হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1169)


وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ; أَنَّ عُمَرَ - رضي الله عنه - سَأَلَ مَنْ شَهِدَ قَضَاءَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْجَنِينِ قَالَ: فَقَامَ حَمَلُ بْنُ النَّابِغَةِ, فَقَالَ: كُنْتُ بَيْنَ امْرَأَتَيْنِ, فَضَرَبَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى ... فَذَكَرَهُ مُخْتَصَرًا. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (4572)، والنسائي (81 - 22) وأيضا ابن ماجة (2641)، وابن حبان (5989)، والحاكم (3/ 575) بسند صحيح، وتمامه: «بمسطح، فقتلتها وجنينها، فقضى النبي صلى الله عليه وسلم في جنينها بغرة، وأن تقتل بها». وزاد الحاكم: فقال عمر: الله أكبر. لو لم نسمع بهذا ما قضينا بغيره




১১৬৯। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ভ্ৰমণ সম্পর্কিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফয়সালায় কে উপস্থিত ছিল? বৰ্ণনাকারী বলেন, অতঃপর হামাল ইবনু নাবিগা দাঁড়িয়ে বলেন: আমি দুটি রমণির মধ্যে ছিলাম তাদের একজন অন্যজনকে মেরেছিল। ঘটনাটি সংক্ষেপে বর্ণনা করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ-৪৫৭২, ইবনু মাজাহ ২৬৪১, আহমাদ ১৬২৮৮, দারেমী ২৩৮১।









বুলূগুল মারাম (1170)


وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ - عَمَّتَهُ - كَسَرَتْ ثَنِيَّةَ جَارِيَةٍ, فَطَلَبُوا إِلَيْهَا الْعَفْوَ, فَأَبَوْا, فَعَرَضُوا الْأَرْشَ, فَأَبَوْا, فَأَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَأَبَوْا إِلَّا الْقِصَاصَ, فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِالْقِصَاصِ, فَقَالَ أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَتُكْسَرُ ثَنِيَّةُ الرُّبَيِّعِ? لَا, وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ, لَا تُكْسَرُ ثَنِيَّتُهَا, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «يَا أَنَسُ! كِتَابُ اللَّهِ: الْقِصَاصُ». فَرَضِيَ الْقَوْمُ, فَعَفَوْا, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2703)، ومسلم (1675)




১১৭০। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আনাসের ফুফু রুবাঈ এক বাঁদির সম্মুখ দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। এরপর বাঁদির কাছে রুবাঈয়ের লোকজন ক্ষমা চাইলে বাঁদির লোকেরা অস্বীকার করে। তখন তাদের কাছে দিয়াত পেশ করা হল, তখন তা তারা গ্রহণ করল না। অগত্যা তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এসে ঘটনা জানাল। কিন্তু কিসাস ব্যতীত অন্য কিছু গ্ৰহণ করতে তারা অস্বীকার করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসাসের নির্দেশ দিলেন। তখন আনাস ইবনু নযর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! রুবাঈদের সামনের দাঁত ভাঙ্গা হবে? না, যে সত্তা আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন তাঁর শপথ, তার দাঁত ভাঙ্গা হবে না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আনাস! আল্লাহর কিতাব তো কিসাসের নির্দেশ দেয়। এরপর বাঁদির লোকেরা রাযী হয়ে যায় এবং রুবাঈকে ক্ষমা করে দেয়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহর বান্দাদের মাঝে এমন মানুষও আছে যিনি আল্লাহর নামে শপথ করলে আল্লাহ তা পূরণ করেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৮০৬, ৪০৪৮, ৪৪৯৯, ৪৫০০, ৪৭৮৩, মুসলিম ১৯০৩, নাসায়ী ৪৭৫৫, ৪৭৫৬, আর দাউদ ৪৫৯৫, ইবনু মাজাহ ২৬৪৯, আহমাদ ১১৮৯৩, ১২২৯৩, ১২৬০৩।









বুলূগুল মারাম (1171)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قُتِلَ فِي عِمِّيَّا أَوْ رِمِّيَّا بِحَجَرٍ, أَوْ سَوْطٍ, أَوْ عَصًا, فَعَلَيْهِ عَقْلُ الْخَطَإِ, وَمِنْ قُتِلَ عَمْدًا فَهُوَ قَوَدٌ, وَمَنْ حَالَ دُونَهُ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, بِإِسْنَادٍ قَوِيٍّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (4540)، والنسائي (8/ 39 - 40 و 40)، وابن ماجه (3635)، من طريق سليمان بن كثير العبدي، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن ابن عباس، مرفوعا به. وتمامه: «والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل الله منه صرفا ولا عدلا». قلت: وسليمان بن كثير فيه كلام وهو من رجال الشيخين، ويخشى من روايته عن الزهيري، وهذه ليس منها، فلا أقل من أن يكون حسن الحديث. والله أعلم




