হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1129)


وَعَنْهَا قَالَتْ: جَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ. فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ سَالِمًا مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ مَعَنَا فِي بَيْتِنَا, وَقَدْ بَلَغَ مَا يَبْلُغُ الرِّجَالُ. قَالَ: «أَرْضِعِيهِ، تَحْرُمِي عَلَيْهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1453) (27)




১১২৯। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাহলাহ বিনতে সুহাইল এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! হুযইফার আযাদকৃত দাস সালিম আমাদের সাথে আমাদের বাড়িতেই রয়েছে এবং সে পুরুষের যোগ্য পুরুষত্ব লাভ করেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তাকে তোমার দুধ পান করিয়ে দাও তুমি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫০৮৮, মুসলিম ১৪৫৩, নাসায়ী ৩৩১৯, ৩৩২০, ৩৩২১, ৩৩২২, আবূ দাউদ ২০৬১, ইবনু মাজাহ ১৯৪৩, আহমাদ ২৩৫৮৮, ২৪৮৮৭, মালিক ১২৮৮, দারিামী ২২৫৭।









বুলূগুল মারাম (1130)


وَعَنْهَا: أَنْ أَفْلَحَ - أَخَا أَبِي الْقُعَيْسِ - جَاءَ يَسْتَأْذِنُ عَلَيْهَا بَعْدَ الْحِجَابِ. قَالَتْ: فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ, فَلَمَّا جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي صَنَعْتُ, فَأَمَرَنِي أَنْ آذَنَ لَهُ عَلَيَّ. وَقَالَ: «إِنَّهُ عَمُّكِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2644) وأطرافه، ومسلم (1445) وفي سياقه من الحافظ نوع تصرف




১১৩০। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, পর্দার আইন চালুর পর আবূ কুআইসের ভাই আফলাহ ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে আসার অনুমতি চাইতে এলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। অতঃপর যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন, তখন আমি যা করেছি তা তাকে জানালাম। তিনি তাকে আমার নিকটে প্রবেশের অনুমতি দেবার জন্য আমাকে আদেশ দিলেন। আর বললেন, তিনি তো তোমার দুধ চাচা হচ্ছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৭৯৬, ৫১.০৩, ৫২৩৯, ৬১৫৬, মুসলিম ১৪৪৫, তিরমিযী ১১৪৮, নাসায়ী ৩৩০১, ৩৩১৪, আর দাউদ ২০৫৭, মালোক-১২৭৮।









বুলূগুল মারাম (1131)


وَعَنْهَا قَالَتْ: كَانَ فِيمَا أُنْزِلُ فِي الْقُرْآنِ: عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ, ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ, فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَهِيَ فِيمَا يُقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1452) وقال النووي (1082): «معناه أن النسخ بخمس رضعات تأخر إنزاله جدا، حتى إنه صلى الله عليه وسلم توفي وبعض الناس يقرأ خمس رضعات، ويجعلها قرآنا متلوا؛ لكونه لم يبلغه النسخ لقرب عهده، فلما بلغهم النسخ بعد ذلك رجعوا عن ذلك، وأجمعوا على أن هذا لا يتلى». قلت: ولا مناص من قبول مثل هذا التأويل، وإن كان فيه بُعْد كما لا يخفى




১১৩১. আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, কুরআন নাযিলকৃত আয়াতে এ বিধান ছিল যে, দশবার দুধ পান করলে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হবে। তারপর পাঁচবার দুধ পান করার বিধান দ্বারা দশবার পান করার বিধান বাতিল করা হয়। এরূপ অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকাল ঘটে এবং ঐ বিধানটি কুরআন হিসেবে পড়া হতে থাকে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১৫০, নাসায়ী ৩৩০৭, আবূ দাউদ ২০৬২ ইবনু মাজাহ ১৯৪২, মালেক ১২৯৩, দারেমী ২২৫৩।









বুলূগুল মারাম (1132)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أُرِيدُ عَلَى ابْنَةِ حَمْزَةَ. فَقَالَ: «إِنَّهَا لَا تَحِلُّ لِي; إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ - وَيَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ النَّسَبِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2645)، ومسلم (1446)




