হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (409)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فِي قِصَّةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِالنَّاسِ, وَهُوَ مَرِيضٌ - قَالَتْ: فَجَاءَ حَتَّى جَلَسَ عَنْ يَسَارِ أَبِي بَكْرٍ, فَكَانَ يُصَلِّي بِالنَّاسِ جَالِسًا وَأَبُو بَكْرٍ قَائِمًا, يَقْتَدِي أَبُو بَكْرٍ بِصَلَاةِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - وَيَقْتَدِي النَّاسُ بِصَلَاةِ أَبِي بَكْرٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (713)، ومسلم (418)




৪০৯. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগাক্রান্ত অবস্থায় লোকেদের ইমামতি করার ঘটনা সম্বন্ধে বর্ণিত। তিনি বলেন: তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে আবূ বাকরের বাম দিকে বসে গেলেন, বসে বসেই লোকেদের সালাত আদায় করাতে লাগলেন আর আবূ বাকর দাঁড়িয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইকতিদা (অনুসরণ) করতে লাগলেন আর লোকেরা আবূ বাকরের ইকতিদা (অনুসরণ) করতে লাগল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭১৩, মুসলিম ৪১৮, তিরমিযী ৩৬৭২, ইবনু মাজাহ ১২৩২, ১২৩৩, আহমাদ ৫১১৯, ২৩৫৮৩, মুওয়াত্তা মালেক ৪১৪, দারেমী ১২৫৭









বুলূগুল মারাম (410)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا أَمَّ أَحَدُكُمْ النَّاسَ فَلْيُخَفِّفْ, فَإِنَّ فِيهِمْ الصَّغِيرَ وَالْكَبِيرَ وَالضَّعِيفَ وَذَا الْحَاجَةِ, فَإِذَا صَلَّى وَحْدَهُ فَلْيُصَلِّ كَيْفَ شَاءَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (703)، ومسلم (467)




৪১০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করে, তখন যেন সে সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে ছোট, বড়, দুর্বল ও কর্মব্যস্তরা রয়েছে। আর যদি কেউ একাকী সালাত আদায় করে, তখন ইচ্ছামত দীর্ঘ করতে পারে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭০৩, মুসলিম ৪৬৭, তিরমিযী ২৩৬, নাসায়ী ৮২৩, আবূ দাউদ ৭৯৪, আহমাদ ২৭৪৪, ৯৯৩৩, ১০১৪৪, মুওয়াত্তা মালেক ৩০৩









বুলূগুল মারাম (411)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ سَلَمَةَ قَالَ: قَالَ أَبِي: جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - حَقًّا. قَالَ: «فَإِذَا حَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَلْيُؤَذِّنْ أَحَدُكُمْ, وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْثَرُكُمْ قُرْآنًا»، قَالَ: فَنَظَرُوا فَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ أَكْثَرَ قُرْآنًا مِنِّي, فَقَدَّمُونِي, وَأَنَا ابْنُ سِتٍّ أَوْ سَبْعِ سِنِينَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4302)، وأبو داود (585، والنسائي (2/ 80 - 81) واللفظ للبخاري من حديث طويل




৪১১. ‘আমর বিন সালামাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন- আমার পিতা বলেছেন, সত্যই আমি তোমাদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে এসেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যখন সালাতের সময় হবে তখন তোমাদের কেউ একজন আযান দিবে। আর যে ব্যক্তি তোমাদের মধ্যে কুরআন সম্পর্কে অধিক অবগত সে তোমাদের ইমামতি করবে। তিনি (রাবী ‘আমর) বলেন, লোকেরা তাকাল কিন্তু আমার থেকে অধিক কুরআন পাঠ্যকারী অনুসন্ধান করে পেল না। তখন তারা ইমামতি করার জন্য আমাকেই আগে বাড়িয়ে দিল। অথচ তখন আমার বয়স মাত্র ৬-৭ বছর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩০২, নাসায়ী ৬৩৬, আবূ দাউদ ৫৮৫, আহমাদ ১৫৪৭২, ২০১৬২