১১৭১। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞাত অবস্থার মধ্যে নিহত হয় অথবা পাথর ছোঁড়াছুঁড়ি হচ্ছে এমন সময় পাথরের আঘাতে নিহত হয় অথবা কোড়া বা লাঠির আঘাতে নিহত হয়, তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুলক্রমে হত্যা করার অনুরূপ দিয়াত বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ লাগবে। আর যাকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয় সে ক্ষেত্রে কিসাস (জানের বদলে জান) নেয়ার হাক্বদার হবে। আর যে কিসাস কায়িম করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে (সুপারিশ বা অন্য উপায় দ্বারা) তার উপরে আল্লাহর লানত বৰ্ষিত হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৪০, ৪৫৯১ নাসায়ী ৪৭৮৯, ৪৭৯০।









বুলূগুল মারাম (1172)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا أَمْسَكَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ, وَقَتَلَهُ الْآخَرُ, يُقْتَلُ الَّذِي قَتَلَ, وَيُحْبَسُ الَّذِي أَمْسَكَ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ مَوْصُولًا وَمُرْسَلًا, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْقَطَّانِ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّ الْبَيْهَقِيَّ رَجَّحَ الْمُرْسَلَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. وهو مخرج في «الأقضية النبوية» لابن الطلاع ص (8 منسوختي)




১১৭২। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যখন কোন লোক কোন লোককে ধরে রাখে ও অন্য লোক তাকে হত্যা করে তখন হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে। আর যে ধরে রাখে তাকে (যাবজ্জীবন) কারাদন্ড দিতে হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী হাদীসটিকে মাওসূল ও মুরসাল উভয়ভাবেই বর্ণনা করেছেন। হাদীসটিকে বাইহাকী তাঁর আল কুবরা (৮/৫০) গ্রন্থে হাদীসটিকে গাইর মাহফূয বললেও, ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম (৫/৪১৫) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন, ইবনু কাসীর তাঁর ইরশাদুল ফাকীহ (২/২৫৬) গ্রন্থে এর সানাদকে মুসলিমের শর্তে উল্লেখ করেছেন। ইমাম শাওকানী তাঁর আস সাইলুল জাররার (৪/৪১১) গ্রন্থে এর সকল রাবীকে বিশ্বস্ত বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (৩৪১৫) গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন। সুতরাং ইমাম বাইহাকীর কথাটি গ্রহণযোগ্য নয়।









বুলূগুল মারাম (1173)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَتَلَ مُسْلِمًا بِمَعَاهِدٍ. وَقَالَ: «أَنَا أَوْلَى مَنْ وَفَى بِذِمَّتِهِ». أَخْرَجَهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ هَكَذَا مُرْسَلًا
وَوَصَلَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, بِذِكْرِ اِبْنِ عُمَرَ فِيهِ, وَإِسْنَادُ الْمَوْصُولِ وَاهٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. والمرسل رواه عبد الرزاق (1001 / رقم 18514) عن الثوري، عن ربيعة، عن ابن البيلماني به. وهذا فضلا عن إرساله، فمرسله ضعيف لا يحتج به، فقد قال الدارقطني: «ابن البيلماني ضعيف لا تقوم به حجة إذا وصل الحديث، فكيف بما يرسله؟!». وأما الموصول: فرواه الدارقطني (334 - 13565) من طريق إبراهيم بن محمد الأسلمي، عن ربيعة، عن ابن البيلماني، عن ابن عمر، به. وقال الدارقطني: «لم يسنده غير إبراهيم بن أبي يحيى، وهو متروك الحديث». قلت: بل كذبه بعضهم، وابن البيلماني ضعيف. وثم علة أخرى، وهي نكارة هذا المتن إذ يعارض الحديث الصحيح المتقدم برقم (1163) وهو قوله صلى الله عليه وسلم: لا يقتل مسلم بكافر




১১৭৩। আব্দুর রহমান ইবনু বাইলামানী (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুসলিমকে হত্যা করেছিলেন- যিম্মী কাফিরকে হত্যা করার অপরাধে। এবং বলেছিলেন, আমি (অঙ্গিকার) পালনকারীদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি। দারাকুত্বনী ইবনু উমারের উল্লেখপূর্বক একে মাওসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাওসূল সানাদটি দুর্বল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম ৩/৩৭৮ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসে ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন আবূ লায়লা নামক একজন দুর্বল রাবী রয়েছে। ইবনু উসাইমীন তার শরহে বুলুগুল মারাম ৫/২৫৫ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ ও মতন উভয়ই দুর্বল। ইমাম ত্বহাবী তাঁর শরহে মাআনী আল আসার ৩/১৯৫ গ্রন্থে হাদীসটিকে মুনকাতি বলেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর ফাতহুল বারী ১২/২৭৩ গ্রন্থে বলেন, এতে আম্মার বিন মিত্বর এর সানাদে গোপন রয়েছেন।









বুলূগুল মারাম (1174)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قُتِلَ غُلَامٌ غِيلَةً, فَقَالَ عُمَرُ: «لَوِ اشْتَرَكَ فِيهِ أَهْلُ صَنْعَاءَ لَقَتَلْتُهُمْ بِهِ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6896) وليس عنده لفظ: به




