হাদীস বিএন


সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ





সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (741)


` الصمت أرفع العبادة `.
ضعيف.
رواه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 73) معلقا عن عبد الله بن محمد بن موسى البازيار: حدثنا أشعث بن شداد السجستاني: حدثنا يحيى بن يحيى: حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة مرفوعا. أورده في ترجمة عبد الله هذا، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا.
قلت: وشيخه أشعث بن شداد لم أجد من ذكره. ويحيى بن يحيى الظاهر أنه أبو زكريا الحنظلي النيسابوري وهو ثقة من رجال الشيخين، لكن قال المناوي تعليقا على قول السيوطي في ` الجامع `: رواه الديلمي في ` مسند الفردوس ` عن أبي هريرة: ` وفيه يحيى بن يحيى الغساني، قال الذهبي: جرحه ابن حبان `.
فإن كان قوله ` الغساني ` جاء في طريق الديلمي فلا كلام، وإن كان من اجتهاد المناوي فأنا أرجح أنه خطأ، وأن الصواب ما ذكرته، لأن الحافظ ذكر في الرواة عن المغيرة بن عبد الرحمن ` يحيى بن يحيى ` فإطلاقه يبعد أن يريد به هذا الغساني المجروح، ولا يريد الحنظلي الثقة، والله أعلم. وأما المغيرة هذا فهو الحزامي المدني قال الحافظ: ` ثقة له غرائب `. والحديث في ` مسند الفردوس ` (4 / 260) لكني لا أطول مصورته الآن، لأتحقق من نسبة ` الغساني ` هل هي فيه أم لا؟
‌‌




৭৪১। চুপ থাকা হচ্ছে সর্বোচ্চ ইবাদাত।





হাদীছটি দুর্বল।





এটিকে আবু নোয়াইম “আখবার আসবাহান” (২/৭৩) গ্রন্থে মুয়াল্লাক হিসাবে আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আল-বাযিয়ার হতে তিনি আশ'আছ ইবনু শাদ্দাদ আস-সিজিস্তানী হতে তিনি ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন। তিনি হাদীছটি আব্দুল্লাহর জীবনীর মধ্যে উল্লেখ করে তার সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই বলেননি।





আমি (আলবানী) তার শাইখ আশয়াছ ইবনু শাদ্দাদকে কে উল্লেখ করেছেন পাচ্ছি না। ইবনু হিব্বান দূষণীয় আখ্যা দিয়েছেন। (তিনি নির্ভরযোগ্য হানযালী নন) এ ছাড়া ইয়াহইয়ার শাইখ মুগীরাহ আল-হাযামী আল-মাদানী সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য তবে তার কতিপয় গারীব হাদীছ রয়েছে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (742)


` عاقبوا أرقاءكم على قدر عقولهم `.
باطل.
رواه عبد الرحمن بن نصر الدمشقي في ` الفوائد ` (2 / 230 / 1) وتمام في ` الفوائد ` (207 / 2) وابن عساكر في ` التاريخ ` (10 / 268 / 1) من طريق الدارقطني وغيره عن سليمان بن عبد الرحمن: أخبرنا عبد الملك بن مهران عن عبيد بن نجيح عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا.
وقال الدارقطني: ` تفرد به عبيد بن نجيح عن هشام، وتفرد به سليمان عن عبد الملك عنه `. قلت: وعبد الملك بن مهران قال فيه العقيلي في ` الضعفاء ` (ص 248) : ` صاحب مناكير، غلب على حديثه الوهم، لا يقيم شيئا من الحديث `. ثم ساق له أحاديث ثم قال: ` كلها ليس لها أصل، ولا يعرف منها شيء من وجه يصح `. وساق له ابن عدي في ` الكامل ` (316 / 1) حديثا وقال: ` متنه منكر، وله غير ما ذكرت وهو مجهول ليس بالمعروف `. وروى ابن عساكر عن ابن السكن أنه قال فيه:
` منكر الحديث `. وعن ابن أبي حاتم: أنه مجهول، وذكر له الذهبي حديثين قال: ` إنهما باطلان ` وما أرى أنا إلا أن هذا الحديث من أباطيله. وقد أورده السيوطي في ` الجامع ` فأساء، ولم يتكلم عليه شارحه المناوي بشيء!
‌‌




৭৪২। তোমরা তোমাদের দাসদেরকে তাদের বিবেক মাফিক শাস্তি দাও।





হাদীছটি বাতিল।





এটি আব্দুর রহমান ইবনু নাসর আদ-দামেস্কী “আল-ফাওয়ায়েদ” (২/২৩০/১) গ্রন্থে, তাম্মাম `আল-ফাওয়ায়েদ` (২/২০৭) গ্রন্থে এবং ইবনু আসাকির “আত-তারীখ” (১০/২৬৮/১) গ্রন্থে দারাকুতনী ও অন্য বিদ্বানগণের তিনি ওবায়েদ ইবনু নাযীহ হতে তিনি হিশাম ইবনু উরওয়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনী বলেনঃ ওবায়েদ ইবনু নাযীহ হিশাম হতে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সুলায়মানও আব্দুল মালেক হতে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ আব্দুল মালেক ইবনু মিহরান সম্পর্কে উকায়লী `আয-যোয়াফা` (পৃঃ ২৪৮) গ্রন্থে বলেনঃ তিনি বহু মুনকারের অধিকারী। তার হাদীছের উপর সন্দেহ প্রাধান্য বিস্তার করেছে। তার কোন হাদীছই সাব্যস্ত হয়নি।





অতঃপর তিনি তার কতিপয় হাদীছ উল্লেখ করে বলেছেনঃ সে সবগুলোই ভিত্তিহীন। সে সবের কোনটিই সহীহ সূত্রে জানা যায় না।





ইবনু আদী `আল-কামিল` (১/৩১৬) গ্রন্থে একটি হাদীছ উল্লেখ করে বলেছেনঃ ভাষাটি মুনকার, এ ছাড়াও তার আরো হাদীছ রয়েছে। তিনি মাজহুল, পরিচিত নন।





ইবনু আসাকির ইবনুস সাকান হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আব্দুল মালেক মুনকারুল হাদীছ। ইবনু আবী হাতিম বলেনঃ তিনি মাজহুল। হাফিয যাহাবী তার দুটি হাদীছ উল্লেখ করে বলেছেনঃ দু'টিই বাতিল। আমি সিদ্ধান্ত দিচ্ছি যে, তার এ হাদীছটি তার বাতিলগুলোর অন্তর্ভুক্ত। হাফিয সুয়ূতী হাদীছটি `আল-জামে` গ্রন্থে উল্লেখ করে ক্রটি করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (743)


` عجبت لطالب الدنيا والموت يطلبه، وغافل وليس بمغفول عنه، ولضاحك ملء فيه ولا يدري أأرضى الله أم أسخطه `.
ضعيف جدا.
رواه تمام في ` الفوائد ` (94 / 1) وابن عدي (79 / 2) عن يحيى بن علي الأسلمي عن حميد الأعرج عن عبد الله بن الحارث عن ابن مسعود يرفعه، وقال: ` أحاديث ليست بمستقيمة، ولا يتابع عليها `. وفي ` الميزان `:
` متروك `، وقال ابن حبان: ` يروي عن ابن الحارث عن ابن مسعود نسخة كأنها موضوعة `. وقال النسائي: ` ليس بالقوي `. ومن مناكيره … `.
ثم ذكر أحاديث هذا أحدها. وقال الدارقطني: ` متروك وأحاديثه تشبه الموضوعة `. قلت: وحميد هذا هو ابن عطاء الأعرج الكوفي، وليس هو بصاحب الزهري، ذاك حميد ابن قيس الأعرج كما قال ابن حبان (1 / 257) . ورواه القضاعي (49 / 1) عن إسحاق بن إبراهيم بن يونس قال: أخبرنا سفيان بن وكيع قال: أخبرنا أبي حميد به. والحديث عزاه السيوطي في ` الجامع الصغير ` لابن عدي والبيهقي في ` الشعب `. وبيض له المناوي!
‌‌




৭৪৩। আমি আশ্চর্য হয় দুনিয়া তালাশকারী সেই ব্যক্তিকে দেখে যাকে মৃত্যু তালাশ করছে, সেই গাফেলকে দেখে যার থেকে মৃত্যুকে গাফেল করা হয়নি এবং সেই মুখভরে হাস্যরতকে দেখে যে জানে না যে, তার এ হাসি আল্লাহকে সম্ভষ্ট করছে, না অসম্ভষ্ট করছে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি তাম্মাম “আল-ফাওয়ায়েদ” (১/৯৪) গ্রন্থে এবং ইবনু আদী (২/৭৯) ইয়াহইয়া ইবনু আলী আল-আসলামী হতে তিনি হুমায়েদ আল-আ'রাজ হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল হারেছ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনু আদী বলেনঃ হুমায়েদের হাদীছগুলো সঠিক নয় এবং তার অনুসরণ করা যায় না। `আল-মীযান` গ্রন্থে এসেছে, তিনি মাতরূক। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি ইবনুল হারেছ হতে আর তিনি ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে একটি পাণ্ডলিপি বর্ণনা করেছেন। সেটি সম্ভবত বানোয়াট। নাসাঈ বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন।





অতঃপর তিনি তার কতিপয় হাদীছ উল্লেখ করেছেন, এটি সেগুলোর একটি। দারাকুতনী বলেনঃ হুমায়েদ মাতরূক এবং তার হাদীছগুলো জালের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এই হুমায়েদ হচ্ছেন ইবনু আতা আল-আ'রাজ আল-কুফী। তিনি যুহরীর সাথী নন। যুহরীর সাথী হচ্ছেন হুমায়েদ ইবনু কায়েস আল-আ'রাজ যেমনটি ইবনু হিব্বান (১/২৫৭) বলেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (744)


` من توضأ ومسح عنقه لم يغل بالأغلال يوم القيامة `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 115) : حدثنا محمد بن أحمد بن محمد: حدثنا عبد الرحمن بن داود حدثنا: عثمان بن خرزاذ: حدثنا عمرو بن محمد بن الحسن المكتب: حدثنا محمد بن عمرو بن عبيد الأنصاري عن أنس بن سيرين عن ابن عمر أنه كان إذا توضأ مسح عنقه ويقول: فذكره مرفوعا.
أورده في ترجمة عبد الرحمن بن داود هذا وهو أبي محمد الفارسي وقال فيه: ` كان من الفقهاء كثير الحديث `، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ولم أجده عند غيره. وشيخه محمد بن أحمد بن محمد هو إما أبو بكر المعدل فهو ثقة أمين كما قال أبو
نعيم في ترجمته (2 / 900) ، وإما أبو عثمان بن أبي هريرة قال في ترجمته (2 / 296) : ` أحد العباد والأخيار، سمع الكثير صاحب أصول وكتب كثيرة `. والأقرب الأول. والله أعلم.
وبعد كتابة ما تقدم رأيت ابن عراق قال في ` تنزيه الشريعة ` بعد أن ساق الحديث عن أبي نعيم: ` وفيه أبو بكر المفيد شيخ أبي نعيم، قال الحافظ العراقي: وهو آفته `. قلت: وهذا متهم كما قال الذهبي وتبعه الحافظ ابن حجر في ` اللسان `. وقد كنت ذكرت عند حديث ` مسح الرقبة أمان من الغل ` رقم (69) أنه محمد بن أحمد بن علي المحرم، والآن رجعت عنه لما وقفت على إسناد الحديث عند أبي نعيم، وإنما أو قعني في ذلك الخطأ
أنني كنت نقلته بواسطة الحافظ ابن حجر وهو لم يذكر في سند الحديث اسم جد هذا الشيخ، فلما وقفت عليه عند أبي نعيم إذا باسم جده (محمد) ، فتيقنت أنه ليس ذلك المحرم،
فهو أحد هؤلاء الثلاثة الذين ذكرتهم هنا، وقد رأيت أن الحافظ العراقي جزم بأنه أبو بكر المفيد، وهو حجة في هذا العلم. فالعمدة عليه في تعيين الرجل. والله أعلم. وفي السند رجل آخر ضعيف جدا، وهو محمد بن عمرو
بن عبيد الأنصاري وهو بصري، وقد حكيت أقوال العلماء في تضعيفه هناك.
وقد تبين لي الآن علة ثالثة وهي عمرو بن محمد بن الحسن ترجمه الخطيب فقال (12 / 204) : ` هو الزمن المعروف بالأعسم، بصري سكن بغداد `. ثم روى عن الدارقطني أنه قال فيه: ` منكر الحديث ` وفي رواية أخرى عنه: ` كان ضعيفا كثير الوهم `. وفي ` اللسان `: ` قال الحاكم: ساقط روى أحاديث موضوعة عن قوم لا يوجد في حديثهم منها شيء `. وذكر عن ابن حبان والنقاش نحوه. قلت: فتعصيب التهمة به في هذا الحديث أولى من تعصيبها بشيخ أبي نعيم، لأنه فوقه في السند، وأوهى منه، والله أعلم.
‌‌