বুলূগুল মারাম (412)


وَعَنْ أَبِي مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «يَؤُمُّ الْقَوْمَ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ, فَإِنْ كَانُوا فِي الْقِرَاءَةِ سَوَاءً فَأَعْلَمُهُمْ بِالسُّنَّةِ, فَإِنْ كَانُوا فِي السُّنَّةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ هِجْرَةً, فَإِنْ كَانُوا فِي الْهِجْرَةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ سِلْمًا - وَفِي رِوَايَةٍ: سِنًّا - وَلَا يَؤُمَّنَّ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فِي سُلْطَانِهِ, وَلَا يَقْعُدْ فِي بَيْتِهِ عَلَى تَكْرِمَتِهِ إِلَّا بِإِذْنِهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (673) و «سلما»: أي: إسلاما. و «تكرمته»: الفراش ونحوه مما يبسط لصاحب المنزل ويخص به




৪১২. ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক কুরআন আয়ত্তকারী ব্যক্তি তোমাদের (সালাতে) ইমামতি করবে। যদি তাদের মধ্যে একাধিক জন কুরআন পাঠে সমতুল্য হয় তবে যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত অধিক জানে (সে ইমামতি করবে); সুন্নাতে সমতুল্য হলে যে হিজরতে অগ্রগামী, (সে ইমামতি করবে) হিজরতে সমতুল্য হলে ইসলাম গ্রহণে অগ্রগামী, (সে ইমামতি করবে) ভিন্ন একটি সিলমান এর স্থলে সিন্নান (শব্দটি) আছে-যার অর্থ হবে বয়সে প্রবীণ ব্যক্তি। কেউ যেন কোন ব্যক্তির অধিকার স্থলে তার অনুমতি ব্যতীত ইমামতি না করে ও তার (কোন ব্যক্তির) বিছানায় তাঁর অনুমতি ব্যতীত না বসে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৬৭৩ তিরমিযী ২৩৫, নাসায়ী ৭৮০, ৭৮৩, আবূ দাউদ ৫৮২, ইবনু মাজাহ ৯৮০, আহমাদ ১৬৬১৫, ১৬৬৪৩









বুলূগুল মারাম (413)


وَلِابْنِ مَاجَهْ: مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ: «وَلَا تَؤُمَّنَّ امْرَأَةٌ رَجُلًا, وَلَا أَعْرَابِيٌّ مُهَاجِرًا, وَلَا فَاجِرٌ مُؤْمِنًا». وَإِسْنَادُهُ وَاهٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه ابن ماجه (1081)




৪১৩. এবং ইবনু মাজাহতে জাবির (রাঃ) এর বর্ণিত একটি হাদীস রয়েছে: কোন স্ত্রীলোক পুরুষের ইমামতি করবে না এবং কোন অজ্ঞ লোক কোন মুহাজিরের এবং কোন ফাজির (দুরাচারী) মুমিনের ইমামতি করবে না। এর সানাদ অত্যন্ত দুর্বল (ওয়াহ)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ১০৮১। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (২/৪৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল আ’দাবী রয়েছেন যিনি আলী বিন যায়দা বিন জাদআন থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আদাবীকে ওয়াকী’ হাদীস জালকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আর শিক্ষকও দুর্বল বর্ণনাকারী। ইবনু উসাইমীনও তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (২/২৬৯) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৫২৪) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম শাওকানী তাঁর নাইলুল আওত্বার (৩/১৯৯৯) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আত তামীমী রয়েছেন। আর তাকে সমর্থন করেছেন আবদুল মালিক বিন হাবীব। কিন্তু তিনি হাদীস চুরি ও হাদীস ওলটপালটকারী হিসেবে অভিযুক্ত। আর এর সানাদে আলী বিন যায়দ বিন যাদ আন রয়েছেন, তিনিও দুর্বল।









বুলূগুল মারাম (414)