১১৭৪। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; একটি বালককে গোপনে হত্যা করা হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি গোটা সানআবাসী এতে অংশ নিত তাহলে আমি তাদেরকে হত্যা করতাম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৯৬, তিরমিযী ১৩৯২, নাসায়ী ৪৮৪৭, ৪৮৪৮, আবূ দাউদ ৪৫৫৮, ইবনু মাজাহ ২৬৫২, আহমাদ ২০০০, ২৬১৬, মালেক ১৬১৫।









বুলূগুল মারাম (1175)


وَعَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «فَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ بَعْدَ مَقَالَتِي هَذِهِ, فَأَهْلُهُ بَيْنَ خِيَرَتَيْنِ: إِمَّا أَنْ يَأْخُذُوا الْعَقْلِ أَوْ يَقْتُلُوا». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (4504)، والترمذي (1406) بسند صحيح. وقال الترمذي: «حديث حسن صحيح». «تنبيه» قوله: رواه النسائي، وهم من الحافظ رحمه الله، وإنما رواه من أصحاب السنن الترمذي كما ترى، ويؤكد ذلك عدم عزو المزي (925) الحديث للنسائي




১১৭৫। আবূ শুরাইহ খুযাঈ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার এ ঘোষণার পর কোন খুনের বদলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ (দিয়াত) গ্ৰহণ করবে, নয় সে প্রাণদন্ডের (কিসাসের) দাবী করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫০৪, তিরমিযী ১৪০৪, আহমাদ ১৫৯৩৮, ১৫৯৪২।









বুলূগুল মারাম (1176)


وَأَصْلُهُ فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ بِمَعْنَاهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه البخاري (6880)، ومسلم (1355) عن أبي هريرة من حديث طويل، وفيه: «ومن قتل له قتيل، فهو بخير النظرين؛ إما أن يُودَى، وإما أن يقاد» لفظ البخاري. ولفظ مسلم: إما أن يفدى، وإما أن يقتل




১১৭৬। এর মূল বক্তব্যটি অনুরূপ অর্থে হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বুখারী ও মুসলিমে বিদ্যমান আছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১২, ২৪৩৪, ৬৪০১, মুসলিম ১৩৫৫, আর দাউদ ২০১৭, ৩৬৪৯, ইবনু মাজাহ ২৬২৪, আহমাদ ৭২০১, দারেমী ২৬০০। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে লম্বা হাদীসে রয়েছে, ومن قتل له قتيل، فهو بخير النظرين؛ إما أن يُودَى، وإما أن يقاد আর যার কাউকে হত্যা করা হয় সে দু’ প্রকার দণ্ডের যে কোন একটি দেয়ার অধিকার লাভ করবে। হয়ত রক্তপণ নেয়া হবে, নতুবা কিসাস নেয়া হবে।









বুলূগুল মারাম (1177)


عَنْ أَبِي بَكْرٍ بْنِ مُحَمَّدٍ بْنِ عَمْرِوِ بْنِ حَزْمٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ, وَفِيهِ: «أَنَّ مَنِ اعْتَبَطَ مُؤْمِنًا قَتْلًا عَنْ بَيِّنَةٍ, فَإِنَّهُ قَوَدٌ, إِلَّا أَنْ يَرْضَى أَوْلِيَاءُ الْمَقْتُولِ, وَإِنَّ فِي النَّفْسِ الدِّيَةَ مِائَةً مِنْ الْإِبِلِ, وَفِي الْأَنْفِ إِذَا أُوعِبَ جَدْعُهُ الدِّيَةُ, وَفِي اللِّسَانِ الدِّيَةُ, وَفِي الشَّفَتَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الذَّكَرِ الدِّيَةُ, وَفِي الْبَيْضَتَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الصُّلْبِ الدِّيَةُ, وَفِي الْعَيْنَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الرِّجْلِ الْوَاحِدَةِ نِصْفُ الدِّيَةِ, وَفِي الْمَأْمُومَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ, وَفِي الْجَائِفَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ, وَفِي الْمُنَقِّلَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ مِنَ الْإِبِلِ, وَفِي كُلِّ إِصْبَعٍ مِنْ أَصَابِعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ عَشْرٌ مِنَ الْإِبِلِ, وَفِي السِّنِّ خَمْسٌ مِنَ الْإِبِلِ وَفِي الْمُوضِحَةِ خَمْسٌ مِنَ الْإِبِلِ, وَإِنَّ الرَّجُلَ يُقْتَلُ بِالْمَرْأَةِ, وَعَلَى أَهْلِ الذَّهَبِ أَلْفُ دِينَارٍ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي «الْمَرَاسِيلِ» وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ الْجَارُودِ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَأَحْمَدُ, وَاخْتَلَفُوا فِي صِحَّتِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف؛ لإرساله، ولأنه من رواية سليمان بن أرقم، وهو متروك، وفي الحديث كلام كثير، وقد فصلت القول فيه في الأصل




