বুলূগুল মারাম
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سَرِيَّةٍ وَأَنَا فِيهِمْ, قِبَلَ نَجْدٍ, فَغَنِمُوا إِبِلًا كَثِيرَةً, فَكَانَتْ سُهْمَانُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا, وَنُفِّلُوا بَعِيرًا بَعِيرًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3134)، ومسلم (1749)
১২৮৯। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠালেন, যাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। এ যুদ্ধে গনীমত হিসেবে তাঁরা বহু উট লাভ করেন। তাদের প্রত্যেকের ভাগে এগারোটি কিংবা বারটি করে উট পড়েছিল এবং তাদেরকে পুরস্কার হিসেবে আরো একটি করে উট দেয়া হয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩৩৮, ৩১৩৪, মুসলিম ১৭৪৯, আর দাউদ ২৭৪১, ২৭৪৩, ২৭৪৪, আহমাদ ৪৫৬৫, ৫১৫৮, মালেক ৯৮৭, দারেমী ২৮৮১।
وَعَنْهُ قَالَ: قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَرَسِ سَهْمَيْنِ, وَلِلرَّاجِلِ سَهْمًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
وَلِأَبِي دَاوُدَ: أَسْهَمَ لِرَجُلٍ وَلِفَرَسِهِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ: سَهْمَيْنِ لِفَرَسِهِ, وَسَهْمًا لَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4228)، ومسلم (1762) من طريق نافع، عن ابن عمر - واللفظ للبخاري - وزاد: «قال: فسره نافع فقال: إذا كان مع الرجل فرس فله ثلاثة أسهم، فإن لم يكن له فرس فله سهم
رواه أبو داود (2733)
১২৯০। উক্ত সাহাবী ইবন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবার যুদ্ধের গানীমাত হতে যুদ্ধে ব্যবহৃত ঘোড়ার জন্য দুটি অংশ ও পদাতিকের জন্য ১টি অংশ দিয়েছেন। -হাদীসের শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]
আবূ দাউদে আছে, যোদ্ধা ও ঘোড়ার জন্য তিনটি অংশ দিয়েছিলেন, দুটো ভাগ তার ঘোড়ার ও একটি ভাগ তার নিজের।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর বর্ণনায় আরো রয়েছে, বর্ণনাকারী [উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ)] বলেন, নাফি’ হাদীসটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, (যুদ্ধে) যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে। সে পাবে তিন অংশ এবং যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে না, সে পাবে এক অংশ।
[2] বুখারী ২৮৬৩, মুসলিম ১৭৬২, তিরমিযী ১৫৫৪, আবূ দাউদ ২৭৩৩, ইবনু মাজাহ ২৮৫৪, আহমাদ ৪৪৩৪, ৪৯৮০, ৫২৬৪, দারেমী ২৪৭২।
وَعَنْ مَعْنِ بْنِ يَزِيدَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا نَفْلَ إِلَّا بَعْدَ الْخُمُسِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الطَّحَاوِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 470)، وأبو داود (2753 و 2754)، والطحاوي في «المعاني» (3/ 242) من طريق أبي الجويرية قال: أصبت جرة حمراء فيها دنانير في إمارة معاوية في أرض الروم. قال: وعلينا رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من بني سليم يقال له: معن بن يزيد. قال: فأتيته بها يقسمها بين المسلمين فأعطاني مثل ما أعطى رجلا منهم، ثم قال: لولا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورأيته يفعله. سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ..... فذكره. وزاد: قال: ثم أخذ فعرض علي من نصيبه، فأبيت عليه. قلت: ما أنا بأحق به منك. والسياق لأحمد
১২৯১। মান ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: গানীমাতের মাল (সরকারী) এক পঞ্চমাংশ আদায় করার পর নফল বা অতিরিক্ত দেয়া যাবে (তার আগে নয়)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৫৩, আহমাদ ১৫৪৩৩।
وَعَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةٍ - رضي الله عنه - قَالَ: شَهِدْتُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَفَّلَ الرُّبْعَ فِي الْبَدْأَةِ, وَالثُّلُثَ فِي الرَّجْعَةِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2750) وابن الجارود (1079)، وابن حبان (4815)، والحاكم (2/ 133) من طريق مكحول قال: كنت عبدًا بمصر لامرأة من بني هذيل فأعتقتني، فما خرجت من مصر وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت الحجاز فما خرجت منها وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت العراق فما خرجت منها وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت الشام فغربلتها، كل ذلك أسأل عن النفل، فلم أجد أحدا يخبرني فيه بشيء، حتى أتيت شيخًا يقال له: زياد بن جارية التميمي. فقلت له: هل سمعت في النفل شيئًا؟ قال: نعم. سمعت حبيب بن مسلمة الفهري، به. والسياق لأبي داود
১২৯২। হাবীব ইবন মাসলামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, তিনি প্রথম দফায় আক্রমণের কারণে আক্রমণকারী মুসলিম মুজাহিদকে গানীমাত হতে এক চতুর্থাংশ দিয়েছিলেন আর (ঐ মুজাহিদের) পুনর্বার আক্রমণ করার জন্য এক তৃতীয়াংশ প্রদান করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৪৮, ২৭৫০, ইবনু মাজাহ ২৮৫১, ২৮৫৩, আহমাদ ১৭০০৮, দারেমী ২৪৮৩।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُنَفِّلُ بَعْضَ مَنْ يَبْعَثُ مِنَ السَّرَايَا لِأَنْفُسِهِمْ خَاصَّةً, سِوَى قَسْمِ عَامَّةِ الْجَيْشِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3135)، ومسلم (1750) (40)
১২৯৩। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রেরিত কোন কোন সেনা দলে কোন কোন ব্যক্তিকে সাধারণ সৈন্যদের প্রাপ্য অংশের চেয়ে অতিরিক্ত দান করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩১৩৫, মুসলিম ১৭৫০, আবূ দাউদ ২৭৪৫, আহমাদ ৬২১৪।
وَعَنْهُ [قَالَ]: كُنَّا نُصِيبُ فِي مَغَازِينَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ, فَنَأْكُلُهُ وَلَا نَرْفَعُهُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. وَلِأَبِي دَاوُدَ: فَلَمْ يُؤْخَذْ مِنْهُمْ الْخُمُسُ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3154)
رواه أبو داود (2701)، وابن حبان (4805) ولفظ ابن حبان: فلم يخمسه النبي صلى الله عليه وسلم
১২৯৪। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না।
আবূ দাউদের বর্ণনায় আছে, তা হতে এক পঞ্চমাংশ নেয়া হতো না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩১৫৪, আবূ দাউদ ২৭০১।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَصَبْنَا طَعَامًا يَوْمَ خَيْبَرَ, فَكَانَ الرَّجُلُ يَجِيءُ, فَيَأْخُذُ مِنْهُ مِقْدَارَ مَا يَكْفِيهِ, ثُمَّ يَنْصَرِفُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2704)، وابن الجارود ((1072)، والحاكم (2/ 126)
১২৯৫। আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমরা খাইবার যুদ্ধে খাদ্যসামগ্ৰী লাভ করি, ফলে লোকেরা প্রয়োজন মেটানোর মত খাদ্য নিয়ে আপন আপনি স্থানে চলে যেত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭০৪, আহমাদ।
وَعَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَرْكَبُ دَابَّةً مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ, حَتَّى إِذَا أَعْجَفَهَا رَدَّهَا فِيهِ, وَلَا يَلْبَسُ ثَوْبًا مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَخْلَقَهُ رَدَّهُ فِيهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالدَّارِمِيُّ, وَرِجَالُهُ لَا بَأْسَ بِهِمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2159 و 2708)،، والدارمي (2/ 230)
১২৯৬। রুওয়াইফি ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মুসলিম যেন এমন না করে যে, ফাই-এর (বিনা যুদ্ধে অধিকৃত সরকারী মালের) কোন জন্তু ব্যবহার করে তাকে দুর্বল করে ফেলে ফেরত দেয়; আর ঐ মালের কোন কাপড় ব্যবহার করে পুরাতন করে ফেলে তা ফেরত দেয়। (অর্থাৎ সরকারী মাল শরীআত সম্মত অনুমতি ও সদিচ্ছা ছাড়া কারো ব্যবহার করা বৈধ হবে না)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৬৯, ২৭০৮।
وَعَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «يُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ بَعْضُهُمْ». أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ, وَأَحْمَدُ, وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أحمد (1/ 195)، وأبو يعلى (876 و 877)