১১৩২। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযা (রাঃ) এর কন্যার স্বামী হবেন ভাবা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সে তো আমার জন্য হালাল নয়! কারণ সে তো আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। দুধ সম্পর্ক ঐগুলো হারাম হবে যেগুলো বংশ সম্পপর্কের জন্য হারাম হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১০০, মুসলিম ১৪৪৭, নাসায়ী ৩৩০৫, ৩৩০৬, ইবনু মাজাহ ১৯৩৮, আহমাদ ১৯৫৩, ২৪৮৬।









বুলূগুল মারাম (1133)


وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يُحَرِّمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ إِلَّا مَا فَتَقَ الْأَمْعَاءَ, وَكَانَ قَبْلَ الْفِطَامِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ هُوَ وَالْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (1152) وعنده «في الثدي» بعد قوله: «الأمعاء» وقال: «هذا حديث حسن صحيح، والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم؛ أن الرضاعة لا تحرم إلا ما كان دون الحولين. وما كان بعد الحولين الكاملين، فإنه لا يحرم شيئا




১১৩৩। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুধ পান দ্বারা হারাম সাব্যস্ত তখন হবে, যখন দুধ পান দ্বারা সন্তানদের পেট পূর্ণ হবে, আর তা দুধ পানের উপযুক্ত সময়ে হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১৫২।









বুলূগুল মারাম (1134)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: لَا رَضَاعَ إِلَّا فِي الْحَوْلَيْنِ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَابْنُ عَدِيٍّ مَرْفُوعًا وَمَوْقُوفًا, وَرَجَّحَا الْمَوْقُوفَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح موقوفا. والمرفوع رواه الدارقطني (4740)، وابن عدي في «الكامل» (7562)، من طريق الهيثم بن جميل، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس مرفوعا، به. وقال الدارقطني: «لم يسنده عن ابن عيينة غير الهيثم بن جميل، وهو ثقة حافظ». وقال ابن عدي: «وهذا يعرف بالهيثم بن جميل، عن ابن عيينة مسندا، وغير الهيثم يوقفه على ابن عباس، والهيثم بن جميل يسكن أنطاكية، ويقال: هو البغدادي، ويغلط الكثير على الثقات كما يغلط غيره، وأرجو أنه لا يتعمد الكذب». قلت: ورجح الموقوف أيضا البيهقي، وعبد الحق، وابن عبد الهادي، والزيلعي




১১৩৪। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, দুবছর বয়সের মধ্যে দুধ পান করা ব্যতীত দুধ সম্পর্ক সাব্যস্ত হবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মাওকূফ হিসেবে সহীহ। দারাকুতনী (৪৭৪০) মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ইবনু ‘আদী তাঁর কামিল (৭৫৬২) গ্রন্থে হাদীসটি হাইসাম বিন জামীলা থেকে, তিনি সুফইয়ান বিন উইয়াইনা থেকে, তিনি আমার বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, হাইসাম বিন জামীল ব্যতীত কেউ এটি ইবনু উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেনি। তার বিশ্বস্ততা প্রতিষ্ঠিত। সুমাইর আয যুহাইরী বলেন, ইমাম যাঈলয়ী, আবদুল হক, ইবনু আবদুল হাদী, বাইহাকী প্রমুখ এটির মাউকুফ হওটাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।









বুলূগুল মারাম (1135)


وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا رَضَاعَ إِلَّا مَا أَنْشَزَ الْعَظْمَ, وَأَنْبَتَ اللَّحْمَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2060) بسند فيه ثلاثة مجاهيل




১১৩৫। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে দুধ পান দ্বারা হাড় বর্ধিত হয় এবং গোশত বৃদ্ধি পায় এমন দুধ পান করা ব্যতীত সম্পর্ক সাব্যস্ত হয় না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২০৬০, আহমাদ ৪১০৩। ইমাম শাওকানী তাঁর সাইলুল জাররার ২/৪৬৭ গ্রন্থে বলেন, এটি মারফু হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এর সানাদে দুজন অপরিচিত রাবী রয়েছেন। শাইখ আলবানী যঈফ আল জামে ৬২৯০, ইরওয়াউল গালীল ২১৫৩ গ্রন্থদ্বয়ে একে দুর্বল বলেছেন। যঈফ, আবূ দাউদে ২০৬০ বলেন, দুর্বল, তবে সঠিক হচ্ছে হাদীসটি মাওকুফ। এটি দুর্বল ইবনু উসাইমীন তাঁর আশ শারহুল মুমতি ১৩/৪৩২ গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে দুজন অপরিচিত বৰ্ণনাকারী রয়েছে। হাফিয ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত-তালখীসুল হাবীর ৪/১২৯৬ গ্রন্থে বর্লেন, আবূ মূসা ও তাঁর পিতাকে আবূ হাতিম অপরিচিত বৰ্ণনাকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1136)


وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ; - أَنَّهُ تَزَوَّجَ أُمَّ يَحْيَى بِنْتَ أَبِي إِهَابٍ, فَجَاءَتِ امْرَأَةٌ. فَقَالَتْ: قَدْ أَرْضَعْتُكُمَا, فَسَأَلَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «كَيْفَ وَقَدْ قِيلَ?» فَفَارَقَهَا عُقْبَةُ. وَنَكَحَتْ زَوْجًا غَيْرَهُ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (88)




১১৩৬। উকবাহ ইবনুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি আবূ ইহাবের কন্যা উম্মু ইয়াহইয়াকে বিয়ে করেছিলেন। তারপর কোন এক রমণী এসে বললো: আমি তোমাদের (স্বামী-স্ত্রী) দুজনকে দুধ পান করিয়েছি। অতঃপর তিনি-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন: এ কথার পর তুমি কিভাবে তার সঙ্গে সংসার করবে? অতঃপর ‘উকবাহ তার স্ত্রীকে আলাদা করে দিলেন এবং সে মহিলা অন্য স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৫২, ২৬৪০, ২৬৫৯, ২৬৬০, ৫১০৫, তিরমিযী ১১৫১, নাসায়ী ৩৬০৩, আবূ দাউদ৩৬০৩, আহমাদ ১৫৭১৫, ১৮৯৩০, দারেমী ২২৫৫।









বুলূগুল মারাম (1137)


وَعَنْ زِيَادِ السَّهْمِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ تُسْتَرْضَعَ الْحَمْقَى. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ مُرْسَلٌ, وَلَيْسَتْ لِزِيَادٍ صُحْبَةٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود في «المراسيل» (207) وفي سنده مجهول فضلا عن كونه مرسلا




১১৩৭। যিয়াদ ‘সাহমী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কম বুদ্ধির মেয়েদের দুধ পান করাতে নিষেধ করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম আবূ দাউদ তাঁর আল মারাসীল (২৯৩) গ্রন্থে, ইমাম বাইহাকী তার আল কুবরা (৭/৪৬৪ ও ৩/১৮০) গ্রন্থে, ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম (৩/৬৩) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুরসাল বলেছেন যেমন বলেছেন ইবনু হাজার আসকালানী বুলুগুল মারামে, কারণ যিয়াদ সাহাবী নন।









বুলূগুল মারাম (1138)


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: دَخَلَتْ هِنْدُ بِنْتُ عُتْبَةَ -امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ- عَلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -. فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لَا يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلَّا مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ, فَهَلْ عَلَيَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ فَقَالَ: «خُذِي مِنْ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ, وَيَكْفِي بَنِيكِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5364)، ومسلم (1714) واللفظ لمسلم




১১৩৮. আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: উতবার কন্যা আবূ সুফইয়ানের স্ত্রী হিন্দ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হয়ে বলেনঃ আবূ সুফইয়ান একজন কৃপণ লোক। আমাকে এত পরিমাণ খরচ দেন না, যা আমার ও আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হতে পারে যতক্ষণ না আমি তার অজান্তে মাল থেকে কিছ নিই। এমতাবস্থায় তাকে না জানিয়েই আমি তার মাল হতে যা নিয়ে থাকি তাতে কি আমার কোন গুনাহ হয়? তখন তিনি বললেনঃ তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে যা যথেষ্ট হয় তা তুমি নিতে পার।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২২১১, ২৪৬০, ৫৩৫৯, ৫৩৭০, ৬৬৪১, মুসলিম ১৭১৪, নাসায়ী ৫৪২০, ৩৫৩২, ৩৫৩৩, ইবনু মাজাহ ২২৯৩, আহমাদ ২৩৫৯৭, ২৩৭১৭, দারেমী ২২৫৯।









বুলূগুল মারাম (1139)