১১৭৭। আবূ বকর তার পিতা মুহাম্মাদ হতে তিনি তার দাদা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামান প্রদেশের অধিবাসীবৃন্দকে লিখেছিলেন ঐ হাদীসে (ঐ পত্রে) এটাও লিখেছিলেন-এটা নিশ্চিত যে, কেউ যদি কোন মুমিন মুসলিমকে বিনা অপরাধে হত্যা করে এবং ঐ হত্যা প্রমাণিত হয় তবে তাতে প্রাণদন্ড হবে; কিন্তু নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ যদি অন্য কোনভাবে (ক্ষমা করতে বা ক্ষতিপূরণ নিতে) রাজি হয় তবে তার প্রাণদন্ড হবে না। প্রাণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে একশত উট দেয়া হবে। নাক যদি সম্পপূর্ণরূপে কেটে ফেলা হয় তবে তাতে একশত উট দেয়া হবে; জিহ্বা কেটে ফেলা হলে পূর্ণ দিয়াত (১০০ উট) দেয়া হবে; উভয় ঠোঁট কেটে ফেলা হলে পুর্ণ দিয়াত দিতে হবে; পুরুষাঙ্গ কাটা হলে পূর্ণ খেসারত (১০০ উট) দেয়া হবে; উভয় অন্ডকোষ নষ্ট করা হলে পূর্ণ দিয়াত লাগবে; এবং মেরুদন্ড ভেঙ্গে ফেললে পূর্ণ দিয়াত লাগবে। (একটা অন্ডকোষের জন্য ৫০টি উট দেয়া।) উভয় চক্ষু নষ্ট করা হলে একশত উট দেয়া হবে।



তারপর এক পায়ের জন্য অর্ধেক এবং অর্ধেক মাথার আঘাত প্রাপ্ত হলে এক তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে; পেটে কিছু বিদ্ধ করা হলে (যদি তা পেটের ভিতরে গিয়ে পৌছে।) তবে এক তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে; আঘাতের জন্য হাড় ভেঙ্গে গেলে বা স্থানান্তরিত হয়ে গেলে ১৫টি উট, হাত পায়ের আঙ্গুলগুলোর যে কোন ১টির জন্য ১০টি উট, একটি দাঁতের জন্য ৫টি উট, যে আঘাতের ফলে মাথা ও মুখ ছাড়া হাড় ঠেলে উঠে বা অন্য কোন কারণে দৃশ্যমান হয়ে উঠে তাতে ৫টি উট দেয়া হবে।



তারপর এটাও নিশ্চিত যে, (কোন পুরুষ কোন রমণীকে হত্যা করে তবে) নিহত স্ত্রীলোকের কারণে হত্যাকারী অপরাধী পুরুষকে হত্যা করা হবে। হত্যাকারীর যদি স্বর্ণমুদ্রা থাকে। তবে সে এক হাজার দিনার (স্বর্ণমাদ্রা) নিহতের ওয়ারিসকে প্রদান করবে।



হাদীসটি আবূ দাউদতার মুরসাল সানাদের হাদীগুলোর মধ্যে রিওয়ায়াত করেছেন। নাসাঈ, ইবনু খুযাইমাহ, ইবনুল হিব্বান, আহমদ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সহীহ হওয়া প্রসঙ্গে মুহাদ্দিসগণের মতভেদ রয়েছে। (মুরসাল সানাদ প্রসঙ্গে এরূপ অভিমত, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হাদীসটি ফুকাহাগণের নিকটে স্বীকৃতি লাভ করেছে ও এ হাদীসের উপর আমল হয়ে আসছে।)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম শওক্কানী তাঁর আস সাইলুল জাররার ৪/৪৪৩ গ্রন্থে বলেন, ইমামগণ তাকে গ্ৰহণ করেছেন। শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী ৪৮৬৮ গ্রন্থে একে যঈফ উল্লেখ করে বলেন, এর অধিকাংশের শাহিদ রয়েছে। আর তিনি তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩৪২১ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে: সানাদটি মুরসালের দোষে দুষ্ট। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম ৫/২৬১ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মুরসাল।









বুলূগুল মারাম (1178)


وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «دِيَةُ الْخَطَأَ أَخْمَاسًا: عِشْرُونَ حِقَّةً, وَعِشْرُونَ جَذَعَةً, وَعِشْرُونَ بَنَاتِ مَخَاضٍ, وَعِشْرُونَ بَنَاتِ لَبُونٍ, وَعِشْرُونَ بَنِي لَبُونٍ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ
وَأَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ, بِلَفْظٍ: «وَعِشْرُونَ بِنِي مَخَاضٍ» -, بَدَلَ: بُنِيَ لَبُونٍ. وَإِسْنَادُ الْأَوَّلِ أَقْوَى
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ مَوْقُوفًا, وَهُوَ أَصَحُّ مِنَ الْمَرْفُوعِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
الموقوف رواه ابن أبي شيبة في «المصنف» (934) وأما المرفوع فهو ضعيف




১১৭৮। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অনিচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষতিপূরণ (দিয়াত) পাঁচ প্রকার উটে সমান ভাগে বিভক্ত করে আদায় করতে হবে। (যথা) চতুর্থ বছর বয়সে পদার্পণকারিণী উটনি ২০টি, ৫ম বছর বয়সে পদার্পণকারিণী উটনি ২০টি ২য় বছরে পদার্পণকারিণী উট ২০টি।



