বুলূগুল মারাম
وَعَنْ أَبِي رِمْثَةَ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَمَعِي ابْنِي فَقَالَ: «مَنْ هَذَا» قُلْتُ: ابْنِي. أَشْهَدُ بِهِ. قَالَ: «أَمَّا إِنَّهُ لَا يَجْنِي عَلَيْكَ, وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ الْجَارُودِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (4495)، والنسائي (8/ 53)، وابن الجارود (770) وزاد أبو داود: «وقرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم: (وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى)
১১৮৯। আবূ রিমসাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে হাজির হলাম, আর আমার সঙ্গে ছিল আমার পুত্র। তিনি মন্ত্র বললেন “এ কে ?” আমি বললাম, “আমার পুত্ৰ” আপনি এ ব্যাপারে সাক্ষী থাকুন।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ কিছু বলেন, সাবধান হও, অবশ্য তার অপরাধের জন্য তোমাকে ও তোমার অপরাধের জন্য তাকে দায়ী করা হবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৮৩২, তিরমিযী ২৮১২, আর দাউদ ৪২০৮, ৪৪৯৫, আহমাদ ৭০৬৪, ৭০৭১, ৭০৭৭, দারেমী ২৩৮৮। আবূ দাউদের বর্ণনায় আরো রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেন, (وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى) কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।
عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ, عَنْ رِجَالٍ مِنْ كُبَرَاءِ قَوْمِهِ, أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَهْلٍ ومُحَيِّصَةَ بْنَ مَسْعُودٍ خَرَجَا إِلَى خَيْبَرَ مِنْ جَهْدٍ أَصَابَهُمْ, فَأُتِيَ مَحَيِّصَةُ فَأُخْبِرَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنِ سَهْلِ قَدْ قُتِلَ, وَطُرِحَ فِي عَيْنٍ, فَأَتَى يَهُودَ, فَقَالَ: أَنْتُمْ وَاللَّهِ قَتَلْتُمُوهُ. قَالُوا: وَاللَّهِ مَا قَتَلْنَاهُ, فَأَقْبَلَ هُوَ وَأَخُوهُ حُوَيِّصَةُ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَهْلٍ, فَذَهَبَ مُحَيِّصَةُ لَيَتَكَلَّمَ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَبِّرْ كَبِّرْ» يُرِيدُ: السِّنَّ, فَتَكَلَّمَ حُوَيِّصَةُ, ثُمَّ تَكَلَّمَ مُحَيِّصَةُ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِمَّا أَنْ يَدُوا صَاحِبَكُمْ, وَإِمَّا أَنْ يَأْذَنُوا بِحَرْبٍ». فَكَتَبَ إِلَيْهِمْ فِي ذَلِكَ [كِتَابًا]. فَكَتَبُوا: إِنَّا وَاللَّهِ مَا قَتَلْنَاهُ, فَقَالَ لِحُوَيِّصَةَ, وَمُحَيِّصَةُ, وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنَ سَهْلٍ: «أَتَحْلِفُونَ, وَتَسْتَحِقُّونَ دَمَ صَاحِبَكُمْ» قَالُوا: لَا. قَالَ: «فَتَحْلِفُ لَكُمْ يَهُودُ?» قَالُوا: لَيْسُوا مُسْلِمِينَ فَوَدَاهُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مِنْ عِنْدِهِ, فَبَعَثَ إِلَيْهِمْ مَائَةَ نَاقَةٍ. قَالَ سَهْلٌ: فَلَقَدْ رَكَضَتْنِي مِنْهَا نَاقَةٌ حَمْرَاءُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7192)، ومسلم (1669) (6)
১১৯০। সাহল ইবনু হাসমা হতে বৰ্ণিত। তিনি ও তাঁর কওমের কতক বড় বড় ব্যক্তি বর্ণনা করেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ও মুহাইয়াসা ক্ষুধার্ত হয়ে খায়বারে আসেন। একদা মুহাইয়াসা জানতে পারেন যে, ‘আবদুল্লাহ নিহত হয়েছে এবং তার লাশ একটা গর্তে অথবা কূপে ফেলে দেয়া হয়েছে। তখন তিনি ইয়াহুদীদের কাছে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ! নিঃসন্দেহে তোমরাই তাকে মেরে ফেলেছি। তারা বলল, আল্লাহর কসম করে বলছি, আমরা তাকে হত্যা করিনি। তারপর তিনি তার কওমের কাছে এসে এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। পরে তিনি, তার বড় ভাই হওয়াইয়াসা এবং ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল আসলেন। মুহাইয়াসা, যিনি খায়বারে ছিলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ ঘটনা বলার জন্য এগিয়ে গেলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বড়কে কথা বলতে দাও, বড়কে কথা বলতে দাও। এ দ্বারা তিনি উদ্দেশ্য করলেন বয়সে বড়কে। তখন হুওয়াইয়াসা প্রথমে ঘটনা বর্ণনা করলেন। এরপর কথা বললেন, মুহাইয়াসা।