হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1089)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: إِذَا مَضَتْ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وُقِفَ الْمُؤْلِي حَتَّى يُطَلِّقَ, وَلَا يَقَعُ عَلَيْهِ الطَّلَاقُ حَتَّى يُطَلِّقَ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5291)




১০৮৯. ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে ত্বলাক (তালাক)্ব দেয়া পর্যন্ত তাকে (ঈলাকারীকে) আটকে রাখা হবে। আর ত্বলাক (তালাক)্ব না দেয়া পর্যন্ত ত্বলাক (তালাক)্ব প্রযোজ্য হবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২৯১, মালেক ১১৮৪।









বুলূগুল মারাম (1090)


وَعَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ قَالَ: أَدْرَكْتُ بِضْعَةَ عَشَرَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - كُلُّهُمْ يَقِفُونَ الْمُولِي. رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الشافعي في «المسند» (2/ 42/ رقم 139)




১০৯০। সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি দশ জনেরও অধিক সাহাবীকে দেখেছি তারা (ঈলাকারীদেরকে) বিচারকের নিকট হাজির করেছেন। mdash;শাফেয়ী।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব তাঁর আল হাদীস (৪/১৬৬) গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন। নাসিরুদ্দীন আলবানী তীর ইরওয়াউল গালীল (২০৮৬) গ্রন্থে يقفون এর স্থলে يوقفون শব্দে একই বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ باب ضرب يضرب এর স্থলে باب إفعال এর সিগাহ ব্যবহার করেছেন। আর হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1091)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ إِيلَاءُ الْجَاهِلِيَّةِ السَّنَةَ وَالسَّنَتَيْنِ, فَوَقَّتَ اللَّهُ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ, فَإِنْ كَانَ أَقَلَّ مِنْ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ, فَلَيْسَ بِإِيلَاءٍ. أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البيهقي (7/ 381)




১০৯১। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, জাহিলিয়াতের যুগের ঈলা এক বৎসর ও দু বৎসর কাল দীর্ঘ হতো। আল্লাহ ঐ দীর্ঘ সময়কে চার মাস নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব যদি তা চার মাসের কম হয় তাহলে ঈলা বলে গণ্য হবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বাইহাকী (৭/৩৮১)। ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়েদ (৫/১৩) গ্রন্থে এ হাদীসটি সম্পর্কে বলেন, এর বর্ণনারীকারীগণ বুখারীর বর্ণনাকারী।









বুলূগুল মারাম (1092)


وَعَنْهُ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا; أَنَّ رَجُلًا ظَاهَرَ مِنِ امْرَأَتِهِ, ثُمَّ وَقَعَ عَلَيْهَا, فَأَتَى النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: إِنِّي وَقَعْتُ عَلَيْهَا قَبْلَ أَنْ أُكَفِّرَ, قَالَ: «فَلَا تَقْرَبْهَا حَتَّى تَفْعَلَ مَا أَمَرَكَ اللَّهُ». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَرَجَّحَ النَّسَائِيُّ إِرْسَالَهُ

وَرَوَاهُ الْبَزَّارُ: مِنْ وَجْهٍ آخَرَ, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَزَادَ فِيهِ: «كَفِّرْ وَلَا تَعُدْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2223)، والنسائي (667)، والترمذي (1199)، وابن ماجه (2065)، من طريق الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس. وقال الترمذي: «حديث حسن غريب صحيح». قلت: وهو حسن الإسناد من أجل الحكم بن أبان، وقد حسنه الحافظ نفسه في «الفتح» (9/ 433) وأما إعلال الحديث بالإرسال، كما قال النسائي في «السنن» (668)، وأبو حاتم في «العلل» (1/ 434307)، فهو مردود بقول ابن حزم في «المحلى» (10/ 55) «هذا خبر صحيح من رواية الثقات، لا يضره إرسال من أرسله». قلت: وما بعده أيضا يشهد له




১০৯২। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করে, অতঃপর তার সাথে সহবাস করে ফেলে। তারপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে বলল যে, আমি তো কাফফারা দেয়ার পূর্বেই আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,-আল্লাহর আদেশ পালন না করে স্ত্রীর নিকটে যেও না। -তিরমিযী সহীহ বলেছেন, নাসায়ী এর ইরসাল হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন।[1]



বাযযার অন্য সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তাতে অতিরিক্ত আছে- তুমি তোমার এ কাজের জন্য (কসম ভঙ্গের জন্যে) কাফফারা দাও, এরূপ আর করবে না।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২০৬৫, তিরমিযী ১১৯৯, নাসায়ী ৩৪৫৭, ৩৪৫৮, ৩৪৫৯, আবূ দাউদ২২২১, ২২২২।









বুলূগুল মারাম (1093)


وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ صَخْرٍ قَالَ: دَخَلَ رَمَضَانُ, فَخِفْتُ أَنْ أُصِيبَ اِمْرَأَتِي, فَظَاهَرْتُ مِنْهَا, فَانْكَشَفَ لِي مِنْهَا شَيْءٌ لَيْلَةً, فَوَقَعَتْ عَلَيْهَا, فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «حَرِّرْ رَقَبَةً» قُلْتُ: مَا أَمْلِكُ إِلَّا رَقَبَتِي. قَالَ: «فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ»، قُلْتُ: وَهَلْ أَصَبْتُ الَّذِي أَصَبْتُ إِلَّا مِنْ الصِّيَامِ? قَالَ: «أَطْعِمْ عِرْقًا مِنْ تَمْرٍ بَيْنَ سِتِّينَ مِسْكِينًا». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ الْجَارُودِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4/ 37)، وأبو داود (2213)، والترمذي (1198 و 3299)، وابن ماجه (2062)، وابن الجارود (744)، من طريق محمد بن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سليمان بن يسار، عن سلمة بن صخر، به. وقال الترمذي: «حديث حسن» ونقل إعلال البخاري له بالانقطاع بين سليمان بن يسار وبين سلمة. قلت: وأيضا ابن إسحاق مدلس. ولكنه جاء من طرق أخرى. رواه الترمذي (1200)، من طريق أبي سلمة. ومحمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن سلمة، به. وقال: «هذا حديث حسن». قلت: وفيه نفس العلة السابقة، وهي الانقطاع. ورواه أبو داود (2217)، وابن الجارود (745) بسند مرسل صحيح. والخلاصة أن الحديث بهذه الطرق، وشاهده السابق عن ابن عباس صحيح، خاصة وقد حسن الحافظ في «الفتح» (9/ 433) حديث سلمة هذا




১০৯৩৷ সালামাহ ইবনু সাখার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- রামাযান মাস এসে যাবার পর আমার মনে ভয়ের উদ্রেক হল যে, হয়তো আমি আমার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে বসব। অনন্তর আমি তার নিকটবর্তী হলাম। এমত অবস্থায় তার একটি অংশ (হাঁটুর নিম্নাংশ) রাত্রে আমার সামনে উম্মুক্ত হয়ে গেল; ফলে আমি তার উপরে পতিত হলাম অর্থাৎ সহবাস করে ফেললাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, একটি দাস মুক্ত কর। আমি বললাম, আমি দাসের মালিক নই।-কেবল আমি নিজেরই মালিক। তিনি বললেন,- একাদিক্ৰমে দুমাস সওম পালন কর। আমি বললাম, আমি সওম পালনের জন্যেই তো এ বিপদে পড়েছি। তিনি বললেন-তবে তুমি ষাট জন দরিদ্রকে এক অরাক বা ফারাক (আনুমানিক ৪৫ কেজি ওজনের) খেজুর খাইয়ে দাও। mdash;ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু জারূদ একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২২১৩, তিরমিযী ১২০০, ৩২৯৯, ইবনু মাজাহ ২০৬২, আহমাদ ২৩৮৮, দারেমী ২২৭৩।









বুলূগুল মারাম (1094)