وَعَنْ أَنَسٍ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «رُصُّوا صُفُوفَكُمْ, وَقَارِبُوا بَيْنَهَا, وَحَاذُوا بِالْأَعْنَاقِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (667)، والنسائي (2/ 92)، وابن حبان (2166) وعند ابن حبان «بالأكتاف» بدل «بالأعناق». وزادوا جميعا: «فوالذي نفسي بيده إني لأرى الشيطان يدخل من خلل الصف كأنها الحذف». والحذف: غنم سود صغار




৪১৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-তোমাদের কাতার গুলোকে খুব ভালভাবে একে অপরের সাথে মিশিয়ে নাও এবং এক কাতারকে অন্য কাতারের কাছাকাছি করো এবং কাঁধগুলোকে পরস্পরের বরাবর রাখ। ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৬৬৭, ৬৬৮, ৬৬৯, বুখারী ৭২৩, ৭১৮, মুসলিম ৪৩৩, নাসায়ী ৮১৪, ৮১৫, ৮৪৫, ইবনু মাজাহ ৯৯৩, আহমাদ ১২৪৭৩, ১৩২৫২, ১৩৩৬৬, দারেমী ১২৬৩

এই হাদীসে ওয়ালীদ বিন বুকাইর আবূ জান্নাব নামক কবি রয়েছে। ইমাম দারাকুতনি তবে মাতরূক বলেছেন। আরেক জন রয়েছে যার নাম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল আদারী নামক দুর্বল রাবী রয়েছে। তাকে ইবনুল তাফে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। ইমাম বুখারী তাকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। আবূ হাতিম আর রাষী ও অনুরূপ বলেছেন। দারাকুতনী ও তাকে মাতরুক হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। আরেক জন রাবী আছে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন তার হাদীস পরিতাজ্য। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ও ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন তারা বলেন, তিনি শক্তিশালী রাবীদের অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং হাদীস শাস্ত্রের মানদণ্ডে হাদীসটি মুনকার। হাদীসটি ইবনু মাজাহতে এককভাবে বর্ণিত হয়েছে। ইবনু হিব্বানের বর্ণনায় أعناق এর স্থলে أكتاف শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এবং সকলেই (আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবনু হিব্বান) আরো বৃদ্ধি করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, فوالذي نفسي بيده إني لأرى الشيطان يدخل من خلل الصف كأنها الحذف সেই সত্ত্বার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ ! নিশ্চয় আমি শায়ত্বানকে কাতারের ফাঁক দিয়ে প্ৰবেশ করতে দেখছি, তাকে একটি ছোট কালো ছাগলের ন্যায় মনে হচ্ছিল।









বুলূগুল মারাম (415)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُ صُفُوفِ الرِّجَالِ أَوَّلُهَا, وَشَرُّهَا آخِرُهَا, وَخَيْرُ صُفُوفِ النِّسَاءِ آخِرُهَا, وَشَرُّهَا أَوَّلُهَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (440)




৪১৫. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পুরুষদের উত্তম সারি (কাতার) হলো প্রথম সারি, আর নিকৃষ্ট সারি হচ্ছে পিছনের সারি এবং মেয়েদের সর্বোত্তম কাতার শেষেরটি আর নিকৃষ্ট হচ্ছে প্রথমটি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৪৪০, তিরমিযী ২২৪, নাসায়ী ৮২০, আবূ দাউদ ৬৭৮, ইবনু মাজাহ ১০০০, আহমাদ ৭৩১৫, ৮২২৩, ৮২৮১, দারেমী ১২৬৮









বুলূগুল মারাম (416)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - ذَاتَ لَيْلَةٍ, فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ, فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِرَأْسِي مِنْ وَرَائِي, فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (726)، ومسلم (763)




