হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (281)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ اللَّجْلاَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : لاَ يَجْتَمِعُ غُبَارٌ فِي سَبِيلِ اللهِ وَدُخَانُ جَهَنَّمَ فِي جَوْفِ عَبْدٍ أَبَدًا، وَلاَ يَجْتَمِعُ الشُّحُّ وَالإِيمَانُ فِي قَلْبِ عَبْدٍ أَبَدًا .




২৮১। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদের) ধুলি ও জাহান্নামের ধোঁয়া কোন বান্দার মধ্যে কখনো একত্র হতে পারে না। অনুরূপভাবে মনের সংকীর্ণতা ও ঈমানও কোন বান্দার মধ্যে কখনো একত্র হতে পারে না (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (282)


حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى هُوَ أَبُو الْمُغِيرَةِ السُّلَمِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ غَالِبٍ هُوَ الْحُدَّانِيُّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : خَصْلَتَانِ لاَ يَجْتَمِعَانِ فِي مُؤْمِنٍ : الْبُخْلُ وَسُوءُ الْخُلُقِ .




২৮২। আবু সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দুইটি কুঅভ্যাস কোন মুমিন বান্দার মধ্যে একত্র হতে পারে নাঃ কার্পণ্য এবং অসৎ চরিত্র (তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (283)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ رَبِيعَةَ قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عَبْدِ اللهِ، فَذَكَرُوا رَجُلاً، فَذَكَرُوا مِنْ خُلُقِهِ، فَقَالَ عَبْدُ اللهِ : أَرَأَيْتُمْ لَوْ قَطَعْتُمْ رَأْسَهُ أَكُنْتُمْ تَسْتَطِيعُونَ أَنْ تُعِيدُوهُ ؟ قَالُوا : لاَ، قَالَ : فَيَدُهُ ؟ قَالُوا : لاَ، قَالَ : فَرِجْلُهُ ؟ قَالُوا : لاَ، قَالَ : فَإِنَّكُمْ لاَ تَسْتَطِيعُونَ أَنْ تُغَيِّرُوا خُلُقَهُ حَتَّى تُغَيِّرُوا خَلْقَهُ، إِنَّ النُّطْفَةَ لَتَسْتَقِرُّ فِي الرَّحِمِ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً، ثُمَّ تَنْحَدِرُ دَمًا، ثُمَّ تَكُونُ عَلَقَةً، ثُمَّ تَكُونُ مُضْغَةً، ثُمَّ يَبْعَثُ اللَّهُ مَلَكًا فَيُكْتَبُ رِزْقَهُ وَخُلُقَهُ، وَشَقِيًّا أَوْ سَعِيدًا .




২৮৩। আবদুল্লাহ ইবনে রবীয়া (রহঃ) বলেন, আমরা আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট বসা ছিলাম। লোকজন এক ব্যক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করলো। তারা তার চরিত্র সম্পর্কেও উল্লেখ করলো। আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তোমরা যদি তার মাথা কেটে ফেলো, তবে কি তাকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবে? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, তার হাত কেটে ফেললে? তারা বলেন, না। তার পা কাটলে? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, তোমরা যদি কোন লোকের বাহ্যিক অবয়ব পরিবর্তন করতে অক্ষম হও, তাহলে তার আভ্যন্তরীণ অবয়ব কি করে পরিবর্তন করবে! বীর্য স্ব-অবস্থায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত জরায়ুতে অবস্থান করে। তারপর তা রক্তে পরিণত হয়, অতঃপর জমাট রক্তে, অতঃপর মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান, যিনি তার জীবিকা, চরিত্র এবং সে হতভাগা না ভাগ্যবান হবে তা লিপিবদ্ধ করেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (284)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ النُّمَيْرِيُّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : إِنَّ الرَّجُلَ لَيُدْرِكُ بِحُسْنِ خُلُقِهِ دَرَجَةَ الْقَائِمِ بِاللَّيْلِ .




২৮৪। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম স্বভাব-চরিত্রের সাহায্যে কোন ব্যক্তি রাত জেগে ইবাদতকারীর মর্যাদা লাভ করতে পারে (আবু দাউদ, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (285)


حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : خَيْرُكُمْ إِسْلاَمًا أَحَاسِنُكُمْ أَخْلاَقًا إِذَا فَقِهُوا .