عَنِ اِبْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَأَلَ فُلَانٌ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَرَأَيْتَ أَنْ لَوْ وَجَدَ أَحَدُنَا اِمْرَأَتَهُ عَلَى فَاحِشَةٍ, كَيْفَ يَصْنَعُ? إِنْ تَكَلَّمَ تَكَلَّمَ بِأَمْرٍ عَظِيمٍ, وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى مِثْلِ ذَلِكَ! فَلَمْ يُجِبْهُ, فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ أَتَاهُ, فَقَالَ: إِنَّ الَّذِي سَأَلْتُكَ عَنْهُ قَدِ ابْتُلِيتُ بِهِ, فَأَنْزَلَ اللَّهُ الْآيَاتِ فِي سُورَةِ النُّورِ, فَتَلَاهُنَّ عَلَيْهِ وَوَعَظَهُ وَذَكَّرَهُ، وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الْآخِرَةِ. قَالَ: لَا, وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا كَذَبْتُ عَلَيْهَا, ثُمَّ دَعَاهَا النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فَوَعَظَهَا كَذَلِكَ, قَالَتْ: لَا, وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَكَاذِبٌ, فَبَدَأَ بِالرَّجُلِ, فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ, ثُمَّ ثَنَّى بِالْمَرْأَةِ, ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1493) (4) وقد اختصره الحافظ هنا، وهو بتمامه في مسلم: من طريق سعيد بن جبير قال: سئلت عن المتلاعنين في إمرة مصعب. أيفرق بينهما؟ قال: فما دريت ما أقول: فمضيت إلى منزل ابن عمر بمكة. فقالت للغلام: استأذن لي. قال: إنه قائل. فسمع صوتي. قال: ابن جبير؟ قلت: نعم. قال: ادخل. فوالله ما جاء بك هذه الساعة إلا حاجة. فدخلت. فإذا هو مفترش بَرْذَعَةً. متوسد وسادة حشوها ليف. قلت: أبا عبد الرحمن! المتلاعنان، أيفرق بينهما؟ قال: سبحان الله! نعم. إن أول من سأل عن ذلك فلان بن فلان. قال: يا رسول الله! أرأيت أن لو وجد أحدنا امرأته على فاحشة، كيف يصنع؟! إن تكلم تكلم بأمر عظيم، وإن سكت سكت على مثل ذلك. قال: فسكت النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجبه، فلما كان بعد ذلك أتاه، فقال: إن الذي سألتك عنه قد ابتليت به. فأنزل الله عز وجل هؤلاء الآيات في سورة النور: «والذين يرمون أزواجهم…» [النور: 6 - 9] فتلاهن عليه، ووعظه، وذكّره. وأخبره أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة. قال: لا. والذي بعثك بالحق ما كذبت عليها. ثم دعاها فوعظها وذكّرها، وأخبرها أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة. قالت: لا. والذي بعثك بالحق إنه لكاذب. فبدأ بالرجل، فشهد أربع شهادات بالله إنه لمن الصادقين. والخامسة أن لعنة الله عليه إن كان من الكاذبين. ثم ثنى بالمرأة، فشهدت أربع شهادات بالله إنه لمن الكاذبين، والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين. ثم فرق بينهما




১০৯৪। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, অমুক ব্যক্তি (উআইমের ‘আজলানী) জিজ্ঞেস করে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি মনে করেন, আমাদের কেউ যদি তার স্ত্রীকে ব্যভিচারে লিপ্ত পায় তবে সে কি করবে? যদি সে এ কথা ফাঁস করে দেয় তাহলে তা বিরাট ব্যাপার হয়ে যাবে। আর যদি চুপ থেকে যায় তাহলে তাকে এরূপ বিরাট ব্যাপারে চুপ থাকতে হবে। (কথা শুনে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন উত্তর দিলেন না। এরপর আর একদিন সে এসে বললো, যে জিজ্ঞেস আমি আপনাকে করেছিলাম তাতেই আমি আজ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছি। অতঃপর আল্লাহ (এর সমাধানকল্পে) সূরা নূরের আয়াতগুলো অবতীর্ণ করলেন।



নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ঐসব আয়াত পড়ে শুনালেন এবং তাকে উপদেশ দিলেন ও জানালেন যে, পরকালের শাস্তি থেকে ইহকালের শাস্তি অনেক হালকা। উআইমের (রাঃ) বললেন- না, আপনাকে যিনি সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন তার শপথ আমি তার উপর মিথ্যা বলছি না। তারপর নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রীকে ডাকলেন, অনুরূপভাবে তাকে উপদেশ দিলেন। সে বললো না-সত্য সহকারে যে আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর শপথ। তিনি (আমার স্বামী) মিথ্যাবাদী। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষের চারটি সাক্ষী আল্লাহর শপথযোগে গ্ৰহণ আরম্ভ করলেন তারপর দ্বিতীয় পর্যায়ে মেয়েটির সাক্ষ্য আল্লাহর কসম যোগে চারবার গ্রহণ করে তাদের মধ্যের বিবাহবিচ্ছেদ করে দিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৭৪৮, ৫৩০৬, ৫৩১১, ৫৩১৩, ৫৩১২, ৫৩১৪, মুসলিম ১৪৯৩, ১৪৯৪, তিরমিযী ১২০২, ১২০৩, নাসায়ী ৩৪৭৩, ৩৪৭৪, ৩৪৭৫, আর দাউদ ২২৫৭, ইবনু মাজাহ ২০৬৯, আহমাদ ৪০০, ৪৪৬৩, ৪৫৭৩, মালেক ১২০২, দারেমী ২২৩১, ২২৩২।









বুলূগুল মারাম (1095)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَيْضًا - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لِلْمُتَلَاعِنَيْنِ: «حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ تَعَالَى, أَحَدُكُمَا كَاذِبٌ, لَا سَبِيلَ لَكَ عَلَيْهَا». قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَالِي قَالَ: «إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا, فَهُوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا, وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا, فَذَاكَ أَبْعَدُ لَكَ مِنْهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5350)، ومسلم (1493) (5) وهو إحدى روايات الحديث السابق




