বুলূগুল মারাম
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا جَلَسَ بَيْنَ شُعَبِهَا الْأَرْبَعِ, ثُمَّ جَهَدَهَا, فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
زَادَ مُسْلِمٌ: وَإِنْ لَمْ يُنْزِلْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (291)، ومسلم (348)
১০৯। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর চার শাখার (অঙ্গের) মধ্যে বসবে (সঙ্গমে লিপ্ত হবে) তখন তার পক্ষে গোসল ফরয হবে।[1]” মুসলিম এ কথাটি বর্ধিত করেছেনঃ “যদিও শুক্রপাত না হয়।”[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৯১; মুসলিম ৩৪৮
[2] এ হাদীসটিও সহীহ
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ; أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ - وَهِيَ امْرَأَةُ أَبِي طَلْحَةَ - قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحِي مِنَ الْحَقِّ, فَهَلْ عَلَى الْمَرْأَةِ الْغُسْلُ إِذَا احْتَلَمَتْ? قَالَ: «نَعَمْ. إِذَا رَأَتِ الْمَاءَ». الْحَدِيثَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (282)، ومسلم (313)، وزاد مسلم: «فقالت أم سلمة: يا رسول الله! وتحتلم المرأة؟ فقال: تربت يداك! فبم يشبهها ولدها». وزاد في رواية أخرى: «قالت: قلت: فضحت النساء
(ملاحظة): هذا الحديث لا يوجد في الأصل وأشار ناسخ «أ» إلى أنه من نسخة، مع العلم بأن الحديث ذكر في متن «أ»، وليس بالهامش
১১০ ৷ উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আবূ তালহাহ এর স্ত্রী উম্মু সুলাইম বলেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ হক কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন না, নারীর উপরও কি গোসল ফরয হবে। যদি তার ইহতিলাম (স্বপ্নদোষ) হয়ে থাকে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, যদি সে পানি (কাপড়ে বা দেহে বীর্যের চিহ্ন) দেখে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৮২, মুসলিম ৩১৩। মুসলিম এতে বৃদ্ধি করেছেন فقالت أم سلمة: يا رسول الله! وتحتلم المرأة؟ فقال: تربت يداك! فبم يشبهها ولدها অতঃপর উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েদেরও স্বপ্নদোষ হয়? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার হাত ধূলায় ধূষরিত হোক! তবে কিসে সন্তান তার সদৃশ হয়? অন্য এক বর্ণনায় আরো বৃদ্ধি করেছেন, তা হচ্ছে قالت: قلت: فضحت النساء উম্মু সালামাহ বলেনঃ আমি বললাম, আর মহিলারা হেসে ফেললো।
وَعَنْ أَنَسِ [بْنِ مَالِكٍ]- رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ- قَالَ: «تَغْتَسِلُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
زَادَ مُسْلِمٌ: فَقَالَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ: وَهَلْ يَكُونُ هَذَا? قَالَ: «نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
عزوه للمتفق عليه وهم الحافظ -رحمه الله- إذا الحديث لم يروه البخاري
تحرف في «الأصلين» إلى «أم سلمة» وما أثبته من صحيح مسلم
صحيح. رواه مسلم (311) وهو بتمامه: عن أنس بن مالك؛ أن أم سليم سألت نبي الله صلى الله عليه وسلم: عن المرأة ترى في منامها ما يرى الرجل؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا رأت ذلك المرأة فلتغتسل» فقالت أم سليم: واستحييت من ذلك. قالت: وهل يكون هذا؟ فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم: نعم. فمن أين يكون الشبه. إن ماء الرجل غليظ أبيض. وماء المرأة رقيق أصفر. فمن أيهما علا أو سبق يكون منه الشبه
১১১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মেয়েরাও যদি স্বপ্নে (যৌন মিলন) দেখে যা পুরুষরা দেখে থাকে তাহলে তার সম্বন্ধে বলেছেন, (শুক্রের চিহ্ন দেখতে পেলে) “তাকে গোসল করতে হবে।” (মুত্তাফাকুন আলাইহ)[1]
