হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (389)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ خَافَ أَنْ لَا يَقُومَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوتِرْ أَوَّلَهُ, وَمَنْ طَمِعَ أَنْ يَقُومَ آخِرَهُ فَلْيُوتِرْ آخِرَ اللَّيْلِ, فَإِنَّ صَلَاةَ آخِرِ اللَّيْلِ مَشْهُودَةٌ, وَذَلِكَ أَفْضَلُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (755)




৩৮৯. জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যে ব্যক্তি শেষ রাতে জগতে না পারার আশঙ্কা করবে। সে যেন রাতের প্রথমাংশেই বিতর সালাত আদায় করে নেয়। আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত হবার আস্থা রাখবেmdash;সে শেষ রাতেই তা পড়বে। কেননা শেষ রাতের সালাত আল্লাহর দরবারে উপস্থাপিত হয়ে থাকে। এবং এটা উত্তম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭৫৫, তিরমিযী ৪৫৫, ইবনু মাজাহ। ১১৮৭. আহমাদ ১৩৭২









বুলূগুল মারাম (390)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ فَقَدْ ذَهَبَ كُلُّ صَلَاةِ اللَّيْلِ وَالْوَتْرُ، فَأَوْتِرُوا قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف بهذا اللفظ مرفوعا، رواه الترمذي (469)




৩৯০. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ফজর হয়ে গেলে রাতের সালাতের সময় শেষ হয়ে যায়। অতএব তোমরা ফজর উদিত হবার পূর্বেই বিতর সালাত আদায় করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৪৬৯, নাসায়ী ১৬৬৬, ১৬৬৭, আবূ দাউদ ১২৯৫, ১৩২৬, ১৪২১, ইবনু মাজাহ। ১১৭৪ , ১১৭৫, আহমাদ ৪৫৫৭, ৪৮৩২, ৪৮৬৩, মুওয়াত্তা মালেক ২৬৯, ২৭৫, দারেমী ১৪৫৮, ইমাম বুখারী তাঁর ইলালুল কাবীর (২৫৭) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুনকার বলেছেন। আহমাদ শাকের ইবনু হাযামের আল মুহাল্লা গ্রন্থের তাহকীকে বলেন, এটি হচ্ছে ইবনু উমার কথা, যারা এটিকে রাসূলের বাণী বানিয়েছেন তারা সন্দেহবশত অথবা ভুল করে এটি করেছেন। ইবনুল কীসরানী তাঁর দাখীরুতুল হুফফায (১/৩৩৫৮) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে সুলাইমান বিন মূসা রয়েছেন যার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেন, তার হাদীস মুনকার। শাইখ আলবানী যঈফুল জামে (৫৮৪) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। তবে সহীহ তিরমিযী (৪৬৯) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। ইবনুল কাত্তান তার আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম (৪/৫৭৫) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (391)


وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا, وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (719) (79)




৩৯১. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাশতের সালাত চার রাকআত আদায় করতেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় কিছু বেশিও আদায় করতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭১৯, ইবনু মাজাহ ১৩৮১, আহমাদ ২৩৯৩৫, ২৪১১৭









বুলূগুল মারাম (392)


وَلَهُ عَنْهَا: أَنَّهَا سُئِلَتْ: هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّي الضُّحَى? قَالَتْ: لَا, إِلَّا أَنْ يَجِيءَ مِنْ مَغِيبِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (717)




৩৯২. মুসলিমে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকেই বৰ্ণিত। তিনি জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন- আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি যোহা বা চাশতের সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন- না; তবে তিনি কোন সফর থেকে বাড়ি ফিরলে তা আদায় করতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭১৭, নাসায়ী ২১৮৪, ২১৮৫, আবূ দাউদ ১২৯২। পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন আমল পরিত্যাগ করতে চান। অথচ তিনি তা করতে পছন্দ করেন, তিনি এই আশংকায় তা পরিত্যাগ করেন যে, লোকেরা এই আমলটি করা শুরু করবে। অতঃপর তা তাদের উপর ফরয হয়ে যাবে।