৭৪৪। যে ব্যক্তি উযু করল এবং তার কাধ মাসাহ করল, তাকে কিয়ামতের দিন গলা বেড়ী দেয়া হবে না।





হাদীছটি জাল।





এটিকে আবু নোয়াইম `আখবারু আসবাহান` (২/১১৫) গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু দাউদ হতে তিনি উসমান ইবনু খারযায হতে তিনি আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনিল হাসান আল-মুকতিব হতে তিনি মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনে ওবায়েদ আল-আনসারী আল-বাসরী হতে ... বর্ণনা করেছেন।





তিনি আব্দুর রহমানের (তিনি হচ্ছেন আবু মুহাম্মাদ আল-ফারেসী) জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে হাদীছটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি বহু হাদীছ বর্ণনাকারী ফাকীহগণের একজন ছিলেন।





তিনি তার সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই বলেননি। তাকে তার নিকট ছাড়া আর কারো নিকট দেখছি না। আর তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ যদি আবু বাকর আল-মুয়াদ্দিল হন তাহলে তিনি নির্ভরযোগ্য বিশ্বাসী যেমনটি আবু নোয়াইম তার জীবনীতে (২/৯০০) বলেছেন। আর যদি আবু উছমান ইবনু আবী হুরাইরাহ হন, তাহলে তিনি হচ্ছেন একজন আবেদ ও উত্তম ব্যক্তি..।





প্রথমটিই সঠিকের নিকটবর্তী।





ইবনু ইরাক `তানীহুশ শারীয়াহ` গ্রন্থে বলেনঃ এর মধ্যে আবু নোয়াইমের শাইখ আবু বাকর আল-মুফীদ রয়েছেন। তার সম্পর্কে হাফিয ইরাকী বলেনঃ তিনিই হচ্ছেন হাদীছটির সমস্যা।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। যেমনটি যাহাবী এবং তার অনুসরণ করে হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে বলেছেন। আমি (৬৯ নং) হাদীছের আলোচনায় বলেছিলাম যে মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে আলী আল-মুহরেম, আমি বর্তমানে তা হতে প্রত্যাবর্তন করছি এবং বলছি যে, মুহাম্মাদের দাদার নাম মুহাম্মাদ, আলী আল-মুহরেম নয়। কারণ ইবনু নোয়াইমের নিকট হাদীছটির সনদ সম্পর্কে অবহিত হয়েছি।





এ সনদটিতে আরেক বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু আম্বর ইবনে ওবায়েদ আল-আনসারী আল-বাসরী রয়েছেন, তিনি নিতান্তই দুর্বল। ৬৯ নং হাদীছে আলেমদের ভাষ্য উল্লেখ পূর্বক তার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আমার (আলবানীর নিকট) হাদীছটির আরেকটি সমস্যা প্রকাশিত হয়েছে, সেটি হচ্ছে আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনিল হাসান আল-মুকতিব। তার সম্পর্কে আল-খাতীব `আত-তারীখ` (১২/২০৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। অন্য এক বর্ণনায় বলেনঃ তিনি ছিলেন দুর্বল, বহু সন্দেহপ্রবণ।





“আল-লিসান” গ্রন্থে এসেছে, হাকিম বলেনঃ তিনি সাকেত, এক সম্প্রদায় হতে বহু জাল হাদীছ বর্ণনা করেছেন। সেগুলোর কোনটিই তাদের হাদীছগুলোর মধ্যে পাওয়া যায় না।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীছটির ব্যাপারে আবু নোয়াইমের শাইখকে দোষারোপ করার চেয়ে তাকে দোষারোপ করাই বেশী উত্তম হবে। কারণ এ বর্ণনাকারী সনদের উপর পর্যায়ের ব্যক্তি।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (745)


` من خرج حاجا فمات كتب له أجر الحاج إلى يوم القيامة، ومن خرج معتمرا فمات كتب له أجر المعتمر إلى يوم القيامة `.
ضعيف.
رواه الطبراني في ` الأوسط ` (1 / 111 / 2) عن أبي معاوية: حدثنا محمد بن إسحاق عن جميل بن أبي ميمونة عن عطاء بن يزيد الليثي عن أبي هريرة مرفوعا وقال: ` لم يرو هـ عن عطاء إلا جميل، ولا عنه إلا ابن إسحاق تفرد به أبو معاوية `. ومن هذا الوجه رواه الضياء في ` المنتقى من مسموعاته بمرو` (33 / 1) وزاد: ` ومن خرج غازيا في سبيل الله فمات كتب له أجر الغازي إلى يوم القيامة `.
وهكذا أورده المنذري في ` الترغيب ` (2 / 112) وقال: ` رواه أبو يعلى من رواية محمد بن إسحاق، وبقية رواته ثقات `. قلت: يعني أن ابن إسحاق مدلس وقد عنعنه. فهذه علة، وفيه علة أخرى، فقال الهيثمي (3 / 208 - 209) بعد أن عزاه للطبراني وحده: ` وفيه جميل بن أبي ميمونة، وقد ذكره ابن أبي حاتم، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وذكره ابن حبان في (الثقات) `.
قلت: وتساهل ابن حبان في التوثيق معروف، فالرجل مجهول الحال، والله أعلم.
‌‌




৭৪৫। যে ব্যক্তি হজ্জ করতে বের হয়ে মারা যাবে, তার জন্য কিয়ামত দিবস পর্যন্ত হজ্জকারীর সাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে। আর যে ব্যক্তি উমরাহ করতে বের হয়ে মারা যাবে, তার জন্য কিয়ামত দিবস পর্যন্ত উমরাকারীর সাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে।





হাদীছটি দুর্বল।





এটি তাবারানী “আল-আওসাত” (১/১১১/২) গ্রন্থে আবু মুয়াবিয়াহ হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক হতে তিনি জামীল ইবনু আবী মায়মূনাহ হতে তিনি আতা ইবনু ইয়াযীদ আল-লাইছী হতে ... বর্ণনা করেছেন। তাবারানী বলেনঃ হাদীছটি আতা হতে একমাত্র জামীল বর্ণনা করেছেন, জামীল হতে একমাত্র ইবনু ইসহাক বর্ণনা করেছেন আর ইবনু ইসহাক হতে একমাত্র আবু মু'আবিয়াহ বর্ণনা করেছেন। এ সূত্রেই যিয়া `আল-মুনতাকা মিন মাসমূয়াতহি বেমারু` (১/৩৩) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তবে নিম্নোল্লিখিত কথাগুলি বেশী বলেছেনঃ





من خرج غازيا في سبيل الله فمات كتب له أجر الغازي إلى يوم القيامة





`যে ব্যক্তি জিহাদ করার উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যাবে, তার জন্য কিয়ামত দিবস পর্যন্ত জিহাদকারীর ন্যায় সাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে।`





মুনযের `আত-তারগীব` (২/১১২) গ্রন্থে এরূপই বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ আবু ইয়ালা মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস, তিনি আন আন করে বর্ণনা করেছেন। এটি একটি সমস্যা। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে বর্ণনাকারী জামীল ইবনু আবী মায়মূনাহ, তাকে ইবনু আবী হাতিম উল্লেখ করে তার সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই বলেননি।





ইবনু হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাতে তিনি শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। কারণ তিনি মাজহুলুল হাল।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (746)


` لا هم إلا هم الدين، ولا وجع إلا وجع العين `.
موضوع.
رواه ابن حبان في ` الضعفاء ` (1 / 346) والطبراني في ` الأوسط ` (68 / 1 و145 / 1) وفي ` الصغير ` (ص 176) وعنه القضاعي (72 / 2) وابن عدي (188 / 1) قالا:
حدثنا محمد بن يونس البصري العصفري: حدثنا قرين بن سهل بن قرين: حدثني أبي: حدثنا محمد بن عبد الرحمن بن أبي ذئب عن محمد بن المنكدر عن جابر مرفوعا.
وقال الطبراني: ` لم يرو هـ عن ابن المنكدر إلا ابن أبي ذئب، تفرد به سهل `. قلت: وقال ابن حبان: ` يروي عن ابن أبي ذئب وغيره من الثقات ما ليس من حديثهم `.
ولذا قال الذهبي: ` غمزه ابن حبان وابن عدي، وكذبه الأزدي `. وذكر له ابن عدي ثلاثة أحاديث هذا أحدها وقال: ` منكر باطل إسناده ومتنه `. ومن طريقه أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (2 / 244) .
وتعقبه السيوطي بما لا ينفع فقال: (393 - طبع الهند) : ` قلت: أخرجه أبو نعيم في ` الطب ` والبيهقي في ` شعب الإيمان ` وقال: ` حديث منكر `. وله طريق آخر، قال الشيرازي في ` الألقاب `: … فساق إسناده من طريق يحيى بن عبد الله خاقان: حدثنا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر مرفوعا به ثم قال السيوطي: ` وأخرجه الخطيب في ` رواة مالك ` وقال: منكر عن مالك، وخاقان مجهول، وقال الذهبي في ` الميزان `: ` يحيى بن عبد الله خاقان يكنى أبا سهل عن مالك - ثم ساق الحديث ثم قال: فهذا موضوع `.
ولم يتعقبه السيوطي بشيء إلا أنه قال: ` وله شاهد موقوف `.
قلت: وفيه ابن لهيعة، ولوصح فهو شاهد على الحديث لا له، لأن الموقوف لا يصح أن يشهد للمرفوع كما لا يخفى، ولذلك قال المناوي في ` الفيض `: ` وحكم ابن الجوزي عليه بالوضع، ونوزع بما لا طائل فيه `. والموقوف المشار إليه وجدته في ` الفوائد المنتقاة الحسان العوالي ` لابن الديباجي (20 / 85 / 1) من طريق ابن لهيعة عن خالد بن يزيد قال: قال عمرو بن العاص … فذكره. والحديث أخرجه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 295) من طريق الحسين بن معاذ - مستملي عمرو بن علي - : حدثنا ابن أخي الربيع بن مسلم عن الربيع بن مسلم عن محمد بن زياد عن أبي هريرة مرفوعا بلفظ: ` لا غم إلا غم الدين، ولا … `. قلت: والحسن بن معاذ هو ابن داود بن معاذ. قال الذهبي: ` ليس بثقة، حديثه موضوع `.
‌‌




৭৪৬। ঋণের চিন্তাই হচ্ছে একমাত্র চিন্তা আর চোখের ব্যথাই হচ্ছে একমাত্র ব্যথা।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু হিব্বান `আয-যোয়াফা` (১/৩৪৬) গ্রন্থে, তাবারানী “আল-আওসাত” (১/৬৮, ১/১৪৫) ও “আস-সাগীর” (পৃঃ ১৭৬) গ্রন্থে, তার থেকে কাযাঈ (২/৭২) এবং ইবনু আদী (১/১৮৮) মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস আল-বাসরী আল-আসফারী হতে তিনি কারীন ইবনু সাহাল হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদীর হতে ... বর্ণনা করেছেন।





তাবারানী বলেনঃ ইবনুল মুনকাদীর হতে একমাত্র মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান বর্ণনা করেছেন। সাহালও এককভাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি (সাহাল) মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্যদের থেকে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যা তাদের হাদীছ নয়। এ কারণে হাফিয যাহাবী বলেনঃ ইবনু হিব্বান ও ইবনু আদী তার দোষ প্রকাশ করেছেন। আর আল-আযদী তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু আদী তার তিনটি হাদীছ উল্লেখ করেছেন, এটি সে তিনিটির একটি। অতঃপর বলেছেনঃ এ হাদীছটির সনদ এবং ভাষা মুনকার ও বাতিল।





তার সূত্রেই ইবনুল জাওযী “আল-মাওয়ূ'আত” (২/২৪৪) গ্রন্থে হাদীছটি উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী উল্লেখ করে বলেন, বাইহাকী বলেছেনঃ হাদীছটি মুনকার। হাদীছটি অন্যান্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু কোনটিই সহীহ নয়। মওকুফ হিসাবেও বর্ণিত হয়েছে। সেটিও দুর্বল, সহীহ নয়।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (747)