১২৯৭। আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কোন মুসলিম স্বীয় দায়িত্বে আশ্রয় দিলে তা অন্য মুসলিমের পক্ষেও পালনীয় হবে। (অর্থাৎ যদি সৎ ও মহৎ উদ্দেশে কোন মুসলিম কোন বিধর্মীকে আশ্রয় দান করে তবে সকল মুসলিমের উপর তা পালনের দায়িত্ব অর্পিত হবে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৬৯৭, ১৭৩১১, আবূ ইয়া’লা ৮৭৬, ৮৭৭।
وَلِلْطَيَالِسِيِّ: مِنْ حَدِيثِ عَمْرِوِ بْنِ الْعَاصِ: يُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ أَدْنَاهُمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أحمد (4/ 197)
১২৯৮। তাইয়ালিসীতে ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত; একজন তুচ্ছ মুসলিমও মুসলিমের পক্ষ হতে আশ্রয় দানের অধিকার রাখে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৭৩১১।
وَفِي «الصَّحِيحَيْنِ»: عَنْ عَلِيٍّ [رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ]: «ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى ِبهَا أَدْنَاهُمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6755)، ومسلم (1370) وهو مرفوع في حديث طويل
১২৯৯। বুখারী ও মুসলিমে আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত; মুসলিমের জিম্মা দান একই, এতে একজন নগণ্য মুসলিমও সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে যথেষ্ঠ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১১, ৬৭৫৫, ১৮৭০, ৩০৪৭, ৩১৭২, মুসলিম ১৩৭০, তিরমিযী ১৪১২, ২১২৭, নাসায়ী ৪৭৩৪, আবূ দাউদ ৪৫৩০, ইবনু মাজাহ ২৬৫৮, আহমাদ ৬১৪, দারেমী ২৩৫৬।
زَادَ ابْنُ مَاجَه مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: يُجِيرُ عَلَيْهِمْ أَقْصَاهُمْ
وَفِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثٍ أَمِ هَانِئٍ: «قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه ابن ماجه (2685) من طريق عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ولكن لفظه ليس كما ذكره الحافظ، وإنما: « .. ويجير على المسلمين أدناهم، ويرد على المسلمين أقصاهم». ونحو الجملة الأخيرة عن ابن عباس عند ابن ماجه أيضًا (2683) ولكن رواه أبو داود (2751) باللفظ الذي ذكره الحافظ وأيضًا من طريق عمرو بن شعيب، به
১৩০০। ইবনু মাজাহ অন্য সূত্রে বর্ণনা করেছেন, মুসলিমদের একজন দূরতম ব্যক্তি অর্থাৎ নগণ্য লোকও সকল মুসলিমের পক্ষ হতে আশ্রয় প্রদানের অধিকার রাখে।[1]
বুখারী মুসলিমে উম্মু হানী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত; হাদীসে আছে, তুমি যাকে আশ্রয় দেবে তাকে আমরাও আশ্রয় দিয়েছি বলে সাব্যস্ত হবে।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৫১, ইবনু মাজাহ ২৬৮৫, আহমাদ ৬৭৫১, ৬৯৩১।
وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَأُخْرِجَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ, حَتَّى لَا أَدَعَ إِلَّا مُسْلِمًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1767)
১৩০১। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন: অবশ্যই ইয়াহুদী ও নাসারাদেরকে আরবের মাটি হতে বের করে দেব, আর কেবল মুসলিমদেরকেই এখানে রেখে দেব।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৭৬৭, তিরমিযী ১৬০৬, ১৬০৭, আর দাউদ ৩০৩০, আহমাদ ২০১, ২১৫।
وَعَنْهُ قَالَ: كَانَتْ أَمْوَالُ بَنِي النَّضِيرِ مِمَّا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ, مِمَّا لَمْ يُوجِفْ عَلَيْهِ الْمُسْلِمُونَ بِخَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ, فَكَانَتْ لِلنَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - خَاصَّةً, فَكَانَ يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ نَفَقَةَ سَنَةٍ, وَمَا بَقِيَ يَجْعَلُهُ فِي الْكُرَاعِ وَالسِّلَاحِ, عُدَّةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2904)، ومسلم (1757) (48) «يوجف»: الإيجاف هو الإسراع، والمراد أنه حصل بلا قتال. «الكراع» الدواب التي تصلح للحرب