বুলূগুল মারাম (393)


وَلَهُ عَنْهَا: مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّي سُبْحَةَ الضُّحَى قَطُّ, وَإِنِّي لَأُسَبِّحُهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (718)، وتمامه: وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل، وهو يحب أن يعمل به، خشية أن يعمل به الناس، فيفرض عليهم. قلت: والحديث أيضا عند البخاري (1128) بتمامه




৩৯৩. মুসলিমে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকেই আরো বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে চাশতের সালাত আদায় করতে দেখি নি। অবশ্য আমি তা পড়ে থাকি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭১৮, বুখারী ১১২৮, আবূ দাউদ ১২৯৩, আহমাদ ২৩৫০৫, মালিক ৩৬০, দারিমী ১৪৫৫









বুলূগুল মারাম (394)


وَعَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (748) وفيه: أن زيد بن أرقم رأى قوما يصلون من الضحى. فقال: أما لقد عملوا أن الصلاة في غير هذه الساعة أفضل. إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: الحديث بنصه. ومن الواضح أن عزو الحافظ الحديث للترمذي إنما هو وهم




৩৯৪. যায়িদ বিন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- আল্লাহর প্রতি অনুরাগী ব্যক্তিদের নফল সালাত তখন (পড়া হয়) যখন উটের বাচ্চা পা গরম বালুতে দগ্ধ হয় অর্থাৎ মরুভূমিতে সূর্যের প্রখরতায় উটের বাচ্চ মাকে ছেড়ে যখন ছায়ায় চলে আসে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭৪৮, আহমাদ ১৮৭৭৯, ১৮৭৮৪, দারেমী ১৪৫৭।









বুলূগুল মারাম (395)


وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَلَّى الضُّحَى ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً بَنَى اللَّهُ لَهُ قَصْرًا فِي الْجَنَّةِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَاسْتَغْرَبَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (473) وقال: حديث غريب




৩৯৫. আনাস ((রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যে ব্যক্তি বার রাকআত চাশতের সালাত আদায় করবে। আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একখানা অট্টালিকা নির্মাণ করবেন। তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (একক সানাদ বিশিষ্ট্য) বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ১৩৮০, শাইখ আলবানী তাঁর যঈফ তারগীব (৪০৩), যঈফুল জামে (৫৬৫৮), যঈফ তিরমিযী (৪৭৩), যঈফ ইবনু মাজাহ (২৫৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তিনি তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (১২৬৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের ত্রুটি হচ্ছে, এতে মূসা বিন ফুলান বিন আনাস রয়েছেন, যিনি মাজহুল। ইমাম নববী তাঁর আল খুলাসা (১/৫৭১) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (396)


وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: دَخَلَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بَيْتِي, فَصَلَّى الضُّحَى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ - رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ فِي صَحِيحِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن حبان (2531) وفي سنده انقطاع




৩৯৬. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করে চাশতের ৮ রাকআত সালাত আদায় করেছিলেন। mdash;ইবনু হিব্বান তাঁর সহীহ গ্রন্থে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাশীয়া বুলুগুল মারাম (২৭২) গ্রন্থে বিন বায বলেন, এর সানাদে আবূ মুত্তালিব বিন আব্দুল্লাহ হান্তাব আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ননা করেছেন। তবে তিনি আয়িশা (রাঃ) হতে শ্রবন করেছেন কিনা এই বিষয়ে মতানৈক্য করা হয়েছে। এ ছাড়া অবশিষ্ট রাবীর মধ্যে কোন অসুবিধা নেই।









বুলূগুল মারাম (397)


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «صَلَاةُ الْجَمَاعَةِ أَفْضَلُ مِنْ صَلَاةِ الْفَذِّ بِسَبْعٍ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (645)، ومسلم (650) و «الفذ»: أي: المنفرد




৩৯৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জামাআতে সালাতের ফাষীলত একাকী আদায়কৃত সালাত অপেক্ষা সাতাশ গুণ বেশী।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৪৫, মুসলিম ৬৫০, তিরমিযী ২১৫, নাসায়ী ৮৩৭, ইবনু মাজাহ ৭৮৯, আহমাদ ৪৬৫৬, ৫৩১০, মুওয়াত্তা মালেক ২৯০