মুসলিমে অতিরিক্ত আছেঃ “অতঃপর উম্মু সালামাহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, “এটা কি হয়! (অর্থাৎ স্বপ্নে কি মেয়েদের বীর্য নির্গত হয়?” তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হাঁ, হয়। নচেৎ সন্তান কিভাবে (মেয়েদের) সাদৃশ্য হয়ে থাকে?”[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার আসকালানী ভুল বশতঃ মুত্তাফাকুন আলাইহি বলেছেন। কেননা এ হাদীসটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেননি।
[2] মুসলিম ৩১১ হাদীসটির পুরোটাই বৰ্ণনা করেছেন। তা হচ্ছে- আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, উম্মু সালামাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলেন, কোন মহিলা যদি স্বপ্নে পুরুষেরা যেরকম দেখে থাকে সেরকম দেখে তাহলে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন নারী যদি এরকম কিছু দেখে তবে সে গোসল করবে। অতঃপর উম্মু সুলাইম বলেন, আমি এ কথায় লজ্জা পেয়ে গেলাম। রাবী বলেন, উম্মু সুলাইম বললেন, এটা কি করে সম্ভব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, অবশ্যই সম্ভব। তাহলে সন্তান-সন্ততি পিতামাতার সদৃশ হয়ে থাকে কোত্থেকে? পুরুষের বীর্য গাঢ় এবং সাদা এবং নারীর বীর্য হালকা এবং হলদে বর্ণের। নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে যার বীর্য শক্তিশালী হয় বা পূর্বে জরায়ুতে প্রবেশ করে সন্তান তার সদৃশ হয়ে থাকে।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يَغْتَسِلُ مِنْ أَرْبَعٍ: مِنَ الْجَنَابَةِ, وَيَوْمَ الْجُمُعَةِ, وَمِنَ الْحِجَامَةِ, وَمِنْ غُسْلِ الْمَيِّتِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (348)، وابن خزيمة (256)، والحديث عند أبي داود من فعله، وعند ابن خزيمة من قوله
১১২। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি কারণে গোসল দিতেন। জুনুবী (সঙ্গমের ফলে অপবিত্র) হলে, জুমুআহর দিবসে, সিঙ্গা লাগালে ও মৃতকে গোসল দিলে। আবূ দাউদ, ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আবু দাউদ ৩৪৮; ইবনু খুযাইমাহ ২৫৬; আব্দুর রহমান মুবারকপুরী তুহফাতুল আহওয়ায়ী (৩/৪২৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম সানয়ানী সুবুলুস সালাম (১/৩৩৩) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে মুসয়াব বিন শাইবাহ রয়েছে যিনি বিতর্কিত। শায়খ আলবানী যঈফ আবু দাউদ ৩৪৮, সুনান আবু দাউদ ৩১৬০ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। মুহাদ্দিস আযীমাবাদী তাঁর আওনুল মা’বুদ (৮/২৪৩) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী আত্-তালখীসুল হাবীর (২/৫৮৭) গ্রন্থে এর শাহেদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। শায়খ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (৫১৬) গ্রন্থে এর সনদ সম্পর্কে বলেন, এটি মুসলিমের শর্তনুযায়ী।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ ثُمَامَةَ بْنِ أُثَالٍ, عِنْدَمَا أَسْلَم - وَأَمَرَهُ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَغْتَسِلَ. رَوَاهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ
وَأَصْلُهُ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. وهو في «مصنف عبد الرازق» (6/ 9 - 10/ 9834) وفيه: فأمره أن يغتسل فاغتسل
البخاري (4372)، ومسلم (1764) من حديث أبي هريرة أيضا، وفيه: «فانطلق -أي: ثمامة- إلى نخل قريب من المسجد، فاغتسل
১১৩। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) কর্তৃক সুমামাহ বিন উসাল (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনায় বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইসলাম আনয়নের সময় গোসল দেয়ার আদেশ করেছিলেন। আবদুর রাযযাক[1] এর মূল বক্তব্য বুখারী ও মুসলিমে আছে।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসান্নিফ আব্দুর রাযযাক (৬/৯-১০/৯৮৩৪)। তাতে আছে فأمره أن يغتسل فاغتسل তাঁকে গোসল করার নির্দেশ করলেন। ফলে সে গোসল করলো।