وَعَنْ طَارِقِ الْمُحَارِبِيِّ قَالَ: قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ, فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَائِمٌ يَخْطُبُ وَيَقُولُ: «يَدُ الْمُعْطِي الْعُلْيَا, وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ: أُمَّكَ وَأَبَاكَ, وَأُخْتَكَ وَأَخَاكَ, ثُمَّ أَدْنَاكَ أَدْنَاكَ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي (5/ 61)، وابن حبان (810)، والدارقطني (3/ 44 - 4586) وقال النسائي: مختصر. قلت: وقد بينت رواية الدارقطني هذا الاختصار، ففيها: عن طارق المحاربي قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم مرتين؛ مرة بسوق ذي المجاز وأنا في تباعة لي هكذا قال: أبيعها. فمر وعليه حلة حمراء، وهو ينادي بأعلى صوته: يا أيها الناس! قولوا: لا إله إلا الله تفلحوا، ورجل يتبعه بالحجارة وقد أدمى كعبيه وعرقوبيه، وهو يقول: يا أيها الناس! لا تطيعوه فإنه كذاب. قلت: من هذا؟ فقالوا: هذا غلام بني عبد المطلب. قلت: من هذا الذي يتبعه يرميه؟ قالوا: هذا عمه عبد العزى وهو أبو لهب.
فلما ظهر الإسلام، وقدم المدينة أقبلنا في ركب من الربذة وجنوب الربذة، حتى نزلنا قريبا من المدينة ومعنا ظعينة لنا. قال: فَبَيْنَا نحن قعود إذ أتانا رجل عليه ثوبان أبيضان، فسلم، فرددنا عليه. فقال: «من أين أقبل القوم»؟ قلنا: من الربذة وجنوب الربذة. قال: ومعنا جمل أحمر. قال: «تبيعوني جملكم؟» قلنا: نعم. قال: «بكم؟» قلنا: بكذا وكذا صاعا من تمر. قال: فما استوضعنا شيئا، وقال «قد أخذته». ثم أخذ برأس الجمل، حتى دخل المدينة فتوارى عنا، فتلاومنا بيننا. وقلنا: أعطيتم جملكم من لا تعرفونه. فقالت الظعينة: لا تلاوموا, فقد رأيت وجه رجل ما كان ليحقركم، ما رأيت وجه رجل أشبه بالقمر ليلة البدر من وجهه، فلما كان العشاء أتانا رجل. فقال: السلام عليكم. أنا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم إليكم، وإنه أمركم أن تأكلوا من هذا حتى تشبعوا، وتكتالوا حتى تستوفوا. قال: فأكلنا حتى شبعنا، واكتلنا حتى استوفينا، فلما كان من الغد دخلنا المدينة، فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قائم على المنبر، يخطب الناس، وهو يقول:… فذكره. وزاد: فقام رجل من الأنصار فقال: يا رسول الله! هؤلاء بنو ثعلبة ابن يربوع الذين قتلوا فلانا في الجاهلية، فخذ لنا بثأرنا، فرفع يديه حتى رأينا بياض إبطيه. فقال: ألا لا يجني والد على ولده




১১৩৯। তারিক্ব মুহারিবী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় আগমন করলাম, আর তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তিনি তাতে বলছিলেনঃ দাতার হাত উঁচু (মর্যাদাসম্পন্ন)। তোমার পোষ্যদের মধ্যে দানের কাজ আরম্ভ কর। (যেমন) তোমার মা, তোমার বাবা, তোমার বোন, ভাই; এভাবে যে যত তোমার নিকটাত্মীয় (তাকে পর্যায়ক্রমে দানের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দাও)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ২৫৩২।









বুলূগুল মারাম (1140)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لِلْمَمْلُوكِ طَعَامُهُ وَكِسْوَتُهُ, وَلَا يُكَلَّفُ مِنَ الْعَمَلِ إِلَّا مَا يُطِيقُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه مسلم (1662) ورجاله كلهم ثقات إلا العجلان مولى فاطمة فإنه حسن الحديث. وأما قول الحافظ في «التلخيص» (43): «وفيه محمد بن عجلان» يشير بذلك إلى أنه متكلم فيه وخاصة في أحاديث أبي هريرة، فهو وهم من الحافظ رحمه الله، إذ ليس في سند مسلم محمد بن عجلان. لكن رواه ابن حبان من طريقه (1205) وزاد: «فإن كلفتموهم فأعينوهم، ولا تعذبوا عباد الله، خلقا أمثالكم». قلت: وإسنادها حسن، خاصة ولها شاهد، وهو مخرج بالأصل