সুনানে আরবাআর (৪ জনের) সংকলনের শব্দে বানী লাবুন (৩য় বছরে উপনীত নর উট) এর বদলে বানী মাখায (২য় বছরে উপনীত নর উটের) কথা রয়েছে। তবে আগে বর্ণিত দারাকুতনীর সানাদটি অধিক মজবুত। অন্যসূত্রে ইবনু আবী শাইবাহ মাওকুফ সানাদে বর্ণনা করেছেন, এ সানাদটি মারফূ সানাদের থেকে অধিক সহীহ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু আবী শাইবাহ (৯৩৪)।









বুলূগুল মারাম (1179)


وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ: مِنْ طَرِيقِ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ رَفَعَهُ: «الدِّيَةُ ثَلَاثُونَ حِقَّةً, وَثَلَاثُونَ جَذَعَةً, وَأَرْبَعُونَ خَلِفَةً، فِي بُطُونِهَا أَوْلَادُهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (4541)، والترمذي (1387) وليس عندهما الجملة الأخيرة




১১৭৯। আমর ইবনু শুআইব-এর স্বীয় সূত্রে যে হাদীসটি আবূ দাউদ ও তিরমিযী মারফূরূপে বর্ণনা করেছেন, তাতে আছে দিয়াত ৪ৰ্থ বছর বয়সে উপনীত উটনী ৩০টি, ৫ম বছরে পদার্পণকারিণী ৩০টি, এবং ৪০টি গর্ভধারিণী উটনী যাদের পেটে বাচ্চা রয়েছে (দিতে হবে)। (২০টি করে ৫ ভাগ আর ৩০ ও ৪০টির তিন ভাগ-গড়ে একই মূল্য দাঁড়াবে।)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৪১, তিরমিযী ১৩৮৭।









বুলূগুল মারাম (1180)


وَعَنِ ابْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِنَّ أَعْتَى النَّاسِ عَلَى اللَّهِ ثَلَاثَةٌ: مَنْ قَتَلَ فِي حَرَمَ اللَّهِ, أَوْ قَتَلَ غَيْرَ قَاتِلِهِ, أَوْ قَتَلَ لِذَحْلِ الْجَاهِلِيَّةِ». أَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ فِي حَدِيثٍ صَحَّحَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن رواه أحمد (279) مطولا من طريق عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده. ورواه أحمد (287) من نفس الطريق لكن مقتصرا على الجملة المذكورة هنا فقط. قلت وهذا سند حسن كما هو معروف. إلا أن الحديث له شاهد آخر يصح به «والذحل» ثأر الجاهلية وعدوانها




১১৮০। ইবনু ‘আমর[1] (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর দরবারে তিন প্রকারের লোক সর্বাপেক্ষা অবাধ্য। (ক) যে হত্যাকাণ্ড ঘটায় হারাম শরীফের (বাইতুল্লাহর) মধ্যে, (খ) এমন লোককে হত্যা করে যে তার হত্যাকারী নয়, (অৰ্থাৎ যে তাকে হত্যা করার জন্য উদ্যত ছিল না।)। (গ) যে জাহিলী যুগের সঞ্চিত আক্রোশ ও বিদ্বেষ বশতঃ মানুষকে হত্যা করে।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ২৭৯। ইবনু আমরকে বিকৃতি ঘটিয়ে ইবনু উমার করা হয়েছে। যেহেতু হাদীসটি আবদুল্লাহ বিন আমরের। হাফিয ইবনু হাজার নিজেও তাঁর তালখীস গ্রন্থে এর বর্ণনাকারী হিসেবে ইবনু আমরই উল্লেখ করেছেন, ইবনু উমার নয়। অনুবাদকদের অধিকাংশই এর অনুবাদে ইবনু আমরের পরিবর্তে ইবনু উমারই উল্লেখ করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1181)


وَأَصْلُهُ فِي الْبُخَارِيِّ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6882) عن ابن عباس؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: أبغض الناس إلى الله ثلاثة: ملحد في الحرم، ومبتغ في الإسلام سنة الجاهلية، ومطلب دم امرئ بغير حق ليهريق دمه




১১৮১। এ হাদীসের মূল বুখারীতে রয়েছে যা ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মূল হাদীসটি হচ্ছে: عن ابن عباس؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: أبغض الناس إلى الله ثلاثة: ملحد في الحرم، ومبتغ في الإسلام سنة الجاهلية، ومطلب دم امرئ بغير حق ليهريق دمه ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে লোক হচ্ছে তিনজন। যে লোক হারাম শরীফে অন্যায় ও অপকর্মে লিপ্ত হয়। যে লোক ইসলামী যুগে যুগের রেওয়াজ অন্বেষণ করে। যে লোক ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া কারো রক্তপাত দাবি করে। (বুখারী ৬৮৮২)