১০৯৫। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিআনকারী স্বামী-স্ত্রীকে বলেছিলেন, আল্লাহই তোমাদের হিসাব নিবেন। তোমাদের একজন মিথ্যাবাদী। তার (মহিলার) উপর তোমার কোন অধিকার নেই। সে বলল: হে আল্লাহর রসূল! আমার মাল! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যদি সত্যি কথা বলে থাক, তাহলে এ মাল তার লজ্জাস্থানকে হালাল করার বিনিময়ে হবে। আর যদি মিথ্যা বলে থাক, তবে এটা তুমি মোটেই চাইতে পার না, তুমি তো তার থেকে অনেক দূরে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৭৪৮, ৫৩০৬, ৫৩১১, ৫৩১২, ৫৩১৪, ৫৩১৩, ৫৩১৫, মুসলিম ১৪৯৩, ১৪৯৪, তিরমিযী ১২০৩, নাসায়ী ৩৪৭৩, ৩৪৭৪, আবূ দাউদ ২২৫৭, ২২৫৮, ২২৫৯, ইবনু মাজাহ ২০৬৯, আহমাদ ৪৪৬৩, মালেক ১২০২, দারেমী ২২৩১।









বুলূগুল মারাম (1096)


وَعَنِ أَنَسٍ, أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَبْصِرُوهَا, فَإِنْ جَاءَتْ بِهِ أَبْيَضَ سَبِطًا فَهُوَ لِزَوْجِهَا, وَإِنْ جَاءَتْ بِهِ أَكْحَلَ جَعْدًا, فَهُوَ الَّذِي رَمَاهَا بِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. وإن كان الحافظ - رحمه الله- وهم في عزوه، وتصرف في لفظه! فالحديث لم يروه البخاري. وإنما رواه مسلم (1496) ولفظه: من طريق محمد بن سيرين قال: سألت أنس بن مالك، وأنا أرى أن عنده منه علما. فقال: إن هلال بن أمية قذف امرأته بشريك بن سحماء، وكان أخا البراء بن مالك لأمه. وكان أول رجل لاعن في الإسلام. قال: فلاعنها. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أبصروها. فإن جاءت به أبيض سبطا قضيء العينين، فهو لهلال بن أمية. وإن جاءت به أكحل جعدا حمش الساقين، فهو لشريك بن سحماء». قال: فأنبئت أنها جاءت به أكحل، جعدا، حمش الساقين




১০৯৬। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (গর্ভবতী স্ত্রীকে অপবাদ দেয়া হলে) তোমরা মহিলার উপর লক্ষ্য রাখো, যদি সন্তান পূর্ণ সাদা ও সোজা (বাঁকা নয়) হয় তাহলে তা তার স্বামীরই হবে। আর যদি সন্তান সুৰমা মাখা চোখে ও কোঁকড়া চুলবিশিষ্ট (নিগ্রোদের) হয় তাহলে যার সাথে তার ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া হয়েছে সন্তানটি তার হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৯৬, নাসায়ী ৩৪৬৮, আহমাদ ১২০৪২।









বুলূগুল মারাম (1097)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَمَرَ رَجُلًا أَنْ يَضَعَ يَدَهُ عِنْدَ الْخَامِسَةِ عَلَى فِيهِ, وَقَالَ: «إِنَّهَا مُوجِبَةٌ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2255)، والنسائي (657)




১০৯৭। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক ব্যক্তিকে (লিআনের কসম করার সময়) ৫ম বারে তার হাত তার মুখে রাখবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর বলেছিলেন এটা (বিচ্ছেদকে ও মিথ্যাবাদীর শাস্তিকে) নিশ্চিতকারী। mdash;এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৭১, ৪৭৪৭, ৪৩০৭, আর দাউদ ২২৫৪, ২২৫৬, তিরমিযী ৩১৭৯, আবূ দাউদ২০৬৭, আহমাদ ২৪৬৪।









বুলূগুল মারাম (1098)


وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ -فِي قِصَّةِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ- قَالَ: فَلَمَّا فَرَغَا مِنْ تَلَاعُنِهِمَا قَالَ: كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنْ أَمْسَكْتُهَا, فَطَلَّقَهَا ثَلَاثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5308) ومسلم (1492) (1)




১০৯৮৷ সাহল বিন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি দুজন লিআন বা পরস্পর অভিশাপকারীর ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন, যখন তারা স্বামী-স্ত্রী তাদের লিআন কার্য সমাধান করলো তখন পুরুষটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছি বলে সাব্যস্ত হবেmdash;যদি আমি তাকে রেখে দিই। তারপর সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ লাভের পূর্বেই তার স্ত্রীকে তিন তালাক্ব দিয়ে দিল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩০, ৪৭৪৫, ৪৭৪৬, ৫২৫৯, ৫৩০৯, ৬৮৫৪, ৭১৬৫, মুসলিম ১৪৯২, নাসায়ী ৩৪০২, আর দাউদ ২২৪৫, ২২৪৮, ২২৫১, ইবনু মাজাহ ২০৬৬, আহমাদ ২২২৯৭, মালেক ১২০১ দারেমী ২২২৯। লি’আন করার সাথে সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ এমনিতেই সংঘটিত হয়ে যায়, তুলাক দেয়ার প্রয়াজন পড়েনা। সুতরাং সে লোকটি অজ্ঞতার কারণে যা করেছেন তা বিধিসম্মত হয়নি।









