ست ركعات بعد المغرب قبل أن يتكلم غفر له بها ذنوب خمسين سنة `.
ضعيف جدا.
أخرجه ابن نصر في ` قيام الليل ` (ص 33) من طريق محمد بن غزوان الدمشقي حدثنا عمر بن محمد عن سالم بن عبد الله عن أبيه مرفوعا.
وذكره ابن أبي حاتم في ` العلل ` (1 / 78) من هذا الوجه ثم قال: قال أبو زرعة: اضربوا على هذا الحديث فإنه شبه موضوع، ومحمد بن غزوان الدمشقي منكر الحديث.
৪৬৮। যে ব্যক্তি মাগরীবের পরে কথা বলার পূর্বেই ছয় রাকায়াত সালাত আদায় করবে; তা দ্বারা তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি ইবনু নাসর “কিয়ামুল্লাইল” গ্রন্থে (পৃ. ৩৩) মুহাম্মাদ ইবনু গাযুওয়ান দামেস্কী সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি ইবনু আবী হাতিম তার “আল-ইলাল” গ্রন্থে এ সূত্রেই (১/৭৮) উল্লেখ করেছেন, অতঃপর বলেছেনঃ আবু যুরয়াহ বলেনঃ তোমরা এ হাদীসটিকে প্রহার কর। কারণ এটি বানোয়াট হাদিসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মুহাম্মাদ ইবনু গাযওয়ান দামেশকী মুনকারুল হাদিস।
` من صلى بعد المغرب ست ركعات لم يتكلم فيما بينهن بسوء عدلن له بعبادة ثنتي عشرة سنة `.
ضعيف جدا.
أخرجه الترمذي (2 / 299) وابن ماجه (1 / 355، 415) وابن نصر (ص 33) وابن شاهين في ` الترغيب ` (272 / 2) والمخلص في ` الفوائد المنتقاة ` (8 / 34 / 1) والعسكري في ` مسند أبي هريرة ` (71 / 1) وابن سمعون الواعظ في ` الأمالي ` (1 / 61 / 2) من طريق عمر بن أبي خثعم عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعا، وقال الترمذي: حديث غريب لا نعرفه إلا عن عمر بن أبي خثعم، وسمعت محمد بن إسماعيل (يعني البخاري) يقول: عمر بن عبد الله بن أبي خثعم منكر الحديث، وضعفه جدا، وقال الذهبي في ترجمته: له حديثان منكران هذا أحدهما.
৪৬৯। যে ব্যক্তি মাগরীবের পরে ছয় রাকায়াত সালাত আদায় করবে এমতাবস্থায় যে, সে তার মাঝে কোন মন্দ কথা বলবে না। এ সালাত তার জন্য বার বছরের ইবাদাতের সমতুল্য হয়ে যাবে।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি ইমাম তিরমিয়ী (২/২৯৯), ইবনু মাজাহ (১/৩৫৫, ৪১৫) এবং ইবনু নাসর (পৃঃ ৩৩), ইবনু শাহীন “আত-তারগীব” গ্রন্থে (২/২৭২), মুখাল্লেস “আল ফাওয়ায়েদুল মুন্তাকাত” গ্রন্থে (৮/৩৪/১), আসকারী “মুসনাদু আবী হুরাইরাহ” গ্রন্থে (১/৭১) এবং ইবনু সামউন ওয়ায়েয `আল-আমলী` গ্রন্থে (১/৬১/২) উমর ইবনু আবী খায়সাম সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাসীর হতে ... বর্ণনা করেছেন।
তিরমিয়ী বলেনঃ হাদীসটি গারীব। এটিকে উমার ইবনু আবী খাসয়াম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে চিনি না। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছিঃ উমর ইবনু আবী খাসয়াম মুনকারুল হাদীস। তাকে তিনি নিতান্তই দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। যাহাবী তার জীবনীতে বলেছেনঃ তার দুটি মুনকার হাদীস রয়েছে, সে দু’টোর এটি একটি।
` الوضوء من كل دم سائل `.
ضعيف.
أخرجه الدارقطني في ` سننه ` (ص 157) من طريق بقية عن يزيد بن خالد عن يزيد بن محمد عن عمر بن عبد العزيز قال: قال تميم الداري: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأعله الدارقطني بقوله:
عمر بن عبد العزيز لم يسمع من تميم الداري، ولا رآه، واليزيدان مجهولان، وأقره الزيلعي في ` نصب الراية ` (1 / 37) .
قلت: وبقية مدلس وقد عنعنه كما ترى، فهذه علة أخرى.
وقال عبد الحق في ` الأحكام الكبرى ` (ق 13 / 2) : وهذا منقطع الإسناد ضعيفه والحديث رواه ابن عدي في ترجمة أحمد بن الفرج عن بقية حدثنا شعبة بسنده عن زيد بن ثابت مرفوعا، قال الزيلعي: قال ابن عدي: هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث أحمد هذا، وهو ممن لا يحتج بحديثه لكنه يكتب، فإن الناس مع ضعفه قد احتملوا حديثه، انتهى.
وقال ابن أبي حاتم في ` كتاب العلل `: أحمد بن الفرج كتبنا عنه ومحله عندنا الصدق.
قلت: أحمد بن الفرج هذا حمصي ويلقب بـ ` الحجاري ` وقد ضعفه جدا محمد بن عوف وهو حمصي أيضا فهو أدرى به من غيره، فقال فيه: كذاب، وليس عنده في حديث بقية أصل، هو فيها أكذب خلق الله، إنما هي أحاديث وقعت له في ظهر قرطاس كتاب صاحب حديث في أولها مكتوب: حدثنا يزيد بن عبد ربه قال: حدثنا بقية … ثم اتهمه بشرب الخمر في كلام له رواه الخطيب (4 / 341) قال في آخره: فأشهد عليه بالله أنه كذاب، وكذلك كذبه غيره من العارفين به فسقط حديثه جملة ولم يجز أن يستشهد به فكيف يحتج به؟!
