হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (561)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: وَاللَّهِ لَقَدْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى ابْنَيْ بَيْضَاءَ فِي الْمَسْجِدِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (973)




৫৬১ ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়যাআর পুত্রদ্বয়ের (সাহল ও সুহাইল-এর) সালাত মসজিদে আদায় করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৭৩, তিরমিযী ১০২৩, নাসায়ী ১৯৬৭, ১৯৬৮, আবূ দাউদ ৩১৮৯, ৩১৯০, ইবনু মাজাহ ১৫১৮, আহমাদ ২৩৯৭৭, মুওয়াত্তা মালেক ৫২৮









বুলূগুল মারাম (562)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ: كَانَ زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا, وَإِنَّهُ كَبَّرَ عَلَى جَنَازَةٍ خَمْسًا, فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَالْأَرْبَعَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (957)، وأبو داود (3197)، والنسائي (4/ 72)، والترمذي (1023)، وابن ماجه (1505)




৫৬২. ‘আবদুর রহমান বিন আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) আমাদের জানাযার সালাতে চার তাকবীর বলতেন। তিনি এক জানাযার সালাতে পাঁচ তাকবীর বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ তাকবীরও বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৫৭, তিরমিযী ১০২৩, ১৯৮২, নাসায়ী ১৯৮২, আবূ দাউদ ৩১৯৭, ইবনু মাজাহ ১৫০৫, আহমাদ ২৩৯৭৭, মুওয়াত্তা মালেক ৫২৮।









বুলূগুল মারাম (563)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه: أَنَّهُ كَبَّرَ عَلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ سِتًّا, وَقَالَ: إِنَّهُ بَدْرِيٌّ. رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ
وَأَصْلُهُ فِي الْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه غير سعيد بن منصور جماعة، وصححه ابن حزم في «المحلى» (5/ 126)
رواه البخاري (4004) بلفظ: أن عليا رضي الله عنه كبر على سهل بن حنيف، فقال: إنه شهد بدرا




৫৬৩. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সালাতে) ছয় তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইবনু হুনায়ফ) ছিলেন একজন বাদরী সাহাবী। সাঈদ বিন মানসুর এটি বর্ণনা করেছেন আর এর মূল বক্তব্য বুখারীতে রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪০০৪। বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, ইবনু মা’কিল (রাঃ) হতে বর্ণিত যে (তিনি বলেছেন), ‘আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সালাতে) তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইবনু হুনায়ফ) বাদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন।









বুলূগুল মারাম (564)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا وَيَقْرَأُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي التَّكْبِيرَةِ الْأُولَى. رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الشافعي في «المسند» (1/ 209/578) وسنده ضعيف جدا من أجل شيخ الشافعي ابن أبي يحيى فهو «متروك» وأعله الصنعاني في «السبل» بعلة ليست بعلة




৫৬৪. জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানাযায় চার তাকবীর বলতেন এবং প্রথম তাকবীরের (পর) ফাতিহাতিল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করতেন। শাফিঈ, দুর্বল সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার আসক্বালানী বুলুগুল মারামে (১৫৭) এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। বিন বায বুলুগুল মারামের হাশিয়ায় (৩৫৫) বলেন, এর সানাদে রয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উকাইল যিনি দুর্বল। আর তদপেক্ষাও দুর্বল রাবী হচ্ছেন ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ যিনি ইমাম শাফেয়ীর উসতাদ। আর তিনি অধিকাংশের নিকট তিনি দুর্বল। ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শারাহ (২/৫৬৪) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে কিয়াস ও অর্থ একে শক্তিশালী করে। আলবানী ইরওয়াউল গালীলা (৭৩৪) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম (২/১৬৫) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে এর শাহেদ হাদীস রয়েছে।