২৮৫। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যকার উত্তম চরিত্রের লোক প্রজ্ঞা অর্জন করতে পারলে ইসলামের মানদণ্ডে সে তোমাদের সকলের চেয়ে উত্তম (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (286)


حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ قَالَ : حَدَّثَنِي ثَابِتُ بْنُ عُبَيْدٍ قَالَ : مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَجَلَّ إِذَا جَلَسَ مَعَ الْقَوْمِ، وَلاَ أَفْكَهَ فِي بَيْتِهِ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ .




২৮৬। সাবিত ইবনে উবাইদ (রহঃ) বলেন, আমি মজলিসে গাম্ভীর্য অবলম্বনকারী এবং নিজ বাড়িতে খোশমেজাজী লোক যায়েদ ইবনে সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ব্যতীত আর কাউকে দেখিনি (ইসাবা)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (287)


حَدَّثَنَا صَدَقَةُ، قَالَ : أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : أَيُّ الأَدْيَانِ أَحَبُّ إِلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ ؟ قَالَ : الْحَنِيفِيَّةُ السَّمْحَةُ .




২৮৭। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন দীন (ধর্মিত) মহামহিম আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয়? তিনি বলেনঃ সহজ সরল দীন (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (288)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : أَرْبَعُ خِلاَلٍ إِذَا أُعْطِيتَهُنَّ فَلاَ يَضُرُّكَ مَا عُزِلَ عَنْكَ مِنَ الدُّنْيَا : حُسْنُ خَلِيقَةٍ، وَعَفَافُ طُعْمَةٍ، وَصِدْقُ حَدِيثٍ، وَحِفْظُ أَمَانَةٍ .




২৮৮। আবদুল্লাহ ইবনে আমরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, চারটি গুণ যদি তোমাকে দান করা হয় তবে পার্থিব অন্য কিছু না পেলেও তোমার কোন ক্ষতি নেই। (১) উত্তম স্বভাব-চরিত্র, (২) উত্তম ও পরিচ্ছন্ন (হালাল) রিযিক, (৩) সত্য ভাষণ এবং (৪) আমানত সংরক্ষণ (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (289)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ يَزِيدَ قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : تَدْرُونَ مَا أَكْثَرُ مَا يُدْخِلُ النَّارَ ؟ قَالُوا : اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ : الأَجْوَفَانِ : الْفَرْجُ وَالْفَمُ، وَأَكْثَرُ مَا يُدْخِلُ الْجَنَّةَ ؟ تَقْوَى اللهِ وَحُسْنُ الْخُلُقِ .




২৮৯। আবু হুরায়রা (রহঃ) বলেন,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জানো, কোন জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? সাহাবীগণ বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ দুইটি ছিদ্র (১) লজ্জাস্থান ও (২) মুখ। অপরদিকে কোন জিনিসের বদৌলতে অধিক লোক বেহেশতে যাবে? আল্লাহর ভয় ও উত্তম স্বভাবের কারণে (আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (290)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَلِيلِ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ شَهْرٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ قَالَتْ : قَامَ أَبُو الدَّرْدَاءِ لَيْلَةً يُصَلِّي، فَجَعَلَ يَبْكِي وَيَقُولُ : اللَّهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِي فَحَسِّنْ خُلُقِي، حَتَّى أَصْبَحَ، قُلْتُ : يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ، مَا كَانَ دُعَاؤُكَ مُنْذُ اللَّيْلَةِ إِلاَّ فِي حُسْنِ الْخُلُقِ ؟ فَقَالَ : يَا أُمَّ الدَّرْدَاءِ، إِنَّ الْعَبْدَ الْمُسْلِمَ يَحْسُنُ خُلُقُهُ، حَتَّى يُدْخِلَهُ حُسْنُ خُلُقِهِ الْجَنَّةَ، وَيَسِيءُ خُلُقُهُ، حَتَّى يُدْخِلَهُ سُوءُ خُلُقِهِ النَّارَ، وَالْعَبْدُ الْمُسْلِمُ يُغْفَرُ لَهُ وَهُوَ نَائِمٌ، قُلْتُ : يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ، كَيْفَ يُغْفَرُ لَهُ وَهُوَ نَائِمٌ ؟ قَالَ : يَقُومُ أَخُوهُ مِنَ اللَّيْلِ فَيَجْتَهِدُ فَيَدْعُو اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فَيَسْتَجِيبُ لَهُ، وَيَدْعُو لأَخِيهِ فَيَسْتَجِيبُ لَهُ فِيهِ .