ثم رجعت إلى ابن عدي في ` الكامل ` فرأيته يقول (ق 44 / 1) بعد أن ساق الحديث:
ولبقية عن شعبة كتاب، وفيه غرائب، وتلك الغرائب ينفرد بها بقية عنه وهي محتملة، وهذا عن شعبة باطل.
والحق أنه لا يصح حديث في إيجاب الوضوء من خروج الدم، والأصل البراءة، كما قرره الشوكاني وغيره، ولهذا كان مذهب أهل الحجاز أن ليس في الدم وضوء، وهو مذهب الفقهاء السبعة من أهل المدينة وسلفهم في ذلك بعض الصحابة، فروى ابن أبي شيبة في ` المصنف ` (1 / 92) والبيهقي (1 / 141) بسند صحيح: ` أن ابن عمر عصر بثرة في وجهه فخرج شيء من دم فحكه بين أصبعيه ثم صلى ولم يتوضأ ` ثم روى ابن أبي شيبة نحوه عن أبي هريرة.
وقد صح عن عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنه أنه بزق دما في صلاته ثم مضى فيها، (راجع صحيح البخاري مع فتح البارى ج 1 ص 222 - 224) وتعليقي على ` مختصر البخاري ` (1 / 57) .
৪৭০। প্রত্যেক প্রবাহিত খুনেই (রক্তেই) ওযু করতে হবে।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি দারাকুতনী তার “সুনান” গ্রন্থে (পৃ. ১৫৭) বাকিয়া সূত্রে ইয়াযীদ ইবনু হতে এবং তিনি তামীমুদ দারেমী হতে ... বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনী তার দোষ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেনঃ উমার ইবনু আব্দিল আযীয তামীমুদ দারেমী হতে শুনেননি এবং তিনি তাকে দেখেনও নি। এ দুই ইয়াযীদ মাজহূল।
যায়লা'ঈ `নাসাবুর রায়` গ্রন্থে (১/৩৭) তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ বাকিয়া মুদাল্লিস আন্ আন্ শব্দে বর্ণনা করেছেন। এটি আরেকটি দোষ। আব্দুল হক “আল-আহকাম” গ্রন্থে (কাফ (১৩/২) বলেনঃ এটির সনদ মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।
হাদিসটি ইবনু আদী আহমাদ ইবনু ফারাজের জীবনীতে বাকিয়া ... হতে বর্ণনা করেছেন। যায়লা'ঈ বলেনঃ ইবনু আদী বলেছেনঃ আহমাদ ছাড়া হাদীসটি অন্য কারো মাধ্যমে চিনি না। আর তিনি সেই দলের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না, কিন্তু লিখা যায়। কারণ লোকদের নিকট সে দুর্বল হলেও তার হাদীস হাদীস হিসাবে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে বলেনঃ আহমাদ ইবনু ফারাজ থেকে আমরা লিখেছি, আমাদের নিকট তার অবস্থান সত্যবাদী হিসাবে।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আহমাদ ইবনু ফারাজ হচ্ছেন হিমসী। হিজাজী হচ্ছে তার উপাধী। তাকে মুহাম্মাদ ইবনু আউফ নিতান্তই দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। তিনিও হিমসী, অতএব তিনি তার সম্পর্কে অন্যদের চেয়ে বেশী জানেন। তিনি তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মিথ্যুক তার নিকট বাকিয়ার হাদীসের কোন ভিত্তি নেই এবং তাতে তিনি আল্লাহর সকল সৃষ্টির মধ্যে বেশী মিথ্যুক,
অতঃপর তিনি তাকে তার ভাষায় মদ পান করার দোষে দোষী করেছেন। যা খাতীব বাগদাদী (৪/২৪১) বর্ণনা করেছেন এবং তার শেষে বলেছেনঃ আমি আল্লাহর নাম নিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি মিথ্যুক।
অনুরূপভাবে তার সম্পর্কে যারা জানেন তারাও তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। অতএব কীভাবে তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায়। ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (কাফ ৪৪/১) বলেছেনঃ ... এ হাদীসটি (বাকিয়া সূত্রে) শু’বা হতে বাতিল।
হক কথা এই যে, রক্ত বের হলে ওযু ওয়াজিব হয় এ মর্মে বর্ণিত হাদীসগুলো সহীহ নয়। বাস্তবতা হচ্ছে এই যে, যা বর্ণিত হয়নি তা হতে বেঁচে চলা ও মুক্ত থাকাই হচ্ছে আসল। যেমনভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শাওকানী ও অন্যরা। রক্ত বের হলে ওযু নষ্ট হয় না এটিই হিজাজীদের এবং মদীনার সাত ফাকীহগণের এবং তাদের পূর্ববর্তীদেরও সিদ্ধান্ত।
ইবনু আবী শায়বা “আল-মুসান্নাফ” গ্রন্থে (১/৯২) এবং বাইহাকী (১/১৪১) সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেনঃ ইবনু উমার তার চেহারার ব্রন (ছোট ফোঁড়া) টিপ দিলে কিছু রক্ত বের হয়ে যায়। তিনি তা তার দুই আংগুলের মধ্যে ঘষে ফেলেন। অতঃপর ওযু না করে সালাত আদায় করেন।
ইবনু আবী শায়বা আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে সহীহ বর্ণনায় এসেছে, তিনি তার সালাতের মধ্যে রক্ত থুথু ফেলেন তার পরেও সালাত অব্যাহত রাখেন। দেখুনঃ “সহীহুল বুখারী ফতহুল বারী সহ” (১/২২২-২২৪) এবং “মুখতাসার বুখারীর” (১/৫৭) উপর আমার টীকায়।
` أبى الله أن يجعل للبلاء سلطانا على بدن عبده المؤمن `.
موضوع.