فذ শব্দের অর্থ হচ্ছে, منفرد অর্থাৎ একাকী। একাকী নামাযরত ব্যক্তিকে মুনাফারিদ বলা হয়।









বুলূগুল মারাম (398)


وَلَهُمَا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: «بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (648)، ومسلم (649)




৩৯৮. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৭৬, ৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৮, মুসলিম ৬৪৯, তিরমিযী ২১৫, ২১৬, নাসায়ী ৭৩১, ৮৩৮, আবূ দাউদ ৪৬৯, ৪৭০, ইবনু মাজাহ ৭৮৬, ৭৮৭. আহমাদ ৮১৪৫, ৭৩৬৭, মুওয়াত্তা মালেক ২৯১, ৩৮২, দারেমী ১২৭৬









বুলূগুল মারাম (399)


وَكَذَا لِلْبُخَارِيِّ: عَنْ أَبِي سَعِيدٍ, وَقَالَ: دَرَجَةً

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (646) «تنبيه»: قد وقع خلاف في العدد وتمييزه في أحاديث فضل صلاة الجماعة، وقد تناولتها بالتفصيل في الأصل




৩৯৯. আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বুখারীতেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। কিন্তু তাতে জুয-এর স্থলে দরজাহ শব্দ আছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৪৬, আবূ দাউদ ৫৬০, ইবনু মাজাহ ৭৮৮, আহমাদ ১১১২৯









বুলূগুল মারাম (400)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِحَطَبٍ فَيُحْتَطَبَ, ثُمَّ آمُرَ بِالصَّلَاةِ فَيُؤَذَّنَ لَهَا, ثُمَّ آمُرَ رَجُلًا فَيَؤُمَّ النَّاسَ, ثُمَّ أُخَالِفُ إِلَى رِجَالٍ لَا يَشْهَدُونَ الصَّلَاةَ, فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ, وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ يَعْلَمُ أَحَدُهُمْ أَنَّهُ يَجِدُ عَرْقًا سَمِينًا أَوْ مِرْمَاتَيْنِ حَسَنَتَيْنِ لَشَهِدَ الْعِشَاءَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (644)، ومسلم (651) العرق: هو العظم إذا كان عليه لحم، وإذا لم يكن عليه لحم فهو العراق. المرماة: ما بين ظلفي الشاة من اللحم، وقيل في تفسيرها غير ذلك




৪০০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ! আমার ইচ্ছা হয়, জ্বালানী কাঠ সংগ্ৰহ করতে আদেশ দেই, অতঃপর সালাত কায়েমের আদেশ দেই, অতঃপর সালাতের আযান দেয়া হোক, অতঃপর এক ব্যক্তিকে লোকেদের ইমামতি করার নির্দেশ দেই। অতঃপর আমি লোকেদের নিকট যাই এবং (যারা সালাতে শামিল হয়নি) তাদের ঘর জ্বলিয়ে দেই। যে মহান সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তার কসম! যদি তাদের কেউ জানত যে, একটি গোশতহীন মোটা হাড় বা ছাগলের ভালো দুটি পা পাবে তাহলে অবশ্যই সে ‘ইশা সালাতের জামাআতেও হাযির হতো। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৪৪, ৬৫৭, ২৪২০, ৭২২৪, মুসলিম ৬৫১, তিরমিযী ২১৭, নাসায়ী ৮৪৮, আবূ দাউদ ৫৪৮, ৫৪৯, ইবনু মাজাহ ৭৯১, আহমাদ ৭২৬০, ৭৮৫৬, মুওয়াত্তা মালেক ২৯২ দারেমী ১২১২, ১২৭৪ عرق বলা হয় ঐ হাড়কে যাতে গোশত রয়েছে, আর যে হাড়ে গোশত নেই তাকে عراق তথা মাংসাশূন্য হাড় বলা হয়। ছাগলের দুই খুরের মাঝখানের গোশতকে مرماة বলা হয়।