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হয় তারা তোমাদের মৃত সাথীর রক্তপণ আদায় করবে, না হয় তাদের সঙ্গে যুদ্ধের ঘোষণা দেয়া হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে এ ব্যাপারে পত্র লিখলেন। জবাবে লেখা হল যে, আমরা তাকে হত্যা করিনি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুওয়াইয়াসা, মুহাইয়াসা ও ‘আবদুর রহমানকে বললেন, তোমরা কি কসম করে বলতে পারবে? তাহলে তোমরা তোমাদের সঙ্গীর রক্তপণের অধিকারী হবে। তারা বলল, না। তিনি বললেন, তাহলে ইয়াহুদীরা কি তোমাদের সামনে কসম করবে? তাঁরা বলল, এরা তো মুসলিম না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ হতে একশ উট রক্তপণ বাবদ আদায় করে দিলেন। অবশেষে উটগুলোকে ঘরে ঢুকানো হল। সাহল বলেন, ওগুলো থেকে একটা উট আমাকে লাথি মেরেছিল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৭০২, ৩১৭৩, ৬১৪২, ৬৮৯৮, ৭১৯২, মুসলিম ১৬৬৯, তিরমিযী ১৪২২, নাসায়ী ৪৭১৩, ৪৭১৪, ৪৭১৫, আবূ দাউদ ৪৫২০, ৪৫২১, ইবনু মাজাহ ২৬৭৭।
وَعَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَقَرَّ الْقَسَامَةَ عَلَى مَا كَانَتْ عَلَيْهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ, وَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بَيْنَ نَاسٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فِي قَتِيلٍ ادَّعَوْهُ عَلَى الْيَهُودِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1670)، وهما عنده روايتان جمعهما الحافظ هنا
১১৯১। কোন এক আনসারী (সাহাবী) (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাসামা নামক প্রাক-ইসলামিক বিচারপদ্ধতিকে সাব্যস্ত করেছিলেন এবং আনসারী সাহাবীর একটা খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইয়াহুদী আসামীদের মধ্যে সে মত বিচার করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৭০, নাসায়ী ৪৭০৭, ৪৭০৮, আহমাদ ১৬১৬২, ২২৬৭৬, ২৩১৫৬।
عَنْ اِبْنِ عُمَرَ رِضَيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلَاحَ, فَلَيْسَ مِنَّا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6874)، ومسلم (98)
১১৯২। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের উপরে (কোন মুসলিমের উপরে) অস্ত্ৰ উত্তোলন করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭০৭০, মুসলিম ৯৮, নাসায়ী ৪১০০, ইবনু মাজাহ ২৫৭৬, আহমাদ ৪৫৫৩, ৪৬৩৫, ৫১২৭, ৬২৪১।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ خَرَجَ عَنِ الطَّاعَةِ, وَفَارَقَ الْجَمَاعَةَ, وَمَاتَ, فَمِيتَةٌ جَاهِلِيَّةٌ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (1848) وعنده: «من الطاعة» وأيضا: «فمات، مات ميتة جاهلية» وزاد: «ومن مات تحت راية عمية، يغضب لعصبة، أو يدعو إلى عصبة، فقتل، فقِتلة جاهلية، ومن خرج على أمتي يضرب برها وفاجرها، ولا يتحاشى من مؤمنها، ولا يفي لذي عهد عهده، فليس مني ولست منه
১১৯৩। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি (ইসলামী রাষ্ট্র নায়কের) আনুগত্য ত্যাগ করবে, মুমিনদের দল থেকে সরে গিয়ে মারা যাবে, সে জাহিলী অবস্থায় মরবে। (অর্থাৎ ইসলাম বর্জিত অবস্থায় তার মৃত্যু হবে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৮৪৮, নাসায়ী ৪১১৪. ইবনু মাজাহ ৩৯৪৮, আহমাদ ৭৮৮৪, ৮০০০, ৯৯৬০।
وَعَنْ أَمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «تَقْتُلُ عَمَّارًا الْفِئَةُ الْبَاغِيَةُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (2916) (73)