أخرجه الديلمي في ` مسنده ` (1 / 79 - 80) من طريق القاسم بن إبراهيم بن أحمد الملطي عن أبي أمية المبارك بن عبد الله عن مالك عن ابن شهاب عن أنس مرفوعا وأورده السيوطي في ` الجامع الصغير ` من رواية الديلمي عن أنس فقال شارحه المناوي: وفيه القاسم بن إبراهيم الملطي كذاب لا يطاق
قال في ` اللسان `: له
عجائب من الأباطيل.
قلت: فكيف أورد السيوطي حديثه في ` الجامع ` وقد ادعى أنه صانه عما تفرد به كذاب أو وضاع؟ ولا سيما وهذا الحديث ظاهر البطلان، فقد ثبت عنه صلى الله عليه وسلم أنه قال: ` أشد الناس بلاء الأنبياء ثم الأمثل فالأمثل، والمؤمن يبتلى على قدر دينه `.
ومن الغريب أن السيوطي نفسه قد حكم عليه بالوضع، إذ أورده في ` ذيل الموضوعات ` (ص 189) من رواية الديلمي نفسه وقال السيوطي: قال الخطيب: الملطي كذاب يضع الحديث روى عن أبي أمية عن مالك عجائب من الأباطيل، وقال غيره: أبو أمية المبارك أحد المجهولين.
قلت: وهو مع ذلك مجسم ضال، فانظر التعليق على الحديث الآتي برقم (476) .
৪৭১। আল্লাহ তা'আলা তার মুমিন বান্দার শরীরে বিপদের উদ্দেশ্যে কোন বাদশাকে নিয়োগ দিয়েছেন তা অস্বীকার করেছেন।
হাদীসটি জাল।
এটি দাইলামী তার “মুসনাদ` গ্রন্থে (১/৭৯-৮০) কাসেম ইবনু ইবরাহীম ইবনে আহমাদ মালাতী সূত্রে আবূ উমাইয়া মুবারাক ইবনু আব্দিল্লাহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
সুয়ুতী দাইলামীর বর্ণনায় `জামে'উস সাগীর` গ্রন্থে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্যকার মানবী বলেনঃ তাতে কাসেম ইবনু ইবরাহীম মালতী রয়েছেন; তিনি মিথ্যুক। তার সম্পর্কে “আল-লিসান” গ্রন্থে হাফিয বলেনঃ বাতিল হাদীস হতে তার আজব আজব কথা রয়েছে।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সুয়ুতী দাবী করেছেন যে, তার এ কিতাবকে তিনি জালকারী এবং মিথ্যুক হতে হেফাযাত করেছেন, তা সত্ত্বেও হাদীসটি “আল-জামে” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন?
বিশেষ করে এ হাদীসটি বাতিল হওয়াটা সুস্পষ্ট। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সাব্যস্ত হয়েছে তিনি বলেনঃ `লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা কঠিন বিপদ হচ্ছে নবীদের বিপদ, তার পর যারা তাদের ন্যায় এবং মুমিনদের পরীক্ষা করা হবে তাদের দ্বীনদারিত্বের পরিমাপে।` দেখুন “সহীহাহ` ১৪৩ নম্বর হাদীস।
আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, সুয়ূতী দাইলামীর বর্ণনায় তার “যায়লুল মাওযু'আত” গ্রন্থে (পৃ. ১৮৯) নিজে হাদীসটি জাল হিসাবে হুকুম লাগিয়েছেন। অতঃপর বলেছেনঃ আল-খাতীব মালাতী সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি মিথ্যুক হাদীস জালকারী। তিনি আবু উমাইয়াহ হতে মালেকের উদ্ধৃতিতে আজব আজব বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন। অন্যরা বলেছেনঃ আবু উমাইয়াহ মুবারাক মাজহুলদের একজন। তার পরেও তিনি তার `জামে` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
473) قول ابن تيمية المذكور وخلاصة بحثه المشار إليه وأقره، وهو الحق الذي لا ريب فيه، ولكنه في مكان آخر من كتابه `السير` رأيته يقول (13/233) :
`وحديث الطير - على ضعفه - فله طرق جمة، وقد أفردتها في جزء، ولم يثبت، ولا أنا بالمعتقد بطلانه`!
وذكر نحوه في `التذكرة`، إلا أنه قال في طرقه:
`ومجموعها يوجب أن يكون الحديث له أصل`!
قلت: هذا كلام مجمل لا يروي ولا يشفي، ولذلك فإني أوجه السؤال التالي إلى الحافظ الذهبي ومن وافقه من الحفاظ كالعسقلاني ومن قلده من بعض المتأخرين (1) :
ماهو هذا الأصل الذي يراد إثباته ولو بأدنى درجات الإثبات - ألا وهو الحسن لغيره - ، فإن الحديث فيه اضطراب كثير جداً، كما بينه الأخ الفاضل الشيخ سعد ابن آل حميد، فقال جزاه الله خيراً (ص 1470) :
`وبالجملة، فالحديث لا ينقصه كثرة طرق، وإنما يفتقر إلى سلامة المتن، فإنما أنكر من الأئمة هذا الحديث لما يظهر من متنه من تفضيل علي على الشيخين رضي الله عنهم، بالإضافة لما في متنه من ركة اللفظ والاضطراب.
فمما يدل على سقوط هذا الحديث اضطراب الرواة في متنه، فالمتأمل في متن الحديث من الطرق المتقدمة يجد الاختلاف ظاهراً بين الروايات، وهذه بعض الأمثلة..`.
(1) انظر (ص 1474) من التعليق على `مختصر استدراك الذهبي`.
قلت: فذكر خمسة منها، سبقه إلى ثلاثة منها الأخ البلوشي (ص 34 - 35) .
وقد غفل كلاهما عن المثال الأقوى، وهو أن في رواية لابن عساكر (12/242) بلفظ:
`اللهم! ائتني برجل يحب الله ورسوله`.
وكذا في رواية (12/244) أخرى وزاد:
`ويحبه الله ورسوله`.
وفي ثالث بلفظ:
`اللهم! أدخل علي من تحبه وأحبه`.
رواه ابن مردويه في الطريق (الرابع عشر) عند ابن الجوزي.
