হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1049)


وَعَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «يَا غُلَامُ! سَمِّ اللَّهَ, وَكُلْ بِيَمِينِكَ, وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5376)، ومسلم (2022)، عن عمر بن أبي سلمة قال: «كنت غلاما في حِجْر النبي -صلى الله عليه وسلم-، وكانت يدي تطيش في الصَّحْفَة، فقال لي رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: فذكره. وزاد البخاري: «فما زالت تلك طعمتي بعدُ




১০৪৯। ‘উমার ইবনু আবি সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন- হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলে ডান হাত দিয়ে আহার কর এবং তোমার নিকটবর্তী (স্থানের খাবার) থেকে খাও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩৭৭, ৫৩৭৮, ৫৩৭৫, মুসলিম ২০২২, আবূ দাউদ৩৭৭৭, ইবনু মাজাহ ৩২৬৭, আহমাদ ১৫৮৯৫, ১৫৯০২, মালেক ১৭৩৮, দারেমী ২০২৯, ২০৪৫।









বুলূগুল মারাম (1050)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أُتِيَ بِقَصْعَةٍ مِنْ ثَرِيدٍ، فَقَالَ: «كُلُوا مِنْ جَوَانِبِهَا, وَلَا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا, فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَهَذَا لَفْظُ النَّسَائِيِّ, وَسَنَدُهُ صَحِيحٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3772)، والنسائي في «الكبرى» (475)، والترمذي (1805)، وابن ماجه (3277) من طرق عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، به. وهو عند النسائي، وأبي داود، من رواية شعبة، عن عطاء، وهو ممن روى عنه قبل الاختلاط، ولذلك قال الحافظ: «سنده صحيح




১০৫০। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে একটি ‘পেয়ালায় করে সারিদ বা সুরুয়াতে ভিজানো রুটি আনা হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- তোমরা চতুর্দিক থেকে খাও, মধ্য থেকে খেওনা- কেননা বারকাত মধ্যেই অবতীর্ণ হয়। -শব্দ বিন্যাস নাসায়ীর; আর এর সানাদ সহীহ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৭৭২, তিরমিযী ১৮০৫, ইবনু মাজাহ ৩২৭৭, দারেমী ২০৪৫।









বুলূগুল মারাম (1051)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: مَا عَابَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - طَعَامًا قَطُّ, كَانَ إِذَا اشْتَهَى شَيْئًا أَكَلَهُ, وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5409)، ومسلم (2064)، واللفظ لمسلم




১০৫১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি প্ৰকাশ করেননি। ভাল লাগলে তিনি খেতেন এবং খারাপ লাগলে রেখে দিতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযীতে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্রে শ্বাস ফেলতে এবং ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। বুখারী ৫৪০৯, ৩৫৬৩, মুসলিম ২০৬৪, তিরমিযী ২০৩১, আর দাউদ ৩৭৬৩, ইবনু মাজাহ ৩২৫৯, আহমাদ ৯২২৩, ৯৭৯১, ৯৮৫৫।









বুলূগুল মারাম (1052)


وَعَنْ جَابِرٍ, عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تَأْكُلُوا بِالشِّمَالِ; فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِالشِّمَالِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2019) من طريق الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، به. أقول: وجَدِير بالذِّكْر أن رواية أبي الزبير، عن جابر صحيحة إذا كانت من طريق الليث، إذ قال رحمه الله: «قدمت مكة فجئت أبا الزبير، فدفع إليَّ كتابين، وانقلبت بهما، ثم قلت في نفسي: لو عاودته فسألته: أسمع هذا كله من جابر؟ فقال: منه ما سمعت، ومنه ما حدثناه عنه، فقلت له: أَعْلِمْ لي على ما سمعت فأَعَلَمَ لي على هذا الذي عندي