১৩০২। ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, বনু নাযীরের সম্পদ আল্লাহ তাআলা তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘ফায় হিসেবে দান করেছিলেন। এতে মুসলিমগণ অশ্ব বা সাওয়ারী চালনা করেনি। এ কারণে তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য নির্দিষ্ট ছিল। এ সম্পদ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারকে এক বছরের খরচ দিয়ে দিতেন এবং বাকী আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের প্রস্তুতির জন্য হাতিয়ার ও ঘোড়া ইত্যাদিতে ব্যয় করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] يوجف শব্দটি الإيجاف মাসদার থেকে এসেছে। এর অর্থ দ্রুত সম্পন্ন হওয়া। এর অর্থ: কোন প্রকার যুদ্ধ ছাড়াই অর্জিত হওয়া। الكراع শব্দের অর্থ যুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য পশুকে যেমনঃ ঘোড়া, উট ইত্যাদি জন্তুকে الكراع বলা হয়। বুখারী ৩০৯৪, ৪০৩৪, ৪৮৮৫, মুসলিম ১৭৫৭, তিরমিযী ১৭১৯, নাসায়ী ৪১৪০, ৪১৪৮, আবূ দাউদ ২৯৬৩, ২৯৬৫, ২৯৬৬, আহমাদ ১৭২, ২১৫।
وَعَنْ مُعَاذٍ - رضي الله عنه - قَالَ: غَزَوْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - خَيْبَرَ, فَأَصَبْنَا فِيهَا غَنَمًا, فَقَسَمَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - طَائِفَةً, وَجَعَلَ بَقِيَّتَهَا فِي الْمَغْنَمِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَرِجَالُهُ لَا بَأْسَ بِهِمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
لا بأس به. رواه أبو داود (2707) من طريق عبد الرحمن بن غنم قال: رابطنا مدينة قنسرين مع شرحبيل بن السمط، فلما فتحها أصاب فيها غنما وبقرا، فقسم فينا طائفة منها وجعل بقيتها في المغنم، فلقيت معاذ بن جبل، فحدثته، فقال معاذ: فذكره. قلت: وفي سنده أبو عبد العزيز الأردني. قال أبو حاتم (4/ 2 / 170): ما بحديثه بأس
১৩০৩। মুআয (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে থেকে খাইবারে যুদ্ধ করেছি। সে যুদ্ধে আমরা গানীমতের যে মাল লাভ করেছিলাম তার কিছু অংশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সৈনিকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন আর অবশিষ্ট গানীমাতের মালে জমা করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭০৭।
وَعَنْ أَبِي رَافِعٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي لَا أَخِيسُ بِالْعَهْدِ, وَلَا أَحْبِسُ الرُّسُلَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه أبو داود (2758)، والنسائي في «الكبرى» (5/ 205)، وابن حبان (1630) عن أبي رافع قال: بعثتني قريش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ألقي في قلبي الإسلام. فقلت: يا رسول الله! إني والله لا أرجع إليهم أبدًا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكر الحديث وعندهم «البرد» بدل «الرسل» وزادوا: «ولكن ارجع فإن كان في نفسك الذي في نفسك الآن، فارجع» قال: فذهبت، ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فأسلمت
১৩০৪। আবূ রাফি (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ওয়াদা ভঙ্গ করি না (রাষ্ট্রীয়) দূতকে বন্দীও করি না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] عن أبي رافع قال: بعثتني قريش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ألقي في قلبي الإسلام. فقلت: يا رسول الله! إني والله لا أرجع إليهم أبدًا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكر الحديث وعندهم «البرد» بدل «الرسل» وزادوا: «ولكن ارجع فإن كان في نفسك الذي في نفسك الآن، فارجع» قال: فذهبت، ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فأسلمت