বুলূগুল মারাম (401)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَثْقَلُ الصَّلَاةِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ: صَلَاةُ الْعِشَاءِ, وَصَلَاةُ الْفَجْرِ, وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (657)، ومسلم (651)




৪০১. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিকদের জন্য ফাজর ও ইশার সালাত অধিক ভারী। এ দু সালাতের কী ফাযীলাত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৪৪, ২৪২০, ৭২২৪, মুসলিম ৬৫১, তিরমিযী ২১৭, নাসায়ী ৮৪৮, আবূ দাউদ ৫৪৮, ৫৪৯, ইবনু মাজাহ ৭৯১, আহমাদ ৭২৬০, ৭৮৬৫, মালিক ২৯২, দারিামী ১২১২, ১২৭8।









বুলূগুল মারাম (402)


وَعَنْهُ قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - رَجُلٌ أَعْمَى فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! لَيْسَ لِي قَائِدٌ يَقُودُنِي إِلَى الْمَسْجِدِ, فَرَخَّصَ لَهُ, فَلَمَّا وَلَّى دَعَاهُ, فَقَالَ: «هَلْ تَسْمَعُ النِّدَاءَ بِالصَّلَاةِ?» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَأَجِبْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (653)




৪০২. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন অন্ধলোক (আবদুল্লাহ বিন উম্মু মাকতুম) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে এসে বললেন- হে আল্লাহর রসূল! মসজিদে নিয়ে যাওয়ার মত আমার কোন লোক নেই। এটা শুনে তিনি তাকে (জামাআতে হাজির হওয়া হতে) অব্যাহতি দিলেন। যখন লোকটি ফিরে গেল তখন তাকে ডেকে বললেন, তুমি কি সালাতের আযান শুনতে পাও? লোকটি বললেন হ্যা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তবে তুমি আযানে সাড়া দাও।” (অর্থাৎ আযানের ডাকে জামাআতে হাজির হও)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৬৫৩, নাসায়ী ৮৫০









বুলূগুল মারাম (403)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ». رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ, وَإِسْنَادُهُ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ, لَكِنْ رَجَّحَ بَعْضُهُمْ وَقْفَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح مرفوعا. رواه ابن ماجه (793)، والدارقطني (1/ 420)، وابن حبان (2064)، والحاكم (1/ 245)




৪০৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আযান শুনার পরও যে (জামাআতে)- হাজির হয় না তার সালাত (শুদ্ধ) হয় না তবে যদি ওযর (শারিয়াতসম্মত কোন কারণ) থাকে তাহলে তা স্বতন্ত্র ব্যাপার হবে। ইবনু মাজাহ, দারাকুৎনী, ইবনু হিব্বান, হাকিম; এর সানাদ মুসলিমের সানাদের শর্তনুযায়ী। কিন্তু মুহাদ্দিসীনদের কেউ কেউ “মউকুফ” হাদীস বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৫৫১, ইবনু মাজাহ ৭৯৩, দারেমী ৪২০









বুলূগুল মারাম (404)


وَعَنْ يَزِيدَ بْنِ الْأَسْوَدِ - رضي الله عنه: أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - صَلَاةَ الصُّبْحِ, فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا هُوَ بِرَجُلَيْنِ لَمْ يُصَلِّيَا, فَدَعَا بِهِمَا, فَجِيءَ بِهِمَا تَرْعَدُ فَرَائِصُهُمَا, فَقَالَ لَهُمَا: «مَا مَنَعَكُمَا أَنْ تُصَلِّيَا مَعَنَا?» قَالَا: قَدْ صَلَّيْنَا فِي رِحَالِنَا. قَالَ: «فَلَا تَفْعَلَا, إِذَا صَلَّيْتُمَا فِي رِحَالِكُمْ, ثُمَّ أَدْرَكْتُمْ الْإِمَامَ وَلَمْ يُصَلِّ, فَصَلِّيَا مَعَهُ, فَإِنَّهَا لَكُمْ نَافِلَةٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَاللَّفْظُ لَهُ, وَالثَّلَاثَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4/ 160 و 161)، والنسائي (2/ 112)، وأبو داود (575) و (576)، والترمذي (219)، وابن حبان (1564 و 1565) وقال الترمذي: «حسن صحيح». الفرائض: جمع فريضة، وهي اللحمة التي بين الجنب والكتف تهتز عند الفزع والخوف. وقوله: «فلا تفعلا» قال ابن حبان: لفظة زجر مرادها ابتداء أمر مستأنف