১০৫২। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- বাম হাতে খাবেনা, কেননা শয়তান বাম হাতে খেয়ে থাকে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২০১৯, ইবনু মাজাহ ৩২৬৮, আহমাদ ১৩৭০৪, ১৩৭৬৬, ১৪০৯৬, মালেক ১৭১১।









বুলূগুল মারাম (1053)


وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا شَرِبَ أَحَدُكُمْ, فَلَا يَتَنَفَّسْ فِي الْإِنَاءِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (153)، ومسلم (267) واللفظ للبخاري




১০৫৩। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ পান করবে। তখন যেন সে পাত্ৰে শ্বাস ত্যাগ না করে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৩, ১৫৪, ৫৬৩০, মুসলিম ২৬৭, তিরমিযী ১৫, ১৮৮৯, নাসায়ী ২৪, ২৫, ৪৭, আর দাউদ ৩১, ইবনু মাজাহ। ৩১০, আহমাদ ১৮৯২৭, ২২০১৬, দারেমী ৬৭৩।









বুলূগুল মারাম (1054)


وَلِأَبِي دَاوُدَ: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ نَحْوُهُ, وَزَادَ: «أَوْ يَنْفُخْ فِيهِ». وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3728)، والترمذي (1888) ولفظه: نهى رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أن يتنفس في الإناء، أو ينفخ فيه. وقال الترمذي: حديث حسن صحيح




১০৫৪। আবূ দাউদে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক হাদীসটি এরূপই, তবে এতে এ অংশটুকু বেশি আছে-‘পানীয় পাত্রে ফুঁ দেবে না। তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসের শেষে ইমাম বুখারী বৃদ্ধি করেছেন, বর্ণনাকারী আবূ কিলাবাহ ((রহঃ)) বলেন, আমি ইচ্ছে করলে বলতে পারতাম যে, আনাস (রাঃ) এ হাদীস রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। তিরমিযী ১৮৮৮, আর দাউদ ৩৭২৮, ইবনু মাজাহ ৩৪২৯।









বুলূগুল মারাম (1055)


عَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقْسِمُ, فَيَعْدِلُ, وَيَقُولُ: «اللَّهُمَّ هَذَا قَسْمِي فِيمَا أَمْلِكُ, فَلَا تَلُمْنِي فِيمَا تَمْلِكُ وَلَا أَمْلِكُ». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ, وَلَكِنْ رَجَّحَ التِّرْمِذِيُّ إِرْسَالَه

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2134)، والنسائي (7/ 64)، والترمذي (1140)، وابن ماجه (1971)، وابن حبان (1305)، والحاكم (2/ 187)، من طريق حماد بن سلمة، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، عن عائشة، به. وقال الترمذي: «حديث عائشة هكذا رواه غير واحد، عن حماد بن سلمة، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، عن عائشة؛ أن النبي -صلى الله عليه وسلم-. ورواه حماد بن زيد - وغير واحد - عن أيوب، عن أبي قلابة مرسلًا؛ أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يقسم. وهذا أصح من حديث حماد بن سلمة «. قلت: وبمثل ما أعلَّه الترمذي أعلَّه غير واحد من جهابذة الحفاظ كأبي زرعة، وابن أبي حاتم، كما تجده في «العلل» (1/ 425 / 1279)




১০৫৫। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফের সাথে (সব কিছু) সমানভাবে বণ্টন করতেন, অতঃপর বলতেন: হে আল্লাহ! এ হলো আমার সামৰ্থ্য অনুযায়ী আমার কাজ। যে বিষয়ে তোমার ক্ষমতা আছে, আমার সামৰ্থ্য নাই, সে বিষয়ে আমাকে তিরস্কার করো না। -ইবনু হিব্বান ও হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। কিন্তু তিরমিযী হাদীসটির মুরসাল হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৩৩, তিরমিযী ১১৪১, নাসায়ী ৩৯৪২, ইবনু মাজাহ ১৯৬৯, আহমাদ ৮৩৬৩, ৯৭৪০, দারেমী ২২০৬।