শাওকানী তুহফাতুয যাকিরীন (৩৭১) গ্রন্থে মুতাররফ রয়েছে তিনি যায়ীফ। কিন্তু বাইহাকী শক্তিশালী বলেছেন। রুবায়ী ফাতহুল গাফফার (৭৩২/২) গ্রন্থে বলেন তার সানাদ দুর্বল। আলবানী আহকামুল জানায়িয (১৫৫) গন্থে বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ। বাইহাকী সুনানুল কুবরা (৪/৩৯) গ্রন্থে বলেন, এ বর্ণনাটি শক্তিশালী। মুসলিম সহীহ মুসলিম (৪৫১) গ্রন্থে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (565)


وَعَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ قَالَ: صَلَّيْتُ خَلَفَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَلَى جَنَازَةٍ, فَقَرَأَ فَاتِحَةَ الكِتَابِ فَقَالَ: «لِتَعْلَمُوا أَنَّهَا سُنَّةٌ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1335)




৫৬৫. ত্বালহাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আওফ (আঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর পিছনে জানাযার সালাত আদায় করলাম। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং (সালাত শেষে) বললেন, (আমি সূরা ফাতিহা পাঠ করলাম) যাতে লোকেরা জানতে পারে যে, এটা সুন্নাত।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৩৩৫, তিরমিযী ১০২৪, ১০২৬, ১০২৭, নাসায়ী ১৯৮৭, আবূ দাউদ ২১৯৮।









বুলূগুল মারাম (566)


وَعَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى جَنَازَةٍ، فَحَفِظْتُ مِنْ دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ, وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ, وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ, وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ, وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ, وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ, وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ, وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ, وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ, وَقِهِ فِتْنَةَ الْقَبْرِ وَعَذَابَ النَّارِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (963)، وزاد: قال عوف: فتمنيت أن لو كنت أنا الميت؛ لدعاء رسول الله -صلى الله عليه وسلم -على ذلك الميت




৫৬৬. ‘আউফ বিন মালিক (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন; আমি তাঁর এ দুআটি মুখস্থ করে নিলাম।



উচ্চারণ: আল্লাহুম-মাগাফির লাহু ওয়ারহামহু, ওয়া আফিহি, ওয়াফু আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহূ, ওয়া ওয়াসসি মাদ-খালাহূ, ওয়াগসিলহু বিলমাই ওয়াস সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়া নাক্কিহী মিনাল খাতাইয়া কামা নাক্কায়তাস সাউবাল আবাইয়াযা মিনাদ দানাসি, ওয়া আবদিলহু দারান খায়রান মিন দারিহি, ওয়া আহলান খায়রান মিন আহলিহী, ওয়া যাওজান খায়রান মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়াকিহী ফিতনাতাল কাবরি ওয়া ‘আযাবান নার।



অর্থ: ইয়া আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর করুণা কর, তাকে শক্তি দাও এবং তাকে রেহাই দাও। তার উপর সহৃদয় হও এবং তার প্রবেশদ্বার প্রশস্ত করে দাও এবং তাকে পানি, বরফ ও তুষার দ্বারা ধৌত করে দাও। তার গুনাহসমূহ পরিস্কার করে দাও, সাদা কাপড় যে ভাবে দাগমুক্ত করে ধৌত করা হয়। সে যে ধরণের আবাসের সঙ্গে পরিচিত তার থেকে তাকে উত্তম আবাস দাও এবং যে ধরনের পরিবারের সঙ্গে পরিচিত তার থেকে উত্তম পরিবার দাও এবং তার স্ত্রী হতে উত্তম স্ত্রী দাও। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং কবরের ফিতনা হতে আর জাহান্নামের আগুন হতে তাকে রক্ষা কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৬৩, তিরমিযী ১০২৫, নাসায়ী ১৯৮৩, ১৯৮৪, মুসলিমের বর্ণনায় আরো রয়েছে, আওফ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ فتمنيت أن لو كنت أنا الميت؛ لدعاء رسول الله -صلى الله عليه وسلم -على ذلك الميت মৃত ব্যক্তির উপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্ত দু’আর কারণে আমি কামনা করেছিলাম যদি আমি সেই মৃত ব্যক্তিটি হতাম।