১১৯৪। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাহাবী আম্মার (রাঃ)-কে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৯১৬, আহমাদ ২৫৯৪৩, ২৬০২৩।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «هَلْ تَدْرِي يَا ابْنَ أُمِّ عَبْدٍ, كَيْفَ حُكْمُ اللَّهِ فِيمَنْ بَغَى مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ?» , قَالَ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «لَا يُجْهَزُ عَلَى جَرِيحِهَا, وَلَا يُقْتَلُ أَسِيرُهَا, وَلَا يُطْلَبُ هَارِبُهَا, وَلَا يُقْسَمُ فَيْؤُهَا». رَوَاهُ الْبَزَّارُ وَالْحَاكِمُ وَصَحَّحَهُ فَوَهِمَ; فَإِنَّ فِي إِسْنَادِهِ كَوْثَرَ بْنَ حَكِيمٍ, وَهُوَ مَتْرُوكٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. رواه البزار (1849 زوائد)، والحاكم (255)، واللفظ للبزار، وآفته كما ذكر الحافظ رحمه الله
১১৯৫। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু মাসউদ (রাঃ) কে বলেছিলেন - হে উম্মু আবদের পুত্র! তুমি কি জান এ উম্মাতের বিদ্রোহীদের জন্য মহান আল্লাহ কি ফয়সালা দিয়েছেন? তিনি (ইবনু মাসউদ) বলেন, আল্লাহ ও তার রাসূলই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, বিদ্রোহী জখমীদের ব্যান্ডেজ (সেবা) করা যাবে না, কয়েদীদের হত্যা করা যাবে না, পলায়নকারীদের অনুসন্ধান করা যাবে না, তাদের গানিমাতের মাল বন্টিত হবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বাযযার ১৮৪৯, হাকিম ২৫৫। ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৬/২৪৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে কাউসার বিন হাকীম বিদ্যমান, আর সে হচ্ছে দুর্বল পরিত্যাজ্য। ইবনু হযম তাঁর আল মুহাল্লা ১১/১০২ গ্রন্থে উক্ত বর্ণনাকারী সম্পর্কে বলেন, নিঃসন্দেহে তার হাদীস পরিত্যাজ্য। ইবনু উসাইমীনও শরহে বুলুগুল মারাম ৫/২৯৯ গ্রন্থে হাদীসটিকে মাতরূক বলেছেন। ইবনু হিব্বান তাঁর আল মাজরুহীন ২/২৩৩ গ্রন্থে বলেন, প্রসিদ্ধ হাদীস বিশারদগণ তাকে মুনকার বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। প্রসিদ্ধ হাদীস বিশারদগণ থেকে তিনি মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী থেকে হাদীস বর্ণনা করলেও সেগুলো শক্তিশালী নয়।
وَصَحَّ عَنْ عَلِيٍّ مِنْ طُرُقٍ نَحْوُهُ مَوْقُوفًا. أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
انظر «المصنف» (1563)، «والمستدرك» (255)، و «السنن الكبرى» للبهيقي (881)
১১৯৬। আলী (রাঃ) হতে এটি সহীহ সানাদে মওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ, হাকিম।
وَعَنْ عَرْفَجَةَ بْنِ شُرَيْحٍ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «مَنْ أَتَاكُمْ وَأَمَرَكُمْ جَمِيعٌ, يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ جَمَاعَتَكُمْ, فَاقْتُلُوهُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (1852) (60) وزاد: «على رجل واحد، يريد أن يشق عصاكم، أو» بعد قوله: جميع
১১৯৭। আরাফাজাহ ইবনু শুরাইহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছিলেন: তোমাদের সংঘবদ্ধ থাকা অবস্থায় যদি কেউ আসে আর সে তোমাদেরকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য ইচ্ছা (চেষ্টা) করে তবে তোমরা তাকে হত্যা কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৮৫২, নাসায়ী ৪০২০, ৪০২১, ৪০২২, আবূ দাউদ ৪৭৬২, আহমাদ ১৭৮৩১, ১৮৫২, ১৯৭৬৬।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم : «مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. ولكن فيه إشكال، فاسم الصحابي اختلف فيه بين النسختين كما تقدم، والذي يترجح لدي أنه: «عبد الله بن عمرو» وذلك لصحة الأصل؛ إذ هو منقول مباشرة من خط الحافظ، وأيضا لرواية من ذكرهم الحافظ الحديث عن ابن عمرو وبناء على هذا الرأي، فهذا التخريج. رواه أبو داود (4771)، والنسائي (715)، والترمذي (1419) واللفظ للنسائي والترمذي. وقال الترمذي: «حديث حسن». ولفظ أبي داود: «من أريد ماله بغير حق، فقاتل فقتل، فهو شهيد». وهو أيضا رواية للنسائي، والترمذي وقال: «حديث حسن صحيح». وأخيرا لابد من التنبيه إلى أن الحديث باللفظ الذي ذكره الحافظ. رواه البخاري (2480)، ومسلم (141)، ومن حديث عبد الله بن عمرو. وأما إن كان الصحابي «عبد الله بن عمر» كما في النسخة (أ) - وهذا هو الذي اعتمده شارح «البلوغ» فقال: وأخرجه البخاري من حديث عبد الله بن عمرو بن العاص - فلم يروه أحد ممن ذكرهم الحافظ. وإنما حديث ابن عمر عند ابن ماجه فقط (2581)، ولفظه: «من أُتِيَ عند ماله فقوتل فقاتل، فقتل، فهو شهيد» وهو صحيح، وإن كان عند ابن ماجه بإسناد ضعيف. وانظر الحديث الآتي برقم (1256)