বুলূগুল মারাম (1056)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَتَانِ, فَمَالَ إِلَى إِحْدَاهُمَا, جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ مَائِلٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَسَنَدُهُ صَحِيحٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه أحمد (2/ 347 و 471)، وأبو داود (2133)، والنسائي (7/ 63)، والترمذي (1141)، وابن ماجه (1969) قلت: وقد أُعِلَّ بعلةٍ غريبةٍ لا تَقْدَحُ فيه، ولذلك صححه الحافظ كابن الجارود. وابن حبان. والحاكم. والذهبي. وابن دقيق العيد، وغيرهم




১০৫৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনmdash; যার দুজন স্ত্রী আছে, আর সে তাদের একজনের চেয়ে অপরজনের প্রতি বেশি ঝুকে পড়ে, সে ক্বিয়ামাতের দিন একদিকে বক্রভাবে ঝুঁকে থাকা অবস্থায় উপস্থিত হবে। এর সানাদ সহীহ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১৪০, নাসায়ী ৩৯৪৩, আর দাউদ ২১৩৪, ইবনু মাজাহ ১৯৭১, আহমাদ ২৪৫৮৭, দারেমী ২২০৭।

শাইখ আলবানী আবূ দাউদ গ্রন্থের (২১৩৪), ইরওয়াউল গালীল (২০১৮), এবং যায়ীফুল জামে (৪৫১৩) গ্ৰন্থত্রয়ে হাদীসটিকে যায়ীফ মন্তব্য করেছেন। ইমাম বুখারী ইলালুল কাবীর গ্রন্থের (১৬৫) তে বলেন হাদীসটি মুরসাল। বিন বায মাজমাউল ফাতাওয়া (২৪৩-২১) তে বলেন, হাদীসটি প্রমাণিত। ইমাম শাওকানী ফাতহুর কাদীর (৭৮১/১), ইমাম সুয়ূত্বী আল জামিউস সগীর (৭১২৭) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1057)


وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: مِنَ السُّنَّةِ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْبِكْرَ عَلَى الثَّيِّبِ أَقَامَ عِنْدَهَا سَبْعًا, ثُمَّ قَسَمَ, وَإِذَا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا, ثُمَّ قَسَمَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5214)، ومسلم (1461) من طريق أبي قلابة، عن أنس. وزاد البخاري: «قال أبو قلابة: ولو شئت لقلت: إن أنسا رفعه إلى النبي -صلى الله عليه وسلم». وهي بمعناها عند مسلم أيضا




১০৫৭। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত হচ্ছে, যদি কেউ বিধবা স্ত্রী থাকা অবস্থায় কুমারী বিয়ে করে তবে সে যেন তার সঙ্গে সাত দিন অতিবাহিত করে এবং এরপর পালা অনুসারে এবং কেউ যদি কোন বিধবাকে বিয়ে করে এবং তার ঘরে পূর্ব থেকেই কুমারী স্ত্রী থাকে তবে সে যেন তার সঙ্গে তিন দিন কাটায় এবং তারপর পালাক্রমে। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২১৩, ৫২১৪, মুসলিম ১৪৬১, তিরমিযী ১১৩৯, আবূ দাউদ২১২৩, ২১২৪, ইবনু মাজাহ ১৯১৬, আহমাদ ১১৫৪১, মালেক ১১২৪, দারেমী ২২০৯।









বুলূগুল মারাম (1058)


وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - لَمَّا تَزَوَّجَهَا أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا, وَقَالَ: «إِنَّهُ لَيْسَ بِكِ عَلَى أَهْلِكِ هَوَانٌ, إِنْ شِئْتِ سَبَّعْتُ لَكِ, وَإِنْ سَبَّعْتُ لَكِ سَبَّعْتُ لِنِسَائِي». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1460) (41)




