সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ
483) ! وأبى ذلك محققه العلامة عبد الرحمن اليماني، فقال:
` واعلم أن هذا الخبر يتضمن معذرة وفضيلة للمسنين، وإن كانوا مفرطين أو مسرفين على أنفسهم، فمن ثم أولع به الناس، يحتاج إليه الرجل ليعتذر عن نفسه، أو عمن يتقرب إليه، فإما أن يقويه، وإما أن يركب له إِسْنَادًا جَدِيدًا، أو يلقنه من يقبل التلقين، أو يدخله على غير ضابط من الصادقين، أو يدلسه عن الكذابين، أو على الأقل يرويه عنهم، سَاكِتًا عن بيان حاله. . . `.
ثم أطال النفس جِدًّا، في تلخيص الكلام على تلك الطرق، والكشف عن عللها، وضعف رواتها، فراجعه، فإنه نفيس جِدًّا (ص
৪৮১। উদ্ভিত বিশেষ খাওয়া নিরাপত্তা দেয় কূলোন্জ রোগ হতে।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু নুয়াইম আসবাহানী “আত-তিব্ব” গ্রন্থে (কাফ ১৩৯/১) আবু নাসর আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ সূত্রে মূসা ইবনু ইব্রাহীম হতে এবং তিনি ইবরাহীম ইবনু আবী ইয়াহইয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি জাল। কারণ ইবরাহীম ইবনু আবী ইয়াহইয়া হচ্ছেন আসলামী, তিনি মিথ্যুক। তাকে একদল ইমাম স্পষ্টভাবে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন, যেমন ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ, ইবনু মাঈন, ইবনুল মাদীনী, ইবনু হিব্বান ও আরো অনেকে। তা সত্ত্বেও ইমাম শাফেঈ তার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন। ইসহাক ইবনু রাহওয়াই তা ইনকার করেছেন, যেমনভাবে ইবনু আবী হাতিম “আদাবুশ শাফেঈ” গ্রন্থে (পৃ. ১৭৮) বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবী হাতিম অন্য একস্থানে বলেন (২২৩) শাফে'ঈর নিকট স্পষ্ট হয়নি যে, তিনি মিথ্যা বলতেন।
বাযযার বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। তার জন্য মাসআলা জাল করা হত আর তিনি তার জন্য সনদ জাল করতেন। তিনি ছিলেন কাদরিয়া...।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার নিচের দু' বৰ্ণনাকারীকে আমি চিনি না এবং সালেহ মাওলা তুয়ামা দুর্বল। অতঃপর আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, হতে পারে মূসা ইবনু ইবরাহীম হচ্ছেন আবু ইমরান মারওয়ায়ী। তা যদি হয় তাহলে তিনিও মিথ্যার দোষে দোষী।
486) .
ولذلك؛ وجدت نفسي لا تطمئن لتصحيح هذا الحديث، وَإِنْ كان معناه يوافق هوى النفس؛ فقد بلغت الخامسة والسبعين! أضف إلى ذلك أنه لا يلتقي مع قوله صلى الله عليه وسلم:
` أعذر الله إلى امرئ أُخِّرَ أجله حتى بلغ ستين سنة `.
رواه البخاري وغيره. وهو مخرج مع بعض شواهده في ` الصحيحة ` برقم (1089) . قال الحافظ في ` الفتح ` (10 / 240) :
` الإعذار: إزالة العذر. والمعنى: أنه لم يبق له اعتذار، كأن يقول: لو مد لي
في الأجل لفعلت ما أمرت به. يقال: أعذر إليه؛ إذا بلغه أقصى الغاية في العذر ومكنه منه. وإذا لم يكن له عذر في ترك الطاعة مع تمكنه منها بالعمر الذي حصل له؛ فلا ينبغي له حينئذ إلا الاستغفار والطاعة، والإقبال على الآخرة بالكلية `.
وإليك حَدِيثًا آخر بمعنى الذي تقدم:
৪৮২। বাথরুম হতে বের হওয়ার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে দু' পা ধৌত করলে মাথা ব্যাথা হতে নিরাপদ থাকা যায়।
হাদীসটি জাল।
এটি আবু নুয়াইম “আত-তিব্ব” গ্রন্থে আবু নাসর আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ সূত্রে পূর্বের উল্লেখিত হাদীসটির সনদে বর্ণনা করেছেন। যেটি সম্পর্কে আপনারা অবহিত হয়েছেন যে, সেটি জাল। এটি এবং পূর্বেরটিকে সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করে গ্রন্থটিকে কালিমালিপ্ত করেছেন। তার ভাষ্যকার মানবী হাদীস দুটি সম্পর্কে কিছুই বলেননি। সম্ভবত সনদটি সম্পর্কে অবহিত হননি।
الإحسان) ، وأحمد (2/365) ، وعلي بن الجعد في `
الجعديات ` (1063/3072) ، وعنه ابن أبي الدنيا في ` العقل وفضله ` (ص 10)
، والخرائطي في ` مكارم الأخلاق ` (ص 4) ، والدارقطني في ` السنن ` (
3/303/214) ، والحاكم في ` المستدرك ` (1/123 و2/162) ، وعنه البيهقي في
` الشعب ` (2/25/1) ، وفي ` السنن ` (7/136 و10/195) ، والقضاعي (190)
من طريق مسلم بن خالد الزنجي عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة
مرفوعا. وقال الحاكم:
` صحيح على شرط مسلم `. وتعقبه الذهبي بقوله:
` الزنجي ضعيف `، فأصاب.
وفي التقريب:
` هو صدوق كثير الأوهام `.
قلت: فتحسين المعلق على ` مسند أبي يعلى ` (11/334) لإسناده تحسين مرفوض،
وقد أشار البيهقي إلى تضعيفه بقوله:
` هذا يعرف بمسلم بن خالد، وقد روي من وجهين آخرين ضعيفين عن أبي هريرة `.
قلت: أحدهما يرويه معدي بن سليمان عن ابن عجلان عن أبيه عنه به، وزاد زيادة
منكرة.
أخرجه أبو يعلى بتمامه (11/333/6451) ، وعنه القضاعي في ` مسند الشهاب ` (1/197/297) ، وابن حبان في ` الضعفاء ` (3/41) بالزيادة فقط، وقال:
` معدي بن سليمان كان ممن يروي المقلوبات عن الثقات، والملزقات عن الأثبات `.
والآخر: أخرجه الحاكم أيضا من طريق أحمد بن المقدام: حدثنا المعتمر عن
عبد الله بن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن جده عن أبي هريرة به.
وعبد الله بن سعيد متروك شديد الضعف فلا يستشهد به.
৪৮৩। নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক চিন্তিত হৃদয়কে ভালবাসেন।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি ইবনু আবিদ-দুনিয়া “কিতাবুল হাম্মে ওয়াল হুযনে” গ্রন্থে, ইবনু আদী (২/৩৭), কাযাঈ (২/৮৯) এবং ইবনু আসাকির (১৩/২০৫/২) আবু বাকর ইবনু আবী মারইয়াম সূত্রে যামারা ইবনু হাবীব হতে ... আবুদ দারাদা হতে মারফূ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এ মাধ্যমেই আবু মুহাম্মাদ মাখলাদী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (২/৩০৩), হাকিম (৪/৩১৫) ও আবু নুয়াইম (৬/৯০) তাবারানীর সূত্র হতে বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ। যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ আবু বাকর দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও সনদটি মনুকাতি'। অর্থাৎ যামারা এবং আবুদ-দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মাঝে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। কারণ তাদের উভয়ের মৃত্যুর মাঝে একশত বছরের ব্যবধান। এছাড়া আবু বাকর ইবনু আবী মারইয়াম নিতান্তই দুর্বল। এ থেকেই বুঝা যাচ্ছে যে, `আল-মাজমা` গ্রন্থে হায়সামীর উক্তি (১০/৩০৯-৩১০) ‘হাদীসটি বাযযার এবং তাবারানী বর্ণনা করেছেন এবং তাদের সনদ হাসান। এরূপ বলাটা সুন্দর হয়নি। কারণ তাবারানীর নিকট হাদীসটির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন এ আবু বাকর। যার সম্পর্কে অবহিত হলেন এবং বাযযারের নিকটেও সেই একই ব্যক্তি।
হায়সামী নিজে অন্য হাদীসে তাকে দুর্বল বলেছেন, যেমনটি ৪৮০ নং হাদীসে গেছে।
হাদীসটি মা'য়াফী ইবনু ইমরান “আয-যুহুদ” গ্রন্থে (২/২৫৮) ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ হতে ... বর্ণনা করেছেন। এ সনদটি মুযাল, নিতান্তই দুর্বল।
অতঃপর “কাশফুল আসতার” গ্রন্থে (৪/২৪০/৩৬২৪) স্পষ্ট হয়েছে, হাদীসটি বাযযার আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ সূত্রে মুয়াবিয়া ইবনু সালেহ হতে ... বর্ণনা করেছেন। এ সনদেও বিচ্ছিন্নতা রয়েছে এবং ইবনু সালেহের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে।
` إن من المثلة أن ينذر الرجل أن يحج ماشيا، فمن نذر أن يحج ماشيا فليهد هديا ويركب `.
ضعيف.
أخرجه الحاكم (4 / 305) وأحمد (4 / 429) من طريق صالح بن رستم أبي عامر الخزاز حدثني كثير بن شنظير عن الحسن عن عمران بن حصين مرفوعا، وقال الحاكم: صحيح الإسناد، وأقره الذهبي ثم الزيلعي في ` نصب الراية ` (3 / 305) ثم الحافظ العسقلاني في ` الدراية ` (242) .
وهذا الذي حملني على إيراده كيلا يغتر بذلك من لا علم عنده، فإن لهذا الإسناد علتين:
الأولى: ضعف أبي عامر هذا، قال الحافظ في ` التقريب `: صدوق كثير الخطأ.
والأخرى عنعنة الحسن وهو البصري، وكان مدلسا، وقد روى أحمد وغيره من طرق عن الحسن عن عمران النهي عن المثلة وليس فيه هذا الذي رواه أبو عامر فدل على ضعفه، وكذلك جاءت أحاديث كثيرة في أمر من نذر الحج ماشيا أن يركب ويهدى هديا، وليس في شيء منها، أن نذر الحج ماشيا من المثلة (راجع نيل الأو طار 8 / 204 - 207) .
৪৮৪। কোন ব্যক্তি হেঁটে হজ্জ পালন করার নযর মানলে তা মুসলার অন্তর্ভুক্ত। আর যে ব্যক্তি পায়ে হেঁটে হজ্জ করার জন্য নযর মানবে, সে একটি হাদী (কুরবানীর জন্তু) প্রদান করবে এবং (হজ্জের জন্যে) আরোহন করবে।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি হাকিম (৪/৩০৫) এবং আহমাদ (৪/৪২৯) সালেহ্ ইবনু রুস্তুম আবী ’আমের খাযযায সূত্রে কাসীর ইবনু সানবীর হতে এবং তিনি হাসান হতে ... বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ। যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। অতঃপর যায়লাঈ “নাসবুর রায়া” গ্রন্থে (৩/৩০৫) এবং হাফিয ইবনু হাজার আসকালানী “আদ-দিরায়া” গ্রন্থে (২৪২) তা সমর্থন করেছেন।
এটিই আমাকে উৎসাহিত করেছে হাদীসটি সম্পর্কে আলোচনা করার জন্যে। যাতে করে যার এ বিষয়ে জ্ঞান নেই, সে ধোকায় না পড়ে। কারণ হাদীসটির দুটি সমস্যা রয়েছেঃ
১। এ আবু আমের দুর্বল। হাফিয তার সম্পর্কে “আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেনঃ সত্যবাদী, বহু ভুল করতেন।
২। হাসান কর্তৃক আন আন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তিনি হচ্ছেন বাসরী, মুদাল্লিস বর্ণনাকারী। ইমাম আহমাদ ও অন্যরা বিভিন্ন সূত্রে হাসান হতে ... মুসলা নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তাতে আবু আমের যা বর্ণনা করেছেন তা নেই। এটিই প্রমাণ করছে যে, এ হাদীসটি দুর্বল। এছাড়া নযরের মাধ্যমে হেঁটে হজ্জ করার বিষয়ে বহু হাদীস এসেছে...। তার কোনটিতেই নযরের মাধ্যমে হেঁটে হজ্জ করাকে মুসলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। দেখুনঃ “নায়লুল আওতার (৮/২০৪-২০৭)।
` من خاف الله خوف الله منه كل شيء، ومن لم يخف الله خوفه الله من كل شيء `.
منكر.
رواه القضاعي (36 / 2) عن عامر بن المبارك العلاف قال: أخبرنا سليمان بن عمرو عن إبراهيم بن أبي علقمة عن واثلة بن الأسقع مرفوعا.
قلت: وهذا سند ضعيف، لم أعرف أحدا من رجاله غير سليمان بن عمرو، وأظنه سليمان بن أبي سليمان واسمه فيروز ويقال: عمرو أبو إسحاق الشيباني مولاهم الكوفي وهو ثقة
ثم تكشفت لي - والحمد لله - علة الحديث، فقد رجعت إلى ترجمة إبراهيم بن أبي عبلة من ` تهذيب الكمال `، فوجدته قد ذكر في الرواة عنه سليمان بن وهب، فألقي في النفس: العلة سليمان بن عمرو هذا، فرجعت إلى ` اللسان ` فوجدت فيه
ما نصه: سليمان بن وهب النخعي، أخرج أبو الفضل بن طاهر في الكلام على أحاديث الشهاب من طريق يحيى بن عثمان بن صالح عن سليمان بن وهب عن إبراهيم بن أبي عبلة عن خالد بن معدان عن أبي الدرداء رضي الله عنه رفعه: فذكر حديثا … قال ابن طاهر: سليمان بن وهب هو النخعي، ووهب جده، وهو سليمان بن عمرو
، وقد تقدم.