বুলূগুল মারাম (1099)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - أَنَّ رَجُلًا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: إِنَّ امْرَأَتِي لَا تَرُدُّ يَدَ لَامِسٍ. قَالَ: «غَرِّبْهَا». قَالَ: أَخَافُ أَنْ تَتْبَعَهَا نَفْسِي. قَالَ: «فَاسْتَمْتِعْ بِهَا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالْبَزَّارُ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ بِلَفْظٍ - قَالَ: طَلِّقْهَا. قَالَ: لَا أَصْبِرُ عَنْهَا. قَالَ: «فَأَمْسِكْهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2049)، والنسائي (6/ 67 - 68)، وقد ضعف الحديث أحمد بن حنبل، والنسائي، وابن الجوزي وغيرهم




১০৯৯। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে বলল, আমার স্ত্রী কোন স্পর্শকারীর হাতকে প্রত্যাখ্যান করে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে দূর করে দাও। সে বলল, আমি ভয় করছি আমার অন্তর তার বাসনায় ঝুঁকে থাকবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হলে তাকে উপভোগ করতে থাক। --রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।



ইমাম নাসায়ী অন্য সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে এরূপ শব্দে বর্ণনা করেছেন- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তাকে তালাক দাও, সে বললো, আমি তাকে ছেড়ে ধৈর্য ধারণ করতে পারব না, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে তাকে রেখে দাও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২০৪৯, নাসায়ী ৩২২৯, ৩৪৬৪, ৩৪৬৫। শাইখ আলবানী সহীহ আবূ দাউদ ২০৪৯ গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন, সহীহ নাসায়ী ৩৪৬৪ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1100)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ - حِينَ نَزَلَتْ آيَةُ الْمُتَلَاعِنَيْنِ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ أَدْخَلَتْ عَلَى قَوْمٍ مَنْ لَيْسَ مِنْهُمْ, فَلَيْسَتْ مِنَ اللَّهِ فِي شَيْءٍ, وَلَنْ يُدْخِلَهَا اللَّهُ جَنَّتَهُ, وَأَيُّمَا رَجُلٍ جَحَدَ وَلَدَهُ -وَهُوَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ- احْتَجَبَ اللَّهُ عَنْهُ, وَفَضَحَهُ اللَّهُ عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2263)، والنسائي (679 - 80)، وابن ماجه (2743)، وابن حبان (1335)




১১০০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি দুজন লিআনকারী সম্বন্ধে কুরআনের আয়াত নাযিল হবার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, যে নারী কোন সম্প্রদায়ের সাথে এমন বাচ্চাকে শামিল করে যে তাদের নয়, তার সাথে আল্লাহর কোন সম্পর্ক নেই এবং তিনি কখনো তাকে জান্নাতে প্রবেশ করবেন না। আর যে পুরুষ নিজের সন্তানকে চিনতে পেরেও অস্বীকার করলো, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার থেকে আড়ালে থাকবেন এবং সমস্ত সৃষ্টিকুলের সামনে তাকে অপমান করবেন। mdash;ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ৩/৩০৫ গ্রন্থে বলেন: আবদুল্লাহ বিন ইউনুস সাঈদ আল মাকবুরী থেকে একই বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস ছাড়া আবদুল্লাহর অন্য কোন হাদীস পাওয়া যায় না। সুতরাং এর বিশুদ্ধতার বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ ২২৬৩, যঈফ নাসায়ী ৩৪৮১ গ্রন্থদ্বয়ে একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1101)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: مَنْ أَقَرَّ بِوَلَدٍ طَرْفَةَ عَيْنٍ, فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَنْفِيَهُ. أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَهُوَ حَسَنٌ مَوْقُوفٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه البيهقي في «الكبرى» (7/ 411 - 412) وفي سنده مجالد بن سعيد ضعفه غير واحد، وقال الحافظ نفسه في «التقريب»: ليس بالقوي، وقد تغير في آخر عمره