৪১৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক রাতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সংগে সালাত আদায় করতে গিয়ে তার বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার মাথার পিছনের দিক ধরে তার ডান পাশে নিয়ে আসলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১৭, ১৩৮, ৬৯৭, ৬৯৮, ৬৯৯, ৭২৬, মুসলিম ৭৬৩, তিরমিযী ২৩২, নাসায়ী ৪৪২, ৮০৬, আবূ দাউদ, ৫৮, ৬১০, ১৩৫৩, ১৩৫৫, ১৩৫৬, ১৩৬৪, আহমাদ ২১৬৫, ২২৪৫, ২৩:২১, মুওয়াত্তা মালোক ২৬৭, ১২৬২, দারেমী ১২৫৫









বুলূগুল মারাম (417)


وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقُمْتُ وَيَتِيمٌ خَلْفَهُ, وَأُمُّ سُلَيْمٍ خَلْفَنَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (727)، ومسلم (658)




৪১৭. আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেন। আমি এবং একটি ইয়াতীম তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম আর উম্মু সুলাইম (রাঃ) আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩, ৫২৩, ১৩৯৮, ৩০৯১, ৩৫,১০, ৪৩৬৮, ৪৩৬৯, ৬১,৭৭, ৭২৬৬, মুসলিম ১৭, তিরমিযী ১৫৯৯, ২৬১১, নাসায়ী ৫০৩১, ৫৫৪৮, ৫৬৪৩, ৫৬৯২, আবূ দাউদ ৩৬৯০, ৩৬৯২. আহমাদ ২০১০, ২৪৭২, ২৪৯৫।









বুলূগুল মারাম (418)


وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّهُ انْتَهَى إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ رَاكِعٌ, فَرَكَعَ قَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَى الصَّفِّ, فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا، وَلَا تَعُدْ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. (1)

وَزَادَ أَبُو دَاوُدَ فِيهِ: فَرَكَعَ دُونَ الصَّفِّ, ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّفِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (783)
صحيح. رواه أبو داود (684)، ولكن لفظه: قال صلى الله عليه وسلم: «أيكم الذي ركع دون الصف، ثم مشى إلى الصف؟» الحديث




৪১৮. আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন অবস্থায় পৌছলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন রুকুতে ছিলেন। তখন কাতার পর্যন্ত পৌছার পূর্বেই তিনি রুকূতে চলে যান। (এ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ব্যক্ত করা হলে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, আল্লাহ তাআলা তোমার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিন।



তবে এ রকম আর করবে না। আবূ দাউদ বৃদ্ধি করেছেন : তিনি “সালাতের সারি পর্যন্ত না পৌঁছে রুকু করেন, অতঃপর রুকুর অবস্থায় এগিয়ে গিয়ে সারিতে সামিল হন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭৮৩, নাসায়ী ৮৭১, আবূ দাউদ ৬৮৩, ৬৮৪, আহমাদ ১৯৮৯২, ১৯৯২২, ১৯৯৯৪

আবূ দাউদের বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, أيكم الذي ركع دون الصف، ثم مشى إلى الصف তোমাদের মধ্যে কে কাতারে না পৌঁছে রুকু আরম্ভ করে, অতঃপর এ অবস্থায় কাতারে শামিল হয়?









বুলূগুল মারাম (419)


وَعَنْ وَابِصَةَ بْنِ مَعْبَدٍ [الْجُهَنِيِّ]- رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: رَأَى رَجُلًا يُصَلِّي خَلْفَ الصَّفِّ وَحْدَهُ, فَأَمَرَهُ أَنْ يُعِيدَ الصَّلَاةَ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4/ 228)، وأبو داود (682)، والترمذي (230)، وابن حبان (2198 و 2199 و 2200) وقال الترمذي: «حديث حسن». قلت: وللحديث طرق تفصيلها بالأصل




৪১৯. ওয়াসিবাহ বিন মাবাদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে একাকী সারির পেছনে সালাত আদায় করতে দেখেছিলেন, ফলে তাকে তিনি পুনরায় সালাত আদায় করার আদেশ দিলেন। আহমাদ, আবূ দাউদ, তিরমিযী (তিনি হাদীসটিকে হাসানও বলেছেন) এবং ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৬৮২, তিরমিযী ২৩০, ২৩১, ইবনু মাজাহ ১০০৪, আহমাদ ১৭৫৩৯, দারেমী ১২৮৫