قلت: فتبين لي أن سليمان بن عمرو هذا هو النخعي، وهو كذاب وضاع مشهور بذلك، وقد تقدمت له أحاديث، فراجع ` فهرست الرواة ` في آخر المجلد.
ولعل من التساهل أيضا قول السخاوي في ` المقاصد ` بعد أن ذكره من حديث واثلة والحسين بن علي وابن مسعود: وفي الباب عن علي، وبعضها يقوي بعضا.
وذلك لأن حديث واثلة وابن مسعود لا يجوز الاستشهاد بها، لشدة ضعفها، وحديث الحسين وعلي لم يذكر من حال إسنادهما ما يمكن أن يقوى أحدهما بالآخر!
والحديث ذكره المنذري في ` الترغيب ` (4 / 141) من رواية أبي الشيخ في ` الثواب `، ثم قال: ورفعه منكر.
وكذلك ذكره الحافظ العراقي في ` تخريج الإحياء ` (2 / 128) وزاد:
وللعقيلي في ` الضعفاء ` نحوه من حديث أبي هريرة، وكلاهما منكر.
قالت: فيه تساهل واضح، فإن في إسناد هذا كذابا أيضا، كما سيأتي بيانه برقم (4544) .
৪৮৫। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার থেকে সব কিছুকেই ভয় পাইয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করল না, আল্লাহ তাকে সব কিছু হতে ভয় পাইয়ে দিবেন।
হাদীসটি মুনকার।
এটি কাযাঈ (২/৩৬) আমের ইবনুল মুবারাক আল-আল্লাফ সূত্রে সুলায়মান ইবনু আমর হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির সনদ দুর্বল। সুলায়মান ইবনু আমর ছাড়া সনদটির অন্য কোন বর্ণনাকারীকে চিনি না। আমার ধারণা তিনি হচ্ছেন সুলায়মান ইবনু আবী সুলায়মান, তার নাম ফিরোয। তাকে বলা হয় আমর আবু ইসহাক শায়বানী, তিনি নির্ভরযোগ্য।
অতঃপর আমার নিকট “তাহযীবুল কামাল` এবং “আল-লিসান” গ্রন্থ দেখার পর যখন স্পষ্ট হয়েছে যে, এ সুলায়মান হচ্ছেন সুলায়মান ইবনু ওয়াহাব আন-নাখ'ঈ, তখনই আমার অন্তরে উদয় হয়েছে যে, এ সুলায়মান ইবনু আমরই হচ্ছেন হাদীসটির সমস্যা। ইবনু তাহের বলেনঃ তার দাদা হচ্ছেন ওয়াহাব আর তিনি হচ্ছেন সুলায়মান ইবনু আমর। ফলে আমার নিকট সুস্পষ্ট হয়েছে যে, এ সুলায়মান হচ্ছেন মিথ্যুকু, প্রসিদ্ধ জালকারী। তার কয়েকটি হাদীস পূর্বেও আলোচিত হয়েছে।
হাদীসটি মুনযেরী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (৪/১৪১) আবুশ শায়খের বর্ণনা উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি মারফু হিসাবে মুনকার। অনুরূপভাবে হাফিয ইরাকী “তাখরাজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (২/১২৮) উল্লেখ করে বলেছেনঃ উকায়লীর `আয-যুয়াফা` গ্রন্থে অনুরূপভাবে আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসেও এসেছে। কিন্তু দুটি হাদীসই মুনকার।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার কথার মধ্যে শিথিলতা স্পষ্ট কারণ এটির সনদেও মিথ্যুক বর্ণনাকারী রয়েছেন যার সম্পর্কে ৪৫৪৪ নং হাদীসের আলোচনায় আসবে।
` ما من أهل بيت يموت منهم ميت فيتصدقون عنه بعد موته إلا أهداها له جبريل عليه السلام على طبق نور، ثم يقف على شفير القبر فيقول: يا صاحب القبر العميق: هذه هدية أهداها إليك أهلك فاقبلها، فيدخل عليه فيفرح بها ويستبشر، ويحزن جيرانه الذين لا يهدى إليهم شيء `.
موضوع.
رواه الطبراني في ` المعجم الأوسط ` (1 / 95 / 2 ـ من زوائد المعجمين) :
حدثنا محمد بن داود بن أسلم الصدفي، حدثنا الحسن بن داود بن محمد المنكدري، حدثنا محمد بن إسماعيل بن أبي فديك سمعت أبا محمد الشامي يحدث أنه سمع أبا هريرة أنه سمع أنس بن مالك يقول.... فذكره مرفوعا، وقال:
لا يروي عن أنس إلا بهذا الإسناد، تفرد به محمد بن إسماعيل.
قلت: وهو صدوق من رجال الشيخين، وإنما آفة الحديث من شيخه أبي محمد الشامي قال الذهبي: روى حديثا عن بعض التابعين منكرا، قال الأزدي: كذاب.
وكذا في ` اللسان `، وكأنهما أرادا بالحديث المنكر هذا، وقال الهيثمي في ` المجمع ` (3 / 139) : رواه الطبراني في الأوسط وفيه أبو محمد الشامي، قال عنه الأزدي: كذاب.
৪৮৬। আহলে বাইতের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার পরে তারা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলে অবশ্যই জিবরীল (আঃ) তা তাকে নূরের পাত্রে দান করবেন। অতঃপর গভীর কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বলবেন হে কবরবাসী! এ তোমার হাদিয়া তোমার জন্য তোমার পরিবার দান করেছে। অতএব তুমি তা গ্রহণ কর। সে তাতে প্রবেশ করবে এবং তার দ্বারা আনন্দিত হবে, সুসংবাদ গ্রহণ করবে। কিন্তু তার প্রতিবেশীরা চিন্তিত হবে তাদের নিকট কোন হাদিয়া প্রেরিত না হওয়ায়।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/৯৫/২) বর্ণনা করেছেন। যার সনদে মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল ইবনু আবু ফুদায়েক রয়েছেন। তিনি আবু মুহাম্মাদ শামী হতে ... শুনেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি (মুহাম্মদ) হচ্ছেন সত্যবাদী শাইখায়নের বর্ণনাকারী। এ হাদীসটির সমস্যা হচ্ছে তার শাইখ আবু মুহাম্মাদ শামী। যাহাবী বলেনঃ তিনি কোন কোন তাবেঈ হতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। অনুরূপ কথা “লিসানুল মীযান” গ্রন্থেও এসেছে।
সম্ভবত তারা দু'জনে মুনকার হাদীস দ্বারা এ হাদীসটিকেই বুঝিয়েছেন। হায়সামী `আল-মাজমা` গ্রন্থে (৩/১৩৯) বলেনঃ ... হাদীসটির সনদে আবু মুহাম্মাদ আশ-শামী রয়েছেন। তার সম্পর্কে আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক।
حرم) وتمام الرازي في ` الفوائد ` (ق 271/2) من طريق عمرو
ابن الحصين العقيلي: حدثنا علي بن أبي سارة عن ثابت عن أنس مرفوعا به.
قلت: وهذا إسناد واه جدا، عمرو بن الحصين متروك اتفاقا، وقال الخطيب:
` كان كذابا `.
وشيخه علي بن أبي سارة ضعيف.
وقال المناوي في ` فيض القدير ` تعليقا على قول السيوطي: ` رواه أبو يعلى عن
أنس `:
` وضعفه المنذري، وقال الهيثمي: ` فيه علي بن أبي سارة، وهو ضعيف `،
وقال في محل آخر: رواه أبو يعلى والطبراني، وفيه عمرو بن الحصين وهو مجمع
على ضعفه `.
قلت: وقد وجدت له طريقا أخرى، ولكنها لا تزيد الحديث إلا وهنا، أخرجه
الحجاج بن يوسف بن قتيبة الأصبهاني في ` نسخة الزبير بن عدي ` (ق 2/1) من
طريق بشر بن الحسين: نا الزبير بن عدي عن أنس مرفوعا به.
وهذا سند هالك، بشر هذا قال أبو حاتم:
` يكذب على الزبير `.
وقال ابن حبان:
` يروي بشر بن الحسين عن الزبير نسخة موضوعة شبيها بمائة وخمسين حديثا `.
৪৮৭। তোমাদের কেউ যখন তার মুসলিম পিতা মাতার পক্ষ হতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে নফল সাদাকা করার ইচ্ছা করে, তখন তার সাওয়াবটা তার পিতা মাতার জন্য হয়ে যায় এবং তার জন্য তাদের দু'জনের সাওয়াবের ন্যায় সাওয়াব হয়। তাদের দু'জনের সাওয়াবে কোন প্রকার কমতি না করেই।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি ইবনু সামাউন ওয়ায়েয “আল-আমলী” গ্রন্থে (১/৫৪/১), মুহাম্মাদ সুলায়মান রাবাঈ তার “হাদীস” গ্রন্থে (২/২১২) এবং ইবনু আসাকির “হাদীসু আবিল ফতূহি আব্দিল খালাক” গ্রন্থে (পৃঃ ২৩৬/১/৯২) আব্দুল হামীদ ইবনু হাবীব সূত্রে আওযাঈ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
এ সনদটি দুর্বল। আব্দুল হামীদ তিনি হচ্ছেন আওযাঈর কাতিব। বুখারী ও অন্যরা তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন।
হাদীসটি ইবনু মুখাল্লাদ “মুনতাকা মিন আহাদীস” গ্রন্থে (২/৮৮/১-২) আব্বাদ ইবনু কাসীর হতে ... বর্ণনা করেছেন।
এ আব্বাদ মিথ্যার দোষে দোষী। তার এ মুতাবায়াতের কোন মূল্য নেই।
হাফিয ইরাকী “তাখরাজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (২/১৯৩) বলেছেনঃ তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে হাদীসটিإذا كانا مسلمين এ অংশটুকু ছাড়া দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন। হায়সামী তাবারানীর সনদে (৩/১৩৯) উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার সনদে খারেজা ইবনু মুসয়াব আয-যব্বী রয়েছেন। তিনি দুর্বল।
489) .
৪৮৮। তোমরা তোমাদের প্রজাদেরকে উৎসাহ প্ৰদান কর। আল্লাহ তোমাদেরকে বরকত দান করবেন।
হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।
শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া “আল-ফাতাওয়া” গ্রন্থে (২/১৯৬) বলেনঃ এটি তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেননি।
490 - بتحقيقي) من طرق عن أبي إسحاق به.
فلعل السهمي اضطرب فيه؛ فرواه مرة هكذر على الصواب؛ كما رواه الجماعة عن أبي إسحاق، ومرة رواه كما في حديث الترجمة، فجعل (الجمعة) مكان (الظهر) ، و (الركعتين بعد الظهر) (أربعاً بعد الجمعة) ، وذلك مما يدل على ضعفه وقلة ضبطه.
على أنه من الممكن أن يكون هذا الاختلاف ليس منه؛ وإنما من أحد الراويين عنه: خليفة - وهو ابن خياط العصفري - ، ومحمد بن المثنى.
فإن كان كذلك؛ فرواية الثاني منهما أرجح؛ لأنه ثقة ثبت، احتج به الستة،
بخلاف الأول؛ فإنه صدوق ربما أخطأ؛ كما في `التقريب`، ولم يحتج به إلا البخاري.
قلت: وهذا كله يؤكد ما كنت ذهبت إليه تحت الحديث (1001) من الشك في ثبوت حديث الترجمة، وأن المعروف إنما هو ما رواه الجماعة عن أبي إسحاق بلفظ: `الظهر`، لا: `الجمعة`.
فمن جود إسناده - كما سبق هناك - أو حسنه - كما فعل أحد المعاصرين المجهولين في رده علي (1/ 15) - ؛ فإنما هو بالنظر إلى ظاهر إسناده؛ مع تساهل ظاهر في توثيق السهمي، دون نظر أو علم بالاضطراب في متنه، أو الاختلاف على السهمي. والله أعلم.
وقد روي الحديث عن ابن مسعود دون قوله: يجعل التسليم …
وقد مضى برقم (1016) .
৪৮৯। যখন ক্ষুধার রোগ প্রচন্ড রূপ নিবে, তখন তুমি এক টুকরো রুটি গ্রহণ করবে, কুপের পানি হতে একটু পানি উঠিয়ে নিবে এবং বলবে দুনিয়া ও দুনিয়ার অধিবাসীদের উপর আমার নিকট হতে বিনাশ সাধিত হোক।
হাদীসটি জাল।
সুয়ুতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু আদী এবং বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে আবু হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদে হুসাইন ইবনু আব্দিল গাফফার রয়েছেন। তার সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক। যাহাবী বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। আরেক বর্ণনাকারী আবু ইয়াহইয়া আল-অক্কার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ আবু ইয়াহইয়ার নাম যাকারিয়া ইবনু ইয়াহইয়া। ইবনু আদী তার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে “আল-কামিল” গ্রন্থে (১/১৪৮) বলেনঃ তিনি হাদীস জালকারী। আমাদের কোন সাথী সালেহ যাযারা হতে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেনঃ আবু ইয়াহইয়া আমাদেরকে হাদীস শুনিয়েছেন, কিন্তু তিনি প্রসিদ্ধ মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর ইবনু আদী বলেনঃ তার কতিপয় বানোয়াট হাদীস রয়েছে। সেগুলো জাল করার দায়ে অক্কারকে দোষী করা হয়েছে ...। তিনি হুসাইন ইবনু আব্দিল গাফফারের জীবনীতে (৯৮) বলেনঃ তিনি কতিপয় মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। মানবী দ্বন্দ্বে ভুগেছেন, “আল-ফায়েয” গ্রন্থে হাদীসটির সমস্যা হিসাবে যা বলেছি তাই উল্লেখ করেছেন। কিন্তু “আত-তায়সীর” গ্রন্থে বলেছেনঃ সনদটি দুর্বল।
` يا أبا هريرة إذا اشتد الجوع فعليك برغيف وكوز من ماء، وعلى الدنيا وأهلها الدمار `.