৪০৪. ইয়াযিদ বিন আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে (মিনার খায়েফ নামক মসজিদে) ফজরের সালাত আদায় করেছিলেন যখন তিনি সালাত সমাধান করলেন তখন দেখলেন যে, দুটি লোক (জামাআতে) সালাত আদায় করে নাই। তাদেরকে তিনি ডাকলেন। ফলে ঐ দুজনকে যখন তাঁর নিকটে নিয়ে আসা হল তাদের বাহুদ্বয়ের মাংসপেশী (ভয়ে) কাঁপছিল। তারপর তাদের তিনি বললেন, আমাদের সঙ্গে জামাআতে সালাত পড়তে কিসে বাধা দিল? তারা বলল আমরা আমাদের বাড়ীতে সালাত সমাধান করেছিলাম। তিনি তাদের বললেন, এরূপ করবে না। যখন তোমরা বাড়িতে সালাত আদায় করার পর ইমামকে সালাত সমাধা করার পূর্বেই পাবে তখন তোমরা তার সঙ্গেও সালাত আদায় করবে। এ সালাত তোমার জন্য নফল বলে গণ্য হবে mdash;“আহমাদ”, শব্দ বিন্যাস তারই, -আর তিন জনে। তিরমিযী ও ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ২১৯, আবূ দাউদ ৫৭৫, আহমাদ ১৭০২০









বুলূগুল মারাম (405)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ, فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا, وَلَا تُكَبِّرُوا حَتَّى يُكَبِّرَ, وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا, وَلَا تَرْكَعُوا حَتَّى يَرْكَعَ, وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ, فَقُولُوا: اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ, وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا, وَلَا تَسْجُدُوا حَتَّى يَسْجُدَ, وَإِذَا صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا, وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعِينَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَهَذَا لَفْظُهُ

وَأَصْلُهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (603)




৪০৫. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর অনুসরণের জন্য। তাই যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, আর ইমাম তাকবীর না বলা পর্যন্ত তোমরা বলবে না। যখন তিনি রুকূ করেন তখন তোমরাও রুকূ করবে। তিনি রুকূ না করা পর্যন্ত তোমরা রুকুতে যাবে না। যখন سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। আর তিনি যখন সিজদা করেন তখন তোমরাও সিজদা করবে। আর সাজদায় তোমরা ততক্ষণ যাবে না, যতক্ষণ না তিনি সিজদাতে যান। যখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা। যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে। আবূ দাউদ; এটা তাঁরই শব্দ। এ হাদীসের মূল বিষয় বুখারী, মুসলিমে রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৪১৪, ৪১৭, বুখারী ৭২২, নাসায়ী ৯২১, ইবনু মাজাহ ৮৪৬, ১২৩৯, আবূ দাউদ ৬০৩ আহমাদ ৭১০৪, ৮২৯৭, ৮৬৭২, ৯০৭৪, দারেমী ১৩১১।

বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর অনুসরণের জন্য। তাই যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন তিনি রুকূ’ করেন তখন তোমরাও রুকূ’ করবে। যখন سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। আর তিনি যখন সিজদা করেন তখন তোমরাও সিজদা করবে। যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে।









বুলূগুল মারাম (406)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - رَأَى فِي أَصْحَابِهِ تَأَخُّرًا، فَقَالَ: «تَقَدَّمُوا فَائْتَمُّوا بِي, وَلْيَأْتَمَّ بِكُمْ مَنْ بَعْدَكُمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (438) وتمامه: لا يزال قوم يتأخرون حتى يؤخرهم الله




