বুলূগুল মারাম
وَعَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ لِي النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «خُذِ الْإِدَاوَةَ». فَانْطَلَقَ حَتَّى تَوَارَى عَنِّي, فَقَضَى حَاجَتَهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (363)، ومسلم (274) (77)
৮৯। মুগীরাহ বিন শুবা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘পানির পাত্রটি নাও, তারপর তিনি সামনে চলতে থাকলেন এবং আমার দৃষ্টির আড়ালে গিয়ে প্রয়োজন পূর্ণ করলেন”।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ বুখারী (৩৬৩); মুসলিম (৭৭, ২৭৪)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «اتَّقُوا اللَّاعِنِينَ: الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ, أَوْ فِي ظِلِّهِمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (269)
৯০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘দুটি (লানত) তথা অভিশাপ বর্ষণকারী কাজ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখ- (১) যে মানুষ চলাচলের রাস্তায় বা (২) (বিশ্রাম করার) ছায়াতে পায়খানা করা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ মুসলিম (৩৬৯)
زَادَ أَبُو دَاوُدَ, عَنْ مُعَاذٍ: وَالْمَوَارِدَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. أي بلفظ: «والموارد» وباقيه صحيح. رواه أبو داود (26) ولفظه: «اتقوا الملاعن الثلاث: البراز في الموارد، وقارعة الطريق، والظل
৯১। আবূ দাউদ মুআয (রাঃ) এর বরাতে “(পুকুর, নদীর) ‘ঘাটে শব্দটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ অর্থাৎ موارد এ শব্দটি যঈফ। আর অবশিষ্ট অংশটুকু সহীহ। আবু দাউদ (২৬); আবু দাউদের শব্দগুলো হচ্ছেঃ “তিনটি অভিশাপের কাজ থেকে মুক্ত থাকঃ পানিতে নামার স্থানে (ঘাটে), জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় ও ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করা হতে”।
وَلِأَحْمَدَ; عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: «أَوْ نَقْعِ مَاءٍ». وَفِيهِمَا ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (2715)
৯২। আহমাদ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, ‘পানি আবদ্ধ থাকে এমন ক্ষেত্রে (পায়খানা করা নিষেধ)। এ দুটি সানাদের মধ্যেই দুর্বলতা আছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আহমাদ ২৭১৫, ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১১৭) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে (প্রসিদ্ধ দুর্বল বর্ণনাকারী) ইবনু লাহিয়া রয়েছেন, আর ইবনু আব্বাস থেকে কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন তা স্পষ্ট নয়। শাইখ আলবানী সহীহুল জামে (১১৩) গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন। সহীহ তারাগীব (১৪৭) গ্রন্থে একে হাসান লিগাইরিহী বলেছেন। ইরওয়াউল গালীল (১/১০১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ হাসান হতো যদি এর সনদে যার নাম উল্লেখ হয়নি, তিনি যদি না থাকতেন। ইমাম সুয়ুতী তার আল জামেউস সগীর (১৪০) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ (৪/২৫৩) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন।
وَأَخْرَجَ الطَّبَرَانِيُّ النَّهْيَ عَنْ تَحْتِ الْأَشْجَارِ الْمُثْمِرَةِ, وَضَفَّةِ النَّهْرِ الْجَارِي. مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه الطبراني بتمامه في «الأوسط» كما في مجمع البحرين (349)، وفي «الكبير» الشطر الأخير منه كما في مجمع الزوائد
৯৩। আর তাবারানী বর্ণনা করেছেনঃ ফলদার গাছ-পালার নীচে ও প্রবহমান নদী নালার কিনারায় পায়খানা করা নিষেধ। ইবনু ‘উমার (রাঃ)-র বর্ণিত এ হাদীসটির সানাদ যঈফ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুনকার । পূর্ণ হাদীসটি তাবারানী তাঁর মুজামুল আওসাতে বর্ণনা করেছেন। যেমনটি রয়েছে মাযমা'আল বাহরাইন (৩৪৯); আর মুজামুল কাবীরে এর শেষাংশ বর্ণিত হয়েছে; যেমন বর্ণিত হয়েছে মাযমাউয যাওয়ায়েদে (১০৪), ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১১৭) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ফুরাত বিন সায়িব নামক একজন মাতরূক বর্ণনাকারী রয়েছেন।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا تَغَوَّطَ الرَّجُلَانِ فَلْيَتَوَارَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَنْ صَاحِبِهِ, وَلَا يَتَحَدَّثَا، فَإِنَّ اللَّهَ يَمْقُتُ عَلَى ذَلِكَ». رَوَاهُ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ السَّكَنِ, وَابْنُ الْقَطَّانِ, وَهُوَ مَعْلُولٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف
৯৪। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘দুব্যক্তি যখন এক সঙ্গে পায়খানা করতে বসবে তখন একে অপরকে দেখতে না পাওয়া যায় সে জন্য আড়াল করে বসে। আর যেন তারা পরস্পর বাক্যআলাপ না করে। কেননা আল্লাহ তাআলা এতে অত্যন্ত নাখোশ হন। আহমাদ আর ইবনু সাকান ও ইবনু কাত্তান একে সহীহ বলেছেন। হাদীসটি মালুল (ত্রুটিপূর্ণ)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম (৫/২৬০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ উত্তম। ইবনুল মুলকিন তাঁর তুহফাতুল মুহিতায (১/১৬৪) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি সহীহ অথবা হাসান। শাইখ আলবানী সিলসিলা সহীহাহ (৩১২০) গ্রন্থে এর সনদেক হাসান বলেছেন।
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يُمْسِكَنَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ, وَهُوَ يَبُولُ, وَلَا يَتَمَسَّحْ مِنَ الْخَلَاءِ بِيَمِينِهِ, وَلَا يَتَنَفَّسْ فِي الْإِنَاءِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (153)، ومسلم (267) (63)
৯৫। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যেন প্ৰসাব করার সময় তার লিঙ্গ কখনও ডান হাতে না ধরে। শৌচ করতে সময় যেন ডান হাত ব্যবহার না করে আর পানি পান করার সময় যেন পানপত্রে শ্বাস না ছাড়ে”। শব্দ মুসলিমের।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৩; মুসলিম ৬৩, ২৬৭।
وَعَنْ سَلْمَانَ - رضي الله عنه - قَالَ: لَقَدْ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ, أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِالْيَمِينِ, أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِأَقَلَّ مِنْ ثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ, أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِرَجِيعٍ أَوْ عَظْمٍ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (262) قيل لسلمان: قد علمكم نبيكم صلى الله عليه وسلم كل شيء حتى الخراءة. قال: أجل. لقد نهانا ... الحديث
৯৬। সালমান (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন: আমরা পায়খানা বা প্ৰসাব করার সময় যেন কিবলাহমুখী না হই, ডান হতে সৌচ কর্ম না করি, তিন খানা পাথরের কমে ইস্তেঞ্জা না করি, আর গোবর ও হাড় ইস্তেঞ্জার কাজে যেন ব্যবহার না করি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৬২; সালমান (রাঃ) কে বলা হলো তোমাদের নবী তোমাদেরকে সবকিছুই শিক্ষা দেয় এমনটি পেশাব পায়খানার নিয়মও। তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন......।
وَلِلسَّبْعَةِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي أَيُّوبَ - رضي الله عنه: «لَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلَا بَوْلٍ, وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (144 و 394)، ومسلم (264)، وأبو داود (9)، والنسائي (12 - 23)، الترمذي (8)، وابن ماجه (318)، وأحمد (5/ 414 و 416 و 417 و 421)
৯৭। সাত জনে (আহমাদ, বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ) আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) হতে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন, যাতে রয়েছে, ‘তোমরা কিবলাহকে (কাবা ঘরকে) পায়খানা বা প্রস্রাবের সময় সামনে পিছনে রাখবে না বরং পূর্ব বা পশ্চিমে (ডান বা বাম) রাখবে। (উল্লেখ্য মদীনাবাসীদের কিবলাহ দক্ষিণে।)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৪৪, ৩৯৪; মুসলিম ২৬৪; আবু দাউদ ৯; নাসায়ী ১২-২৩; তিরমিযী ৮; ইবনু মাজাহ। ৩১৮; আহমাদ ৫/৪১৪, 8১৬, ৪১৭, ৪২১
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ أَتَى الْغَائِطَ فَلْيَسْتَتِرْ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. ووهم الحافظ في نسبته لعائشة رضي الله عنها، وإنما الحديث لأبي هريرة عند أبي داود (35)