ضعيف.
أخرجه ابن بشران في ` الأمالي ` (ورقة 14 / 1 - من مجموع الظاهرية 82) وأبو بكر بن السني في ` كتاب القناعة ` (ورقة 237 / 1) من طريق كثير بن واقد، (وقال أبو بكر: عيسى بن واقد البصري) عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعا.
وكثير بن واقد، أو عيسى بن واقد، لم أجد من ذكره، ورواه الديلمي (4 / 266) عنه فسماه عيسى بن موسى ولم أعرفه أيضا وقد تابعه الماضي بن محمد عن محمد بن عمرو به إلا أنه قال: ` على الدنيا وأهلها مني الدمار ` أي باللفظ الذي قبله أخرجه ابن السني وابن عدي في ترجمة الماضي هذا (6 / 20425) وقال:
مصري منكر الحديث وعامة ما يرويه لا يتابع عليه ولا أعلم روى عنه غير ابن وهب وقال ابن أبي حاتم (4 / 1 / 442) عن أبيه: لا أعرفه والحديث الذي رواه باطل وهو منكر الحديث كما قال ابن عدي، وقد روي الحديث بإسناد موضوع وبلفظ مغاير لهذا بعض الشيء، وهو الذي قبله.
৪৯০। হে আবু হুরাইরাহু যখন ক্ষুধা প্রচন্ড রূপ নিবে, তখন তুমি এক টুকরো রুটি এবং ছোট এক পাত্রে পানি গ্রহণ করবে। দুনিয়া ও দুনিয়াবাসীদের বিনাশ সাধিত হোক।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি ইবনু বিশরান “আল-আমলী” গ্রন্থে (পাতা ১৪/১/৮২ হতে) এবং আবু বাকর ইবনুস সুনী “কিতাবুল কানা'আহ” গ্রন্থে (পাতা ২৩৭/১) কাসীর-ইবনু ওয়াকিদ সূত্রে (আবু বকর বলেনঃ ঈসা ইবনু ওয়াকিদ বাসরী সূত্রে) মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর ইবনু ওয়াকিদ বা ঈসা ইবনু ওয়াকিদকে কে উল্লেখ করেছেন পাচ্ছি না।
হাদীসটি দাইলামী (৪/২৬৬) তার থেকেই বর্ণনা করেছেন। তার নাম বলেছেন ঈসা ইবনু মূসা তাকেও চিনি না।
মাযী ইবনু মুহাম্মাদ মুহাম্মাদ ইবনু আমর হতে তার মুতাবায়াত করেছেন। যেটি ইবনুস সুন্নী এবং ইবনু আদী এ মায়ীর জীবনীতে (৬/২৫/২০৪) বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ তিনি (মাযী) মিসরী, মুনকারুল হাদীস। তার অধিকাংশ বর্ণনাই অনুসরণযোগ্য নয়। তার থেকে ইবনু ওয়াহাব ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
ইবনু আবী হাতিম (৪/১/৪৪২) তার পিতা হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ আমি তাকে (মাযীকে) চিনি না এবং তিনি যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন সেটি বাতিল ।
তিনি মুনকারুল হাদীস যেমনটি ইবনু আদী বলেছেন।
হাদীসটি অন্য ভাষায় জাল সনদে বর্ণিত হয়েছে। যেটি পূর্বের হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
` نهى عن بيع وشرط `.
ضعيف جدا.
قال شيخ الإسلام ابن تيمية في ` الفتاوى ` (18 / 63) حديث باطل ليس في شيء من كتب المسلمين وإنما يروى في حكاية منقطعة، وقال فيها أيضا (29 / 132) ، وفي (3 / 326) : يروى في حكاية عن أبي حنيفة وابن أبي سلمة وشريك، ذكره جماعة من المصنفين في الفقه، ولا يوجد في شيء من دواوين الحديث، وقد أنكره أحمد وغيره من العلماء، ذكروا أنه لا يعرف، وأن الأحاديث الصحيحة تعارضه، وأجمع العلماء المعروفون من غير خلاف أعلمه أن اشتراط صفة في المبيع ونحوه كاشتراط كون العبد كاتبا أو صانعا، أو اشتراط طول الثوب أو قدر الأرض ونحو ذلك، شرط صحيح.
قلت وقد أشكل هذا على بعض الطلبة في المدينة المنورة فذكر ما أخرجه
الحاكم في ` علوم الحديث ` (ص 128) بأسانيد له عن عبد الله بن أيوب بن زاذان الضرير قال: حدثنا محمد بن سليمان الذهلي قال: حدثنا عبد الوارث بن سعيد قال:
قدمت مكة، فوجدت بها أبا حنيفة، وابن أبي ليلى، وابن شبرمة فسألت أبا حنيفة فقلت: ما تقول في رجل باع بيعا وشرط شرطا؟ قال: البيع باطل والشرط باطل.
ثم أتيت ابن أبي ليلى، فسألته؟ فقال: البيع جائر، والشرط جائز فقلت: يا سبحان الله ثلاثة من فقهاء العراق اختلفتم علي في مسألة واحدة فأتيت أبا حنيفة فأخبرته، فقال: ما أدري ما قالا، حدثني عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع وشرط، البيع باطل والشرط باطل.
ثم أتيت ابن أبي ليلى، فأخبرته، فقال: ما أدري ما قالا، حدثني هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت: أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أشتري بريرة فأعتقها. البيع جائز، والشرط باطل. ثم أتيت ابن شبرمة، فأخبرته، فقال:
ما أدري ما قالا، حدثني مسعر بن كدام عن محارب بن دثار عن جابر قال: بعت من النبي صلى الله عليه وسلم ناقة، وشرط لي حملانها إلى المدينة.
البيع جائز والشرط جائز.
أقول: ولا إشكال في هذا، لأن السند مداره على ابن زاذان، وهو شديد الضعف، لقول الدارقطني فيه: متروك. وشيخه الذهلي، لم أعرفه.
ومن هذا الوجه أخرجه الطبراني في ` الأوسط ` (1 / 264 / 4521) .
ثم لوصح السند بذلك إلى أبي حنيفة، لم يصح حديثه، لما هو معروف من حال أبي حنيفة رحمه الله في الحديث، كما سبق بيانه (ص 536، 625) ولذلك استغرب حديثه هذا الحافظ ابن حجر في ` بلوغ المرام ` (3 / 20 - بشرحه سبل السلام)
وعزاه للطبراني أيضا في ` الأوسط ` واستغربه النووي أيضا وحق لهم ذلك، فالحديث محفوظ من طرق عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده بلفظ:
` نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن شرطين في بيع.... `.
أخرجه أصحاب السنن، والطحاوي، وغيرهم، وهو مخرج في ` الإرواء ` (1305) .
فهذا هو أصل الحديث، وهم أبو حنيفة رحمه الله في روايته إن كان محفوظا عنه،
والله أعلم.
৪৯১। তিনি ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে শর্ত করতে নিষেধ করেছেন।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
শাইখুল ইসলাম “মাজমুয়াতুল ফাতাওয়া” গ্রন্থে (১৮৬৩) বলেছেনঃ হাদীসটি বাতিল। মুসলিমদের কোন কিতাবে নেই। বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা হতে বর্ণনা করা হয়ে থাকে। তিনি আরো বলেছেন (২৯/১৩২, ৩/৩২৬) আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ), ইবনু আবী লায়লা ও শুরায়েক হতে বর্ণিত কোন এক ঘটনার মধ্যে এটি বর্ণিত হয়েছে। একদল ফিকহের রচয়িতা তাদের ফিকহ গ্রন্থে এটিকে উল্লেখ করেছেন। হাদীসের কোন গ্রন্থে এটি পাওয়া যায় না। এটিকে ইমাম আহমাদ ও অন্যান্য আলেমগণও অস্বীকার করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, এটিকে চেনা যায় না এবং এটি সহীহ হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক।
আলেমগণ একমত পোষণ করেছেন যে, শর্ত করা পণ্যের মধ্যের একটি গুণাবলী। যেমন শর্ত করা হলো যে, দাসকে লেখক বা কর্মকার হতে হবে বা লম্বা কাপড় হতে হবে বা যমীনের পরিমাণ ... ইত্যাদি সহীহ শর্ত।
এটি মদীনা মুনাওয়ারাতে কোন কোন ছাত্রের কাছে মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। সে উল্লেখ করে যে, হাকিম “উলুমুল হাদীস” গ্রন্থে (পৃ. ১২৮) তার সনদে আব্দুল্লাহ হতে এবং তিনি আব্দুল ওয়ারেস ইবনু সাঈদ হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি মক্কায় আসলাম, সেখানে আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ), ইবনু আবী লায়লা এবং ইবনু শাবরুমাকে পেলাম।
আমি আবু হানীফাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কি বলেন যে কিছু বিক্রয় করল এবং তার সাথে কোন শর্ত করল? উত্তরে বললেনঃ ক্রয়-বিক্রয় বাতিল এবং শর্তটিও বাতিল।
অতঃপর ইবনু আবী লায়লার নিকট আসলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ, শর্তটি বাতিল।
অতঃপর ইবনু শাবরুমার নিকট আসলাম এবং তাকেও জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ, শর্তও বৈধ।
আমি বললামঃ সুবহানাল্লাহ ইরাকের তিন ফোকাহা একই মাসআলাতে মতভেদ করলেন!
তারপর আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট আসলাম এবং তাকে সংবাদ দিলাম। তিনি বললেনঃ জানিনা তারা দু'জন কি বলেছেন। আমাকে আমর ইবনু শুয়ায়েব আন আবীহে আন জাদ্দেহি হাদীসটি শুনিয়েছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে শর্ত নিষিদ্ধ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয় বাতিল এবং শর্তও বাতিল।
অতঃপর ইবনু আবী লায়লার নিকট আসলাম এবং তাকে সংবাদ দিলাম। তিনি বললেনঃ জানিনা তারা দু'জন কি বলেছেন। আমাকে হিশাম ইবনু উরউয়া তার পিতা হতে হাদীস শুনিয়েছেন আর তিনি বর্ণনা করেছেন আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে। তিনি বলেনঃ আমাকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন যেন, আমি বারীরাকে ক্রয় করি, অতঃপর তাকে স্বাধীন (মুক্ত) করে দেই। ক্রয়-বিক্রয় বৈধ, তবে শর্তটি বাতিল।
অতঃপর ইবনু শাবরুমার নিকট আসলাম, তাকে সংবাদ দিলাম। তিনি বললেনঃ জানিনা তারা দু'জন কি বলেছেন। আমাকে মিসায়ার ইবনু কিদাম মুহারিব ইবনু দিসার হতে হাদীস শুনিয়েছেন এবং তিনি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। জাবের বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি উট বিক্রয় করলাম। তিনি শর্ত করলেন সেটিকে যেন আমি মদীনা পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়। ক্রয় বিক্রয় বৈধ, শর্তও বৈধ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এতে কোন প্রশ্ন নেই, কারণ তার সনদের [আলোচ্য হাদীসের] কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন ইবনু যাযান, তিনি খুবই দুর্বল। তার সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক। তার শাইখ যুহালীকে আমরা চিনি না। এ মাধ্যমেই তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/২৬৪/৪৫২১) উল্লেখ করেছেন।
তার পরেও যদি হাদীসটির সনদ ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) পর্যন্ত সহীহ হয়। তবুও তার হাদীসটি সহীহ নয়, হাদীসের ক্ষেত্রে আবু হানীফার অবস্থা নাজুক হওয়ার কারণে। যেমনটি তার অবস্থা সম্পর্কে ৪৫৮ নং হাদীসের আলোচনায় জেনেছেন।
ইবনু হাজার `বুলুগুল মারাম` (৩/২০) গ্রন্থে তার এ হাদীসটিকে এ কারণেই গারীব মনে করেছেন, নাবাবীও গারীব মনে করেছেন।
হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে আমর ইবনু শুয়ায়েব আন আবীহে আন যাদ্দেহি হতে নিম্নের শব্দে নিরাপদঃ
نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن شرطين في بيع
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেচা-কেনার মধ্যে দু' শর্তকে নিষিদ্ধ করেছেন।
এটি বর্ণনা করেছেন সুনান রচয়িতাগণ, তাহাবী ও অন্যরা। এটির তাখরীজ করা হয়েছে “ইরউয়াউল গালীল” গ্রন্থে (১৩০৫)।
এটিই হচ্ছে আসল হাদীস। আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ) তার বর্ণনাতে সন্দেহ করেছেন যদি তার থেকে মাহফু্য হয়।
` سلوا الله عز وجل من فضله، فإن الله يحب أن يسأل، وأفضل العبادة انتظار الفرج `.