` قال الله تعالى: من لم يرض بقضائي وقدري فليلتمس ربا غيري `.
ضعيف جدا.
عزاه السيوطي في ` الجامع الصغير ` للبيهقي في ` الشعب ` عن أنس. ولم
يتكلم عليه شارحه المناوي بشيء، وكأنه لم يقف على سنده، وقد وجدته في الجزء الرابع من ` التجريد ` لابن عساكر، رواه (4 / 1 - 2) من طريق البيهقي عن الحاكم بسنده عن علي بن يزداد الجرجاني - وكان قد أتي عليه مائة وخمس وعشرون سنة - قال: سمعت عصام بن الليث الليثي السدوسي - من بني فزارة في البادية - قال: سمعت أنس بن مالك يقول: فذكره مرفوعا. قلت: وهذا إسناد ضعيف، علي بن يزداد الجرجاني قال الذهبي في ترجمة شيخه عصام بن الليث: ` لا يعرفان `.
وساق له في ` اللسان ` هذا الحديث من طريق الحاكم ثم قال: ` أخرجه أبو سعد ابن السمعاني في ` الأنساب ` وقال: ` هذا إسناد مظلم لا أصل له `.
وقال الذهبي أيضا في ترجمة علي بن يزداد الجرجاني: ` شيخ لابن عدي متهم، روى عن الثقات أو ابد `. وأقره في ` اللسان `. فالإسناد ضعيف جدا، وقد روي بإسناد آخر مثله في الضعف، وقد مضى برقم (494) .
‌‌




৭৪৭। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার ফয়সালা ও আমার দেয়া তকদীরে সম্ভষ্ট হবে না, সে যেন আমাকে বাদ দিয়ে অন্য প্ৰভু তালাশ করে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটিকে সুয়ূতী “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বাইহাকীর “আশ-শু'আব” গ্রন্থের উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন।





আমি (আলবানী) ইবনু আসাকিরের “আত-তাজরীদ” গ্রন্থের চতুর্থ খণ্ডে (৪/১-২) এটির সনদ সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। তিনি বাইহাকীর সূত্রে হাকিম হতে লাইছ আল-লাইছ আস-সাদূসী হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। আলী ইবনু ইয়াযীদ আল-জুরজানী এবং তার শাইখ ইসাম ইবনুল লাইছ সম্পর্কে হাফিয যাহাবী বলেনঃ তাদের দু’জনকে চেনা যায় না। তিনি বলেনঃ হাদীছটি আবু সা’আদ ইবনুস সাম'আনী “আল-আনসাব” গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন, তার কোন ভিত্তি নেই।





যাহাবী আলী ইবনু ইয়াযদাদীর জীবনীতেও বলেনঃ তিনি ইবনু আদীর শাইখ, মিথ্যার দোষে দোষী। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বহু বিপদ বর্ণনা করেছেন। ইবনু হাজার তার বক্তব্যকে “আল-লিসান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। দুর্বলতার দিক দিয়ে এ সনদের ন্যায় অন্য সনদেও বর্ণিত হয়েছে। সেটি সম্পর্কে ৪৯৪ নং হাদীছে আলোচনা করা হয়েছে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (748)


` الجمال صواب القول بالحق، والكمال حسن العفاف بالصدق `.
ضعيف جدا.
رواه أبو نعيم في ` فضائل الخلفاء الأربعة ` (2 / 2 / 2) والسلفي في ` أحاديث وحكايات ` (78 / 1) وابن النجار (10 / 174 / 1) والديلمي (2 / 81) وابن عساكر (8 / 471 / 2) عن عمر بن إبراهيم عن أيوب بن سيار عن محمد بن المنكدر عن جابر قال: جاء العباس إلى النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثياب بياض، فلما نظر تبسم، قال العباس: يا رسول الله ما الجمال؟ قال: فذكره. قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، آفته أيوب بن سيار فإنه ليس بثقة كما قال النسائي وغيره، وقال ابن حبان (1 / 159) : ` يقلب الأسانيد،
ويرفع المراسيل `. والراوي عنه عمر بن إبراهيم وهو الكردي الهاشمي مثله في الضعف، لكنه قد توبع عليه، أخرجه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 86 - 87) عن همام بن مسلم عن أيوب به. لكن هماما هذا مثله في الضعف قال الدارقطني: `
متروك `. قلت: فلا يستشهد به لاسيما وقد قال ابن حبان: ` يسرق الحديث `.
فلعله سرقه من الكردي هذا.
والحديث أورده السيوطي في ` الجامع ` من رواية الحكيم عن جابر. وتعقبه المناوي في شرحه عليه بقوله: ` قضية صنيع المصنف أنه لم يره مخرجا لأحد من المشاهير الذين وضع لهم الرموز، وهو عجيب! فقد رواه أبو نعيم في ` الحلية ` والديلمي في ` الفردوس ` والبيهقي في ` الشعب ` فعدوله للحكيم واقتصاره عليه الموهم غير لائق، ثم إن فيه أيوب بن سيار (الأصل يسار وهو خطأ مطبعي) الزهري قال الذهبي: ضعيف جدا تفرد به عنه عمر بن
إبراهيم وهو ضعيف جدا `. وفي قول الذهبي أن عمر تفرد به عن أيوب نظر، للمتابعة التي ذكرتها، وعزوه للحلية فيه وقفة، فإني لم أجده في ` الحلية `. والله أعلم.
‌‌




৭৪৮। সৌন্দর্য হচ্ছে সততার সাথে সঠিক কথায়। আর পরিপূর্ণতা হচ্ছে সত্যবাদিতার সাথে সৎ চরিত্রের অধিকারী হওয়াতে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি আবু নোয়াইম `ফাযায়েলুল খুলাফাইল আরবায়াহ` (২/২/২) গ্রন্থে, আস-সিলাফী “আহাদীছু ওয়া হেকাইয়াত” (১/৭৮) গ্রন্থে, ইবনুন নাজ্জার (১০/১৭৪/১), দাইলামী (২/৮১) এবং ইবনু আসাকির (৮/৪৭১/২) উমর ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি আইয়ূব ইবনু সায়য়্যার হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। এর সমস্যা হচ্ছে আইউব ইবনু সায়য়্যার। কারণ তিনি নির্ভরযোগ্য নন যেমনটি নাসাঈ ও অন্য বিদ্বানগণ বলেছেন।





ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি সনদগুলোকে উলট পালট করে ফেলতেন এবং মুরসালগুলোকে মারফূ’ করে ফেলতেন।





তার থেকে বর্ণনাকারী উমার ইবনু ইবরাহীম আল-কুরদী আল-হাশেমীও দুর্বলতার দিক দিয়ে তার ন্যায়। কিন্তু তার মুতাবায়াত করা হয়েছে। যেটি আবূ নোয়াইম “আখবার আসবাহান” (২/৮৬-৮৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটির সনদের মুতাবায়াতকারী হুমাম ইবনু মুসলিমও তার ন্যায় দুর্বল।





দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তার দ্বারা শাহেদ গ্রহণ করা যায় না। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি হাদীছ চোর। সম্ভবত তিনি আল-কুরদী হতে হাদীছটি চুরি করেছেন।





হাদীছটি সুয়ূতী `আল-জামে` গ্রন্থে আল-হাকীমের বর্ণনায় জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানবী তার সমালোচনা করেছেন। কারণ এটির সনদেও আইউব ইবনু সায়য়্যার এবং উমর ইবনু ইবরাহীম রয়েছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (749)


` من أغاث ملهو فا كتب الله له ثلاثة وسبعين مغفرة واحدة منها صلاح أمره كله، واثنتان وسبعون درجات له يوم القيامة `.
موضوع.
رواه العقيلي في ` الضعفاء ` (140) وكذا ابن حبان (1 / 304) وأبو نعيم في ` الأخبار ` (2 / 74) عن عبد العزيز بن عبد الصمد العمي قال: حدثنا زياد بن أبي حسان عن أنس مرفوعا.
وقال العقيلي: ` لا يعرف إلا به `. يعني زيادا هذا. وقال ابن حبان: ` كان شعبة شديد الحمل عليه، وكان ممن
يروي أحاديث مناكير، وأوهاما كثيرة `. وقال البخاري: ` كان شعبة يتكلم فيه `.
وفي ` الميزان `: ` قال الحاكم: روى عن أنس وغيره أحاديث موضوعة، وكان شعبة شديد الحمل عليه وكذبه، قال الدارقطني: متروك، وقال أبو حاتم وغيره: لا يحتج به `. وقال النقاش فيه مثل قول الحاكم المتقدم. ومن طريق زياد رواه أبو يعلى والبزار كما في ` المجمع ` (8 / 191) .
والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` من طريق العقيلي ثم قال (2 / 171) : ` موضوع، والمتهم بوضعه زياد `.
وتعقبه السيوطي في ` اللآلي ` (ص 352) بأن له طريقين آخرين وشاهدا من حديث ثوبان.
أما الطريق الأول فساقه من رواية ابن عساكر بسنده عن القاضي أبي محمد عبد الله بن محمد بن عبد الغفار بن ذكوان: حدثنا أبو علي محمد بن سليمان بن حيدرة: حدثنا أبو سليم إسماعيل بن معن (الأصل: حصني وهو خطأ) : حدثنا [أبو] المغيرة: حدثنا إسماعيل بن عياش: حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين المكي: سمعت أنس بن مالك يقول: فذكره.
قلت: وسكت عليه السيوطي فما أحسن، فإن ابن ذكوان هذا أورده الذهبي في ` الميزان ` ثم ابن حجر في ` اللسان ` وقالا: ` تكلم فيه عبد العزيز الكتاني `.
ومحمد بن سليمان بن حيدرة مجهول الحال، وحيدرة اسم أحد جدوده، واسم جده الأدنى الحر بن سليمان. هكذا ذكره ابن عساكر في ` تاريخه ` (15 / 193 / 2) وفي ترجمته ساق له هذا الحديث، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وتمام الحديث عنده. `
ومن قال: أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له أحدا صمدا لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا أحد، كتب الله له بها أربعين ألف حسنة `. وبقية رجال الإسناد ثقات غير أن إسماعيل بن عياش ضعيف في روايته عن غير الشاميين وهذه منها، وإسماعيل بن معن له ترجمة في ابن عساكر (2 / 415 / 2) .
وجملة القول: أن سند هذه الطريق مظلم فلا يدفع بمثله حكم ابن الجوزي عليه بالوضع، لاسيما وفيها تلك الزيادة التي تؤكد هذا الحكم لما فيها من المبالغة في الأجر لمجرد النطق بتلك الجملة المباركة، وهذه المبالغة من أمارات وضع الحديث كما هو مقرر في محله.
وأما الطريق الثاني: فساقه السيوطي من رواية أبي طاهر الحنائي بسنده عن عيسى بن يعقوب بن جابر الزجاج: حدثنا دينار مولى أنس بن مالك: حدثني أنس بن مالك به.
وهكذا رواه الخطيب في ` التاريخ ` (11 / 175) في ترجمة الزجاج هذا ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا. وهذا إسناد تالف دينار هذا قال ابن حبان (1 / 290) : ` يروي عن أنس أشياء موضوعة `.
وقال الحاكم: ` روى عن أنس قريبا من مائة حديث موضوعة `. فإيراد السيوطي لهذا الطريق التالف، وسكوته عليه من العجائب! وقد فاته طريق ثالث، أخرجه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (1 / 350) عن أبان عن أنس مرفوعا.
لكن أبان هذا وهو ابن أبي عياش كذاب فلا يفرح به! وأما الشاهد فهو الحديث الآتي:
‌‌




৭৪৯। যে ব্যক্তি অত্যাচারিত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করবে, তার জন্য আল্লাহ তা'আলা তিহাওরটি ক্ষমা লিখে দিবেন। তার মধ্য হতে একটি সে ব্যক্তির সকল কর্মের বিশুদ্ধতার জন্য। আর বাহাত্তরটি হবে কিয়ামত দিবসে তার মর্যাদার স্তর হিসাবে।





হাদীছটি জাল।





এটি উকায়লী `আয-যোয়াফা` (১৪০) গ্রন্থে, অনুরূপভাবে ইবনু হিব্বান (১/৩০৪) এবং আবু নোয়াইম `আল-আখবার` (২/৭২) গ্রন্থে আব্দুল আযীয ইবনু আব্দিস সালাম আল-আমী হতে তিনি যিয়াদ ইবনু আবী হাস্‌সান হতে তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