৯৮। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি পায়খানায় যাবে সে নিজকে যেন পৰ্দা (আড়াল) করে নেয়। আবূ দাউদ [1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। শায়খ আলবানী তাঁর সিলসিলা যঈফাহ (১০২৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত্-তালখীসুল হাবীর (১/১৪৯) গ্রন্থে এ হাদীসের বর্ণনাকারী আবু সা'দ আল-জিবরানী আল-হিমসী ব্যাপারে বিতর্কের কথা বলেছেন। বলা হয়ে থাকে যে তিনি সাহাবী, কিন্তু কথাটি ঠিক নয়। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার (১/৯৩) গ্রন্থে উক্ত রাবীর বিতর্কিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তাকে মাজহুল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
وَعَنْهَا; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ الْغَائِطِ قَالَ: «غُفْرَانَكَ». أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ، وَصَحَّحَهُ أَبُو حَاتِمٍ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (30)، والترمذي (7)، وابن ماجه (300)، والنسائي في «عمل اليوم والليلة» (79)، وأحمد (655)، وابن حبان (1444)، والحاكم (185)، من حديث عائشة رضي الله عنها
৯৯। [আয়িশা (রাঃ)] থেকেই বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা করে বের হওয়ার সময় বলতেন, গুফরানাকা (তোমার নিকট ক্ষমা চাইছি)- আবূ হাতিম ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন।[1] পাঁচজনে বর্ণনা করেছেন।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসটিকে আয়িশাহ (রাঃ) এর সম্পর্কিত করে ইবনু হাজার ভুল করেছেন। হাদীসটি মূলতঃ আবু হুরাইরা হতে আবু দাউদে (৩৫) বর্ণিত।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَتَى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - الْغَائِطَ, فَأَمَرَنِي أَنْ آتِيَهُ بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ, فَوَجَدْتُ حَجَرَيْنِ, وَلَمْ أَجِدْ ثَالِثًا. فَأَتَيْتُهُ بِرَوْثَةٍ. فَأَخَذَهُمَا وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ, وَقَالَ: «هَذَا رِكْسٌ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
زَادَ أَحْمَدُ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ: ائْتِنِي بِغَيْرِهَا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (156)
رواه أحمد (1/ 450)، والدارقطني (1/ 55) واللفظ للدارقطني، وأما لفظ أحمد، فهو: «ائتني بحجر». وهي زيادة صحيحة
১০০। ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা করার স্থানে এসে আমাকে তিনটি পাথর আনাতে বললেন। আমি দুটি পাথর পেলাম; তৃতীয়টি পেলাম না। তাই আমি তাকে (তৃতীয়টির স্থলে) এক টুকরো শুকনো গোবর দিলাম। তিনি পাথর দুখানা নিয়ে গোবরখানা ফেলে দিলেন এবং বললেন, ‘এটি নোংরা।[1] আহমাদ ও দারাকুৎনীঃ “এর বদলে অন্য কিছু নিয়ে এস।” কথাটি বৃদ্ধি করেছেন[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৬, ৩৮৫৯, মুসলিম ৪৫০, তিরমিযী ১৭, নাসায়ী ৩৯, ইবনু মাজাহ ৩১৪
[2] আহমাদ (৩৬৭৭); দারাকুতনী (১/৫৫); হাদীসের শব্দ ইমাম দারাকুতনীর। আর ইমাম আহমাদ (রহঃ) এর শব্দ হচ্ছে ائتني بحجر এটা অতিরিক্ত এবং সহীহ।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَهَى أَنْ يُسْتَنْجَى بِعَظْمٍ, أَوْ رَوْثٍ، وَقَالَ: «إِنَّهُمَا لَا يُطَهِّرَانِ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَصَحَّحَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الدارقطني (1/ 56/9) وقال: إسناد صحيح. وفي «الأصل» رد على تعليل ابن عدي للحديث
১০১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, ‘এ দুটি বস্তু (কোন কিছুকে) পবিত্র করতে পারে না। দারাকুৎনী সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ১/৯/৫৬ এবং তিনি বলেছেন হাদীসের সনদটি সহীহ।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «اسْتَنْزِهُوا مِنَ الْبَوْلِ, فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الدارقطني (128/ 7)، وله ما يشهد له
১০২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা প্রসাবের ছিটা হতে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখো। কেননা, সাধারণতঃ কবরের ‘আযাব এর কারণেই হয়ে থাকে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ৭/১২৮