قلت: فلو أن الحديث كان في أكثر طرقه بلفظ من هذه الألفاظ المتفقة المعنى - ، ولم تكن باسم التفضيل `أحب خلقك` - ، لكان من الممكن القول بثبوته، ويكون كحديث الراية الصحيح الذي في بعض رواياته:
`لأعطين الراية رجلاً يفتح الله على يديه، يحب الله ورسوله، ويحبه الله ورسوله … ` رواه البخاري (4210) ، ومسلم (7/127) . لكن الواقع أن أكثر الروايات بلفظ اسم التفضيل: `أحب`.. ومن هنا جاء الحكم عليه بالوضع - كما تقدم - .
والمقصود: أن قول الذهبي في طرق الحديث: `ومجموعها يوجب أن يكون الحديث له أصل` إن يعنِ طرقه التي فيها لفظ: `أحب` الصريح بالتفضيل، فهو
باطل، وإن كان يعني الألفاظ الأخرى المثبتة لمطلق الحب، فالخطب سهل، لكن الذي يظهر لي من سياق كلامه وقول المتقدم: `ولا أنا بالمعتقد بطلانه` أنه يعني الأول، لأنه - بعد أن ساقه (13/232) - حاول تأويله بكلام غير مفهوم عندي، وقد سألت بعض من أثق بعلمهم ومعرفتهم، فما أفادوني شيئاً، وهو على كل حال مردود عندي برواية حديث الترجمة وما في معناها. والله سبحانه وتعالى أعلم.
৪৭২। ঋণ হচ্ছে ধর্মের অপমান স্বরূপ।
হাদীসটি জাল।
এটি কাযাঈ “মুসনাদুশ শিহাব” গ্রন্থে (৪/১) আব্দুল্লাহ ইবনু শাবীব ... হতে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু শাবীবকে ইবনু খাররাস মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন এ বলে যে, তিনি মিথ্যুকদের থেকে বানোয়াট হাদীস চুরি করেছেন। এ হাদীসটি সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত, তাতে আমি কোন প্রকার সন্দেহ করছি না। কারণ সহীহ্ সুন্নাতে সাব্যস্ত হয়েছে যে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার স্ত্রী ও অন্যরা একাধিকবার ঋণ গ্রহণ করেছেন। হাদীসটি সুয়ুতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে আবু নুয়াইম কর্তৃক “আল-মারিফাত” গ্রন্থের বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন।
মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেন যে, প্রথম সনদটি মুরসাল। যাতে আব্দুল্লাহ ইবনু শাবীব রিবাঈ রয়েছেন। তার সম্পর্কে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি প্রসিদ্ধ খবর বর্ণনাকারী, কিন্তু দুর্বল। হাকিম বলেনঃ তিনি যাহেবুল হাদীস। তিনি আরো বলেছেনঃ তার গর্দান উড়িয়ে দেয়া হালাল। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি খবরগুলো উল্টা পাল্টা করে ফেলতেন। অতঃপর তিনি তার এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
মানবী বলেনঃ কাযাঈর সনদে ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ রয়েছেন। যাহাবী তাকে `আয-যুয়াফা` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, তিনি বিতর্কিত ব্যক্তি, শক্তিশালী নন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার কথা হতে মনে হতে পারে যে, কাযাঈর “মুসনাদ” গ্রন্থে ইবনু শাবীব নেই, এমনটি নয়। সতর্কতা অবলম্বন করুন। অর্থাৎ তিনিও আছেন।
ইমাম আহমাদ “আয-যুহুদ” গ্রন্থে (১৩/১১/১) সহীহ সনদে মুয়ায (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। অতএব হাদীসটি মারফু হিসাবে বাতিল। কারণ মারফু হিসাবে আব্দুল্লাহ ইবনু শাবীব এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি হচ্ছেন মিথ্যার দোষে দোষী। আবু কাতাদা তার মুতাবায়াত করেছেন। কিন্তু মুয়াযকে (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উল্লেখ করেননি, যার জন্য সেটি মুরসাল। এ আবু কাতাদার নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ ইবনু ওয়াকেদ; তিনি মাতরূক। যেমনভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেন। অতএব এ মুতাবা'য়াতের কোন মূল্য নেই। অন্য একটি সূত্রে হাদীসটির মুতাবায়াত করা হয়েছে কিন্তু সেটির সনদে রয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আবু মাসউদ আসকারী, তিনি মাজহুল।
` الدين راية الله في الأرض، فإذا أراد الله أن يذل عبدا وضعه في عنقه `.
موضوع.
أخرجه أبو بكر الشافعي في ` الفوائد المنتقاة ` (13 / 93 / 2) والحاكم (2 / 24) والديلمي (2 / 150) من طريق بشر بن عبيد الدارسي حدثنا حماد بن سلمة عن أيوب عن نافع عن ابن عمر مرفوعا، وقال: صحيح على شرط مسلم، قلت: وهذا خطأ فاحش، لأن بشرا هذا ليس من رجال مسلم، ولا أخرج له أحد الستة، ثم هو
متهم، ولذلك تعقبه المنذري في ` الترغيب ` (3 / 32) والذهبي في ` التلخيص ` فقالا: بل فيه بشر بن عبيد الدارسي واه قال المناوي: فالصحة من أين؟ قال فيه ابن عدي: منكر الحديث عن الأئمة، بين الضعف جدا، وقد ساق له الذهبي في ` الميزان ` أحاديث ثم قال: إنها غير صحيحة، والله المستعان.
ثم ساق له آخر وقال: إنه موضوع.