১০৫৮। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, এটা সুন্নাত বা বিধিসম্মত হবে- যখন মানুষ কোন কুমারীকে অকুমারীর উপর বিয়ে বিয়ে করবে, তার সাথে সাত দিন অবস্থান করার পর তার স্ত্রীদের মধ্যে সভাবে পালা বণ্টন করবে। আর যখন কোন অকুমারীকে বিয়ে করবে তখন তার সাথে একাধিক্রমে তিন দিন অবস্থান করার পর তাদের পালা সমভাবে বণ্টন করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৬০, আর দাউদ ২১২২, ইবনু মাজাহ ১৯১৭, আহমাদ ২৫৯৬৫, ২৫৯৯০, মালেক ১১২৩, দারেমী ২২১০।









বুলূগুল মারাম (1059)


وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ سَوْدَةَ بِنْتَ زَمْعَةَ وَهَبَتْ يَوْمَهَا لِعَائِشَةَ, وَكَانَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَقْسِمُ لِعَائِشَةَ يَوْمَهَا وَيَوْمَ سَوْدَةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5212)، ومسلم (1463) واللفظ للبخاري




১০৫৯। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, সওদা বিনতে যামআহ (রাঃ) তাঁর পালার রাত ‘আয়িশা (রাঃ)-কে দান করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য দুদিন বরাদ্দ করেন- ‘আয়িশা (রাঃ)র দিন এবং সওদা (রাঃ)-র দিন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৯৪, ২৬৩৭, ২৬৬১, ২৬৬৮, ২৮৭৯, মুসলিম ১৪৪৫, ২৭৭০, আবূ দাউদ২১৩৮, ১৯৭০, ২৩৪৭, আহমাদ ২৪৩১৩, ২৪৩৩৮, ২৫০৯৫, দারেমী ২২০৮, ২৪২৩।

পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে :

حتى مات عندها قالت عائشة فمات في اليوم الذي كان يدور علي فيه في بيتي فقبضه الله وإن رأسه لبين نحري وسحري وخالط ريقه ريقي

তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার পালার দিনই আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে নিয়ে গেলেন এ অবস্থায় যে, আমার বুক ও গলার মাঝখানে তীর বুক ও মাথা ছিল এবং তাঁর মুখের লালা আমার মুখের লালার সঙ্গে মিশেছিল।









বুলূগুল মারাম (1060)


وَعَنْ عُرْوَةَ قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: يَا ابْنَ أُخْتِي! كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لَا يُفَضِّلُ بَعْضَنَا عَلَى بَعْضٍ فِي الْقَسْمِ مِنْ مُكْثِهِ عِنْدَنَا, وَكَانَ قَلَّ يَوْمٌ إِلَّا وَهُوَ يَطُوفُ عَلَيْنَا جَمِيعًا, فَيَدْنُو مِنْ كُلِّ امْرَأَةٍ مِنْ غَيْرِ مَسِيسٍ, حَتَّى يَبْلُغَ الَّتِي هُوَ يَوْمُهَا, فَيَبِيتَ عِنْدَهَا. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (6/ 107 - 108)، وأبو داود (2135)، والحاكم (2/ 186) وتمامه كما عند أبي داود: «ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أَسَنَّتْ، وفَرَقَتْ أن يفارقها رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: يا رسول الله! يومي لعائشة، فقبل ذلك رسول الله -صلى الله عليه وسلم- منها. قالت: نقول في ذلك: أنزل الله تعالى فيها وفي أشباهها - أراه قال: «وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا». قلت: وقوله: «من غير مسيس»، أي: من غير جماع، كما جاء في بعض الروايات: «بغير وقاع»، وإلا فاللمس والتقبيل لا شيء فيهما، وعلى ذلك أيضا تدل رواية أحمد، ففيها: «فيدنو ويلمس من غير مسيس