১১৪০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাস আহার ও পরিধেয় বস্ত্রের হক্বদার, আর তাকে তার সামর্থ্যের বেশি কাজের বোঝা দেয়া যাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৬২, আহমাদ ৭৩১৭, ৮৩০৫।









বুলূগুল মারাম (1141)


وَعَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ, عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا حَقُّ زَوْجَةِ أَحَدِنَا عَلَيْهِ? قَالَ: «أَنْ تُطْعِمَهَا إِذَا طَعِمْتَ, وَتَكْسُوَهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ, وَلَا تَضْرِبِ الْوَجْهَ, وَلَا تُقَبِّحْ…]». الْحَدِيثُ. وتَقَدَّمَ فِي عِشْرَةِ النِّسَاءِ




১১৪১। হাকীম ইবনু মুআবিয়া আল কুশাইরী (রাঃ) তাঁর পিতা মুআবিয়া হতে রিওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো স্ত্রীর হক তার উপর কতটুকু? তিনি বললেন, তুমি যখন আহার করবে তখন তাকেও আহার করাবে; আর যখন তুমি বস্ত্র পরবে, তখন তাকেও বস্ত্র পরাবে। মুখমণ্ডলে প্রহার করবে না। আর অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবে না। হাদীসটি ইতিপূর্বে ১০১৮ নং বর্ণিত হয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৪২-২১৪৪, ইবনু মাজাহ ১৮৫০।









বুলূগুল মারাম (1142)


وَعَنْ جَابِر بْنِ عَبْدِ اللَّهِ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فِي حَدِيثِ الْحَجِّ بِطُولِهِ - قَالَ فِي ذِكْرِ النِّسَاءِ: «وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ




১১৪২। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাজ্জ সংক্রান্ত দীর্ঘ হাদীসে মেয়েদের সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তোমাদের উপর তাঁদের আহার ও পোশাক ন্যায্যভাবে বহন করা ন্যস্ত রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১২১৬, বুখারী ১৫১৬, ১৫৬৮, ১৬৫১, ১৭৮৫, তিরমিযী ৮৫৬, ৮৫৭, ৮৬২, ৮৬৯, নাসায়ী ২৯১, ৪২৯, ৬০৪, আবূ দাউদ১৭৮৭, ১৭৮৮, ১৭৮৯, ইবনু মাজাহ ২৯১৩, ২৯১৯, ২৯৫১, আহমাদ ১৩৮০৬, ১৩৮২৬, ১৩৮৬৭, মালিক ৮১৬, ৮৩৫, ৮৩৬, দারেমী ১৮৫০, ১৮৯৯।









বুলূগুল মারাম (1143)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يُضَيِّعَ مَنْ يَقُوتُ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ

وَهُوَ عِنْدَ مُسْلِمٍ بِلَفْظِ: «أَنْ يَحْبِسَ عَمَّنْ يَمْلِكُ قُوتَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف بهذا اللفظ. رواه النسائي في «عشرة النساء» (294 و 295)، وأيضا أبو داود (1692) من طريق أبي إسحاق، عن وهب بن جابر، عن عبد الله بن عمرو، به. وفي رواية النسائي الأولى: «يعول» بدل: «يقوت». قلت: ووهب هذا ليس له راو غير أبي إسحاق وقال النسائي: مجهول، وأبى ابن حبان إلا أن يدخله في «الثقات» (5/ 489)، وأما الذهبي فنقل تجهيل ابن المديني له، ثم قال في «الميزان» (4/ 350) لا يكاد يعرف

صحيح. رواه مسلم (996) من طريق خيثمة قال: كنا جلوسا مع عبد الله بن عمرو، إذ جاءه قهرمان له، فدخل. فقال: أعطيت الرقيق قوتهم؟ قال: لا. قال: فانطلق فأعطهم. قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كفى بالمرء إثما ... » الحديث. قلت: هذا هو أصل الحديث، فمخالفة وهب لمثل خيثمة غير مقبولة، والله أعلم