৪০৬. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে তাঁর নিকট থেকে দূরে দাঁড়াতে দেখে বললেন, তোমরা আমার নিকট অগ্রসর হও এবং তোমরা আমার অনুসরণ কর আর তোমাদের পেছনে যারা থাকবে তারা তোমাদের অনুসরণ করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৪৩৮, নাসায়ী ৭৯৫, আবূ দাউদ ৬৮০, ইবনু মাজাহ ৬৭৮, আহমাদ, ১০৮৯৯

পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি হচ্ছে, যারা (সালাতের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে) পিছনে পড়ে থাকবে আল্লাহ তাদেরকে পিছনেই করে দেবেন।









বুলূগুল মারাম (407)


وَعَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه - قَالَ: احْتَجَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - حُجْرَةً بِخَصَفَةٍ, فَصَلَّى فِيهَا, فَتَتَبَّعَ إِلَيْهِ رِجَالٌ, وَجَاءُوا يُصَلُّونَ بِصَلَاتِهِ ... الْحَدِيثَ, وَفِيهِ: «أَفْضَلُ صَلَاةِ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلَّا الْمَكْتُوبَةَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (731)، ومسلم (781)




৪০৭. যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাটি দিয়ে একটি ছোট কক্ষ তৈরী করেছিলেন আর সেখানে তিনি (নফল) সালাত আদায় করতে লাগলেন। ফলে কিছু লোক (কামরার বাইরে) তাঁরই সালাতের অনুসরণ করতে এসে তাঁর সালাতের সাথে সালাত পড়তে লাগল। হাদীসটি দীর্ঘ। ফরয সালাত ব্যতীত অন্য সব সালাত বাড়িতে আদায় করা উত্তম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭৩১, মুসলিম ৭৮১, তিরমিযী ৪৫০, নাসায়ী ১৫৯৯, আবূ দাউদ ১০৪৪, ১৪৪৭, আহমাদ ২১০৭২, ২১০৮৪, ২১১১৪, মুওয়াত্তা মালোক ২৯৩, দারেমী ১৩৬৬









বুলূগুল মারাম (408)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: صَلَّى مُعَاذٌ بِأَصْحَابِهِ الْعِشَاءَ, فَطَوَّلَ عَلَيْهِمْ, فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - «أَتُرِيدُ أَنْ تَكُونَ يَا مُعَاذُ فَتَّانًا? إِذَا أَمَمْتَ النَّاسَ فَاقْرَأْ: بِـ (الشَّمْسِ وَضُحَاهَا) , وَ (سَبِّحْ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى) , وَ (اِقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ) , (وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى)». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (705)، ومسلم (465) (179)
وفي مسند الشافعي: عَنْ جَابِرٍ قَالَ: كَانَ مُعَاذٌ يُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِشَاءَ ثُمَّ يَنْطَلِقُ إِلَى قَوْمِهِ فَيُصَلِّيهَا، هِيَ لَهُ تَطَوُّعٌ، وَهِيَ لَهُمْ مَكْتُوبَةٌ الْعِشَاءُ. (1/ 308: (304)




৪০৮. জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,- সাহাবী মুআয (রাঃ) তাঁর অধীনস্থ লোকেদের নিয়ে ‘ইশা সালাত আদায় করলেন এবং ঐ সালাত তাদের পক্ষে খুব দীর্ঘ (কষ্টকর) হয়ে গেল। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এটা জানতে পেরে) তাঁকে বললেনঃ হে মুআয! তুমি কি ফিতনাহ সৃষ্টি করতে চাও? যখন তুমি লোকেদের ইমামতি করবে তখন ওয়াশশামসি ওয়াযুহাহা; সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা, ইকরা বিসমি রব্বিকা ও ওয়াললাইলি ইযা ইয়াগশা (সূরাগুলো) পাঠ করবে। শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭০৫, ৬১০, মুসলিম ৪৬৫, , নাসায়ী ৮৩৫, আবূ দাউদ ৭৯০, ইবনু মাজাহ ৮৩৬, ৯৮৬, ইবনু মাজাহ ১৩৭৭৮, ১৩৮৯৫