ضعيف جدا.
رواه الترمذي (4 / 279) وابن أبي الدنيا في ` القناعة والتعفف ` (ج 1 ورقة 106 / 1 من مجموع الظاهرية 90) وعبد الغني المقدسي في ` الترغيب في الدعاء ` (89 / 2) من طريق حماد بن واقد قال: سمعت إسرائيل بن يونس عن أبي إسحاق الهمداني عن أبي الأحوص عن ابن مسعود مرفوعا، وقال الترمذي:
هكذا روى حماد بن واقد هذا الحديث، وحماد ليس بالحافظ، وروى أبو نعيم هذا الحديث عن إسرائيل عن حكيم بن جبير عن رجل عن النبي صلى الله عليه وسلم، وحديث أبي نعيم أشبه أن يكون أصح.
قلت: وحكيم بن جبير أشد ضعفا من ابن واقد فقد اتهمه الجوزجاني بالكذب وإذا كان الأصح أن الحديث حديثه فهو حديث ضعيف جدا.
والشطر الأخير من الحديث رواه البزار والبيهقي في ` الشعب ` والقضاعي من حديث أنس، وقال الهيثمي في ` المجمع ` (18 / 147) بعد أن عزاه للأول:
وفيه من لم أعرفه.
قلت: وهذا إعلال قاصر، فإن فيه عنعنة بقية، وسليمان بن سلمة (الأصل: شرحبيل) وهو الخبائري، وهو كذاب، ومن طريقه أخرجه القضاعي (1283) وغيره، وسيأتي تخريجه مبسطا في ` المجلد الرابع ` رقم (1572) ، فراجعه إن شئت.
৪৯২। তোমরা আল্লাহর নিকট তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করো। কারণ আল্লাহ তা'আলা চাওয়াকে ভালবাসেন। সর্বোত্তম এবাদাত হচ্ছে প্রশস্ততার অপেক্ষা করা।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি তিরমিযী (৪/২৭৯), ইবনু আবিদ-দুনিয়া “কানাআত ওয়াত-তায়াফফুফ” গ্রন্থে (১/১০৬/১ ৯০ হতে) এবং আব্দুল গনি মাকদেসী `তারগীব ফিদ দু'আ` গ্রন্থে (২/৮৯) হাম্মাদ ইবনু ওয়াকিদ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি ইসরাঈল ইবনু ইউনুস হতে শুনেছি, তিনি আবু ইসহাক হামাদানী হতে ... বর্ণনা করেছেন। তিরমিয়ী বলেনঃ হাদীসটি এভাবেই হাম্মাদ ইবনু ওয়াকিদ বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ হাফিয নন। আবু নুয়াইম এ হাদীসটি ইসরাঈলের মাধ্যমে হাকীম ইবনু যুবায়ের থেকে এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেছেন। আবু নুয়াইমের হাদীসটি সহীহ হওয়ার সাথে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু ওয়াকিদ থেকে হাকীম ইবনু যুবায়ের বেশী দুর্বল। তাকে ইবনুল জুযজানী মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। যদি বেশী সহীহটাই তার হাদীস হয়, তাহলে সেটি নিতান্তই দুর্বল।
হাদীসটির শেষাংশ বাযযার, বাইহাকী “আশ-শুয়াব” গ্রন্থে এবং কাযাঈ আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। হায়সামী `আল-মাজমা` গ্রন্থে (১০/১৪৭) বলেছেনঃ তাতে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যাকে আমি চিনি না।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ কারণটি সংক্ষিপ্ত। কারণ তাতে রয়েছে বাকিয়ার আন্ আন্ করে বর্ণনা এবং সুলায়মান ইবনু সালামাহ্। তিনি হচ্ছেন খাবায়েরী, তিনি মিথ্যুক। তার সূত্র হতে কাযাঈ (১২৮৩) ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন।
` نهى أن يركب ثلاثة على دابة `.
ضعيف.
روي من حديث جابر: قال الهيثمي في ` المجمع ` (8 / 109) : رواه الطبراني في ` الأوسط ` وفيه سليمان بن داود الشاذكوني وهو متروك.
قلت: لأنه كان يكذب كما تقدم، لكن روى الحديث بإسناد خير من هذا، فقال أبو بكر بن أبي شيبة في ` كتاب الأدب ` (1 / 153 / 1) : حدثنا عبد الرحيم بن سليمان عن إسماعيل عن الحسن عن مهاجر بن قنفذ قال: كنا نتحدث معه إذ مر ثلاثة على حمار فقال للآخر منهم: انزل لعنك الله.
قال: فقيل له: أتلعن هذا الإنسان؟ قال: فقال: قد نهينا أن يركب الثلاثة على الدابة.
وإسماعيل هو بن مسلم البصري المكي وهو ضعيف، ثم روى ابن أبي شيبة بإسناد صحيح عن زاذان أنه قال كذا رأى ثلاثة على بغل فقال: لينزل أحدكم فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لعن الثالث.
وهذا مرسل صحيح الإسناد، لأن زاذان وهو أبو عبد الله الكندي ثقة من رجال مسلم، وقد صح ركوبه صلى الله عليه وسلم على الدابة وأمامه عبد الله بن جعفر، وخلفه الحسن أو الحسين رواه مسلم، وهو مخرج في ` صحيح أبي داود ` (2312) فإن صح النهي حمل على الدابة التي لا تطيق، وذلك من باب الرفق بالحيوان وقد
صح في ذلك الكثير الطيب انظر المجلد الأول من ` الصحيحة `.
৪৯৩। তিনি তিনজন করে পশুর (পিঠে) উপর আরোহন করতে নিষেধ করেছেন।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস হতে বর্ণিত হয়েছে। হায়সামী “আল-মাজমা` গ্রন্থে (৮/১০৯) বলেনঃ হাদীসটি তাবরানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। যার সূত্রে সুলায়মান ইবনু দাউদ শাযকূনী রয়েছেন। তিনি মাতরুক।
আমি (আলবানী) বলছিঃ কারণ তিনি মিথ্যা বলতেন। যেমনটি তার সম্পর্কে পূর্বে আলোচনা হয়েছে। তাবারানী তার পরক্ষণেই (১/১১৪/৭৬৬৩) বলেছেনঃ শাযকুনী হাদীসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার শাইখ আবু উমাইয়া ইবনু ইয়ালাকে দারাকুতনী দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু আবী শায়বা “কিতাবুল আদাব” গ্রন্থে (১/১৫৩/১) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যার সনদে ইসমাঈল ইবনু মুসলিম বাসরী মাক্কী রয়েছেন। তিনি দুর্বল।
ইবনু আবী শায়বা সহীহ সনদে যাযান হতে মুরসাল হাদীসে বর্ণনা করেছেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনজনের তৃতীয় জনকে অভিশাপ দিয়েছেন। এ যাযান হচ্ছেন আবু আবদিল্লাহ আল-কিন্দী। তিনি নির্ভরশীল, ইমাম মুসলিমের বর্ণনাকারী।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সহীহ সূত্রে পশুর উপর তিনজন আরোহন করেছেন তা সাব্যস্ত হয়েছে। তার সামনে ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনু জাফার, পিছনে হাসান অথবা হুসাইন। এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন। `সহীহ আবু দাউদ` গ্রন্থে (২৩১২) এটির তাখরীজ করা হয়েছে। যদি নিষেধটি সঠিক হয়, তাহলে যে পশু বোঝা নিতে সক্ষম নয় তার ক্ষেত্রে সেটি প্রযোজ্য।
` رب عابد جاهل، ورب عالم فاجر، فاحذروا الجهال من العباد، والفجار من العلماء، فإن أولئك فتنة الفتناء `.
موضوع.
رواه بن عدي في الكامل (ورقة 33 ـ 34 من مخطوطة ظاهرية دمشق رقم 364 - حديث) ومن طريقه ابن عساكر في المجلس الرابع عشر في ` ذم من لا يعمل بعلمه ` (ورقة 56 وجه 1 ـ 2 من مجموع الظاهرية رقم 77) وفي ` التاريخ ` (3 / 154 / 2) من طريق بشر بن إبراهيم قال: حدثنا ثور بن يزيد عن خالد بن معدان عن أبي أمامة مرفوعا، وقال ابن عساكر: تفرد به بشر هذا.
قلت: وهو وضاع، وقال ابن عدي:
إنه منكر الحديث عن الثقات والأئمة، ثم ساق له أحاديث وقال: إنها بواطيل، وضعها بشر.
قلت: وهذه أحدها، ثم قال: وهو عندي ممن يضع الحديث على الثقات، وقال ابن حبان: كان يضع الحديث، ثم رواه ابن عدي (400 / 1) في ترجمة محفوظ بن بحر عنه عن عمر بن موسى عن خالد بن معدان به دون قول ` فإن أولئك.. `، وقال:
منكر، عن خالد بن معدان والراوي عنه عمر بن موسى ويقال له: ابن وجيه، ضعيف.
قلت: وهو ممن يضع الحديث كما تقدم مرارا، ومحفوظ هذا قال أبو عروبة: كان يكذب، لكن قال ابن عدي عقبه: وليس هذا من قبل محفوظ كأنه يشير إلى أن المتهم به هو ابن وجيه هذا وبشر بن إبراهيم، وهذا الحديث مما أورده السيوطي في كتابه ` الجامع الصغير ` ومن عجيب أمره أنه ذكره من رواية ابن عدي الذي ساقه في ترجمة هذا الوضاع، ثم سكت السيوطي عن هذا كله! .
৪৯৪। বহু আবেদ আছে যারা অজ্ঞ, বহু আলেম আছে যারা পাপাচারী। অতএব তোমরা অজ্ঞ আবেদদের এবং পাপাচারী আলেমদের থেকে বেঁচে চল। কারণ তারাই হচ্ছে ফিতনাবাজদের ফিতনা।
হাদীসটি জাল।
এটি ইবনু আদী `আল-কামিল` গ্রন্থে (পৃঃ ৩৩-৩৪ নং ৩৬৪) এবং তার সূত্রে ইবনু আসাকির “যাম্মু মান লা ই'য়ামালু বি ইলমেহি” গ্রন্থের চতুর্দশ মজলিসে (পাতা ৫৬/ ১-২ / ৭৭ হতে) এবং `আত-তারীখ` গ্রন্থে (৩/১৫৪/২) বিশর ইবনু ইবরাহীম সূত্রে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর ইবনু আসাকির বলেছেনঃ বিশর এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি জালকারী।
ইবনু আদী বলেনঃ নির্ভরযোগ্য ইমামদের নিকট হতে বর্ণনাকারী হিসাবে তিনি মুনকারুল হাদীস ।
অতঃপর তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এগুলো বাতিল। এগুলো বিশর জাল করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি সেগুলোর একটি।
অতঃপর (ইবনু আদী) বলেনঃ তিনি আমার নিকট যারা নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জাল করতেন তাদের অন্তর্ভুক্ত। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন।
তারপর ইবনু আদী (১/৪০০) মাহফু্য ইবনু বাহারের জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে তার সূত্রে উমর ইবনু মূসা হতে এবং তিনি খালিদ ইবনু মি’দান হতে হাদীসটি `فإن أولئك` এ অংশটুকু বাদ দিয়ে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ খালিদ ইবনু মি’দান হতে এটি মুনকার। তার থেকে বর্ণনাকারী উমার ইবনু মূসাকে বলা হয় ইবনু ওয়াজীহ। তিনি দুর্বল।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন সেই দলের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদীস জাল করতেন। এ মাহফু্য সম্পর্কে আবু আরুবা বলেছেনঃ তিনি মিথ্যা বলতেন। কিন্তু ইবনু আদী তার পরেই বলেনঃ এটি মাহফুযের পক্ষ হতে নয়। তিনি যেন ইঙ্গিত করছেন যে, এ হাদীসটির ব্যাপারে দোষী হচ্ছেন ইবনু ওয়াজীহ এবং বিশর ইবনু ইবরাহীম।
এ হাদীসটি সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু আদীর বর্ণনা হতেই উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি (ইবনু আদী) সেটিকে এ জালকারীর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর সুয়ূতী চুপ থেকেছেন।
` من حج من مكة ماشيا حتى يرجع إلى مكة كتب الله له بكل خطوة سبعمائة حسنة، كل حسنة مثل حسنات الحرم، قيل: وما حسنات الحرم؟ قال: لكل حسنة مائة ألف حسنة `.
ضعيف جدا.
أخرجه الطبراني في ` الكبير ` (3 / 169 / 1) وفي ` الأوسط ` (1 / 112 / 2) والدولابي في ` الكنى ` (2 / 13) والحاكم (1 / 461) والبيهقي (10 / 78) من طريق عيسى بن سوادة عن إسماعيل بن أبي خالد عن زاذان عن ابن عباس مرفوعا، وقال الطبراني: لم يروه عن إسماعيل إلا عيسى.
قلت: وهو ضعيف جدا، وأما الحاكم فقال: صحيح الإسناد، ورده الذهبي بقوله: ليس بصحيح، أخشى أن يكون كذبا، وعيسى قال أبو حاتم: منكر الحديث.
قلت: وتمام كلام أبي حاتم كما في ` الجرح والتعديل ` (3 / 1 / 277) :
ضعيف، روى عن إسماعيل بن أبي خالد عن زاذان عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم حديثا منكرا.