উকায়লী বলেনঃ হাদীছটি একমাত্র যিয়াদের সূত্রেই জানা যায়। ইবনু হিব্বান তার সম্পর্কে বলেনঃ শু'বাহ তার উপর কঠোর ভাবে আক্রমণকারী ছিলেন। তিনি কতিপয় মুনকার ও বহু সন্দেহমূলক হাদীছ বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইমাম বুখারী বলেনঃ শু'বাহ তার সমালোচনা করতেন। “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে; হাকিম বলেনঃ তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও অন্যদের থেকে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। শু'বাহ তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক। আবু হাতিম ও অন্য বিদ্বানগণ বলেনঃ তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। তার সম্পর্কে নাক্কাশও হাকিমের ন্যায় কথা বলেছেন।





ইবনুল জাওযী হাদীছটি “আল-মাওযু'আত” (২/১৭১) গ্রন্থে উকায়লীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। যিয়াদ জাল করার দোষে দোষী। সুয়ূতী `আল-লাআলী` (পৃঃ ৩৫২) গ্রন্থে আরো দুটি সূত্র এবং একটি শাহেদ আছে বলে ইবনুল জাওযীর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু প্রথম সূত্রটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। একাধিক বর্ণনাকারীর মধ্যে সমস্যা থাকার কারণে। তাতে আবু মুহাম্মাদ ইবনু যাকুওয়ান রয়েছেন, তিনি সমালোচিত। আবু আলী মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান রয়েছেন, তিনি মাজহুল। ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ রয়েছেন, তিনি দুর্বল। এ ছাড়া এটির বর্ধিত অংশে সাওয়াব প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অতিশয় বাড়াবাড়ি করা হয়েছে যা প্রমাণ করছে হাদীছটি বানোয়াট হওয়ার।





দ্বিতীয় সূত্রটিতে আনাস ইবনু মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর দাস দীনার রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান (১/২৯০) বলেনঃ তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে আনুমানিক একশতটি বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। সুয়ূতী এটি উল্লেখ করে চুপ থেকেছেন। এই চুপ থাকাটা আশ্চর্যজনক!





তৃতীয় আরেকটি সূত্রে আবান ইবনু আবী আইয়াশ রয়েছেন, তিনি মিথ্যুক। তার দ্বারা আনন্দিত হওয়ার কোন কারণ নেই।





আর শাহেদটি হচ্ছে আগত হাদীছটিঃ (দেখুন পরের হাদিস)











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (750)


` من فرج عن مؤمن لهفان غفر الله له ثلاثا وسبعين مغفرة، واحدة يصلح بها أمر دنياه وآخرته، وثنتين وسبعين يوفيها الله تعالى يوم القيامة `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` الحلية ` (3 / 49 - 50) من طريق إسماعيل بن أبان الأزدي (الأصل الأو دي وهو تصحيف) قال: حدثنا حماد بن عثمان القرشي - مولى الحسن بن علي - قال: حدثني يزيد بن أبي زياد البصري عن فرقد عن شميط - مولى ثوبان - عن ثوبان مرفوعا، وقال: ` غريب من حديث فرقد، لم نكتبه إلا من هذا الوجه `.
قلت: وهو مظلم، فإن فرقدا هذا وهو ابن يعقوب السبخي قال البخاري: ` في حديثه مناكير `. وقال النسائي: ` ليس بثقة `. ويزيد بن أبي زياد البصري لم أعرفه، وفي طبقته بهذا الاسم والنسب ثلاثة أحدهم شامي،
وهو ضعيف جدا، والآخران كوفيان، أحدهما من رجال ` التهذيب ` وهو ضعيف. والآخر من رجال ` الميزان ` ولا تقوم به حجة. فلعله أحدهم ويكون نسبته بصريا خطأ من أحد الرواة ولعله من الراوي عنه: حماد بن عثمان القرشي، ولم أجد له ترجمة. ويراجع له ` الجرح والتعديل `. فإني لا أطوله الآن. ثم رجعت إليه
فلم أجد فيه سوى حماد بن عثمان الذي روى عن الحسن البصري وهو مجهول. فكأنه غير هذا. وهذا الحديث أورده السيوطي شاهدا للحديث الذي قبله فلم يحسن لشدة ضعفه ونكارة لفظه. والله أعلم.
‌‌




৭৫০। যে ব্যক্তি মুমিন ব্যক্তির দুটি কষ্ট দূর করে দিবে আল্লাহ তাকে তিহাওরবার ক্ষমা করে দিবেন। একটি ক্ষমার দ্বারা তার দুনিয়া ও আখেরাতের কর্মগুলো বিশুদ্ধ করে দেয়া হবে। আর বাকী বাহাত্তরটি আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন সম্পূর্ণরূপে দান করবেন।





হাদীছটি জাল।





এটি আবু নোয়াইম `আল-হিলইয়াহ` (৩/৪৯-৫০) গ্রন্থে ইসমাঈল ইবনু আবান আল-আযদী সূত্রে হাম্মাদ ইবনু উসমান আল-কুরাশী হতে তিনি ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ আল-বাসরী হতে তিনি ফারকাদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ ফারকদের হাদীছ হতে এটি গরীব। হাদীছটি একমাত্র এ সূত্রেই আমরা লিখেছি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। কারণ ফারকাদ ইবনু ইয়াকুব আস-সাবাখী সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেনঃ তার হাদীছে মুনকার রয়েছে। নাসাঈ বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন ।





আর ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদকে আমি চিনি না। তার সমপর্যায়ের একই নাম ও নাসাবে তিন ব্যক্তি রয়েছেন। একজন শামী তিনি নিতান্তই দুর্বল। আর দু’জন হচ্ছেন কুফী। তাদের একজন সম্পর্কে “আত-তাহযীব” গ্রন্থে বলা হয়েছে তিনি দুর্বল। আর দ্বিতীয়জন সম্পর্কে “আল-মীযান” গ্রন্থে বলা হয়েছে, তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। বাসরী হিসাবে সম্বোধন করা ভুল। এ ছাড়া হাম্মাদ ইবনু উছমান আল-কুরাশীর জীবনী পাচ্ছি না।





সুয়ূতী এ হাদীছটিকে পূর্বের হাদীছটির শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটি শাহেদ হবার যোগ্য নয়। খুবই দুর্বল হওয়াই এবং শব্দে দুর্বোধ্যতা থাকার কারণে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (751)


` من قضى لأخيه حاجة كنت واقفا عند ميزانه فإن رجح وإلا شفعت له `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` الحلية ` (6 / 353) عن عبد الله بن إبراهيم بن الهيثم الغفاري: حدثنا مالك بن أنس والعمري عن نافع عن ابن عمر مرفوعا، وقال: ` غريب من حديث مالك، تفرد به الغفاري `. قلت: قال الذهبي: `
نسبه ابن حبان إلى أنه يضع الحديث. وقال الحاكم: ` يروي عن جماعة من الضعفاء أحاديث موضوعة `.
‌‌




৭৫১। যে ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের প্রয়োজন মিটাবে, আমি তার হিসাব নিকাশের পাল্লার নিকট দাঁড়িয়ে থাকবো। তার নেকির পাল্লা ভারী না হলে আমি তার জন্য শাফা’আত করবো।





হাদীছটি জাল।





এটি আবু নোয়াইম `আল-হিলইয়্যাহ` (৬/৩৫৩) গ্রন্থে আব্দুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম আল-গিফারী হতে তিনি মালেক ইবনু আনাস ও আল-উমারী হতে তারা উভয়ে নাফে হতে তিনি ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবু নোয়াইম বলেনঃ মালেকের হাদীছ হতে এটি গারীব। গিফারী এককভাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ হাফিয যাহাবী বলেনঃ ইবনু হিব্বান তাকে হাদীছ জাল করার সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। হাকিম বলেনঃ তিনি একদল দুর্বল বর্ণনাকারী হতে কতিপয় বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (752)


` وجبت محبة الله على من أغضب فحلم `.
موضوع.
رواه ابن عدي (331 / 2) : حدثنا ابن أبي صالح. حدثنا أبو مصعب: حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عروة عن عائشة مرفوعا. وقال: ` وهذا عن مالك منكر `. قلت: أورده في ترجمة أبي مصعب هذا وسماه مطرفا، وقال: ` يحدث عن ابن أبي ذئب ومالك وغيرهما بالمناكير `.
قلت: مطرف هذا من شيوخ البخاري في ` الصحيح ` وهو ثقة كما قال ابن سعد والدارقطني وغيرهما، وبه جزم الحافظ في ` التقريب ` وقال: ` لم يصب ابن عدي في تضعيفه `.
وقد ساق الذهبي له أحاديث في ` الميزان ` من طريق ابن عدي عن ابن أبي صالح هذا
وهو أحمد بن داود ومنها هذا الحديث ثم قال: ` قلت: وهذه أباطيل حاشا مطرفا من روايتها، وإنما البلاء من أحمد بن داود! فكيف خفي هذا على ابن عدي فقد كذبه الدارقطني؟! ولوحولت هذه إلى ترجمته كان أولى `.
وكذا قال الحافظ في ` التهذيب `، وقد فعل الذهبي ما أشار إليه، فنقل الحديث إلى ترجمة أحمد هذا وقال: ` وهذا موضوع `.
ووافقه الحافظ ابن حجر في ` اللسان ` وذكر أن أحمد هذا قال فيه ابن حبان وابن طاهر: ` كان يضع الحديث `.
قلت: ومن طريقه أخرج الحديث أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (5 / 135) والقضاعي في ` مسند الشهاب ` (46 / 2) والقاضي أبو بكر الشهرزوري في ` جزء فيه مجلسان ` (4 / 2) وابن عساكر (5 / 84 / 2) .
وأورده السيوطي في ` ذيل الأحاديث الموضوعة ` (167 - 168) من طريق أبي نعيم، ثم قال السيوطي: ` قال في ` الميزان `: هذا موضوع، من أكاذيب ابن داود `. قلت: وأقره ابن عراق في ` تنزيه الشريعة ` (359 / 1 - 2) .
ومع هذا كله فقد سود به السيوطي كتابه ` الجامع الصغير `! فتعقبه المناوي بكلام الذهبي على الحديث وبقول ابن طاهر في راويه: ` كان يضع الحديث `. وكذا قال ابن حبان (1 / 134) .
‌‌




৭৫২। যে ব্যক্তি নিজেকে রাগাম্বিত করে ধৈর্য্য ধারণ করে, তার উপর আল্লাহর মুহাব্বাত ওয়াজিব হয়ে যায়।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু আদী (২/৩৩১) ইবনু আবী সালেহ হতে তিনি আবু মুসআব হতে তিনি মালেক হতে তিনি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ হতে তিনি উরওয়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ মালেক হতে এ হাদীছটি মুনকার।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি আবু মুস'আবের জীবনীতে হাদীছটি উল্লেখ করে তার নাম `মাতরাফ` উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি ইবনু আবী যিইব, মালেক ও অন্য বিদ্বানদের থেকে মুনকার হাদীছ বর্ণনা করেছেন।





আমি বলছিঃ এই মাতরাফ সহীহ বুখারীর মধ্যে ইমাম বুখারীর শাইখ। তিনি নির্ভরযোগ্য যেমনটি ইবনু সা’আদ, দারাকুতনী ও অন্য বিদ্বানগণ বলেছেন। হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাকরীব` গ্রন্থে তা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ ইবনু আদী মাতরাফকে দুর্বল বলে ঠিক করেননি। হাফিয যাহাবী `আল-মীযান` গ্রন্থে তার কতিপয় হাদীছ ইবনু আদীর সূত্রে এই ইবনু আবী সালেহ (আহমাদ ইবনু দাউদ) হতে উল্লেখ করেছেন। সেই সব হাদীছগুলোর একটি হচ্ছে এটি। অতঃপর তিনি (যাহাবী) বলেনঃ এ হাদীছগুলো মাতরাফের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করেই বাতিল। সমস্যা হচ্ছে আহমাদ ইবনু দাউদ হতে! কিভাবে ইবনু আদীর নিকট সমস্যাটি লুক্কায়িত থাকলো তা বোধগম্য নয়, কারণ দারাকুতনী তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন! তার কথা উল্লেখ করে কারণ দর্শানই উত্তম ছিল। অনুরূপ কথা হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেছেন। যাহাবী আহমাদের জীবনীতে হাদীছটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট।





হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে তার সাথে একমত পোষণ করে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনু হিব্বান এবং ইবনু তাহের এই আহমাদ সম্পর্কে বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তার সূত্রেই হাদীছটি আবু নোয়াইম “আখবারু আসবাহান” (৫/১৩৫) গ্রন্থে, কাযাঈ `মুসনাদুশ শিহাব` (২/৪৬) গ্রন্থে, কাযী আবু বাকর শাহারযুরী `জুযউ ফীহে মাজলেসান` (২/৪) গ্রন্থে এবং ইবনু আসাকির (৫/৮৪/২) বর্ণনা করেছেন।





সুয়ূতী `যায়লুল আহাদীছিল মাওযুআহ` (১৬৭-১৬৮) গ্রন্থে হাদীছটি আবু নোয়াইমের সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। এটি আহমাদ ইবনু দাউদের মিথ্যাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু ইরাক `তানযীহুশ শারীয়াহ` (১-২/৩৫৯) গ্রন্থে তার মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন।





এতো কিছু সত্ত্বেও সুয়ুতী `আল-জামেউস সাগীর` গ্রন্থে হাদীছটি উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানবী- যাহাবী এবং ইবনু তাহেরের বক্তব্য উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (753)


` من قضى لأخيه المسلم حاجة كان له من الأجر كمن خدم الله عمره `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` الحلية ` (10 / 254 - 255) والخطيب في ` التاريخ ` (5 / 130 - 131) والسلفي في ` أحاديث منتخبة ` (135 / 1) عن أحمد بن محمد النوري قال: أخبرنا سري السقطي عن معروف الكرخي عن ابن السماك عن الأعمش عن أنس مرفوعا. وفي لفظ للخطيب: ` … كمن حج واعتمر `.
قلت: وهذا سند ضعيف مسلسل بجماعة من الصوفية لا تعرف أحوالهم في الحديث وهم النوري والسقطي والكرخي، وفي ترجمة الأول من ` التاريخ ` أمور مخالفة للشرع كنذره أن لا يقعد على الأرض أربعين يوما! وقد وفى فلم يقعد! وكطلبه من الله أن يخرج له سمكة وزن ثلاثة أرطال لا تزيد ولا تنقص! وإلا رمى بنفسه في الفرات! فزعموا أن السمكة أخرجت له على ما أراد، فقال له الجنيد: لو لم تخرج كنت ترمي بنفسك؟ قال: نعم. فهذا يدل على أنه كان جاهلا،
أو أنه كان من غلاة الصوفية الذين لا يقيمون لنصوص الشريعة وزنا. أعاذنا الله من ذلك بمنه وكرمه.
ثم إن في الحديث علة أخرى وهي الانقطاع بين الأعمش وأنس، قال في ` التهذيب `: ` لم يثبت له منه سماع `. وابن السماك اسمه محمد بن صبيح ولا بأس به كما قال الدارقطني.
والحديث أورده السيوطي باللفظين كحديثين مستقلين! عزى الأول للحلية، والآخر للتاريخ، وقال المناوي فيه: ` وفيه من لم أعرفه `. يعني الصوفية الثلاثة.
ثم قال في اللفظ الأول عطفا على رواية ` الحلية ` له: `
وكذا الخطيب عن إبراهيم بن شاذان عن عيسى بن يعقوب بن جابر الزجاج عن دينار مولى أنس، وقضية كلام المصنف أن ذا لا يوجد مخرجا لأعلى من أبي نعيم وإلا لما عدل إليه واقتصر عليه، والأمر بخلافه، فقد خرجه البخاري في ` تاريخه ` ولفظه: ` من قضى لأخيه حاجة فكأنما خدم الله عمره `.
وكذا الطبراني والخرائطي عن أنس يرفعه بسند قال الحافظ العراقي ضعيف. وأورده ابن الجوزي في (الموضوع) `.
قلت: طريق دينار هذه ليست لهذا الحديث بهذا اللفظ، بل هو من طريق الصوفية المتقدم، ولفظ حديث دينار: ` من قضى لأخيه حاجة من حوائج الدنيا قضى الله له اثنتين وسبعين حاجة أسهلها المغفرة ` فهذا حديث آخر وقد تقدم الكلام عليه في الحديث (750) وليس هو عند أبي نعيم من هذا الوجه بل هو عند الخطيب كما سبق.
ثم إن ابن الجوزي لم يورد هذا الحديث في ` الموضوع ` وإنما أورد فيه الحديث المشار إليه آنفا برقم (750) ، فتأمل كم في كلام المناوي من أخطاء. والعصمة لله وحده. وللحديث طريق آخر عن أنس، أخرجه البخاري في ` التاريخ ` (4 / 2 / 43) وابن أبي الدنيا في ` قضاء الحوائج ` (77 - 78) وأبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 225) والخرائطي في ` المكارم ` (ص 17) والخطيب (3 / 114) عن بقية عن متوكل بن يحيى القنسريني عن حميد بن العلاء عنه مرفوعا. قلت: وهذا ساقط، وبقية وهو ابن الوليد مدلس وقد عنعنه.
والمتوكل هذا قال الأزدي: ` حديثه ليس بالقائم `. وحميد بن العلاء قال الأزدي: ` لا يصح حديثه `.
وكأنه يعني هذا.
ووجدت له شاهدا من حديث عبد الله بن عمر. أخرجه أبو العباس الأصم في ` حديثه ` (رقم 130 من نسختي) عن أبي مسلم محمد بن مخلد الرعيني:
حدثنا سعيد بن عبد الجبار عن محمد بن جابر عن خصيف بن عبد الرحمن عنه مرفوعا.
وهذا إسناد هالك، الرعيني قال ابن عدي: ` حدث بالأباطيل `. وقال الدارقطني: ` متروك الحديث `. وسعيد بن عبد الجبار قال الذهبي: ` لا يعرف `.
وفرق بينه وبين سميه الذي قبله وهو الزبيدي الحمصي وكان جرير يكذبه.
ولا مانع عندي من أن يكونا واحدا ويؤيده أن الحافظ بعد أن ترجم للزبيدي في ` التهذيب ` لم يورد هذا الذي نحن في صدده تمييزا كما هي عادته، وكذلك لم يورده في ` اللسان ` اكتفاء منه بإيراده إياه في ` التهذيب ` بناء على أنهما واحد. والله أعلم.
ومحمد بن جابر وخصيف بن عبد الرحمن ضعيفان.
‌‌




৭৫৩। যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজনীয়তাকে পূর্ণ করবে তার ওই ব্যক্তির ন্যায় ছাওয়াব হবে যে তার সারা জীবন আল্লাহর খিদমাত করেছে।





হাদীছটি জাল।





এটিকে আবূ নোয়াইম `আল-হিলইয়্যাহ` (১০/২৫৪-২৫৫) গ্রন্থে, আল-খাতীব `আত-তারীখ` (৫/১৩০-১৩১) গ্রন্থে এবং আস-সিলাফী `আহাদীছু মুনতাখাবাহ` (১/১৩৫) গ্রন্থে আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ আন-নূরী হতে তিনি সারাইউস সাকাতী হতে তিনি মা’রূফ আল-কারখী হতে তিনি ইবনুস সাম্মাক হতে তিনি আমাশ হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল, এতে একদল সূফী রয়েছেন। হাদীছের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থা জানা যায় না। তারা হচ্ছেন আন-নূরী, আস-সাকাতী ও আল-কারখী ।





এ ছাড়া সনদের আরেকটি সমস্যা হচ্ছে সনদে আমাশ এবং আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)এর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা। হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেনঃ আমাশের আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে শ্রবণ সাব্যস্ত হয়নি। মানবী বলেনঃ তাতে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যার পরিচয় জানা যায় না। তিনি তিন সূফী বর্ণনাকারীদেরকে বুঝাচ্ছেন। হাদীছটির আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে আরেকটি সূত্র রয়েছে। সেটি ইমাম বুখারী “আত-তারীখ” (৪/২/৪৩), ইবনু আবিদ দুনিয়া `কাযাউল হাওয়ায়েজ` (৭৭-৭৮) গ্রন্থে আবু নোয়াইম “আখবারু আসবাহান” (২/২২৫), আল-খারয়েতী “আল-মাকারেম” (পৃঃ ১৭) এবং আল-খাতীব (৩/১১৪) বাকিয়াহ হতে তিনি মুতাওয়াক্কিল ইবনু ইয়াহইয়া হতে তিনি হুমায়েদ ইবনু আলা হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি সাকেত। বাকিয়াহ ইবনুল ওয়ালীদ মুদাল্লিস। এই মুতাওয়াক্কিল সম্পর্কে আযদী বলেনঃ তার হাদীছ সাব্যস্ত হয়নি। তিনি হুমায়েদ সম্পর্কে বলেনঃ তার হাদীছ সহীহ নয়। সম্ভবত তিনি এ হাদীছটিকেই বুঝিয়েছেন।





আমি (আলবানী) হাদীছটির একটি শাহেদ পেয়েছি। কিন্তু সনদটি হালেক (ধ্বংসপ্রাপ্ত)। তার এক বর্ণনাকারী আবু মুসলিম মুহাম্মাদ ইবনুল মিখলাদ আর-রু'আইনী সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি বাতিলগুলো বর্ণনা করেছেন। দারকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীছ। আরেক বর্ণনাকারী সাঈদ ইবনু আব্দিল জাব্বার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তাকে চেনা যায় না। এ ছাড়া মুহাম্মদ ইবনু জবের এবং খুসায়েফ ইবনু আবদির রহমান উভয়েই দুর্বল।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (754)


` نعم الشيء الهدية أمام الحاجة `.
موضوع.
رواه الطبراني (1 / 294 / 1) : حدثنا أحمد بن الحسن الصوفي: أخبرنا الهيثم بن خارجة أخبرنا يحيى بن سعيد العطار عن يحيى بن العلاء عن طلحة بن عبيد الله عن الحسين بن علي مرفوعا.
ورواه الضياء في ` المنتقى من مسموعاته بمرو` (31 / 1) من طريق يزيد بن سنان البصري - بمصر - حدثنا يحيى بن سعيد العطار به.
قلت: وهذا إسناد تالف يحيى بن سعيد قال ابن حبان: ` يروي الموضوعات عن الأثبات لا يجوز الاحتجاج به `. ويحيى بن العلاء كذاب يضع الحديث كما تقدم عن الإمام أحمد تحت الحديث (321) .
وذكره ابن قدامة في ` المنتخب ` (10 / 195 / 1) من طريق عبد الله: حدثني أبي أخبرنا عباد بن العوام: حدثني شيخ عن الزهري مرفوعا. قال أبي: يقولون إنه سليمان بن أرقم، وسليمان لا يساوي حديثه شيئا.
ثم رأيت هذا في ` كتاب الضعفاء ` (156) للعقيلي قال: حدثنا عبد الله به.
قلت: وقد وصله أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 75) عن عثمان بن عبد الرحمن بن عمر بن سعيد بن أبي وقاص عن الزهري عن عروة عن عائشة مرفوعا.
وهذا سند ساقط أيضا، عثمان هذا قال ابن معين: ` كان يكذب `. وقال ابن المديني: ` ضعيف جدا `. وهذا معنى قول البخاري: ` تركوه `.
وقال فيه ابن حبان (2 / 98) مثل ما سبق في يحيى بن سعيد.
ومن طريقه رواه الحاكم في ` تاريخه ` كما في ` اللآليء ` (ص 492) للسيوطي وقد تعقب به وبحديث الحسين الذي قبله حكم ابن الجوزي على الحديث بالوضع، فلم يصنع شيئا لأن مدارهما على كذابين كما علمت.
وله طريق أخرى عن عروة. رواه الخطيب (8 /166) عن عمرو بن خالد الأعشى: حدثنا
هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا.
لكن عمرو هذا كذاب وضاع، رماه بذلك غير واحد من الأئمة. وقد أورده ابن الجوزي من طريقه في ` الموضوعات ` وقال (2 / 91) : ` لا يصح، عمرو بن خالد كذبه العلماء، منهم أحمد ويحيى، وقال ابن راهويه: كان يضع الحديث `. وقد روي من حديث أنس، رواه الدارقطني في ` غرائب مالك ` من طريق خداش بن مخلد: حدثنا يعيش بن هشام: حدثنا مالك عن الزهري عن أنس مرفوعا ذكره ابن الجوزي وقال: ` قال الدارقطني: هو باطل عن مالك، وقد روي عن الموقري عن الزهري عن أنس، والموقري ضعيف `. قلت: وخداش بن مخلد لم أجد له ترجمة. وأما الموقري وهو الوليد بن محمد فهو ساقط كذبه ابن معين وقال النسائي: ` متروك الحديث `. وقال ابن حبان: ` روى عن الزهري أشياء موضوعة لم يرو ها الزهري قط `.
‌‌