বুলূগুল মারাম (420)


وَزَادَ الطَّبَرَانِيُّ مِنْ حَدِيثِ وَابِصَةَ: «أَلَا دَخَلْتَ مَعَهُمْ أَوْ اجْتَرَرْتَ رَجُلًا




৪২০. ত্ববারানীতে উক্ত ওয়াবিসাহ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আরও আছে, কোন সারিতে ঢুকে যাওনি কেন বা একজন সালাত আদায়কারীকে (পূর্বের সারি হতে) পেছনে টেনে নেওনি কেন?[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৬৮২, তিরমিযী ২৩০, ২৩১, ইবনু মাজাহ ১০০৪, আহমাদ ১৭৫৩৯, দারেমী ১২৮৫









বুলূগুল মারাম (421)


وَلَهُ عَنْ طَلْقٍ لَا صَلَاةَ لِمُنْفَرِدٍ خَلْفَ الصَّفِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (2202)، عن علي بن شيبان، قال: قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلينا خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم، صلاته إذا رجل فرد، فوقف عليه نبي الله صلى الله عليه وسلم، حتى قضى الرجل صلاته، ثم قال له نبي الله صلى الله عليه وسلم: «استقبل صلاتك، فإنه لا صلاة لفرد خلف الصف». وأما قول الحافظ: «عن طلق» فهو وهم منه رحمه الله




৪২১. ইবনু হিব্বান ত্বলক হতে অন্য এক হাদীসে বর্ণনা করেছেন, “সারির পেছনে একাকী দাঁড়নো ব্যক্তির সালাত হয় না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ২২০২। ইবনু হিব্বানে রয়েছে, আলী বিন শাইবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাঁর পিছনে সালাত আদায় করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শেষ করলেন তখন তিনি দেখলেন, একজন লোক পিছনের কাতারে একাকী সালাত আদায় করছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত পুনরায় পড়। কেননা কাতারের পিছনে একাকী সালাত আদায়কারীর সালাত সিদ্ধ হয় না।









বুলূগুল মারাম (422)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمْ الْإِقَامَةَ فَامْشُوا إِلَى الصَّلَاةِ, وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ, وَلَا تُسْرِعُوا, فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا, وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (636)، ومسلم (602)




৪২২. আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমরা ইক্কামাত শুনতে পাবে, তখন সালাতের দিকে চলে আসবে, তোমাদের উচিত স্থিরতা ও গাম্ভীর্য অবলম্বন করা। তাড়াহুড়া করবে না। ইমামের সাথে যতটুকু পাও তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করবে। -(শব্দ বিন্যাস বুখারী)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৩৬, ৯০৮, মুসলিম ৬০২, তিরমিযী ৩২৭, নাসায়ী ৮৬১, আবূ দাউদ ৮৭২, ৮৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৭৫, আহমাদ ৭১৮৯, ৭২০৯, ৭৬০৬, মুওয়াত্তা মালেক ১৫২, দারেমী ১২৮২









বুলূগুল মারাম (423)


وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ وَحْدَهُ, وَصَلَاتُهُ مَعَ الرَّجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ مَعَ الرَّجُلِ, وَمَا كَانَ أَكْثَرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ - عز وجل». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (554)، والنسائي (2/ 104 - 105)، وابن حبان (2056)




৪২৩. উবাই বিন কাব (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-একা একা সালাত আদায়ের চেয়ে অপর এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করা উত্তম। আর দু জনের সঙ্গে জামাআত করে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। তারপর যত অধিক (জামাআত বড়) হবে ততোধিক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট তা প্রিয়। mdash;ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৫৯৫, ২৯৩১, আহমাদ ১১৯৪৫, ১২৫৮৮









বুলূগুল মারাম (424)