[2] বুখারী ৪৩৭২, মুসলিম ১৭৬৪ এটিও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাতে আছে فانطلق -أي: ثمامة- إلى نخل قريب من المسجد، فاغتسل ফলে তিনি তথা সুমামাহ মসজিদের নিকটবর্তী কোন খেজুর বাগানে গেলেন এবং গোসল করলেন।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «غُسْلُ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ». أَخْرَجَهُ السَّبْعَةُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (879)، ومسلم (846)، وأبو داود (341)، والنسائي (3/ 92)، وابن ماجه (1089)، وأحمد (3/ 60) «تنبيه»: وهم الحافظ رحمه الله في عزوه الحديث للترمذي
১১৪। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘প্ৰত্যেক সাবালেগ মুসলিমের জন্য জুমুআহর দিন গোসল করা ওয়াজিব।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮৭৯; মুসলিম ৮৪৬; আবু দাউদ ৩৪১; নাসায়ী ৩/৯২; ইবনু মাজাহ ১০৮৯; আহমাদ ৩/৬০; হাফেজ ইবনু হাজার হাদীসটিকে তিরমিযীর সাথে সম্পর্কিত করে ভুল করেছেন। এ হাদীসে গোসল ফরয হওযার বিধান পরবর্তি হাদীসের কারণে আর ওয়াজিব থাকে নি। তবে এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
وَعَنْ سَمُرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَوَضَّأَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَبِهَا وَنِعْمَتْ, وَمَنِ اغْتَسَلَ فَالْغُسْلُ أَفْضَلُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (354)، والترمذي (497)، والنسائي (3/ 94)، وأحمد (51 و 15 و 22)، وقال الترمذي: «حديث حسن». قلت: وعزو الحافظ الحديث للخمسة وهم منه رحمه الله إذ الحديث ليس عند ابن ماجه، عن سمرة، وإنما عنده عن أنس. انظر «الجمعة وفضلها» لأبي بكر المروزي (31 بتحقيقي) والحافظ نفسه عزاه في «الفتح» لأصحاب السنن الثلاثة
১১৫। সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন উযূ করবে সে ভালোই করবে। আর যে ব্যক্তি গোসল দিবে সে আরও উত্তম কাজ করল। তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। আবু দাউদ ৩৫৪; তিরমিযী ৪৯৭; নাসায়ী ৩/৯৪; আহমাদ ১৫, ২২, ৫১। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান।
وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُقْرِئُنَا الْقُرْآنَ مَا لَمْ يَكُنْ جُنُبًا. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَهَذَا لَفْظُ التِّرْمِذِيِّ وَحَسَّنَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (229)، والنسائي (144)، والترمذي (146)، ابن ماجه (594)، وأحمد (1/ 83)، وابن حبان (799) ولبعضهم ألفاظ أخر
১১৬। ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কুরআন পড়াতেন, জুনুবী হওয়ার আগ পর্যন্ত। এ শব্দ বিন্যাস তিরমিযীর আর তিনি একে হাসান বলে মন্তব্য করেছেন এবং ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আবু দাউদ ২২৯; নাসায়ী ১৪৪; তিরমিযী ১৪৬; ইবনু মাজহ ৫৯৪; আহমাদ ৬২৮; ইবনু হিব্বান '৭৯৯ ইমাম যাহাবী মীযানুল ইতিদাল (২/৪৩১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ আল হামাদানী রয়েছে যার বিষয়ে মুহাদ্দিসগণ সমালোচনা করেছেন।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ أَهْلَهُ, ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيَتَوَضَّأْ بَيْنَهُمَا وُضُوءًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
زَادَ الْحَاكِمُ: فَإِنَّهُ أَنْشَطُ لِلْعَوْدِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (308)
مستدرك الحاكم (152) وهي زيادة صحيحة أيضا
১১৭। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের পর পুনরায় সঙ্গমের ইচ্ছা করবে। সে যেন উভয় সঙ্গমের মাঝে একবার উযূ করে।[1]
আর হাকিম এ কথাটি বৃদ্ধি করেছেনঃ “পুনর্মিলনের জন্য এটা (উযূ করা) তৃপ্তিদায়ক”।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৩০৮।