বুলূগুল মারাম (567)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا صَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا, وَمَيِّتِنَا, وَشَاهِدِنَا, وَغَائِبِنَا, وَصَغِيرِنَا, وَكَبِيرِنَا, وَذَكَرِنَا, وَأُنْثَانَا, اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ, وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ, اللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ, وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ, وَالْأَرْبَعَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3201)، والترمذي (1024)، وابن ماجه (1498)، وقد أعل هذا الحديث بما لا يقدح، وبيان ذلك في «الأصل». «تنبيه»: وهو الحافظ في عزوه الحديث لمسلم




৫৬৭. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সালাতে বলতেনঃ



উচ্চারণ: আল্লাহুম-মাগাফির লিহাইয়্যিনা, ওয়া মাইয়্যিতিনা, ওয়া শাহিদিনা, ওয়া গায়িবিনা, ওয়া সাগীরিনা ওয়া কাবী-রিনা, ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা। আল্লাহুম্মা মান আহইয়ায়তাহু মিন্না ফা আহইহী ‘আলাল ইসলামি ওয়া মান তাওয়াফফায়তাহ মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমানি, আল্লাহুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তুযিল্লানা বা#39;দাহু।



অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত, অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখো তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো এবং আমাদের মধ্যে যাকে মৃত্যু দান করো, তাকে ঈমানের সাথে মৃত্যুদান করো। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে এর প্রতিদান থেকে বঞ্চিত করো না এবং এর পরে আমাদের পথভ্ৰষ্ট করো না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২০১, ৩২০০, তিরমিযী ১০২৪, ইবনু মাজাহ ১৪৯৮, নাসায়ী ১৯৮৬। হাদীসটি মূলতঃ মুসলিমে নেই।









বুলূগুল মারাম (568)


وَعَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَخْلِصُوا لَهُ الدُّعَاءَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (3199)، وابن حبان (3076)




৫৬৮. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন তোমরা কোন মৃতের জন্য সালাত আদায় করবে-তখন তার জন্য আন্তরিকভাবে দুআ কর। আবূ দাউদ। ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩১৯৯, ইবনু মাজাহ ১৪৯৭









বুলূগুল মারাম (569)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَسْرِعُوا بِالْجَنَازَةِ, فَإِنْ تَكُ صَالِحَةً فَخَيْرٌ تُقَدِّمُونَهَا إِلَيْهِ, وَإِنْ تَكُ سِوَى ذَلِكَ فَشَرٌّ تَضَعُونَهُ عَنْ رِقَابِكُمْ» مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1315)، ومسلم (944) (50)




৫৬৯. আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা জানাযা নিয়ে দ্রুতগতিতে চলবে। কেননা, সে যদি পুণ্যবান হয়, তবে এটা উত্তম, যার দিকে তোমরা তাকে এগিয়ে দিচ্ছ, আর যদি সে অন্য কিছু হয়, তবে সে একটি আপদ, যাকে তোমরা তোমাদের ঘাড় হতে জলদি নামিয়ে ফেলছ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৩১৫, মুসলিম ৯৪৪, তিরমিযী ১০১৫, নাসায়ী ১৯১০, ১৯১১, আবূ দাউদ ২১৮১, ইবনু মাজাহ ১৪৭৭, আহমাদ ২৭৩০৪, ৭৭১৪, মুওয়াত্তা মালেক ৫৭৪।