বুলূগুল মারাম (1182)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَلَا إِنَّ دِيَةَ الْخَطَأِ شِبْهِ الْعَمْدِ - مَا كَانَ بِالسَّوْطِ وَالْعَصَا - مَائَةٌ مِنَ الْإِبِلِ, مِنْهَا أَرْبَعُونَ فِي بُطُونِهَا أَوْلَادُهَا». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه أبو داود (4547) والنسائي (8/ 41)، وابن ماجه (2627) وابن حبان (1526) بسند صحيح، عن عبد الله بن عمر؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب يوم الفتح بمكة، فكبر ثلاثا، ثم قال: «لا إله إلا الله وحده، صدق وعده، ونصر عبده، وهزم الأحزاب وحده، ألا إن كل مأثرة كانت في الجاهلية تذكر وتدعى من دم أو مال تحت قدمي، إلا ما كان من سقاية الحاج وسدانة البيت ألا إن دية الخطأ ... » الحديث والسياق لأبي داود




১১৮২। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: মনে রাখবে, ভুলবশত নরহত্যা আর ইচ্ছাকৃত হত্যার মত হত্যা যেমন ছড়ি বা লাঠির আঘাতে হঠাৎ হত্যাকান্ড ঘটে যায়-এরূপ নরহত্যার অপরাধের জন্য এমন উটের দিয়াত (খুনের বদলা) হবে, একেশত উট-যার মধ্যে চল্লিশটি গর্ভবতী উটনী থাকবে। ইবনু হিব্বান এ হাদীসকে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৪৭, ৪৫৮৮, নাসায়ী ৪৭৯১, ৪৭৯৩, ইবনু মাজাহ ২৬২৭, দারেমী ২৩৮৩।

عن عبد الله بن عمر؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب يوم الفتح بمكة، فكبر ثلاثا، ثم قال: لا إله إلا الله وحده، صدق وعده، ونصر عبده، وهزم الأحزاب وحده، ألا إن كل مأثرة كانت في الجاهلية تذكر وتدعى من دم أو مال تحت قدمي، إلا ما كان من سقاية الحاج وسدانة البيت ألا إن دية الخطأ

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ বিজয়ের দিন মাক্কায় খুতবা দিলেন, তিনি তিনবার তাকবীর দিয়ে বললেন, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। তিনি তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করলেন, তাঁর বান্দাহকে সাহায্য করলেন এবং নিজেই শত্রুদের ধ্বংস করলেন।









বুলূগুল মারাম (1183)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «هَذِهِ وَهَذِهِ سَوَاءٌ». يَعْنِي: الْخُنْصَرَ وَالْإِبْهَامَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَلِأَبِي دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيَّ: «دِيَةُ الْأَصَابِعِ سَوَاءٌ, وَالْأَسْنَانُ سَوَاءٌ: الثَّنِيَّةُ وَالضِّرْسُ سَوَاءٌ
وَلِابْنِ حِبَّانَ: دِيَةُ أَصَابِعِ الْيَدَيْنِ وَالرِّجْلَيْنِ سَوَاءٌ, عَشَرَةٌ مِنَ الْإِبِلِ لِكُلِّ إصْبَعٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6895)

رواه أبو داود (4559) ولم أجده في الترمذي بهذا اللفظ

صحيح رواه ابن حبان (5980) قلت: وصنيع المصنف هنا -رحمه الله- يشعر أن الحديث لم يروه من هو أعلى من ابن حبان، وليس الأمر كذلك، فقد رواه الترمذي (1391)، بنفس سند ابن حبان ومتنه، وقال: حديث حسن صحيح غريب




১১৮৩। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এটা ও এটা অর্থাৎ কনিষ্ঠাংগুলি ও বৃদ্ধাংগুলিদ্বয় সমমূল্যের আংগুল।[1]



আবূ দাউদও তিরমিযীতে আছে, আংগুলসমূহের দিয়াত (নষ্টের ক্ষতিপূরণ) সমান সমান। সব দাঁতের দিয়াত একই সমান, সামনের ও চোয়ালের দাঁত সমান মূল্যের।[2]



ইবনু হিব্বানে আছে, দু হাত ও দু পায়ের আংগুলসমূহের দিয়াত সমান। প্রত্যেক আংগুলের জন্য দশটি করে উট দিয়াত স্বরূপ দিতে হবে।[3]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৯৫, তিরমিযী ১৩৯২, নাসায়ী ৪৮৪৭, ৪৮৪৮, আবূ দাউদ ৪৫৫৮, ইবনু মাজাহ ২৬৫২, আহমাদ ২০০০, ২৬১৬, ৩১৪০, ৩২১০, মালিক ১৬১৫।

[2] আবূ দাউদ ৪৫৫৯।

[3] ইবনু হিব্বান ৫৯৮০।









বুলূগুল মারাম (1184)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ رَفَعَهُ قَالَ: «مَنْ تَطَبَّبَ - وَلَمْ يَكُنْ بِالطِّبِّ مَعْرُوفًا - فَأَصَابَ نَفْسًا فَمَا دُونَهَا, فَهُوَ ضَامِنٌ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, وَهُوَ عِنْدَ أَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ وَغَيْرِهِمَا; إِلَّا أَنَّ مَنْ أَرْسَلَهُ أَقْوَى مِمَّنْ وَصَلَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه أبو داود (4586)، والنسائي (8/ 52 - 53)، وابن ماجه (3466)، والدارقطني (396)، والحاكم (412)، وهو ضعيف للعلة التي ذكرها الحافظ، ولغيرها أيضا، وكذلك ضعفه الدارقطني، والبهيقي