২৯০। উম্মু দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক রাতে আবু দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নামায পড়তে দাড়ালেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকলেন, ”হে আল্লাহ! তুমি আমার দৈহিক গঠন সুন্দর করেছো, আমার স্বভাব-চরিত্রও সুন্দর করে দাও”। এই অবস্থায় তিনি ভোরে উপনীত হলেন। আমি বললাম, হে আবু দারদা! কাল সারা রাত ধরে আপনার দোয়া ছিলো সুন্দর স্বভাব-চরিত্র সম্পর্কে। তিনি বলেন, হে উম্মু দারদা! মুসলিম বান্দা তার স্বভাব-চরিত্র সুন্দর করতে থাকে, শেষ পর্যন্ত সুন্দর স্বভাব-চরিত্র তাকে বেহেশতে প্রবেশ করায়। আবার সে তার স্বভাব-চরিত্র খারাপ করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত তা তাকে দোযখে প্রবেশ করায়। মুমিন বান্দাকে তার ঘুমন্ত অবস্থায় ক্ষমা করা হয়। আমি বললাম, হে আবু দারদা! ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে ক্ষমা করা হয় কিভাবে? তিনি বলেন, তার অপর ভাই শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামায পড়ে মহামহিম আল্লাহর কাছে দোয়া করে। আল্লাহ তার দোয়া কবুল করেন। সে তার অপর ভাইয়ের জন্যও দোয়া করে, আল্লাহ তার সেই দোয়াও কবুল করেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (291)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ شَرِيكٍ قَالَ : كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَجَاءَتِ الأَعْرَابُ، نَاسٌ كَثِيرٌ مِنْ هَاهُنَا وَهَاهُنَا، فَسَكَتَ النَّاسُ لاَ يَتَكَلَّمُونَ غَيْرَهُمْ، فَقَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، أَعَلَيْنَا حَرَجٌ فِي كَذَا وَكَذَا ؟ فِي أَشْيَاءَ مِنْ أُمُورِ النَّاسِ، لاَ بَأْسَ بِهَا، فَقَالَ : يَا عِبَادَ اللهِ، وَضَعَ اللَّهُ الْحَرَجَ، إِلاَّ امْرَءًا اقْتَرَضَ امْرَءًا ظُلْمًا فَذَاكَ الَّذِي حَرِجَ وَهَلَكَ، قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، أَنَتَدَاوَى ؟ قَالَ : نَعَمْ يَا عِبَادَ اللهِ تَدَاوَوْا، فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَمْ يَضَعْ دَاءً إِلاَّ وَضَعَ لَهُ شِفَاءً، غَيْرَ دَاءٍ وَاحِدٍ، قَالُوا : وَمَا هِيَ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ : الْهَرَمُ، قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، مَا خَيْرُ مَا أُعْطِيَ الإِنْسَانُ ؟ قَالَ : خُلُقٌ حَسَنٌ .




২৯১। উসামা ইবনে শরীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন বিভিন্ন স্থান থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেদুইন আসলো। লোকজন নির্বাক ছিলো। কেবল বেদুইনরাই কথা বলছিলো। তারা জিজ্ঞেস করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অমুক অমুক ব্যাপারে আমাদের কোন দোষ হবে কি? তারা এমন কিছু মানবীয় বিষয় জিজ্ঞেস করে যাতে দোষের কিছু ছিলো না। তিনি বলেনঃ ”হে আল্লাহর বান্দাগণ! আল্লাহ পাপকে রহিত করেছেন। পাপ তো এমন লোকের হতে পারে যে নিজের জন্য অত্যাচার-নির্যাতনকে অবধারিত করে নিয়েছে। এতে তার পাপ হয় এবং সে ধ্বংস হয়”। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা ঔষধপত্র ব্যবহার করবো কি? তিনি বলেনঃ হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা ঔষধ ব্যবহার করো। কেননা মহামহিম আল্লাহ এমন কোন রোগ রাখেননি, যার প্রতিষেধক রাখেননি, একটি রোগ ছাড়া। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি? তিনি বলেনঃ বাৰ্ধক্য। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মানুষকে প্রদত্ত সর্বোত্তম জিনিস কি? তিনি বলেনঃ উত্তম স্বভাব-চরিত্র (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (292)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ بِالْخَيْرِ، وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ، حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَ جِبْرِيلُ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ، يَعْرِضُ عَلَيْهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ، فَإِذَا لَقِيَهُ جِبْرِيلُ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ .




২৯২। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন জনগণের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল। তাঁর এই দানশীলতা উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছতো রমযান মাসে। জিবরাঈল (আবু দাউদ) যখন তাঁর সাথে মিলিত হতেন তখন তাঁর দানশীলতা আরো বেড়ে যেতো। জিবরাঈল (আবু দাউদ) রমযানের প্রতি রাতে তাঁর সাথে মিলিত হতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন পড়ে শুনাতেন। জিবরাঈল (আবু দাউদ) যখন তাঁর সাথে মিলিত হতেন, তখন তাঁর দানশীলতার গতি বেগবান বাতাসের চেয়েও অধিক বেগবান হতো (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (293)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : حُوسِبَ رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ، فَلَمْ يُوجَدْ لَهُ مِنَ الْخَيْرِ إِلاَّ أَنَّهُ كَانَ رَجُلاً يُخَالِطُ النَّاسَ وَكَانَ مُوسِرًا، فَكَانَ يَأْمُرُ غِلْمَانَهُ أَنْ يَتَجَاوَزُوا عَنِ الْمُعْسِرِ، قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : فَنَحْنُ أَحَقُّ بِذَلِكَ مِنْهُ، فَتَجَاوَزَ عَنْهُ .




২৯৩। আবু মাসউদ আল-আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী কালের এক ব্যক্তির আমলের হিসাব নেয়া হলো। কিন্তু তার আমলনামায় কল্যাণকর কিছুই পাওয়া গেলো না। তবে লোকটির জনগণের সাথে সংস্রব ছিল এবং সে ছিল সচ্ছল। সে তার কর্মচারীদের নির্দেশ দিতো যে, তারা অভাবী দেনাদারকে যেন সময় দেয়। তখন মহামহিম আল্লাহ বলেন, আমিই তার চাইতে এই গুণের বেশি যোগ্য। অতএব তোমরা (ফেরেশতাগণ) তাকে এড়িয়ে যাও (মুসলিম, তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (294)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، عَنِ ابْنِ إِدْرِيسَ قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ جَدِّي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ : سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَا أَكْثَرُ مَا يُدْخِلُ الْجَنَّةَ ؟ قَالَ : تَقْوَى اللهِ، وَحُسْنُ الْخُلُقِ، قَالَ : وَمَا أَكْثَرُ مَا يُدْخِلُ النَّارَ ؟ قَالَ : الأَجْوَفَانِ : الْفَمُ وَالْفَرْجُ .




২৯৪। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কিসের বদৌলতে অধিক সংখ্যক লোক বেহেশতে যাবে? তিনি বলেনঃ আল্লাহর ভয় এবং উত্তম স্বভাব-চরিত্র। সে পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, কিসের কারণে বহু লোক দোযখে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি ছিদ্র, মুখ ও লজ্জাস্থান (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (295)


حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَعْنٌ، عَنْ مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِرِّ وَالإِثْمِ ؟ قَالَ : الْبِرُّ حُسْنُ الْخُلُقِ، وَالإِثْمُ مَا حَكَّ فِي نَفْسِكَ وَكَرِهْتَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِ النَّاسُ .




২৯৫। নাওয়াস ইবনে সামআন আল-আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পাপ ও পুণ্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেনঃ পুণ্য হচ্ছে উত্তম স্বভাব-চরিত্র এবং পাপ হচ্ছে যা তোমার অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং লোকজন তা অবগত হোক তা তুমি পছন্দ করো না (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, দারিমী, হাকিম, ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (296)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ الأَسْوَدِ، عَنِ الْحَجَّاجِ الصَّوَّافِ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، قَالَ : حَدَّثَنَا جَابِرٌ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ سَيِّدُكُمْ يَا بَنِي سَلِمَةَ ؟ قُلْنَا : جُدُّ بْنُ قَيْسٍ، عَلَى أَنَّا نُبَخِّلُهُ، قَالَ : وَأَيُّ دَاءٍ أَدْوَى مِنَ الْبُخْلِ ؟ بَلْ سَيِّدُكُمْ عَمْرُو بْنُ الْجَمُوحِ، وَكَانَ عَمْرٌو عَلَى أَصْنَامِهِمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَكَانَ يُولِمُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا تَزَوَّجَ .