قلت: كأنه يعني هذا … ، والحديث أورده المنذري في ` الترغيب ` (2 / 108) وقال: رواه ابن خزيمة في ` صحيحه ` والحاكم كلاهما من رواية عيسى بن سوادة وقال الحاكم: صحيح الإسناد، وقال ابن خزيمة: إن صح الخبر، فإن في القلب من عيسى بن سوادة شيئا، قال الحافظ المنذري: قال البخاري: هو منكر
الحديث.
قلت: ففي قول البخاري هذا إشارة إلى اتهامه وأنه لا تحل الرواية عنه كما سبق التنبيه عليه مرارا، وانظر الصفحة الآتية (118) وقد أفصح بذلك ابن معين فقال فيه: ` كذاب، رأيته `
ثم وجدت له متابعا، فقال أبو علي الهروي في الأول من الثاني من ` الفوائد ` (9 / 2) : حدثنا سليمان بن الفضل بن جبريل حدثنا محمد بن سليمان حدثنا سفيان بن عيينة عن إسماعيل بن أبي خالد به، إلا أنه أوقف الشطر الأخير منه على ابن عباس، وهو: ` بكل حسنة مائة ألف حسنة `.
وهذا سند واه، سليمان بن الفضل بن جبريل لم أجد له ترجمة، ولعله الذي في ` الكامل ` لابن عدي (161 / 1) : سليمان بن الفضل عن ابن المبارك قال ابن عدي: رأيت له غير حديث منكر، وقال أيضا: ليس بمستقيم الحديث. والله أعلم.
৪৯৫। যে ব্যক্তি মক্কা হতে পায়ে হেঁটে হজ্জ করবে মক্কা ফিরে আসা পর্যন্ত। আল্লাহ তার প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য সাতশতটি সৎকর্ম লিখে দিবেন। প্রতিটি সৎকর্ম হারামের সৎ কর্মগুলোর ন্যায়। বলা হলোঃ হারামের সৎ কর্মগুলো কী? তিনি বললেনঃ প্রত্যেক সৎকর্মের বিনিময়ে এক লক্ষ সৎকর্ম।
হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১৬৯/১) এবং “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/১১২/২), দুলাবী “আল-কুনা” গন্থে (২/১৩), হাকিম (১/৪৬১) এবং বাইহাকী (১০/৭৮) ঈসা ইবনু সুওয়াদা সূত্রে ইসমাঈল ইবনু আবী খালিদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তাবারানী বলেছেনঃ ইসমাঈল হতে ঈসা ছাড়া অন্য কেউ হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল। হাকিম বলেছেনঃ সনদটি সহীহ। যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ সহীহ্ নয়। আমি ভয় করছি মিথ্যা হওয়ার। ঈসা সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু হাতিম “আল-জারহু ওয়াত তাদীল” গ্রন্থে (৩/১/২৭৭) বলেনঃ তিনি দুর্বল। তিনি ইসমাঈল ইবনু আবী খালিদ হতে এবং তিনি যাযান হতে ... মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুনযেরী হাদীসটি “আত-তারগীব” গ্রন্থে (২/১০৮) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটিকে ইবনু খুযায়মা তার “সহীহ” গ্রন্থে এবং হাকিম বর্ণনা করেছেন। অতঃপর হাকিম বলেছেনঃ সনদটি সহীহ। ইবনু খুযায়মা বলেছেনঃ যদি সহীহ হয় তাহলে ঈসা ইবনু সুওয়াদার অন্তরে কিছু ছিল। হাফিয মুনযেরী বলেনঃ বুখারী বলেছেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস।
আমি (আলবানী) বলছিঃ বুখারীর এ কথা ইঙ্গিত করছে তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করার দিকে এবং তার থেকে বর্ণনা করাও হালাল নয়। তার সম্পর্কে ইবনু মা'ঈন স্পষ্টতই বলেছেনঃ তাকে আমি মিথ্যুক হিসাবে দেখেছি।
আমি তার হাদীসটির একটি মুতাবায়াত পেয়েছি “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (২/৯) সুলায়মান ইবনুল ফাযল ইবনু জিবরল হতে ... । কিন্তু এ সনদটি দুর্বল। সুলায়মানের জীবনী পাচ্ছি না। সম্ভবত তার কথাই ইবনু আদীর “আল-কামিল” গ্রন্থে (১/১৬১) এসেছেঃ তিনি বলেনঃ তিনি হাদীসের ব্যাপারে সঠিক ছিলেন না।
` إن للحاج الراكب بكل خطوة تخطوها راحلته سبعين حسنة، والماشي بكل خطوة يخطوها سبعمائة حسنة `.
ضعيف.
أخرجه الطبراني في الكبير (3 / 165 / 2) والضياء في ` المختارة ` (204 / 2) من طريق يحيى بن سليم عن محمد بن مسلم الطائفي عن
إسماعيل بن أمية عن سعيد بن جبير عن ابن عباس مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد ضعيف، يحيى بن سليم ومحمد بن مسلم ضعفهما أحمد وغيره، وقد اضطرب أحدهما في إسناده فمرة رواه هكذا ومرة قال: إبراهيم بن ميسرة بدل إسماعيل بن أمية، أخرجه الأزرقي في ` أخبار مكة ` (ص 254) وكذا الضياء من طريق الطبراني، وأبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 354) ومرة قال:
إسماعيل بن إبراهيم، رواه البزار كما في ` المجمع ` (3 / 209) ومرة أخرى أسقطه فقال: عن محمد بن مسلم الطائفي عن سعيد بن جبير، ذكره ابن أبي حاتم في ` علل الحديث ` (1 / 279) وقال: قال أبي: محمد بن مسلم عن سعيد بن جبير، مرسل، وهذا حديث يروي عن ابن سيش رجل مجهول، وليس هذا بحديث صحيح.
ورواه ابن عدي (ق 226 / 1) من طريق عبد الله بن محمد القدامي حدثنا محمد بن مسلم الطائفي عن إبراهيم بن ميسرة عن سعيد بن جبير به، ولفظه: ` من حج راكبا كان له بكل خطوة حسنة، ومن حج ماشيا كان له بكل خطوة سبعين حسنة من حسنات الحرم، قال: قلت: وما حسنات الحرم؟ قال: الحسنة بمائة ألف ` وقال:
عبد الله بن محمد القدامي عامة حديثه غير محفوظ وهو ضعيف.
قلت: وجملة القول: أن الحديث ضعيف، لضعف راويه، واضطرابه في سنده ومتنه وكيف يكون صحيحا وقد صح أنه عليه الصلاة والسلام حج راكبا، فلوكان
الحج ماشيا أفضل لاختاره الله لنبيه صلى الله عليه وسلم، ولذلك ذهب جمهو ر العلماء إلى أن الحج راكبا أفضل كما ذكره النووي في ` شرح مسلم `، وراجع رسالتي ` حجة النبي صلى الله عليه وسلم كما رواها عنه جابر رضي الله عنه ` (ص 16) من الطبعة الأولى، والتعليق (16) من طبعة المكتب الإسلامي.
وفي الحديث عند ابن أبي حاتم، وأبي نعيم زيادة في آخره تقدمت في الحديث الذي قبله، وقد روى بإسناد آخر مختصرا أيضا وهو:
৪৯৬। নিশ্চয় আরোহন করে আগত হাজীর বাহনের প্রতিটি পদক্ষেপ সত্তরটি সৎকর্ম তুল্য এবং পায়ে হেঁটে আগত হাজীর প্রতিটি পদক্ষেপ সাতশত সৎকর্মের সমতুল্য।
হাদীসটি দুর্বল।
এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১৬৫/২) এবং যিয়া “আল মুখতারা” গ্রন্থে (২/২০৪) ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়েম সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম তায়েফী হতে, তিনি ইসমাঈল ইবনু উমাইয়া হতে, তিনি সাঈদ ইবনু যুবায়ের হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়েম এবং মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম উভয়কেই ইমাম আহমাদ ও অন্যরা দুর্বল বলেছেন। তাদের কোন একজন তার সনদে ইযতিরাব ঘটিয়েছেন। একবার বলেছেন এরূপ, অন্যবার “ইসমাঈল ইবনু উমাইয়ার” পরিবর্তে বলেছেন ইবরাহীম ইবনু মায়সারা। এটি আযরূকী `আখবারু মাক্কা` গ্রন্থে (পৃ. ২৫৪), অনুরূপভাবে যিয়া তাবরানী সূত্রে এবং আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/৩৫৪) বর্ণনা করেছেন। আরেকবার বলেছেনঃ ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম। এটি বাযযার (১১২১) বর্ণনা করেছেন। আরেকবার তাকে রাখেনইনি। বলেছেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনু যুবায়ের হতে। এটি মুরসাল।
এ হাদীসটি বর্ণনা করা হয়েছে ইবনু সীশ হতে। তিনি একজন মাজহুল ব্যক্তি। এ হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনু আদী (কাফ ২২৬/১) আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ কুদামী সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ তার অধিকাংশ হাদীস মাহফু্য (নিরাপদ) নয় এবং তিনি দুর্বল। মোটকথাঃ হাদীসটি দুর্বল। বর্ণনাকারী দুর্বল হওয়ার কারণে এবং তার সনদটিতে ইযতিরাব সংঘটিত হওয়ার কারণে।
কীভাবে সহীহ্ হয় যেখানে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে আরোহীর মাধ্যমে (মক্কা গিয়ে) হজ্জ করেছেন। যদি হেঁটে হজ্জ করা উত্তম হত, তাহলে আল্লাহ তার নবীর জন্য সেটিই পছন্দ করতেন। এ কারণেই জামহুরে ওলামা আরোহীর মাধ্যমে (মক্কা গিয়ে) হজ্জ করাকে উত্তম বলেছেন। যেমনটি নাবাবী “শারহু মুসলিম”-এর মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
موارد) من طريق معاذ بن محمد بن معاذ بن أبي بن كعب عن أبيه عن جده عن أبي بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم: فذكره. قلت: وهذا سند ضعيف مسلسل بالمجهولين، قال ابن المديني: ` لا نعرف محمد بن معاذ هذا، ولا أباه، ولا جده في الرواية، وهذا إسناد مجهول `. كذا في ` الميزان ` و` اللسان `. وقال الحافظ في ترجمة محمد هذا من ` التقريب `. ` مجهول `. وقال في ابنه معاذ: ` مقبول `.
قلت: وأما ابن حبان فأوردهم في ` الثقات ` على قاعدته في توثيق المجهولين، ثم أخرج حديثهم في صحيحه كما ترى، فلا تغتر بذلك، فإنه قد شذ في ذلك عن التعريف الذي اتفق عليه جماهير المحدثين في الحديث الصحيح وهو: ` ما رواه عدل، ضابط، عن مثله `. فأين العدالة، وأين الضبط في مثل هؤلاء المجهولين. لاسيما وقد رووا منكرا من الحديث خالفوا به الصحيح الثابت عنه صلى الله عليه وسلم من غير طريق كما سيأتي بيانه.
ولقد بدا لي شيء جديد يؤكد شذوذ ابن حبان المذكور، ذلك أنني حصلت نسخة من كتابه القيم ` المجروحين ` في موسم حج السنة الماضية (1396) فلم أر له فيه راويا واحدا جرحه
بالجهالة حتى الآن فهذا يؤكد أن الجهالة عنده ليست جرحا! هذا، وفي معناه حديث وائل بن حجر قال: ` رأيت النبي صلى الله عليه وسلم إذا سجد وضع ركبتيه قبل يديه، وإذا نهض رفع يديه قبل ركبتيه `. أخرجه أبو داود (1 / 134) والنسائي (1 / 165) والترمذي (2 / 56) والطحاوي (1 / 150) وابن حبان في ` صحيحه ` (رقم 487 - موارد) والدارقطني (131 - 132) والحاكم (1 / 226) وعنه البيهقي (2 / 98) كلهم من طريق يزيد بن هارون: أخبرنا شريك (1) عن عاصم بن كليب عن أبيه عنه.
قلت: وهذا سند ضعيف، وقد اختلفوا فيه، فقال الترمذي عقبه: ` هذا حديث حسن غريب، لا نعرف أحدا رواه مثل هذا عن شريك `. وقال الحاكم: ` احتج مسلم بشريك `! ووافقه الذهبي! وليس كما قالا، على ما يأتي بيانه، وقال ابن القيم في ` الزاد ` (1 / 79) وقد ذكر الحديث: ` هو الصحيح `، وخالفهم الدارقطني فقال عقبه: ` تفرد به يزيد عن شريك، ولم يحدث به عاصم بن كليب غير شريك، وشريك ليس بالقوي فيما يتفرد به `.
وخالفهم أيضا البخاري ثم البيهقي فقال هذا في ` سننه ` (2 / 99) : ` هذا حديث يعد في أفراد شريك القاضي، وإنما تابعه همام من هذا الوجه مرسلا، هكذا ذكره البخاري وغيره من الحفاظ المتقدمين رحمهم الله تعالى `.
وهذا هو الحق الذي لا يشك فيه كل من أنصف، وأعطى البحث حقه من التحقيق العلمي، أن هذا الإسناد ضعيف، وله علتان: الأولى: تفرد شريك به. والأخرى: المخالفة. وقد سمعت آنفا الدارقطني يقول في شريك: إنه ليس بالقوي فيما يتفرد به، وفي ` التقريب `: ` صدوق، يخطىء كثيرا، تغير حفظه منذ ولي القضاء بالكوفة `. قلت: فمثله لا يحتج به إذا تفرد فكيف إذا خالف كما يأتي بيانه، وقول الحاكم والذهبي: ` احتج به مسلم ` من أوهامهما، فإنما أخرج له مسلم في المتابعات كما صرح بذلك المنذري في خاتمة ` الترغيب والترهيب `.