وَلِلْحَاكِمِ: «أَكْثَرُ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنَ الْبَوْلِ». وَهُوَ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الحاكم (183) وقال: «صحيح على شرط الشيخين، ولا أعرف له علة، ولم يخرجاه». وقال الذهبي: وله شاهد
১০৩। হাকিমে আছেঃ “অধিকাংশ কবরের ‘শাস্তি প্রস্রাবের ছিটা থেকে সতর্ক না থাকার কারণেই হয়”। এর সানাদটি সহীহ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাকিম ১৮৩ এবং তিনি বলেছেন হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তভিত্তিক সহীহ। আমি এর কোন ত্রুটি জানি না। হাদীসটিকে বুখারী মুসলিম বর্ণনা করেন নি। ইমাম যাহাবী বলেছেন: এ হাদীসের সমর্থক হাদীস রয়েছে।
وَعَنْ سُرَاقَةَ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: عَلَّمَنَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْخَلَاءِ أَنْ نَقْعُدَ عَلَى الْيُسْرَى, وَنَنْصِبَ الْيُمْنَى. رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه البيهقي (1/ 96)
১০৪। সুরাকাহ বিন মালিক (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পায়খানা করতে বাম পায়ের উপর ভর দিয়ে ও ডান পা খাড়া রেখে বসার শিক্ষা দিয়েছেন। বাইহাকী যঈফ সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। বাইহাকী ১/৯৬, শাইখ বিন বায তাঁর হাশিয়া বুলুগুল মারাম (১১৬) গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে দু'জন অস্পষ্ট বর্ণনাকারী রয়েছে। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (১/৩১৩) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম নববী তার আল মাজমু (২/৮৯) ও আল খুলাসাহ (১/১৬০) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু দাকীক আল ঈদ তার আল ইমাম (২/৫০৬) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটির সনদ মুনকাতি’ কেননা এর বর্ণনাকারী বানী মুদলাজ গোত্রের ব্যক্তির ও তার পিতার পরিচয় জানা যায়নি। ইমাম যাহাবী তাঁর আল মুহাযযাব (১/১০৫) গ্রন্থে বলেন, আবু নাঈম এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি যামআহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আবু আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি যেমন মাজহুল (হাদীস বর্ণনাকারী হিসেবে অপরিচিত) ঠিক তেমনি তাঁর শিক্ষকও মাজহুল।
وَعَنْ عِيسَى بْنِ يَزْدَادَ, عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا بَالَ أَحَدُكُمْ فَلْيَنْثُرْ ذَكَرَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ». رَوَاهُ ابْنُ مَاجَه بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن ماجه (326)
১০৫৷ ‘ঈসা বিন ইয়াযদাদ হতে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন প্রসাব করবে। তখন যেন সে তার লিঙ্গকে ৩ বার নিংড়ে বা ঝেড়ে নেয়। ইবনু মাজাহ দুর্বল সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। ইবনু মাজাহ ৩২৬, ইমাম হায়সামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়েদ (১/২১২) গ্রন্থে বলেন, এর একজন বর্ণনাকারী ঈসা বিন ইয়াযদাদ সম্পর্কে বিতর্ক রয়েছে, কেননা, সে মাজহুল। যদিও ইবনু হিব্বান তাকে তাঁর বিশ্বস্ত রাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইবনু কাত্তান আল-ওয়াহম ওয়াল ঈহাম (৩/৩০৭) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনু হাজার আত্-তালখীসুল হাবীর (১/১৬১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ইয়াযদাদ রয়েছে। আবু হাতিম বলেন, তার বর্ণিত হাদীস মুরসাল। ইমাম বুখারী বুখারী বলেছেন, সে বিশ্বস্ত নয়। ইবনু মুঈন বলেন, ঈসা এবং তার পিতার পরিচয় জানা যায় না। উকাইলী বলেন, তার এ হাদীসটি ছাড়া আর অন্য কোন বর্ণনা নেই। বিন বায তার হাশিয়া বুলুগুল মারাম (১১৭), মাজমু ফাতাওয়া (২৯/২০, ২৬/২৯৬) গ্রন্থে হাদীসটি দুর্বল বলেছেন। শায়খ আলবানী যঈফ ইবনু মাজাহ ৬৮, সিলসিলা যাঈফাহ ১৬২১ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু উসাইমীনও শরহে বুলুগুল মারাম ১/৩১৪ গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - سَأَلَ أَهْلَ قُبَاءٍ, فَقَالُوا: إِنَّا نُتْبِعُ الْحِجَارَةَ الْمَاءَ. رَوَاهُ الْبَزَّارُ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. لجمعه بين الحجارة والماء، ورواه البزار (227/كشف الأستار)