১১০১। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন সন্তানের প্রতি তার সন্তান হবার স্বীকৃতি এক মুহুর্তের জন্য দান করবে। সে তার ঐ স্বীকৃতিকে আর অস্বীকার করতে পারবে না। mdash;এ হাদীস হাসান ও মাওকূফ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বাইহাকী আল কুবরা ৭ম খণ্ড ৪১১-৪১২ পৃষ্ঠা, এর সানাদে মাজালিদ ইবনু সাঈদ রয়েছে, যাকে অনেকে যঈফ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত তাকরীবুত তাহযীব গ্রন্থে বলেছেন, তিনি শক্তিশালী বৰ্ণনাকারী নন, শেষ বয়সে তাঁর পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল।









বুলূগুল মারাম (1102)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ امْرَأَتِي وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ قَالَ: «هَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَمَا أَلْوَانُهَا?» قَالَ: حُمْرٌ. قَالَ: «هَلْ فِيهَا مَنْ أَوْرَقَ»، قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَأَنَّى ذَلِكَ»، قَالَ: لَعَلَّهُ نَزَعَهُ عِرْقٌ. قَالَ: «فَلَعَلَّ ابْنَكَ هَذَا نَزَعَهُ عِرْقٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: وَهُوَ يُعَرِّضُ بِأَنْ يَنْفِيَهُ -, وَقَالَ فِي آخِرِهِ: وَلَمْ يُرَخِّصْ لَهُ فِي الِانْتِفَاءِ مِنْهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5305)، ومسلم (1500)




১১০২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্ত্রী একটি কাল রং-এর পুত্ৰ সন্তান প্রসব করেছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কিছু উট আছে কি? সে জবাব দিল হাঁ। তিনি বললেন, সেগুলোর রং কেমন? সে বললা: লাল। তিনি বললেন: সেগুলোর মধ্যে কোনটি ছাই বর্ণের আছে কি? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে সেটিতে এমন রং কোথেকে এলো। লোকটি বলল: সম্ভবত পূর্ববর্তী বংশের কারণে এমন হয়েছে। তিনি বললেন: তাহলে হতে পারে, তোমার এ সন্তানও বংশগত কারণে এমন হয়েছে।[1]



মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে- (সে তার সন্তানের রং কালো বলে অভিযোগ করার পর) সন্তানকে অস্বীকার করার ইঙ্গিত করেছিল। আর রাবী হাদীসের শেষাংশে বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তানটিকে অস্বীকার করার অবকাশ তাকে দেননি।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৪৭, ৭৩১৪, মুসলিম ১৫০০ ২১২৮, নাসায়ী ৩৪৭৮, ৩৪৭৯, আবূ দাউদ২২৬০, ইবনু মাজাহ ২০০২, আহমাদ ৭১৪১, ৭৭০২।









বুলূগুল মারাম (1103)


عَنْ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ سُبَيْعَةَ الْأَسْلَمِيَّةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - نُفِسَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ, فَجَاءَتْ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَاسْتَأْذَنَتْهُ أَنْ تَنْكِحَ, فَأَذِنَ لَهَا, فَنَكَحَتْ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَأَصْلُهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ
وَفِي لَفْظٍ: أَنَّهَا وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَرْبَعِينَ لَيْلَةً
وَفِي لَفْظٍ لِمُسْلِمٍ: قَالَ الزُّهْرِيُّ: وَلَا أَرَى بَأْسًا أَنْ تَزَوَّجَ وَهِيَ فِي دَمِهَا, غَيْرَ أَنَّهُ لَا يَقْرَبُهَا زَوْجُهَا حتَّى تَطْهُرَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5320)
روى البخاري (5318)، ومسلم (1485)، عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم؛ أن امرأة من أسلم يقال لها سُبيعة، كانت تحت زوجها، توفي عنها وهي حبلى، فخطبها أبو السنابل بن بعكك، فأبت أن تَنكحه، فقال: والله ما يصلح أن تَنكحيه حتى تعتدِّي آخر الأجَلَيْن، فمكثت قريبا من عشر ليال، ثم جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «انكحي». واللفظ للبخاري. وروى أيضا البخاري (5319)، ومسلم (1484)، وعن سبيعة نفسها أنها سألت النبي صلى الله عليه وسلم؟ فقالت: أفتاني إذا وضعت أن أنكح. واللفظ للبخاري. ولفظ مسلم: فأفتاني بأني قد حللت حين وضعت حملي. وأمرني بالتزوج إن بدا لي




১১০৩। মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সুবায়আ আসলামীয়া তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বিয়ে করার অনুমতি প্রার্থনা করে, তিনি তাকে অনুমতি দেন। তখন সে বিয়ে করে।[1]



এর মূল হাদীস বুখারী ও মুসলিম-এ রয়েছে।[2] তাতে আছেmdash;তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ৪০ রাত পর সন্তান প্রসব করেছিলেন।



