বুলূগুল মারাম
وَعَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْفَجْرُ فَجْرَانِ: فَجْرٌ يُحَرِّمُ الطَّعَامَ وَتَحِلُّ فِيهِ الصَّلَاةُ, وَفَجْرٌ تَحْرُمُ فِيهِ الصَّلَاةُ - أَيْ: صَلَاةُ الصُّبْحِ - وَيَحِلَّ فِيهِ الطَّعَامُ». رَوَاهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَالْحَاكِمُ, وَصَحَّحَاهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن خزيمة (356)، وعنه الحاكم (191)، ويشهد له ما بعده
১৬৯। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ফজর দু প্রকার- প্রথমতঃ ঐ ফজর (যাতে সওম-এর নিয়্যাতে) পানাহার করা হারাম করে দেয় আর তাতে সালাত আদায় করা হালাল, আর দ্বিতীয়তঃ সেই ফজর (সুবহি কাযিব) যাতে ফজরের সালাত আদায় করা হারাম এবং খাদ্য খাওয়া হালাল। ইবনু খুযাইমাহ এবং হাকিম এটিকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা উভয়ে একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু খুযাইমাহ ৩৫৬; তার থেকে হাকিম ১৯১।
وَلِلْحَاكِمِ فِي حَدِيثِ جَابِرٍ - رضي الله عنه - نَحْوُهُ, وَزَادَ فِي الَّذِي يُحَرِّمُ الطَّعَامَ: «إِنَّهُ يَذْهَبُ مُسْتَطِيلًا فِي الْأُفُقِ» وَفِي الْآخَرِ: إِنَّهُ كَذَنَبِ السِّرْحَان
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الحاكم (191) وقال: «إسناده صحيح». وقال الذهبي: «صحيح». «والسرحان»: هو: الذئب، والمراد أنه لا يذهب مستطيلا ممتدا، بل يرتفع في السماء كالعمود. قاله الصنعاني
১৭০। হাকিমে জাবির (রাঃ) হতে অনুরূপ আরো একটি হাদীস বর্ণিত আছে তাতে আরো আছে, যে ফজরে (সওমের নিয়্যাতে) পানাহার করা হারাম তার আলোক রশ্মি পূর্ব দিগন্তে বিস্তৃত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে (যাকে সুবহি সাদিক বলা হয়)। আর অন্য ফজরের আলোক রেখা নেকড়ে বাঘের লেজের মতো উৰ্দ্ধমুখী থাকে (যাকে সুবহি কাযিব বলা হয়)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাকিম, ১৯১; হাকিম বলেছেন হাদীসের সনদ সহীহ। যাহাবী বলেছেন: সহীহ। “والسرحان” অর্থ নেকড়ে বাঘ। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এ আলোক রশ্মিটা খুব বিস্তৃত ও লম্বা হবে না। বরং একটা খুঁটির মত আকাশের দিকে খাড়া থাকবে। এটা ইমাম সনয়ানীর অভিমত।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَفْضَلُ الْأَعْمَالِ الصَّلَاةُ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِمُ. وَصَحَّحَاهُ
وَأَصْلُهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (173)، والحاكم (188) واللفظ للحاكم
১৭১। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সবচেয়ে উৎকৃষ্টতর পুণ্য কাজ হচ্ছে ওয়াক্তের প্রথম ভাগে সালাত আদায় করা। তিরমিযী এবং হাকিম একে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়েই এ হাদীসকে সহীহ বলেছেন।[1] আর এ হাদীসের মূল রয়েছে বুখারী ও মুসলিমে।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ, তিরমিযী ১৭৩; হা, ১৮৮। হাদীসের শব্দ বিন্যাস হাকিমের।
وَعَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَوَّلُ الْوَقْتِ رِضْوَانُ اللَّهُ, وَأَوْسَطُهُ رَحْمَةُ اللَّهِ; وَآخِرُهُ عَفْوُ اللَّهِ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ جِدًّا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه الدارقطني (149 - 2502)