১০৬। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবাবাসীকে প্রশ্ন করেন, ‘আল্লাহ তোমাদের সুনাম করেন কেন? ‘তারা বললো, আমরা সৌচ করার সময় পাথর ব্যবহার করার পর পানিও ব্যবহার করে থাকি। বাযযার যঈফ সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। হাদীসটিকে পাথর ও পানির একত্রিত করণের কারণে হাদীস যঈফ হয়েছে। বাযযার কাশফুল আসরার" এ বর্ণনা করেছেন (২২৭/)। ইমাম হায়সামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ (১/২১৭) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয বিন উমার আয-যুহরী রয়েছে যাকে ইমাম বুখারী, ইমাম নাসায়ী ও অন্যান্যরা যঈফ বলেছেন। ইবনুল মুলকিন তুহফাতুল মুহতায (১/১৭০) গ্রন্থে উক্ত রাবী সম্পর্কে বলেন, সকলেই তাকে যঈফ বলেছেন। ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর (১/১৬৯) গ্রন্থে উক্ত রাবী সম্পর্কে বলেন, আবু হাতিম ও আব্দুল্লাহ বিন শাবীব তাকে দুর্বল বলেছেন। শায়খ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (১/৮৩) গ্রন্থে হাদীসটি দুর্বল বলেছেন।
وَأَصْلُهُ فِي أَبِي دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيّ وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - بِدُونِ ذِكْرِ الْحِجَارَةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (44)، والترمذي (3100) عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: نزلت هذه الآية في أهل قباء: (فِيهِ رِجَالٌ يُحِبُّونَ أَنْ يَتَطَهَّرُوا وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ) [التوبة: 108]، قال: كانوا يستنجون بالماء، فنزلت فيهم هذه الآية. قلت: وهو وإن كان ضعيف السند إلا أن له شواهد يصح بها، وقد ذكرتها في الأصل
১০৭। এর মূল বক্তব্য আবূ দাউদ ও তিরমিযীতে রয়েছে, এবং ইবনু খুযাইমাহ আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসকে সহীহ বলেছেন। কিন্তু পাথরের কথা সেখানে উল্লেখ নেই। (শুধুমাত্র পানির কথা উল্লেখ আছে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ ৪৪; তিরমিযী ৩১০০, আবু হুরাইরা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতটি কুবা বাসীদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। তাদের মধ্যে এমন কতক লোক ছিল যারা পবিত্রতা অর্জন করতে অত্যন্ত পছন্দ করতো। রাবী বলেন, তারা পানির দ্বারা সৌচ কার্য করতো। তাদের ব্যাপারে এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন: যদিও এ হাদীসের সনদটি দুর্বল। কিন্তু এ হাদীসের কতক শাহেদ তথা সমর্থক হাদীস থাকার কারণে সেগুলো এ হাদীসকে সহীহ হাদীসে পরিণত করেছে।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
وَأَصْلُهُ فِي الْبُخَارِيِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (343)، عن أبي سعيد الخدري قال: خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الاثنين إلى قباء، حتى إذا كنا في بني سالم، وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم على باب عتبان. فصرخ به، فخرج يجر إزاره، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أعجلنا الرجل» فقال عتبان: يا رسول الله. أرأيت الرجل يعجل عن امرأته ولم يمن ماذا عليه؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما» الحديث
البخاري. (180)، ولفظه: «إذا أعجلت -أو قحطت- فعليك الوضوء» وهو رواية لمسلم
১০৮। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পানি নির্গত (শুক্রপাত) হলেই পানির ব্যবহার অবধারিত বা ফরয।[1] এর মূল বক্তব্য বুখারীতে রয়েছে।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৩৪৩, আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ আমি রোববার দিবস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কুবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। চলতে চলতে আমরা যখন বানী সালেমে পৌঁছে তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উতবান (রাঃ) এর দরজায় অবতরণ করলেন। এতে উতবান লুঙ্গি টানতে টানতে বাইরে বের হয়ে এলেন। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ব্যক্তিটি আমাদের জন্য তাড়াহুড়া করছে। তখন উতবান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কোন ব্যক্তি আযল করল অথচ মনি বের হয়নি। তবে এর বিধান কী?
[2] বুখারী ১৮০