আবূ রাফে’ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরাইশরা আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে দূত হিসেবে প্রেরণ করলেন। আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখলাম, আমার অন্তরের মাঝে ইসলাম গ্ৰহণ করার আগ্রহ হল। তখন আমি বললাম : হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ, নিশ্চয় আমি তাদের কাছে কখনই ফিরে যাব না। তখন রাসূলুল্লাহ : উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করে বলেন, তুমি ফিরে যাও। তোমার মনের এই অবস্থা যদি পরেও থাকে তাহলে তুমি ফিরে এসো। আবূ রাফে’ বলেনঃ আমি ফিরে গেলাম। অতঃপর আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে ইসলাম গ্ৰহণ করলাম। আবূ দাউদ ২৭৫৮, আহমাদ ২৩৩৪৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَيُّمَا قَرْيَةٍ أَتَيْتُمُوهَا, فَأَقَمْتُمْ فِيهَا, فَسَهْمُكُمْ فِيهَا, وَأَيُّمَا قَرْيَةٍ عَصَتْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ, فَإِنْ خُمُسَهَا لِلَّهِ وَرَسُولِهِ, ثُمَّ هِيَ لَكُمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (1756)
১৩০৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে লোকালয়ে (বস্তিতে) তোমরা আগমন করে বিনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে সেখানে অবস্থান করবে সে ক্ষেত্রে তা তোমরা তোমাদের অংশ হিসেবে লাভ করবে। আর যে বস্তি আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাফারমানীর কারণে যুদ্ধের সম্মুখীন হবে ও লড়াই-এর পর পরাজিত হবে সেখানে গনীমাতের এক পঞ্চমাংশ আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য হবে তারপর তা তোমাদের জন্য থাকবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৭৫৬, আবূ দাউদ ৩০৩৬, আহমাদ ২৭৪৩৮।
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَخَذَهَا - يَعْنِي: الْجِزْيَةُ - مِنْ مَجُوسِ هَجَرَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَلَهُ طَرِيقٌ فِي «الْمَوْطَأِ» فِيهَا انْقِطَاعٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3157)
১৩০৬। ‘আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজার এলাকার অগ্নিপূজকদের নিকট হতে তা অর্থাৎ যিযিয়া গ্ৰহণ করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৩১৫৭, তিরমিযী ১৫৮৬, ১৫৮৭, আবূ দাউদ ৩০৪৬, আহমাদ ১৬৬০, ১৬৮৮, মালেক ১৬১৭, দারেমী ২৫০১।
وَعَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ, عَنْ أَنَسٍ, وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - بَعَثَ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى أُكَيْدِرِ دُومَةَ, فَأَخَذُوهُ, فَحَقَنَ دَمَهِ, وَصَالَحَهُ عَلَى الْجِزْيَةِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (3037)، والبيهقي (9/ 187) مطولا
১৩০৭। আসিম ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি আনাস ও উসমান ইবনু আবূ সুলায়মান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালিদ ইবনু ওয়ালীদকে যুদ্ধাভিযানে দুমাতুল জান্দালে শাসক উকাইদিরের নিকটে পাঠিয়েছিলেন। তিনি তাকে বন্দী করে নিয়ে আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হত্যা করা হতে রক্ষা করলেন ও তার সাথে জিইযয়া করের বিনিময়ে সন্ধি করেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩০৬৭।
وَعَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ - رضي الله عنه - قَالَ: بَعَثَنِي النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - إِلَى الْيَمَنِ, وَأَمَرَنِي أَنْ آخُذَ مِنْ كُلِّ حَالِمٍ دِينَارًا, أَوْ عَدْلَهُ معافريًا. أَخْرَجَهُ الثَّلَاثَةِ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3038)، والنسائي (5/ 25 - 26)، والترمذي (623)، وابن حبان (794)، والحاكم (1/ 398) المعافري: ثياب تكون باليمن، نسبة إلى بلد هناك
১৩০৮। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামান পাঠিয়েছিলেন। আর প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত জিম্মী প্রজার মাথাপিছু (বার্ষিক) কর একটি দিনার বা তার সমমূল্যের মুআফিরী কাপড় আদায়ের আদেশ দিয়েছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] المعافري ইয়ামানের তৈরীকৃত পোশাককে বলা হয়। আর এই নামকরণটি সেখানকার একটি শহরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করে রাখা হয়েছে। আবূ দাউদ ৩০৩৮, ১৫৭৬, তিরমিযী ৬২৩, নাসায়ী ২৪৫০, ২৪৫১, ২৪৫২, ইবনু মাজাহ ১৮০৩, আহমাদ ২১৫০৫, ২১৫৩২, মালেক ৫৯৮, দারেমী ১৬২৩, ১৬২৪।