আর মুসলিমের শব্দে এসেছেmdash; যুহরী (তাবিঈ) বলেছেনঃ রক্তস্রাব হওয়া অবস্থায় বিবাহ হওয়াতে আমি ত্রুটি মনে করি না, কিন্তু পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত স্বামী যেন তার নিকটবর্তী না হয়।[3]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩২০, নাসায়ী ৩৫০৬, ইবনু মাজাহ ২০২৯, আহমাদ ১৮৪৩৮, মালেক ১২৫২।

[2] বুখারীতে রয়েছে।

عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم؛ أن امرأة من أسلم يقال لها سُبيعة، كانت تحت زوجها، توفي عنها وهي حبلى، فخطبها أبو السنابل بن بعكك، فأبت أن تَنكحه، فقال: والله ما يصلح أن تَنكحيه حتى تعتدِّي آخر الأجَلَيْن، فمكثت قريبا من عشر ليال، ثم جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال: انكحي

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আসলাম গোত্রের সুবায়’আ নামের এক স্ত্রীলোককে তার স্বামী গর্ভাবস্থায় রেখে মারা যায়। এরপর আবূ সানাবিল ইবনু বা’কাক প্রচণ্ড তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মহিলা তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। সে (আবূ সানাবিল) বলল : আল্লাহর শপথ! দু’টি মেয়াদের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অনুসারে ইদ্দাত পালন না করা পর্যন্ত তোমার জন্য অন্যত্র বিয়ে করা-জায়িয হবে না। এর প্রায় দশ দিনের মধ্যেই সে সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলে তিনি বললেন : এখন তুমি বিয়ে করতে পার। (বুখারী ৪৯০৯)

[3] মুসলিম ৩৮৮৪।









বুলূগুল মারাম (1104)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: أُمِرَتْ بَرِيرَةُ أَنْ تَعْتَدَّ بِثَلَاثِ حِيَضٍ. رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ, لَكِنَّهُ مَعْلُولٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن ماجه (2077)، وصححه البوصيري في الزوائد




১১০৪। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরাহ নাম্নী দাসীকে তিন হায়িয ইদ্দত পালনের জন্য হুকুম করা হয়েছিল। mdash;বৰ্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য কিন্তু এর সানাদে কিছু সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২০৭৭।

[বারীরা আযাদ হওয়ার পর তাঁর দাস স্বামী হতে বিবাহ বিচ্ছেদ করার অনুমতি লাভ করে এবং সে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলে তাকে স্বাধীনা মেয়েদের ন্যায় তিন ঋতু ইদ্দাত পালনের জন্য আদেশ করা হয়।]









বুলূগুল মারাম (1105)


وَعَنْ الشَّعْبِيِّ, عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ, - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا: «لَيْسَ لَهَا سُكْنَى وَلَا نَفَقَةٌ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1480) (44)




১১০৫। শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি ফাতিমাহ বিনতে কায়েস (রাঃ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিন তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর জন্য কোন বাসস্থান ও খোর-পোষের ব্যবস্থা নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে আরো রয়েছে-

مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول

তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ অথবা তিন বার বললেন, না। তিনি আরও বললেন, এতো মাত্র চার মাস দশ দিনের ব্যাপার। অথচ জাহিলী যুগে এক মহিলা এক বছরের মাথায় বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত।

মুসলিম ১৪৮০, তিরমিযী ১১৩৫, ১১৮০, নাসায়ী ৩২২২, ৩২৩৭, ৩২৪৪, আর দাউদ ২২৮৪, ২২৮৮, ২২৮৯, ইবনু মাজাহ ১৮৬৯, ২০২৪, ২০৩৫, আহমাদ ২৬৭৭৫, ২৬৭৭৮; মালেক ১২৩৪, দারেমী ২১৭৭, ২২৭৪।









বুলূগুল মারাম (1106)


وَعَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: لَا تَحِدَّ امْرَأَةٌ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا, وَلَا تَلْبَسْ ثَوْبًا مَصْبُوغًا, إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ, وَلَا تَكْتَحِلْ, وَلَا تَمَسَّ طِيبًا, إِلَّا إِذَا طَهُرَتْ نُبْذَةً مِنْ قُسْطٍ أَوْ أَظْفَارٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَهَذَا لَفْظُ مُسْلِمٍ
وَلِأَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ مِنْ الزِّيَادَةِ: وَلَا تَخْتَضِبْ
وَلِلنَّسَائِيِّ: وَلَا تَمْتَشِطْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (313)، ومسلم (2127/ رقم66)
(2) - ووقع في «أ»: «ولا تخطب»، وجاء على هامش هذه النسخة: قوله: «ولا تخطب» كذا في الأصل، والظاهر أنه تصحيف، والصحيح: «لا تختضب» كما هو ثابت في النسخة المصححة المقروءة على مشايخ. قلت: وهو الذي في «الأصل» وفي سنن أبي داود أيضا