১০৬০। ‘উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন-হে আমার বোনের ছেলে, আমাদের নিকটে অবস্থান ব্যাপারে একজনকে অপরের উপরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনরূপ অধিক প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই যেতmdash; তিনি আমাদের সকলের নিকট আগমন ব্যতীত থাকতেন, অর্থাৎ সকলের নিকটে প্রায়ই আসতেন। আমাদেরকে তিনি স্পর্শ ব্যতীত সকলের নিকটবর্তী হতেন। অবশেষে যাঁর নিকটে রাত্রি যাপনের বারি (পাল) থাকতো তিনি তাঁর নিকটে উপস্থিত হয়ে রাত্রি যাপন করতেন।mdash;শব্দ বিন্যাস আবূ দাউদের; হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৫০, ২৬৯৪, ৪৬০১, ৫২০৬, মুসলিম ৩০২১, আবু দাউদ ২১৩৫।









বুলূগুল মারাম (1061)


وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا صَلَّى الْعَصْرَ دَارَ عَلَى نِسَائِهِ, ثُمَّ يَدْنُو مِنْهُنَّ. الْحَدِيثَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1474) (21)، وهو أيضا عند البخاري في مواطن منها (5268)، ولكن اللفظ لمسلم. فعلى عادة المصنف كان حقه - رحمه الله - أن يقول: متفق عليه واللفظ لمسلم




১০৬১। মুসলিমে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসর সালাত পড়ে তাঁর সকল স্ত্রীর নিকটে যেতেন, তাতে তিনি সকলের নিকটে উপস্থিত হতেন। (এটি একটি দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৯১২, ৫২৬৭, ৫২,৬৮, ৫৪৩১, ৫৫৯৯, ৫৬.১৪, ৬৬৯১, মুসলিম ১৪৭৪, তিরমিযী ১৮৩১, নাসায়ী ৩৪২১, ৩৭৯৫, ৩৯৫৮, ইবনু মাজাহ ৩৩২৩, আহমাদ ২৩৭৯৫, ২৫৩২৪, দারেমী ২০৭৫।









বুলূগুল মারাম (1062)


وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَسْأَلُ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ: «أَيْنَ أَنَا غَدًا?» , يُرِيدُ: يَوْمَ عَائِشَةَ, فَأَذِنَ لَهُ أَزْوَاجُهُ يَكُونُ حَيْثُ شَاءَ, فَكَانَ فِي بَيْتِ عَائِشَةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5217)، ومسلم (2443) واللفظ للبخاري، وتمامه عنده: «حتى مات عندها. قالت عائشة: فمات في اليوم الذي كان يدور عليَّ فيه في بيتي، فقبضه الله، وإن رأسه لبين نَحْرِي وسَحْرِي، وخالط رِيقُه ريقِي




১০৬২। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যে অসুখে ইন্তিকাল করেছিলেন, সেই অসুখের সময় জিজ্ঞেস করতেন, আগামীকাল আমার কার কাছে থাকার পালা? আগামীকাল আমার কার কাছে থাকার পালা? তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর পালার জন্য এরূপ বলতেন। সুতরাং উম্মাহাতুল মুমিনীন (স্ত্রীগণ) তাঁকে যার ঘরে ইচ্ছে থাকার অনুমতি দিলেন। অতঃপর তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর গৃহে অবস্থান করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮৯০, ১৩৮৯, ৩১০০, ৩৭৭৪, ৪৪৩৫, ৫২১৭, মুসলিম ২১৯২, ২৪৪৩, ২৪৪৪, তিরমিযী ৩৪৯৬, ইবনু মাজাহ ২৬২০, আহমাদ ২৩৬৯৬, ২৩৯৩৩, ২৪২৫৩, মালেক ৫৬২।









বুলূগুল মারাম (1063)


وَعَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا أَرَادَ سَفَرًا أَقْرَعَ بَيْنَ نِسَائِهِ, فَأَيَّتُهُنَّ خَرَجَ سَهْمُهَا, خَرَجَ بِهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2593)، ومسلم (2770) وهو طرف من حديث الإفك