৭৫৪। প্রয়োজনীয়তা অনুভবকারীকে সম্মুখে হাদিয়া প্রদান করা হচ্ছে সর্বোত্তম বস্তু।





হাদীছটি জাল।





এটি তাবারানী (১/২৯৪/১) আহমাদ ইবনুল হাসান আস-সূফী হতে তিনি হায়ছাম ইবনু খারেজাহ হতে তিনি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-আত্তার হতে তিনি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা হতে তিনি তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলরানী) বলছিঃ এ সনদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ বর্ণনা করেছেন। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। ইয়াহইয়া ইবনুল আলী মিথ্যুক হাদীছ জলকারী। যেমনটি (৩২১) নং হাদীছের আলোচনায় তার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেছেন। হাদীছটি ইবনু কুদামাহ “আল-মুনতাখাব” (১০/১৯৫/১) এবং উকায়লী `আয-যোয়াফা` (১৫৬) গ্রন্থে আব্দুল্লাহ সূত্রে ... যুহরী হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এ সনদে আব্দুল্লাহর পিতা সুলায়মান ইবনু আরকামের হাদীছ কিছুরই সমতুল্য নয়।





আবু নোয়াইম “আখবাবু আসবাহান” (২/৭৫) গ্রন্থে মওসূল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটির সনদের বর্ণনাকারী উছমান ইবনু আবদির রহমান ইবনে উমার ইবনে সাঈদ সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যা বলতেন। ইবনুল মাদীনী বলেনঃ তিনি নিতান্তই দুর্বল। ইবনু হিব্বান (২/৯৮) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ সম্পর্কে যেরূপ বলেছেন তার সম্পর্কেও তেমন কথাই বলেছেন। হাদীছটি আরেক সূত্রে আল-খাতীব (৮/১৬৬) আমর ইবনু খালেদ আল-আশী হতে ... বর্ণনা করেছেন।





কিন্তু এই আমর মিথ্যুক, জালকারী। একাধিক ইমাম তাকে এই দোষে দোষী করেছেন। তার সূত্রেই ইবনুল জাওযী হাদীছটি “আল-মাওযূ’আত” (১৯১) গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীছটি সহীহ নয়। আমরকে আলেমগণ (যেমন ইমাম আহমাদ ও ইয়াহইয়া) মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু রাহওয়াইহ বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন।





হাদীছটি দারাকুতনী “গারায়েবে মালেক” গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটি মালেক হতে বাতিল হাদীছ। সনদে যুহরী হতে বর্ণনাকারী দুর্বল।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সনদের বর্ণনাকারী খুদাশ ইবনু মিখলাদের জীবনী পাচ্ছি না। আর মূকেরী হচ্ছেন ওয়ালীদ ইবনু মুহাম্মাদ। তাকে ইবনু মাঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। নাসাঈ বলেছেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীছ। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি যুহরী হতে বানোয়াট বহু কিছু বর্ণনা করেছেন যেগুলো যুহরী কখনো বর্ণনা করেননি।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (755)


` إن الله عز وجل لما قضى خلقه استلقى، ووضع إحدى رجليه على الأخرى وقال: لا ينبغي لأحد من خلقه أن يفعل هذا `.
منكر جدا.
رواه أبو نصر الغازي في جزء من ` الأمالي ` (77 / 1) من طرق عن إبراهيم بن المنذر الحزامي: حدثنا محمد بن فليح بن سليمان عن أبيه عن سعيد بن الحارث عن عبيد بن حنين قال: بينا أنا جالس إذ جاءني قتادة بن النعمان
رضي الله عنه فقال: انطلق بنا يا ابن حنين إلى أبي سعيد الخدري رضي الله عنه فإني قد أخبرت أنه قد اشتكى، فانطلقنا حتى دخلنا على أبي سعيد، فوجدناه مستلقيا رافعا رجله اليمنى على اليسرى، فسلمنا وجلسنا، فرفع قتادة بن النعمان يده إلى رجل أبي سعيد فقرصها قرصة شديدة، فقال أبو سعيد: سبحان الله يا ابن أم أوجعتني! فقال له: ذلك أردت، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فذكره.
فقال أبو سعيد: لا جرم والله لا أفعل أبدا. وقال: ` قال الإمام أبو موسى (يعني المديني الحافظ) : رواه ابن الأصفر عن إبراهيم بن محمد بن فليح عن أبيه عن سالم أبي النضر عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن قتادة، ورواه محمد بن المبارك الصوري عن إبراهيم بن المنذر عن محمد بن فليح عن أبيه عن سالم أبي النضر، عن عبيد بن حنين وبسر بن سعيد كلاهما عن قتادة، ورواه عن قتادة أيضا سوى عبيد بن حنين وأبي الحباب وبسر بن سعيد - عبيد الله بن عبد الله بن عتبة.
ورواه عن إبراهيم بن المنذر محمد بن إسحاق الصغاني
ومحمد بن المصفى ومحمد بن المبارك الصوري وجعفر بن سليمان النوفلي وأحمد بن رشدين وأحمد بن داود المكي وابن الأصفر وغيرهم، وحدث به من الحفاظ عبد الله بن أحمد بن حنبل وأبو بكر بن أبي عاصم وأبو القاسم الطبراني، وروي عن شداد بن أوس أيضا مرفوعا. وروي عن عبد الله بن عباس وكعب بن عجرة رضي الله عنهما موقوفا، وعن كعب الأحبار أيضا، وروي عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه في قوله تعالى: (الرحمن على العرش استوى) هذا المعنى، ورواة هذا الحديث من طريق قتادة وشداد عامتهم من رجال الصحيح، وذلك كله بعد قول الله تعالى (أفمن يخلق كمن لا يخلق) إنما يوافق الاسم الاسم، ولا تشبه الصفة الصفة `.
قلت: مع التنزيه المذكور فإن الحديث يستشم منه رائحة اليهودية الذين يزعمون أن الله تبارك وتعالى بعد أن فرغ من خلق السموات والأرض استراح! تعالى الله عما يقول الظالمون علوا كبيرا، وهذا المعنى يكاد يكون صريحا في الحديث فإن الاستلقاء لا يكون إلا من أجل الراحة سبحانه وتعالى عن ذلك.
وأنا أعتقد أن أصل هذا الحديث من الإسرائيليات وقد رأيت في كلام أبي نصر الغازي أنه روي عن كعب الأخبار، فهذا يؤيد ما ذكرته، وذكر أبو نصر أيضا أنه روي موقوفا عن عبد الله بن عباس وكعب بن عجرة، فكأنهما تلقياه - إن صح عنهما - عن كعب كما هو الشأن في كثير من الإسرائيليات، ثم وهم بعض الرواة فرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم. ثم إن قول أبي نصر ` إن رواة طريق قتادة من رجال الصحيح ` صحيح، وكذلك قال الهيثمي في ` المجمع ` (8 / 100) بعد أن عزاه للطبراني، ولكن لا يلزم من ذلك أن يكون سند الحديث بالذات صحيحا لجواز أن يكون فيه من تكلم فيه، وإن كان صاحب الصحيح احتج به، فإنه يجوز أن ذلك لأنه لم يثبت جرحه عنده، أو أنه كان ينتقي من حديثه مع اعتقاده أن فيه ضعفا يسيرا لا يسقط به حديثه جملة عنده، خلافا لغيره.
وإسناد هذا الحديث من هذا القبيل، فإن محمد بن فليح بن سليمان وأباه، وإن أخرج لهما البخاري فإن فيهما ضعفا وخاصة الأب، فقد ضعفه ابن معين حتى جعله دون الدراوردي وهذا حسن الحديث! وقال في رواية: ` فليح ليس بثقة ولا ابنه `، وكذلك ضعفه ابن المديني والنسائي والساجي وقال: ` هو من أهل الصدق، ويهم `. ولذلك لم يسع الحافظ إلا الاعتراف بضعفه فقال في ` التقريب `: ` صدوق كثير الخطأ `. وأما ابنه محمد فهو أحسن حالا من أبيه، ففي ` الميزان `: ` قال أبو حاتم: ما به بأس، وليس بذاك القوي. ووثقه بعضهم وهو أو ثق من أبيه. وقال ابن معين ليس بثقة `. وقال الحافظ: ` صدوق يهم `. وإن مما يدل على ضعفهما وضعف حديثهما اضطرابهما في إسناده.
فتارة يقولان: عن سعيد بن الحارث عن عبيد بن حنين عن قتادة. وتارة: عن سالم أبي النضر بدل سعيد بن الحارث، ويقرن مع ابن حنين بسر بن سعيد وتارة يجعل مكانهما أبا الحباب سعيد بن يسار، وهذا كله من فوائد أبي نصر رحمه الله في هذا الجزء من ` الأمالي `. حيث حفظ لنا فيه ما ينير السبيل على البحث في حال هذا الحديث. وأما إسناد حديث شداد فلم أقف عليه لننظر فيه، وغالب الظن أن فيه علة تقدح في صحته. والله أعلم. ومما يوهن من شأن هذا الحديث أنه صح عن عباد بن تميم عن عمه أنه رأى رسول الله عليه وسلم مستلقيا في المسجد، واضعا إحدى رجليه على الأخرى. رواه البخاري (1 / 466 بفتح الباري طبع بولاق) وترجم له بـ ` باب الاستلقاء في المسجد ` ثم روى عن سعيد بن المسيب قال: كان عمر وعثمان يفعلان ذلك، فلوكان الاستلقاء المذكور لا ينبغي لأحد من خلقه سبحانه كما زعم الحديث لما فعل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم خلفاؤه من بعده، كما لا يخفى. ولا يعارض هذا ثبوت النهي عن الاستلقاء في صحيح مسلم (6 / 154) وغيره لأنه غير معلل بهذه العلة المذكورة في هذا الحديث المنكر، وللعلماء مذهبان في الجمع بين هذا النهي وبين فعله صلى الله عليه وسلم المخالف للنهي:
الأول: ادعاء نسخ النهي.
الثاني: حمل النهي حيث يخشى أن تبدو العورة، والجواز حيث يؤمن ذلك (1) وفي كل من المذهبين إشارة إلى رد هذا الحديث،
فإنه لا يتمشى معهما البتة، أما على المذهب الأول فلأن الحديث صريح في أن الاستلقاء المذكور فيه من خصوصيات الله عز وجل فكيف يجوز ذلك؟! وأما على المذهب الثاني فلأنه صريح في أن العلة عنده هو انكشاف العورة أو عدم انكشافها، فلو كان يصح عنده أن العلة كون الاستلقاء من خصوصياته سبحانه لم يجز التعليل
بغيرها وهذا ظاهر لا يخفى أيضا. وجملة القول إن هذا الحديث منكر جدا عندي، ولقد قف شعري منه حين وقفت عليه، ولم أجد الآن من تكلم عليه من الأئمة النقاد غير أن الحافظ الذهبي أورده في ترجمة ` فليح `، كأنه يشير بذلك إلى أنه مما أنكر عليه كما هي عادته في ` ميزانه `. والله أعلم.
ثم وجدت في بعض الآثار ما يشهد لكون الحديث من الإسرائيليات، فروى الطحاوي في ` شرح المعاني ` (2 / 361) بسند حسن أنه قيل للحسن (وهو البصري) : قد كان يكره أن يضع الرجل إحدى رجليه على الأخرى؟ فقال: ما أخذوا ذلك إلا عن اليهود `. ثم رأيت البيهقي سبقني إلى الكلام على الحديث بنحو ما ظهر لي، فقال في ` الأسماء والصفات ` (ص 355) بعد أن ساقه من طريق إبراهيم بن المنذر عن محمد بن فليح:
` فهذا حديث منكر، ولم أكتبه إلا من هذا الوجه، وفليح بن سليمان مع كونه من شرط البخاري ومسلم، فلم يخرجا حديثه هذا في ` الصحيح `، وهو عند بعض الحفاظ غير محتج به `.
(1) وهذا هو الذي رجحه الحافظ في ` الفتح `. اهـ.
ثم روى بسنده عن ابن معين قال: لا يحتج بحديثه. وفي رواية: قال: ضعيف. قال: وبلغني عن النسائي أنه قال: ليس بالقوي. قال: ` فإذا كان فليح بن سليمان المدني مختلفا في جواز الاحتجاج به عند الحفاظ لم يثبت
بروايته مثل هذا الأمر العظيم. وفيه علة أخرى، وهي أن قتادة بن النعمان مات في خلافة عمر بن الخطاب رضي الله عنه. وصلى عليه عمر، وعبيد بن حنين مات سنة خمس ومائة، وله خمس وسبعون سنة في قول الواقدي وابن بكير، فتكون روايته عن قتادة منقطعة، وقول الراوي: وانطلقنا حتى دخلنا على أبي سعيد لا يرجع إلى عبيد بن حنين، وإنما يرجع إلى من أرسله عنه، ونحن لا نعرفه، فلا تقبل المراسيل في الأحكام، فكيف في هذا الأمر العظيم؟! `.
‌‌