ولست أشك في أن هذا الحديث موضوع لما ذكرته في الحديث الذي قبله، ومثله:
৪৭৩। ঋণ হচ্ছে যমীনের মধ্যে আল্লাহর ঝাণ্ডা। যখন আল্লাহ কাউকে বেইজ্জত করার ইচ্ছা করেন তখন তার কাধে তা (ঋণ) চাপিয়ে দেন।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু বাকর আশ-শাফেঈ `আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাত` গ্রন্থে (১৩/৯৩/২), হাকিম (২/২৪) এবং দাইলামী (২/১৫০) বিশর ইবনু ওবায়েদ আদ দারেসী সূত্রে হাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর (হাকিম) বলেনঃ মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীসটি সহীহ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি সুস্পষ্ট ভুল। কারণ বিশর মুসলিমের বর্ণনাকারী নন। ছয়টি হাদীস গ্রন্থের কেউ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেননি। তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। এ জন্য মুনযেরী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (৩/৩২) এবং যাহাবী “আত-তালখীস” গ্রন্থে তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ বিশর ইবনু ওবায়েদ দারেসী খুবই দুর্বল। মানবী বলেনঃ সহীহ কোথা হতে? যার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেছেনঃ তিনি ইমামদের নিকট মুনকারুল হাদীস এবং তিনি সুস্পষ্টভাবে খুবই দুর্বল। যাহাবী তার কতিপয় হাদীস “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর বলেছেনঃ সেগুলো সহীহ নয়। অতঃপর তার অন্য একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি জাল।
আমি (আলবানী) এ হাদীসটি জাল হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ করছি না।
` الدين ينقص من الدين والحسب `.
موضوع.
أخرجه الديلمي (2 / 152) من طريق أبي الشيخ بسنده عن الحكم بن عبد الله الأيلي عن القاسم عن عائشة مرفوعا وعزاه في ` الجامع ` للديلمي وتعقبه شارحه المناوي بقوله:
وفيه الحكم بن عبد الله الأيلي، قال الذهبي في ` الضعفاء `: متروك متهم بالوضع، ورواه عنها أيضا أبو الشيخ، ومن طريقه وعنه أورده الديلمي مصرحا، فلوعزاه للأصل لكان أولى.
৪৭৪। ঋণ ধর্ম ও বংশ মর্যাদাতে ক্রটি আনয়ন করে।
হাদীসটি জাল।
এটি দাইলামী (২/১৫২) আবুশ শায়খের সূত্রে হাকাম ইবনু আবদিল্লাহ উবুল্লী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
দাইলামীর উদ্ধৃতিতে “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ সনদে হাকাম ইবনু আবদিল্লাহ উবুল্লী রয়েছেন। যাহাবী তার সম্পর্কে “আয-যুয়াফা` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাতরূক, জাল করার দোষে দোষী
` السلطان ظل الله في أرضه من نصحه هدى، ومن غشه ضل `.
موضوع.
أخرجه أبو نعيم في كتاب ` فضيلة العادلين ` (ورقه 226 وجه 1 من مجموع 60 - ظاهرية دمشق) من طريق يحيى بن ميمون، حدثنا حماد بن سلمة عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة مرفوعا، ومن طريق داود بن المحبر قال حدثنا عقبة بن عبد الله عن قتادة عن أنس مرفوعا نحوه.
قلت: وهذان إسنادان موضوعان، في الأول يحيى بن ميمون وهو ابن عطاء البصري، قال الدارقطني وغيره:
متروك، وقال الفلاس وغيره: كان كذابا.
وفي الآخر: داود بن المحبر، وهو متهم أيضا وقد تقدم، ومن طريقه رواه العقيلي في ` الضعفاء ` (358) وقال: عقبة مجهول بالنقل، وحديثه منكر غير محفوظ، ولا يعرف إلا به، ولا يتابعه إلا نحوه في الضعف.
وذكره في ` الجامع الصغير ` من رواية البيهقي في ` الشعب ` عن أنس وتعقبه المناوي بقوله: وفيه محمد بن يونس القرشي وهو الكديمي الحافظ، اتهمه ابن عدي بوضع الحديث، وقال ابن حبان: كان يضع على الثقات، قال الذهبي في ` الضعفاء ` عقبه: قلت: انكشف عندي حاله.
قلت: ومن طريقه أخرجه أبو سعد عبد الرحمن بن حمدان في جزء من ` أماليه ` (151 / 2) قال: أخبرنا يعقوب بن إسحاق الحضرمي أخبرنا عقبة بن عبد الله الرفاعي أخبرنا قتادة عن أنس وكذلك هو في ` الشعب ` (6 / 19 / 7376) موقوف.
৪৭৫। বাদশা হচ্ছে আল্লাহর যমীনে তার ছায়া। যে তাকে নসীহত করবে, সে হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে। আর যে তার সাথে প্রতারণা করবে, সে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু নুয়াইম `ফাযীলাতুল আদেলীন` গ্রন্থে (পাতা ২২৬/১-৬০ হতে) ইয়াহইয়া ইবনু মায়মুন সূত্রে ... আবু হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। দাউদ ইবনুল মুহাব্বার সূত্রে ... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদ দুটি বানোয়াটঃ
১। প্রথমটিতে মুহাম্মাদ ইবনু মায়মূন রয়েছেন। তিনি হচ্ছেন ইবনু আতা বাসরী। দারাকুতনী এবং অন্যরা তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মাতরূক। ফাল্লাস ও অন্যরা বলেনঃ তিনি মিথ্যুক ছিলেন।
২। দ্বিতীয়টিতে দাউদ ইবনু মুহাব্বার রয়েছেন। তিনিও মিথ্যার দোষে দোষী। তার সূত্রেই উকায়লী `আয-যুয়াফা` গ্রন্থে (৩৫৮) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেনঃ (সনদের এক বর্ণনাকারী) উকবা বর্ণনা কারার ক্ষেত্রে মাজহুল। তার হাদীস মুনকার, মাহফু্য নয়। তাকে এ হাদীসের মাধ্যমেই চেনা যায়। তার মত দুর্বল ব্যক্তি ছাড়া কেউ তার মুতাবায়াত করেননি।
বাইহান্ধীর “আশ-শুয়াব” গ্রন্থের উদ্ধৃতিতে সুয়ুতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ তাতে মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস কুরাশী রয়েছেন। তিনি হচ্ছেন কুদায়মী। তাকে ইবনু আদী হাদীস জাল করার দোষে দোষী করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জাল করতেন। যাহাবী “আয-যুয়াফা` গ্রন্থে বলেছেনঃ আমার নিকট তার অবস্থা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।
` من قرأ ربع القرآن فقد أوتي ربع النبوة، ومن قرأ ثلث القرآن فقد أوتي ثلث النبوة، ومن قرأ ثلثي القرآن فقد أوتي ثلثي النبوة، ومن قرأ القرآن فقد أوتي النبوة `.