১০৬৩। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরের মনস্থ করলে স্ত্রীগণের মধ্যে লটারি করতেন। যার নাম আসত তিনি তাঁকে নিয়েই সফরে বের হতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৯৩, ২৬৩৭, ২৬৬১, ২৬৮৮, ৪৭৪৯, ৪৭৫০, ৫২১২, মুসলিম ২৪৪৫, ২৭৭০, আবূ দাউদ ২১৩৮, ইবনু মাজাহ ১৯৭০, ২৩৪৭, আহমাদ ২৪৩৩৮, ২৪৩১৩, ২৫০৯৫, দারেমী ২২০৮, ২৪২৩।









বুলূগুল মারাম (1064)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَجْلِدُ أَحَدُكُمْ امْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5204)، وتمامه: «ثم يجامعها في آخر اليوم». قلت: وهو في البخاري ومسلم أيضا بلفظ آخر




১০৬৪। ‘আবদুল্লাহ বিন যামআহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কেউ নিজ স্ত্রীদেরকে গোলামের মত প্ৰহার করো না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২০৪, ৩৩৭৭, ৫৯৪২, ৬০৪২, মুসলিম ২৮৫৫, তিরমিযী ৩৩৪৩, ইবনু মাজাহ ১৯৮৩, আহমাদ ১৫৭৮৮, দারেমী ২২২০।

পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে : নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, لا يجلد أحدكم امرأته جلد العبد ثم يجامعها في آخر اليوم তোমরা কেউ নিজ স্ত্রীদেরকে গোলামের মত প্রহার করো না। কেননা, দিনের শেষে তার সঙ্গে তো মিলিত হবে।

ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওযায়েদ ৫/৭ গ্রন্থে বলেন, এর বর্ণনাকারীদের মধ্যে হাজ্জাজ বিন আরত্বআ নামক বর্ণনাকারী রয়েছে সে মুদাল্লিস।









বুলূগুল মারাম (1065)


عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ امْرَأَةَ ثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ أَتَتْ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ مَا أَعِيبُ عَلَيْهِ فِي خُلُقٍ وَلَا دِينٍ, وَلَكِنِّي أَكْرَهُ الْكُفْرَ فِي الْإِسْلَامِ, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَتَرُدِّينَ عَلَيْهِ حَدِيقَتَهُ?»، قَالَتْ: نَعَمْ. قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «اقْبَلِ الْحَدِيقَةَ, وَطَلِّقْهَا تَطْلِيقَةً». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ.
وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: وَأَمَرَهُ بِطَلَاقِهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (9/ 395 / فتح)




১০৬৫। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সাবিত ইবনু কায়স এর স্ত্রী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! চরিত্রগত বা দীনী বিষয়ে সাবিত ইবনু কায়সের উপর আমি দোষারোপ করছি না। তবে আমি ইসলামের ভিতরে থেকে কুফরী করা (অর্থাৎ স্বামীর সঙ্গে অমিল) পছন্দ করছি না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি তার বাগানটি ফিরিয়ে দেবে? সে বললঃ হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি বাগানটি গ্রহণ কর এবং মহিলাকে এক ত্বলাক (তালাক)্ব দিয়ে দাও।



বুখারীর অন্য বর্ণনায় এরূপ আছেndash; ‘নবী (রহঃ) তাঁকে তালাক দেয়ার জন্য আদেশ করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২৭৫, ৫২৭৭, নাসায়ী ৩৪৬৩, ইবনু মাজাহ ২০৫৬।

শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৭/১০৩ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে আল হাজ্জাজ বিন আরত্বাআ নামক বর্ণনাকারী রয়েছে, তিনি মুদাল্লিস, আন আন করে হাদীস বর্ণনা করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1066)


وَلِأَبِي دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيِّ وَحَسَّنَهُ: «أَنَّ امْرَأَةَ ثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ اخْتَلَعَتْ مِنْهُ, فَجَعَلَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - عِدَّتَهَا حَيْضَةً