[2] মুসতাদরাক হাকিম। ১৫২; বর্ধিত অংশটুকুও সহীহ। সহীহ তিরমিযী ১৪১।
وَلِلْأَرْبَعَةِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَنَامُ وَهُوَ جُنُبٌ, مِنْ غَيْرِ أَنْ يَمَسَّ مَاءً. وَهُوَ مَعْلُولٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (228) والنسائي في «الكبرى»، والترمذي (118 و 119)، وابن ماجه (583) وأما عن تعليل من أعله فتفصيل ذلك في «الأصل» إذ ليست كل علة تقدح في صحة الحديث. وانظر أيضا «ناسخ الحديث ومنسوخه» لابن شاهين (129) بتحقيقي
১১৮। আর ৪ জনে (আবূ দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। তিনি (‘আয়িশা) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সময় পানি ব্যবহার না করেও জুনুবী (গোসল ফরয) অবস্থায় ঘুমাতেন। হাদীসটি মালুল (ত্রুটিযুক্ত)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ ২২৪; নাসায়ী তাঁর আস-সুনানুল কুবরায়; তিরমিযী ১১৮, ১১৯; ইবনু মাজাহ ৫৮৩
وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ, ثُمَّ يُفْرِغُ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ, فَيَغْسِلُ فَرْجَهُ, ثُمَّ يَتَوَضَّأُ, ثُمَّ يَأْخُذُ الْمَاءَ, فَيُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي أُصُولِ الشَّعْرِ, ثُمَّ حَفَنَ عَلَى رَأْسِهِ ثَلَاثَ حَفَنَاتٍ, ثُمَّ أَفَاضَ عَلَى سَائِرِ جَسَدِهِ, ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (248)، ومسلم (316)، وبما أن المؤلف ساق لفظ مسلم فعنده بعد قول: «أصول الشعر» إضافة وهي قولها: حتى إذا رأى أن قد استبرأ
১১৯। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফরয গোসল করতেন তখন প্রথমে দু হাত ধুয়ে নিতেন। অতঃপর তাঁর ডান হাত দ্বারা বাম হাতে পানি ঢেলে তাঁর গুপ্তাঙ্গ ধৌত করতেন। তারপর উযূ করতেন। তারপর গোসলের জন্য পানি নিতেন এবং হাতের আঙ্গুলসমূহ মাথার চুলের গোড়ায় প্রবেশ করাতেন। তারপর তাঁর মাথায় তিন আঁজলা পানি ঢালতেন। তারপর সমস্ত শরীরে পানি বইয়ে ধুতেন, তারপর পা ধুতেন। মুক্তাফাকুন আলাইহি। আর শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৮; মুসলিম ৩১৬
وَلَهُمَا فِي حَدِيثِ مَيْمُونَةَ: ثُمَّ أَفْرَغَ عَلَى فَرْجِهِ, فَغَسَلَهُ بِشِمَالِهِ, ثُمَّ ضَرَبَ بِهَا الْأَرْضَ
وَفِي رِوَايَةٍ: فَمَسَحَهَا بِالتُّرَابِ
وَفِي آخِرِهِ: ثُمَّ أَتَيْتُهُ بِالْمِنْدِيلِ، فَرَدَّهُ, وَفِيهِ: وَجَعَلَ يَنْفُضُ الْمَاءَ بِيَدِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري، (249)، وانظر أطرافه، ومسلم (317)
১২০। বুখারী, মুসলিমেই মায়মুনাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ “তারপর (হাত ধোয়ার পর) তার গুপ্তাঙ্গে পানি ঢাললেন ও বাম হাত দিয়ে তা ধুয়ে নিলেন, তারপর মাটিতে হাত ঘষে মেজে নিলেন।”
অন্য রিওয়ায়াতে আছে, “মাটিতে হাত মাজলেন।” এই বর্ণনার শেষাংশে আছে, “আমি [আয়িশা (রাঃ)] তাকে একখানা রুমাল এগিয়ে দিলাম। কিন্তু তিনি তা ফেরত দিয়ে দিলেন। এতে আরো আছে, ‘এবং তিনি (তার চুলের পানি) হাত দ্বারা ঝাড়তে লাগলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৯; মুসলিম ৩১৭
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي اِمْرَأَةٌ أَشُدُّ شَعْرَ رَأْسِي, أَفَأَنْقُضُهُ لِغُسْلِ الْجَنَابَةِ? وَفِي رِوَايَةٍ: وَالْحَيْضَةِ? فَقَالَ: «لَا, إِنَّمَا يَكْفِيكِ أَنْ تَحْثِي عَلَى رَأْسِكِ ثَلَاثَ حَثَيَاتٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (330)، وزاد: ثم تفيضين عليك الماء فتطهرين