وكثيرا ما يقع الحاكم في مثل هذا الوهم ويتبعه عليه الذهبي على خلاف ما يظن به، فيصححان أحاديث شريك على شرط مسلم، وهي
(1) وقع في ` الموارد ` ` إسرائيل ` بدل ` شريك `، وهو خطأ من الناسخ وليس من الطابع، فقد رجعت إلى الأصل المخطوط في المكتبة المحمودية في المدينة المنورة فرأيته في (ق 35 / 1) : ` إسرائيل ` كما في المطبوعة عنه. فتنبه.
لا تستحق التحسين فضلا عن التصحيح، فكيف على شرط مسلم؟ ! فليتنبه لهذا من أراد البصيرة في دينه، وأحاديث نبيه صلى الله عليه وسلم.
وأما المخالفة التي سبقت الإشارة إليها فهي من جهتين: المتن والسند.
فأما المتن، فقد روى الحديث جماعة من الثقات عن عاصم بن كليب به، فذكروا صفة صلاته صلى الله عليه وسلم بأتم مما ذكره شريك عن عاصم، ومع ذلك فلم يذكروا كيفية السجود والنهوض عنه إطلاقا كما أخرجه أبو داود والنسائي وأحمد وغيرهم عن زائدة وابن عيينة وشجاع بن الوليد كلهم عن عاصم به (1) . فدل ذلك على أن ذكر الكيفية في حديث عاصم منكر لتفرد شريك به دون الثقات.
وأما المخالفة في السند، فهو أن هماما قال: حدثنا شقيق أبو الليث قال: حدثني عاصم بن كليب عن أبيه. ` أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا سجد وقعت ركبتاه إلى الأرض قبل أن تقع كفاه `. أخرجه أبو داود والبيهقي وقال: ` قال عفان: وهذا الحديث غريب ` (2) .
قلت: فقد خالف شريكا شقيق فأرسله، ولكن شفيقا هذا ليس خيرا من شريك، فإنه مجهول لا يعرف، كما قال الذهبي وغيره. ولهمام فيه إسناد آخر، ولكنه معلول أيضا، فقال: حدثنا محمد بن جحادة عن عبد الجبار بن وائل بن حجر عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم: ` كان إذا دخل في الصلاة رفع يديه … فلما أراد أن يسجد وقعت ركبتاه على الأرض قبل أن تقع كفاه … فإذا نهض، نهض على ركبتيه، واعتمد على فخذيه `. أخرجه أبو داود والبيهقي (3) وعلته الانقطاع، فقال النووي في ` المجموع شرح المهذب ` (3 / 446) : ` حديث ضعيف لأن عبد الجبار بن وائل اتفق الحفاظ على أنه لم يسمع من أبيه شيئا، ولم يدركه `.
وفي الباب حديث آخر معلول أيضا، رواه أبو العلاء بن إسماعيل العطار: حدثنا حفص بن غياث عن عاصم الأحول عن أنس قال: ` رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم انحط بالتكبير فسبقت ركبتاه يديه `.
أخرجه الدارقطني (132) والحاكم (1 / 226) وعنه البيهقي (2 / 99) والحازمي في ` الاعتبار ` (55) وابن حزم في ` المحلى ` (4 / 129) والضياء المقدسي في ` الأحاديث المختارة `. وقال الدارقطني والبيهقي:
(1) ` صحيح أبي داود ` (714 - 718)
(2) ` ضعيف أبي داود ` (121) .
(3) المصدر نفسه (151) . اهـ.
` تفرد به العلاء بن إسماعيل `. قلت: وهو مجهول كما قال ابن القيم في ` الزاد ` (1 / 81) ومن قبله البيهقي كما في ` التلخيص ` لابن حجر، وقال ابن أبي حاتم في ` العلل ` (1 / 188) عن أبيه: ` هذا حديث منكر `. قلت: وأما قول الحاكم والذهبي: ` حديث صحيح على شرط الشيخين ` فغفلة كبيرة منهما عن حال العلاء هذا
، مع كونه ليس من رجال الشيخين! وقال الحافظ في ترجمته من ` اللسان `: ` وقد خالفه عمر بن حفص بن غياث، وهذا من أثبت الناس في أبيه، فرواه عن أبيه عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة وغيره عن عمر موقوفا عليه، وهذا هو المحفوظ `.
قلت: أخرجه الطحاوي (1 / 151) بالسند المذكور عن إبراهيم عن أصحاب عبد الله علقمة والأسود فقالا: حفظنا عن عمر في صلاته أنه خر بعد ركوعه على ركبتيه كما يخر البعير، وضع ركبتيه قبل يديه. وسنده صحيح.
قلت: وقد صرح الأعمش عنده بالتحديث، ورواه عبد الرزاق (2955) نحوه. وفي هذا الأثر تنبيه هام، وهو أن البعير يبرك على ركبتيه، يعني اللتين في مقدمتيه، وإذا كان كذلك لزم أن لا يبرك المصلي على ركبتيه كما يبرك البعير، لما ثبت في أحاديث كثيرة من النهي عن بروك كبروك الجمل، وجاء في بعضها توضيح ذلك من حديث أبي هريرة مرفوعا بلفظ: ` إذا سجد أحدكم فلا يبرك كما يبرك البعير، وليضع يديه قبل ركبتيه `.
رواه أبو داود بسند جيد، وفي رواية عن أبي هريرة بلفظ: ` كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا سجد بدأ بوضع يديه قبل ركبتيه `. أخرجه الطحاوي في ` شرح المعاني ` (1 / 149) هو الذي قبله بالسند المشار إليه آنفا، وروى له شاهدا من حديث ابن عمر من فعله وفعل النبي صلى الله عليه وسلم. وسنده صحيح، وصححه الحاكم والذهبي.
فهذه الأحاديث الثابتة تدل على نكارة الأحاديث المتقدمة جميعها، ومما يدل على ضعف بعضها من جهة ما فيها من الزيادة في هيئة القيام إلى الركعة الثانية، حديث أبي قلابة قال: ` كان مالك بن الحويرث يأتينا فيقول: ألا أحدثكم عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فيصلى في غير وقت الصلاة، فإذا رفع رأسه من السجدة الثانية في أول ركعة استوى قاعدا، ثم قام فاعتمد على الأرض `. أخرجه الإمام الشفاعي في ` الأم ` (1 / 101) والنسائي (1 / 173) والبيهقي
(2 / 124 - 135) بإسناد صحيح على شرط الشيخين، وقد أخرجه البخاري (2 / 241) من طريق أخرى عن أبي قلابة نحوه. ففيه دلالة صريحة على أن السنة في القيام إلى الركعة الثانية إنما هو الاعتماد، أي باليد، لأنه افتعال من العماد، والمراد به الإتكاء وهو باليد كما في ` الفتح ` قال: ` وروى عبد الرزاق عن ابن عمر أنه كان يقوم إذا رفع رأسه من السجدة معتمدا على يديه قبل أن يرفعهما `، قلت: وفيه عنده (2964، 2969) العمري وهو ضعيف، لكن الاعتماد فيه شاهد قوي سأذكره بإذن الله تحت الحديث الآتي برقم (967) .
فقد ثبت مما تقدم أن السنة الصحيحة إنما هو الاعتماد على اليدين في الهو ي إلى السجود وفي القيام منه، خلافا لما دلت عليه هذه الأحاديث الضعيفة، فكان ذلك دليلا آخر على ضعفها.
৪৯৭। পায়ে হেঁটে আগত হজ্জকারীর জন্য সত্তরটি হজ্জের সাওয়াৰ। আর আরোহন করে হজ্জে আগত ব্যক্তির সাওয়াব ত্রিশটি হজ্জের সমান।
হাদীসটি জাল।
এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/১১১-১১২) মুহাম্মাদ ইবনু মেহসান ওকাশী হতে এবং তিনি ইবরাহীম ইবনু আবী উবলা হতে ... বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর তাবরানী বলেছেনঃ ইবরাহীম হতে মুহাম্মাদ ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক ইবনে ইবরাহীম। তাকে তার দাদার দিকে নেসবাত করা হয়েছে। তিনি মিথ্যুক। তার সম্পর্কে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে। হায়সামী (৩/২০৯) বলেনঃ তিনি মাতরুক।
` صائم رمضان فى السفر كالمفطر فى الحضر `.
منكر.
رواه ابن ماجه (1 / 511) والهيثم بن كليب في ` المسند ` (22 / 2) والضياء في ` المختارة ` (1 / 305) من طريق أسامة بن زيد عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبيه عبد الرحمن بن عوف مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد ضعيف وله علتان:
الأولى: الانقطاع لأن أبا سلمة لم يسمع عن أبيه كما في ` الفتح `.
الثانية: أسامة بن زيد في حفظه ضعف، وقد خالفه الثقة وهو ابن أبي ذئب فرواه عن الزهري ابن شهاب به موقوفا.
رواه النسائي (1 / 316) والفريابي في ` الصيام ` (4 / 70 / 1) من طرق عنه ولذلك قال البيهقى في ` السنن ` (4 / 144) .
وهو موقوف، وفي إسناده انقطاع، وروى مرفوعا وإسناده ضعيف.
نعم رواه أبو قتادة عبد الله بن واقد الحراني عن ابن أبي ذئب به مرفوعا، لكن أبا قتادة هذا متروك، وفي الطريق إليه آخر ضعيف أخرجه الخطيب (11 / 383) .
وقد رواه النسائي من طريق ابن أبي ذئب عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن أبيه موقوفا أيضا، وإسناده صحيح، فهذا يؤيد خطأ من رفعه عن عبد الرحمن بن عوف، وقد ذكر الضياء أن الدارقطني أيضا صحح وقفه على عبد الرحمن.
৪৯৮। যে ব্যক্তি সফরে রমযান মাসে সওম রাখে সে মুকিম অবস্থায় ইফতার কারীর (যে সওম রাখে না) ন্যায়।
হাদীসটি মুনকার।
এটি ইবনু মাজাহ্ (১/৫১১), হায়সাম ইবনু কুলায়েব “মুসনাদ” গ্রন্থে (২/২২) এবং যিয়া “আল-মুখতারা” গ্রন্থে (১/৩০৫) উসামা ইবনু যায়েদ সূত্রে ইবনু শিহাব হতে, তিনি আবু সালমা ইবনু আবদির রহমান হতে, তিনি তার পিতা আব্দুর রহমান ইবনু আউফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল দুটি কারণেঃ
১। ইনকিতা (সনদে বিচ্ছিন্নতা)। কারণ আবু সালমা তার পিতা হতে শুনেননি, যেমনভাবে `ফাতহুল বারীর` মধ্যে এসেছে।
২। উসামা ইবনু যায়েদের হেফযে দুর্বলতা ছিল। নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী তার বিরোধিতা করেছেন। তিনি হচ্ছেন ইবনু আবী যি’ব। তিনি এটিকে ইবনু শিহাব হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
এটি নাসাঈ (১/৩১৬) এবং ফিরইয়াবী “আস-সিয়াম” গ্রন্থে (৪/৭০/১) তার থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন। যার জন্য বাইহাকী “সুনান” গ্রন্থে (৪/২৪৪) বলেনঃ হাদীসটি মওকুফ। তার সনদটিতে ইনকিতা সংঘটিত হয়েছে এবং মারফু হিসাবে যেটি বর্ণনা করা হয়েছে, সেটির সনদটি দুর্বল।
হ্যাঁ; আবু কাতাদ আব্দুল্লাহ ইবনু ওয়াকিদ হাররানী হাদীসটি মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ আবু কাতাদা মাতরুক। আর তার সূত্রে আরেক বর্ণনাকারী আছেন, তিনিও দুর্বল।
এটি আল-খাতীব (১১/৩৮৩) উল্লেখ করেছেন।
নাসাঈ ইবনু আবী যি’ব সূত্রে মওকুফ হিসাবেও বর্ণনা করেছেন। তার সনদটি সহীহ। এটি এ সিদ্ধান্তকেই সুদৃঢ় করছে যে, আব্দুর রহমান ইবনু আউফ হতে মারফু হিসাবে হাদীসটি ভুল।
যিয়া উল্লেখ করেছেন যে, দারাকুতনী হাদীসটিকে আব্দুর রহমান হতে মওকুফ হিসাবে সহীহ বলেছেন।
حرم) ، والدولابي في
`الكنى` (1/ 43) ، وابن عدي (235/ 1 و 332/ 1) ، والبيهقي (3/ 345) عن عبد الرحمن بن سعد بن عمار المؤذن، عن مالك بن عبيد ة الديلي، عن أبيه، عن جده مرفوعاً. وقال الطبراني:
`لا يروى عن ابن عبيد ة الديلي إلا بهذا الإسناد`.
قلت: وهو ضعيف؛ مالك بن عبيد ة؛ قال ابن عدي:
`قال ابن معين: لا أعرفه`.
وعبد الرحمن بن سعد؛ ضعيف، كما في `التقريب`.
ثم روى أبو يعلى (11/ 6402) ، والطبراني، والبيهقي، وكذا البزار (ص 312 - زوائده) عن إبراهيم بن خثيم بن عراك بن مالك، عن أبيه، عن جده، عن أبي هريرة مرفوعاً بلفظ:
`مهلاً عن الله مهلاً؛ فإنه لولا شباب خشع، وبهائم رتع … ` الحديث مثله ثم قوله: `ثم لرض رضاً`. وقال البيهقي:
`إبراهيم بن خثيم؛ غير قوي`.