১৭২। আবূ মাহযূরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: সালাতের সময়ের প্রথমাংশ সালাত কায়িম করা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ, মধ্যমাংশে কায়িম করা তাঁর অনুগ্রহ এবং শেষাংশে আল্লাহর ক্ষমা লাভের কারণ। (ইমাম দারাকুতনী অত্যন্ত দুর্বল সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন।)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসটি মাওজু’ বা জাল। দারাকুতনী ১৫৯-২৫০২ । ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১৮৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ইয়াকূব ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাদানী রয়েছে। তার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেন, সে বড় মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত, ইবনু মুঈনও তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। ইমাম নাসাঈ তাকে পরিত্যাগ করেছেন, আর ইবনু হিব্বান তাকে হাদীস জালকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ইবনুল মুলকিন তাঁর বদরুল মুনীর গ্রন্থে (৩/২০৯), ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (১/৪৪৭) গ্রন্থে, শাইখ আলবানী যঈফুল জামে (২১৩১) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন, তবে যঈফ তারাগীব (২১৮) গ্রন্থে একে জাল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনুল কীসরানী তার দাখীরাতুল হুফফায (১৪৪) ও মারিফাতুত তাযকিরাহ (১৩০) গ্রন্থে বলেন, সে বিশ্বস্ত রাবীদের নামে হাদীস জাল করত। ইবনু আদী বলেন, আল কামিল ফিয যুআফা (২/২৭০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে দুজন অপরিচিত বৰ্ণনাকারী রয়েছে। শুধুমাত্র ইমাম সুয়ূত্বী (ভুলক্রমে) আল জামেউস সগীর (২৮০৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলে ফেলেছেন।
وَلِلتِّرْمِذِيِّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ نَحْوُهُ, دُونَ الْأَوْسَطِ, وَهُوَ ضَعِيفٌ أَيْضًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. كسابقه. رواه الترمذي (172)، وفي قول الحافظ: «ضعيف» تساهل؛ فإن في إسناده يعقوب بن الوليد كان من الكذابين الكبار كما قال أحمد
১৭৩। তিরমিযীতে ইবনু উমার হতে এরূপ একটি হাদীস রয়েছে। তাতে মধ্যমাংশ শব্দ নেই। এটির সানাদও দুর্বল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মাওজূ’। তিরমিযী ১৭২। হাফিজ ইবনু হাজারের মতে যঈফ। যঈফ বলে শিখিলতা প্রদর্শন করা হয়েছে। কেননা, এ হাদীসের সনদে ইয়াকুব বিন ওয়ালীদ নাম একজন রাবী আছেন যার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেছেন সে বড় মিথ্যুকদের একজন।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا صَلَاةَ بَعْدَ الْفَجْرِ إِلَّا سَجْدَتَيْنِ». أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ, إِلَّا النَّسَائِيُّ
وَفِي رِوَايَةِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ: لَا صَلَاةَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ إِلَّا رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (1278)، والترمذي (419)، وأحمد (5811)، وعند أبي داود في أوله زيادة: «ليبلغ شاهدكم غائبكم». وقال الترمذي: «ومعنى هذا الحديث إنما يقول: لا صلاة بعد طلوع الفجر إلا ركعتي الفجر». قلت: وما قاله الترمذي هو لفظ رواية عبد الرازق. وأما ابن ماجه (235) فاقتصر على قوله: «ليبلغ شاهدكم غائبكم»، وبذلك يتبين أو عزو الحديث له غير دقيق من الحافظ رحمه الله
صحيح. رواه عبد الرازق في «المصنف» (3/ 53 /4760)
১৭৪। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন; ফজর সালাতের সময় সমাগত হলে ফজরের দুরাকআত (সুন্নাত) ব্যতীত অন্য কোন নফল সালাত (আদায় বৈধ) নেই।[1] আব্দুর রাযযাকের বর্ণনায় রয়েছে : ফজর উদিত হওয়ার পর ফজরের দুরাকআত (সুন্নাত) ছাড়া অন্য কোন সালাত নেই।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ ১২৭৮; তিরমিযী ৪১৯; আহমাদ ৫৮১১।
[2] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ৩/৫৩/৪৭৬০
وَمِثْلُهُ لِلدَّارَقُطْنِيّ عَنِ ابْنِ عَمْرِوِ بْنِ الْعَاصِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بما قبله. ورواه الدارقطني (1/ 419/3) ولفظه: لا صلاة بعد صلاة الفجر إلا ركعتين