১১৪৩। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার পোষ্যকে ভরণ-পোষণ না দিয়ে তাকে নষ্ট করে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ৬৪৫৯, ৬৭৮০, আবূ দাউদ ১৬৯২। এ শব্দে হাদীসটি দুর্বল। ইমাম নাসায়ী তাঁর আশরাতুন নিসা (২৯৪, ২৯৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আবূ দাউদও (১৬৯২) এটি বর্ণনা করেছেন। যার পূর্ণ সানাদ হচ্ছে। আবূ ইসহাক ওয়াহব বিন জাবির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ীর বর্ণনায় يعول এর স্থলে يقوت রয়েছে। শাইখ সুমাইর আয যুহাইর বলেন, ওয়াহব থেকে আবূ ইসহাক ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।

ইমাম নাসায়ী বলেন, আবূ ইসহাক মাজহুল। তবে ইবনু হিব্বান তাঁর সিকাত (৫/৪৮৯) গ্রন্থে তাকে বিশ্বস্ত রাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল (৪/৩৫০) গ্রন্থে বলেন, ইবনুল মাদীনী তাকে মাজহুল বলেছেন। তার অবস্থা জানা যায় না।









বুলূগুল মারাম (1144)


وَعَنْ جَابِرٍ - يَرْفَعُهُ, فِي الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا - قَالَ: «لَا نَفَقَةَ لَهَا». أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, لَكِنْ قَالَ: الْمَحْفُوظُ وَقْفُهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه البيهقي (7/ 431) من طريق حرب بن أبي العالية، عن أبي الزبير، عن جابر مرفوعا، به. قلت: وأبو الزبير مدلس وقد عنعنه




১১৪৪। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; (মারফূ সূত্ৰে) গৰ্ভবতী বিধবা মেয়েদের প্রসঙ্গে বলেন: তাদের জন্য কোন খোর-পোষ হবে না। (কেননা এরূপ ক্ষেত্রে স্বামীর মালের ওয়ারিস হওয়ার সুযোগ বিধবা মেয়েদের জন্য রয়েছে)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম যাহাবী তাঁর আল মুহাযযিবা ৬/৩০৩১ গ্রন্থে একে মারফূ ও এর বর্ণনারীকারীগণকে বিশ্বস্ত বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর বুলুগুল মারামের শরাহ ৫/১৮৮ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মারফূ হিসেবে বিশুদ্ধ নয়, তবে মাওকুফ হিসেবে নিরাপদ আর মারফূ হিসেবে শায।









বুলূগুল মারাম (1145)


وَثَبَتَ نَفْيُ النَّفَقَةِ فِي حَدِيثِ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ كَمَا تَقَدَّمَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1480) وفيه: «ليس لك عليه نفقة». وتقدم برقم (1004)




১১৪৫। খরচ না পাওয়ার ব্যবস্থা ফাতিমাহ বিনতু ক্বাইস এর হাদীস মূলে আগে সাব্যস্ত হয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৮০, তিরমিযী ১১৩৫, ১১৮০, নাসায়ী ৩২২২, ৩২৩৭, ৩২৪৪, আর দাউদ ২২৮৪, ২২২৮, ২২৮৯, ইবনু মাজাহ ১৮৬৯, ২০২৪, ২০৩৫, আহমাদ ২৬৫৬০, ২৬৫৭৫, মালেক ১২৩৪, দারেমী ২১৭৭, ২২৭৪, ২২৭৫।









বুলূগুল মারাম (1146)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْيَدِ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى, وَيَبْدَأُ أَحَدُكُمْ بِمَنْ يَعُولُ». تَقُولُ الْمَرْأَةُ: أَطْعِمْنِي, أَوْ طَلِّقْنِي. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الدارقطني (39791) من طريق عاصم بن بهدلة، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، وزاد: «ويقول عبده: أطعمني واستعملني، ويقول ولده: إلى من تكلنا». ونعم هذا إسناد حسن كما قال الحافظ، ولكن قوله: «تقول المرأة ... » موقوف على أبي هريرة رضي الله عنه، ورفعه خطأ كما بينتْ ذلك رواية البخاري (5355) ففيه «قالوا: سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال: لا. هذا من كيس أبي هريرة». بل قال الحافظ نفسه -رحمه الله- على رواية الدارقطني وجعل هذه الزيادة مرفوعة قال (9/ 501): لا حجة فيه لأن في حفظ عاصم شيئا