বুলূগুল মারাম (570)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ شَهِدَ الْجَنَازَةَ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا [ص: 164] فَلَهُ قِيرَاطٌ, وَمَنْ شَهِدَهَا حَتَّى تُدْفَنَ فَلَهُ قِيرَاطَانِ». قِيلَ: وَمَا الْقِيرَاطَانِ? قَالَ: «مِثْلُ الْجَبَلَيْنِ الْعَظِيمَيْنِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَلِمُسْلِمٍ: حَتَّى تُوضَعَ فِي اللَّحْدِ
وَلِلْبُخَارِيِّ: مَنْ تَبِعَ جَنَازَةَ مُسْلِمٍ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا, وَكَانَ مَعَهُ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا وَيُفْرَغَ مِنْ دَفْنِهَا فَإِنَّهُ يَرْجِعُ بِقِيرَاطَيْنِ, كُلُّ قِيرَاطٍ مِثْلُ أُحُدٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (47) وتمامه: ومن صلى عليها، ثم رجع قبل أن تدفن، فإنه يرجع بقيراط




৫৭০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করা পর্যন্ত জানাযায় উপস্থিত থাকবে, তার জন্য এক কীরাত, আর যে ব্যক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে তার জন্য দু কীরাত। জিজ্ঞেস করা হল দু কীরাত কী? তিনি বললেন, দুটি বিশাল পর্বত সমতুল্য (সাওয়াব)। মুসলিমে আছেndash; “কবরে রাখা পর্যন্ত হাজির থাকল”।



বুখারীতে আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর বর্ণনায় আছে-যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও পুণ্যের আশায় কোন মুসলিমের জানাযার অনুগমন করে এবং তার সালাত-ই-জানাযা আদায় ও দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সঙ্গে থাকে, সে দু কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরবে। প্রতিটি কীরাত হল উহুদ পর্বতের মতো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৭, ১২২৪, ১৩২৫, মুসলিম ৯৪৫, তিরমিযী ১০৪০, নাসায়ী ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৬, আবূ দাউদ ২১৬৮, ইবনু মাজাহ ১৫২৯, আহমাদ ৪৪২৯, ৭১৪৮, বুখারীর বর্ণনায় পূর্ণ হাদীসটি হচ্ছে, ومن صلى عليها، ثم رجع قبل أن تدفن، فإنه يرجع بقيراط আর যে ব্যক্তি শুধু তার জানায আদায় করে, তারপর দাফন সম্পন্ন হবার পূর্বেই চলে আসে, সে এক কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরবে।









বুলূগুল মারাম (571)


وَعَنْ سَالِمٍ, عَنْ أَبِيهِ - رضي الله عنه - أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ, يَمْشُونَ أَمَامَ الْجَنَازَةِ. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَأَعَلَّهُ النَّسَائِيُّ وَطَائِفَةٌ بِالْإِرْسَالِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4539)، وأبو داود (3179)، والنسائي (4/ 56)، والترمذي (1007 و 1008)، وابن ماجه (1482)، وابن حبان (766 و 767 و 768 موارد) وما أعل به الحديث، فليس بقادح، وقد أجبت عنه في «ناسخ الحديث» (327) لابن شاهين، وأيضا في الأصل




৫৭১. সালিম তাঁর পিতা আবদুল্লাহ্ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-কে লাশের আগে আগে হেঁটে যেতে দেখেছেন। পাঁচজনে (আহমাদ, আবূ দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)। ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন এবং নাসায়ী একে ত্রুটিযুক্ত গণ্য করেছেন এবং এক জামাআত মুহাদ্দিস একে মুরসাল বলে আখ্যায়িত করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১০০৭, ১০০৮, ৩১৭৯, নাসায়ী ১৯৪৪, ১৯৪৫, ইবনু মাজাহ ১৪৮২, মুওয়াত্তা মালেক ৫২৪









বুলূগুল মারাম (572)


وَعَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: نُهِينَا عَنِ اتِّبَاعِ الْجَنَائِزِ, وَلَمْ يُعْزَمْ عَلَيْنَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1287)، ومسلم (938)، وانظر «ناسخ الحديث» (314)




৫৭২. উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, জানাযার পশ্চাদানুগমণ করতে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে, তবে আমাদের উপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়নি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২১৩, ১২৭৮, ১২৭৯, ৫৩৪২, মুসলিম ৯২৮, নাসায়ী ৩৫৩৪, আবূ দাউদ ২৩০২, ইবনু মাজাহ ২০৮৭, আহমাদ ২০২৭০, ২৬৭৫৯, দারেমী ২২৮৬