৭৫৫। আল্লাহ তা'আলা যখন তার সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করা শেষ করলেন তখন চিৎ হয়ে শুয়ে গেলেন এবং একটি পা-কে অন্য পায়ের উপর রেখে বললেনঃ তার কোন সৃষ্টির এরূপ করা উচিত হবে না।





হাদীছটি খুবই মুনকার।





এটি আবু নাসর আল-গাযী `আল-আমলী` গ্রন্থের (১/৭৭) এক অংশে ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-হাযামী হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু ফুলায়েহ ইবনে সুলায়মান হতে তিনি তার পিতা হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীছের মধ্যে আমি ইয়াহুদীদের গন্ধ পাচ্ছি। যারা ধারণা পোষণ করে যে, আল্লাহ তা'আলা আসমান ও যমীনকে সৃষ্টি করার পর বিশ্রাম গ্রহণ করেন। এই যালেমরা যা বলেছে আল্লাহ তা'আলা তা থেকে পবিত্র এবং বহু ঊর্ধ্বে। সম্ভবত এ অর্থই আলোচ্য হাদীছটিতে মিলে যাচ্ছে। কারণ চিৎ হয়ে শুয়ে যাবার কারণ একমাত্র বিশ্রাম। এ জন্যেই আমার বিশ্বাস হাদীছটি ইসরাঈলী বর্ণনা হতেই বর্ণিত হয়েছে। এ বিশ্বাসকে আরো শক্তি যোগাচ্ছে আবু নাসরের এ কথা এটি কা'আব আল-আহবার হতে বর্ণিত হয়েছে।' আবু নাসর আরো বলেনঃ এটি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং কা'আব ইবনু আজরাহ হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। যদি এ কথা সঠিক হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এটি ইসরাঈলী বর্ণনা। সন্দেহ বশত কোন বর্ণনাকারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসাবে বর্ণনা করে ফেলেছেন।





মুহাম্মাদ ইবনু ফুলায়েহ ইবনে সুলায়মান ও তার পিতা যদিও ইমাম বুখারীর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত তবুও তাদের দু'জনের মধ্যে বিশেষ করে পিতার মধ্যে দুর্বলতা আছে। তাকে ইবনু মাঈন দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। অন্য এক বর্ণনায় বলেছেনঃ তিনি ও তার ছেলে নির্ভরযোগ্য নন। অনুরূপভাবে তাকে (পিতাকে) ইবনুল মাদীনী, নাসাঈ ও সাজী দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন অতঃপর বলেছেনঃ তিনি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত, তবে সন্দেহ করতেন।





এ জন্য হাফিয ইবনু হাজার তাকে দুর্বল হিসাবে স্বীকার করেছেন। তিনি `আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, বহু ভুলকারী। তবে তার ছেলের অবস্থা তার চেয়ে ভাল। আবু হাতিম বলেনঃ তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। কেউ কেউ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি তার পিতার চেয়ে বেশী নির্ভরযোগ্য। আর ইবনু মাঈন বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। তাদের দু'জনের সনদে ইযতিরাব সংঘটিত হওয়াই, তা তাদের দু'জন ও তাদের হাদীছ দুর্বল হওয়ার প্রমাণ বহন করছে। কারণ তারা একবার বলেছেনঃ সাঈদ ইবনুল হারেছ হতে তিনি ওবায়েদ ইবনু হুনায়েন হতে তিনি কাতাদাহ হতে। আরেকবার সাঈদের স্থলে সালেম ইবনু আবীন নাযুর হতে। আর ইবনু হুনায়েনের সাথে মিলিয়েছেন বুসর ইবনু সাঈদকে। আরেকবার তাদের দু'জনের স্থলে তারা আবুল হুবাব সাঈদ ইবনু ইয়াসারকে স্থান দিয়েছেন। অতএব ইযতিরাব সুস্পষ্ট।





এ হাদীছটি মুনকার হওয়ার প্রমাণ বহন করছে নিম্নোল্লিখিত সহীহ হাদীছ। তাতে বলা হয়েছে বর্ণনাকারী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মসজিদে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছেন। এমতাবস্থায় তিনি তার এক পা অন্য পায়ের উপর রেখেছিলেন। এটি ইমাম বুখারী (১/৪৬৬ ফতহুল বারী সহ) বর্ণনা করেছেন এবং মসজিদে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকার অধ্যায় রচনা করেছেন। অতঃপর তিনি উমার ও উছমান হতেও চিৎ হয়ে শুয়ে থাকার বর্ণনা নকল করেছেন। যদি চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা না জায়েয হতো তাহলে তিনি নিজে এবং তার খালীফাগণ তা করতেন না। মুসলিম শরীফে যে চিৎ হয়ে শুয়া নিষেধের কথা এসেছে, সেই নিষেধ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কর্মের মধ্যে আলেমগণ দুই ভাবে সমম্বয় সাধন করার চেষ্ট করেছেনঃ





১। নিষেধ হওয়ার হাদীছের হুকুম রহিত হয়ে গেছে।





২। নিষেধ সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে যার লজ্জাস্থান প্রকাশ হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। অতএব জায়েয সেই ব্যক্তির জন্য যার এরূপ আশংকা নেই। উভয় সমাধানই আলোচ্য হাদীছটি পরিত্যক্ত তার দিকেই ইঙ্গিত করছে।





মোটকথা হাদীছটি আমার নিকট খুবই মুনকার । যাহাবীর `আল-মীযান` গ্রন্থে ফুলায়েহের জীবনীতে যা উল্লেখ করেছেন তা ইঙ্গিত বহন করছে তিনি হাদীছটিকে মুনকার হিসাবেই দেখেছেন। অতঃপর আমি কতিপয় আছার পেয়েছি যা সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, হাদীছটি ইসরাঈলী বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। ইমাম তাহাবী “শারহুল মা'আনী” (২/৩৬১) গ্রন্থে হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন যে, হাসান বাসরীকে বলা হয়েছিল, এক পা অন্য পায়ের উপর রাখাকে কি মাকরুহ হিসাবে গণ্য করা হতো? তিনি বললেনঃ তারা তা ইয়াহুদদের থেকেই গ্রহণ করেছে।`





আলোচ্য হাদীছটির ব্যাপারে আমি যে হুকুম লাগিয়েছি, বাইহাকীও `আল-আসমাউ ওয়াস সিফাত` (পৃঃ ৩৫৫) গ্রন্থে একই হুকুম লাগিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ এ হাদীছটি মুনকার। একমাত্র এ সূত্রেই আমি এটিকে লিখেছি। বর্ণনাকারী ফুলায়েহ ইবনু সুলায়মান যদিও বুখারী ও মুসলিমের শর্তের অন্তর্ভুক্ত বর্ণনাকারী তবুও তারা উভয়েই তার থেকে “আস-সহীহ” গ্রন্থে হাদীছ বর্ণনা করেননি। তিনি কোন হাফিযের নিকট গ্রহণযোগ্য নন। অতঃপর তিনি তার সনদে ইবনু মাঈন হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ তার (ফুলায়েহ) হাদীছ দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।





অন্য এক বর্ণনায় বলেনঃ তিনি দুর্বল। তিনি আরো বলেনঃ নাসাঈ হতে আমার নিকট পৌছেছে, তিনি বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন। যখন হাফিযদের নিকট তিনি বিতর্কিত ব্যক্তি তখন তার বর্ণনা দ্বারা এরূপ বিরাট বিষয়ে দলীল গ্রহণ করা যেতে পারে না। এ ছাড়া আরেকটি সমস্যা এই যে, সনদে কাতাদাহ ইবনুন নুমান এবং ওবায়েদ ইবনু হুনায়েনের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা। কারণ কাতাদাহ উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর খেলাফত আমলে মৃত্যু বরণ করেন এবং উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার সালাত পড়ান। অপর পক্ষে ইবনু হুনায়েন মৃত্যু বরণ করেন একশত পাঁচ হিজরীতে। ওয়াকেদী ও ইবনু বুকায়েরের ভাষ্যানুযায়ী মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল পঁচাত্তর বছর। অতএব উভয়ের সাক্ষাৎ না ঘটার বিষয়টি সুস্পষ্ট।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (756)


` الأمر المفظع، والحمل المضلع، والشر الذي لا ينقطع إظهار البدع `.
ضعيف جدا.
رواه الطبراني (1 / 327 / 1) وابن أبي عاصم في ` السنة ` رقم (36) وابن بطة في ` الإبانة ` (1 / 173 / 1 - 2) عن بقية: حدثنا عيسى بن إبراهيم عن موسى بن أبي حبيب عن الحكم بن عمير الثمالي مرفوعا. قلت: وهذا سند ضعيف جدا، عيسى هذا هو الهاشمي، قال البخاري والنسائي: ` منكر الحديث `. وقال أبو حاتم والنسائي أيضا: ` متروك الحديث `. وموسى بن أبي حبيب ضعفه أبو حاتم. والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (1 / 268 - 269) من رواية الحاكم وقال: ` لا يصح، قال الحاكم: عيسى واهي الحديث بمرة `.
وأقره السيوطي (رقم 652) من ` اللآليء `، ثم ابن عراق في ` تنزيه الشريعة ` (136 / 1) ، ومع ذلك فقد أورده السيوطي في ` الجامع الصغير `، من رواية الطبراني هذه، واقتصر المناوي في شرحه على قوله: ` والحديث ضعيف `! .
‌‌




৭৫৬। ভয়ানক কর্ম, বক্রতাকে বহন করা ও অব্যাহত নিকৃষ্ট কর্ম হচ্ছে বিদ'আতকে প্রকাশ করা।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি তাবারানী (১/৩২৭/১), ইবনু আবী আসেম `আস-সুন্নাহ` (নং ৩৬) গ্রন্থে এবং ইবনু বাত্তাহ `আল-ইবানাহ` (১/১৭৩/১-২) গ্রন্থে বাকিয়াহ হতে তিনি ঈসা ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি মূসা ইবনু আবী হাবীব হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এই ঈসা হচ্ছেন হাশেমী। ইমাম বুখারী ও নাসাঈ তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। আবু হাতিম ও নাসাঈও বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীছ। এ ছাড়া মূসা ইবনু আবী হাবীবকে আবু হাতিম দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। হাদীছটি ইবনুল জাওযী `আল-মাওয়ূ’আত` (১/২৬৮-২৬৯) গ্রন্থে হাকিমের বর্ণনা হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। হাকিম বলেনঃ ঈসা একেবারে দুর্বল। সুয়ূতী `আল-লাআলী` (নং ৬৫২) গ্রন্থে এবং ইবনু ইরাক `তানযীহুশ শারীয়াহ` (১/১৩৬) গ্রন্থে তাকে সমর্থন করেছেন। তা সত্ত্বেও সুয়ুতী হাদীছটিকে “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে তাবারানীর বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। আর তার ভাষ্যকার মানবী শুধুমাত্র বলেছেনঃ হাদীছটি দুর্বল।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (757)