موضوع.
رواه أبو بكر الآجري في ` آداب حملة القرآن ` (ورقة 135 من مجموع 66 - ظاهرية دمشق) من طريق مسلمة بن علي عن زيد بن واقد عن مكحول عن أبي أمامة الباهلي مرفوعا.
قلت: مسلمة بن علي متهم وقد سبق مرارا.
والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (1 / 252) دون جملة الربع وقال: لا يصح، بشر (يعني بن نمير) متروك، وقال يحيى بن سعيد: كذاب.
وتعقبه السيوطي في ` اللآليء ` (1 / 343) بما لا طائل تحته كعادته! فقال:
أخرجه ابن الأنباري في كتاب ` الوقف والابتداء ` والبيهقي في ` شعب الإيمان ` وبشر من رجال ابن ماجه.
قلت: فكان ماذا؟ وابن ماجه معروف بتخريجه للكذابين، وقد مضى قريبا حديث أخرجه ابن ماجه من طريق رجل قال فيه الإمام أحمد: كان من الكذابين الكبار، ثم ساق له السيوطي شاهدا من حديث ابن عمر، وفيه قاسم بن إبراهيم الملطي قال السيوطي: ليس بثقة.
قلت: فما الفائدة من سياق حديثه إذن؟ وقد قال فيه الدارقطني: كذاب، وقال الذهبي: أتى بطامة لا تطاق، ثم ساق له حديثا مرفوعا فيه أن النبي صلى الله عليه وسلم رآى ربه ليلة الإسراء، وأنه رأى منه كل شيء حتى التاج قاتله الله ما أجرأه على الله، ثم قال الذهبي: ` وأطم منه. . . `
فذكر هذا الحديث ثم قال: وهذا باطل وضلال كالذي قبله.
قلت: ومن هذا وأمثاله يتبين لك الفرق بين الذهبي والسيوطي.
ثم ذكر السيوطي شاهدا آخر من طريق تمام بن نجيح عن الحسن مرفوعا وقد سكت عليه السيوطي وهذا من مساوئه، فإنه مع إرساله فيه تمام، قال ابن حبان: روى أشياء موضوعة عن الثقات كأنه المتعمد لها.
৪৭৬। যে ব্যক্তি এক চতুর্থাংশ কুরআন পাঠ করবে, তাকে এক চতুর্থাংশ নবুওয়াত দেয়া হবে। যে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পাঠ করবে, তাকে এক তৃতীয়াংশ নবুওয়াত দেয়া হবে। যে দুই তৃতীয়াংশ কুরআন পাঠ করবে, তাকে দুই তৃতীয়াংশ নবুওয়াত দেয়া হবে এবং যে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ করবে, তাকে সম্পূর্ণ নবুওয়াত দেয়া হবে।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু বাকর আজুরী `আদাবু হামালাতীল কুরআন` গ্রন্থে (পৃঃ ১৩৫) মাসলামা ইবনু আলী সূত্রে যায়েদ ইবনু ওয়াকেদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। মাসলামা ইবনু আলী মিথ্যার দোষে দোষী।
ইবনুল জাওয়ী হাদীসটি তার “আল-মাওযুআত” (১/২৫২) গ্রন্থে এক চতুর্থাংশ বাক্যটি বাদ দিয়ে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। বর্ণনাকারী বিশর ইবনু নুমায়ের মাতরূক। ইয়াহইয়া ইবনু মা'ঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক।
সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/৩৪৩) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ হাদীসটি ইবনুল আম্বারী “কিতাবুল ওয়াকফ ওয়াল ইবতিদা” গ্রন্থে এবং বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এ বিশর হচ্ছেন ইবনু মাজাহর বর্ণনাকারী।
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু মাজাহ্ তার কিতাবে মিথ্যুকদের হাদীস বর্ণনাকারী হিসাবে প্রসিদ্ধ। কিছু পূর্বেই তার এরূপ একটি হাদীস আলোচিত হয়েছে। যার একজন বর্ণনাকারী সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেছেনঃ তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ মিথ্যুকদের একজন।
সুয়ূতী ইবনু উমারের হাদীস হতেও একটি শাহেদ উল্লেখ করেছেন। যাতে কাসেম ইবনু ইবরাহীম মালাতী রয়েছেন। সুয়ূতী নিজেই বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তাহলে হাদীসটি উল্লেখ করে কী লাভ হলো? তার সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক।
যাহাবী বলেনঃ তিনি এমন এক সমস্যা নিয়ে এসেছেন যা বহনযোগ্য নয়।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিরাজের রাতে তার প্রতিপালককে দেখেছেন, দেখেছেন সব কিছু এমনকি তার তাজও! ...। পূর্বের হাদীসটি বর্ণনা করার পর যাহাবী এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটি বাতিল, এটির ভ্রষ্টতা পূর্বেরটির ন্যায়।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি এবং এটির ন্যায় অন্য হাদীসগুলো থেকে স্পষ্ট হচ্ছে যে, হাদীস শাস্ত্রে সুয়ুতী এবং যাহাবীর মাঝে পার্থক্য কতটুকু।
সুয়ুতী আরেকটি শাহেদ তাম্মাম ইবনু নামীহ সূত্রে হাসান হতে মারফু হিসাবে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি চুপ থেকেছেন। এ সূত্রটি মুরসাল হওয়া সত্ত্বেও তাতে তাম্মাম রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট বহু কিছু বর্ণনা করেছেন। তিনি যেন তা ইচ্ছাকৃতই করেছেন।
مصورة الجامعة الإسلامية) من طريق عمرو بن عبد الغفار الفقيمي عن حسن ابن عمرو الفقيمي: حدثنا سعد بن سعيد الأنصاري عن عبد الله بن عبد الرحمن ابن معمر أبي طوالة الأنصاري عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه عن عمر بن الخطاب مرفوعاً.