১২১। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! ‘আমি এমন নারী যে, মাথার চুল শক্তভাবে বেঁধে রাখি এবং আমি জানাবাতের (অন্য বর্ণনায়) হায়িয (থেকে পবিত্র হওয়ার) গোসলের সময় চুলের বেণী কি খুলে ফেলব? তিনি বললেন, ‘না, বরং মাথায় তিন আজলা পানি ঢালাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৩৩০; মুসলিম বৃদ্ধি করেছেন: ثم تفيضين عليك الماء فتطهرين অতঃপর তুমি তোমার উপর পানি ঢেলে দিবে এবং পবিত্রতা অর্জন করবে।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي لَا أُحِلُّ الْمَسْجِدَ لِحَائِضٍ وَلَا جُنُبٍ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (232)، وابن خزيمة (1327)
১২২। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি হায়িযা ও যৌন অপবিত্র ব্যক্তির (জুনুবী পুরুষ হোক বা নারী) জন্য মসজিদে অবস্থান বৈধ করিনি। ইবনু খুযাইমাহ সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আবু দাউদ ২৩২; ইবনু খুযাইমাহ ১৩২৭। শায়খ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (১/২১০ হাঃ ১২৪) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে যাসারাহ বিন দাযজহ রয়েছে যাকে ইমাম বুখারী (আত-তারীখুল কাবীর ২/৬৭) যঈফ বলেছেন। সনদে তাকে নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। আলবানী তাঁর যঈফুল জামে (৬১১৭) ও তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (৪৪০) গ্রন্থে এর সনদকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাযাম তাঁর মুহাল্লা (২/১৮৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আফলাত রয়েছে যে প্ৰসিদ্ধ নয় এবং বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত নয়।
وَعَنْهَا قَالَتْ: كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ, تَخْتَلِفُ أَيْدِينَا فِيهِ مِنَ الْجَنَابَةِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
زَادَ ابْنُ حِبَّانَ: وَتَلْتَقِي
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (261)، ومسلم (321) (45)، وليس عند البخاري لفظه: من الجنابة
ابن حبان برقم (1111) وسندها صحيح، إلا أن الحافظ في «الفتح» (1/ 373) مال إلى أنها مدرجة
১২৩। আয়িশা (রাঃ) থেকেই বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র (এর পানি) থেকে জানবাতের (ফরয) গোসল করতাম, তাতে আমাদের পরস্পরের হাত পাত্রের মধ্যে আসা যাওয়া করতো”।[1]
ইবনু হিব্বানে অতিরিক্ত শব্দ এসেছে : আমাদের দুজনের হাত পরস্পরের হাতকে স্পর্শ করতো।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬১; মুসলিম ৪৫, ৩২১; বুখারীর বর্ণনায় من الجنابة শব্দ নেই।
[2] ইবনু হিব্বান (১১১১) এর সনদ সহীহ। তবে ইবনু হাজার তাঁর ফাতহুল বারীতে হাদীসটি মুদরাজ হওয়ার পক্ষাবলম্বন করেছেন।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: إِنَّ تَحْتَ كُلِّ شَعْرَةٍ جَنَابَةً, فَاغْسِلُوا الشَّعْرَ, وَأَنْقُوا الْبَشَرَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَضَعَّفَاهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه أبو داود (248)، والترمذي (106)
১২৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘প্রত্যেক চুলের গোড়ায় নাপাকী থাকে। অতএব তোমরা (ফরয গোসলের সময়) চুলসমূহ (ভালভাবে) ধুয়ে নাও ও চামড়া পরিষ্কার করো। আবূ দাউদ ও তিরমিযী একে বর্ণনা করে যঈফ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুনকার। আবু দাউদ ২৪৮; ইমাম আবু দাউদ বলেন, এর সনদে হারেস বিন ওয়াযীহ রয়েছে যার হাদীস মুনকার আর সে দুর্বল। তিরমিযী ১০৬ বলেন, তার হাদীস গরীব। তিনি তেমন কোন শায়খ নন। ইবনু হাযম তার আল-মুহাল্লা (২/২৩২), ইবনু আব্দুল বার আত-তামহীম (২২/৯৯), ইমাম সানিয়ানী সুবুলুস সালাম (১/১৪৪) ইমাম বায়হাকী আল খিলাফিয়াহ (২/২৪১) গ্রন্থে উক্ত হাদীসকে মুনকার ও রাবীকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। মুহাদ্দিস আযীমাবাদী গায়াতুল মাকসুদ (২/৩৪৩), শায়খ আলবানী যঈফ ইবনু মাজাহ হাঃ ১১৮ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন ।
وَلِأَحْمَدَ عَنْ عَائِشَةَ نَحْوُهُ, وَفِيهِ رَاوٍ مَجْهُولٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (654)