১৭৫। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) এর পুত্র (‘আব্দুল্লাহ) হতে দারাকুতনীতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ১/৩/৪১৯। দারাকুতনী শব্দসমূহ হচ্ছেঃ لا صلاة بعد صلاة الفجر إلا ركعتين ফযর সালাতের পর দু’রাকয়াত ব্যতীত আর কোন সালাত নেই।
وَعَنْ أَمْ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الْعَصْرَ, ثُمَّ دَخَلَ بَيْتِي, فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ, فَسَأَلْتُهُ, فَقَالَ: «شُغِلْتُ عَنْ رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ, فَصَلَّيْتُهُمَا الْآنَ»، قُلْتُ: أَفَنَقْضِيهِمَا إِذَا فَاتَتْنَا قَالَ: «لَا». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (6/ 315) وفي «الأصل» بيان علة الضعف مع الرد على تحسين الشيخ عبد العزيز بن باز - حفظه الله- للحديث في تعليقه على «الفتح» (2/ 65)
১৭৬। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত আদায় করার পর আমার ঘরে তাশরীফ আনলেন। অতঃপর দুরাকআত সালাত আদায় করলেন। আমি তাঁকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: “যুহরের পরের দুরাকাত সুন্নাত সালাত সময়ে অভাবে পড়া হয় নি তাই এখন তা পড়ে নিলাম” আমি তাকে বললাম: “আমরাও কি তা ছুটে গেলে (এভাবে কাযা হিসেবে) পড়ে নিব?” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন: “না। (তা করবে না)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আহমাদ ২৬১৩৮, নাসায়ী ৫৭৯, ৫৮০, ইবনু মাজাহ ১১৫৯, দারেমী ১৪৩৬; শাইখ বিন বায তাঁর বুলুগুল মারামের হাশিয়া (১৫৮) গ্রন্থে এর সনদকে উত্তম বলেছেন। তবে এর প্রতিবাদ করা হয়েছে। যেমন শাইখ সালিহ আল ফাওযান তাঁর মিনহাতুল আল্লাম কী শরহে বুলুগুল মারামে (১৭৬, ১৭৭) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের দুটি ত্রুটি রয়েছে। প্রথমতঃ যাকওয়ান (আবু আমার আল মাদানী) ও আবু সালামার মাঝে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। দ্বিতীয়তঃ أَفَنَقْضِيهِمَا ؟ قال لَا এ কথাটি সাব্যস্ত কিনা সে বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। ইবনু হাযম তাঁর মুহাল্লা (২/২৭১) গ্রন্থে ইমাম বাইহাকীর কথা নকল করে বলেন, এ অতিরিক্ত অংশটি দুর্বল। এর দ্বারা দলীল সাব্যস্ত হয় না। (ফাতহুল বারী ২/৬৪)। ইবনু হাযম তাঁর মুহাল্লা (২/২৬৭) গ্রন্থে হাদীসটিকে মুনকার ও মুনকাতি’ বলেছেন।
وَلِأَبِي دَاوُدَ عَنْ عَائِشَةَ بِمَعْنَاهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (1280) عن عائشة؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم: كان يصلي بعد العصر وينهي عنها
১৭৭। আবূ দাউদে ‘আয়িশা (রাঃ) হতে উক্ত মর্মে হাদীস বর্ণিত আছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। আবু দাউদ ১২৮০। নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, এর সনদে ইনকিতার কারণে ত্রুটি রয়েছে। (ইরওয়া ২/১৮৮), সিলসিলা যাঈফা ৯৪৬ মুনকাররূপে। এ হাদীসের রাবীতে রয়েছে যাকওয়ান। আর উম্মু মাসলামা থেকে তার বর্ণিত হাদীসটি মুনকার (আল-মুহাল্লা আহমাদ শাকের ২/২৬৭)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ - رضي الله عنه - قَالَ: طَافَ بِي - وَأَنَا نَائِمٌ - رَجُلٌ فَقَالَ: تَقُولُ: اللَّهُ أَكْبَرَ اللَّهِ أَكْبَرُ, فَذَكَرَ الْآذَانَ - بِتَرْبِيع التَّكْبِيرِ بِغَيْرِ تَرْجِيعٍ, وَالْإِقَامَةَ فُرَادَى, إِلَّا قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ. قَالَ: فَلَمَّا أَصْبَحْتُ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «إِنَّهَا لَرُؤْيَا حَقٍّ ... ». الْحَدِيثَ. أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ خُزَيْمَةَ