১১৯৮। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হবে সে শহীদ ব্যক্তির সমতুল্য মর্যাদা পাবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪১, তিরমিযী ১৪১৯, ১৪২০, নাসায়ী ৪০৮৪, ৪০৮৫, ৪০৮৬, আহমাদ ৬৬৮৬, ৬৭৭৭, ৬৭৮৪, ৬৮৮৩, বুখারী।
وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَاتَلَ يُعْلَى بْنُ أُمَيَّةَ رَجُلًا, فَعَضَّ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ, فَنَزَعَ ثَنِيَّتَهُ, فَاخْتَصَمَا إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «أَيَعَضُّ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ كَمَا يَعَضُّ الْفَحْلُ لَا دِيَةَ لَهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6892)، وزاد مسلم (1673)، وزاد مسلم: «فانتزع يده من فمه» بعد قوله: «صاحبه»، وليس عنده لفظ: «أخاه» وهو عند البخاري
১১৯৯। ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ইউলা বিন উমাইয়াহ এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়া করলো। একে অন্যের হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। সে তার হাত ঐ লোকের মুখ থেকে টেনে বের করল। ফলে তার দুটো দাঁত উপড়ে গেল। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তাদের মুকাদ্দমা হাজির করল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের কেউ তার ভাইকে কি কামড়াবে উট যেমন কামড়ায়? তোমার জন্য কোন রক্তপণ নেই।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৭৩, তিরমিযী ১৪১৬, নাসায়ী ৪৭৫৮, ৪৭৫৯, ৪৭৬০, ৪৭৬১, ৪৭৬২, ইবনু মাজাহ ২৬৫৭, আহমাদ ১৯৩২৮, ১২০০।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ - صلى الله عليه وسلم: «لَوْ أَنَّ امْرَأً اطَّلَعَ عَلَيْكَ بِغَيْرِ إِذْنٍ, فَحَذَفْتَهُ بِحَصَاةٍ, فَفَقَأْتَ عَيْنَهُ, لَمْ يَكُنْ عَلَيْكَ جُنَاحٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي لَفْظٍ لِأَحْمَدَ, وَالنَّسَائِيِّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ: «فَلَا دِيَةَ لَهُ وَلَا قِصَاصَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6902)، ومسلم (2158)
رواه أحمد (243)، والنسائي (8/ 61) وابن حبان (5972)
১২০০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন লোক কোন অনুমতি ছাড়াই তোমার দিকে উঁকি মারে আর তুমি তাকে কাঁকর ছুঁড়ে মার ও তার চক্ষু নষ্ট করে ফেল তবে তোমার কোন দোষ হবে না।
আহমাদ ও নাসায়ীর শব্দে রয়েছে, এর জন্য দিয়াত বা কিসাস নেই। ইবনু হিব্বান এ বর্ধিত অংশকে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৮৮, ৬৯০২, ২১৫৮, নাসায়ী ৪৮৬১, মুসলিম ২১৫৮, আবূ দাউদ ৫১৭২ আহমাদ ৭৫৬১।
وَعَنْ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّ حِفْظَ الْحَوَائِطِ بِالنَّهَارِ عَلَى أَهْلِهَا, وَأَنْ حِفْظَ الْمَاشِيَةِ بِاللَّيْلِ عَلَى أَهْلِهَا, وَأَنَّ عَلَى أَهْلِ الْمَاشِيَةِ مَا أَصَابَتْ مَاشِيَتُهُمْ بِاللَّيْلِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ وَفِي إِسْنَادِهِ اِخْتِلَافٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. والخلاف المشار إليه هو في وصله وإرساله، ولكنه جاء بسند صحيح موصول كما عند أبي داود وابن ماجه وغيرهما، وفي الأصل تفصيل لطرق الحديث
১২০১। বারা ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিম্নরূপ) ফায়সালা প্রদান করেছিলেনঃ বাগ-বাগিচার দেখাশোনার দায়িত্ব দিনের বেলা তার মালিকের উপর (দিনের বেলা লোকসানের জন্য মালিক দায়ী থাকবে)। গৃহপালিত জন্তুর রাতের বেলায় দেখাশোনার দায়িত্ব তার মালিকের উপর ন্যস্ত। রাত্রিবেলায় গৃহপালিত পশুর ক্ষতির জন্য পশুর মালিক দায়ী থাকবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ৩৫৬৯, ইবনু মাজাহ ২৩৩২।
وَعَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ - رضي الله عنه - فِي رَجُلٍ أَسْلَمَ ثُمَّ تَهَوَّدَ -: لَا أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ, قَضَاءُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ, فَأُمِرَ بِهِ, فَقُتِلَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ لِأَبِي دَاوُدَ: وَكَانَ قَدِ اسْتُتِيبَ قَبْلَ ذَلِكَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6923)، ومسلم (3456 - 1457/رقم 15)، وهو بتمامه من طريق أبي بردة قال: قال أبو موسى: أقبلت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ومعي رجلان من الأشعريين، أحدهما عن يميني، والآخر عن يساري، فكلاهما سأل العمل. والنبي صلى الله عليه وسلم يستاك. فقال: «ما تقول يا أبا موسى! أو يا عبد الله بن قيس»؟ قال: فقلت: والذي بعثك بالحق! ما أطلعاني على ما في أنفسهما. وما شعرت أنهما يطلبان العمل. قال: وكأني أنظر إلى سواكه تحت شفته، وقد قلصت. فقال: «لن. أو لا نستعمل على عملنا من أراده. ولكن اذهب أنت يا أبا موسى. أو يا عبد الله بن قيس» فبعثه على اليمن. ثم أتبعه معاذ بن جبل، فلما قدم عليه قال: انزل. وألقى له وسادة. وإذا رجل عنده موثق. قال: ما هذا؟ قال: هذا كان يهوديا فأسلم، ثم راجع دينه؛ دين السوء. فتهود. قال: لا أجلس حتى يقتل. قضاء الله ورسوله. فقال: اجلس. نعم. قال: لا أجلس حتى يقتل. قضاء الله ورسوله (ثلاث مرات) فأمر به. فقتل. ثم تذاكرا القيام من الليل. قال أحدهما؛ معاذ: أما أنا فأنام وأقوم، وأرجو في نومتي ما أرجو في قومتي
رواه أبو داود (4355)
১২০২। মুয়ায ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত- তিনি একজন নব মুসলিমের পুনঃ ইয়াহুদী হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে বলেছিলেন: আল্লাহ ও তার রাসূলের ফায়সালা অনুযায়ী তাকে হত্যা না করিয়ে আমি বসছি না। ফলে তাকে হত্যা করার আদেশ দেয়া হল ও তাকে হত্যা করা হল।[1]
আবূ দাউদের বর্ণনায় আছে, হত্যা করার আগে তওবা করে ইসলাম ধর্মে ফিরে আসার আহবান করা হয়েছিল।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৯২৩, মুসলিম ১৮২৪।
قال أبو موسى: أقبلت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ومعي رجلان من الأشعريين، أحدهما عن يميني، والآخر عن يساري، فكلاهما سأل العمل. والنبي صلى الله عليه وسلم يستاك. فقال: «ما تقول يا أبا موسى! أو يا عبد الله بن قيس»؟ قال: فقلت: والذي بعثك بالحق! ما أطلعاني على ما في أنفسهما. وما شعرت أنهما يطلبان العمل. قال: وكأني أنظر إلى سواكه تحت شفته، وقد قلصت. فقال: «لن. أو لا نستعمل على عملنا من أراده. ولكن اذهب أنت يا أبا موسى. أو يا عبد الله بن قيس» فبعثه على اليمن. ثم أتبعه معاذ بن جبل، فلما قدم عليه قال: انزل. وألقى له وسادة. وإذا رجل عنده موثق. قال: ما هذا؟ قال: هذا كان يهوديا فأسلم، ثم راجع دينه؛ دين السوء. فتهود. قال: لا أجلس حتى يقتل. قضاء الله ورسوله. فقال: اجلس. نعم. قال: لا أجلس حتى يقتل. قضاء الله ورسوله (ثلاث مرات) فأمر به. فقتل. ثم تذاكرا القيام من الليل. قال أحدهما؛ معاذ: أما أنا فأنام وأقوم، وأرجو في نومتي ما أرجو في قومتي
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলাম। আমার সঙ্গে আশ’আরী গোত্রের দু’জন লোক ছিল। একজন আমার ডানদিকে, অপরজন আমার বামদিকে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিসওয়াক করছিলেন। উভয়েই তাঁর কাছে আবদার জানাল। তখন তিনি বললেন, হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! রাবী বলেন, আমি বললাম : ঐ সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন, তারা তাদের অন্তরে কী আছে তা আমাকে জানায়নি এবং তারা যে চাকরি প্রার্থনা করবে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি যেন তখন তাঁর ঠোঁটের নিচে মিসওয়াকের প্রতি লক্ষ্য করছিলাম যে তা এক কোণে সরে গেছে। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের কাজে এমন কাউকে নিযুক্ত করব না বা করি না যে নিজেই তা চায়। বরং হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! তুমি ইয়ামানে যাও। এরপর তিনি তার পেছনে মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে পাঠালেন। যখন তিনি সেখানে পৌছলেন, তখন আবূ মূসা (রাঃ) তার জন্য একটি গদি বিছালেন আর বললেন, নেমে আসুন। ঘটনাক্রমে তার কাছে একজন লোক শেকলে বাঁধা ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ঐ লোকটি কে? আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, সে প্রথমে ইয়াহুদী ছিল এবং মুসলিম হয়েছিল। কিন্তু আবার সে ইয়াহুদী হয়ে গেছে। আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, বসুন। মু’আয (রাঃ) বললেন, না, বসব না, যতক্ষণ না তাকে হত্যা করা হবে। এটাই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ফায়সালা। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। এরপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হল এবং তাকে হত্যা করা হল। তারপর তাঁরা উভয়েই কিয়ামুল লায়ল (রাত্রি জাগরণ) সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তখন একজন বললেন, আমি কিন্তু ইবাদতও করি, নিদ্ৰাও যাই। আর নিদ্রার অবস্থায় ঐ আশা রাখি যা ‘ইবাদাত অবস্থায় রাখি।
[2] বুখারী ২২৬১, ৭১৪৯, ৭১,৫৬, নাসায়ী ৪, ৫৩৮২, আবূ দাউদ২৯৩০, ৩৫৭৯, ৪৩৫৪, আহমাদ ১৯১৬৭, ১৯১৮৮।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6922) من طريق عكرمة قال: أُتِىَ عليٌّ رضي الله عنه بزنادقةٍ فأحرقهم، فبلغ ذلك ابن عباس، فقال: لو كنت أنا لم أحرقهم؛ لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تعذبوا بعذاب الله»، ولقتلتهم لقول رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره
১২০৩। ইবনু আব্বাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে কেউ তার দীন বদলে ফেলে তাকে তোমরা হত্যা কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩০১৭, তিরমিযী ১৪৫৮, নাসায়ী ৪০৫৯, ৪০৬০, আর দাউদ ৪৩৫১, ইবনু মাজাহ ২৫৩৫, আহমাদ ১৮৭৪, ১৯০৪, ২৫৪৭।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ; - أَنَّ أَعْمَى كَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدَ تَشْتُمُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَتَقَعُ فِيهِ, فَيَنْهَاهَا, فَلَا تَنْتَهِي, فَلَمَّا كَانَ ذَاتَ لَيْلَةٍ أَخْذَ الْمِعْوَلَ, فَجَعَلَهُ فِي بَطْنِهَا, وَاتَّكَأَ عَلَيْهَا. فَقَتَلَهَا فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «أَلاَ اشْهَدُوا أَنَّ دَمَهَا هَدَرٌ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه أبو داود (4361)
১২০৪। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক অন্ধ সাহাবীর একটা সন্তানের মাতা দাসী ছিল, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে গালি দিত এবং তাঁর প্রসঙ্গে অশোভনীয় মন্তব্য করত। সাহাবী তাকে নিষেধ করতেন কিন্তু সে বিরত হত না। এক রাত্রে অন্ধ সাহাবী (তার এরূপ দুব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে) কুড়ালি জাতীয় এক অস্ত্র দিয়ে ঐ দাসীর পেটে বাসিয়ে দেন ও তার উপর বসে যান ও তাকে হত্যা করে ফেলেলন। এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে পৌছালে তিনি বলেন: তোমরা সাক্ষী থাক, এ খুন বাতিল এ জন্য কোন খেসারত দিতে হবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৩৬১, নাসায়ী ৪০৭০।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ مُحَمَّدُ بْنُ الفَضْلِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: أُتِيَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، بِزَنَادِقَةٍ فَأَحْرَقَهُمْ، فَبَلَغَ ذَلِكَ ابْنَ عَبَّاسٍ، فَقَالَ: لَوْ كُنْتُ أَنَا لَمْ أُحْرِقْهُمْ، لِنَهْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ تُعَذِّبُوا بِعَذَابِ اللَّهِ» وَلَقَتَلْتُهُمْ، لِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فذكره