وتعقبه ابن التركماني بقوله:
`وأهل هذا الشأن أغلظوا فيه القول؛ فقال النسائي: متروك. وقال أبو الفتح الأزدي: كذاب. وقال الجوزجاني: اختلط بآخره`.
قلت: وقول النسائي المذكور هو الذي اعتمده الذهبي، فلم يذكر غيره في `المغني`.
৪৯৯। ধৈর্য হচ্ছে ঈমানের অর্ধেক। আর বিশ্বাস হচ্ছে পুরো ঈমান।
হাদীসটি মুনকার।
এটি ইবনুল আরাবী তার `আল-মুজাম` গ্রন্থে (২/৫৬), তাম্মাম আর-রাযী (৯/১৩৮/১), আবুল হাসান আযদী `পাঁচটি মজলিসের প্রথমটিতে` (১৬-১৭), আবু নুয়াইম “আল-হিলইয়াহ` গ্রন্থে (৫/৩৪), আল-খাতীব তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১৩/২২৬), তার থেকে ইবনুল জাওয়ী `ইলালুল মুতানাহিয়া` গ্রন্থে (১৩৬৪) এবং কাযাঈ তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (৬ বা /২) ইয়াকুব ইবনু হুমায়েদ ইবনে কাসেব সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু খালিদ মাখযুমী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আবু নুয়াইম এবং আল-খাতীব বলেছেনঃ মাখযুমী সুফিয়ান হতে এ সনদে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল জাওয়ী বলেনঃ তিনি মাজরুহ (সমালোচিত)।
আমি (আলবানী) বলছিঃ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ এ মতনটি (ভাষাটি) ইমাম বুখারী “কিতাবুল ঈমান”-এর মধ্যে মুয়াল্লাক হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি বলেননি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।
হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ আবু আলী নাইসাপূরী বলেছেনঃ এ হাদিসটি মুনকার। যুবায়েদ এবং সাওরীর হাদীস হতে তার কোন ভিত্তি নেই।
ইবনু হাজার “ফাতহুল বারী` গ্রন্থে (১/৪১) বলেছেনঃ الصبر نصف الإيمان এ অংশটুকু আবু নুয়াইম ও বাইহাকী “আয-যুহুদ” গ্রন্থে ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মারফু' হিসাবে সাব্যস্ত হয়নি।
বাইহাকী আল-আদাব” গ্রন্থে (পৃ.৪০৪) বলেনঃ মওকুফ হিসাবেই সহীহ।
المطبعة السلفية) ، فيجمع بينه وبين الأحاديث الصحيحة المعارضة له بجواز
الأمرين!
ثالثا ً: وأنكر من ذلك كله: قول البوصيري في ((الزوائد)) (ق 79 / 2) و (1 /
150 - طبعة دار العربية) :
((هذا إسناد صحيح، ورجاله ثقات. . . . ورواه الحاكم. . . . .)) .
ولم أره في ((مستدرك الحاكم)) ولا رأيت غيره عزاه إليه! وكأنه لما رأى شيخَه
الحافظ َ سكت عن قول البيهقي: ((رواته ثقات)) ؛ استلزم منه صحة إسناده!
وليس بلازم كما لا يخفى على أهل العلم.
وقد اغتر به أبو الحسن السندي في ((حاشية ابن ماجه)) (1 / 384) ، فنقل
تصحيحه هذا ساكتا ً عليه أيضا ً!
وأما الناحية الفقهية؛ فأغرب، من حيث الابتعاد عن المنهج العلمي، وهاك
بعض الأمثلة:
الأول: عمل بهذا الحديث المنكر المالكية والشافعية، فذهبوا إلى تأخير الخطبة
عن الصلاة، ونص على ذلك مالك في ((الموطأ)) ، والشافعي في ((الأم)) ، وتبعهم
الإمام أبو يوسف كما نقله عنه أبو جعفر الطحاوي، واحتج له بقياس صلاة
الاستسقاء على صلاة العيدين (1) ! مع كونه يعلم أنه خلاف الأحاديث الصحيحة
المتقدمة، وقد خرجها كلها، ومن بَدَهِيات الفقه: أنه لا اجتهاد ولا قياس في
مخالفة النص.
ولقد كان أسعد الناس في هذه المسألة الإمام محمد بن الحسن؛ فإنه وفق
للسنة فيها؛ فقد ذكر في كتابه ((الحجة على أهل المدينة)) مذهبهم فيها مثلما
ذكرته عن مالك، ثم قال (1 / 333) :
((وقد كان أهل المدينة يقولون قبل هذا: يبدأ الإمام في الاستسقاء بالخطبة
قبل الصلاة بمثل فعله في الجمعة)) . قال: ((وقول أهل المدينة الآخر أحب إلينا من
(1) وذكر الباجي في ((المنتقى)) (1 / 332) نحوه موجهاً لقول مالك وفق قول أبي يوسف.
قولهم الأول)) .
ثم ساق حديث ابن عباس، وحديث عبد الله بن زيد المازني المتقدمين، مع
شاهد لهما من فعل الصحابة يحسن أن أسوقه هنا إتماما للفائدة، فقال:
أخبرنا سفيان الثوري قال: حدثنا أبو إسحاق (السبيعي) عن عبد الله بن
يزيد الأنصاري (وهو الخَطمي) قال:
خرج يستسقي بالكوفة ـ وقد كان رأى النبي صلى الله عليه وسلم، فقام قائما ً على رجليه
على غير منبر، فاستسقى واستغفر، فصلى ركعتين. قال: ووافقنا زيد بن أرقم في
الاستسقاء.
وتابعه: عبد الرزاق في ((المصنف)) (3 / 86) عن الثوري به؛ لكن وقع في
متنه خطأ بينه الحافظ في ((الفتح)) (2 / 513) ، فراجعه إن شئت.
وتابعه: زهير ـ وهو ابن معاوية الجعفي ـ قال: ثنا أبو إسحاق به. وزاد في
أوله:
وخرج فيمن كان معه: البراء بن عازب، وزيد بن أرقم. قال أبو إسحاق: وأنا
معه يومئذ ٍ. وفي آخره:
((ونحن خلفه، فجهر فيهما بالقراءة، ولم يؤذ?ن يومئذ ٍ ولم يُقِمْ)) .
أخرجه البخاري (2 / 513 / 1022) ، والطحاوي (1 / 193) ، والبيهقي
(3 / 349) وقال:
((رواه الثوري عن أبي إسحاق قال: فخطب ثم صلى، ورواه شعبة عن أبي
إسحاق قال: فصلى ركعتين، ثم استسقى، ورواية الثوري وزهير أشبه)) .
يعني أن شعبة انقلب عليه هذا الأثر، فذكر الصلاة قبل الخطبة، وهو خطأ منه
على السبيعي؛ كما أخطأ معمر على الزهري في قلبه لحديثه عن عباد عن عبد الله
ابن زيد؛ كما تقدم تحقيق ذلك في الحديث الذي قبله.
ويشير برواية الثوري إلى رواية عبد الرزاق المتقدمة عنه، ولفظه:
فخطب، ثم صلى بغير أذان ولا إقامة. قال: وفي الناس يومئذٍ البراء بن عازب
وزيد بن أرقم.
ورواها ابن أبي شيبة في ` المصنف ` مختصراً فقال (2 / 473) : حدثنا
وكيع قال: ثنا سفيان عن أبي إسحاق قال:
خرجنا مع عبد الله بن يزيد الأنصاري نستسقي، فصلى ركعتين، وخلفه زيد
ابن أرقم.
ورواه الفسوي في ` تاريخه ` (2 / 630) : حدثنا قبيصة قال: ثنا سفيان به
قال:
بعث عبد الله بن الزبير إلى عبد الله بن يزيد الخطمي: أن استسق بالناس،
فخرج وخرج الناس معه، وفيهم زيد بن أرقم والبراء بن عازب.
ورواية شعبة التي أشار إليها البيهقي؛ وصلها مسلم (5 / 199) من طريق
محمد بن جعفرعنه.
وقد خالفه سليمان بن حرب وأبو الوليد الطيالسي ومحمد بن كثير عن شعبة
بلفظ:
وصلى بالناس ركعتين.
أخرجه الطبراني في ` المعجم الكبير ` (5 / 211 - 212) ؛ لكن سقط منه
ذكر عبد الله بن يزيد، ولعله من الناسخ أو الطابع.
قلت: فهذا اللفظ ليس صريحاً في مخالفة لفظ الثوري وزهير، فليحمل عليه،
بخلاف لفظ محمد بن جعفر؛ فإنه صريح في ذلك؛ فلا بد من الترجيح، ولا
شك أن رواية الجماعة أرجح من رواية الفرد، وبخاصة إذا كان فيه نوع كلام؛ فقد
قال الحافظ في ترجمته - أعني: ابن جعفر، وهو المعروف بـ (غُنْدَر) - :
` ثقة صحيح الكتاب؛ إلا أن فيه غفلة `.
وبالجملة؛ فالصحيح المحفوظ في هذا الأثر تقديم الخطبة على الصلاة وفق
الرواية المحفوظة في حديث عبد الله بن زيد المازني وحديث عائشة وابن عباس. فلا
جرم أن يكون الإمام محمد أسعد الناس بالسنة؛ لإيثاره إياها على ما خالفها.
الثاني: استمرار الشافعية والحنفية - خلافاً للإمام محمد - على ترجيح
وتفضيل تقديم الصلاة على الخطبة، وهم يعلمون أن ما في ` الصحيحين ` وغيرهما
عن عبد الله بن زيد وعائشة وابن عباس أصح وأكثر؛ كما تقدم بيانه، ولو أنهم
عكسوا لأصابوا؛ لأنه ليس لهم حجة إلا ذاك الحديث الشاذ وهذا الحديث المنكر،
حتى إن الامام الشيرازي لم. يحتج في ` المهذب ` إلا به، ومع أنه ذكره في موضع
آخر منه؛ فقد مر عليه النووي في شرحه عليه: ` المجموع ` (5 / 66، 77) فلم
يخرجه مطلقاً، ولا استدل بغيره على مذهبه؛ بل إنه صرح (5 / 93) بأنه
الأفضل؛ قال:
` فلو خطب قبل الصلاة؛ صحت الخطبة، وكان تاركاً للأكمل `! وتبعه
العيني في ` عمدة القاري ` (4 / 34) .
فلا أدري - والله! - كيف يتجرأون على مثل هذا القول المخالف للأحاديث
الصحيحة وفعل الصحابة كما تقدم في أثر عبد الله بن يزيد الأنصاري، وليس
بأيديهم ما يساويها ثبوتاً، فضلاً عن أن تكون أقوى منها دلالة؟ ! فلو أنها كانت
ثابتة لما دلت على أكثر من الجواز، فالأفضلية من أين؟ !
ومن ذاك القبيل؛ قول محدِّثهم الأكبر - بحق - في ` فتح الباري ` (2 / 500) :
` ويمكن الجمع بين ما اختلف من الروايات في ذلك بأنه صلى الله عليه وسلم بدأ بالدعاء، ثم
صلى ركعتين ثم خطب، فاقتصر بعض الرواة على شيء، وبعضهم على شيء،
وعبر بعضهم عن الدعاء بالخطبة، فلذلك وقع الاختلاف `! ونقله عنه الشوكاني
(4 / 5) !
فأقول:
أولاً: الجمع فرع التصحيح، فما دام أنه لم تثبت خطبته صلى الله عليه وسلم بعد الصلاة؛
فلا جمع؛ لأنه يشترط فيه أن تكون الروايتان المختلفتان من قسم (المقبول) ؛ كما
ذكر ذلك الحافظ نفسه في ` شرح النخبة `.
وثانياً: يدفع الجمع المذكور برواية ابن خزيمة المتقدمة في أول هذا التخريج؛
فإنها صرحت بأن النبي صلى الله عليه وسلم لما استسقى خطب ودعا. فسقط الجمع المذكور،
فوجب الاعتماد على الأحاديث الصحيحة فقط والأثر الموافق لها. ولعل هذا
مذهبُ الحافظ ابن المنذر؛ فقد قال النووي عقب ما سبق نقله عنه:
` وأشار ابن المنذر إلى استحباب تقديم الخطبة، وحكاه عن عمر بن الخطاب
وغيره، وحكاه العبدري عن عبد الله بن الزبير، وعمر بن عبد العزيز، والليث بن
سعد `.
الثالث - وهو أغرب وأعجب - : استمرار الحنفية في متونهم على إنكار شرعية
الجماعة في صلاة الاستسقاء، كما في ` شرح الكنز ` للعيني (1 / 63) ، و ` البحر
الرائق ` لابن نجيم المصري (2 / 281) ، و ` الدر المختار ` (1 / 790) بشرحه ` رد
المحتار ` وغيرها! وقال ابن عابدين في ` شرحه ` (1 / 791) :
` وكلام المصنف لـ ` الكنز ` يفيد عدم المشروعية؛ كما في ` البحر `، وتمامه في
` النهر `، وظاهر كلام ` الفتح ` ترجيحه `! يعني: ` فتح القدير ` لابن الهمام.
كل ذلك منهم خلاف للأحاديث والآثار؛ بل وخلاف قول الإمامين أبي
يوسف ومحمد، وتعصباً منهم للإمام أبي حنيفة؛ فإنه تفرد بذلك من بين الأئمة؛
بل إن ظاهر كلامه أنه ينكر شرعية الصلاة للاستسقاء مطلقاً، وسلفه في ذلك
إبراهيم النخعي؛ فإنه كان لا يصليها. فقد روى ابن أبي شيبة فيه المصنف ` (2 /
474) بسنده الصحيح عن أسلم العجلي - وهو ثقة - قال:
خرج الناس مرة يستسقون، فخرج معهم إبراهيم، فلما فرغوا؛ قاموا يصلون،
فرجع إبراهيم ولم يُصَلِّ معهم.