قلت: وهذا إسناد ضعيف جداً؛ آفته عمرو بن عبد الغفار؛ قال الذهبي:
`قال أبو حاتم: متروك الحديث. وقال ابن عدي: اتهم بوضع الحديث`.
وذكره العقيلي والساجي والعجلي في `الضعفاء`.
وأما ابن حبان؛ فذكره في `الثقات`! وأخرج له الحاكم في `المستدرك`!
وسعد بن سعيد الأنصاري؛ قال الحافظ:
`صدوق سيىء الحفظ`.
قلت: وإنما أخرجت الحديث هنا؛ من أجل الزيادة التي في آخره:
`حتى يراجع لله توبة`، وإلا؛ فهو بدونها صحيح؛ له شواهد كثيرة، خرجت بعضها في `الإرواء` (2026) .
৪৭৭। বেশী বেশী হজ্জ ও উমরাহ্ পালন পরিবারকে নিষিদ্ধ করে দেয়।
হাদীসটি জাল।
এটি মাহামেলী “আল-আমলীর” ষষ্ট খন্ডে (পাতা ২৭৮/১/৬৩) আব্দুল্লাহ ইবনু শাবীব সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার সনদে আরো রয়েছে খালিদ ইবনু ইয়াস।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আবদুল্লাহ ইবনু শাবীব মিথ্যার দোষে দোষী, যেমনভাবে পূর্বে গেছে।
খালিদ ইবনু ইয়াসও অনুরূপ। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (১/২৭৯) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এমনটি হৃদয়ে অগ্রণী হবে যে, তিনি নিজেই তার জালকারী। তার হাদীস আশ্চর্য হওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া লিখা যাবে না। হাকিম বলেনঃ তিনি ইবনুল মুনকাদীর, হিশাম ইবনু উরওয়া এবং মাকবুরী হতে কতিপয় জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু সাঈদ নাক্কাশ অনুরূপ কথাই বলেছেন। এছাড়া সকল ইমাম তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে ভুল করেছেন। এ জন্যে আমি যা উল্লেখ করেছি তা দ্বারা মানবী তার সমালোচনা করেছেন।
` لا يركب البحر إلا حاج أو معتمر أو غاز في سبيل الله، فإن تحت البحر نارا وتحت النار بحرا `.
منكر.
أخرجه أبو داود (1 / 389) والخطيب في ` التلخيص ` (78 / 1) وعنه البيهقي (4 / 334) من طريق بشر أبي عبد الله عن بشير بن مسلم عن عبد الله بن عمرو مرفوعا، وقال الخطيب: قال أحمد: حديث غريب.
قلت: وهذا سند ضعيف فيه جهالة واضطراب.
أما الجهالة فقال الحافظ في ترجمة بشر وبشير من التقريب: مجهولان، ونحوه في ` الميزان ` نعم تابعه مطرف بن طريف عن بشير بن مسلم عند البخاري في ` التاريخ ` (1 / 2 / 104) وأبي عثمان النجيرمي في ` الفوائد ` (2 / 5 / 1) لكنه لم يسلم من جهالة بشير ولذلك قال البخاري عقبه: ولم يصح حديثه.
وأما الاضطراب فقد بينه المنذري في ` مختصر السنن ` (3 / 359) فقال: في الحديث اضطراب، روي عن بشير هكذا، وروي عنه أنه بلغه عن عبد الله بن عمرو، وروى عنه عن رجل عن عبد الله بن عمرو، وقيل غير ذلك، وذكره البخاري في ` تاريخه `، وذكر له هذا الحديث، وذكر اضطرابه وقال:
لم يصح حديثه، وقال الخطابي: وقد ضعفوا إسناد هذا الحديث.
قلت: وقال ابن الملقن في ` الخلاصة ` (73 / 1) : وهو ضعيف باتفاق الأئمة، قال البخاري: ليس بصحيح، وقال أحمد: غريب، وقال أبو داود: رواته مجهولون، وقال الخطابي: ضعفوا إسناده، وقال صاحب ` الإمام `: اختلف في إسناده، وقال عبد الحق (207 / 2) : قال أبو داود: هذا حديث ضعيف جدا، بشر أبو عبد الله وبشير مجهولان.
ولا يقويه أنه روى الشطر الأول منه من حديث أبي بكر بلفظ:
৪৭৮৷ হজ্জ অথবা উমরাকারী অথবা আল্লাহর পথের যুদ্ধকারী ছাড়া কেউ সমুদ্রে ভ্রমণ করবে না। কারণ সমুদ্রের নিচে রয়েছে আগুন আর আগুনের নিচে রয়েছে সমুদ্র।
হাদীসটি মুনকার।
এটি আবু দাউদ (১/৩৮৯), আল-খাতীব “আত-তালখীস” গ্রন্থে (১/৭৮) এবং তার থেকে বাইহাকী (৪/৩৩৪) বিশর আবু আবদিল্লাহ সূত্রে বাশীর ইবনু মুসলিম হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর আল-খাতীব বলেনঃ আহমাদ বলেছেনঃ হাদীসটি গারীব।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ দুর্বল। তাতে জাহালাত [অপরিচিত বর্ণনাকারী] রয়েছে এবং ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে।
যাহালাত; হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব` গ্রন্থে বিশর এবং বাশীরের জীবনীতে বলেছেনঃ তারা দু’জন মাজহুল অপরিচিত। অনুরূপ এসেছে “আল-মীযান` গ্রন্থেও৷ বিশরের মুতাবা'আত করেছেন মাতরাফ ইবনু তুরাইফ বাশীর ইবনু মুসলিম হতে। যেটি বুখারী `আত-তারীখ` গ্রন্থে (১/২/১০৪) এবং আবূ উসমান আন নুজায়রেমী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (২/৫/১) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বাশীর জাহালাত হতে নিরাপদ হননি। যার জন্য ইমাম বুখারী পরক্ষণেই বলেছেনঃ তার হাদীসটি সহীহ নয়।
ইযতিরাব; সেটি মুনযেরী “মুখতাসারুস সুনান” গ্রন্থে (৩/৩৫৯) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ হাদীসটিতে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। ইমাম বুখারী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে তাকে (মাতরাফকে) উল্লেখ করে তার এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তার ইযতিরাবও উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন তার হাদীসটি সহীহ নয়। খাত্তাবী বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ এ হাদীসটির সনদকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু মুলাক্কান `আল-খুলাসা` গ্রন্থে (১/৭৩) বলেনঃ হাদীসটি ইমামদের ঐক্যমতে দুর্বল। বুখারী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ্ নয়। আহমাদ বলেনঃ হাদীসটি গারীব। আবু দাউদ বলেনঃ হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ মাজহুল। খাত্তাবী বলেনঃ হাদীসটির সনদকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল বলেছেন। আব্দুল হক (২/২০৭) বলেনঃ আবু দাউদ বলেছেনঃ এ হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল। বিশর এবং বাশীর দু’জনই মাজহুল।
` لا يركب البحر إلا غاز أو حاج أو معتمر `.