১১০৬। উম্মু আতীয়্যাহ থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা যেন কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক প্রকাশে না করে। তবে স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন শোক প্রকাশ করতে পারবে এবং রঙ্গীন কাপড় পরবে না, তবে রঙ্গীন সুতোর কাপড় পরতে পারবে, সুরমা ব্যবহার করবে না, সুগন্ধি দ্রব্য লাগাবে না। তবে পবিত্রতা অর্জনের জন্য কিছু কুস্ত বা আযফার সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে। এ শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।



আবূ দাউদও নাসায়ীতে অতিরিক্তভাবে আছে-‘খেযাব (মেহেদী) ব্যবহার করবে না। আর নাসায়ীতে আছে চিরুনী লাগবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২৭৮, ১২৭৯, ৫৩৪০, ৫৩৪১, মুসলিম ৯৩৮, নাসায়ী ৩৫৩৪, আর দাউদ ২৩০২, ইবনু মাজাহ ২০৮৭, আহমাদ ২০২৭০, ২৬৭৫৯, দারেমী ২২৮৬।









বুলূগুল মারাম (1107)


وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: جَعَلْتُ عَلَى عَيْنِي صَبْرًا, بَعْدَ أَنْ تُوُفِّيَ أَبُو سَلَمَةَ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهُ يَشِبُ الْوَجْهَ, فَلَا تَجْعَلِيهِ إِلَّا بِاللَّيْلِ, وَانْزِعِيهِ بِالنَّهَارِ, وَلَا تَمْتَشِطِي بِالطِّيبِ, وَلَا بِالْحِنَّاءِ, فَإِنَّهُ خِضَابٌ». قُلْتُ: بِأَيِّ شَيْءٍ أَمْتَشِطُ? قَالَ: «بِالسِّدْرِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2305)، والنسائي (604 - 205)، من طريق مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال: سمعت المغيرة بن الضحاك يقول: أخبرتني أم حكيم بنت أسيد، عن أمها أن زوجها توفي وكانت تشتكي عينها، فتكتحل الجلاء، فأرسلت مولاة لها إلى أم سلمة، فسألتها عن كحل الجلاء؟ فقالت: لا تكتحل إلا من أمر لا بد منه، دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفي أبو سلمة، وقد جعلت على عيني صبرا ... الحديث. قلت: وهذا سند ضعيف. مخرمة لم يسمع من أبيه، والضحاك ومن فوقه مجاهيل، وأيضا فيه نكارة لمخالفته للحديث الصحيح التالي. والله أعلم




১১০৭। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার স্বামী আবূ সালামাহর ইনতিকাল হবার পর আমি আমার চোখে ‘মুসব্বর লাগিয়ে ছিলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতে তো চেহারাকে লাবণ্য দান করে, ফলে তুমি এটা রাত্র ব্যতীত লাগাবে না, আর দিনের বেলায় তাকে অপসারিত করবে, আর সুগন্ধি দ্বারা কেশ বিন্যাস করবে না এবং মেহেদী লাগবে না। কেননা এটা হচ্ছে খিযাব।



উম্মু সালামাহ বলেন, আমি বললাম, তবে আমি কোন বস্তু দিয়ে চিরুনী করব? তিনি বললেন, কুলের পাতা দিয়ে। -এর সানাদ হাসান।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৫৩৭ আর দাউদ ২৩০৫। শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী (৩৫৩৯) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল (৪/১৬৩) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আল মুগীরা ইবনুন যাহাহাক রয়েছেন যার পরিচয় জানা যায় না। ইমাম শাওকানী তাঁর নাইলুল আওত্বার (৭/৯৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আল মুগীরা ইবনুয যাহহাক রয়েছেন যার সম্পর্কে আবদুল হক ও আল মুনযিরী বলেন, তিনি মাজহুলুল হাল অর্থাৎ তার সম্পর্কে কোন কিছু জানা যায় না।









বুলূগুল মারাম (1108)


وَعَنْهَا; - أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ ابْنَتِي مَاتَ عَنْهَا زَوْجُهَا, وَقَدِ اشْتَكَتْ عَيْنَهَا, أَفَنَكْحُلُهَا قَالَ: «لَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5336)، ومسلم (1488)، وزادا: «مرتين أو ثلاثا. كل ذلك يقول: لا. ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما هي أربعة أشهر وعشر، وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول




১১০৮। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। তার চোখে অসুখ। আমি কি তার চোখে সুরমা লাগাতে পারব? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩৩৯, ৫৭০৭, মুসলিম ১৪৮৯, ১৪৮৮, তিরমিযী ১১৯৭, ৩৫০১, নাসায়ী ৩৫০১, ৩৫০২