বুলূগুল মারাম (573)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا رَأَيْتُمُ الْجَنَازَةَ فَقُومُوا, فَمَنْ تَبِعَهَا فَلَا يَجْلِسْ حَتَّى تُوضَعَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1310)، ومسلم (959) (77)، واللفظ لمسلم، ولفظ البخاري مثله إلا أن عنده: فلا يقعد




৫৭৩. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমরা কোন জানাযা দেখবে তখন তোমরা দাঁড়িয়ে যাও। আর যে তার সাথে যাবে সে মাইয়্যেতকে রাখার পূর্বে যেন না বসে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২০৯, ১৩১০, মুসলিম ৯৫৯, তিরমিযী ১০৪৩, নাসায়ী ১৯১৪, ১৯১৭, ১৯১৮, আবূ দাউদ ২১৭৩, আহমাদ ১০৮১১, ১০৯২৫, ১০৯৭৩।









বুলূগুল মারাম (574)


وَعَنْ أَبِي إِسْحَاقَ, أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ - رضي الله عنه - أَدْخَلَ الْمَيِّتَ مِنْ قِبَلِ رِجْلَيِ الْقَبْرَ، وَقَالَ: هَذَا مِنَ السُّنَّةِ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3211)




৫৭৪. আবূ ইসহাক থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ বিন যায়দ (রাঃ) মুর্দাকে পায়ের দিক দিয়ে কবরে প্রবেশ করিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, এটাই সুন্নাত (সঠিক পদ্ধতি)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২১১।









বুলূগুল মারাম (575)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا وَضَعْتُمْ مَوْتَاكُمْ فِي الْقُبُورِ, فَقُولُوا: بِسْمِ اللَّهِ, وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَأَعَلَّهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِالْوَقْفِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (2/ 27 و 40 و 59 و 69 و 127 - 128)، وأبو داود (3213)، وابن حبان (3110)، وفي رواية: «وعلى سنة رسول الله». وأما إعلال الدارقطني رحمه الله للحديث بالوقف فمجاب عليه «بالأصل». «تنبيه»: إطلاق العزو هكذا للنسائي غير جيد، فإن الحديث عند النسائي في عمل اليوم والليلة




৫৭৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মুর্দাকে যখন তোমরা কবরে রাখবে তখন বলবে- “বিসমিল্লাহি অ-আলা মিল্লাতে রাসূলিল্লাহি। অর্থ : আল্লাহ তাআলার নামে ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিধান অনুযায়ী (দাফন করা হলো)। -ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন আর দারাকুৎনী একে মাওকুফ হিসেবে এর ইল্লত (দোষ) বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২১৩, তিরমিযী ১০৪৬ ইবনু মাজাহ ১৫৫০, ১৫৫৩, আহমাদ ৪৭৯৭, ৪৯৭০, ৫২১১।









বুলূগুল মারাম (576)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «كَسْرُ عَظْمِ الْمَيِّتِ كَكَسْرِهِ حَيًّا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ بِإِسْنَادٍ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3207)




৫৭৬. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনmdash;মুর্দার হাড় ভাঙ্গা জীবিতের হাড়ভাঙ্গার মতই (মন্দ কাৰ্য)। আবূ দাউদ হাদীসটি মুসলিমের সানাদের শর্তানুযায়ী।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২০৭, ইবনু মাজাহ ১৬১৬, আহমাদ ২৩৭৮৭, ২৪১৬৫, ২৪২১৮।









বুলূগুল মারাম (577)


وَزَادَ ابْنُ مَاجَهْ مِنْ حَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ: فِي الْإِثْمِ


تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن ماجه (1617)، وهذه اللفظ ليست من الحديث، وإنما هي تفسير من بعض الرواة