১১৪৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উপরের হাত (দাতার হাত) নিচের (গ্রহীতার) হাত হতে উত্তম, তোমাদের প্রত্যেকেই তার দান কার্য তার পোষ্যদের মধ্যে আরম্ভ করবে। এমন যেন না হয় যে, বিবি বলতে বাধ্য হবে আমাকে খেতে তাও, না হয় তালাক দাও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সুয়ূত্বী তাঁর আল জামেউস সগীর ৬২৫৩ গ্রন্থে একে যঈফ বলেছেন, আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ ১১/৭২ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর ইরওয়াউল গালীল ৯৮৯ ও৮৯৪ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামে ৪৪৮১ একে হাসান বলেছেন, গায়াতুল মারাম ২৪৫ গ্রন্থে বলেন, এই শব্দে দুর্বল, একই গ্রন্থে ২৭০ নং হাদীসে একে দুর্বল বলেছেন। সহীহ তারগীব ১৯৬৫ গ্রন্থে একে হাসান লিগাইরিহী বলেছেন, সহীহ আবূ দাউদ ১৬৯২ গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1147)


وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ - فِي الرَّجُلِ لَا يَجِدُ مَا يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ - قَالَ: يُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا. أَخْرَجَهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ: عَنْ سُفْيَانَ, عَنْ أَبِي الزِّنَادِ, عَنْهُ. قَالَ: فَقُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ: سُنَّةٌ? فَقَالَ: سُنَّةٌ. وَهَذَا مُرْسَلٌ قَوِيَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف؛ لإرساله، وإن كان رجاله ثقات. رواه سعيد بن منصور (2/ 55/رقم 2022)




১১৪৭। সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব হতে ঐ ব্যক্তি প্রসঙ্গে বর্ণিত; যে তার বিবিকে খেতে -পরতে দেয়ার সঙ্গতি রাখে না, তিনি বলেন, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো যাবে। সাঈদ ইবনু মানসুর সুফইয়ান হতে, তিনি আবূ যিনাদ হতে, তিনি বলেন, সাঈদকে বললাম (এ ব্যবস্থা কি রাসূলের) সুন্নাত মূলে। তিনি বললেনঃ সুন্নাত মূলে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম ৩/৩৪৮ গ্রন্থে বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর মুরসাল হাদীস আমলযোগ্য। ইমাম শাওকানী তাঁর নাইলুল আওত্বার ৭/১৩২ গ্রন্থে একে শক্তিশালী মুরসাল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর তানকীহুত তাহকীক ২/২২৫ গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর আত-তালীকাত আর রযীয়্যাহ ২/২৫৮ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ সহীহ, তবে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করলে মুরসাল হবে। আর ইরওয়াউল গালীল ২১৬১ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1148)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى أُمَرَاءِ الْأَجْنَادِ فِي رِجَالٍ غَابُوا عَنْ نِسَائِهِمْ: أَنْ يَأْخُذُوهُمْ بِأَنَّ يُنْفِقُوا أَوْ يُطَلِّقُوا, فَإِنْ طَلَّقُوا بَعَثُوا بِنَفَقَةِ مَا حَبَسُوا. أَخْرَجَهُ الشَّافِعِيُّ. ثُمَّ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَادِ حَسَنٌ


تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الشافعي (2/ 65/ رقم 213)، ومن طريقه البيهقي (7/ 469) أخبرنا مسلم بن خالد عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، به، قلت: ومسلم بن خالد: هو الزنجي، وهو كثير الأوهام




১১৪৮। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি সৈন্যবাহিনীর পরিচালকবৃন্দের নিকট লিখেছিলেন, যেসব পুরুষ তাদের স্ত্রীদের থেকে দূরে থাকছে, তাদের ব্যাপারে যেন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যে, তারা তাদের স্ত্রীদের খোরপোষ আদায় করুক অথবা তালাক দিয়ে দিক যদি তালাকই দিয়ে দেয়। তবে তাদের আবদ্ধ রাখাকালীন খরচ বিবিদের নিকটে তারা পাঠিয়ে দিক।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসনাদ শাফিঈ ২য় খণ্ড ৬৫ পৃষ্ঠা, হাদীস নং ২১৩, বাইহাকী (৭/৪৬৯), এ হাদীসের একজন বৰ্ণনাকারী মুসলিম বিন খালিদ যানজী যিনি অধিক বিভ্রাটে পতিত হয়েছেন।