وَعَنْ أُمِّ وَرَقَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَمَرَهَا أَنْ تَؤُمَّ أَهْلَ دَارِهَا رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (592)، وابن خزيمة (1676)




৪২৪. উম্মু ওয়ারাকাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (ওয়ারকার মাতাকে) হুকুম করেছিলেন যে, সে তার মহল্লাবাসীনীর ইমামতি করবে। -ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু খুযাইমা ১৬৭৬, আবূ দাউদ ৫৯১, আহমাদ ২৬৭৩৮









বুলূগুল মারাম (425)


وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ, يَؤُمُّ النَّاسَ, وَهُوَ أَعْمَى. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (595)، وأحمد (3/ 132 و 192)، وهو وإن كان عندهما بسند حسن إلا أن الحديث صحيح بشاهده التالي




৪২৫. আনাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু উম্মু মাকতুম অন্ধ সাহাবীকে লোকেদের ইমামতি করার জন্য (মাদীনায়) তাঁর স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ এবং আহমাদ এর বর্ণনায় হাদীসটি হাসান সানাদে বর্ণিত হলেও পরবর্তী শাহেদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।









বুলূগুল মারাম (426)


وَنَحْوُهُ لِابْنِ حِبَّانَ: عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (2134)، (2135)، عن عائشة؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم استخلف ابن أم مكتوم على المدينة يصلي بالناس




৪২৬. ইবনু হিব্বানেও ‘আয়িশা (রাঃ) হতে অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত আছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ২১৩৪, ২১৩৫। হাদীসটি সহীহ। ইবনু হিব্বান তা বর্ণনা করেছেন। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের ইমামতি করার জন্য ইবনু উম্মু মাকতুমকে মদীনায় রেখে গিয়েছিলেন।









বুলূগুল মারাম (427)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «صَلُّوا عَلَى مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ, وَصَلُّوا خَلْفَ مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه الدارقطني (2/ 56)، وله طرق عن ابن عمر، ولكن كلها واهية، ففي قول الحافظ «بإسناد ضعيف» تسامح كبير، ومثله قول النووي في «المجموع» (4/ 153)




৪২৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু” কালিমা পাঠ করেছে তার জানাযার সালাত আদায় কর। আর যে ব্যক্তি “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু” কালিমা পাঠ করেছে তার পেছনে (মুক্তাদী হয়ে) সালাত আদায় করবে। mdash;দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ২/৫২। হাদীসটি সহীহ। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেন, হাদীসটি গরীব। প্রকৃতপক্ষে এর অনেক শাহেদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।

আল কামিল ফিয যুয়াফা (৩/৪৭৮) গ্রন্থে ইবনু আদী হাদীসটি বানোয়াট বলে আখ্যা দিয়েছেন। আল ওহম ওয়াল ইহাম (৫/৬৮৫) গ্রন্থে ইবনু কাত্তান বলেন সানাদে একজন রাবী কাযযাব (মিথ্যাবাদী) রয়েছে। এ ছাড়া ফাতাওয়া মূর আলাদ্দার (১৪/৪৪) গ্রন্থে বিন বায আল আল আমিউস স্বাগীর (৫০৩০) গ্রন্থে ইমাম সুয়ূত্বী ইরওয়াউল গালীল (৭২০) ও যয়ীফুল জামে (৩৪৮৩) গ্রন্থে আলবানী দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন।









বুলূগুল মারাম (428)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ الصَّلَاةَ وَالْإِمَامُ عَلَى حَالٍ, فَلْيَصْنَعْ كَمَا يَصْنَعُ الْإِمَامُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (591) وقال: «حديث غريب». قلت: ولا يضر ذلك إن شاء الله تعالى، إذ له شواهد يصح بها كما ذكرته بالأصل




৪২৮. ‘আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে আসে তখন ইমাম যে অবস্থায় থাকে তাঁর সঙ্গে সে অবস্থাতেই জামাআতে শরীক হবে ও তিনি যা করেন মুক্তাদীও তাই করবে। তিরমিযী দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৫৯১