১২৫। এবং আহমদে ‘আয়িশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত আর হাদীসে এইরূপই রয়েছে, কিন্তু তাতে একজন মাজহুল (অপরিচিত) বর্ণনাকারী আছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ, আহমাদ ৬৫৪
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ أَحَدٌ قَبْلِي: نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ, وَجُعِلَتْ لِي الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا, فَأَيُّمَا رَجُلٍ أَدْرَكَتْهُ الصَّلَاةُ فَلْيُصَلِّ». وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (335)، ومسلم (521) وتمامه: «وأحلت لي المغانم ولم تحل لأحد قبلي، وأعطيت الشفاعة، وكان النبي يبعث إلى قومه خاصة، وبعثت إلى الناس عامة» والسياق للبخاري. تنبيه: هكذا الحديث في الأصل دون ذكر من أخرجه وكتب بالهامش: لعله سقط متفق عليه
১২৬। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় দান করা হয়েছে, যা আমার পূর্বে কাউকেও দেওয়া হয়নি।
(১) আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যে, একমাস দূরত্বেও তা প্রতিফলিত হয়;
(২) সমস্ত যমীন আমার জন্য পবিত্র ও সালাত আদায়ের উপযোগী করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কোন লোক ওয়াক্ত হলেই সালাত আদায় করতে পারবে যে কোন স্থানে। অতঃপর রাবী পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৩৫, মুসলিম ৫২১ পরিপূর্ণ হাদিসটি হচ্ছেঃ وأحلت لي المغانم ولم تحل لأحد قبلي، وأعطيت الشفاعة، وكان النبي يبعث إلى قومه خاصة، وبعثت إلى الناس عامة “আমার জন্য গনীমতের মাল হালাল করা হয়েছে যা আমার পূর্বে কোন (নবীর জন্য) করা হয়নি। আমাকে শাফায়াতের অধিকার দেয়া হয়েছে। প্রত্যেক নবীগণ তাঁদের নির্দিষ্ট জাতির উপর নাযিল হতেন। অথচ আমি সাধারণভাবে সকল মানুষের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
وَفِي حَدِيثِ حُذَيْفَةَ عِنْدَ مُسْلِمٍ: وَجُعِلَتْ تُرْبَتُهَا لَنَا طَهُورًا, إِذَا لَمْ نَجِدِ الْمَاءَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (522)، وأوله: «فضلنا على الناس بثلاث: جعلت صفوفنا كصفوف الملائكة، وجعلت ... » الحديث
১২৭। মুসলিমে হুযাইফাহ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, “পানি না পাওয়া গেলে তদস্থলে মাটিকে আমাদের জন্য পবিত্রকারী করা হয়েছে।”[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৫২২
وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - عِنْدَ أَحْمَدَ: «وَجُعِلَ التُّرَابُ لِي طَهُورًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (763) وتمام لفظه: أعطيت ما لم يعط أحد من الأنبياء» فقلنا: يا رسول الله! ما هو؟ قال: نصرت بالرعب، وأعطيت مفاتيح الأرض، وسميت: أحمد، وجعل التراب لي طهورا، وجعلت أمتي خير الأمم
১২৮। আহমাদে ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমার জন্য মাটিকে পবিত্রকারী করা হয়েছে। [1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। আহমাদ ৭৬৩; হাদিসটির পূর্ণ রুপ এইঃ أعطيت ما لم يعط أحد من الأنبياء» فقلنا: يا رسول الله! ما هو؟ قال: نصرت بالرعب، وأعطيت مفاتيح الأرض، وسميت: أحمد، وجعل التراب لي طهورا، وجعلت أمتي خير الأمم আমাকে যা দেয়া হয়েছে তা পূর্ববতী কোন নবীকেই দেয়া হয়নি। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটা কী জিনিস? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমাকে ভীতিসঞ্চারকারী প্ৰতাপ দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, জমীনের ধনভাণ্ডারসমূহের চাবিকাঠি আমাকে দেয়া হয়েছে, আমার নাম রাখা হয়েছে আহমাদ, আমার জন্য মাটিকে পবিত্রকারী করা হয়েছে এবং আমার উম্মতকে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে ভূষিত করা হয়েছে।