২৯৬। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে বনু সালামা! তোমাদের নেতা কে? আমরা বললাম, জুদ্দ ইবনে কায়েস। অবশ্য আমরা তাকে কৃপণ বলি। তিনি বলেনঃ কৃপণতার চেয়ে মারাত্মক রোগ আর কি হতে পারে? বরং তোমাদের নেতা হলো আমর ইবনুল জামূহ। জাহিলী যুগে আমর ছিলেন তাদের পুরোহিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিবাহ করলে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে বিবাহ ভোজের আয়োজন করেন (আবু দাউদ, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (297)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَرَّادٌ كَاتِبُ الْمُغِيرَةِ قَالَ : كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ : أَنِ اكْتُبْ إِلَيَّ بِشَيْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَكَتَبَ إِلَيْهِ الْمُغِيرَةُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْهَى عَنْ قِيلَ وَقَالَ، وَإِضَاعَةِ الْمَالِ، وَكَثْرَةِ السُّؤَالِ، وَعَنْ مَنْعٍ وَهَاتِ، وَعُقُوقِ الأُمَّهَاتِ، وَعَنْ وَأْدِ الْبَنَاتِ .




২৯৭। মুগীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র সচিব ওয়াররাদ (রহঃ) বলেন, মুআবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মুগীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে লিখে পাঠান, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যে হাদীস তুমি শুনেছো তা আমাকে লিখে পাঠাও। মুগীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লিখেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুজব ছড়াতে, সম্পদ ধ্বংস করতে, অধিক যাঞ্চা করতে, অপরের প্রাপ্য অধিকার বাধাগ্রস্ত করতে, মাতাদের অবাধ্যাচারী হতে এবং কন্যা সন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করতে নিষেধ করেছেন (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (298)


حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُيَيْنَةَ قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ الْمُنْكَدِرِ، سَمِعْتُ جَابِرًا : مَا سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَيْءٍ قَطُّ فَقَالَ : لا .




২৯৮। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু প্রার্থনা করা হলে তিনি কখনো ‘না’ বলেননি (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (299)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ : سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ قَالَ : بَعَثَ إِلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَنِي أَنْ آخُذَ عَلَيَّ ثِيَابِي وَسِلاَحِي، ثُمَّ آتِيهِ، فَفَعَلْتُ فَأَتَيْتُهُ وَهُوَ يَتَوَضَّأُ، فَصَعَّدَ إِلَيَّ الْبَصَرَ ثُمَّ طَأْطَأَ، ثُمَّ قَالَ : يَا عَمْرُو، إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَبْعَثَكَ عَلَى جَيْشٍ فَيُغْنِمُكَ اللَّهُ، وَأَرْغَبُ لَكَ رَغْبَةً مِنَ الْمَالِ صَالِحَةً، قُلْتُ : إِنِّي لَمْ أُسْلِمْ رَغْبَةً فِي الْمَالِ، إِنَّمَا أَسْلَمْتُ رَغْبَةً فِي الإِسْلاَمِ فَأَكُونُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : يَا عَمْرُو، نِعْمَ الْمَالُ الصَّالِحِ لِلْمَرْءِ الصَّالِحِ .




২৯৯। আমর ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোক মারফত আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন পোশাকে ও অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হই। অতএব আমি তাই করলাম। আমি যখন তাঁর নিকট এসে উপস্থিত হলাম, তখন তিনি উযু করছিলেন। তিনি আমার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে গভীরভাবে দেখলেন, তারপর দৃষ্টি অবনত করে বলেনঃ হে আমর! আমি তোমাকে একটি বাহিনীর সেনাপতি নিয়োগ করে পাঠাতে চাচ্ছি, যাতে আল্লাহ তোমাকে গনীমতের অধিকারী করেন। আমি তোমার জন্য উৎকৃষ্ট মাল কামনা করি। আমি বললাম, আমি সম্পদের লোভে ইসলাম গ্রহণ করিনি। আমি ইসলামের আকর্ষণে মুসলিম হয়েছি, যাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে থাকতে পারি। তিনি বলেনঃ হে আমর! হা, উত্তম লোকের জন্যই উত্তম সম্পদ (মুসতাদরাক আল হাকিম, ইবনু হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (300)


حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مَرْحُومٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي شُمَيْلَةَ الأَنْصَارِيِّ الْقُبَائِيِّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ مِحْصَنٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ أَصْبَحَ آمِنًا فِي سِرْبِهِ، مُعَافًى فِي جَسَدِهِ، عِنْدَهُ طَعَامُ يَوْمِهِ، فَكَأَنَّمَا حِيزَتْ لَهُ الدُّنْيَا .




৩০০। উবায়দুল্লাহ ইবনে মিহসান আল-আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি নিরাপদে ও সুস্থ দেহে রাত কাটালো এবং তার নিকট সে দিনের খাবারও মওজুদ আছে, তাকে যেন গোটা দুনিয়াই দান করা হলো (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)।