منكر
أخرجه الحارث بن أبي أسامة (ص 90 من زوائده) حدثنا الخليل بن زكريا، حدثنا حبيب بن الشهيد، عن الحسن بن أبي الحسن عنه مرفوعا.
قلت: فهذا لا يقوي الحديث الذي قبله، لأن إسناده ضعيف جدا من أجل الخليل هذا قال ابن السكن: حدث عن ابن عون وحبيب بن الشهيد أحاديث مناكير لم يروها غيره وقال العقيلي: يحدث عن الثقات بالبواطل، وقال الحافظ في ` التقريب `: إنه متروك.
قلت: ولا يخفى ما في هذا الحديث من المنع من ركوب البحر في سبيل طلب العلم والتجارة ونحوذلك من المصالح التي لا يعقل أن يصد الشارع الحكيم
الناس عن تحصيلها بسبب مظنون ألا وهو الغرق في البحر، كيف والله تعالى يمتن على عباده بأنه خلق لهم السفن وسهل لهم ركوب البحر بها.. فقال: {وآية لهم أنا حملنا ذريتهم في الفلك المشحون وخلقنا لهم من مثله ما يركبون} (يس: 41، 42) أي السفن على القول الصحيح الذي رجحه القرطبى وابن كثير وابن القيم وغيرهم.
ففي هذا دليل على ضعف هذا الحديث وكونه منكرا، والله أعلم.
ويؤيد هذا قوله صلى الله عليه وسلم: ` المائد في البحر الذي يصيبه القيء له أجر شهيد الغرق والغرق له أجر شهيدين `، رواه أبو داود والبيهقي عن أم حرام رضي الله عنها بسند حسن وهو مخرج في ` الإرواء (1149) .
ففيه حض على ركوب البحر حضا مطلقا غير مقيد بغزوونحوه، وفيه دليل على أن الحج لا يسقط بكون البحر بينه وبين مكة، وهو مذهب الحنابلة وأحد قولي الشافعي، وقال في قوله الآخر: يسقط، واحتج له بعضهم بهذا الحديث المنكر كما في ` التحقيق ` لابن الجوزي (2 / 73 - 74) وذلك من آثار الأحاديث الضعيفة!
৪৭৯। যোদ্ধা বা হজ্জ বা উমরাকারী ছাড়া কেউ সমুদ্র ভ্রমণ করবে না।
হাদীসটি মুনকার।
এটি হারিস ইবনু আবী উমামাহ (পৃ. ৯০) খালীল ইবনু জাকারিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি পূর্বের হাদীসটিকে শক্তি যোগায় না। কারণ হাদীসটির সনদ এ খালীলের কারণে নিতান্তই দুর্বল।
ইবনুস সাকান বলেনঃ তিনি ইবনু আউন এবং হাবীব ইবনুশ শহীদ হতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা বর্ণনা করেননি।
উকায়লী বলেনঃ তিনি নির্ভরশীলদের থেকে বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি মাতরূক।
` من صام يوم الأربعاء والخميس كتب له براءة من النار `.
ضعيف.
رواه أبو يعلى عن ابن عباس مرفوعا، وضعفه المنذري في ` الترغيب ` (2 / 86) ، وبين السبب الهيثمي فقال (3 / 198) :
وفيه أبو بكر بن أبي مريم، هو ضعيف ثم وقفت على إسناده فوجدت فيه ثلاث علل أخرى: ضعف راوأخر وعنعنة بقية واضطراب ابن أبي مريم في إسناده وتفصيل ذلك سيأتي برقم (5021) .
৪৮০।যে ব্যক্তি বুধ ও বৃহস্পতিবারে সওম পালন করবে, তার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লিপিবদ্ধ করা হয়।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি আবু ইয়ালা ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন এবং মুনযেরী হাদীসটিকে “আত-তারগীব” গ্রন্থে (২/৮২) দুর্বল বলেছেন। হায়সামী তার কারণ উল্লেখ করে বলেছেন (৩/১৯৮) এটির সনদে আবু বকর ইবনু আবী মারইয়াম রয়েছেন, তিনি দুর্বল।
অতঃপর আমি (আলবানী) তার সনদটি সম্পর্কে অবহিত হয়েছি, তাতে তিনটি রোগ পেয়েছিঃ অন্য এক বর্ণনাকারীও দুর্বল। এটি বাকিয়া কর্তৃক আন আন শব্দে বর্ণিত। তিনি হচ্ছেন মুদাল্লিস। ইবনু আবী মারইয়ামের ইযতিরাব তার সনদে রয়েছে। যার বিস্তারিত বিবরণ শীঘ্রই আসবে।