১১৮৪। “আমর ইবনু শুআইব (রাঃ) তার স্বীয় সানাদে মারফূ রূপে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি চিকিৎসায় খ্যাতিসম্পন্ন না হয়ে চিকিৎসা করতে গিয়ে কোন প্রাণহানি করবে বা তার থেকে কম ক্ষতি করবে তাকে ঐ ক্ষতির জন্য দায়ী হতে হবে। (ক্ষতিপূরণ করতে হবে)।



হাদীসটি আবূ দাউদ, নাসায়ী ইত্যাদিতেও আছে, কিন্তু মাওসূল বা যুক্ত সানাদ হতে ঐগুলোর মুরসাল সানাদই অধিক শক্তিশালী।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৮৬, নাসায়ী ৪৮৩০, ইবনু মাজাহ ৩৪৬৬। ইমাম দারাকুতনী তাঁর সুনানে ৩/১১৭ গ্রন্থে বলেন, ইবনু জুরাইজ থেকে ওয়ালিদ বিন মুসলিম ব্যতীত অন্য কেউ সানাদ সহ বৰ্ণনা করেনি। ওয়ালিদ বিন মুসলিম ইবনু জুরাইজ থেকে, তিনি আমর ইবনু শুআইব থেকে, তিনি মুরসালরূপে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩৪৩৪, সহীহ নাসায়ী ৪৮৪৫, সহীহুল জামে ৬১৫৩ গ্ৰন্থত্রয়ে একে হাসান বলেছেন। তিনি সহীহ ইবনু মাজাহ ২৮০৮ গ্রন্থে একে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন, আর সিলসিলা সহীহাহ ৬৩৫ গ্রন্থে হাসান লিগাইরিহী বলেছেন। তবে তিনি তাঁর আত তালীকাতুর রাযিয়্যাহ ২/৪৫৫ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইবনু জুরাইজ রয়েছে যিনি মুদাল্লিস, তিনি আন আন শব্দে বর্ণনা করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1185)


وَعَنْهُ; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «فِي الْمَوَاضِحِ خَمْسٌ, خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ. وَالْأَرْبَعَةُ. وَزَادَ أَحْمَدُ: «وَالْأَصَابِعُ سَوَاءٌ, كُلُّهُنَّ عَشْرٌ, عَشْرٌ مِنَ الْإِبِلِ». وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ الْجَارُودِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن رواه أبو داود (4566)، والنسائي (8/ 57)، والترمذي (1390)، وابن ماجه (2655)، وابن الجارود (785) واللفظ لابن ماجه، وقال الترمذي: «حديث حسن» ورواية أحمد وزيادته في «المسند» (215)




১১৮৫। ‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) এর স্বীয় সূত্রে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যে সকল আঘাতের ফলে হাড় দৃশ্যমান হয়ে উঠে তার দিয়াত (খেসারত) পাঁচটি উট দিতে হবে।



সবগুলো আঙ্গুলের (দিয়াত) সমান। প্রতিটি আঙ্গুলের দিয়াত দশটি করে উট।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৬৬, তিরমিযী ১৩৯০, নাসায়ী ৪৮৫২, ইবনু মাজাহ ২৬৫৫, আহমাদ ৬৬৪৩, ৬৭৩৩, ৬৯৭৩, দারেমী ২৩৭২।









বুলূগুল মারাম (1186)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «عَقْلُ أَهْلِ الذِّمَّةِ نِصْفُ عَقْلِ الْمُسْلِمِينَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالْأَرْبَعَةُ

وَلَفْظُ أَبِي دَاوُدَ: دِيَةُ الْمُعَاهِدِ نِصْفُ دِيَةِ الْحُرِّ

وَلِلنِّسَائِيِّ: «عَقْلُ الْمَرْأَةِ مِثْلُ عَقْلِ الرَّجُلِ, حَتَّى يَبْلُغَ الثُّلُثَ مِنْ دِيَتِهَا». وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن وهذا لفظ النسائي (8/ 45) وزاد: «وهم اليهود والنصارى». وفي رواية للترمذي (1413)، والنسائي (8/ 45): «عقل الكافر نصف عقل المؤمن». وقال الترمذي: «حديث حسن». وفي رواية لأحمد (280): «دية الكافر نصف دية المسلم»، وفي أخرى لابن ماجه (2644) وأحمد (283): أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى أن عقل أهل الكتابين نصف عقل المسلمين. وهم اليهود والنصارى. وفي أخرى لأحمد «أهل الكتاب» والباقي مثله سواء

حسن وهذا اللفظ لأبي داود (4583)