৫৭৭. ইবনু মাজাহ উম্মু সালামাহর হাদীস বর্ণনায় একথা বৃদ্ধি করেছেন : (উভয়ই) পাপের কাজ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ। ১৬১৭। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী বলেন, এটি হাদীসের অংশ নয়, বরং এটি কতিপয় বারীর নিজস্ব ব্যাখ্যা। ইবনুল মুলকিন তার আল বাদরুল মুনীর (৬/৭৭০) গ্রন্থে এর সানাদকে হাসান বলেছেন। ইমাম সুয়ূতী আল জামেউস সগীর (৬২৩২) গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৭৬৩) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। তবে তিনি যঈফুল জামে’ (৪১৭০১) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। তিনি যঈফ ইবনু মাজাহ (৩১৯) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি দুর্বল তবে فِي الْإِثْمِ কথাটি ছাড়া বাকী কথা সহীহ।









বুলূগুল মারাম (578)


وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَلْحَدُوا لِي لَحْدًا, وَانْصِبُوا عَلَى اللَّبِنِ نُصْبًا, كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (966)




৫৭৮. সাদ বিন আবূ ওয়াক্কাস হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমার জন্য কবর তৈরী কর এবং এর পাশে কাচা ইট খাড়া করে দিবে, যেমনটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কবরে করা হয়েছিল।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৬৬, নাসায়ী ২০০৭, ২০০৮, ইবনু মাজাহ ১৫৫৬, আহমাদ ১৪৯২, ১৬০৪









বুলূগুল মারাম (579)


وَلِلْبَيْهَقِيِّ عَنْ جَابِرٍ نَحْوُهُ, وَزَادَ: وَرُفِعَ قَبْرُهُ عَنِ الْأَرْضِ قَدْرَ شِبْرٍ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه البيهقي (3/ 407)، وابن حبان (8/ 218/6601) وهو معلول




৫৭৯। বাইহাকীতে জাবির (রাঃ) হতে অনুরূপই হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি বৃদ্ধি করেছেন: তাঁর কবর যমীন হতে এক বিঘৎ পরিমাণ উচু করা হয়েছিল। mdash;ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার আসকালানী আত্-তালখীসুল হাবীর (২/৬৯৩) গ্রন্থে বলেন, অন্য একটি মুরসাল সানাদে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে যার মধ্যে জাবের নেই। আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৭৫৬) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুনকার ও যঈফ বলেছেন। বাইহাকী সুনানুল কুবরা (৩/৪১১) গ্রন্থে মুরসাল বলেছেন, শাওকানী নাইলুল আওত্ত্বার (৪/১৩২) গ্রন্থেও অনুরূপ বলেছেন। যাহাবী তানকীহুত তাহকীক (১/৩১৯) গ্রন্থে একে মুনকাতি বলেছেন।

বিন বায বুলুগুল মারামের হাশিয়ায় (৩৬৪) বলেন, হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল আর স্পষ্ট হচ্ছে যে, হাদীসটি জাল। ইবনু হাজার আসকালানী বুলুগুল মারাম (১৬১) গ্রন্থে বলেন হাদীসটি মারফ ও মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত। ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শরাহ (২/৬০৪)তে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (580)


وَلِمُسْلِمٍ عَنْهُ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُجَصَّصَ الْقَبْرُ, وَأَنْ يُقْعَدَ عَلَيْهِ, وَأَنْ يُبْنَى عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (970)




৫৮০. উক্ত রাবী হতে মুসলিমে আছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরকে চুন-সুরকী দিয়ে পাকা করে গাঁথতে এবং কবরের উপর বসতে ও তার উপর কোন কিছু নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৯৭০ তিরমিযী ১০৫২, নাসায়ী ২০২৭, ২০২৮, ২০২৯, আবূ দাউদ ৩২২৫, ইবনু মাজাহ ২৫৬২, ১৫৬৩, আহমাদ ১৩৭২৫, ১৪২২৭।