ইকরিমাহ (রহঃ) হতে। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে একদল ফিন্দীককে (নাস্তিক ও ধর্মত্যাগীকে) আনা হল। তিনি তাদেরকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিলেন। এ ঘটনা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পৌছলে তিনি বললেন, আমি কিন্তু তাদেরকে পুড়িয়ে ফেলতাম না। কেননা, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিষেধাজ্ঞা আছে যে, তোমরা আল্লাহর শাস্তি দ্বারা শাস্তি দিও না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। কারণ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ আছে ................ অতঃপর উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলেন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عنهما - أَنَّ رَجُلًا مِنَ الْأَعْرَابِ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ إِلَّا قَضَيْتَ لِي بِكِتَابِ اللَّهِ, فَقَالَ الْآخَرُ - وَهُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ - نَعَمْ. فَاقْضِ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ, وَأْذَنْ لِي, فَقَالَ: «قُلْ». قَالَ: إنَّ ابْنِي كَانَ عَسِيفًا عَلَى هَذَا فَزَنَى بِامْرَأَتِهِ, وَإِنِّي أُخْبِرْتُ أَنَّ عَلَى ابْنِي الرَّجْمَ, فَافْتَدَيْتُ مِنْهُ بِمَائَةِ شَاةٍ وَوَلِيدَةٍ, فَسَأَلَتُ أَهْلَ الْعِلْمِ, فَأَخْبَرُونِي: أَنَّمَا عَلَى ابْنِيْ جَلْدُ مَائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ, وَأَنَّ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا الرَّجْمَ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ, لَأَقْضِيَنَّ بَيْنَكُمَا بِكِتَابِ اللَّهِ, الْوَلِيدَةُ وَالْغَنَمُ رَدٌّ عَلَيْكَ, وَعَلَى ابْنِكَ جَلْدُ مِائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ, وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ إِلَى امْرَأَةِ هَذَا, فَإِنْ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, هَذَا وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5/ 301/فتح)، ومسلم (3324 - 1325) وتمامه: فغدا عليها. فاعترفت. فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرجمت
১২০৫। আবূ হুরাইরা ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি যে, আপনি আল্লাহর কিতাব মুতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন। তখন তার প্রতিপক্ষ যে এর থেকেও বেশি বাকপটু সে দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মুতাবেক ফয়সালা করুন এবং আমাকে কথা বলার অনুমতি দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি বলো। তখন বেদুঈন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে। লোকেরা আমাকে বললো, তোমার ছেলের উপর রজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে।
তখন আমার ছেলেকে একশ বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট হতে মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ বেত্ৰাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে। আর এ নারীকে রজম করতে হবে। সব শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে সত্ত্বার হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মুতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ বেত্ৰাঘাতসহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে। আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ‘হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে, সে যিনা করার স্বীকৃতি দিলে তাকে রজম করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩১৫, ২৬৪৯, ২৭২৫, মুসলিম ১৬৯৮, তিরমিযী ১৪৩৩, নাসায়ী ৫৪১০, ৫৪১১, আবূ দাউদ ৪৪৪৫, ইবনু মাজাহ ২৫৪৯, আহমাদ ১৬৫৯০, মালেক ১৫৫৬, দারেমী ২৩১৭।
وَعَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خُذُوا عَنِّي, خُذُوا عَنِّي, فَقَدْ جَعَلَ اللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلًا, الْبِكْرُ بِالْبِكْرِ جَلْدُ مِائَةٍ, وَنَفْيُ سَنَةٍ, وَالثَّيِّبُ بِالثَّيِّبِ جَلْدُ مِائَةٍ, وَالرَّجْمُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1690)
১২০৬। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার কাছ থেকে নাও আমার কাছে থেকে নাও, অবশ্য আল্লাহ ব্যভিচারিণীদের জন্য ব্যবস্থা করেছেন; তা হচ্ছে, কুমার-কুমারী ব্যভিচার করলে তাদের শাস্তি হবে- একশত বেত্ৰাঘাত ও এক বছরের জন্য দেশ হতে বহিষ্কার করা, আর বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিতা স্ত্রীলোক যিনা করলে তাদের প্রত্যেককে একশ করে দুররা মারা ও রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) করা হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৯০, তিরমিযী ১৪৩৪, আবূ দাউদ ৪৪১৫, ইবনু মাজাহ ২৫৫০, আহমাদ ২২,১৫৮, ২২১৯৫, ২২২০৮, দারেমী ২৩২৭।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: أَتَى رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ - فَنَادَاهُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي زَنَيْتُ, فَأَعْرَضَ عَنْهُ, فَتَنَحَّى تِلْقَاءَ وَجْهِهِ, فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي زَنَيْتُ, فَأَعْرَضَ عَنْهُ, حَتَّى ثَنَّى ذَلِكَ عَلَيْهِ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ, فَلَمَّا شَهِدَ عَلَى نَفْسِهِ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ. دَعَاهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ «أَبِكَ جُنُونٌ» قَالَ. لَا. قَالَ: «فَهَلْ أَحْصَنْتَ». قَالَ: نَعَمْ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «اذْهَبُوا بِهِ فَارْجُمُوهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (5271)، ومسلم (1691) (16)
১২০৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, এক মুসলিম ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। তিনি তখন মসজিদে ছিলেন। সে তাঁকে ডেকে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি যিনা করেছি। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এভাবে কথাটি সে চারবার বলল। যখন সে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য দিল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মধ্যে কি পাগলামির দোষ আছে? সে বলল, না। তিনি বললেন: তাহলে কি তুমি বিবাহিতা? সে বলল, হ্যাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা তাকে নিয়ে যাও আর পাথর মেরে হত্যা করো।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮১৫, ৬৮২৫, ৭১৬৭, মুসলিম ১৬৯১, তিরমিযী ১৪২৮, ১৪২৯, নাসায়ী ১৯৫৬, আবূ দাউদ ৪৪২৮, ৪৪৩০, আহমাদ ৭৭৯০, ২৭২১৭, ৯৫৩৫।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: لَمَّا أَتَى مَاعِزُ بْنُ مَالِكٍ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُ: «لَعَلَّكَ قَبَّلْتَ, أَوْ غَمَزْتَ, أَوْ نَظَرْتَ» قَالَ: لَا، يَا رَسُولَ اللَّهِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6824) وتمامه: قال: أنكتها -لا يكني- قال: فعند ذلك أمر برجمه
১২০৮। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, যখন মায়িয ইবনু মালিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল তখন তাকে বললেন সম্ভবত তুমি চুম্বন করেছ অথবা ইশারা করেছ অথবা (খারাপ দৃষ্টিতে) তাকিয়েছ? সে বলল, না, হে আল্লাহর রসূল![1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮২৪, মুসলিম ১৬৯৩, তিরমিযী ১৪২৭, আর দাউদ ৪৪২১, ৪৪২৬, ৪৪২৭, আহমাদ ২১৩০, ২৩১০, ২৪২৯। হাদীসটির বাকী অংশ হচ্ছেঃ قال: أنكتها -لا يكني- قال: فعند ذلك أمر برجمه তিনি বললেন: তাহলে কি তার সঙ্গে তুমি সঙ্গম করেছ? কথাটি তিনি তাকে অস্পষ্টভাবে জিজ্ঞেস করেননি, (বরং স্পষ্টভাবে জিজ্ঞেস করেছেন)। সে বলল, হ্যাঁ। তখন তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। বুখারী ৬৮২৪, মুসলিম ১৬৯৩, তিরমিযী ১৪২৭, আবূ দাউদ ৪৪২১, ৪৪২৬, ৪৪২৭, আহমাদ ২১৩০, ২৩১০, ২৪২৯।