ضعيف، وهذا لفظ النسائي (8/ 44 - 45)، وفي الطريق إلى عمرو بن شعيب. ابن جريح وهو مدلس ولم يصرح بالتحديث، ورواه عنه إسماعيل بن عياش وهي رواية ضعيفة. «فائدة»: قال الحافظ في «التلخيص» (45): قال الشافعي: وكان مالك يذكر أنه السنة، وكنت أتابعه عليه، وفي نفسي منه شيء، ثم علمت أنه يريد سنة أهل المدينة، فرجعت عنه




১১৮৬। ‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) এর স্বীয় সূত্রে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যিম্মী কাফিরের দিয়াত মুসলিমের দিয়াতের অর্ধেক।[1]



আবূ দাউদের শব্দগুলোতে আছে, আশ্রয়ের অঙ্গীকারপ্রাপ্ত অমুসলিমদের হত্যার দিয়াত একজন স্বাধীন মুসলিমের দিয়াতের অর্ধেক।[2]



নাসায়ীতে আছে, স্ত্রীলোকের অঙ্গহানির জন্য দিয়াত, পূর্ণ দিয়াতের (১০০ উটের) এক তৃতীয়াংশের সমপরিমাণ হওয়া অবধি পুরুষের দিয়াতের সমপরিমাণ দিয়াত দিতে হবে।[3]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৮০৬, তিরমিযী ১৪১৩।

[2] আবূ দাউদ ৪৫৮৩।

[3] দারাকুতনী ৩য় খণ্ড ৯৫ পৃষ্ঠা। নাসায়ীতে (৪৮০৭) আছে عقل الكافر نصف عقل المؤمن অমুসলিমের পণ হচ্ছে মুমিনের পণের অর্ধেক।









বুলূগুল মারাম (1187)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «عَقْلُ شِبْهِ الْعَمْدِ مُغَلَّظٌ مِثْلُ عَقْلِ الْعَمْدِ, وَلَا يَقْتَلُ صَاحِبُهُ, وَذَلِكَ أَنْ يَنْزُوَ الشَّيْطَانُ, فَتَكُونُ دِمَاءٌ بَيْنَ النَّاسِ فِي غَيْرِ ضَغِينَةٍ, وَلَا حَمْلِ سِلَاحٍ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَضَعَّفَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الدارقطني (3/ 95)، وهو أيضا عند أبي داود (4565)، ولم أجد تضعيف الدارقطني في «السنن» وعلى أية حال الحديث سنده حسن، ولا توجد حجة لتضعيفه




১১৮৭। ‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত; যে হত্যা ইচ্ছাকৃত হত্যার অনুরূপ, তাতে হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে না, তবে দিয়াতের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত হত্যার মতই তা কঠিন হবে। দিয়াতের ব্যবস্থা গ্রহণ এজন্যে যে, কোন প্রকার আক্রোশ ও অস্ত্র ধারণ ছাড়াই কেবল শাইতানের প্ররোচনামূলে যাতে মানুষের মধ্যে রক্তপাত না ঘটে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৬৫, দারাকুতনী ৩য় খণ্ড ৯৫ পৃষ্ঠা।









বুলূগুল মারাম (1188)


عَنْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَتَلَ رَجُلٌ رَجُلًا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم
فَجَعَلَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - دِيَتَهُ اِثْنَيْ عَشَرَ أَلْفًا. رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَرَجَّحَ النَّسَائِيُّ وَأَبُو حَاتِمٍ إِرْسَالَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (4546)، والنسائي (8/ 44)، والترمذي (1388)، وابن ماجه (2629) من طريق محمد بن مسلم، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس. قلت: وإعلان الحديث بالإرسال هو الصواب، وبذلك أيضا أعله أبو داود والترمذي، وابن حزم، وعبد الحق




১১৮৮। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে একটি লোক অন্য একজনকে হত্যা করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ খুনের দিয়াত ১২ হাজার রৌপ্যমুদ্রা ধার্য করেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৫৪৬, তিরমিযী ১৩৮৮, নাসায়ী ৪৮০৩, ৪৮০৪, ইবনু মাজাহ ২৬২৯, ২৬৩২, দারেমী ২৩৬৩। শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব তাঁর আল হাদীস গ্রন্থের ৪/২০৫ গ্রন্থে একে মুরসাল বলেছেন, শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী ৪৮১৭, যঈফ আবূ দাউদ ৪৫৪৬, আত তালীকাতুর রাযীয়্যাহ ৩/৩৭২ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম নাসায়ী তাঁর সুনান আল কুবরা গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে ইবনু মাইমুন নামক এক বর্ণনাকারী আছে সে শক্তিশালী নয়। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর মাওয়াফিকাতু আলখবরুল খবর ১/১৮৬ গ্রন্থে একে গরীব ও ইবনু কাসীর তাঁর জামে আল মাসানীদ ওয়াস সুনান ৮/৩৫৮ গ্রন্থে হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে শুধুমাত্ৰ ইমাম শাওকানী ভিন্নমত পোষণ করে তাঁর নাইলুল আওত্বার ৭/২৪০ গ্রন্থে বলেন, অনেকগুলো সানাদ থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।