وَزَادَ أَحْمَدُ فِي آخِرِهِ قِصَّةَ قَوْلِ بِلَالٍ فِي آذَانِ الْفَجْرِ: «الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح وإسناده حسن. رواه أبو داود (499)، والترمذي (189)، وأحمد (4/ 43)، وابن خزيمة (371) وقال الترمذي: «هذا حديث حسن صحيح». وقال ابن خزيمة (197): خبر ثابت صحيح من جهة النقل
১৭৮। আবদুল্লাহ বিন যায়দ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, স্বপ্নযোগে দেখলাম, কোন ব্যক্তি আমার নিকট এসে বলছে- তুমি বল, ‘আল্লাহু আকবার ‘আল্লাহু আকবার অতঃপর তিনি পূর্ণ আযান বর্ণনা করলেন। এতে ‘আল্লাহু আকবার চার বার ছিল। কিন্তু ‘তারজী ছিল না। আর ইকামাতের সব বাক্যই একবার করে ছিল। কিন্তু ‘কাদকামাতিস সালাহ বাক্যটি ছিল দুবার। বর্ণনাকারী বলেছেন- সকাল হলে আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে (এসে স্বপ্নটির বর্ণনা দিলাম)। তিনি এ স্বপ্ন সম্বন্ধে বললেন স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। আহমাদ ও আবূ দাউদ, তিরমিযী ও ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]
আহমাদ এ হাদীসের শেষাংশে- ফজরের সালাতের আযান সম্পকীয় বিলাল (রাঃ)-এর ঘটনাটিতে ‘ঘুম থেকে সালাত উত্তম অংশটি বাড়িয়েছেন।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ ৪৯৯; তিরমিযী ১৮৯; আহমাদ ৪/৪৩; ইবনু খুযাইমাহ ৩৭১ ইমাম তিরমিযী বলেন হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু খুজাইমাহ বলেন (১৯৭) : বর্ণনাভঙ্গির দিক থেকে হাদীসটি প্রমাণিত সহীহ।
[2] আবু দাউদ ৪৯৯; তিরমিযী ১৮৯; আহমাদ ৪/৪৩; ইবনু খুযাইমাহ ৩৭১ ইমাম তিরমিযী বলেন হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু খুজাইমাহ বলেন (১৯৭) : বর্ণনাভঙ্গির দিক থেকে হাদীসটি প্রমাণিত সহীহ।
وَلِابْنِ خُزَيْمَةَ: عَنْ أَنَسٍ قَالَ: مِنَ السُّنَّةِ إِذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ فِي الْفَجْرِ: حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ, قَالَ: الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه ابن خزيمة (386) بسند صحيح
১৭৯। ইবনু খুযাইমাহতে আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেছেন, যখন মুয়াযযিন ফজরের আযানে ‘হায়ইয়া আলাল ফালাহ বলেন তারপর ‘আস সালাতু খাইরুম মিনান্নাওম বলা সুন্নাত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু খুযাইমাহ ৩৮৬ হাদীসটিকে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَلَّمَهُ الْآذَانَ, فَذَكَرَ فِيهِ التَّرْجِيعَ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ. وَلَكِنْ ذَكَرَ التَّكْبِيرَ فِي أَوَّلِهِ مَرَّتَيْنِ فَقَطْ
وَرَوَاهُ الْخَمْسَةُ فَذَكَرُوهُ مُرَبَّعًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (379) «والترجيع»: أي في الشهادتين فيقولها مرة بصوت منخفض، ومرة أخرى بصوت مرتفع
صحيح. رواه أبو داود (502)، والنسائي (2/ 4 - 5)، والترمذي (192)، وابن ماجه (709)، وأحمد (3/ 409 و 6/ 401)، وقال الترمذي: حديث حسن صحيح
১৮০। আবূ মাহযূরাহ (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে আযান শিখিয়েছিলেন। তিনি সেই আযানে ‘তারজী এর উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ হাদীসের প্রথমে মাত্র দুবার তাকবীর[1] বলার কথা উল্লেখ করেছেন। আর (বুখারী, মুসলিম ব্যতীত) অন্য পাঁচ জনে বর্ণনা করে চার বার তাকবীর বলার কথা উল্লেখ করেছেন।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৩৭৯। ‘তারজী’ অর্থ: শাহাদাতাইনকে প্রথমবার নিম্ন আওয়াজে, দ্বিতীয়বার উচ্চ আওয়াজে বলা।
[2] সহীহ আবু দাউদ ৫০২; নাসায়ী ২/৪-৫; তিরমিযী ১৯২; ইবনু মাজাহ ৭০৯; আহমাদ ৩/ ৪০৯, ৬/৪০১ ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।