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2229)، والترمذي (1185)، وقال الترمذي: هذا حديث حسن غريب




১০৬৬। আবূ দাউদও তিরমিযী-যা তিনি হাসান বলেছেন- এতে আছে যে, অবশ্য সাবিত বিন কায়েসের স্ত্রী সাবিতের নিকট থেকে খোলা তালাক গ্ৰহণ করেছিলেন। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাত্র এক হায়িয তাঁর ইদ্দতের ব্যবস্থা করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১৮৫, নাসায়ী ৩৪৯৮, ২০৫৮।

ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শরাহ ৫/৪ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ নিয়ে আলিমগণের মধ্যে মতানৈক্য বিদ্যমান যে, এটি মুরসাল নাকি মুত্তাসিল, আর এর অর্থগত দিক দিয়েও এটি মুনকার। শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ২১৭৮, ইরওয়াউল গালীল ২০৪০, সিলসিলা সহীহাহ ৫/১৮ গ্রন্থত্রয়ে একে দুর্বল বলেছেন, ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৭/২ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইয়াহইয়া বিন সুলাইম রয়েছে যাকে নিয়ে বির্তক রয়েছে। আর মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হাদীসের সানাদে উবাইদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালীদ আল ওয়াসাফী নামক দুর্বল বর্ণনাকারী রয়েছে। অপরপক্ষে ইমাম সুয়ূত্বী আল জামেউস সগীর ৫৩ গ্রন্থে, বিন বায মাজমুআ ফাতাওয়া ২৫/২৫৩ গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। বিন বায বুলুগুল মারামের হাশিয়া ৬১২ গ্রন্থে বলেনঃ এর সানাদ উত্তম ও শক্তিশালী, কোন সানাদে এটি মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হলেও সঠিক কথা হলো, এটি মুত্তাসিল।









বুলূগুল মারাম (1067)


وَفِي رِوَايَةِ عَمْرِوِ بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ عِنْدَ ابْنِ مَاجَهْ: أَنَّ ثَابِتَ بْنَ قَيْسٍ كَانَ دَمِيمًا وَأَنَّ امْرَأَتَهُ قَالَتْ: لَوْلَا مَخَافَةُ اللَّهِ إِذَا دَخَلَ عَلَيَّ لَبَسَقْتُ فِي وَجْهِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن ماجه (2507)، وفي سنده الحجاج بن أرطأة، وهو مدلس وقد عَنْعَنَ




১০৬৭। অন্য বর্ণনায় ‘আমর (রাঃ) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, সাবিত বিন কায়েস (রাঃ) কুৎসিত ছিলেন। ফলে তাঁর স্ত্রী বলেছিলেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আল্লাহর ভয় না থাকলে সাবিত যখন আমার নিকট আসে তখন অবশ্যই আমি তার মুখে থুথু নিক্ষেপ করতাম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২৫০৭। ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৫/৭ গ্রন্থে বলেন, এর বর্ণনাকারীদের মধ্যে হাজ্জাজ বিন আরত্বাআ নামক বর্ণনাকারী রয়েছে সে মুদাল্লিস।









বুলূগুল মারাম (1068)


وَلِأَحْمَدَ: مِنْ حَدِيثِ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ: وَكَانَ ذَلِكَ أَوَّلَ خُلْعٍ فِي الْإِسْلَامِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (4/ 3) وعلته كعلة سابقه




১০৬৮৷ সাহল বিন আবূ হাসমাহ থেকে আহমদে রয়েছে, সাবিত বিন কায়েসের ঘটনাটি ছিল ইসলামের ইতিহাসে প্রথম খোলা তালাক।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৫৬৬৩। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৭/১০৩ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে আল হাজ্জাজ বিন আরত্বাআ নামক বর্ণনাকারী রয়েছে, তিনি মুদাল্লিস, আন আন করে হাদীস বর্ণনা করেছেন।