` من وطيء امرأة وهي حائض، فقضى بينهما ولد، فأصابه جذام، فلا يلومن إلا نفسه `.
ضعيف.
رواه أبو العباس الأصم في ` حديثه ` (ج 2 رقم 147) والطبراني في ` الأوسط ` (1 / 169 / 1) : حدثنا بكر بن سهل: أخبرنا محمد بن أبي السري العسقلاني: أخبرنا شعيب بن إسحاق عن الحسن بن الصلت عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة مرفوعا. وقال الطبراني:
` لم يرو هـ عن الزهري إلا الحسن بن الصلت - شيخ من أهل الشام - تفرد به ابن أبي السري `.
قلت: وهو صدوق له أوهام كثيرة كما في ` التقريب `. والحسن بن الصلت لم أجد له ترجمة ولم يذكره الحافظ ابن عساكر في ` تاريخ دمشق ` مع أنه على شرطه! والحديث أعله الهيثمي (4 / 299) ببكر هذا فقال: ` ضعفه النسائي وقال الذهبي: قد حمل الناس عنه وهو مقارب الحديث `.
‌‌




৭৫৭। যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে তার মাসিক চলাকালীন সময়ে সহবাস করবে, আর এ অবস্থায় যদি তাদের দু'জনের মাঝে কোন সন্তানের ফয়সালা হয়ে থাকে তাহলে তাকে কুষ্ঠ রোগ হবে। ফলে সে (এর জন্য) শুধুমাত্র নিজেকেই নিন্দা করবে।





হাদীছটি দুর্বল।





এটি আবুল আব্বাস আল-আসাম তার `হাদীছ` (২/১৪৭) গ্রন্থে এবং তাবারানী “আল-আওসাত” (১/১৬৯/১) গ্রন্থে বাকর ইবনু সাহাল হতে তিনি হতে তিনি আল-হাসান ইবনুস সালত হতে ... বর্ণনা করেছেন। তাবারানী বলেনঃ যুহরী হতে একমাত্র আল-হাসান ইবনুস সালতই বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবীস সারীও এককভাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি সত্যবাদী কিন্তু তার বহু সন্দেহমূলক বর্ণনা রয়েছে, যেমনটি `আত-তাকরীব` গ্রন্থে এসেছে। আর আল-হাসানের জীবনী পাচ্ছি না। হাফিয ইবনু হাজার “তারীখু দামেস্ক” গ্রন্থেও তাকে উল্লেখ করেননি। হায়ছামী (৪/২৯৯) বাকরের দ্বারা হাদীছটির সমস্যা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ তাকে নাসাঈ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। যাহাবী তাকে মুকারবুল হাদীছ বলেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (758)


` من مشى مع ظالم ليعينه وهو يعلم أنه ظالم فقد خرج من الإسلام `.
ضعيف جدا.
رواه الطبراني (1 / 32 / 2) : حدثنا عمرو بن إسحاق بن إبراهيم بن زبريق الحمصي: حدثني أبي: حدثنا عمرو بن الحارث عن عبد الله بن سالم عن الزبيدي عن عياش بن مؤنس أن أبا الحسن نمران بن مخمر حدثه أن أوس بن شرحبيل أحد بني المجمع حدثه به مرفوعا. قلت: وهذا سند ضعيف جدا عمرو بن إسحاق لم أعرفه ولم يورده ابن عساكر في ` تاريخه ` مع أنه على شرطه. وأبو إسحاق بن إبراهيم بن زبريق ضعيف جدا، قال النسائي: ` ليس بثقة `. وقال أبو داود: ` ليس بشيء ` وكذبه محدث حمص محمد بن عوف الطائي وهو أعرف بأهل بلده، وأما
أبو حاتم فقال: لا بأس به! وعياش بن مؤنس وشيخه أبو الحسن نمران بن مخمر لم أعرفهما.
‌‌




৭৫৮। যে ব্যক্তি অত্যাচারীকে অত্যাচারী হিসাবে জানার পরেও তার সাথে তাকে সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে চলবে সে ব্যক্তি ইসলাম হতে বেরিয়ে যাবে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি তাবারানী (১/৩২/১) আমর ইবনু ইসহাক আল-হিমসী হতে তিনি তার পিতা (ইসহাক) হতে তিনি আমর ইবনুল হারেছ হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু সালেম হতে তিনি যুবায়দী হতে তিনি আইয়াশ ইবনু মুবেনুস হতে তিনি আবুল হাসান নামরান ইবনু মুখাম্মির হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এই আমর ইবনু ইসহাককে আমি চিনি না। ইবনু আসাকিরও তাকে তার `আত-তারীখ` গ্রন্থে উল্লেখ করেননি। আর তার পিতা ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম নিতান্তই দুর্বল। নাসাঈ তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। আবু দাউদ বলেনঃ তিনি কিছুই না। হিমসের মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ ইবনু আউফ আত-তাঈ তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। এ ছাড়া আইয়াশ ইবনু মুবেনুস এবং তার শাইখ আবুল হাসান নামরান ইবনু মুখামিরকে আমি চিনি না।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (759)


` أربع من سعادة المرء: أن تكون زوجته موافقة، وأولاده أبرارا، وإخوانه صالحين، وأن يكون رزقه في بلده `.
ضعيف جدا.
رواه النسائي في ` حديثه ` (132 / 2) وابن عساكر في ` تاريخه ` (15 / 325 / 2) من طريقين عن بقية بن الوليد عن أبي يعقوب المدني عن عبد الله بن الحسين عن أبيه عن جده. وقال ابن عساكر: ` غريب جدا `. قلت: وهذا سند ضعيف جدا، أبو يعقوب المدني لم أعرفه، فهو من شيوخ بقية المجهولين الذين كان يدلسهم، قال ابن معين: ` إذا لم يسم بقية شيخه وكناه فاعلم أنه لا يساوي شيئا `. وقال ابن المبارك: ` نعم الرجل بقية لولا أنه يكني الأسماء، ويسمي الكنى `!
وعبد الله بن الحسين لم أعرفه، ولا نعلم للحسين بن علي بن أبي طالب ابنا اسمه عبد الله و (الحسين) كذلك وقع في الطريقين، ولعله خطأ من بعض الرواة أو النساخ، ويؤيده أن الحديث أخرجه أبو بكر الشافعي في ` الفوائد ` (ج 73 / 258 / 1) والديلمي (1 / 1 / 166) من طريق عمرو بن جميع عن عبد الله بن حسن عن أبيه عن جده مرفوعا. وعلى هذا فالحديث من مسند الحسن بن علي بن أبي طالب لا من مسند علي، فإن عبد الله هذا هو ابن حسن بن حسن بن علي بن أبي طالب، وهو ثقة مأمون، لكن الراوي عنه عمرو بن جميع كذاب: قد وجدت له طريقا أخرى عن الحسين عن علي رضي الله عنهما، فقال الدنيوري في ` المجالسة ` كما في ` المنتقى منها ` (21 / 2 نسخة حلب) : حدثنا محمد بن الحسين حدثني علي بن الحسين بن موسى عن أبيه عن علي بن الحسين عن أبيه عن علي بن أبي طالب مرفوعا. وهذا إسناد ساقط من دون موسى (وهو ابن عبد الله بن حسن المتقدم) لم أعرفهم، لكن الدينوري نفسه متهم واسمه أحمد بن مروان، قال الذهبي: ` اتهمه الدارقطني، ومشاه غيره `. وقال الحافظ في ` اللسان `: ` وصرح الدارقطني في ` غرائب مالك بأنه يضع الحديث `.
والحديث أورده السيوطي في ` الجامع ` من رواية ابن عساكر والديلمي عن علي، وابن أبي الدنيا في ` كتاب الإخوان ` عن عبد الله بن الحكم عن أبيه عن جده.
ولم يتعقبه المناوي بشيء غير أنه قال: ` رمز المصنف لضعفه `.
وقد عرفت أنه ضعيف جدا من طريق ابن عساكر، وباطل من الطريقين الآخرين، وقوله ` عبد الله بن الحكم ` أظنه تصحيف من ` عبد الله بن الحسن ` كما سبق في رواية أبي بكر الشافعي، وكذلك هو في ` الجامع الكبير ` (1 / 90 / 1) لكن وقع فيه ` … ابن أبي الحسن `! .
‌‌




৭৫৯। মানুষের সৌভাগ্য হচ্ছে চারটি বস্তুতেঃ তার স্ত্রী তার মতের অনুসারী হলে, তার সন্তানেরা সৎকর্ম করলে, তার ভাইয়েরা নেককার হলে এবং তার রিয্‌ক তার দেশের মধ্য হতেই উপার্জিত হলে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি নাসাঈ তার `আল-হাদীছ` (২/১৩২) গ্রন্থে এবং ইবনু আসাকির `আত-তারীখ` (১৫/৩২৫/১) গ্রন্থে দুটি সূত্রে বাকিয়াহ ইবনুল ওয়ালীদ হতে তিনি আবু ইয়াকুব আল-মাদানী হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসান হতে তিনি তার পিতা হতে ... বর্ণনা করেছেন।





ইবনু আসাকির বলেনঃ হাদীছটি খুবই গারীব।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। আবু ইয়াকুবকে আমি চিনি না। তিনি বাকিয়ার মাজহুল শাইখদের একজন যাদের থেকে তিনি তাদলীস করতেন। ইবনু মাঈন বলেনঃ বাকিয়াহ যখন তার শাইখের নাম উল্লেখ না করে কুনিয়াত উল্লেখ করবে, তখন জানবে তিনি কিছুরই সমতুল্য নন। ইবনুল মুবারাক বলেনঃ যদি নামগুলোকে কুনিয়াত আর কুনিয়াতগুলোকে নাম হিসাবে চালিয়ে না দিতেন তাহলে বাকিয়াহ ভাল মানুষ হতেন।





আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসানকে আমি চিনি না। হাদীছটি আবু বাকর আশ-শাফেট “আল-ফাওয়ায়েদ” (৭৩/২৫৮/১) গ্রন্থে এবং দাইলামী (১/১/১৬৬) আম্বর ইবনু জামী সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই আমর মিথ্যুক। হাদীছটি আরেক সূত্রে আদ-দানীউর `আল-মুজালাসাহ` গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাতে একাধিক মাজহুল বর্ণনাকারী রয়েছেন।





দানীউরী নিজেই মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি। তার নাম হচ্ছে আহমাদ ইবনু মারওয়ান। হাফিয যাহাবী বলেনঃ তাকে দারাকুতনী মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। অন্য বিদ্বানগণ তাকে চালিয়ে দিয়েছেন। হাফিয ইবনু হাজার `আল-লিসান` গ্রন্থে বলেনঃ `গারায়েবে মালেক` গ্রন্থে দারাকুতনী স্পষ্টভাবে বলেছেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন। তা সত্ত্বেও সুয়ূতী হাদীছটি `আল-জামে` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (760)


` المؤمن كيس فطن حذر `.
موضوع.
رواه القضاعي (2 / 2 / 2) عن سليمان بن عمرو النخعي عن أبان عن أنس بن مالك مرفوعا. قلت: وهذا موضوع، النخعي هذا كان يضع الحديث كما قال أحمد وغيره. وأبان هو ابن أبي عياش متروك متهم، ولهذا فقد أساء السيوطي بإيراده إياه في ` الجامع الصغير ` من رواية القضاعي هذه.
وقد تعقبه المناوي بقوله: ` قال العامري: ` حسن غريب `، وليس فيما زعمه بمصيب. بل فيه أبو داود النخعي
كذاب، قال في ` الميزان ` عن يحيى: كان أكذب الناس. ثم سرد له عدة أخبار هذا منها. قال ابن عدي: أجمعوا على أنه كان وضاعا `.
‌‌




৭৬০। মুমিন ব্যক্তি হচ্ছে বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ এবং সাবধানতা অবলম্বনকারী।





হাদীছটি জাল।





এটি কাযাঈ (২/২/২) সুলায়মান ইবনু আমর আন-নাখ'ঈ হতে তিনি আবান হতে তিনি আনাস ইবনু মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফূ’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। এই নাখ'ঈ হাদীছ জাল করতেন। যেমনটি ইমাম আহমাদ ও অন্য বিদ্বানগণ বলেছেন। আর আবান হচ্ছেন ইবনু আবী আইয়াশ, তিনি মাতরুক, মিথ্যার দোষে দোষী। সুয়ূতী হাদীছটি `আল-জামে` গ্রন্থে উল্লেখ করে ক্রটি করেছেন। হাফিয যাহাবী `আল-মীযান` গ্রন্থে বলেন, ইয়াহইয়া বলেছেনঃ আবু দাউদ আন-নাখ'ঈ লোকেদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় মিথ্যুক ছিলেন। অতঃপর তিনি তার কতিপয় হাদীছ উল্লেখ করেছেন, এটি সেগুলোর একটি। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি একজন জালকারী ছিলেন এ মর্মে ইমামগণ একমত পোষণ করেছেন।