وَعَنْ أَنَسِ [بْنِ مَالِكٍ]- رضي الله عنه - قَالَ: أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْآذَانَ, وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ, إِلَّا الْإِقَامَةَ, يَعْنِي قَوْلَهُ: قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَلَمْ يَذْكُرْ مُسْلِمٌ الِاسْتِثْنَاءَ
وَلِلنَّسَائِيِّ: أَمَرَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِلَالًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (605)، ومسلم (378)
صحيح. رواه النسائي (2/ 3)
১৮১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) যেন জোড়া বাক্যে ‘আযান ও বিজোড় বাক্যে ‘ইকামাত দেন (কাদকামাতিস সালাহ) দুবার। এভাবে (আযান-ইকামত) দেয়ার আদেশ দেয়া হয়েছিল। তবে মুসলিমে ইল্লাল ইকামাত তথা ‘কাদকামাতিস সালাহ দুবার বলতে হয়- কথার উল্লেখ করেননি।[1]
নাসায়ীতে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ আদেশ করেছিলেন। [2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬০৫; মুসলিম ৩৭৮
[2] নাসায়ী ২/৩
وَعَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: رَأَيْتُ بِلَالًا يُؤَذِّنُ وَأَتَتَبَّعُ فَاهُ, هَاهُنَا وَهَاهُنَا, وَإِصْبَعَاهُ فِي أُذُنَيْهِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
وَلِابْنِ مَاجَهْ: وَجَعَلَ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ
وَلِأَبِي دَاوُدَ: لَوَى عُنُقَهُ, لَمَّا بَلَغَ «حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ» يَمِينًا وَشِمَالًا وَلَمْ يَسْتَدِرْ
وَأَصْلِهِ فِي الصَّحِيحَيْنِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4/ 308 - 309)، والترمذي (197)، وقال الترمذي: حديث حسن صحيح
ابن ماجه (711)، وهو صحيح أيضا، وإن كان في سنده ضعيف
أبو داود (520) وهو منكر
قلت(سمير بن أمين الزهيري) هو في البخاري (634)، ومسلم (503)، عن ابن أبي جحيفة، عن أبيه؛ أنه رأى بلالا يؤذن. قال: فجعلت أتتبع فاه هاهنا وهاهنا
১৮২। আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- আমি বিলাল (রাঃ)-কে তাঁর দুকানে আঙ্গুল দিয়ে আযান দিতে এবং আযানে এধার ওধার অর্থাৎ ডানে-বামে মুখ ফেরাতে দেখেছি[1]।
ইবনু মাজাহতে আছে- ‘এবং তিনি তাঁর আঙ্গুলদ্বয় তাঁর দুই কানে ঢুকিয়েছিলেন।[2]
তবে তিনি সম্পূর্ণরূপে ঘুরে যেতেন না।[3]
এর মূল বক্তব্য বুখারী, মুসলিমে রয়েছে।[4]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ৪/৩০৯-৩০৮; তিরমিযী ১৯৭। তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
[2] ইবনু মাজাহ (৭১১) এ হাদীসটিও সহীহ যদিও এ হাদীসের সনদে দুর্বলতা আছে।
[3] আবু দাউদ ৫২০ হাদীসটি মুনকার।
[4] মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি বুখারীতে ৬৩৪ নং এবং মুসলিমে ৫০৩ নং এ ইবনু আবী জুহাইফাহ থেকে তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বেলাল (রাঃ) কে আযান দিতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি তার মুখমণ্ডলকে এদিক ওদিক ঘুরাতে প্রত্যক্ষ করেছি।
وَعَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَعْجَبَهُ صَوْتُهُ, فَعَلَّمَهُ الْآذَانَ. رَوَاهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه ابن خزيمة (377)
১৮৩। আবূ মাহযূরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তাঁর কণ্ঠস্বর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পছন্দনীয় হওয়ায় তিনি তাঁকে আযান শিখিয়ে দেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু খুযাইমাহ ৩৭৭
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - الْعِيدَيْنِ, غَيْرَ مَرَّةٍ وَلَا مَرَّتَيْنِ, بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (887)