وفي رواية له: أن الإمام كان المغيرة بن عبد الله الثقفي.
وكذا رواه الإمام محمد في ` الحجة على أهل المدينة ` (1 / 333 - 334) ؛
ولكنه قال: ` المغيرة الثقفي `.
وإسنادهما منقطع. وقال محمد (1 / 332) :
` قال أبو حنيفة: لا نرى في الاستسقاء صلاة. وكان يرى أن يخرج الإمام
فيدعو `.
ثم ذكر مذهب أهل المدينة في صلاة الاستسقاء - وقد سبق نقله عنه - ، ثم قال:
` وكان إبراهيم النخعي يقول بقول أبي حنيفة: ` يرى في ذلك صلاة `.
قلت: ورأيهما هذا لا يمكن توجيهه إلا على أنه لم تبلغهم تلك الأحاديث
الصحيحة والآثار عن السلف، وإلا؛ لقالوا بها، وكانوا مع الجماعة؛ إذ من المقطوع
به أنه لا عداء بين أحد وبين السنة، وبخاصة من كان منهم من الأئمة، كيف
وهم القائلون:
` إذا صح الحديث فهو مذهبي `؟ !
وإن في موقفهما هذا من هذه الصلاة المسنونة تنبيهاً على أمرين هامين:
الأول: أن الأصل في العبادات المنع إلا لنص، فلما لم يبلغهما؛ وقفا مع
الأصل، ولولا ذلك لقالا فيها كما يقول كثير من الناس اليوم لأهل السنة حين
ينكرون عليهم البدعة في العبادة: (يا أخي! شو فيها، كفاكم تشدداً؟ !) .
والآخر: قول الإمام الشافعي:
` ما من أحد إلا وتذهب عليه سُنَّةٌ لرسول الله صلى الله عليه وسلم وتعزبُ عنه، فمهما قلتُ
من قول، أو أصَّلتُ من أصل فيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم خلاف ما قلت؛ فالقول ما
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهو قولي `. ونحوه قول الأئمة المتقدم:
` إذا صح الحديث؛ فهو مذهبي `. وقول أبي حنيفة:
` إذا قلت قولاً يخالف كتاب الله تعالى وخبر الرسول صلى الله عليه وسلم؛ فاتركوا قولي `.
انظر تخريج هذه الأقوال في ` صفة صلاة النبي صلى الله عليه وسلم `، المقدمة.
ولكن؛ هل ائتمر أصحاب أبي حنيفة بأمره هذا لهم فتركوا قوله بعدم شرعية
صلاة الاستسقاء؟
لقد انقسموا فريقين:
أما المتقدمون منهم؛ فقد تركوه وقالوا بها؛ كالإمام محمد وأبي يوسف
والطحاوي كما تقدم، وكالحافظ الزيلعي من المتأخرين كما يأتي.
وأما المتأخرون منهم؛ فكانوا متعصبين للإمام على اختلاف بينهم:
أ - فمنهم من انتصر للإمام وقده فيما ذهب إليه من نفي الشرعية، وتجاهل
تلك الأحاديث والآثار الصحيحة؛ بل ونفى ما لم ينفه الإمام؛ كالمرغيناني في
` الهداية `؛ فقال (2 / 58 - بشرح فتح القدير) :
` ورسول الله صلى الله عليه وسلم استسقى، ولم ترو عنه الصلاة `!
فردَّ عليه الحافظ الزيلعي بقوله في ` نصب الراية لتخريج أحاديث الهداية `
(2 / 238) فقال:
` أما استسقاؤه عليه السلام؛ فصحيح ثابت، وأما أنه لم يرو عنه الصلاة؛
فهذا غيرصحيح؛ بل صح أنه صلى فيه؛ كما سيأتي `.
ثم ساق الأحاديث المتقدمة.
ب - ومنهم من لم يستطع أن ينكر روايتها؛ لشهرتها في ` الصحيحين `
و` السنن ` و ` المسانيد ` وغيرها؛ ولكنه كابر فقال بشذوذها؛ كابن الهمام في
` الفتح ` (2 / 59) ، والخوايزمي على ` الهداية ` (2 / 58) ! بل إن ابن الهمام
نقل عن الإمام محمد أنه قال في ` الكافي ` - جمعه بعضهم من كلام محمد - :
` لا صلاة في الاستسقاء، إنما فيه الدعاء؛ بلغنا عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه خرج
ودعا، وبلغنا عن عمر أنه صعد المنبر فدعا واستسقى. ولم يبلغنا عن النبي صلى الله عليه وسلم
في ذلك صلاة إلا حديث واحد شاذ لا يؤخذ به `.
قلت: وهذا مما لا أظنه ثابتاً عن الامام محمد، كيف وهو قد روى في ` الحجة `
حديثين اثنين بإسنادين ثابتين كما تقدم؟ ! ومثل هذا النقل عن الإمام محمد مما
يجعلنا نشك في كثير مما يذكره الحنفية في كتبهم معزواً لأئمتهم.
ثم ما هو هذا الحديث الواحد؟ وما هو وجه شذوذه؟ !
ولئن سلم بالشذوذ فيه؛ فكيف يمكن أن يقال به في أحاديث ثلاثة صحيحة
الأسانيد كلها تلتقي في قضية واحدة، وهي أنه صلى الله عليه وسلم صلى صلاة الاستسقاء،
وفي أكثر من حادثة واحدة؟ ! تالله! لئن كان يصح في العلم أن يقال في مثله:
` شاذ `؛ فليس في الدنيا حديث صحيح غير شاذ!
ج - وبعضهم - لشدة تعصبه لإمامه ورفعه فوق مستوى الأئمة - صعب عليه
أن يعتقد أن إمامه ينفي شرعية الصلاة! لأن لازم ذلك الاعتراف بأنه لم يطلع على
أحاديثها، ثقل عليهم هذا؛ فتأولوا كلامه بتأويلين ينبو كلامه عنهما:
الأوَّل: أنه يعني نفي سنية الصلاة، لا عدم جوازها!
والآخر: أنه لا يعني نفي شرعية الصلاة مطلقاً، وإنما يعني صلاتها بجماعة!
(انظر ` شرح الكنز ` و ` الهداية ` وشروحها) (1) .
ولذلك؛ نقموا على الحافظ الزيلعي إنكاره ما نسبوه إلى الإمام من إنكاره
لإنكاره الذي ذكره في ` الهداية `! وليس يخفى على أحد أن ذلك كله تكلف
بارد، وأن عبارة الإمام صريحة في إنكار شرعية صلاة الاستسقاء، فتأويل ذلك بما
تقدم باطل ظاهر البطلان؛ لمخالفته لعموم قوله: ` لا نرى في الاستسقاء صلاة `.
(1) و ` فيض الباري ` للشيخ أنور الكشميري (2 / 377) .
كما قال محمد عنه، ويزيده بياناً قوله عنه: ` وكان يرى أن يخرج الإمام فيدعو `.
فهذا فقط الذي يراه الإمام رحمه الله، فكيف يصح أن ينسب إليه أنه يرى شرعية
صلاة الاستسقاء لا سنيتها، أو صلاتها انفراداً لا جماعة!
ثم ليت شعري كيف يجوز أن ينسب إليه شرعية صلاتها منفرداً وليس في
ذلك خبر ولا أثر؟ !
وختاماً أقول:
كفاكم أيها القوم لفاً ودوراناً دفاعاً عن إمامكم مع أنه ليس بمُليم؛ لأنه وقف
عند ما علم، فعليكم باتباع ما ثبت في السنة؛ فإنها هي الأصل، فإذا فاتت
الإمام؛ فلم تفتكم، وقامت بها الحجة عليكم، فقولوا للناس:
صلاة الاستسقاء سنة؛ فعلها النبي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَإِ غير مرة، وبين يديها خطبة، ودعاء
وتضرع، فإن اقتصر على الدعاء جاز؛ لكن ما ذكر من الخطبة والصلاة منه أفضل.
هذا هو الذي يتحصل من الأحاديث الواردة في هذا الباب. واللله تبارك وتعالى
هو الهادي إلى الصواب.
৫০০। তোমাদের মধ্যে সে উত্তম ব্যক্তি নয় যে তার আখেরাতের জন্যে দুনিয়াকে ছেড়ে দিয়েছে এবং সেও নয় যে তার দুনিয়ার জন্য আখেরাতকে ছেড়ে দিয়েছে, দুটাে হতেই গ্রহণ না করা পর্যন্ত। কারণ দুনিয়া হচ্ছে আখেরাতের পয়গাম-সংবাদ স্বরূপ।
হাদীসটি বাতিল।
এটি আল-খাতীব “তালখীসুল মুতাশাবিহ ফির রাসম” গ্রন্থে (১৩/১৩৬/১) মুহাম্মাদ ইবনু হাশিম বা'আলাবাক্কী সূত্রে আবু হাশিম ইবনু সাঈদ হতে, তিনি ইয়াযীদ ইবনু যিয়াদ বাসরী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
এ মাধ্যমে ইবনু আসাকির তার `আত-তারীখ` গ্রন্থে (১৮/১৪৩/১) উল্লেখ করেছেন। তবে শেষে কিছু বেশী বলেছেনঃ ولا تكونوا كلا على الناس ‘তোমরা মানুষের উপর বোঝা হয়ে যেও না।’
ইবনু আসাকিরের সূত্রে সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি তার কিতাব “আল-হাবী লিল-ফাতাওয়া” গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন। হাদীসটি দাইলামীও একই মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এটির সমস্যা হচ্ছে এ ইয়াযীদ। তিনি হচ্ছেন দামেস্কী। তাকে বলা হয় ইবনু আবী যিয়াদ। তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। আবু হাতিমও অনুরূপ কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল, যেন তার হাদীস জাল। আবু হাতিম ইয়াযীদের অন্য একটি হাদীসের ব্যাপারে দৃঢ়তার সাথে বলেছেন যে, হাদীসটি বানোয়াট। সে হাদীসটি দুটি হাদীসের পরেই আসবে।
ইমাম বুখারী হতে প্রচারিত হয়েছে, তিনি বলেনঃ আমি যাদের সম্পর্কে বলেছি মুনকারুল হাদীস, তার থেকে বর্ণনা করাই হালাল নয়। এটি যাহাবী “আল মীযান” গ্রন্থে (১/৫) উল্লেখ করেছেন। অতএব হাদীসটি এ সনদে নিতান্তই দুর্বল।
শাইখ আব্দুল হাই কাত্তানী “তারাতিবুল ইদারিয়া” গ্রন্থে (১/১০) উল্লেখ করেছেন যে, সুয়ুতী ইবনু আসাকিরের হাদীসটিকে `আল-হাবী` গ্রন্থে সহীহ বলেছেন। একথাটি ভুল। কারণ তিনি কোথাও সহীহ্ বলেননি। হাদীসটি ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/১২৪-১২৫) ওহাযির সূত্রে উক্ত ইয়াযীদ হতে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেন, আমার পিতা বলেছেনঃ এ হাদীসটি বাতিল । আমি ইয়াযীদের মুতাবায়াত পেয়েছি। আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান` গ্রন্থে (২/১৯৭) বলেনঃ আমাকে হাদীসটি আমার পিতা, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে ইয়াযীদ হতে, তিনি আবু বাকর মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা হতে বর্ণনা করেছেন।
এ সনদটির বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে ইয়াযীদ হচ্ছেন সুলামী। তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি হাদীস চোর। তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা তার মতই। তিনি হচ্ছেন তারতুসী। তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি ঐসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদীস চুরি করেন। তিনি যা বর্ণনা করেছেন তারা তার অধিকাংশেরই অনুসরণ করেননি।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি অথবা সুলামী এ সনদটির সমস্যা। এ মুতাবা'য়াত পেয়ে খুশি হওয়ার কিছু নেই। হাদীসটি নুবায়েত ইবনু শারীকের জাল কপিতে ২২ নম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদীসটি মওকুফ হিসাবেও বর্ণিত হয়েছে। ইবনু শাহীন “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (পৃঃ ১/২) এবং ইবনু আসাকির (৪/১৫৫/১) শামর ইবনু আতিয়্যা সূত্রে হুযাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে ... বর্ণনা করেছেন।
এ সনদটি মুনকাতি', শামর এবং হুযাইফার মধ্যে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। কারণ শামর আবু ওয়ায়েল ও তার ন্যায় তাবেঈ হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদীসটি মা'য়াফী ইবনু ইমরান “আয-যুহুদ” গ্রন্থে (কাফ ২৫৫/১), কাসেম সারকাসতী “গারীবুল হাদীস” গ্রন্থে (২/৫৯/১) এবং ইবনু আসাকির মুহাম্মাদ ইবনু কায়েস হতে আমর ইবনু মুররা থেকে ... বর্ণনা করেছেন।
প্রকাশ পাচ্ছে যে, আমর এবং হ্যাইফার মধ্যে এটির সনদটিও মুনকাতি। এ মওকুফটি দুর্বল হলেও মারফু হতে উত্তম। কারণ মারফুটির সনদ খুবই দুর্বল। আবু হাতিম সেটি সম্পর্কে বলেছেনঃ হাদীসটি বাতিল। এ হাদীসটির অন্য জাল সূত্রও রয়েছে।