১৮৪। জাবির বিন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে দু ঈদের- (ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার) একাধিকবার সালাত আযান ও ইকামাত ছাড়াই আদায় করেছি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৮৭, তিরমিযী ৫৩২, আহমাদ ২০৩৩৬, ৩০৩৮৪, আবু দাউদ ১১৪৮।
وَنَحْوُهُ فِي الْمُتَّفَقِ: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا -, وَغَيْرُهُ
১৮৫। এবং অনুরূপ হাদীস ইবনু ‘আব্বাস ও অন্যান্য সাহাবী (রাঃ) হতেও বুখারী এবং মুসলিমে বিদ্যমান।
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةٌ فِي الْحَدِيثِ الطَّوِيلِ, - فِي نَوْمهُمْ عَنِ الصَّلَاةِ - ثُمَّ أَذَّنَ بِلَالٌ, فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - كَمَا كَانَ يَصْنَعُ كُلَّ يَوْمٍ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (681) في حديث طويل
১৮৬। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) থেকে একটি দীর্ঘ হাদীসে সাহাবীগণের ফজরের সালাতের সময় ঘুমিয়ে পড়া সম্বন্ধে বর্ণিত- “অতঃপর বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন ও তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন, যেভাবে প্রতিদিন আদায় করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৬৮১।
وَلَهُ عَنْ جَابِرٍ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى الْمُزْدَلِفَةَ فَصَلَّى بِهَا الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ, بِأَذَانٍ وَاحِدٍ وَإِقَامَتَيْنِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2/ 891/عبد الباقي)، وفي مسلم بعد اللفظ المذكور قوله: «ولم يسبح بينهما شيئا». قلت: وهذا هو الصواب في تلك الليلة -ليلة مزدلفة- وأما ما ذكره بعضهم أن من السنة صلاة ركعتين سنة المغرب اعتمادا منه على رواية ابن مسعود التي في «البخاري» فهو خطأ، وقد رددت عيه مفصلا بالأصل
১৮৭। মুসলিমে জাবির (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত আছে- (হজের সময় ‘আরাফাহ থেকে মিনা ফেরার পথে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় আগমন করলেন। অতঃপর এসে মাগরিব ও ইশা সালাত একই আযানে ও দুইকামতে সমাধা করলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২/৮৯১ আব্দুল বাকী। উল্লেখিত শব্দের পর মুসলিমে আরো আছে ولم يسبح بينهما شيئا এ উভয় সালাতের মাঝে আর কোন নফল সালাত আদায় করেননি। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন: ঐ মুযদালিফার রাত্রির জন্য এ কথা ঠিক আছে। আর অন্যান্যরা বর্ণনা যে উল্লেখ করেছেন যে, বুখারী থেকে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ সুত্রে বর্ণিত হাদিস দ্বারা কেউ কেউ মাগরিবের দ’রাকাত সালাতকে সুন্নাত মনে করে থাকেন যেটি ভুল। আমি “আল-আসল গ্রন্থে এর প্রতিবাদে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
وَلَهُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ: جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ
زَادَ أَبُو دَاوُدَ: لِكُلِّ صَلَاةٍ
وَفِي رِوَايَةِ لَهُ: وَلَمْ يُنَادِ فِي وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1288) (289 و 290) وقوله: «بإقامة واحدة» أي: لكل صلاة كما هي رواية أبي داود (1928)، وهذا الحمل لرواية مسلم أولى من القول بشذوذها. وأما رواية أبي داود: «ولم يناد في واحدة منهما» فهي شاذة. والله أعلم
১৮৮। মুসলিমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে আরো আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিব ও ইশার সালাত এক ইকামাতে জমা (একত্ৰিত) করে আদায় করলেন। [1]
কিন্তু আবূ দাউদ প্রত্যেক সালাতের জন্য কথাটি বৃদ্ধি করেছেন এবং আবূ দাউদের অন্য এক বর্ণনায় আছে, “দু সালাতের মধ্যে কোন একটিতে (দ্বিতীয় সালাতে) আযান দেয়া হয়নি।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৯০, ২৮৯, ১২৮৮ ৷